নীল গ্রহের বেঁটে লোকটা

শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

Cov33

কেলোকে সুবলবাবুর কুকুর বললে একটু বাড়াবাড়ি হয়ে যাবে। তবে একথা ঠিক যে সুবলবাবু রোজ রাতে মাংস দিয়ে রুটি খান। আর পাতের আধখানা রুটি, মাংসের হাড়-টাড় আর ঝোল কেলোর বরাতে জোটে। বলা যায় কেলো তার ডিনারটা সুবলবাবুর বাড়িতেই সারে। তবে লাঞ্চ খেতে সে সুবলবাবুর বাড়িতে নয়, যায় হারাধনবাবুর বাড়িতে। হারাধনের বাড়িতে দুপুরবেলা হরেকরকম মাছ রান্না হয়, ফলে কেলোর লাঞ্চটা সেখানেই বাঁধা। কেলোর অবশ্য আরও দু'একজন স্পনসর আছে, যেমন ভূতনাথবাবু। তিনি সকালে লেড়ো বিস্কুট দিয়ে চা খেতে ভালোবাসেন। তা কেলো গিয়ে ভূতনাথবাবুর বারান্দার সামনে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ লেজ নাড়লেই তিনি দু'খানা বিস্কুট ছুঁড়ে দেন। তাছাড়া সারাদিনই কেলোর বরাতে টুকটাক জুটে যায়। কাজেই কেলোর কোনও মালিকানা নেই, সে কারও বাঁধা কুকুর নয়। সে আছে দিব্যি আরামে। শীতকালে সে রাখালবাবুর গোয়ালঘরে রাতে গিয়ে শোয়, সেখানে রাখালবাবু ঝুড়িতে খড় বিছিয়ে রাখেন কেলোর জন্যেই। তবে গ্রীষ্মকালে সে রাত্রিবাস করে মদনবাবুর বারান্দায়, সেখানে মদনবাবু তার জন্যই একটা ছেঁড়া চট পেতে রাখেন।

তা গাঁয়ে কেলো ছাড়াও অন্যান্য কুকুর আছে। তারা না খেয়ে থাকে না ঠিকই, কিন্তু কেলোর মতো এমন খাতিরও পায় না। তার কারণ হল, কেলো ঠিক দিশি কুকুর নয়। তার গায়ে বড় বড় লোম, কান দুটো ঝোলা এবং বেশ বড়বড় আর আকার-প্রকারেও সে অন্য সব কুকুরের চেয়ে অন্তত দেড়গুণ লম্বা চওড়া। কেলোর হাঁক-ডাক শোনা যায় না। গাঁয়ে গুজব আছে, কেলো আসলে বোবা এবং কালা। তার হাঁকডাক যেমন শোনা যায় না, তেমনি কেউ কেলো বলে ডাকলে সে ফিরেও তাকায় না। কাছে আসা দূরে থাকুক, অন্য কুকুর ডাকলে যেমন সব কুকুরই সাড়া দেয়, কেলো কখনও তা করে না। আগে অনেকের ধারণা ছিল, কেলো দেমাকি কুকুর, অন্য কুকুরদের কুকুর বলেই গ্রাহ্য করে না। কিন্তু গাঁয়ের প্রবীণ মানুষ গোবর্ধন সাহা বলেন, বছর দশেক আগে বর্ষাকালে একবার ভয়ংকর একটা বাজ পড়ার শব্দেই নাকি ছানা অবস্থাতেই কেলো বাক ও শ্রবণশক্তি হারিয়ে ফেলে।

প্রাণগোবিন্দ এ কথা শুনে বলল, সে তো বুঝলুম, কিন্তু কেলো এ গাঁয়ে এল কোত্থেকে? আর সব তো নেড়ি কুকুর, কেলোর মতো বিলিতি চেহারার কুকুর তো এখানে জন্মাতে পারে না।

গোবর্ধন সাহা বললেন, তা ঠিক। তবে সেই বৃত্তান্ত আমার জানা নেই। একদিন সকালে ঝোলা কানওয়ালা একটা কুকুরছানাকে রাস্তায় কুঁইকুঁই করতে দেখে পাগলা পটল সেটাকে তুলে নেয়। পটলা ভিক্ষে-সিক্ষে করে যা পেত তা-ই কুকুরটার সঙ্গে ভাগাভাগি করে খেত। বছর তিনেক বাদে পটলা মারা যাওয়ার পর থেকে কেলো একা। কুকুরছানাটাকে কে যে এখানে ছেড়ে দিয়ে গিয়েছিল তা কেউ জানে না।

কেলোর যেমন সুনাম আছে যে, সে কাউকে তাড়া করে না বা কামড়ায় না, সে কখনও ঘেউ-ঘেউ করে কারও ঘুম ভাঙায় না, অন্য কুকুরদের সঙ্গে ঝগড়া-কাজিয়া বা লড়াই করে না, তেমনি তার বদনামও আছে, যেমন সে কারও কোথাও উপকারে আসে না, চোরেরা তাকে ভয় পায় না, কারও বাড়ি পাহারা দেয় না, ইত্যাদি।

রোজ দুপুরবেলায় কদমতলার মাঠে চোরেদের একটা মিটিং হয়। এই তল্লাটের চোরদের সর্দার হল বুড়ো পীতাম্বর। আজ কে কোন গাঁয়ে কোন গেরস্তের বাড়ি হানা দেবে তা সে-ই ঠিক করে দেয়। কার বাড়িতে মেয়ের বিয়ের গয়না কেনা হয়েছে, কে ধান বা পাট বেচে টাকা পেয়েছে, কার বউ নতুন সোনার হার পরে পাড়া-প্রতিবেশীকে দেখিয়ে বেড়িয়েছে, সব তার নখদর্পণে। ছোট ছোট কাগজের টুকরোয় 'ট্যারা কুণ্ডু' 'পবনবাবু' 'চরণডাঙার সুধীর ঘোষ' 'কালীতলার সূর্য দাস'—এইসব লিখে যার যার টিকিট দিয়ে দেয়।

আজ গেনুর ভাগে পড়েছে 'রাখালবাবুর বাড়ি'। সে নতুন চোর, তাই প্রথমে বড় বড় কাজ দেওয়া হচ্ছে না। রাখালবাবু সাদামাটা গেরস্ত, তার বাড়িতে যে দাঁও মারার সুযোগ নেই তা গেনু জানে। হাত পাকানোর জন্য প্রথমে এইসব ছোটখাটো বাড়িই বরাদ্দ করা হয়। নতুন চোর বলেই তার উৎসাহ বেশি। সে সন্ধেবেলাতেই সিঁধকাঠি নিয়ে বেরিয়ে পড়ল। চারপাশটা একটু ঘুরে ফিরে দেখে, রাত একটু বাড়লে আসল কাজে হাত দেবে।

শীতলপাটি গাঁ সন্ধের পরেই শুনশান, গাঁয়ের লোক বেশি রাত অবধি জাগে না, বেশিরভাগই সন্ধেরাত্তিরেই শুয়ে পড়ে। গেনু গাঁয়ে একটা কাজ পেয়ে বেশ খুশিই হল। আজ চেপে শীত পড়েছে, চারদিকে যেন কুয়াশা, তার ওপর ঘোর কৃষ্ণপক্ষ চলছে। এরকম রাতেই কাজের সুবিধে।

গেনু রাত দশটা নাগাদ যখন রাখালবাবুর বাড়িতে পৌঁছোল তখন রাখালবাবুদের মধ্যরাত। গেনু কান পেতে শুনল, কোথাও কোনও শব্দ নেই। শ্বাস-প্রশ্বাস শুনে বুঝল, শীতের রাতে লেপের তলায় সবাই আরামসে গভীর নিদ্রায় মগ্ন। গেনু চারদিকে ঘুরে সুলুক সন্ধান নিয়ে দেখল, এ বাড়িতে ঢুকতে হলে জানালার শিক বাঁকিয়ে ঢুকতে হবে। পাকা বাড়িতে সিঁধ দেওয়ার উপায় নেই। খুঁজে খুঁজে সে বাড়ির পিছন দিকে ভাঁড়ার ঘরে একটা দুর্বল জানালা আবিষ্কার করল। তার মতো আনাড়ি চোরের কাছেও বেজায় সহজ কাজ।

গেনু উবু হয়ে বসে যখন থলি থেকে তার যন্ত্রপাতি বের করছিল তখন হঠাৎ কাছেপিঠে খুব চাপা গলায় কারও কথাবার্তা শুনতে পেল হঠাৎ। গেনু কাজ থামিয়ে চারদিকে চাইল, কাউকে কোথাও দেখা যাচ্ছে না, কিন্তু কথাবার্তা যে হচ্ছে তাতে ভুল নেই। কিন্তু কথাটা বাড়ির ভিতরে হচ্ছে না বাইরে সেটা বুঝতে একটু সময় লাগল তার।

খুব খেয়াল করে মন দিয়ে শোনার পর তার মনে হল, কথাবার্তার শব্দ আসছে গোয়ালঘর থেকে। তবে কি কোনও গরুচোর এসে হানা দিয়েছে! সেরকম হওয়ার তো কথা নয়। পীতাম্বর সর্দার কখনও এক বাড়িতে দুটো চোরকে পাঠায় না। তার নিয়ম খুব কড়া। তাহলে এত রাতে গোয়ালঘরে কথা কইছে কে? রাখালবাবু কি রাত পাহারার ব্যবস্থা করেছে?

চিন্তিত গেনু যন্ত্রপাতি ফেলে রেখে বেড়াল-পায়ে হেঁটে গিয়ে গোয়ালঘরের দরজায় কান পাতল। হ্যাঁ, ভিতর থেকে পরিষ্কার কথাবার্তার শব্দ আসছে, তবে কিছুই বোঝা যাচ্ছে না, কারণ ভাষাটা বাংলা নয়। কিন্তু এই গাঁয়ে বাংলা ছাড়া অন্য বুলিতে কথা কওয়ার লোকই বা কে আছে?

গেনু ভারি ফ্যাসাদে পড়ল। যারা কথা কইছে তারা যে ভালো লোক নয় তাতে সন্দেহ নেই। তবে কি বাইরের চোর এসে গাঁয়ে ঢুকেছে?

চিন্তিত গেনু গোয়ালঘরের ভাঙা পাল্লার জানালাটা দিয়ে খুব সাবধানে ভিতরে উঁকি দিল। ভিতরে ঘুরঘুট্টি অন্ধকার। রাখালবাবুর গোয়ালঘরে গরু নেই। যে গরুটা ছিল সেটা মাসকয়েক আগে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। এখন বোবা-কালা কুকুর কেলোটাই রাতে এসে শুয়ে থাকে। নড়বড়ে একটা দরজা অছে বটে তবে তার পাল্লার তলায় বিশাল ফোঁকর, উইয়ে খেয়ে গেছে।

ভিতরে দুটো গলা শোনা যাচ্ছে। তার মানে চোর একজন নয়, দু'জন, এবং এরা এ তল্লাটের লোক নয়। ভাষাটা হিন্দি হলেও গেনু বুঝতে পারত। কিন্তু এরা কথা কইছে ভারি অদ্ভুত ভাষায়, অং-বং-ডিং-গুবগুব-টুংটাং-পিড়িং— এইসব শব্দ।

তাজ্জব হয়ে গেনু কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইল। কী করবে তা বুঝে উঠতে পারল না। চোরে চোরে কাজিয়া-বিবাদ মোটেই ভালো কথা নয়। তার ওপর ওরকম অদ্ভুত ভাষায় যারা কথা কয় তারা কেমন লোক কে জানে।

ঠায় চেয়ে থাকলে কিছুক্ষণ পর অন্ধকার চোখে সয়ে যায়, আর তখন একটু-আধটু দেখাও যায়। চোরের কাজই তো অন্ধকারে, কাজেই চোখের ক্ষমতা অন্যদের চেয়ে গেনুর একটু বেশি। বেশ কিছুক্ষণ চেয়ে থাকার পর সে দেখতে পেল একটা সাদা পোশাক পরা বেঁটে মতো লোক একটু নীচু হয়ে যার সঙ্গে কথা কইছে সে বোবা-কালা কেলো। আশ্চর্যের বিষয় হল, কেলোও লোকটার সঙ্গে কথা কইছে বলে গেনুর মনে হল। কিন্তু মনে হলেই তো হবে না, মানুষের তো কত ভুলভাল কথা মনে হয়। সবাই জানে কুকুরেরা কখনও কথা কয় না, তার ওপর কেলো হল বোবা আর কালা, জীবনে তার একটা ঘেউ অবধি কেউ শুনতে পায়নি। তাহলে গেনু ভুলই দেখছে! তাই সে আরও একাগ্র হয়ে ব্যাপারটা বুঝবার চেষ্টা করল।

চোখটা আরও একটু সইয়ে নেওয়ার পর গেনু এবার স্পষ্টই দেখতে পেল, কেলো পিছনের দু'পায়ে ভর দিয়ে একেবারে মানুষ সমান খাড়া হয়ে আছে। শুধু তাই নয় কেলো সত্যিই কথাও কইছে! ভাষাটা বেজায় বিঘুকুটে বটে, কিন্তু কথা তো বটে। ভাষাটা আর যাই হোক, কুকুরের ভাষা নয়। নিজের চোখেকে অবিশ্বাস হচ্ছে গেনুর, মাথাটাও গোলমাল লাগছে, কিন্তু ব্যাপারটা অস্বীকারই বা করে কী করে?

ব্যাপারটা ভূতুড়ে কিনা তা বুঝতে পারল না গেনু, তবে সে বড্ড ভয় পেয়ে গেল। আর ভয় খেলে তো কারও কাণ্ডজ্ঞান থাকে না। তাই সে হঠাৎ উত্তেজনা চাপতে জানালার পাল্লাটা চেপে ধরতেই ক্যাঁচ করে একটা শব্দ হল। চোখের পলকে বেঁটে লোকটা ফিরে তাকাল।

গেনুর হাত-পা এমন কাঁপছিল যে পালানোর চেষ্টাই করতে পারল না। তার আগেই লোকটা বিদ্যুতের গতিতে এসে তার ঘাড়টা ধরে একটা ঝাঁকুনি দিয়ে নেংটি ইঁদুরের মতো তুলে গোয়ালঘরের ভিতরে নিয়ে গেল। লোকটার গায়ে আসুরিক জোর, গেনু নড়তে অবধি পারল না।

লোকটা তাকে দাঁড় করিয়ে টক করে একটা থলি থেকে টুপি গোছের একটা জিনিস বের করে মাথায় পরিয়ে দিল। মাথাটা যেন কেমন টালমাটাল হয়ে যাচ্ছিল গেনুর। একবার মনে হল অজ্ঞান হয়ে যবে, কিংবা মরেই যাবে হয়তো। কিন্তু একটু বাদে সামলেও গেল। তাকিয়ে দেখল, বেঁটে লোকটার পরনে একটা সাদা পোশাক, মাথায় তার টুপির মতোই একটা টুপি, লোকটা তার দিকে চেয়ে সেই অদ্ভুত ভাষায় কিছু বলল, কিন্তু কথাটা স্পষ্ট বুঝতে পারল গেনু।

তুই কে?

আমি একজন চোর। আমার নাম গেনু।

চোর কাকে বলে?

যে অন্যের জিনিস সরায়।

বাঃ, বেশ মজার কাজ তো! কাজটা কি ভালো?

পেটের দায়ে করতে হয়। চুরি না করলে খাব কী?

কেন, এখানে কি লোকে খেতে পায় না?

আমরা গরিব।

গরিব কাকে বলে?

যাদের পয়সা নেই।

পয়সা কী জিনিস?

আপনি কোন দেশ থেকে আসছেন যে পয়সা চেনেন না!

আমরা যেখানে থাকি সেখানে কেউ চুরি করে না, কারও খাবারের অভাব নেই, আমরা পয়সা বলে কিছু জানি না।

বাপ রে, তাহলে তো সেটা স্বর্গ।

না, আমাদের গ্রহের নাম নীল গ্রহ।

কেলো বোবা কুকুর, ও কথা কইছে কি করে?

ও সাধারণ কুকুর নয়। দশ বছর আগে ওকে আমরা এখানে রেখে গিয়েছিলাম। ও এখানকার সব খবর সংগ্রহ করেছে। আজ ওকে আমি নিয়ে যাব।

এই শীতলপাটি গাঁয়ের কি কোথাও গুরুতর খবর আছে?

