ক্ষীরের পুতুল

ভারতী গুহ

ক্ষীরের পুতুল বরের সাজে।

মাথায় টোপর, চেলির কাপড়

তৈরি হল খোয়া-ক্ষীরে।

পাল্‌কি চলে দুলকি চালে।

রাজার যত লোক লস্কর

ষষ্ঠীতলে পুকুর ধারে।

ক্ষিদের জ্বালায় ষষ্ঠী বুড়ি

ক্ষীরের পুতুল করল চুরি,

খেয়ে নিল পেটটি পুরি।

রানীর বানর চালাক ভারি

হাতে নাতে ধরল চুরি,

লজ্জা পেল ষষ্ঠী বুড়ি।

ক্ষীরের ছাঁচে পুতুল গড়ে,

সত্যি ছেলে দেবীর বরে

বর সাজিয়ে ফিরল ঘরে।

‘উদ্ভাসের’ ঐ ছেলে-মেয়ে

হেসে, খেলে, নেচে, গেয়ে,

ক্ষীরের পুতুল নাটক করে।

হাত তালিতে ফেটে পড়ে।

অবন ঠাকুর ছবি আঁকেন

ছবির রাজা গল্প লেখেন

‘শকুন্তলা’, ‘ভূত পতরি’,

‘রাজকাহিনী’, ‘নালকেরই’।

ছবির ভাষা, ভাষায় ছবি,

এই পটুয়া এই তো কবি।

কাঠ-কুটালি, মূর্তি ধরে,

‘কাটুম-কুটুম’ শিল্প গড়ে।

জন্ম নিলেন ‘জোড়া-সাঁকো’,

ঐখানেতে প্রণাম রাখো।

সকল অধ্যায়

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%