পুতুল খেলা

মহুয়া মল্লিক

এক

ফ্রুটক্রিমের বোলটা ফ্রীজে তুলতে তুলতে পুতুলটার দিকে চোখ চলে গেল মধুরার। বেশ কিউট। দেখলে চোখ ফেরানো যায় না। মধুরা শিওর, ডিনারে এসে সোনালি আর রুষারও ভালো লাগবে পুতুলটা। তবে রুষা ওর ঘুরে ঘুরে গ্যারেজ সেল থেকে জিনিস কালেক্ট করার ক্ষ্যাপাটে ছবিটা নিয়ে লেগ পুল করতেও ছাড়বে না। আপনমনে এই সব ভাবতে ভাবতে একচোট হেসে নিল মধুরা।

আসলে এদেশে আসার আগে পর্যন্ত গ্যারাজ সেল বা ইয়ার্ড সেল ব্যাপারটা ঠিক জানত না সে। উইকেন্ডগুলোতে দুই বান্ধবী ক্যাব নিয়ে চলে যেত ডাউন টাউনের ফ্রেশ সব্জী মার্কেটে। সারা সপ্তাহ ফাস্টফুড খেয়ে বিস্বাদ হয়ে যাওয়া মুখে স্বাদ ফেরানোর আপ্রাণ চেষ্টা করত সদ্য দেশ থেকে আসা দুই তরুণী।

এমনই এক সপ্তাহান্তের বাজার শেষ করে ফেরার পথে, ''গ্যারাজ সেল'' লেখা প্ল্যাকার্ডটা দেখে দু'জনেই কখন যেন পা বাড়িয়ে ছিল সবুজ মলমলের মতো ঘাসে ঢাকা ইয়ার্ডটায়। আর সেখানে ঢুকেই চমকে গিয়েছিল। গৃহস্থালি নিত্য ব্যবহার্য টুকিটাকি ইউজড জিনিসের পশরা সাজিয়ে বসে আছেন এক আমেরিকান মহিলা। কথায় কথায় জানা গেল, ভদ্রমহিলা এদেশের পাট চুকিয়ে মিলান চলে যাচ্ছেন মেয়ের কাছে।

রুষা দেখেশুনে মাতৃভাষায় বলতে শুরু করে দিয়েছে, ''উফ কি কঞ্জুষ বুড়ি রে, হাতা খুন্তি বাটিও বিক্রি করে যাচ্ছে, এরা পারেও বাবা!'' মধুরা ততক্ষণে তুলে নিয়েছে সুদৃশ্য একটা শো—পিস আর একটা ফ্লাওয়ারভাস। আমেরিকান অ্যাকসেন্টে মহিলা বললেন, ইচ ফিফটি সেন্ট। অর্থাৎ মাত্র এক ডলারের বিনিময়ে দুটো দারুণ জিনিস পাওয়া গেল। অথচ যেকোনো শপি মলে এদুটোর জন্য কম করে ত্রিশ ডলারতো খরচ হতই।

সেই শুরু, তারপর থেকে মধুরার অস্থায়ী সংসারের আনাচ—কানাচ ভরে উঠছিল ইয়ার্ডসেল ঘুরে ঘুরে কেনা বিচিত্র সুন্দর সব জিনিসে। পুতুলটা এইরকমই একটা গ্যারাজ সেল থেকে কালই জুটিয়েছে। ফিনফিনে সাদা গাউন পরা সোনালি চুলের পুতুলটা বারবার চোখ টেনে নিচ্ছে। দ্রুত হাতে ড্রয়িং কাম ডাইনিংটা গুছিয়ে নিয়ে সারা সপ্তাহের জমে থাকা জামাকাপড়ের স্তূপ নিয়ে মধুরা বেসমেন্টে নেমে গেল। মিনিট পাঁচেক পরে ঘরে ঢুকেই ওর চক্ষু চড়কগাছ। আরে! টিউলিপগুলো এভাবে ছিন্নভিন্ন করল কে! তেমন হাওয়াটাওয়াও তো দেয়নি। চোখ ফেটে জল এল। সেই ফ্লাওয়ারভাসটাও ভেঙে চুরমার। তাড়াতাড়ি ও কাঁচের টুকরো আর ছিন্নভিন্ন টিউলিপের রাশি ডাস্টবিনে ফেলে এল। আনমনে একবার পুতুলটার দিকে চোখ গেল। আপাদমস্তক শিউরে উঠল মধুরা। ভুল দেখল কী? অথচ স্পষ্ট মনে হল পুতুলটার মুখে একটা ক্রুর হাসি যেন!

সোনালির প্রজেক্টটা শেষ হয়ে এসেছে, ক'দিনের মধ্যেই ও দেশে ফিরে যাবে। মধুরাও পরশুর ফ্লাইটে বার্সিলোনা যাচ্ছে একটা সেমিনারে আ্যটেন্ড করতে, ওর গবেষণাও শেষের পথে, কিছুদিনের মধ্যেই ও নিজেও দেশে ফিরে যাবে। এক রুষাই আরো কিছুদিন রয়ে যাবে।

মধুরা আর রুষা একসঙ্গে মাইক্রোবায়োলজিতে কাজ শুরু করেছিল, কিন্তু ক্রমশঃই পিছিয়ে পড়ছিল রুষা আর এক সময় হঠাৎই সাবজেক্ট চেঞ্জ করে ''পেলিও বটানি''তে শিফট করে যায়। তাই আপাততঃ ওর কাজ শেষ হতে আরো কয়েক বছর লেগে যাবে। তিন বান্ধবীতে আবার কবে খোশ গল্প হবে ঠিক নেই, তাই আজকের এই ডিনারের আয়োজন। রান্নাবান্নার পাট চুকিয়ে লাঞ্চ সেরে মিউজিক সিস্টেম অন করে নেট সার্ফ করছিল মধুরা। কর্নারের র‌্যাকটার দিকে চোখ যেতেই ফিক করে হেসে ফেলল সে। কী সুইট নিরীহ একটা পুতুল আর তাকে দেখেই কিনা কিছুক্ষণ আগে সে শিউরে উঠেছিল! পুতুলটাও যেন তার চোখের নীল মণি ঝিকিয়ে হেসে উঠল মধুরার বোকামিতে।

ঠিক তখনই রুষার ফোন এল,—''কি রে সব কমপ্লিট''?

—মোটামুটি। তোরা এলে স্টার্টার বানিয়ে নেব।

—এম্মা এত তাড়াতাড়ি সব হয়ে গেল? স্যালাড পাস্তায় সারছিস না তো?

—আজ্ঞে না ম্যাডাম।

ওপাশ থেকে খিলখিল করে হেসে উঠল রুষা। তারপর যেমন হঠাৎ করেই ফোন করেছিল তেমনই দুম করে লাইনটা কেটে দিল। রুষা এইরকমই খামখেয়ালি। একটা সময় ওদের খুব সুন্দর বন্ধুত্ব ছিল, এক সাথেই থাকত ওরা। কিন্তু যতই রিসার্চের কাজে মধুরা এগিয়ে যাচ্ছিল ততই যেন দু'জনের একসাথে থাকাটা অসহ্য হয়ে যাচ্ছিল। একসময় রুষা নিজেই সরে গিয়েছিল। এখন আবার সম্পর্ক অনেকটা নর্মাল। ঘুম ঘুম পাচ্ছিল মধুরার, পুতুলটাকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে পড়ল একসময়।

ঠিক কতক্ষণ এভাবে শুয়েছিল মনে নেই। বুকের মাঝে তীব্র একটা চাপ যেন পাহাড়ের মতো চেপে বসেছে। ঘুমের মধ্যেই অসহায়ের মতো মধুরা সেই প্রবল চাপটাকে দু'হাতে ঠেলে নামতে চেষ্টা করছিল। পারছিল না, এক সীমাহীন অন্ধকারে যেন ডুবে যাচ্ছিল। হঠাৎ কালিংবেলের টুংটাং আওয়াজে অতল গহ্বর থেকে যেন জেগে উঠল ও। ইসস এতক্ষণ স্বপ্ন দেখছিল বুঝি? এক ছুটে গিয়ে দরজা খুলল। সেলোফেনে মোড়া একগুচ্ছ সূর্যমুখী নিয়ে সোনালি দাঁড়িয়ে।

''আয়, আয় ভেতরে আয়''। হাসিমুখে দরজা ছেড়ে দিয়ে দাঁড়াল মধুরা। ফুলগুলো মধুরার হাতে ধরিয়ে দিয়ে সেফায় বসতে বসতে সোনালি বলল, ''তোকে এত আপসেট লাগছে কেন বলতো? শরীর ঠিক আছে তো?

''আরে না, না আই অ্যাম অলরাইট, একটু ঘুমিয়ে পড়েছিলাম'', জুসের গ্লাস এগিয়ে দিতে দিতে মধুরা কোনোক্রমে বলল।

দুই

পনির পকোড়াতে কামড় বসাতে বসাতে তিন বান্ধবী জমিয়ে আড্ডা দিচ্ছিল। তবু কেন জানি মধুরার অস্বস্তি হচ্ছিল। রুষার চোখ ঘুরছিল এদিক—ওদিক, নাক কুঁচকে শিকারি কুকুরের মতো ও যেন বাতাসের ঘ্রাণ টেনে কিছু বোঝার চেষ্টা করছিল। সোনালি এসব তেমন খেয়াল করেনি, মধুরাকে বলছিল, ''হ্যাঁরে নতুন কিছু কি কিনলি গ্যারাজ সেল ঘুরে''?

পুতুলটার কথা বলতে গিয়েই চুপ করে গেল মধুরা। কেন জানে না ওর কেবলই মনে হচ্ছে পুতুলটা আসার পর থেকেই কেমন অদ্ভুত ঘটনা ঘটছে ওর সাথে তাই এসব কথা চেপে যাওয়াই ভালো। পুতুলের কথা এলেই ওসব কথা ঠিক বলে ফেলবে গড়গড় করে আর তারপরেই রুষার লেগ পুল শুরু হবে।

সোনালি এবার ওকে ছেড়ে রুষাকে নিয়ে পড়ল। এই শোন রুষা, ''তুই এখন কী বিষয় নিয়ে পড়ে আছিস একটু বলতো বাবা''। কথাটা শুনেই রুষা কেমন রেগে গেল, সোনালিকে এড়ানোর জন্যই ফোনটা হাতে নিয়ে মধুরার বেডরুমের দিকে চলে গেল। সর্বনাশ! পুতুলটা তো ওখানেই। মধুরা বুঝে গেল আর ওর বাঁচার উপায় নেই, পুতুল দেখেই এরা দু'জনে ওর পিছনে লাগবে, ''খুকির দেখছি এখনও পুতুল খেলার বয়স গেল না।''

সোনালি কিছুটা অবাক হয়ে বলল, ''ইগনোর করল মনে হল। উফ ওর যা অদ্ভুত বিষয়েই বই জোগাড় করার হ্যাবিট। তাই ভাবলাম নতুন কি পড়ছে একটু জানি তা কেমন রেগে গেল দেখলি!'' কথা না বাড়িয়ে মধুরা কিচেনে চলে গেল খাবারগুলো গরম করতে। বলি বলি করেও বলতে পারল না, লাষ্ট টাইম রুষার কাছে যখন গিয়েছিল বেশ কয়েকটা ব্ল্যাক ম্যাজিকের উপর বই দেখেছিল। মধুরার বেডরুম থেকে বেরিয়ে এল যেন অন্য এক রুষা। খুশিতে ঝলমলে একটা মুখ। হাতে হাতে ডিনার টেবিল সাজাতে সাহায্য করল মধুরাকে। শেষে ফ্রুট ক্রিমের বাটি হাতে নিয়ে মধুরাকে প্রশ্ন করল,

''তুই ভুডু সম্পর্কে কিছু জানিস?''