আছে! একানকার মাটি, জল, বাতাস, জীবাণু আর গাছপালা সম্পর্কে আমরা আগ্রহী। আমাদের নীল গ্রহে আমরা এসব জিনিস সৃষ্টি করতে চাই। আমাদের কুকুর খানিকটা যন্ত্র, খানিকটা জীব। ওর নাম ডিংডং, ওর মস্তিষ্কে সব খবর রেকর্ড করা আছে।

আমাকে আপনাদের দেশে নিয়ে যাবেন? এখানে বড় কষ্টে আছি।

কষ্ট! কষ্ট কী জিনিস?

ও আপনি বুঝবেন না। নিয়ে যাবেন?

না, আমাদের গ্রহে চোরের কোনও দরকার নেই। তুইও আর চুরি করবি না।

তাহলে আমার চলবে কি করে?

লোকটা তার ঝোলা থেকে একটা ছোট্ট টর্চের মতো জিনিস বের করে গেনুর কপালের মাঝখানটায় একটু চেপে ধরেই সরিয়ে নিল। বলল, যাও, আর তোমাকে চুরি করতে হবে না। আচ্ছা আসি।

কেলো আর বেঁটে লোকটা তার দিকে আর দৃকপাত না করে গটগট করে বেরিয়ে কুয়াশা আর অন্ধকারে মিলিয়ে গেল।

পরদিন থেকে শীতলপাটি গাঁয়ে আর কেলোকে দেখা যায়নি। আর অন্যদিকে গেনুকেও আর কদমতলার মাঠে চোরেদের মিটিঙে দেখা যেত না। সে গাঁয়ের ইস্কুলে গিয়ে ভর্তি হয়ে লেখাপড়া শিখছে দেখে সবাই অবাক, আরও অবাক হল যখন যে পরীক্ষায় প্রতি বিষয়ে অনেক নম্বর পেয়ে ফার্স্ট হতে লাগল। কালীতলার জমিদার মহেন্দ্রপ্রতাপ এ খবর পেয়ে খুশি হয়ে তার জন্য মাসোহারার ব্যবস্থা করে দিলেন।

গেনু রোজ ঠাকুরদেবতাকে পেন্নাম করার সময় আজকাল ওই বেঁটে লোকটাকেও মনে মনে পেন্নাম করে।

সকল অধ্যায়
১.
ঘোরপ্যাঁচে প্রাণগোবিন্দ
২.
রাজা
৩.
বিদ্যে
৪.
কথার দাম
৫.
কোট
৬.
বাজি ও কুকুর
৭.
কিছুক্ষণ
৮.
পায়রাডাঙায় রাতে
৯.
দেখা হবে
১০.
আকাশ গঙ্গা
১১.
নতুন গ্রহ
১২.
পড়শি
১৩.
বিপিনবাবুর কাণ্ড
১৪.
বীরেনবাবুর প্রত্যাবর্তন
১৫.
ওর হবে
১৬.
সংবর্ধনা
১৭.
নীল গ্রহের বেঁটে লোকটা
১৮.
গঙ্গারামের রাগ
১৯.
গোপেনবাবু
২০.
রামলাল আর শ্যামলাল
২১.
ভূতনাথের বাড়ি
২২.
তরকারির নাম
২৩.
গোপীনাথ ও চতুর চোর
২৪.
বলাইবাবু
২৫.
খেলা
২৬.
পটলবাবু ও উড়ন্ত চাকি
২৭.
ফটিকবাবু ও লালমোহন
২৮.
সেই বুড়ো লোকটা
২৯.
নবজীবনের আঁচিল
৩০.
সোনার তাল
৩১.
জাম্বোর নামডাক
৩২.
সেয়ানে সেয়ানে
৩৩.
একটি দিন
৩৪.
দুগ্গা
৩৫.
ভগবানের সঙ্গে দেখা
৩৬.
অঙ্ক
৩৭.
দু'নম্বর পুরুত
৩৮.
'সাতপুরার হাট'
৩৯.
গোকুলবাবু
৪০.
সহজ সরকার

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%