হাসি নিষেধ

ভারতী গুহ

তোমরা ‘আবোল তাবোল’ পড়েছ তো? যদি না পড়ে থাকো তবে তো এঁদের সঙ্গে তোমাদের চেনাশোনা নেই। তাই শিগগিরিই পড়ে ফেলো সেই অসম্ভব সুন্দর ছড়ার বই। দেখবে তখন এঁরাই তোমাদের খুব চেনা বন্ধু।

পুরোনো রঙচটা সাইনবোর্ডটা সামনেই পোঁতা। তাই দেখেই বাসাটা চেনা যায়। সাইনবোর্ডের লেখা ঝাপসা হয়ে গেলেও পড়া যাচ্ছে, - ‘হাসি নিষেধ’।

বাড়িটা তো ঝুরঝুরে। দরজার কড়া নাড়তে গিয়ে দেখা গেল কড়াটড়া কিছু নেই। একটু ঠেলতেই দরজার একপাটি খুলে দড়াম করে পড়ে গেল। চারধারে ঝোপজঙ্গল খানাখন্দ, এবড়ো-খেবড়ো মাঠ। মাঠের একধারে বাড়িটা। একটু জোরে হাওয়া দিলেই হুড়মুড় করে পড়ে যায়। আবার কাঠকুটো দিয়ে ঠেকা দেওয়া হয়।

দরজায় শব্দ পেয়ে কে যেন ঘড়ঘড়ে গলায় ধমকে উঠল, “কে ওখানে?”

“আজ্ঞে আমি বাবুরাম।”

ঘড়ঘড়ে গলা তেমনি ধমক দিল, “কী চাই?”

কথা না বাড়িয়ে বাবুরাম ভাঙা দরজা দিয়ে টুপ করে ভেতরে ঢুকে পড়ল। একগাল হেসে বলল, “তোমাদের খবর নিতে এলেম গো রামবাবু। কতকাল দেখা সাক্ষেৎ নেই।”

বুড়োর গায়ের চামড়াটামড়া সব ঝুলে পড়েছে, ঘরের কোণে গুটিশুটি মেরে বসে আছে। চোখের ওপর হাত রেখে বাবুরামকে একবার দেখেই চেরা চেরা গলায় খেঁকিয়ে উঠল, “তুমি কি হাসলে? হাসলে নাকি তুমি? আমার বাড়িতে হাসি? জানো না এখানে হাসা নিষেধ?”

বাবুরাম দেখল রামগরুড়ের ছানারা সব ঘরের ভেতরে ঘুরঘুর করছে। তাদের কারও মুখ রাগে থমথম করছে, কারও মুখে রাজ্যের বিরক্তি, আবার কারও বা মুখ ভীষণ গোমড়া। সবথেকে ছোটোটা পা ছড়িয়ে গুম হয়ে বসে বুড়ো আঙুল চুষছে।

বাবুরাম দড়ির খাটিয়াটা টেনে ঝুপ করে বসে কাঁদো কাঁদো মুখে বলল, “আমার দুঃখের কথা আর কী বলব দাদা, ব্যবসাপত্তর তো সব বন্ধ। যে সব মালের অর্ডার ছিল তা তো কোথাও পাওয়া গেল না। হাঁটবে না, ছুটবে না, কাউকে কাটবে না, ফোঁসফোঁস করবে না, শান্তশিষ্ট ল্যাজবিশিষ্ট, শুধু দুধভাত খেয়ে আদুরে খোকাটি হয়ে থাকবে, তেমন সাপ সারা মুল্লুকে নেই।”

বাবুরামের দুঃখের কথা শুনে রামগরুড় একটু উৎসাহ পেয়ে তার বাচ্চাদের জোরে ধমক দিয়ে উঠল, “তোদের বাবুরাম চাচা এসেছে, দেখতে পাসনি? খাবারদাবার কই?”

রামগরুড়ের ছানারা সে কথায় কানও দিল না। তাদের মুখগুলো আরও গোমড়া হয়ে গেল। এমন সময় মনে হল বাইরে থেকে ভাঙা গলায় কে যেন খুব চেঁচিয়ে ডাকছে। ঘরের কেউ সাড়াও দিচ্ছে না, উঁকি মেরেও দেখছে না। বাবুরাম অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, “চ্যাঁচায় কে?” রামগরুড়ের বড়ো ছেলে ‘বদমেজাজি’ রাগে গজগজ করতে করতে বলল, “আমাদের ইস্কুলের স্যার ডাকতে এসেছে।” রামগরুড় বিকট ধমক দিয়ে চেঁচিয়ে উঠল, “ভাগো এখেন থেকে! তোমার পাঠশালায় আমার ছেলে-মেয়েরা কক্ষনো পড়তে যাবে না। তুমি ওদের হাসি শেখাচ্ছ, আমি সব টের পাই। পরশু দিন ইস্কুল থেকে ফিরে আমার মেজো মেয়ে ‘বিরক্তি’ ফিক করে হাসল। আমি ঠিক দেখতে পেয়েছি।”

রামগরুড়ের কথা শেষ হতে না হতেই মাস্টারমশাই হুড়মুড় করে ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়ল। ওমা! এত দেখি সেই মহাচালাক শেয়াল পণ্ডিত। বাবুরাম তাকে দেখেই রেগেমেগে বলে উঠল, “কুমিরের ছানা খেয়ে বুঝি অরুচি ধরেছে? তাই এবার রামগরুড়ের ছানা খাবে?”

শেয়াল পণ্ডিত নাকের ওপর চশমাটা ঠিক করতে করতে ভারিক্কি চালে বলল, “আরে ছি ছি বাবুরাম! এ কী অশিক্ষিতের মতো কথা! দেখচো না আমি বুড়ো হয়েচি, একটাও দাঁত নেই। রামগরুড়ের ছানা চিবিয়ে খাব কী করে? তুলতুলে মুরগির ছানাও আর খেতে পারিনে। আমার গিন্নি মেঠো ইঁদুরের দুধ দিয়ে ছানা বানিয়ে দেয়, সেই ছানা খেয়েই কোনো মতে বেঁচে আছি।”

বাবুরাম শেয়াল পণ্ডিতের কথা শুনেও খুশি হতে পারল না। আসলে রামগরুড়ের বাসা ধমক দিয়ে ঠাসা তো, এখানে কিছুতেই খুশি হবার জো নেই। সে গোমড়া মুখে জিজ্ঞেস করল, “তোমার ইস্কুলে মাইনে কত? আমার নাতি ভোলারামকে এবার ভরতি করাব ভাবচি। আমাদের জাত ব্যবসা তো লাটে উটেচে। নিরীহ, গোবেচারা, হাবাগোবা সাপের অর্ডার যেই আসতে শুরু করল অমনি ব্যবসাট্যবসা সব বন্ধ। তা তোমার ইশকুলে কী কী পড়ানো হয়?”

পণ্ডিত মশাই, বাবুরামের পাশে বসে পড়ে প্রথমেই গোঁফে বেশ খানিক তা দিল। তারপর কাঁধের ঝোলা থেকে একখানা পুরোনো মলাট ছেঁড়া খাতা বের করে খুব মনোযোগ দিয়ে পাতা ওলটাতে ওলটাতে গড়গড় করে পড়তে লাগল,

‘হিস্টিরি, জিস্টিরি, টিটকিরি।’

ভূগোল, পাগোল, গণ্ডগোল।

ইতিহাস, পাতিহাঁস, হাঁসফাঁস।

বিজ্ঞান, অজ্ঞান

বাংলা, হ্যাংলা, জংলা।

ইঞ্জিরি, মিঞ্জিরি, বিচ্ছিরি।

অঙ্ক, বঙ্ক, লবডঙ্ক…”

