শার্লক হোমসের মৃত্যু রহস্য

অমিত দেবনাথ

শার্লক হোমসের মৃত্যু রহস্য, চাঞ্চল্যকর গ্রেফতার। ওয়াটসন অভিযুক্ত

(নিজস্ব অতি-বিশেষ প্রতিনিধি কর্তৃক প্রেরিত সংবাদ)

বেলা ১২.৩০ – আজ সকালে মিঃ ডব্লিউ. ডব্লিউ. ওয়াটসন; এম. ডি. (এডিন.)–কে তার ১২ এ টেনিসন রোড, সেন্ট জন’স উড-এর বাসভবন থেকে বেকার স্ট্রিটের মিঃ শার্লক হোমসের মৃত্যুর ব্যাপারে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। সে সময় তিনি তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে ব্রেকফাস্ট করছিলেন। পুলিশ তাদের আসার কারণ বললে তিনি একেবারেই অবাক হননি, শুধু ওয়ারেন্ট দেখতে চেয়েছিলেন। ওয়ারেন্ট দেখানো হলে তিনি শান্ত হয়েই পুলিশের সঙ্গে যান। নির্দেশ মতো পুলিশরা তাঁকে বলেছিল বো স্ট্রিট যাওয়ার আগে তিনি যেন তাঁর ডাক্তারি প্র্যাকটিসের একটা বিলি বন্দোবস্ত করে যান, এ ব্যাপারে তাঁকে স্বাধীনতা দেওয়া হচ্ছে। অপরাধী মৃদু হেসে বলেন তার কোনও প্রয়োজন নেই, কারণ তাঁর রোগী দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। তাঁকে যখন মনে করিয়ে দেওয়া হয় যে তিনি যা বলবেন, তা তাঁর বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে, তিনি আর কিছু বলতে অস্বীকার করেন। তারপর তাঁকে বো স্ট্রিটে নিয়ে যাওয়া হয়। এ ব্যাপারে তাঁর স্ত্রী কোনও প্রতিক্রিয়া দেখান নি, বরং যথেষ্ট সহ্য শক্তির পরিচয় দিয়েছেন।

মিঃ হোমসের অন্তর্ধান সাম্প্রতিক কালের মধ্যে চারদিকে এত আলোড়ন ফেলেছে যে ঘটনাটি সংক্ষিপ্তাকারে এখানে আলোচনা করা দরকার। মিঃ হোমস মাঝবয়সী মানুষ, থাকতেন বেকার স্ট্রিটে, সেখানে তিনি প্রাইভেট গোয়েন্দাগিরি করতেন। নিজের পেশায় তিনি ছিলেন দারুণ সফল, তাঁর সফল কেসগুলোর মধ্যে কয়েকটি তো জনমানসে এখনও দারুণভাবে উজ্জ্বল – বিশেষত “তিনজন মুকুট পরা মানুষের রহস্য” এবং তার চেয়েও আশ্চর্য “কাঠের পা-বিহীন সেই মানুষটির রহস্য” – যেটি ইউরোপের বিজ্ঞানী মহলকেও হতবুদ্ধি করে দিয়েছিল। ডাঃ ওয়াটসন নিজের মুখেই বলেছেন যে তিনি এবং প্রয়াত মিঃ হোমস বিশেষ বন্ধু ছিলেন (যা রীতিমতো সন্দেহজনক ব্যাপার) এবং তাঁরা বিভিন্ন অভিযানে একসঙ্গে যেতেন। আমাদের ধারণা, বিচারের সময় প্রমাণ হবে তিনি এই কাজটি করেছেন তাঁর কোনও বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য। এক পক্ষকাল আগে লন্ডনে অভাগা মিঃ হোমসের মৃত্যুর খবর আসে। বোঝাই যাচ্ছিল এর মধ্যে কোনও “অন্যরকম ব্যাপার” আছে। মিঃ হোমস তাঁর এক বন্ধুর সঙ্গে কয়েকদিনের জন্য সুইজারল্যান্ডে গেছিলেন এবং তারপরেই টেলিগ্রাফে খবর আসে যে রিচেনবাখ-এর এক ভয়াবহ জলপ্রপাতের মধ্যে হোমস পড়ে গেছেন। জলপ্রপাতটি প্রায় এক হাজার ফুট খাড়া, কিন্তু আমরা জানি মিঃ হোমস অতীতে এর থেকেও ভয়াবহ সব বিপদের হাত থেকে বেঁচে ফিরেছেন, কাজেই জনসাধারণ প্রতি মাসেই তাঁর ফিরে আসার খবরের জন্য অপেক্ষা করত, কেউই তাঁর মৃত্যুর কথায় বিশ্বাস করেনি। এ বিশ্বাস আরও দৃঢ় হয় যখন জানা যায় যে এই অভিযানে মিঃ হোমসের সঙ্গী ছিলেন তাঁর বন্ধু ওয়াটসন।

ওয়াটসনের বিবৃতি:

খুবই দুর্ভাগ্যজনক ব্যাপার, (সম্ভবত সুইজারল্যান্ড পুলিশের চাপে) ওয়াটসন একটি বিবৃতি দিতে বাধ্য হন। সেটি সংক্ষেপে এরকমঃ সুইজারল্যান্ড যাওয়ার আসল কারণ মরিয়ার্টি নামের এক অপরাধী, মিঃ হোমস যার কাছ থেকে লুকিয়ে থাকছিলেন। ওয়াটসনের বয়ান অনুযায়ী মৃত হোমস মরিয়ার্টির অপরাধ ব্যবসা ধ্বংস করে দিয়েছিলেন এবং মরিয়ার্টি প্রতিহিংসা নেবে বলে প্রতিজ্ঞা করেছিল। এতেই হোমস ঘাবড়ে যান এবং ওয়াটসনকে সঙ্গী করে ইউরোপের বিভিন্ন জায়গায় পালাতে থাকেন। যতদিন না পর্যন্ত তাঁরা রিচেনবাখ জলপ্রপাতে গিয়ে পৌঁছন, ততদিন পর্যন্ত সব ঠিকঠাকই চলছিল। এখানে এক সুইস ছোকরা তাঁদের অনুসরণ করে ওয়াটসনকে একটি চিঠি দেয়। চিঠিটা পাঠিয়েছিল কাছাকাছি মেরিনজেন নামক গ্রামের এক সরাইখানার মালিক। চিঠিতে বলা ছিল ডাক্তার যেন তৎক্ষণাৎ সরাইখানায় চলে আসেন, কারণ সেখানে এক মহিলা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। হোমসকে জলপ্রপাতের কাছে একা রেখে ওয়াটসন দ্রুত সরাইখানায় এসে আবিষ্কার করেন যে সরাইওয়ালা এরকম কোনও চিঠিই পাঠায়নি। মরিয়ার্টির কথা মনে পড়ায় ওয়াটসন দৌড়ে জলপ্রপাতে ফিরে যান বটে, কিন্তু তখন অনেক দেরি হয়ে গেছে। সেখানে তিনি শুধু দেখতে পান এক ভয়ঙ্কর মারামারির চিহ্ন আর হোমসের ফেলে যাওয়া এক টুকরো চিরকুট, যাতে অর্থ – হোমস আর মরিয়ার্টি পরস্পর পরস্পরকে খুন করে জলপ্রপাতে ফেলে দিয়েছে।

যে সব কথা বাজারে চলছে:

আজ সকালে ওয়াটসনের গ্রেফতারিতে কেউ অবাক হয়নি। সবার মুখেই এক কথা, জনগণের প্রতি সুবিচার করার জন্যই এই বিচার জরুরি ছিল। আর ওয়াটসন যে বিবৃতি দিয়েছিলেন, যে মরিয়ার্টির ভয়ে হোমস পালাচ্ছে, তাতে কেউ বিশ্বাস করেনি। জনগণ ক্ষোভে ফেটে পড়েছিল, সেই ক্ষোভের সঙ্গে মিশেছিল ঘৃণা। হোমসের মতো একজন মানুষ, যাঁর সাহস পর্বতপ্রতীম, তিনি বিপদের মুখোমুখি হতে ভয় পান, এ জিনিস ভাবাও পাপ। এত দিন ধরে তাঁকে অতিমানব সাজিয়ে তারপর জনগণের গোয়েন্দার (এই বলেই তাঁকে ডাকা হত) এই হাল করার অর্থ মানুষকে ঠকানো।

আমরা জানি যে এরপর ওয়াটসন ছাপার অক্ষরে অনেক কিছু লিখে লোকজনকে ভুজুং ভাজুং দেওয়ার চেষ্টা করবেন। এও হতে পারে যে এ সম্বন্ধে তিনি কিছু লিখবেনই না। ওই রাস্তায় প্রাণঘাতী লড়াই হওয়ার অর্থই হল নিশ্চিতভাবে হোমস মরিয়ার্টিকে আসতে দেখেছিলেন। তার পরেও দুজন খালি হাতে লড়াই করল। প্রশ্ন উঠছে হোমসের পিস্তলগুলো গেল কোথায়?

ওয়াটসন – যিনি এ সব কথা বলার একমাত্র অধিকারী, তিনি বহুবারই বলেছেন হোমস পকেটে লোডেড পিস্তল না নিয়ে কখনোই বেরোতেন না। লন্ডনেই যদি এ রকম হয়, তাহলে এটা কি বিশ্বাস্য যে তিনি তুলনামূলকভাবে অচেনা জায়গায় চলে গেলেন, যেখানে বারবারই বলা হচ্ছিল যে তিনি মরিয়ার্টির ভয়ে সিঁটিয়ে আছেন? আবার ওয়াটসনের বর্ণনা থেকে এটাও পরিষ্কার নয় যে কাছাকাছি আসার পর হোমস গুলি করার মতো যথেষ্ট সময় পেয়েছিলেন কিনা। যদি ধরেও নেওয়া হয় যে হোমস নিরস্ত্র ছিলেন, মরিয়ার্টি তাঁকে গুলি করল না কেন? তার কাছেও কি পিস্তল ছিল না? গল্পের গরুকে একেবারে গাছের মগডালে চড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

ওয়াটসন যা দেখেছিলেন:

ওয়াটসন বলেছেন তিনি যখন গ্রামে ফিরছিলেন, তখন খানিকটা দূরে একটা লম্বা মূর্তিকে দেখতে পেয়েছিলেন। তাঁর মতে, এটাই মরিয়ার্টি (এবং সত্যিই তাই) এবং সে-ই সেই ফালতু চিঠিটা পাঠিয়েছিল। এই তথ্যের স্বপক্ষে বলা যেতে পারে যে সরাইওয়ালা পিটার স্টাইলার বলেছে ওরকম চেহারার এক আগন্তুক কয়েক মিনিটের জন্য সরাইখানায় দাঁড়িয়ে একটা চিঠি লিখেছিল। এই সূত্রটি মেনে নিয়ে এই সমস্যার গিঁট ছাড়ানোর কাছাকাছি যাওয়া যায়। আমাদের অতি-বিশ্বস্ত সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে এটা বলা যেতে পারে যে পুলিশ আদৌ বিশ্বাস করেনি যে এই আগন্তুকই মরিয়ার্টি, বরং

ওয়াটসনের দুষ্কর্মের দোসর:

কারণ ওয়াটসন দীর্ঘদিন ধরেই যে লেখালেখির সূত্রে হোমসের সহযোগী, তাই নয়, মৃত ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক খুবই ভাল ছিল। সংক্ষেপে বলা যায় যে এই শতাব্দীর সব চেয়ে আলোড়িত গ্রেফতারি এখন বিবেচনাধীন রয়েছে। মৃত ব্যক্তির বেকার স্ট্রিটের ঘর এখন পুলিশের হেফাজতে। আমাদের প্রতিনিধি সকালেই সেখানে চলে গেছেন এবং ঘরগুলো খুঁটিয়ে দেখেছেন, যে ঘরগুলোর সঙ্গে ওয়াটসনের লেখার সূত্রে লোকজন অত্যন্তই পরিচিত। ঘরগুলো মৃত ব্যক্তি যে ভাবে ব্যবহার করেছিলেন, সে ভাবেই আছে। এখানে এখন যেমন রয়েছে তাঁর পছন্দের চেয়ার, যেখানে বসেই তিনি জটিল সমস্যার জট ছাড়াতেন। এক টিন তামাক রয়েছে মোমদানির ওপরে, এর ওপরেই ঝুলছে বহুদিন আগে হারানো গেইন্সবরো “ডাচেস,” যেটি হোমস কিছুদিন আগেই আবিষ্কার করেন, কিন্তু বর্তমান মালিক কে, তা খুঁজে পাওয়া যায়নি। পাঠক, ওয়াটসনের সেই বিচিত্র অভ্যাসের কথা স্মরণ করুন, যখন হোমস তাঁকে কোনও রহস্যের সমাধান শুনিয়ে চমকে দিতেন, আর ওয়াটসন উত্তেজনায় লাফ মেরে সিলিং-এ দাগ ফেলতেন। আমাদের প্রতিনিধি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করে দেখেছেন, সিলিং অনেক জায়গায় ক্ষয়ে গেছে।

জনগণ নিশ্চয়ই ভুলে যাননি যে হোমস অবসর সময়ে পিস্তল ছোঁড়া প্র্যাকটিস করে মজা পেতেন। এক বিকেলে ওয়াটসন যখন লিখছিলেন, তখন হোমস ওয়াটসনের মাথা লক্ষ্য করে এত নিপুণভাবে গুলি ছোঁড়েন যে ওয়াটসনের মাথার জায়গায় জায়গায় চুল উঠে যায় এবং দেয়ালে একটা অদ্ভুত আউটলাইন তৈরি হয়, যার সঙ্গে ওয়াটসনের মুখাবয়বের আশ্চর্য মিল। বোঝাই যাচ্ছে, আর্ডলামন্ট কেসে যেমন হয়েছিল, তেমনই এই ছবিটিকেও কোর্টে পেশ করা হবে। একইভাবে, রিচেনবাখ জলপ্রপাতটিকেও সাক্ষী হিসেবে আনার ব্যাপারটিও বিবেচনাধীন রয়েছে।

কারণ:

আনুষঙ্গিক তথ্যপ্রমাণ থেকে সহজেই বোঝা যাচ্ছে এর পেছনে কোনও গুরুতর কারণ আছে। নানা রকম গুজব হাওয়ায় ভাসছে, কেসের এই পর্যায়ে সেগুলো খুব সতর্কতার সঙ্গে দেখা হচ্ছে। এ রকমই একটা খবর হল, ওয়াটসন এবং হোমসের মধ্যে আর্থিক তফাৎ ছিল এবং হোমসের ধারণা হয়েছিল ওয়াটসন তাঁকে ভাঙিয়ে বিশাল টাকা করলেও তিনি কিছুই পাননি। আরেকদলের ধারণা ওয়াটসনের স্বভাবের পরিবর্তনের কারণেই তাঁদের মধ্যে ফাটল ধরেছিল; হোমস নাকি যথেষ্ট অনুযোগ করতেন যে আগে যেরকম অবাক হলেই ওয়াটসন সিলিং অবধি লাফাতেন, আজকাল সে রকম লাফাচ্ছেন না। এই অভিযোগে অবশ্য ওয়াটসনের কিছু আসে যায়নি, তিন তলার ভাড়াটেদের যেমন হয়েছিল, কারণ তারাই বাড়িওয়ালির কাছে আগে অভিযোগ জানাত। সব কিছু খুঁটিয়ে দেখলে বোঝাই যাচ্ছে মিঃ হোমসের খুনের পেছনে কোনও বড় মাথা আছে। প্রশ্ন হল,

কে এই কালো ঘোড়া?

কালো ঘোড়াটি নিঃসন্দেহে সেই ভয়ানক দিনে রিচেনবাখ জলপ্রপাতের কাছে দেখা যাওয়া সেই রহস্যময় মূর্তি, যার কথা আগেই বলা হয়েছে। লোকে বলছে যে মিঃ হোমসকে সরিয়ে দেওয়ার পেছনে এই ব্যক্তির যথেষ্ট কারণ আছে। বহুদিন ধরে তাদের মধ্যে চমৎকার সম্পর্ক ছিল। হোমস তাঁর কেরিয়ারের প্রথম দিকে খোলাখুলিই বলতেন যে এই ব্যক্তির কাছে তাঁর কৃতজ্ঞতার শেষ নেই এবং এই ব্যক্তিও একই ভাবে বলত যে হোমসকে ভাঙিয়ে তার বহু টাকা রোজগার হচ্ছে। পরেরদিকে তাদের এই বন্ধুত্বে চিড় ধরে। হোমস বহুবার অভিযোগ করেছেন যে তিনি যাই করুন না কেন, তার সমস্ত কৃতিত্ব এ নিয়ে নেয়। আবার সন্দেহভাজন ব্যক্তিটিও, শোনা গেছে, বলত যে “হোমস দিনদিন হামবড়া হয়ে যাচ্ছে, নিজেকে সবকিছুর উর্ধে মনে করছে,” বলত যে “তার এখন হোমসকে ছাড়াও দিব্যি চলে যাবে,” বলত যে “হোমসের ব্যাপারে যথেষ্ট হয়েছে,” বলত যে “এই দাম্ভিকটার নাম শুনলেও তার এখন গা গোলায়” এবং শুধু তাই নয়, “লোকজন যদি বেশি বাড়াবাড়ি করে, তাহলে সে নিজেকে বাঁচানোর জন্যই হোমসকে মেরে ফেলবে”। এই সব কথাবার্তা খুঁটিয়ে দেখলে এটা ভাবার যথেষ্ট কারণ আছে যে রিচেনবাখ জলপ্রপাতের সেই রহস্যময় মূর্তি এবং হোমসের এই বন্ধু ভদ্রলোক এক এবং অদ্বিতীয় ব্যক্তি। ওয়াটসনও অনেকবার স্বীকার করেছেন যে এই কালো ঘোড়ার সঙ্গে তাঁর দারুণ সাদৃশ্য আছে, যার থেকে বোঝাই যাচ্ছে যে জলপ্রপাতের কাছের সেই আগন্তুকও একজন ডাক্তার। এ সব তথ্যগুলো এটাই প্রমাণ করছে যে এই দুই ডাক্তার মিলেই দুষ্কর্মটি ঘটিয়েছে। জানা গেছে আমরা যাকে কালো ঘোড়া বলছি, সে এখনও জলপ্রপাতের কাছাকাছি রয়েছে।

ডাঃ কোনান ডয়েল:

ডাঃ কোনান ডয়েল এখন সুইজারল্যান্ডে আছেন।

বাজারে জোর গুজব:

প্রেসে যাওয়ার আগে আমাদের নজরে এসেছে যে গোটা ব্রিটিশ জনগণের অনুনয় বিনয়ের কারণে মিঃ শার্লক হোমস আবার বেকার স্ট্রিটে ফিরে এসেছেন এবং বর্তমানে (৮ নং চেহারায়) “ঔপন্যাসিক এবং সমুদ্রের সেই বৃদ্ধ” – রহস্যের সমাধান করছেন।

------------

সকল অধ্যায়

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%