ভারতী গুহ
ভীমসেন বীর অতি মস্ত
গদা হাতে হনহন চলেছেন ব্যস্ত
একি জ্বালা! পথ জুড়ে
ল্যাজ কার ন্যস্ত?
বাঁদরের বাঁদরামি
দেখে জ্বলে পিত্ত,
ল্যাজ পেতে শুয়ে আছে
ভয়হীন চিত্ত!
ভীম ছাড়ে হুংকার
পড়ে যেন বাজ,
“পথ জোড়া ল্যাজখানা
নাই কোনো লাজ?”
বানরটা হাই তোলে,
চোখ পিটপিট,
বীরের গর্জনে
হাসে মিটমিট।
“থুত্থুরে বুড়ো আমি
নড়তে কি পারি?
একটু সরিয়ে ল্যাজ
যাও তাড়াতাড়ি।”
অবহেলা ভরে ভীম,
দিয়ে কড়ে আঙ্গুল,
তখুনি সরাতে গেল
বানরের লাঙ্গুল।
এক হাতে, দুই হাতে
দিয়ে যথা শক্তি
নড়াতে পারে না বীর
ল্যাজ একরত্তি।
হার মেনে ভীম ভাবে
অ্যা-তো ভারী পুচ্ছ?
বানর ভেবেছি যারে
নয় সে তো তুচ্ছ!
“পরিচয় দাও যদি,
হয়ে গেছি ভক্ত,
বুঝেছি তোমার সাথে
এঁটে ওঠা শক্ত।”
উঠে বসে ‘হনু’ হাসে,
“আছে যোগসূত্র
আমি দাদা, তুই ভাই
পবনের পুত্র।”
পেন্নাম ঠুকে ভীম
বলে, “ঠিক অনুমান
রামায়ণে পড়েছি তো,
তুমি ,বীর হনুমান’
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন