উপমন্যু রায়

এই সেই রহস্যে ঘেরা আমেরিকার বিখ্যাত ফোরপাফ ম্যানসন। এখন এটি একটি রেস্তরাঁ। ঠিকানা ২৭৬ এক্সচেঞ্জ স্ট্রিট, সেন্ট পল।

এই রহস্যময় ঘরেই রাতে কোনো এক নারীর আবছা শরীরকে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। বলা হয় ওই নারী আসলে ফোরপাফ পরিবারের পরিচারিকা মলিই। রাত গভীর হলে তার অতৃপ্ত আত্মাই নাকি এই বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় এখনও চলাফেরা করে।

কলকাতার দমদমে নাগেরবাজারে যশোহর রোডের সেই ক্লাইভ হাউস। শোনা যায়, কোনো কোনো রাতে নাকি সাহেব ক্লাইভকে এখনও এই বাড়িতে দেখা যায়। গাছের ফাঁক দিয়ে দেখা যাচ্ছে সেই বাড়ি।

ব্রিটেনের ল্যাঙ্কাশায়ারের সমেশবেরি হল। এখনও লেডি ডরোথি সাউথওয়ার্থ এবং অন্যান্যদের অশরীরী উপস্থিতি নাকি ওই হলে রয়েছে।

ইটালির তোরিনায় সেই বিখ্যাত দুর্গ ক্যাস্তেলো ডি মন্তেবেলো

সেই ফুটফুটে বাচ্চা মেয়েটি যার নাম অ্যাজুরিনা

ভেনিসের পোভেগ্লিয়া আইল্যাণ্ড। এখনও এই দ্বীপের বিভিন্ন স্থানে প্লেগে মৃত লক্ষাধিক মানুষের কঙ্কালের অংশবিশেষ দেখতে পাওয়া যায়

ইটালির বিখ্যাত ভৌতিক স্থানগুলির মধ্যে অন্যতম বলে পারমার ক্যাস্তেলো ডি বার্ডি বা বার্ডি ক্যাসলের কথা অনেকে উল্লেখ করে থাকেন

সেই রহস্যময় আলভোরাদা প্রাসাদ

স্ত্রী মার্সেলার সঙ্গে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট মাইকেল তেমের

১৯৭৫ সালে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে যায় এই জোয়েলমা বিল্ডিং। মারা যান প্রায় ২০০ মানুষ। এর পরই বাড়িটি রহস্যময় হয়ে ওঠে। ওই বহুতলে নাকি ভয়ংকর অতিপ্রাকৃত শক্তির উপস্থিতি রয়েছে।

রিও ডি জেনেইরো থেকে এই রাস্তাটিই পেট্রোপোলিসে গিয়েছে। এই রাস্তায় সোনালি চুলের এক রহস্যময়ী নাকি গাড়িচালকদের বিভ্রান্ত করে।

গর্ভনর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস

বেলডেভিয়ার প্যালেস

২০১৬ সালের ৩১ মার্চ কলকাতার বিবেকানন্দ উড়ালপুল ভেঙে পড়ে। ভেঙে পড়ার পর উদ্ধারকাজ চলার মুহূর্তের ছবি। এই উড়ালপুল সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে নানারকম প্যারানর্মাল অ্যাক্টিভিটির কথা শোনা যায়।

কলকাতার বিবাদি বাগে জিপিও-র এই সুবিশাল অট্টালিকায় নাকি অশরীরী শক্তির অস্তিত্ব টের পেয়েছেন অনেকেই।

এই সেই রহস্যময় ম্যারি কেলেস্টে জাহাজ। ১৮৭২ সালের ৭ নভেম্বর জাহাজটি নিউ ইয়র্ক থেকে জেনোয়ার উদ্দেশে রওনা দেয়। কিন্তু জেনোয়া পৌঁছোনোর আগেই জাহাজটি রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যায়। পরে জিব্রাল্টার প্রণালীতে জাহাজটিকে পাওয়া গেলেও কোথায় যেন হারিয়ে যান জাহাজের সব যাত্রী!

