রাজা

শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

Cov7

রাজা তাঁর গোলাপ বাগিচার পরিচর্যায় রত ছিলেন। কাল অপরাহ্ন, ঋতু বসন্ত, চতুর্দিকে পতঙ্গের শব্দ ও পাখির ডাকে আনন্দিত। আমাদের প্রাকার থেকে সূর্যাস্তের নিবিড় লাজ বর্ষিত হচ্ছে। পরিখার স্বচ্ছ জলে মৃদু তরঙ্গের শব্দ। রাজার সুললিত বাহু একটি মৃতপ্রায় গোলাপ গাছে প্রাণ সঞ্চারে ব্যগ্র।

এমন সময়ে শীর্ণদেহ এক গুপ্তচর আবিভূর্ত হয়ে অভিবাদন করে এবং নতচোখে নম্রস্বরে জানায়—মহারাজ বিদ্রোহী ও ক্ষুব্ধ প্রজাবর্গ শক্তি পরীক্ষা ভিন্ন অন্য কোনো শর্তে রাজি নয়। তারা মনে করে রাজা ঈশ্বরের প্রতিনিধি নন, সামান্য মানুষ মাত্র! তাদের বিশ্বাস, রাজা অতিভোজী, বিলাসপ্রিয়, ইন্দ্রিয়াসক্ত, অত্যাচরী ও পক্ষপাত দুষ্ট।

তরুণ রাজা তাঁর মৃত্তিকা মলিন দুটি হাত নিরীক্ষণ করতে করতে অন্যমনস্কতার সঙ্গে বলেন—ওরা কি জানে মৃত গাছে ফুল ফোটানো কত শক্ত?

গুপ্তচর রাজার এই অসংলগ্ন মন্তব্যের গূঢ়ার্থ বুঝতে পারল না। অভিবাদন করে চলে গেল।

তরুণ রাজার ভ্রু ক্ষণেকের জন্য কুঞ্চিত হয় চিন্তার বলি রেখা তাঁর প্রশস্ত কপালে এক মুহূর্ত খেলা করে। তারপর তিনি আবার তাঁর পুষ্পোদ্যানের পরিচর্চায় নিরত হন।

পরদিন সভাগৃহে সমবেত অমাত্যবর্গের মুখের দিকে চেয়ে রাজা কিছু কুটিলতা লক্ষ্য করেন। প্রত্যেকেই কিছু অস্বস্তি বোধ করছেন। পরার্থপহারক এক ব্যক্তির বিচার করছিলেন রাজা। সাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণের পর তার কারাবাসের আদেশ দিতে গিয়ে রাজা অকস্মাৎ বললেন—অপরাধী, ক্ষুধার চেয়ে লোভ সহস্র গুণ শক্তিশালী। যে লোভকে জয় করতে পারে ক্ষুধা জয় তার কাছে কোনো কঠিন সমস্যা নয়। হে প্রিয়, কারাবাসের মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে তুমি আমার কাছে এসো। আমি তোমাকে দেখতে শেখাবো জ্যোৎস্নাময়ী ও অমা রাত্রির সৌন্দর্য ও রহস্য। পাখির গান, ফুলের শোভা, প্রীতি ও বন্ধুত্বের আকর্ষণ যেদিন তুমি বুঝতে পারবে সেদিন পরের সম্পদ তোমার কাছে অস্পৃশ্য হয়ে উঠবে।

রাজার এই আদেশ শুনে অমাত্যবর্গ গোপনে মৃদু হাসলেন। মহামাত্য মৃদুস্বরে রাজার কানে কানে বললেন—মহারাজ অপরাধীকে প্রশ্রয় দেবেন না, তাতে রাজশক্তির দুর্বলতাই প্রকটিত হচ্ছে। মনে রাখবেন সিংহাসনে আরূঢ় রাজা আর ব্যক্তিবিশেষ নন, তিনি বিধির নিয়ামক।

রাজা ম্লান হাসলেন। অস্ফুট স্বরে বললেন—মহামাত্য, শরৎ ঋতুর রৌদ্রও বিধিকে লঙ্ঘন করে না কিন্তু তবু কী অফুরান তার সৌন্দর্য।

রাজাবরোধে কাকচক্ষু জলের সরোবরের ধারে রাজা বসে আছেন। জলে তাঁর প্রতিবিম্বকে ঘিরে মৎসকুল ভীড় করে আসে। রাজা তাঁর সুললিত হাত বাড়িয়ে জলের মধ্যে তাদের শরীর স্পর্শ করেন। রাজার হাতের সুগন্ধে মৎসকুল সম্মোহিত হয়ে থাকে। রাজার স্কন্ধ ও শিরোপরি এসে উপবেশন করে দূর অরণ্যে নীড়গামী পাখিরা। ক্ষণেক অবস্থান করে তারা, তারপর আবার উড়ে যায়। গৃহপালিত মৃগটি এসে রাজার পাদমূল স্পর্শ করে স্নেহ জ্ঞাপন করে। অশ্বপালকের কিশোর পুত্রটি রাজার অবকাশ সময়ের পার্শ্বচর। অদূরে ভূমিতে উপবিষ্ট সেই বালক রাজার ইঙ্গিতের প্রতীক্ষা করতে করতে তৃষ্ণার্ত চোখে রাজার অতুল রূপ অবলোকন করছে।

এই সময়ে দক্ষ আর এক গুপ্তচর এসে অভিবাদন করে বলে—মহারাজ, বিদ্রোহীদের সংখ্যা প্রতিদিন প্লাবনের জলের মতো বাড়ছে। তারা চায় প্রজাবর্গের দ্বারা প্রজাবর্গের জন্য প্রজাবর্গের শাসন। অচিরে একদিনে পঙ্গপালের মতো তারা ধেয়ে আসবে।

রাজা অন্যমনে মৃদুস্বরে বলেন—ওরা কি জানে বৃক্ষের মতো সহনশীল হতে? ওরা কি পারে গগণচারী পাখিকে আশ্রয় দিতে?

অপ্রতিভ গুপ্তচর বিদায় নেয়!

রাজমাতা ডেকে পাঠান পুত্রকে। ঈষৎ কঠিন স্বরে বলেন—তোমার পিতা ও পিতামহ যেভাবে বিদ্রোহ দমন করতেন তোমার কর্তব্যও তাই করা। সৈন্যবাহিনী প্রস্তুত। বৎস, কালক্ষেপ কোরো না।

তরুণ রাজা অকপটে জননীর চোখে চোখ রেখে বলেন,—বাহুবলে মানুষের বাইরের আচরণকে শাসন করা সম্ভব কিন্তু তার আকাঙ্ক্ষার দমন হবে কী ভাবে?

রাজামাতা হতাশ হন। বিরক্তির সঙ্গে বলেন—তুমি তবে অযোগ্য রাজা।

তরুণ রাজা মাতার ভর্ৎসনায় বিচলিত হন না। তাঁর মুখে শুধু একটু বিষণ্ণতার ছায়া পড়ে। তিনি নীরবে প্রাঙ্গনে আসেন। তাঁর ইঙ্গিতে অশ্বপালকের বালকপুত্র দ্রুতগামী রাজ অশ্বকে নিয়ে আসে। তরুণ রাজা ঝটিকার বেগে ছুটে যান রাজাবরোধের গুপ্তপথ ধরে অরণ্যের দিকে!

গভীর অরণ্যের ভিতরে রাজা এক মহাবৃক্ষের তলায় বসে থাকেন। চতুর্দিকে চির হরিতের সমারোহ, চিরছায়া, অতলান্ত গভীর শান্তি। বৃক্ষমূলে রাজা এক শিশুর মতো মুগ্ধ বিস্ময়ে বসে থাকতে থাকতে নিদ্রিত হয়ে পড়েন। তাঁর সুঠাম সুবিশাল শরীরের ওপরে একটি কৃষ্ণবর্ণের ভয়াল সাপ উঠে আসে। দংশানোদ্যত সেই সাপ অকস্মাৎ নিদ্রিত মুখের দিকে চেয়ে বিহ্বল হয়ে পড়ে। দংশনের পরিবর্তে সে ধীরে শির অবনত করে রাজার গণ্ডে একটি চুম্বন দেয়। ক্ষুধার্ত এক ব্যাঘ্র রাজাকে অনেকক্ষণ ধরে অনুসরণ করছিল। এখন সে নিদ্রিত রাজার কাছে এসে তাঁর দেহের ঘ্রাণ গ্রহণ করে। রাজ অশ্ব হেÉষরব করে ওঠে। ক্ষুধার্ত বাঘটি বিরক্ত হয়ে রোষ কষায়িত লোচনে ঘোড়ার দিকে চেয়ে নিজস্ব ভাষায় বলে—মূর্খ, কলবর করো না, এ লোকটাকে ঘুমোতে দাও। এইভাবেই শ্বাপদেরা রাজার কাছে আসে। আসে পাখি প্রজাপতি ও অজস্র পতঙ্গ। শিশুর মতো রাজা নিদ্রিত থাকেন অনেকক্ষণ। যখন জেগে ওঠেন তখন তাঁর মন আকাশের মতো অবারিত। মৃদুস্বরে বলেন—ওরা কি জানে আমি কত সুখী?

সন্ধ্যায় যখন রাজা প্রাসাদে ফিরলেন তখন প্রধান দ্বারের বাইরে বিদ্রোহীরা জড়ো হচ্ছে। শোনা যাচ্ছে তাদের ক্রুদ্ধ চিৎকার ও আস্ফালন। তাদের হাতের খরশান অস্ত্রগুলি মশালের আলোয় ঝলসে উঠছে। দ্বারীরা পলাতক, অমাত্যবর্গ আত্মসমর্পণ করেছেন, সেনাপতি যোগ দিয়েছেন বিপক্ষ দলে।

ধীর ও দৃঢ় পদক্ষেপে তরুণ রাজা এগিয়ে গেলেন। তাঁর সেই সুললিত হাতে উন্মোচন করলেন দ্বার। শান্ত চোখে চেয়ে রইলেন প্রজাদের দিকে। তাঁর সেই অপরূপ দেহলাবণ্য আর মুখের অপার্থিব ভাব দেখে প্রজারা স্থাণুবৎ হয়ে যায়। কারো হাতের অস্ত্র উত্তোলিত হয় না। শুধু এক দয়াহীন নৃশংস মানুষ নিস্পন্দ বিদ্রোহীদের ভিতর থেকে এগিয়ে আসে। হাতের বল্লমটি তুলে সজোরে নিক্ষেপ করে রাজার কপাট-বিশাল বুকে।

অস্ত্রে বিদ্ধ তরুণ রাজা ভূলুণ্ঠিত হয়ে মৃত্যু যন্ত্রণায় কয়েকটি কাতর শব্দ করলেন। তাঁর ক্ষতস্থান থেকে অনর্গল রক্তের স্রোত বেরিয়ে এসে ধুলোয় একটি রক্ত পদ্মের ছবি আঁকতে থাকে। রাজা বিস্ফারিত চোখে সেদিকে চেয়ে বলেন—ওরা কি জানে ফুল ফোটানোর পিছনে কত কষ্ট, কত রক্তক্ষরণ।

প্রজারা কেউ জয়ধ্বনি করে না, রাজার হত্যাকারীকে সাধুবাদও দেয় না কেউ। সাবধানে, রাজার মৃতদেহে যাতে পাদস্পর্শ না ঘটে এমনি ভাবে নীরবে প্রজারা প্রাসাদে ঢোকে এবং ক্ষমতা হাতে নেয়।

প্রজাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই এখন রাজ্যের শাসক। তাদের মধ্যে ভালো বনিবনা নেই। সব ব্যাপারে মতৈক্যও হয় না। কাজেই যে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে যৎপরোনাস্তি বিলম্ব ঘটে। কোন ফাঁকে কিছু অযোগ্য লোক প্রবেশ করেছে প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুতর পদে। তারা কাজের বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। ঘন ঘন বসছে জনপ্রতিনিধিদের আলোচনা সভা। ক্ষমতালাভের লড়াই এবং মতান্তর তীব্র হওয়ায় প্রায় সময়েই সভা পণ্ড হয়। রাজ্য জুড়ে দেখা দেয় অসন্তোষ ও ক্ষোভ, দিন যায়।

অশ্বপালকের পুত্র ভীত অনিমেষ চক্ষে প্রত্যক্ষ করেছিল তরুণ রাজার মৃত্যু। আর সেই যে দুঃখী ও বিষণ্ণ হয়ে গেল সে, যুবা বয়সেও সেই বিষণ্ণতার ছাপ গভীর হয়ে আঁকা রইল তার সুন্দর মুখমণ্ডলে। তরুণ রাজাকে সে ভালোবাসত বটে, কিন্তু সে কেবলই প্রশ্ন করত নিজেকে, রাজা কেন কাপুরুষ ছিলেন? কেন অস্ত্রধারণ করলেন না?

বিষয়কর্মে তার মন নেই। সে ভালোবাসে খোলামেলা মাঠে নবীন তৃণের ওপর অর্ধশায়ন থেকে নভোচারী পাখিদের দিকে চেয়ে থাকতে। সে উদ্যানে পুষ্পবৃক্ষের কাছে বসে থাকতে ভালোবাসে। তার প্রিয় হল জীবজন্তু, জলের মাছ, জনপদের সরল সহজ মানুষ। অশ্বারোহণে সে বহু দূরবর্তী অরণ্য বা পর্বতে চলে যায় একাকী বসে থাকে ধ্যানস্থবৎ।

একদা এই রকম অশ্বারোহণে দূর ভ্রমণের পর সে পথিমধ্যে ক্লান্ত হয়ে এক গৃহস্থের কুটিরে ক্ষণকাল বিশ্রাম নিচ্ছিল। গৃহস্থ এক সম্পন্ন চাষী, অতিথির যথাযোগ্য আপ্যায়ন ও সেবার পর আলাপচারীর সময় চাষী বললেন এ রাজ্যে পুরুষকারের বড়ই অভাব। বহুকাল আমরা প্রকৃত বীরত্বের কোনো দৃষ্টান্ত দেখিনি, এ যেন এক বামন মানুষের রাজত্ব সকলেই ক্ষুদ্রকায়, ক্ষুদ্রমনা ক্ষুদ্র স্বার্থের অন্বেষী।

এ কথাটি বিদ্যুতের মতো স্পর্শ করল যুবাকে। সে চমকিত হয়ে প্রশ্ন করে—বীরত্ব আপনি কাকে বলেন?

—বীরভাগ্যা বসুন্ধরা। কথাটা ঠিক। বিশ্বাস, নির্ভরতা ও আত্মত্যাগ—এই তিনই বীরত্বের লক্ষণ। এই তিন লক্ষণ আজ আর কারো মধ্যে দেখা যায় না।

দীর্ঘশ্বাস ফেলে যুবাপুরুষ উঠে দাঁড়ায়। তার বুকের মধ্যে এক বহু পুরাতন শোক ঝড় তুলল। কিন্তু তাতে সে অশ্রু মোচন করল না বরং অতিশয় তীব্র হয়ে উঠল তার দৃষ্টি। নিহত তরুণ রাজা প্রকৃত পক্ষে বীর ছিলেন কিনা সে বিষয়ে কিছু সংশয় তার ছিল। প্রবীণ চাষীর কথায় তার সেই সংশয় কেটে গেছে। সে বুঝতে পারল কেবল অস্ত্রচালনার দক্ষতা বা রক্ত পাতের মোহই বীরত্ব নয়। বীরত্বের বৃহত্তর সংজ্ঞা রয়েছে।

ঝটিকার বেগে অশ্বচালনা করে যুবক নগরে এসে প্রবেশ করে। তার মুখের বিষণ্ণতা কেটে গেছে। স্থিরতা এসেছে চিন্তায়, দৃষ্টিতে। হৃদয়ে এসেছে শক্তি।

কিছুদিন পর একদিন লোলচর্ম প্রবৃদ্ধ মহামাত্যের কাছে গুপ্তচর এসে খবর দিল-এক যুবাপুরুষ বিদ্রোহের সূচনা করছে। লক্ষণ ভালো নয়।

খবর গেল সেনাপতির কাছে। খবর পেলেন মুখ্য নগরকোটাল। ক্রমে সমস্ত রাজ পুরুষ ও সৈন্য বাহিনীতেও খবর ছড়িয়ে পড়ল এক সুঠাম সুন্দর যুবা লোকের কাছে একটি ফুল ফোটানোর গল্প করছে। কী ভাবে এক তরুণ রাজা বুকের রক্ত ঢেলে ফুটিয়েছিলেন রক্তপদ্ম সে কাহিনী শুনে প্রজারা চঞ্চল উত্তেজিত ক্রুদ্ধ।