আরও কী কী সব পড়তে যাচ্ছিল। বাবুরাম হাত তুলে বলল, “ব্যাস্ ব্যাস্ ওতেই হবে। অতসব পড়ে বিদ্যাদিগগজ হয়ে কী লাভ? আমাদের হেড-আপিসের যে বড়োবাবু ছিল, তার সঙ্গে কাল বাজারে হটাৎ দেখা। আমাকে খুব খাতির করে বলল, “বাবুরাম, নাতিকে অল্পস্বল্প লেখাপড়া শেখাও, আমার আপিসে চাকরি পাইয়ে দেব।”

তাই না শুনে রামগরুড় দাঁত মুখ খিঁচিয়ে বলে উঠল, “আমার বড়ো ছেলেটা শেয়াল পণ্ডিতের ইশকুলে সাত সাতটা বছর লেখাপড়া শিখে বেকার বসে আছে, বড়োবাবু তাকে একটা চাকরি পাইয়ে দিতে পারল না?”

বাবুরাম সান্ত্বনা দিয়ে বলল, - ‘আহা। তুমি কি বদমেজাজির চাকরির জন্য বড়োবাবুর কাছে গিয়েছিলে? ঘরে বসে থাকলে হবে? বড়োবাবুর কাছে একবার গিয়েই দেখো না।”

শেয়াল পণ্ডিত তড়াক করে লাফ দিয়ে উঠে পড়ে বলল, “চল সব এক্ষুণি চল। আমার পাঠশালার ছাত্তরদের বড়োবাবু চাকরি দেবে না তাও কি হয়?” খাতাপত্তর গুছিয়ে নিয়ে, নাকে চশমাটা বেশ করে এঁটে বলল, “এখন বেলা এগারোটা। বড়োবাবু পানটি মুখে দিয়ে চেয়ারে এসে বসেচে, আর ঘুমের ঢুলুনিটাও সবে এসেচে, এইটেই মোক্ষম সময়। এরপর নাক ডাকতে শুরু করলে আর কি দেখা করার জো আছে?”

রামগরুড় আর তার সব ছানারা সেজেগুজে রেডি। তারা কখনও শহরে যায়নি। এই তালে তাদের একটু বেড়ানোও হবে আর বদমেজাজের চাকরিটাও হয়ে যাবে। সবাই লাইন করে ঘরের বাইরে এল। কারও মুখে হাসিটি নেই। সবার মুখই গোমড়া। রামগরুড় রাগে গনগন করছে। শেয়াল পণ্ডিত ছাতা মাথায় আগে আগে চলল। তার পেছনে মাথায় পাগড়ি বাবুরাম, কাঁধে তালিমারা ঝোলাটা, তাতে সাপটাপ নেই, শুধু ভাঙা বাঁশিটা পড়ে আছে। তারপর রাগরাগ মুখে রামগরুড় আর গোমড়া মুখো ছানারা। সব শেষে পুঁচকেটা, তার নাম ‘ছিঁচকাঁদুনে’। বুড়ো আঙুল মুখে পুরে খুঁ খুঁ করে কাঁদতে কাঁদতে গুটগুট করে হাঁটছে। ভুরু কুঁচকে, মুখে রাজ্যের বিরক্তি নিয়ে রামগরুড়ের ছানারা শহরটা ঘুরে ঘুরে দেখল। তারপর সবাই এসে হাজির হল হেডঅপিসের সামনে। গেটের সামনে বসে দারোয়ান মনোযোগ দিয়ে হাতে ডলে ডলে খৈনি বানাচ্ছিল, ওদের দেখে খৈনি খেতে খেতে ভুলে গিয়ে তড়বড় করে উঠে গেট আগলে দাঁড়াল, “কে তোমরা? কী চাই?” রামগরুড় ধমক দিয়ে বলল, “চাইব আবার কি? বড়োবাবুকে খবর দাও।”

দারোয়ানও রেগে বলল, “চিল্লাছেন কেন? এখন দেখা হবে না, বড়োবাবু জরুরি মিটিঙে বেস্ত আছেন।”