''ভুডু''? লাফিয়ে উঠল সোনালি, এই প্লিজ কিছু জানা থাকলে বল না, আমার এই সব নিয়ে জানার খুব ইচ্ছে। রুষা হো হো করে হাসতে হাসতে বলল, ''দূর আমি কিছু জানি নাকি? জানার খুব ইচ্ছে আমারও, আমার ল্যাবমেট জুনির বাড়ি যাব আজ একবার ও ভুডুর উপরে কিছু বই জোগাড় করেছে আমার জন্য।''

সোনালি কোনোক্রমে বলল, ''তার মানে? এখুনি চলে যাবি নাকি তুই? ফোনে বুঝে সেই জুনির সাথেই এইসব আলোচনা করছিলি?'' রুষা জড়িয়ে ধরে সোনালিকে, ''আরে এত রাগ করছিস কেন? তোরা দু'জন আড্ডা মার না।'' ডিশওয়াশার অন করতে করতে মধুরা ভাবছিল, রুষা কেমন যেন পাল্টে যাচ্ছে, আগে তো মিথ্যা কথা বলত না। ভুডু সম্পর্কে ও কিছু জানে না বলল কেন? ওর কাছে এই বিষয়ের অনেক বইপত্র আছে মধুরা জানে।

সোনালিও তড়িঘড়ি করে রুষার সাথেই বেরিয়ে গেল। দেশে ফিরে যাবে বলে ওর কারটা সেল করে দিয়েছে, এত রাত্রে ক্যাব পাওয়ারও সমস্যা, রুষা ওকে ড্রপ করে দেবে। মধুরা আটকালো না। ওর নিজেরও টায়ার্ড লাগছে আজ আর আড্ডা জমতো না। পরশু ফ্লাইট, কাল কিছু পেপার ওয়ার্কেই সারাটা দিন কেটে যাবে বরং এখনই লাগেজটা গুছিয়ে নিক কাল তো সময় পাবে না। ঠিক কত রাত মনে নেই, ধোঁয়ায় নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল মধুরার। কোনোক্রমে ঘুম ভেঙে জেগে উঠে দরজা খুলে ডাইনিং এরিয়ায় পা বাড়াতে গিয়ে দেখল লকলকে আগুনের শিখা এগিয়ে আসছে ওকে গ্রাস করতে। ওর কাঠের বাড়িটা একটু একটু করে জ্বলে যাচ্ছে দাউদাউ করে। এক পা দু—পা করে পিছিয়ে বেডরুমের দেওয়ালে এক সময় পিঠ ঠেকে গেল মধুরার। দরদর করে ঘামছে ও। ফায়ার অ্যালার্ম বাজবে না ব্যাটারগুলো শেষ হয়ে গিয়েছিল পাল্টানো হয়নি। ল্যান্ডলেডী বা মেক্সিকান যে ছেলেমেয়েগুলো এই বাড়িটায় থাকে তারা কেউ আজ নেই, সম্পূর্ণ একা, ওর বাঁচার আশা শেষ। একটু করে আগুনের শিখা এগিয়ে আসছে একসময় স্পষ্ট দেখল মধুরা, সেই পুতুলটা আগুনের বৃত্তের মধ্যে সম্পূর্ণ অক্ষত দাঁড়িয়ে আছে মুখে সেই ক্রুর হাসিটা নিয়ে। একসময় একরত্তি ছোট্ট পুতুলটা উচ্চতায় বাড়তে লাগল, ওর মুখটা কখন যেন রুষার মুখ হয়ে গেল। আগুনের বলয়ের মধ্যেই ঠা ঠা করে হেসে যাচ্ছে রুষা, হাসতে হাসতেই আঙুল তুললো ওর দিকে, ''মধুরা তুই, তুইই দায়ী। তোর জন্যই আমার রিসার্চ পিছিয়ে গেল, তোর জন্যই আমাকে ট্র্যাক চেঞ্জ করতে হল। আর কেউ না জানুক আমি জানি তুই আমার সমস্ত পেপার্স পুড়িয়ে দিয়েছিলি। আজ ঠিক সেভাবেই নিজেও ঝলসে যাবি।''

চোখে যেন বিভ্রম লেগেছে মধুরার। কোথায় রুষা, ঐ তো সাদা গাউন দুলিয়ে হেঁটে বেড়াচ্ছে পুতুলটা। আর পারল না মধুরা, রট আয়রনের সাইড ল্যাম্পটা দিয়ে সজোরে মারল, জানলার কাচটা ঝনঝন করে ভেঙে ফেলল, এত উপর থেকে লাফালে বাঁচবে কিনা জানে না তবে শেষ চেষ্টা একটা করতেই হবেই ওকে।

আর ক'টা মুহূর্ত, তারপরই হাওয়ায় শরীরটা ভাসিয়ে দেবে, ফুসফুস ভরে টেনে নেবে অক্সিজেন, লাফ দেবার জন্য প্রস্তুত মধুরা। হঠাৎ ওর পোশাকের কোণাটা যেন কিসে আটকে গেল। সেটা ছাড়াবার চেষ্টা করার আর সময় পেল না কে যেন ওকে এক ঝটকায় আগুনের বৃত্তের মধ্যে টেনে নিয়েছে, তীব্র দহন জ্বালায় পুড়ে যাচ্ছে ওর সর্বাঙ্গ বদ্ধ ঘরে ধোঁয়ায় ওর নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে। চোখ বন্ধ হবার আগে একবার পুতুলটাকে খোঁজার চেষ্টা করল, অস্পষ্ট দেখল যেন ওর মুখের কাছে ঝুঁকে এসেছে রুষার মুখ, ফিসফিস করে ওকে বলছে, ''চালাকির দ্বারা মহৎ কিছু হয় না দেখলিতো?''

হসপিটালে ফিফটি পারসেন্ট বার্ন নিয়ে শুয়ে আছে রুষা। অন্য কেবিনে মধুরাও সুস্থতার পথে। যেকোনো দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারতো সেদিন। রুষা সেদিন শেষ মুহূর্তে দরজা ভেঙে না ঢুকলে মধুরা বেঁচে ফিরত না। ক'দিন সোনালির খুব ছোটাছুটি গেছে। আজ একটু অবসর পেয়েও ও রুষাকে ধরল, ''হ্যাঁরে তুই সেদিন ফিরে এসেছিলি কেন রে?''

রুষা কিছু না বলে চোখ সরিয়ে নেয়। সোনালি আরেকবার চেষ্টা করে, ''কীরে আমাকে বলবি না?''

''কিছু না, মনে হল দুম করে চলে এসেছিলাম একটু আড্ডা দিয়ে আসি।''

ওর হাতটা চেপে ধরে বলে সোনালি, ভাগ্যিস গিয়েছিলি। নাহলে ওকে আর ফিরে পেতাম না। রুষা উত্তর দেয় না। ওর বুক চিরে একটা দীর্ঘনিঃশ্বাস বেরিয়ে আসে। ও পাশ ফিরে শোয়। হসপিটাল থেকে ছাড়া পেয়ে মধুরা একবার ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। সোনালির সাথে ঘুরতে ঘুরতে অবাক হয়ে ও দেখল পুরো বাড়িটা ঐ প্রবল অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত হয়ে গেলেও সেই আশ্চর্য সুন্দর পুতুলটা অবিকৃত অবস্থায় ভস্মস্তূপের মাঝে পড়ে আছে।

সকল অধ্যায়

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%