অদ্ভুতুড়ে

ভারতী গুহ

এক যে ছিল ভূত। তার ভাইয়ের নাম অদ্ভুত, আর ছেলের নাম কিম্ভূত। দাদার নাম নিম্ভূত। নিমগাছের ডালে বসে পা দোলায় আর নাকি সুরে গান গায়।

আঁয় আঁয়রে / ভুঁত ভুঁতুরে / ঘুঁৎ ঘুঁতুরে / খুঁত খুঁতুরে

নিম্ভূতদাদার তিন নাতি। ভুতু, ঘুতু, খুতু। দাদা তিন নাতিকে খু-উ-ব ভালোবাসে। গাছের ডালে বসিয়ে দোল খাওয়ায়। কচুরিপানায় ঢাকা ডোবাটা ঘিরে কচুবন। একধারে শ্যাওড়া গাছ, একধারে নিমগাছ, আর একদিকে ইয়া লম্বা তালগাছ। ভূত, অদ্ভুত আর কিম্ভূত সর্ সর্ করে এই গাছে ওঠে, ঐ গাছে ওঠে, সেই গাছে ওঠে। গাছের মগডাল থেকে পানাপুকুরে ঝাঁপ খেয়ে পড়ে। শব্দ ওঠে ঝপাং ঝপ্। ব্যাঙ, ব্যাঙাচি, শামুক, গুগলি, বাদুড় চামচিকে, ভিড় করে দেখতে আসে আর খুব হাততালি দেয়। সারারাত এই সব কাজ নিয়ে ওরা ভীষণ ব্যস্ত থাকে। পুবের আকাশে যেই লাল রঙ ধরে, ওরাও অমনি কচুবনে গুটিসুটি মেরে ঘুমিয়ে পড়ে।

ভূত অদ্ভূত কিম্ভূত নিম্ভূত, সবাই খুব সুখে শান্তিতে আছে। নাচে, গায়, গাছে চড়ে, দোল খায়, ডোবার জলে সাঁতার কাটে। এদিকে হয়েছে কি, একদিন সন্ধ্যে হতে না হতেই নিম্ভূতদাদার ঘুম গেছে ভেঙে। সে তার তিন নাতিকে নিয়ে নিম গাছে চড়ার জোগাড়-যন্তর করছে, আর নাকি সুরে গান গেয়ে তিন নাতির নাম ধরে ডাকছে,

আঁয়রে আঁমার ভুঁতুরে / কোঁথায় গেঁলি ঘুঁতুরে / দোঁল দোঁলাবো খুঁতুরে

কিন্তু অনেক ডেকে অনেক গান গেয়েও তিন নাতির সাড়া নেই। কোথায় গেল?

দাদার চ্যাঁচানিতে ভূত অদ্ভুত কিম্ভুতের ঘুম গেল ভেঙে। তারা তাড়াতাড়ি উঠে কচুপাতার আড়ালে বাঁশঝাড়ের পেছনে, কচুরিপানার মধ্যে নিম্ভূতের তিন নাতিকে আঁতিপাঁতি করে খুঁজতে লাগল। কোথাও নেই। কচুবনে আঁধার নেমে এল। জোনাকিরাও দলে দলে এসে আলো জ্বেলে জ্বেলে তিন নাতিকে খুঁজতে শুরু করল। ব্যাঙ, ব্যাঙাচি, বাদুড়, চামচিকে, উচ্চিংড়ে সবাই এসে তিন নাতির নাম ধরে তারস্বরে ডাকতে লাগল।

হাবুর ঠাকুমা উঠোনে তুলসীতলায় পিদিম জ্বালিয়ে বলল, ‘এদের চ্যাঁচানিতে একটু ঠাকুরের নাম করার জো নেই।’ হাবুর মা রান্নাঘরে উনুনে আঁচ দিতে দিতে বলল, ‘ঝিঁঝিঁ পোকাগুলো কানে তালা ধরিয়ে দিলে।’ হাবুর বাবা কাজ থেকে ফিরে কুয়োতলায় হাতমুখ ধুতে এসে বলে উঠল, ‘আজ এত ব্যাঙ ডাকছে, ঠিক বৃষ্টি আসবে।’

হাবু আজ সন্ধ্যে হতেই ঘরে ফিরে এসেছে। আজ আর মাস্টারমশাই পড়াতে আসবে না। হাবু কাল তাক থেকে ঠাকুমার চুনের কৌটো খালি করে এক গেলাস শরবত বানিয়ে এনে বলেছে, ‘মাস্টারমশাই, মা আপনাকে এই ঘোলের শরবতটা খেয়ে নিয়ে পেট ঠান্ডা করে পড়াতে বলেছে।’

ঢকঢক করে গেলাস শুদ্ধু শরবত খেয়েই মাস্টারমশাই, ‘বাবারে, মারে, মরে গেলাম রে’, করে পালিয়েছে।

এর আগে যে মাস্টারমশাই হাবুকে পড়াতে আসত, সে একটু বুড়ো। একদিন ঘরে ঢুকে মাস্টারমশাই যেই না চেয়ারে বসতে যাবে, হাবু অমনি পেছন থেকে আস্তে করে চেয়ারটা সরিয়ে নিতেই মাস্টারমশাই চিৎপটাং। কোমরের হাড় ভেঙে বিছানায় পড়ে আছে। তার আগে যে মাস্টারমশাই ছিল, সে খুব রাগি আর খুব সাহসী। দুনিয়ায় আরশোলা ছাড়া কাউকে ভয় পায় না। হাবু একটা মেটে হাঁড়িতে কিলোখানেক আরশোলা জমিয়ে একদিন মাস্টারমশাইয়ের মাথায় দিল উপুড় করে। সঙ্গে সঙ্গে চোখ উলটে অজ্ঞান। আর কোনোদিন এমুখো হয়নি। বাবা বলেছে আর মাস্টার-টাস্টারে দরকার নেই, ও ছেলে বনে বাদাড়ে ঘুরে বেড়াক।

হাবু চুপিচুপি চিলেকোঠার ঘরে উঠে, জামার ভেতর থেকে লুকোনো পুরোনো বাক্সটা বের করল। এর আগে সে কুকুর, বেড়াল, বেঁজি, হেলে সাপ, অনেক কিছু পুষেছে। এই চিলেকোঠার ঘরে, কৌটোয়, শিশিতে, রাশি রাশি ফড়িং উচ্চিংড়ে প্রজাপতি, গুবরে পোকা, চামচিকে, টিকটিকি জমিয়ে রেখেছে। এদের যত্ন-আত্তি করতেই দিন কেটে যায়, ইস্কুলে যাবার ফুরসত পায় না। অনেকদিন থেকেই হাবুর একটা ভূত পোষার শখ। একটা ভূতের ছানাকে ঠিক মতো ট্রেনিং দিতে পারলে, তাকে দিয়ে অনেক কাজ হবে। মাঝে মাঝে হাবুকে ইস্কুলে যেতেই হয়। বাবা হঠাৎ একদিন পাড়ার ক্লাবের তিন চারটে ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে হাবুকে ইস্কুলে পৌঁছে দিয়ে আসে। আগের থেকে খবর দেওয়া থাকে। হেডস্যার দারোয়ানকে সঙ্গে নিয়ে ইস্কুলের গেটে দাঁড়িয়ে থাকে। হাবুকে তারা ধরে নিয়ে ক্লাসে বসিয়ে দেয়। ক্লাসে কিন্তু হাবু একটুও গণ্ডগোল করে না। সব ছেলেরা যখন মনোযোগ দিয়ে মাস্টারমশাইয়ের পড়া শোনে, হাবুও একমনে বসে খাতা ভর্তি করে মাস্টারমশাই আর ক্লাসের সব ছেলেদের ছবি আঁকে। তারপর খাতার পাতা ছিঁড়ে সুন্দর সুন্দর নৌকো, জাহাজ, প্লেন এইসব তৈরি করে ক্লাসের সবাইকে উপহার দেয়। সব পরীক্ষায় সব বিষয়ে গোল্লা পেলেও হাবুকে কেউ ইস্কুল থেকে তাড়ায় না। ওর বাবা ইস্কুলের সেক্রেটারি। বাবা অবিশ্যি সব মাস্টারমশাইদের ঢালাও হুকুম দিয়ে রেখেছে ওকে আচ্ছা করে বেত মারতে। বেত মারতে মারতে অঙ্ক স্যারের কব্জির হাড়ই গেল ভেঙে। প্লাস্টার করা হাত নিয়ে বোর্ডে আর অঙ্ক কষাতে পারে না। এক ক্লাসে কেউই ওকে বেশি দিন রাখতে চায় না, তাই দুই এক বছর পরই ওপরের ক্লাসে তুলে দেওয়া হয়। এই বারই হাবু সবাইকে অবাক করে দিয়ে পরীক্ষায় নম্বর পেয়েছে ইতিহাসে একশোয় এক, ভূগোলেও একশোয় এক। ইতিহাসের মৌখিক পরীক্ষায় ওকে একজন সম্রাটের নাম জিজ্ঞেস করা হয়েছিল। হাবুর হঠাৎ মনে পড়ে গেল, পুজোর সময় পাড়ার ছেলেরা ‘শাজাহান’ নাটক করেছিল। ও তাই শাজাহানের নামটা বলে ফেলেছিল। ভূগোল পরীক্ষায় পৃথিবীর আকার যখন জিজ্ঞেস করা হচ্ছে, ওর চোখ তখন জানলার বাইরে দত্তদের বাগানের পাঁচিলের ওপর। সেখানে কমলালেবু গাছে বড়ো বড়ো কমলালেবু ঝুলছে। ওর মুখ ফসকে বেরিয়ে এল কমলালেবু।

হাবুকে ইস্কুল থেকে না তাড়াবার আরেকটা কারণ আছে। আশেপাশের সব গ্রামের ইস্কুলের মধ্যে যখন ফুটবল ম্যাচ হয়, দৌড় বা সাঁতারের প্রতিযোগিতা হয়, প্রত্যেকবার চ্যাম্পিয়ান হয় হাবুদের ইস্কুল। ফুটবল ম্যাচের সব কটা গোল হাবুই দেয়। দৌড় বা সাঁতারের সবগুলো সোনার মেডেল ওই জিতে নিয়ে আসে।

তবে ভূত পোষার একটা বড়ো কারণ হল, ওদের ইস্কুলের নতুন অঙ্ক-স্যার। পাড়ার বাবলুদার থেকে বয়েসে সামান্য বড়ো এই স্যার ইস্কুলে এসেই হইহই ফেলে দিয়েছে। যে সব ছেলেরা মোটেই অঙ্ক কষতে চাইত না, তারা নাকি এখন নাওয়া-খাওয়া ভুলে দিনরাত অঙ্ক কষছে। যারা সবসময় অঙ্কে গোল্লা পেত, তারা এখন সত্তর, আশি নম্বর পাচ্ছে। হাবু গত রোববার সেই স্যারের সঙ্গে বাবাকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে কথা বলতে দেখে খুব ঘাবড়ে গেছে।

যে করেই হোক ভূতের একটা ছানা তাকে জোগাড় করতেই হবে। ক-দিন ধরেই সারা দুপুর আর বিকেল ও কচুবনের ডোবার ধারে ঘুরঘুর করে। এখানে যে ভূতেদের বিরাট আড্ডা হাবু তা ভালোই জানে। আজ বাগে পেয়ে খপ্ করে ধরে ফেলল, একটা নয়, দুটো নয়, তিন-তিনটি ভূতের ছানা। লিকলিকে, একরত্তি হাওয়ায় ভেসে চলে, মাটিতে পা পড়ে না। মুঠোয় পুরে, বাক্সয় ভরে, হাবু সোজা বাড়ি।

ভাঁড়ার ঘর থেকে ঠাকুমার আচারের তিনটে কাঁচের বয়ম এনে, বয়ম ভর্তি সব আচার পুকুরের জলে ঢেলে ফেলে বেশ করে ধুয়ে নিল। এবার বাক্স থেকে ভূতের বাচ্চাগুলো বের করে বয়মে রাখল। কচি কচি ছানাগুলোর মনে হয় এখনও দাঁত ওঠেনি। হাবুর মাথায় চড়াক্ করে চিন্তা এল, আচ্ছা এরা খাবে কী? ভূতের বাচ্চারা কী খায়? এটা তো হাবু জানে না। মস্ত সমস্যা। কাল সন্ধ্যেবেলা কচুবনে ডোবার ধারে গিয়ে যে করেই হোক জেনে আসতে হবে, ভূতের ছানার খাদ্য কী। রাতে হাবুর আর ঘুম আসে না। আহারে। এতটুকু বাচ্চাগুলো না খেয়ে উপোস করে আছে। যদি ওদের ঠিকমতো খাবারই না দিতে পারে, ওরা পোষ মানবে কী করে? ট্রেনিংইবা হবে কী করে?

ভোর হতে না হতেই হাবু তিনলাফে চিলেকোঠার ঘরে। কাঁচের বয়মের ভেতরে ভূতের ছানাগুলো নেতিয়ে পড়েছে। দিনের বেলা তো ভূতেদের সঙ্গে দেখা হবে না, যেতে হবে সন্ধ্যেবেলা। হাবু সারাদিন ছটফট করে কাটাল, সন্ধ্যের মুখে ডোবার দিকে রওনা দিল।

এদিকে হয়েছে কি, নাতিদের হারিয়ে নিম্ভূত বুক ফেটে মরে আর কী। ভূতেদের তো মরণ নেই, তাই সে অনেক কষ্টে বেঁচে আছে। ভূত, অদ্ভূত আর কিম্ভূতেরও নাচ, গান, লাফাঝাঁপা, গাছে চড়া, দোল খাওয়া বন্ধ। ওদের ঘিরে বাদুড় চামচিকে গুবরে পোকা ব্যাঙ ব্যাঙাচি শামুক গুগলি, শোকসভা বসিয়েছে। ঠিক এমন সময় সেখানে হাজির শ্রীমান হাবু। চামচিকে ফড়িং আর গুবরে পোকা নিজেদের মধ্যে কানাকানি শুরু করে দিল। কারুর আর কিছু বুঝতে বাকি রইল না। হাবুকে সবাই চেনে। উচ্চিংড়ে উড়ে গিয়ে কিম্ভূতের কানে কানে অনেক কথা বলতে লাগল। মনে খুব সাহস এনে কোলাব্যাঙ হঠাৎ সবার আগে হাবুর কাঁধে লাফ দিয়ে উঠে বসল। চমকে উঠল হাবু। এবার সবাই মিলে ঝাঁপিয়ে পড়ল, ওর ঘাড়ে, মাথায়, কানে, মুখে, নাকে। ভূত অদ্ভূত আর কিম্ভূত ওর পিঠে, গালে, ঘাড়ে খুব করে আঁচড়াতে লাগল, চুল ধরে টানতে লাগল আর নাকি সুরে বলতে লাগল,

‘হাঁবু বাঁবু / এঁবার কাঁবু / পঁথ্যি হঁবে বাঁর্লি সাঁবু / কঁরবে চুঁরি ভূঁতের ছাঁনা / চোঁখ খুঁবলে কঁরবো কাঁনা’

তবে যে যাই করুক সবাই বেশ ভয়ও পাচ্ছে। হাবু যে কখন কী করে বসবে তার তো কোনো ঠিক নেই। হাবুর হাত পা চলে বিদ্যুতের মতো। সে একটু ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেলেও, মুহূর্তের মধ্যে গা থেকে সব কটাকে ঝেড়ে ফেলে দিয়ে দৌড় লাগাল। এই দৌড়েই সে প্রত্যেকবার চ্যাম্পিয়ান হয়। সামনেই রায়দের বড়ো পুকুর। হাবু ঝাঁপিয়ে পড়ল পুকুরে। ওর গা হাত পা মুখ জ্বলে যাচ্ছে ভূতের আঁচড়ে। গুনে গুনে তেত্রিশ বার ডুব সাঁতার দিয়ে পুকুর এপার-ওপার করে ঘোর সন্ধ্যেবেলা ভিজে গায়ে কাঁপতে কাঁপতে ঘরে ফিরল। রাতের বেলা হাবুর কাঁপুনি দিয়ে জ্বর এল।

খুব সকালে ঘুম ভেঙে গেল অচেনা গলার ডাক শুনে। সদর দরজায় কড়া নেড়ে কে যেন ওর নাম ধরে ডাকছে, ‘সুশান্ত। বাড়ি আছে সুশান্ত?’

হাবু ধড়মড় করে উঠে বসে শুনতে পেল বাবার গলা। দরজা খুলে কার সঙ্গে যেন বিগলিত হয়ে কথা বলছে, ‘আসুন স্যার, আসুন। ছেলেটার একটু জ্বর হয়েছে।’

হাবু চাদর মুড়ি দিয়ে পাশ কাটিয়ে পালাতে গিয়ে ধরা পড়ে গেল।

নতুন স্যার চেয়ারে বেশ আয়েশ করে বসে চা খাচ্ছে আর মিটিমিটি হাসছে। হাবু সামনে এসে দাঁড়াতেই বলল, ‘সুশান্ত, ম্যাজিক শিখবে?’

বলতে না বলতেই স্যার হাবুর প্যান্টের পকেট থেকে দুটো গুলতি তিনটে লাট্টু কানের ভেতর থেকে একটা প্রজাপতি, নাক থেকে দুটো গুবরে পোকা আর চুল থেকে একটা লাল নীল পেনসিল বের করে আনল। নিজের হাতের মুঠো থেকে বের করল পাঁচটা গঙ্গাফড়িং আর চায়ের খালি কাপ থেকে তিনটি আরশোলা। হাবুর তো মুখ হাঁ, চোখ দুটো ছানাবড়া। এ কি অঙ্ক স্যার? না কি ম্যাজিক স্যার? অনেকক্ষণ ধরে চলল নানারকম ম্যাজিকের খেলা। দেখতে দেখতে হাবুর তখন নেশা ধরে গেছে। এবার স্যার যাবার জন্য উঠে দাঁড়িয়ে নিজের পকেট থেকে একটা চমৎকার সোনালি রঙের কলম বের করে হাবুর হাতে দিয়ে বলল, ‘এটা তোমার। কাল এসে আরও অনেক নতুন ম্যাজিক দেখাব।’ হাবুর চোখ দুটো জ্বল জ্বল করে উঠল।

হাবু চিলেকোঠায় উঠে, বয়ম খুলে ভূতের তিনটে ছানাকে বের করে কচুবনের ডোবার ধারে ছেড়ে দিয়ে এল।

সন্ধ্যে যেই ঘনিয়ে এল, ভূত অদ্ভূত, কিম্ভূত আর নিম্ভূতও আহ্লাদে আটখানা হয়ে, তিন নাতিকে নিয়ে গাছের ডালে দোল খেতে খেতে নাকি সুরে গান ধরল,

ভুঁত ভুঁতুরে

ঘুঁত ঘুঁতুরে

খুঁত খুঁতুরে

তিন নাঁতুরে

বোঁচা খাঁদুরে

বোঁকা হাঁদুরে

খুঁব আঁদুরে

খুঁব আঁদুরে।

সকল অধ্যায়

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%