বাবুরাম এগিয়ে এসে নরম গলায় বলল, “দারোয়ান ভাইয়া, তুমি বড়োবাবুকে গিয়ে বল বাবুরাম সাপুড়ে এসেচে, রামগরুড়ও এসেচে। আমরা বড়োবাবুর পুরোনো দোস্ত”।

দারোয়ান খবর দিতে গেল। ওরাও এই ফাঁকে অফিসের খোলা গেট দিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়ল।

বড়োবাবু আর আসেই না। দারোয়ানও হাওয়া। বেলা বেড়ে যাচ্ছে। সূর্য তো মাথার ওপরে এসে হাজির। রামগরুড়কে দেখে মনে হচ্ছে, এক্ষুণি রাগে ফেটে পড়বে। ছানাগুলোও প্রচন্ড রেগে হুমহুম করতে করতে উঠোনময় ছোটাছুটি করছে।

শেয়াল-পণ্ডিত আপিসের বারান্দায় উঠে এদিক-সেদিক উঁকি ঝুঁকি মারতে লেগেছে। বাবুরামও সময় নষ্ট না করে আপিসের উঠোনের ছোটো ছোটো গর্তগুলো মন দিয়ে পরীক্ষা করতে শুরু করল, যদি অর্ডার মতো একটাও সাপ জুটে যায়।

এমন সময় কে যেন বাজখাই গলায় হেঁকে উঠল, “কাজের সময় ডিস্টার্ব করে কে?” সব্বাই দারুণ চমকে ফিরে তাকাল।

ধুতির ওপর কালো কোট, পায়ে মোজা আর বুট জুতো। বিশাল বপু। এই কি সেই হেড আপিসের বড়োবাবু? কিন্তু কিন্তু!

সেই পুঁচকেটা, যার নাম ‘ছিঁচকাঁদুনে’, সারাক্ষণ খুঁ খুঁ করে কাঁদে, সে হঠাৎ কান্নাটান্না ভুলে, মুখ থেকে বুড়ো আঙুল সরিয়ে মিহি গলায় আধো আধো সুরে টেনে টেনে বলল, “ব-ড়ো-বা-বু-র গোঁপ-নেই!”

তাইতো! সবার চোখ ছানাবড়া। বড়োবাবুর গোঁফ কই? ‘বদমেজাজি’, ‘খিট্খিটে’ ‘গোমড়া’, ‘ঝগরুটে’, সবাই ফিক ফিক খিক খিক করে হাসতে শুরু করল।

বড়োবাবু দাঁড়িয়ে আছে, আপিসের বারান্দায়, বড়োবাবুর গোঁফ নেই। চোখ, মুখ, নাক, কান সবাই যে যার জায়গায় ঠিকঠাক দাঁড়িয়ে আছে, নেই শুধু গোঁফটা। তাঁকে যে চেনাই যায় না।

বড়োবাবু চারপাশে চোখ ঘুরিয়ে সবাইকে একবার দেখে নিলেন। তারপর ভালো করে গলা ঝেড়ে নিয়ে চিৎকার করে বক্তৃতা শুরু করলেন – “বন্ধুগণ, আমার গোঁফ এক মস্ত সমস্যার সৃষ্টি করেছিল। সব লোকেরই নজর পড়েছিল আমার গোঁফ জোড়ার দিকে। চুরি যাওয়া হারিয়ে যাওয়ার ভয় তো ছিলই, তাছাড়াও রোজ সকালে গোঁফদুটো সাইজ করে ছাঁটতে গিয়ে অফিসে লেট। এতকালের পুরোনো চাকরিটা আরেকটু হলেই চলে যাচ্ছিল। তাই গত জ্যষ্ঠি মাসের তিন তারিখ, দুপুর আড়াইটেয় আমি আমার গোঁফ কামিয়ে ফেলেছি।” বড়োবাবু তাঁর বক্তব্য শেষ করলেন। তারপর সবার দিকে একবার চোখ বুলিয়ে নিয়ে, ঘাড় কাৎ করে লাজুক লাজুক মুখে বললেন, “কেন আমায় ভাল দেখাচ্ছে না? তবে যে আমাদের পাড়ার শ্যামাদাস আর জগমোহন বলল, “আমাদের বড়োবাবুকে গোঁফ কামিয়ে বেশ দেখাচ্ছে।”

রামগরুড়ের মেজো মেয়ে ‘কুঁদুলে’ ফস করে বলে উঠলে, “হ্যাঁ। বেশ দেখাচ্চে। ঠিক যেন বোম্বাগরের রাজার পিসতুতো বোনের বর গঙ্গারাম। বলেই খিল খিল করে হেসে গড়িয়ে পড়ল। আর তাই না দেখে ‘ঝগরুটি’, ‘মারকুটে’, ‘বিরক্তি’ সবাই হিহি হিহি করে হাসতে হাসতে মাটিতে লুটোপুটি। ‘বদমেজাজি’, ‘খিট্খিটে’, ‘গোমড়া’ সবাই হো হো হা হা করে হাসতে হাসতে হেডআপিসের উঠোনে গড়াগড়ি। শেয়ালপণ্ডিতও খ্যাঁক খ্যাঁক খ্যাঁক খ্যাঁক করে হাসি জুড়ে দিল। ব্যবসা পত্তর বন্ধ হয়ে যাবার দুঃখ ভুলে গিয়ে বাবুরাম সাপুড়েও হইহই করে বেশ খানিক হেসে নিয়ে তার ঝোলা থেকে ভাঙা বাঁশিটা বের করে বেসুরো বাজাতে শুরু করল। হাসি তো খুব ছোঁয়াচে রোগ; তাই আপিস শুদ্ধু লোক বেরিয়ে এসে কিছু না বুঝেই হো হো, হা হা করে হাসতে লেগে গেল।

রাস্তা দিয়ে যারা খুব ব্যস্ত হয়ে যাচ্ছিল, তারা তাদের কাজকর্ম সব ভুলে গিয়ে অপিসের সামনে ভিড় করে দাঁড়িয়ে পেটে হাত চেপে বেদম হাসতে লাগল।

হঠাৎ যেন বাজ পড়ল। সবাই ভীষণ চমকে উঠে হাসিটাসি ভুলে একদম চুপ। রামগরুড়ের পেট থেকে বোমার মতো হাসি ফেটে পড়েছে। বহুকালের জমানো যত হাসি ছিল তার পেটে আর বুকে, মাথায় আর গলায়, মুখে আর চোখে একসঙ্গে বেরিয়ে পড়ল। ফেয়ারার মতো, নদীর স্রোতের মতো, বন্যার মতো হাসি। কতরকম তার শব্দ, কতরকম তার চেহারা, কতনা তার ভঙ্গি। রামগরুড় দমফাটা হাসি হাসতে হাসতে দু-চোখ ভরে দেখল। আকাশ থেকে বৃষ্টির মতো ঝরে পড়ছে হাসি, রোদের গা থেকে ঝলমলে হাসি ঠিকরে বেরচ্ছে। রামগরুড় হাসতে হাসতে দু-হাত ছড়িয়ে ছুটে চলল। বাতাস ছুটছে তার সঙ্গে হাসির ফোয়ারা ছড়াতে ছড়াতে।

রামগরুড় তার বাসার সামনে এসে দেখল চারধারের মাঠঘাট ঝোপজঙ্গল থেকে হাসির ঝরনা নেমে আসছে। সে ছুটে গিয়ে বাসার সামনে পোঁতা পুরোনো রঙচটা সাইনবোর্ডটা দুহাতে টেনে উপড়ে ফেলল, ছুঁড়ে দিল অনেক দূরে – যার ওপর লেখা ছিল ‘হাসি নিষেধ’।

সকল অধ্যায়

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%