অবিন সেন
প্রতাপ যখন ক্রমাগত দুর্গ নির্মাণ ও সৈন্য-সামন্ত বৃদ্ধিতে নিয়োজিত, সেই সময়ে তার পিতা বিক্রমাদিত্য সম্পূর্ণ রূপে অথর্ব হয়ে বিরলে বসবাস করছিলেন। যশোরের শাসনভার নিজের হাতে তুলে নিয়েছিলেন খুল্লতাত বসন্ত রায়। প্রতাপ এই সময়ে বিবেচনা করে দেখল, খুল্লতাতের সঙ্গে আপাতত সুসম্পর্ক বজায় রাখাই শ্রেয়। কারণ অযথা গৃহবিবাদে নিজেরই শক্তিক্ষয় ছাড়া কিছুই হবে না। যে সুদূর ভবিষ্যতের স্বপ্ন সে নিজের মনে লালিত করে চলেছে নিরন্তর তাকে কোনও ভাবেই ব্যর্থ হতে দিতে পারবে না।
তাই কন্যার জন্মের সংবাদ দিতে সে নিজে চলে গেল যশোরে। বসন্ত রায়ও সমস্ত অভিমান ভুলে গিয়ে প্রিয় প্রতাপকে বুকে টেনে নিলেন। পিতা বিক্রমাদিত্যও দৌহিত্রীর জন্মে খুবই খুশি হলেন। সকলকে সঙ্গে নিয়ে প্রতাপ ধূমঘাটে ফিরে এল।
ধূমঘাটের অদূরে তার প্রিয় দুর্গ, সেই সঙ্গে দুর্গের ভিতরে রাজপ্রাসাদের কাজ প্রায় সমাপ্ত হয়ে এসেছে। প্রতাপ তার পিতা ও খুল্লতাতকে অনুরোধ করল, তাঁরা যেন আরও কিছুদিন এখানে অবস্থান করেন। কারণ কন্যার নামকরণ আর নতুন দুর্গে গৃহপ্রবেশের কাজ সে একই সঙ্গে করতে চায়।
সারা যশোরব্যাপী সে এক আশ্চর্য অনুষ্ঠান হল। বহুদিন যেন রাজ্যবাসী এমন উৎসবের মুখ দেখেনি। তিনদিনব্যাপী শত পুরোহিত মিলে যজ্ঞ করল। সালংকারা হয়ে কন্যা ক্রোড়ে নিয়ে বসে আছেন মহারানি শরৎকুমারী। ব্রাহ্মণগণ এসে কন্যার কপালে টীকা পরিয়ে দিলেন। কন্যার নাম রাখা হল বিমলা। লক্ষ্মণ পণ্ডিত বৃদ্ধ হয়েছেন। তিনি গণনা করে বললেন, ‘এই কন্যা একদিন রাজরাজেশ্বরী হবেন।’
বৃদ্ধ বিক্রমাদিত্য ভাবলেন লক্ষণ পণ্ডিতের গণনা মিথ্যা হবার নয়। একটি দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন পুত্রের ক্ষেত্রেই কি তা মিথ্যা হয়েছে!
সেই সঙ্গে গৃহপ্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে প্রতাপ সপরিবারে উঠে এল নতুন দুর্গে। এমনকি প্রধান দুর্গের চারপাশে চারটি দুর্গে শঙ্কর, সূর্যকান্ত প্রভৃতি বন্ধুদের বসবাসের ব্যবস্থা হল।
প্রকারান্তরে পিতা ও খুল্লতাতের আশীর্বাদধন্য হয়ে প্রতাপের নতুন করে রাজ্যাভিষেক হল। সে নিজেই নিজেকে মহারাজা প্রতাপাদিত্য বলে ঘোষণা করল।
কয়েক বৎসরের মধ্যেই আরও কয়েকটি দুর্গ নির্মাণের কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়ে গেল। তার মধ্যে যশোর, রায়গড়, কমলপুর, বেদকাশী, মাতলা প্রভৃতি দুর্গ খুবই বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ। সমস্ত দুর্গে যথেষ্ট পরিমাণে গোলাবারুদ মজুত হতে লাগল। সমগ্র যশোর রাজ্যে আবার সুশাসন ও শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে বলে রাজস্বের পরিমাণও বৃদ্ধি পেতে লাগল।
কিন্তু এই সুখ বিক্রমাদিত্য বেশি দিন দেখে যেতে পারলেন না। তাঁর পরলোক গমনে পিতৃব্য বসন্ত রায়কেই প্রতাপ সসম্মানে যশোরের কার্যভার দেখাশুনা করতে অনুরোধ জানাল। এমনকি উভয়ে ধূমঘাট দুর্গে বসবাস করতে লাগলেন। এই ব্যবস্থায় বসন্ত রায়ও খুশি হলেন।
এই সময়ে প্রতাপ তার রাজ্যের সীমানা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি করতে লাগল। সুন্দরবনের অরণ্যসংকুল অঞ্চলে কয়েকজন স্বাধীন জমিদারকে সে করদ করল। সেই সঙ্গে অন্যান্য পার্শ্ববর্তী রাজ্যে সে সুসম্পর্কের জন্য দূত পাঠাল।
একদিন বন্ধু কামাল খাঁ এসে বলল, ‘রাজা, গত কয়েকদিন ধরে আমি বড়ো বিভ্রমে পড়েছি।’
প্রতাপ বিস্মিত হয়।
‘বিভ্রম? কীসের বিভ্রম?’
‘তুমি তো জানো, আমি প্রত্যহ মধ্যরাত্রে একবার দুর্গশীর্ষে উঠে চারপাশটা ভালো করে পর্যবেক্ষণ করি। সেই মতো গত পরশু, না না তার আগের দিন দেখলাম ইছামতী নদীর তীর থেকে এক অলৌকিক আলো বেরিয়ে এসে আকাশের দিকে মিলিয়ে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে আরও কয়েকটি আলোর আনাগোনা নদীর ওই পারে। প্রথম দিন ভেবেছিলাম এ বুঝি আমার বিভ্রম। কিন্তু গত দুই দিনও আমি ঠিক তেমনি আলো দেখেছি। এই বিষয়ে আমি নিজে নদীতীরবর্তী অঞ্চল পর্যবেক্ষণ করে দেখেছি। প্রথমে মনে হয়েছিল আমাদের কোনও শত্রু হয়তো ভোজবাজি দেখাচ্ছে। পোর্তুগিজ আর ফিরিঙ্গি দস্যুরা তো কতই ভোজবাজি জানে! কিন্তু সরেজমিনে তদন্ত করে আমি কিছুই দেখতে পাইনি। তাই তোমার কাছে নিবেদন করতে এলাম, আমাদের হয়তো একটু সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।’
এক নিশ্বাসে কথাগুলি বলে সে থামল।
প্রতাপ একটু চিন্তান্বিত হয়। সত্যি তো এ কীসের আলো? পিছনে কি কোনও ষড়যন্ত্র আছে? তাকেও দেখতে হবে। সেই দিনই রাত্রে প্রতাপ আর কামাল খাঁ দুর্গশিখরে গিয়ে অপেক্ষায় থাকল। অপেক্ষার প্রহর যেন কাটতেই চায় না প্রতাপের। ঠিক মধ্যরাত্রে কামাল সহসা প্রতাপের শরীরে মৃদু ঠেলা দিয়ে বলল, ‘ওই ওই দেখো রাজা!’
সে আঙুল দিয়ে একটি দিক নির্দেশ করল।
প্রতাপ সেইদিকে তাকিয়ে দেখল, সত্যি এক আশ্চর্য জ্যোতি যেন জলের উপর থেকে উঠে আকাশে মিশে যাচ্ছে। সেই জ্যোতির রং আশ্চর্য। এমন রং সে কখনও কোথাও দেখেনি। সেই সঙ্গে জলের উপরেও ওই পারে কয়েকটি আলোর বিন্দু যেন ভেসে বেড়াচ্ছে। তবে তা খুব অল্প সময়ের জন্য।
প্রতাপ বলল, ‘চলো কামাল আমরা এখনই যাই।’
সে হাঁক দিল পেয়াদাদের। সে যখন অস্ত্রাগার থেকে অস্ত্র নিচ্ছে তখন দ্বারপথে শরৎকুমারী এসে দাঁড়াল।
বিস্ময়াবিষ্ট চোখে বলল, ‘কোথায় যাও, এত রাত্রে? অস্ত্র নিয়ে?’
প্রতাপ তাকে বিশেষ ভেঙে কিছু বলল না। ভীতু মানুষ সে।
‘এই সামনেই, এখনই ফিরে আসব।’
চোখের নিমেষে শরৎকুমারীকে কোনও কথা বলার সুযোগ না দিয়ে সে দৌড়ে গিয়ে ঘোড়া ছুটিয়ে দিল। কিন্তু নদীর তীরে সে আর কামাল যখন পৌঁছাল তখন দেখল কোথায় কী! শরতের আকাশে জ্যোৎস্না ফুটে উঠেছে তখন। সেই আলো নদীর তীরের সাদা কাশের বনের উপরে পড়ে যেন ঐশ্বরিক দৃশ্য সৃষ্টি করেছে। কিন্তু সেই দৃশ্যের দিকে প্রতাপের কোনও খেয়াল নেই। সে নদীর জলের দিকে নেমে গেল। নদীর অপর পারে ঝাপসা বনের সারি। অস্পষ্ট কালো রেখার মতো আকাশের পটভূমিতে ফুটে আছে। মৃদু বাতাস বইছে। সেই বাতাসে কালো জলের উপরে রূপালি জ্যোৎস্নার কুচি ভেসে যাচ্ছে।
প্রতাপ সেই ভাবে জলের দিকে তাকিয়ে থাকল। তাকিয়েই থাকল। কিছু যেন একটা তার চোখে পড়েও পড়ছে না। কিছু যেন একটা বড়ো বেমানান এখানে। সহসা তার মনে হল কাশের বনের ঘনত্ব যেন এই দিকে কিঞ্চিৎ অল্প। চারপাশে আরও অনেক বেশি ফুল আন্দোলিত হচ্ছে ওই পারে। কিন্তু একদিকে ফুলেরা দল বেঁধে একপাশে সরে আছে।
প্রতাপ সেখান থেকে নড়ল না। সারা রাত্রি সে একই ভাবে সেই স্থানে বসে থাকল। সংবাদ পেয়ে শঙ্কর আর সূর্যকান্ত সেখানে চলে এসেছে। সঙ্গে জুনাইদ।
চারদিকে লোক ছুটল। কে দেখেছে এমন জ্যোতি? কেউ কি দেখেছে?
যশোপাটনী এক মল্ল। রাত্রে নৌকা করে তৈজস সামগ্রী বাকলার হাটে পৌঁছে দিয়ে ফিরে আসছিল নদীপথে, সে দেখেছে এমন আলো। কয়েকদিন আগেই দেখেছে। কিন্তু সে সবাইকে বলে বেড়িয়েছে, এ আলো দেবী ভবানীর। দেবী যশোরেশ্বরীর মহিমা।
প্রতাপ ক্ষুব্ধ হয়ে উঠল। বলল, ‘তা তুমি আমাদের পেয়াদাদের খবর করোনি কেন?’
যশোপাটনী ভ্যাবাচ্যাকা খাওয়ার লোক নয়। সে বলল, ‘হুজুর এ তো মায়ের লীলা। বলার কী আছে?’
তার মুখের দিকে তাকিয়ে প্রতাপের মনে হল, সে মিথ্যা কথা বলছে। কিন্তু প্রতাপ কিছু বলল না। কয়েকজন ডুবসাঁতারে পারদর্শী সৈন্যকে একটি নৌকায় করে সেই নির্দিষ্ট স্থানটিতে পাঠিয়ে দিল যেখানে কাশের বনে ফুলের গুচ্ছের ঘনত্ব পাতলা হয়ে গিয়েছে।
কিন্তু প্রতাপের যেন সবুর সইল না। সেও আর একটি ডিঙি আর কয়েকজন তিরন্দাজ ও বন্দুক সহযোগে শঙ্করকে নিয়ে সেই দিকে পাড়ি দিল। নদীর ওই দিকটি ঠিক যশোরের অধিকারে পড়ে না। তবু তারা অসম সাহসে সেই দিকে এগিয়ে যায়। কয়েকজন ডুবসাঁতারে পারদর্শী নদীর জলে ঝাঁপিয়ে পড়ে। প্রতাপ যা অনুমান করেছিল ঠিক তাই। নদীর কিনারের কাছে জলনিরোধক বড়ো বড়ো পাত্রে গোলা বারুদ, আগ্নেয় অস্ত্র। প্রতাপের বুঝতে বাকি থাকল না, এই দিক দিয়ে নৌকা নিয়ে যাবার সময়ে জলের তলদেশ দিয়ে এইগুলিকে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়।
শঙ্কর মনে মনে প্রতাপের বুদ্ধির প্রশংসা করে। এই জন্যই সবার থেকে প্রতাপ আলাদা। সে জিজ্ঞাসা করল, ‘কিন্তু এই সব গোলাবারুদ কোথায় যাচ্ছে? আর কে নিয়ে যাচ্ছে?’
প্রতাপ মৃদু হেসে বলল, ‘তা আর খুঁজে বের করতে কী সমস্যা হবে!’
‘আর ওই জ্যোতি?’
‘ওটা তাদের সংকেত। রাত্রে এই পিপেগুলো ফেলার সময়ে এই সংকেত দিয়ে নির্দিষ্ট মানুষকে জানিয়ে দেওয়া হয়।’
জুনাইদ কথার মাঝখানে কথা বলল, ‘ঠিকই বলেছেন হুজুর। মোগলরা এমন আতসবাজি তৈরি করতে পারে। শব্দহীন আতসবাজি। আর যেটুকু শব্দ হয় তা আমাদের কানে আসেনি কারণ এই সময়ে বাতাস আমরা যে দিকে আছি তার উলটোদিকে প্রবাহিত হয়।’
প্রতাপ বুঝতে পারল, তার চারদিকেও এবার শত্রুরা তৈরি হচ্ছে। তার সমৃদ্ধি অনেকেরই চোখে বালি নিক্ষেপ করছে।
কিন্তু এর পিছনে কে আছে? ঈশা খাঁ, না সন্দ্বীপের চাঁদ রায়? আর তাদের এই ভাবে অস্ত্র পৌঁছে দিতে নিশ্চয়ই কোনও বণিক সাহায্য করছে। সে কে?
প্রতাপ নির্দেশ দিল, ‘খোঁজ করো যশোপাটনী কোন বণিকের নৌকাবাহক!’
খুঁজে পেতে সময় লাগল না। ভয়ে যশোপাটনী প্রতাপের সামনেই তা কবুল করল। সঙ্গে সঙ্গে প্রতাপের নির্দেশেই সেই নদীতীরে যশোপাটনীকে হত্যা করে নদীতে ভাসিয়ে দিল জুনাইদ।
শরতের রোদে সাদা কাশের বনে লাগল রক্তের কলঙ্ক। তখনই একটি ডিঙি থেকে সূর্যকান্ত চিৎকার করে বলল, ‘দেখো দেখো রাজা, জলের মধ্য থেকে কী উদ্ধার হয়েছে !’
তার যেন আর তর সইছিল না। সে ডিঙি থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে প্রতাপের সামনে নিয়ে এল সেই বস্তুটি। এক হস্ত পরিমাণ একটি শিলাখণ্ডে এক দেবীমূর্তি খোদাই করা আছে।
প্রতাপ বিস্মিত হয়ে বলল, ‘সবই মা যশোরেশ্বরীর কৃপা। তিনিই আমাকে কৃপা করে এই বিপদের আভাস চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন।’
সে মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয়। এই অস্ত্র বিষয়ে একটি হেস্তনেস্ত করে যশোরেশ্বরীর মন্দির নতুন করে নির্মাণ করবে। সেই সঙ্গে এই শিলাদেবীকে নতুন মন্দির নির্মাণ করে যশোরে প্রতিষ্ঠা করবে।
প্রতাপ নিজের প্রাসাদে ফিরে এসে, নির্দেশ দিল, ‘যাও, ধনশালী বণিক হরে শুঁড়ি কে বন্দি করে নিয়ে এস।’
যশোপাটনী এই বণিকের কথাই বলেছিল মৃত্যুর আগে। প্রতাপ ক্রোধে অন্ধ হয়ে গিয়েছে। সে কারও কথাই শুনবে না। তার চণ্ডাল রাগ যেন আবার ফিরে আসছে। কিন্তু হরে শুঁড়িকে বন্দি করা গেল না। সে পলায়ন করতে গিয়ে শর বিদ্ধ হয়ে নিহত হল। ক্রোধে অন্ধ প্রতাপ তার সমগ্র পরিবার পরিজনকে বড়ো বড়ো প্রস্তরখণ্ডের সঙ্গে বেঁধে নদীতে নিক্ষেপ করল।
তার এই নৃশংসতায় নগরের মানুষ যেন ভীষণ ভয় পেল। রাজা প্রতাপাদিত্যের এমন চেহারা তারা কখনও দেখেনি।
কিন্তু এই অস্ত্র কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছিল তা আর প্রতাপের জানা হল না। কিন্তু প্রতাপ অনুমান করতে পারছে। এর পিছনে ঈশা খাঁ আর সন্দ্বীপের রাজা জড়িত বলে তার দৃঢ় বিশ্বাস। তার প্রতিবেশীরা যে তার বিরুদ্ধতা করবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তার নিজের রাজ্যের বণিক এই কাজে যুক্ত, তা সে ঠিক আত্মস্থ করতে পারছে না। তার স্থির বিশ্বাস, রাজ্যের আরও কোনও প্রভাবশালী এর সঙ্গে জড়িত! তা না হলে হরে শুঁড়ি এত সাহস পাবে না। হরে শুঁড়ি তো কেবলমাত্র পাশার দান। পিছনে কে আছে?
প্রতাপ এই নিয়ে শঙ্করের সঙ্গে মন্ত্রণা করে কাসিদ লাগিয়ে দিল।
এদিকে প্রতাপ বিলম্ব করল না। সত্বর তার প্রিয় স্থপতি রায়চাঁদকে যশোরেশ্বরীর মন্দির সংস্কারের নির্দেশ দিল।
সে লক্ষ্য করল, ওড়িশার পাঠান শাসক কতলু খাঁ মোগলের বশ্যতা স্বীকার না করে স্বাধীনভাবে রাজত্ব করছে। প্রতাপ ওড়িশার শক্তির উৎস জানার জন্য তীর্থদর্শনের ছলে ওড়িশায় গমন করল। সঙ্গে গেল দুই প্রিয় বন্ধু শঙ্কর আর সূর্যকান্ত।
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন