পাঠ অভিজ্ঞতা কাস্টমাইজ করুনথিম, ফন্ট, লাইন উচ্চতা প্রয়োজনমত পরিবর্তন করুন।
দেখান
পরিশিষ্ট
সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
শুশুক-মানুষের রহস্য— শারদীয়া অপরাধ ১৩৮৪ (১৯৭৭)
মোহেনজো-দাড়োর ঘোড়া— শারদীয়া পক্ষিরাজ ১৩৮৫ (১৯৭৮)৷ পরবর্তীতে উপন্যাসটি কিঞ্চিৎ পরিমার্জিত-রূপে ‘হিটাইট ফলক রহস্য’ নামে ১৪০৮ (২০০১) সালের শারদীয়া কিশোর ভারতী-তে পুনঃ প্রকাশিত হয়৷ আমরা এই গ্রন্থে উপন্যাসটির প্রথম ভার্সানটি রাখলাম৷
খামারবাড়িতে হত্যাকাণ্ড— কনকচাঁপা (বার্ষিকী), দেব সাহিত্য কুটীর, ১৯৭৯৷ গল্পটি পরবর্তীতে কোনো কোনো গ্রন্থে ‘দ্বিখণ্ডিত’ নামেও প্রকাশিত হয়৷
হোহেনহুম্বার গুপ্তধন— প্রথমে ‘কিশোর পত্রিকা’ নামক পত্রিকায় ১৯৯৯ সালে ধারাবাহিক হিসেবে প্রকাশিত হতে শুরু হয়, কিন্তু পুরোটি প্রকাশিত না হয়ে তা মাঝপথেই বন্ধ হয়ে যায়৷ পরে ১৪০৭ (২০০০) সালের শারদীয়া কিশোর ভারতী-তে ‘সম্পূর্ণ উপন্যাস’ হিসেবে প্রকাশিত হয়৷
রামপুরের মানুষ-খেকো— শুকতারা, বৈশাখ ১৪০৮ (এপ্রিল ২০০১) ৷ ভিন্নপাঠে ‘মানুষখেকোর ফাঁদ’৷ ‘মানুষখেকোর ফাঁদ’ গল্পটি অবশ্য ইতিমধ্যেই গ্রন্থিত ও সহজলভ্য৷
পথিমধ্যে ভয়ঙ্কর— ২০১৩ সালে অপর্ণা বুক ডিস্ট্রিবিউটার্স থেকে প্রকাশিত ‘সেরা ক্রাইম’ গ্রন্থ থেকে গল্পটি গৃহীত হয়েছে৷ প্রথম প্রকাশের স্থান ও কাল অজ্ঞাত৷ কোনও-কোনও গ্রন্থে গল্পটি কিঞ্চিৎ ভিন্নরূপে ‘ষণ্ড রহস্য’ নামেও প্রকাশিত হয়েছে৷
ভূতুড়ে লাশ— প্রথম প্রকাশের স্থান ও কাল অজ্ঞাত৷ এই উপন্যাসটির প্রথম পরিচ্ছেদের সাথে ‘ভীমগড়ের কালো দৈত্য’ গল্পটির যথেষ্ট মিল লক্ষ্য করা যায়৷ লেখক সম্ভবত প্রথমে ছোটোগল্পটিই লিখেছিলেন; পরে হয়তো তাঁর মনে হয়েছিল সেই ছোটোগল্পটিকে ভিত্তি করে একটি উপন্যাসও লেখা যেতে পারে, যার ফলে পরে তিনি এই উপন্যাসটি লেখেন৷ ‘ভীমগড়ের কালো দৈত্য’ গল্পটির প্রথম প্রকাশ ‘কিশোর ভারতী’ পত্রিকার মে ২০০৩ সংখ্যায় ও গল্পটি বর্তমানে গ্রন্থিত ও সহজলভ্য৷
স্কাউন্ড্রেল রহস্য— শারদীয় স্বদেশ-য়ে প্রকাশিত৷ সাল অজানা৷