অমাত্য পরিষদের আদেশে নগর রক্ষক ও সৈন্য বাহিনী ছুটে বেরোলো চারধারে সেই বিপদজনক যুবকের সন্ধানে।

অবশেষে একদিন হস্তপদ বন্ধ অবস্থায় ধরে আনা হল তাকে বিচারশালায়। বিচার দেখতে ভেঙে পড়ল লোক। বিচারক প্রশ্ন করলেন—তুমি কি বিদ্রোহী?

বিস্মিত যুবক বললেন—না তো? আমি পরম রাজভক্ত।

ভ্রুকুটি করে বিচারক বললেন—অযোগ্য যে কাপুরুষ রাজাকে প্রজাবর্গ মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে তুমি কি তার অনুগত।

যুবক মৃদু হাসল। বলল—মহান বিচারপতি, আমিও ভাবতুম তরুণ রাজা বুঝি কাপুরুষ ছিলেন। তিনি অস্ত্র ধারণ করেননি, তিনি দোষীর বিচার করেননি। কিন্তু বিচারপতি, তরুণ রাজা একটি রক্ত পদ্মের জন্ম দিয়েছিলেন? সারা জীবন ওই পদ্মের কলিকাটি গোপন ছিল তার প্রেমময় অন্তর জুড়ে। একদিন কাপুরুষের অস্ত্রাঘাতে ফুটে উঠল ফুল। ঝরে গেল। বিচারপতি, আমরা সেই সহস্রদল পদ্ম চাই। আমরা পদ্মের কাঙাল। রক্তপদ্ম চাই। দুহাত বাড়িয়ে যুবা বলে ওঠে—দিন সেই পদ্ম।

যুবকের তীক্ষ্ন কণ্ঠের সেই ধ্বনি সমস্ত বিচারশালায় প্রতিধ্বনিত হল সমবেত মানুষের কণ্ঠস্বরে—দিন সেই পদ্ম। আমরা রক্তপদ্ম চাই।

ক্রমে সেই স্বর ছড়িয়ে যেতে লাগল নগরে, জনপদে, রাজ্যের দূর দূরতম প্রান্তে। রক্তপদ্ম চাই। দাও সেই মহার্ঘ ফুল। আমরা আর কিছুই চাই না।

Cov8
সকল অধ্যায়
১.
ঘোরপ্যাঁচে প্রাণগোবিন্দ
২.
রাজা
৩.
বিদ্যে
৪.
কথার দাম
৫.
কোট
৬.
বাজি ও কুকুর
৭.
কিছুক্ষণ
৮.
পায়রাডাঙায় রাতে
৯.
দেখা হবে
১০.
আকাশ গঙ্গা
১১.
নতুন গ্রহ
১২.
পড়শি
১৩.
বিপিনবাবুর কাণ্ড
১৪.
বীরেনবাবুর প্রত্যাবর্তন
১৫.
ওর হবে
১৬.
সংবর্ধনা
১৭.
নীল গ্রহের বেঁটে লোকটা
১৮.
গঙ্গারামের রাগ
১৯.
গোপেনবাবু
২০.
রামলাল আর শ্যামলাল
২১.
ভূতনাথের বাড়ি
২২.
তরকারির নাম
২৩.
গোপীনাথ ও চতুর চোর
২৪.
বলাইবাবু
২৫.
খেলা
২৬.
পটলবাবু ও উড়ন্ত চাকি
২৭.
ফটিকবাবু ও লালমোহন
২৮.
সেই বুড়ো লোকটা
২৯.
নবজীবনের আঁচিল
৩০.
সোনার তাল
৩১.
জাম্বোর নামডাক
৩২.
সেয়ানে সেয়ানে
৩৩.
একটি দিন
৩৪.
দুগ্গা
৩৫.
ভগবানের সঙ্গে দেখা
৩৬.
অঙ্ক
৩৭.
দু'নম্বর পুরুত
৩৮.
'সাতপুরার হাট'
৩৯.
গোকুলবাবু
৪০.
সহজ সরকার

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%