উত্তর কোরিয়ার সেই ‘ঘোস্টলি শিপস’-এর একটি। পরীক্ষা করে দেখছেন জাপানের তদন্তকারীরা।

আঠারো শতকের ভূতুড়ে জাহাজ বলে এই অক্টাভিয়াস জাহাজটির কথা উল্লেখ করে থাকেন অনেকেই। গ্রিনল্যাণ্ডের পশ্চিম উপকূলের কাছে হেরাল্ড নামে এক তিমি শিকারি ১৭৭৫ সালে জাহাজটিকে খুঁজে পান।

এম ভি জয়িতা ছিল একটি মোটরচালিত বিলাসবহুল জাহাজ। এই জাহাজটিও নাবিকদের কাছে ভৌতিক জাহাজ হিসাবে পরিচিত।

ওয়াশিংটনের সেই হোয়াইট হাউস। দু-শো বছরেরও বেশি পুরোনো এই অট্টালিকার প্রতি কোণে নাকি হাতছানি দেয় অশরীরী রহস্য।

আব্রাহাম লিঙ্কনের মূর্তি। লিঙ্কনের আত্মা নাকি এখনও হোয়াইট হাউসে ঘুরে বেড়ায়।

কলোরাডোর সেই রহস্যময় স্ট্যানলি হোটেল। এই হোটেলের রাতগুলি নাকি এখানে আসা অতিথিদের কাছে ভয়াবহ হয়ে ওঠে।

কার্শিয়াঙের ভিক্টোরিয়া বয়েজ হাই স্কুলটিই নাকি অশরীরীদের প্রধান আশ্রয়স্থল। স্কুল ছুটি থাকার সময় এখানে অশরীরী অস্তিত্ব প্রকট হয়ে ওঠে।

লি পোর্তের বন্দর অঞ্চল। সেখানে এভাবে জাহাজ-লঞ্চের ভিড় লেগেই থাকে।

লি পোর্তের ফাঁকা রাস্তা। এমন এলাকাই কি অশরীরীদের পছন্দের? তাই কি সেই সুযোগ নিয়ে তারা এই অঞ্চলের একটি বাড়িতে অদৃশ্য থেকে মানুষের উপর আক্রমণ চালিয়ে যায়?

শাতো দ্য ত্রেকসঁ একটি মধ্যযুগীয় দুর্গ। সাদা পোশাক পরিহিতা এক নারী, মুন্ডহীন যাজক, ভৌতিক কার্ড খেলোয়াড় এবং এক বেনামা জমিদারের পা দেখতে পাওয়া যায় এখানে।

কাতাকঁব প্যারিসের একটি আণ্ডারগ্রাউণ্ড অসারি বা অস্থি আধার। এখানে ষাট লক্ষেরও বেশি মৃত মানুষের মাথার খুলি ও কঙ্কাল রয়েছে।

স্কটল্যাণ্ডের সবচাইতে ভয়ের জায়গা হিসাবে যে-সমস্ত স্থান চিহ্নিত হয়ে রয়েছে, সেগুলির মধ্যে বেশি ভয়ংকর জায়গা বলে এডিনবার্গ ক্যাসলকে সকলেই মেনে নিয়েছেন। এটি ন-শো বছরের পুরোনো একটি দুর্গ।

ওভারটাউন ব্রিজ থেকে ৫০ ফুট নীচে বয়ে যাওয়া জলপ্রপাতে ৬০০-রও বেশি কুকুর ঝাঁপ দিয়েছিল। আশ্চর্যের বিষয় হল, কুকুরগুলো ব্রিজের একই দিক থেকে নীচে ঝাঁপ দেয়।

বোরলে রেকটরি ছিল ভিক্টোরীয় আমলের অট্টালিকা। ১৯৩৯ সালে এই বাড়িটি ভস্মীভূত হওয়ার পরই এই ভূতুড়ে বাড়ি হিসাবে খ্যাতি পেয়ে যায়।

ভয়ংকর বাড়ি বললেও কম বলা হবে এই উডচেস্টার ম্যানসনকে। এই অট্টালিকার নির্মাণকাজ আজও অসমাপ্ত।
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন