পারমিতা চক্রবর্তী
মন্দোদরী চরিত্র লিখতে গিয়ে কিছু কাল্পনিক সংলাপ, প্রেক্ষাপটের আশ্রয় নিতে হয়েছে। মন্দোদরী লেখাটা শেষ হতে হতে একটা অদ্ভুত পরিবর্তন এসেছে বেশ বুঝতে পারি। নিজেকে নিয়ে স্বপ্ন দেখা অনেক দিন আগেই ছেড়ে দিয়েছিলাম। আমাদের বেঁচে থাকার জন্য যে বিশ্বাস, আত্মত্যাগ দরকার তাকে নতুন রূপে দেখতে শিখিয়েছে মন্দোদরী। একটি নারী একজনকে প্রাণপণ ভালোবাসে, তার শত অপরাধ ভালোবাসা দিয়ে ক্ষমা করে দেয়। নিজের চেতনায় নাড়া দেয় এই চরিত্র। কী অদ্ভুত চরিত্র এটি! যেন ভালোবাসা ও আত্মত্যাগের অপর নাম।
বৃহত্তর স্বার্থে সর্বদাই অনেককে ক্ষুদ্র স্বার্থ ত্যাগ করতে হয়। কিন্তু সেই ত্যাগ করতে গিয়ে যদি ব্যক্তিমানুষের মূল ভাবনা, আদর্শে আঘাত করে তখন সে ভেঙেচুরে শেষ হয়। চিরকালই নারীদের অতিরিক্ত ধরা হয়। যেন প্রকৃতি তাদের তৈরী করেছে সব কিছুর সাথে সামাঞ্জস্য রাখার জন্য। এমনই অনেক ঘটনা আছে মন্দোদরীর জীবনে। এই চরিত্র ব্যাখ্যা করতে গিয়ে নিজেকে দেখেছি, খুঁজেছি, আবিষ্কার করেছি।
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন