অবিন সেন
বাংলা বিজয় তো সম্পূর্ণ হল কিন্তু বিপদসংকুল পরিস্থিতিতে স্বাধীনচেতা বঙ্গবাসীকে শাসন করার ক্ষমতা খানজাহান হুসেন কুলি খাঁ-র ছিল না। কুলি খাঁ যোদ্ধা। যুদ্ধে তিনি পটু, কিন্তু রাজ্য শাসনের কূটনৈতিক বুদ্ধি তাঁর ছিল না। তার উপরে তিনি ছিলেন ইন্দ্রিয়াসক্ত। ফলে অস্ত্র তাঁর হাতে বশ মানলেও শাসনদণ্ডকে তিনি বশ মানাতে পারলেন না। বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে স্বাধীনচেতা ভূস্বামীগণ বিদ্রোহী হয়ে অস্ত্র ধরতে শুরু করল। মোগলদের রাজস্ব দিতে অস্বীকার করতে থাকল।
কাসিদ মারফত সম্রাট আকবরের কাছে এই খবর পৌঁছালে তিনি প্রমাদ গুনলেন। তিনি ভাবলেন বঙ্গের এই পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিতে একজনই হাল ধরতে পারবেন, তিনি মহাপ্রাজ্ঞ টোডরমল। যুদ্ধের সময়ে মুনিম খাঁর সঙ্গে বঙ্গে এলেও, দাউদের পতনের পরে তিনি ওড়িশায় গমন করেন। সেখানে তিনি রাজস্ব ব্যবস্থার ও ভূমি সংস্কারের কাজে অধিক মনোনিবেশ করেন। সম্রাট আকবর বিপদ বুঝে টোডরমলের কাছে নির্দেশ পাঠালেন বাংলার শাসনভার নিজের হাতে তুলে নেবার জন্য।
ওড়িশায় টোডরমলের কার্যও প্রায় শেষের পথে। তিনি সত্বর নিজের কাজ সমাধান করে বাংলার অভিমুখে যাত্রা করেন। তিনি প্রগাঢ় ধর্মপ্রাণ হিন্দু। প্রত্যহ প্রাতে ইষ্টদেবতা বিষ্ণুর একটি বিগ্রহে পূজা নিবেদন না করে তিনি জলস্পর্শ করতেন না। এক করতল দীর্ঘ রত্নখচিত কষ্টিপাথরের বিষ্ণুমূর্তিটিকে তিনি সর্বক্ষণ নিজের কাছে রাখেন। সরলমতি নিরহংকার টোডরমলকে সম্রাট যথেষ্ট ভরসা করেন। সরল মুখে যে কোনও মানুষকে ভুলিয়ে-বুঝিয়ে কাজ আদায় করাতে তাঁর জুড়ি নেই। ক্রোধ ও নিষ্ঠুরতাকে তিনি হাসিমুখে দমন করতে পারেন। এ এক মস্ত গুণ তাঁর। এর ফলে যে কোনও কঠোর কাজও তিনি হাসি মুখের অভিনয়ে অন্যকে দিয়ে করিয়ে নিতে পারেন।
পুরীর সমুদ্রে অবগাহন করে তিনি আপন ইষ্টদেবতার চরণে পূজা দিলেন। তারপরে পদব্রজে গেলেন জগন্নাথদর্শনে। তখনও প্রভাতের আলো ভালো করে বিকশিত হয়নি। দু-একটা পাখি ডেকে উঠছে মাঝে মাঝে। টোডরমল একবার আকাশের দিকে তাকালেন। পাখিরা সব ঘুম ভেঙে বাসা থেকে কোথাও দূরে চলে যাচ্ছে! দুর থেকে যে হাওয়া আসছে সেই হাওয়ার সঙ্গে যেন ক্ষণে ক্ষণে ডেকে উঠছে সমুদ্রের চঞ্চল ঊর্মিমালা। তিনি অন্যমনা হয়ে গেলেন। জগন্নাথদেবের বিগ্রহের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি মনে মনে ভাবলেন, এই বুঝি শেষ নমস্কার বাবার পায়ে। আর হয়তো কোনওদিনই এখানে ফিরে আসা হবে না। তিনি নিজেই জানেন না কতদিন তাঁকে গৌড়ের শাসনভার সামলাতে হবে।
দেবদর্শন সারা হলে পর সকালের আলো ভালো করে ফুটে ওঠার আগেই তিনি বেরিয়ে পড়লেন। তিনি তো একা নন। তাঁর সঙ্গে শক্তিশালী দেহরক্ষীর এক বাহিনীও আছে। তৈজসপত্র বহনের জন্য পাঁচটি হস্তী। গো-শকট কয়েকটি। তিনি নিজে যাবেন শিবিকা আরোহণে। সেই সঙ্গে এক বাহিনী পদাতিক সৈন্য।
শ্যামল বাংলার শোভা দেখে টোডরমল মুগ্ধ হয়ে গেলেন। পূর্বে কখনও তিনি বাংলায় আসেননি। কিন্তু শস্য-শ্যামলা বাংলার কাহিনি শুনেছেন। দিল্লির এক রুক্ষ শুষ্ক অঞ্চলে মানুষ হয়েছেন তিনি। তারপরে তাঁর জীবন নানা ঘাতপ্রতিঘাতে কেটে গিয়ে শেষে ভাসতে ভাসতে সম্রাট আকবরের দেওয়ানখানায় সামান্য মুনশির কাজে লেগে গিয়েছিলেন। নিজের বুদ্ধিমত্তা আর নির্লোভ স্বভাবের গুণে তিনি এই উচ্চতায় পৌঁছেছেন।
বর্ষা বিদায় নিয়েছে। আকাশের নীল রং পারস্য গালিচার মতো মোলায়েম। উজ্জ্বল রোদ সেই নীলের গায়ে প্রতিফলিত হয়ে যেন উল্লাসে ফেটে পড়ছে। ভরা নদীর পারে সাদা কাশের সারি দেখতে দেখতে টোডরমল তাজ্জব হয়ে গেলেন। মনে মনে ভাবলেন কোথা থেকে এত এত সাদা তুলোর পাহাড় নেমে এল পথে প্রান্তরে!
টোডরমল বিষয়ী মানুষ হলে কী হবে, তাঁর ভিতরে কোথাও যেন একটা শায়ের লুকিয়ে থাকে। চারপাশ দেখতে দেখতে তিনি আপন মনে একটা চৌপাই আওড়াচ্ছিলেন গুনগুন করে। এমনি করে নিরবচ্ছিন্নভাবে অকারণ পথ চলতে পারেন না তিনি। মাঝে মাঝে বিরতি দিয়ে কোথাও কোনও জনপদের পাশে নদীর তীরে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে নেন। শুধু কি বিশ্রাম! গ্রাম দেখা হয়। মাঠের পাশে ফসল দেখা হয়। নদীর ধারে গিয়ে জেলে-মাঝিদের লক্ষ্য করেন। সবাইকে তিনি লক্ষ্য করেন। এক এক জন মানুষের এক এক রকমের ভঙ্গি। দেখেন হাড়ভাঙা পরিশ্রম করতে করতে কৃষক আপন খুশিতে গান গেয়ে চলেছে, আবার অলস ভোগী মানুষ গাছের ছায়ায় বিশ্রাম করতে করতে অকারণে মানুষকে গালি দিচ্ছে। এমনি করে প্রতি মুহূর্তে চলমান মানব জীবনের থেকে তিনি শিক্ষা লাভ করেন। কখনও তিনি গ্রামের সাধারণ মানুষের সঙ্গে দু-দণ্ড গল্প করে নেন। হয়তো কারও গাইয়ের নতুন একটা বকনা বাছুর হয়েছে। সেই নিয়ে মানুষটি ভীষণ খুশি। এইবারে বেশি বর্ষণে ধানের ফলন কম হল। ধুতি কাপড়ের খুঁট মাথায় জড়িয়ে মানুষটা উদাস বসে আছে। তিনি বিশ্বাস করেন মানুষের এই নিরন্তর সুখ-দুঃখের ভিতরে লুকিয়ে আছে দেশশাসনের ভিত্তি। শুধু গ্রামপ্রান্তর দেখা নয়, তাঁর সঙ্গে সব সময়ে জমি জরিপের লোক-লশকর থাকে। গ্রাম দেখতে দেখতে তিনি জরিপের কাজটাও অনেকটা সেরে নিচ্ছেন। রাজ্যশাসনের জন্য রাজ্যের সঠিক সীমানা নির্ধারণ আর সেই সঙ্গে স্থাবর সম্পদের একটা রূপরেখা নির্ধারণ প্রয়োজন। তা না হলে সঠিক ভাবে রাজস্ব আদায় সম্ভব নয়।
গৌড়ে পৌঁছে তিনি দেখলেন সম্পূর্ণ নতুন রাজকর্মচারীদের দিয়ে সুশৃঙ্খল ভাবে রাজ্যশাসন সম্ভব নয়। বুঝলেন শৃঙ্খলা ফিরিয়ে নিয়ে আসতে গেলে সবার প্রথমে শান্তি স্থাপন করতে হবে।
সেই কারণে প্রথমেই তিনি অস্ত্র-সুখে সুখী উচ্ছৃঙ্খল মোগল সৈন্যদের নিয়ন্ত্রণ করলেন। ফলে খানজাহান কুলি খাঁর সঙ্গে তাঁর বিবাদের উপক্রম হল। কিন্তু টোডরমল সংযত চিত্তে কুলি খাঁকে নিয়ন্ত্রণ করলেন। কৌশলে তিনি জমি জরিপের জন্য বিশেষ এক বাহিনী গঠন করলেন। কুলি খাঁকে করলেন সেই বাহিনীর নিয়ন্ত্রক। এই ধৈর্যপূর্ণ কাজে কুলি খাঁ মজা পেলেন না। বরং বিরক্তই হলেন। কিন্তু মুখে কিছু বলতে পারলেন না। টোডরমল খোদ সম্রাটের ফরমান নিয়ে এসেছেন। কুলি খাঁ প্রথমটায় নিজের অনুগতদের মধ্যে একটু তড়পালেন, তারপরে হাল ছেড়ে সুরা আর নারীতে ডুবে গেলেন।
টোডরমল মনে মনে শান্তি পেলেন। তিনি ঠিক করলেন, দাউদের রাজকার্যের বিশ্বস্ত কর্মচারীদের ফিরিয়ে আনবেন। কারণ এই রাজ্যের ভালো মন্দ তারাই ভালো বলতে পারবে। না হলে তাঁকে অকারণে অন্ধকারে হাতড়ে সময় নষ্ট করতে হবে। সবাইকে বাজিয়ে দেখলে গোপন শত্রুদের বিষয়ে তিনি একটা সম্যক ধারণা করতে পারবেন।
এই মর্মে তিনি চারদিকে ঢ্যাঁড়া পিটিয়ে দিলেন, ‘যাঁরা পূর্বে রাজকর্মচারী ছিলেন তাঁরা যেন সত্বর উপযুক্ত প্রমাণাদি সহ যোগাযোগ করেন, নতুন সরকার পুনরায় তাদের কাজে বহাল করবে’।
সেই সঙ্গে নিজেও তিনি এক একদিন ছদ্মবেশে রাজ্য পরিক্রমায় বেরিয়ে পড়তে লাগলেন। এই বিষয়টা তিনি আলা হজরত আকবরের কাছ থেকে শিখেছেন।
এক দিন, দ্বিপ্রহরে তীব্র রোদে প্রকৃতি বড়োই পরিশ্রান্ত। বাদরিয়া মরশুম কেটে যাবার পরে এই সময়ে বাতাসে জলীয়বাষ্পের খুবই আধিক্য। সামান্য পরিশ্রমে শরীরে স্বেদ জমে, সেই সঙ্গে জমে ক্লান্তি। টোডরমল এক ব্রাহ্মণ পরিব্রাজকের ছদ্মবেশে জনপদ দেখতে বেরিয়েছেন। এক আভিরপল্লির কাছে এসে বৃহৎ একটি বটবৃক্ষ দেখতে পেয়ে তাঁর নীচে তিনি উপবেশন করলেন। তাঁর মাথায় বৃহৎ একটি শিখা। যাতে সহজেই সকলের চোখে পড়ে। পরনে মলিন উত্তরীয়। সেই উত্তরীয়ের ফাঁক দিয়ে ততোধিক মলিন উপবীত দেখা যায়। পায়ে খড়ম। সঙ্গে ভৃত্যর বেশে এক দেহরক্ষী। তার কাঁধে বিশাল এক ঝোলা। তার ভিতরে ছোট্ট হাতকামান। তীক্ষ্ণ খঞ্জর।
ব্রাহ্মণকে দেখে এক আভির বৃদ্ধ দূর থেকে প্রণাম করলেন।
- ঠাকুরমশাই কি পথিক?
ছদ্মবেশী টোডরমল ঘাড় নাড়লেন। বললেন, ‘আমরা দেশ দেখতে বেরিয়েছি। এখান থেকে সাত ক্রোশ দূরে এক যজমানের বাড়ি যাব। বিবাহের অনুষ্ঠান আছে। কিন্তু তার ঢের দেরি আছে। ভাবলুম দেশ দেখা হবে! তাই দু দিন আগেই বেরিয়েছি।’
বৃদ্ধ আভির বিগলিত ভক্তিতে ব্রাহ্মণের যত্নের ত্রুটি রাখলেন না। নিকটেই তাঁর কুঁড়ে। সেখান থেকে দুগ্ধ মাখন নিয়ে এসে উত্তমরূপে ভোজন করালেন।
আহার সেরে টোডরমল গাত্রোত্থান করেছেন সবে, সেখানে এক সন্ন্যাসী এসে উপস্থিত হলেন। দীর্ঘদেহী কিন্তু ঈষৎ কৃশ। রোদের তাপে অধিক গৌরবর্ণ দেহ রক্তিমাভা ধারণ করেছে। তাঁর পরনের গেরুয়া বস্ত্র ধুলোয়, স্বেদে মলিন হয়ে গিয়েছে। নগ্ন পদে সারা পথের ধুলো।
টোডরমল সন্ন্যাসীকে দেখে চমৎকৃত হলেন। নিজের থেকেই তাঁকে কুশলপ্রশ্ন করে পরিচয় জানতে চাইলেন।
ছদ্মবেশী বিক্রমাদিত্য বললেন, ‘অধমের নাম, বিনয়ধর।’
তারপরে বিনয়ের সঙ্গে বললেন, পূর্বাশ্রমের কথা তিনি আর মনে করতে চান না। তাই নামের অধিক তাঁর একমাত্র পরিচয় তিনি বৌদ্ধ ভিক্ষু।
টোডরমলও নিজের মিথ্যা পরিচয় দিলেন। জানতে চাইলেন, ‘তুমি কি এখন গাছের ছায়ায় বিশ্রাম করবে? শীতল ছায়ায় একটু নিদ্রা গেলে ক্ষতি কী! তোমাকে বড়ো পরিশ্রান্ত দেখাচ্ছে।’
বিক্রমাদিত্য বললেন, ‘ভিক্ষুর কাছে দিবানিদ্রা সমীচীন নয়।’
তিনি উল্টে টোডরমলের কাছে জানতে চাইলেন,
‘আপনি কোন দিকে যাবেন জ্যেষ্ঠ?’
টোডরমল অঙ্গুলি তুলে একটি দিক নির্দেশ করে দিলে, বিনয়ধররূপী বিক্রমাদিত্য বললেন, ‘আমিও তো ওই পথে যাব। আমার মঠও ওই অরণ্যের কাছে। চলুন, আমি বরং আপনার সঙ্গী হই।’
পথ চলতে চলতে টোডরমল ছল করে বললেন, ‘এখানকার ম্লেচ্ছ মোগল শাসক ঢ্যাঁড়া পেটাচ্ছে, পু্রোনো কর্মচারীদের আবার নাকি কাজে বহাল করবে।’
বিক্রমাদিত্য সেই খবর শুনেছেন! কিন্তু তিনি এখনও সাহস করে নতুন রাজার রাজসভায় গিয়ে উঠতে পারেননি। তিনি কতকটা না জানার ভঙ্গি করে বললেন, ‘আমিও শুনেছি। কিন্তু মোগলদের কি বিশ্বাস করা যায়!’
তিনি প্রশ্নটা হাওয়ায় ভাসিয়ে দিলেন।
টোডরমল একবার অপাঙ্গে তাঁর দিকে তাকালেন। দুইজনের মধ্যে যেন এক মিথ্যে মিথ্যে খেলা চলছে। দুজনেই দুজনকে মিথ্যায় টেক্কা দিতে চাইছেন।
তিনি বললেন, ‘শুনেছি বাংলার নতুন শাসক নাকি হিঁদু। ভালো ব্যবহার। আমি ভাবছি একবার যাব। যজমানি করে আর কি চলে! সংসার চলে না ভাই পথিকের ভেক ধরে উঞ্ছবৃত্তি করে। আগে তো রাজার প্রিয় মানুষদের বাড়ি যজমানি করেছি। মন্দিরে, ঠাকুরের দালানে পুজোঅর্চনা করেছি। এখন কি গেলে কাজ পাব না! তেমন করে দেখলে আমিও তো পুরানো রাজকর্মচারী!’
বিক্রমাদিত্য এবার ঘাড় ফিরিয়ে ভালো করে দেখলেন। কই, মুখটা তো চেনা লাগছে না! তাঁর মনের ভিতরে সন্দেহ দানা বেঁধে উঠল। এই মুখকে তিনি তো কখনও দাউদের রাজসভায় দেখেননি। তিনি আবার একবার তীব্র চোখে টোডরমলের মুখের দিকে তাকালেন।
তাঁর অভিজ্ঞ চোখ তাঁকে জানান দিল, সামনের মানুষটা সব সত্যি বলছে না। ঘোর সন্দেহ হয় তাঁর। ভাবলেন এবার এই ব্রাহ্মণের সঙ্গ ত্যাগ করাই ভালো।
তিনি হঠাৎ বললেন, ‘জ্যেষ্ঠ, আমাকে ক্ষমা করবেন। স্মরণ ছিল না। আমাকে মঠে ফেরার আগে একবার ওই দিকে মাঠের ওই পারে যেতে হবে।’
কথাটা বলেই তিনি হনহন করে বামদিকের একটা রাস্তা ধরে এগিয়ে চললেন। আর পিছন ফিরে তাকালেন না।
টোডরমল তাঁর সঙ্গীর দিকে ফিরে বললেন, ‘আজিজ, লোকটা কে বলো তো! সাধারণ কেউ নয়। লোকটা ভিক্ষুর ছদ্মবেশে আছে। লোকটির মুখ ভালো করে স্মরণ করে রাখো। ওর আসল পরিচয় খুঁজে বার করতে হবে।’
আজিজ নীরবে মাথা নাড়ল।
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন