সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
কর্নেল নীলাদ্রি সরকারের বিস্তর গোয়েন্দাগিরি দেখেছি৷ প্রচুর জটিল রহস্যের সমাধান করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন৷ কিন্তু সে-বার মোহনপুরের ঘটনায় যেভাবে ঝটপট রহস্যটা ফাঁস করে ফেলেছিলেন, তেমনটি আর কখনও দেখিনি৷ ব্যাপারটাকে ‘এক মিনিটেই সমাধান’ বললে ভুল হয় না৷
কবে পুজো শেষ হয়েছে৷ আসন্ন শীতে কোন মুলুকে বেড়াতে যাব, তার প্ল্যান করতেই কর্নেলের কাছে গেলাম৷ কথাবার্তার সময় এক ভদ্রলোক হঠাৎ ঘরে ঢুকে আর্তনাদের সুরে বলে উঠলেন, ‘‘কর্নেল, কর্নেল আমায় আপনি বাঁচান!’’
কর্নেল বললেন, ‘‘আগে আপনি শান্ত হয়ে বসুন৷ তারপর বলুন কী হয়েছে৷’’
ভদ্রলোক ধপাস করে সোফায় বসে বললেন, ‘‘আমার শ্যালক নান্তুকে কারা চুরি করে নিয়ে গেছে৷ তারপর এই দেখুন চিঠি৷’’
কর্নেল চিঠিটি নিলেন৷ পাশ থেকে উঁকি মেরে দেখি, লাল কালিতে লেখা আছে৷
‘‘আগামীকাল পূর্ণিমা তিথিতে সিংহ বাহিনীর মন্দিরের কাছে রাত এগারোটায় আড়াই হাজার টাকা না নিয়ে গেলে নান্তুকে মায়ের সামনে বলি দেব৷ সাবধান, পুলিশের কানে তুলবেন না৷ মন্দিরের ফটকের সামনে টাকা নিয়ে অপেক্ষা করবেন৷ মায়ের বাহন সিংহ গর্জন করতে করতে আপনার সামনে যাবে৷ নির্ভয়ে তার সামনে টাকা ফেলে দিয়ে চলে যাবেন৷ ঘুরে তাকালেই বিপদ হবে৷ ইতি, কাপালিক৷’’
কর্নেল চিঠিটা ফেরত দিয়ে বললেন, ‘‘হুম! কবে এবং কী ভাবে আপনার শ্যালককে চুরি করে নিয়ে গেছে বলুন৷ কিন্তু আপনার নাম ঠিকানা বলুন আগে৷’’
ভদ্রলোক বললেন, ‘‘আমার নাম সদাশিব রায়৷ বাড়ি মোহনপুরে৷ দু’দিন আগে নান্তু নিখোঁজ হয়েছে৷ রাত্তিরে শুয়েছিল ওর ঘরে৷ সকালে দেখি বাইরের দিকের দরজা খোলা৷ বিছানায় ধস্তাধস্তির চিহ্ন৷ চাদর ঝুলছে৷ মশারির দড়ি ছেঁড়া৷ নান্তুর একপাটি জুতো দরজার কাছে, অপর পাটি বাইরের লনে পড়ে আছে৷’’
‘‘এই চিঠিটা কবে পেলেন?’’
‘‘আজ ভোরবেলা আমার ঘরের মেঝেয়৷ সুতোয় ছোটো ঢিলের সঙ্গে বেঁধে জানলা দিয়ে ছুঁড়ে ফেলেছে৷’’ সদাশিববাবু হঠাৎ ব্যস্তভাবে বুক-পকেটে হাত ভরলেন৷ তারপর কয়েকটা ভাঁজকরা কাগজ বের করে বললেন, ‘‘তার আগের ঘটনাও বলা দরকার, কর্নেল৷ কিছুদিন থেকে বাড়িতে অদ্ভুত ধরনের চুরি শুরু হয়েছিল৷ প্রথমে অত খেয়াল করিনি৷ পরে এই তিনটে চিরকুট একই ভাবে মেঝেয় কুড়িয়ে পেয়েছিলুম৷ প্রথমে চুরি গেল আমার দাঁতমাজা ব্রাশ৷ পরের দিন টেবিল থেকে দামী একটা কলম নিপাত্তা হয়ে গেল৷ তার পরের দিন নস্যির কৌটো খুঁজে পেলুম না৷ তবে মেঝেয় কুড়িয়ে পেলুম এই চিরকুটটা৷ তাতে লেখা আছে : ‘সবে কমদামি জিনিস দিয়ে শুরু৷ পরে আরও দামি জিনিস যাবে৷ ইতি, কাপালিক৷’ পরদিন গেল আস্ত চশমা চুরি৷ তারপর পেলুম এই দ্বিতীয় চিরকুট: এখনও বুঝতে পারছ না মূর্খ, কী ঘটতে চলেছে? ইতি, কাপালিক৷ পরের দিন গেল আমার মেয়ে ঝুমার কানের একটা দুল চুরি৷ স্নানের সময় বাথরুমে খুলে রেখে ভুলে গিয়েছিল৷ আনতে গিয়ে দেখে একটা নেই৷ সেদিনই আমার ঘরের মেঝেয় তৃতীয় চিরকুট আবিষ্কার করলুম: ‘সাবধান! এবার আস্ত মানুষ চুরি যাবে৷’ ইতি, কাপালিক৷ সত্যি গেল৷ নান্তুকে চুরি করে নিয়ে গেল৷’’
কর্নেল চিরকুটগুলো নিয়ে চোখ বুলিয়ে ফেরত দিলেন৷ তারপর বললেন, ‘‘কাপালিক কিন্তু বেশি টাকা দাবি করেনি৷ মাত্র আড়াই হাজার৷’’
সদাশিববাবু বললেন, ‘‘টাকাটা দিতে আমি পারি৷ কিন্তু কে এই ব্যাটা কাপালিক? তাকে জব্দ না করলে যে মনে শান্তি পাব না কর্নেল! আমি মোহনপুরের সদাশিব রায়৷ আমার সঙ্গে এরকম বেয়াদপি করার সাহস?’’
কর্নেল একটু হেসে বললেন, ‘‘ঠিক আছে৷ চলুন, আপনার সঙ্গেই বেরিয়ে পড়ি৷ আজই তো পূর্ণিমা তিথি৷’’ তারপর আমার দিকে ঘুরে বললেন, ‘‘কী জয়ন্ত, যাবে নাকি? তোমার দৈনিক ‘সত্যসেবক’ পত্রিকার জন্য একটা দারুণ রোমাঞ্চকর খবরও হবে৷’’
সায় দিয়ে বললুম, ‘‘আলবৎ যাব৷ অন্তত কাপালিক সাধুর পোষা সিংহটা দেখতে ইচ্ছে করছে খুব৷...’’
মোহনপুরে পৌঁছুতে বিকেল হয়ে গেল৷ ঠিক গ্রাম নয়, গ্রাম-শহরের বিদঘুটে জগাখিচুড়ি৷ সদাশিববাবুর বাড়িটা শেষ প্রান্তে গঙ্গার ধারে৷ বাগানের দিকের যে-ঘর থেকে ওঁর শ্যালক নান্তুবাবুকে কাপালিক ধরে নিয়ে গেছে, সেই ঘরটা খুঁটিয়ে দেখলেন কর্নেল৷ নান্তুবাবুর জুতো দুটো কোথায় কোথায় কীভাবে পড়েছিল, তা জেনে নিলেন৷ তারপর বললেন, ‘‘নান্তুবাবুর বয়স কত?’’
সদাশিববাবু বললেন, ‘‘বছর, আঠারো-উনিশ হবে৷ কলেজের ছাত্র৷ আমার কাছ থেকেই পড়াশোনা করে৷’’
‘‘ছাত্র হিসেবে কেমন?’’
‘‘তত ভালো না৷ কারণ সব সময় খেলাধুলোয় মন পড়ে থাকে৷ খেলা-পাগল বলতে পারেন৷’’
‘‘হুম! আপনার বাড়ির চাকর বিশ্বাসী তো?’’
‘‘আলবৎ৷ গদাই ছেলেবেলা থেকে এ-বাড়িতে আছে৷ এখন চুল পেকে গেছে৷’’
‘‘গদাই কি লেখাপড়া জানে?’’
‘‘মোটেও না৷’’
এরপর কর্নেল সদাশিববাবুর ঘর দেখতে গেলেন, যেখান থেকে ওঁর কলম, নস্যির কৌটো চুরি গেছে৷ তারপর বাথরুমে উঁকি দিলেন৷ দাঁতের ব্রাশ আর ওঁর মেয়ের দুল কোথায় ছিল জেনে নিলেন৷ তারপর বাগানে গিয়ে কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করলেন৷ কর্নেলের গলায় যথারীতি বাইনোকুলার ঝুলছিল৷ চোখে রেখে গাছগুলো দেখতে দেখতে বললেন, ‘‘কত পাখি! বড়ো সুন্দর জায়গায় আপনার বাড়ি সদাশিববাবু৷’’
কর্নেলের পাখি দেখার বাতিক প্রচণ্ড৷ একটু পরে দেখলুম, উনি অভ্যাস মতো বাইনোকুলার চোখে রেখে কী একটা পাখি দেখতে দেখতে হাঁটু দুমড়ে বসলেন৷ তারপর আর নড়ার নাম নেই৷ বেলা পড়ে এসেছে৷ সদাশিববাবু আমার দিকে তাকিয়ে কাঁচুমাচু হাসলেন৷ আমি একটু হেসে চাপা গলায় বললুম, ‘‘চলুন, আমরা বরং ঘরে গিয়ে বসি৷ উনি এখন পক্ষি দেবতার ধ্যানে বসেছেন৷ ধ্যান ভাঙতে দেরি হবে৷’’
এই সময় কর্নেলের মাথার টুপিটা খসে পড়ল৷
মাথা জোড়া টাক শেষ বেলাতেও চকচক করে উঠল৷ তারপর দেখি সাদা দাড়িতে সম্ভবত পোকা ঢুকেছে এবং পোকার উৎপাতেই উঠে দাঁড়ালেন৷ হাঁফ ছেড়ে বাঁচলুম৷
কিছুক্ষণ পরে বসার ঘরে যখন আমরা চা খাচ্ছি, কর্নেল চোখ বুজে বিড়বিড় করে বললেন, ‘‘আড়াই হাজার টাকা! হুম, কাপালিক খুব সামান্য টাকা দারি করেছে৷ কেন?’’
সদাশিববাবু বললেন, ‘‘জানে আমি কড়া লোক৷ শ্যালকের প্রাণ যাক আর যাই ঘটুক, তত বেশি টাকা দেবার পাত্র নই৷’’
কর্নেল চোখ খুলে বললেন, ‘‘হুম৷ ঠিকই বলেছেন৷’’
একটু পরে সদাশিববাবু ভেতরে গেলে আমি কর্নেলকে চুপিচুপি বললুম, ‘‘সদাশিববাবু অদ্ভুত লোক তো৷ শ্যালকের প্রাণ যাওয়া নিয়ে যেন মাথাব্যথা নেই৷ ‘কাপালিক’ ওঁকে যেন এভাবে বড্ড বেশি অপমান করছে ধরে নিয়েই চটেছেন৷ এমনকী, আমার ধারণা, শ্যালকের চাইতে ওঁর দাঁতের ব্রাশ, নস্যির কৌটো চুরি করেছে বলেই কাপালিককে টিট করতে চাইছেন আপনার সাহায্যে৷’’
কর্নেল হাসলেন, ‘‘তা-ও ঠিক৷ তবে আড়াই হাজার টাকার ব্যাপারটাও ওঁর কাছে মোটে সামান্য নয়৷ কেন জানো? মনে হচ্ছে, ভদ্রলোক বেজায় হাড়কেপ্পন! কাপালিক সেটা জানে বলেই বেশি টাকা দাবি করেনি৷’’
সদাশিব ফিরে এলে আমরা চুপ করলাম৷ এবার উনি ঘরে আলো জ্বেলে দিলেন৷
সিংহ বাহিনীর মন্দির মোহনপুর থেকে আধ কিলোমিটার দূরে৷ গঙ্গার ধারে একটা জঙ্গলের ভেতর জরাজীর্ণ এক মন্দির৷ একেবারে জনহীন জায়গা৷ পূর্ণিমার চাঁদ ঝলমলে আলো ছড়াচ্ছে৷ কর্নেল, সদাশিববাবু এবং আমি ভাঙা ফটকের কাছে একটা ঝোপের আড়ালে বসলুম৷
একটু পরে কর্নেল ফিস ফিস করে বললেন, ‘‘এগারোটা বাজে৷ সদাশিববাবু, টাকা নিয়ে রেডি হোন৷’’
সদাশিববাবু রুমালে বাঁধা নোটের বান্ডিল দেখিয়ে বললেন, ‘‘টাকাটা যেন নিয়ে না পালায় কর্নেল৷ আমার অনেক কষ্টের টাকা৷’’
কর্নেল বললেন, ‘‘দেখা যাক!’’
সেই সময় মন্দিরের দিক থেকে চাপা গর্জন শোনা গেল৷ শিউরে উঠলুম৷ সিংহের গর্জনই বটে৷ সদাশিববাবু ঠকঠক করে কাঁপতে লাগলেন৷ আরেকবার গর্জন শুনতে পেলাম৷ দেবীর বাহন তাহলে আসছে কাপালিকের হুকুমে টাকা নিতে! উত্তেজনায় শিরদাঁড়া সিধে হয়ে গেল৷
তারপর জ্যোৎস্নায় সত্যি সিংহটার আবির্ভাব হল৷ ফটকের কাছে দুপায়ে বসে একটা পা তুলে ধরে চতুর্থ পায়ে গোঁফের কাছটা চুলকোতে থাকল৷ মাথায় ঝাঁকড়া কেশর৷ লেজটা খাড়া হয়ে আছে পেছনে৷
কর্নেল সদাশিববাবুকে টেনে নড়াতে পারলেন না৷ ভদ্রলোক সমানে কাঁপছেন৷ ওঁর হাত থেকে টাকার রুমালটা নিয়ে তখন কর্নেলই এগিয়ে গেলেন৷ সিংহটা তেমনই বসে রয়েছে৷ কর্নেল তার সামনে রুমালটা ছুড়ে ফেলতেই সিংহটা একটা থাবা বাড়িয়ে তুলে নিল৷ তারপর যেই চার-পা হয়ে ঘুরেছে, কর্নেল বললেন, ‘‘এক মিনিট! এক মিনিট! কথা আছে৷’’
অবাক কাণ্ড৷ সিংহটা ঝটপট ঘুরে গেল৷ আঁতকে উঠে ভাবলুম, এই রে! দিল কর্নেলের মুণ্ডুটা বুঝি থাবার আঘাতে গুঁড়ো করে! সদাশিববাবু আমাকে চেপে ধরলেন ভয়ের চোটে৷
কিন্তু আমাদের আরও অবাক করে কর্নেল লাফ দিয়ে এগিয়ে সিংহের কেশর খামচে ধরে বললেন, ‘‘চলে আসুন সদাশিববাবু৷’’
সদাশিববাবু ‘‘ওরে বাবা’’ বলে আরও কাঁপতে শুরু করলেন৷ আমি দৌড়ে গেলাম৷ সিংহ বে-কায়দায় পড়ে দাপাদাপি করছে বটে, কিন্তু মোটেও গজরাচ্ছে না যে! কর্নেল হাসতে হাসতে বললেন, ‘‘কী নান্তু! দিল্লীতে এশিয়াড দেখতে যদি এত ইচ্ছে, খুলে বললেই পারতে জামাইবাবুকে!’’
অমনি সিংহটা দু-পায়ে মানুষের মতো দাঁড়িয়ে বলল, ‘‘খুলে বললে কি টাকা দিতেন? জামাইবাবু যে বড্ড হাড়কেপ্পন!’’
সদাশিব তক্ষুনি সব টের পেয়ে দৌড়ে এসে বললেন, ‘‘ওরে নেমকহারাম! তুই আমায় তাই ভাবলি? দিতুম না তোকে টাকা? বেশ! আমি না দিতুম, তোর দিদিকে বললে বুঝি দিত না?’’
সিংহবেশী নান্তু রুমালে বাঁধা টাকাটা ছুড়ে দিয়ে বলল, ‘‘এই নিন আপনার টাকা৷ আমি কলকাতা গিয়ে মেজদির বাড়ি টিভিতে এশিয়াড দেখব বরং৷’’
সদাশিববাবু টাকাটা কুড়িয়ে বললেন, ‘‘তাই দেখিস৷ তবে তার আগে আমার টুথব্রাশ, নস্যির কৌটো, কলম, ঝুমার কানের দুল ফেরত দে৷’’
কর্নেল হাসতে হাসতে বললেন, ‘‘ওসব জিনিস নান্তু চুরি করেনি সদাশিববাবু৷ কাল সকালে আপনার বাগানের আমগাছের ডগায় কাকের বাসাতে ওগুলো পেয়ে যাবেন৷ আসলে দুষ্টু কাকটার ওই কীর্তিকলাপ দেখেই আপনার শ্যালকের মাথায় এই রহস্যের ফন্দি গজিয়েছিল৷ বাইনোকুলারে ওবেলা কাকের বাসাটাই দেখছিলুম যে৷’’
সদাশিববাবু নরম হয়ে শ্যালকের কাঁধে হাত রেখে বললেন, ‘‘যাক গে, বাড়ি আয়৷ ক’দিন ধরে খেলি কোথায়, ঘুমুলি কোথায়? ছ্যা ছ্যা, কোনো মানে হয়!’’
পরদিন ফেরার পথে ট্রেনে কর্নেলকে জিজ্ঞেস করলুম, ‘‘কেমন করে টের পেলেন সব?’’
কর্নেল হাসলেন৷ ‘‘খুব সোজা হিসেব৷ সিংহ সেই গির অরণ্যে আছে৷ মোহনপুরে সিংহ কোথায়? তা ছাড়া এখন সার্কাসেরও সিজন নয়৷ তাহলে সিংহ আসবে কোত্থেকে? তা ছাড়া সিংহের গর্জন অন্য জিনিস৷ মন্দিরের ভেতর মানুষ যতই সিংহের ডাক নকল করুক, ধরা পড়বেই৷ নান্তু যদি বরং বাঘ সাজত, একটু জট পাকিয়ে যেত রহস্যটা৷ তবে যখনই শুনলুম, নান্তু খেলা-পাগল ছেলে, তখনই আঁচ করলুম সামনে মানে নভেম্বরে এশিয়াড এবং তার জামাইবাবু কেমন মানুষ৷ যাক গে, ছেড়ে দাও৷’’ বলে কর্নেল চোখে বাইনোকুলার রেখে টেলিগ্রাফের তারের পাখিটাকে দেখতে থাকলেন৷ চলমান ট্রেন বলে পাখিটা পিছিয়ে পড়ল৷ তখনও জানলায় ঝুঁকে আছেন বুড়ো ঘুঘুমশাই...
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন