শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

ফটিকবাবু যে! নমস্কার।
নমস্কার। কিন্তু আপনাকে তো ঠিক চিনতে পারছি না!
চেনার কথাও নয়। আমার নাম হরিদাস।
বাঃ বেশ। তা কী দরকার বলুন।
আজ্ঞে না, দরকার কিছু নেই। এমনি এদিক দিয়ে যাচ্ছিলাম তো, তাই একটু খোঁজ নিলাম আর কি। পাড়া-প্রতিবেশীদের সব খবর নেওয়াটা তো একটা কর্তব্যের মধ্যেই পড়ে নাকি?
সে তো ঠিকই। কিন্তু আপনি কি আমার প্রতিবেশী? কখনও দেখেছি বলে তো মনে পড়ছে না!
প্রতিবেশী বৈকি। প্রতিবেশী ছাড়া কী কথা বলা যায়। কাছেপিঠেই থাকি।
আমি অবশ্য পাড়ায় বেশি যোগাযোগ করি না। তাহলেও প্রতিবেশীদের সবাইকেই চিনি। আপনাকে কিন্তু চেনা চেনা ঠেকছে না।
এই তো এবার থেকে ঠেকবে। কিন্তু ফটিকবাবু, আপনি প্রতিবেশীদের সঙ্গে মেলামেশা করেন না কেন?
তার অনেক কারণ আছে মশাই। প্রতিবেশীরা বড্ড হাঁড়ির খবর নেয়, কূটকাচালি করে। এর কথা ওকে বলে বেড়ায়, ধার চায়, জিনিসপত্র নিয়ে ফেরত দেয় না, টিটকিরি মারে, আরও অনেক ব্যাপার আছে।
কিন্তু ফটিকবাবু, আপনার পুবদিকে যে জ্ঞানবাবু থাকেন তিনি তো মস্ত সজ্জন, ভীরু মানুষ, তাঁর বাড়ি থেকে ভিখিরি কখনও খালি হাতে ফেরে না।
জ্ঞানবাবু সজ্জন! কে আপনাকে কথাটা বলেছে বলুন তো! বাইরে অমন ভালোমানুষটি সেজে থাকলেই হল? সজ্জনই যদি হবে তাহলে ওর বাড়িতে চাকর টেঁকে না কেন বলুন তো! কেনই বা গয়লা আর মুদি এসে পাওনা টাকার জন্য চেঁচামেচি করে যায়! কেনই বা মাসে একবার করে কাবলিওয়ালা আসে! মুনসেফ কোর্টের কেরানি হয়েও ওঁর বউয়ের গা-ভর্তি গয়না কোত্থেকে আসছে বলুন তো। ওঁর ছেলেপুলেদের চেহারা অমন নধরকান্তি হয় কি করে তা কখনও ভেবে দেখেছেন? কি করেই বা উনি পুরোনো মেঝে চেঁছে মার্বেল বসালেন! শালা বিয়ে করল, উনি নতুন বৌকে নেকলেস দিয়ে আশীর্বাদ করার মুরোদ কোথায় পেলেন? ভিখিরিকে ভিক্ষে দেয় বলে আপনি গদগদ। কিন্তু এটা তো স্বীকার করবেন যে, ভিখিরিকে ভিক্ষে দেওয়ার মানে আলস্য ও অপদার্থকে প্রশ্রয় দেওয়া! আর এই প্রশ্রয়ের ফলে ভিখিরির সংখ্যা বাড়ছে!
না ফটিকবাবু, জ্ঞানবাবু সম্পর্কে এত গুপ্ত কথা আমার জানা ছিল না। এসব শুনে মনে হচ্ছে জ্ঞানবাবুকে যা ভেবেছিলাম বোধহয় তা নয়।
মোটেই নয় মশাই, মোটেই নয়, গভীর রাত অবধি দেখবেন ওর ওই চিলেকোঠার ঘরে আলো জ্বলে। খুটখাট শব্দ হয়। আমার দৃঢ় বিশ্বাস ওখানে চোরাই কোনও কারবারের ঠেক করেছে। হয় স্মাগলিং, নয়তো ড্রাগ বা ওরকম কিছু। একটু ঠেকায় পড়ে শ পাঁচেক টাকা ধার নিয়েছিলাম, তা মশাই, বছর ঘুরতে দেয় না। তাগাদায় তাগাদায় অস্থির করে ফেলল! পিছনের বাগানের বেড়া বাঁধতে গিয়ে ওর বাড়ির দাটা চেয়ে এনেছিলাম, ফেরত দিতে দিন সাতেক দেরি হয়েছে বলে জ্ঞানের বউ কত কথা শুনিয়ে গেল। ওর বড় মেয়ের বিয়ের একটা সম্বন্ধ হয়ে হয়েও হল না, এখন বলে বেড়াচ্ছে আমরাই নাকি ভাঙচি দিয়েছি। জ্ঞান যদি সজ্জন হয় তাহলে রাবণরাজা, হিরণ্যকশিপু বা হিটলারও সজ্জন, বুঝলেন!
তা না হয় বুঝলাম। কিন্তু আপনার পশ্চিম দিকে যে মনোরঞ্জন ঘোষ থাকেন তিনি তো উঁচুদররের মানুষ। নাকি!
কী দেখে ধারণাটা হল বলুন তো! গান গায় বলে বলছেন?
আজ্ঞে, গান নাকি খুবই ভালো গেয়ে থাকেন শুনেছি। বাজারে বেজায় নাকি নামডাক। চারদিক থেকে লোক এসে টানাটানি করে। পাড়ার ক্লাবে মোটা টাকা চাঁদা দিয়েছেন বলে শুনেছি। বন্যাত্রাণ তহবিলে এক লাখ টাকা ঝপাৎ করে ফেলে দিয়েছেন। দুটো গরিবের ছেলেকে নাকি পড়ার খরচ দেন।
দাঁড়ান মশাই দাঁড়ান। একসঙ্গে অনেক কথা বলে ফেললেন তো। ওসব হাওয়ায় অনেক কথা ওড়ে। ওই ওড়া কথা আবার বিশ্বাস করে বসবেন না যেন।
তাহলে কি ভিতরে অন্য কথাও আছে ফটিকবাবু?
তা আর নেই! মনো কত বড় গাইয়ে বলুন তো! কানাকেষ্ট, নাকি হেমন্ত না মান্না। তাদের পায়ের কাছে ও বসতে পারবে? আমার এক কালোয়াত বন্ধু তো বলে গেছে, ওর গলায় মোটে সুরই নেই। আমার বউ সংসারের জোয়াল কাঁধে নিয়ে আর রেওয়াজের সময় পেল না, তাই নইলে এতদিনে লতা, আশার কাছাকাছি পৌঁছে যেত। গীতশ্রী টাইটেলটা তো আর মুখ দেখে দেয়নি। বুঝলেন হরিদাসবাবু, গানবাজনা আমরা বুঝি। মনোর নামডাক তো হয়েছে স্রেফ পাবলিসিটি খাইয়ে। আর জায়গামতো তেল দিয়ে। নইলে ওই ফাটা বাঁশের মতো গলা কি বাজারে কলকে পেত! সাধনা বলে কিছু আছে নাকি ওর?
এত কথা তো জানা ছিল না ফটিকবাবু!
আরে জানবেন কি করে? ও তো ছুপা রুস্তম। ময়ূরটি সেজে ঘাড়ে পাউডার দিয়ে গিয়ে যখন স্টেজে বসে তখন আপনারা ওর কায়দাকানুন দেখেই গলে পড়েন। আর ওই ক্লাবের চাঁদা! তার পিছনের কাহিনী তো জানেন না। বটতলার জমিটা সস্তায় কিনে নিল গত আশ্বিনে। দখলদার উচ্ছেদ করতে ক্লাবের ছেলেদের ধরে পড়ল। তারা জমি থেকে দখলদার হটিয়ে দিয়েছিল বলে ওই টাকা। দানখয়রাতি বলে ধরে বসবেন না যেন। আর বন্যাত্রাণের টাকার কথা বলে আমাকে লজ্জা দেবেন না। সত্যি কথা শুনলে আপনার মাথা হেঁট হয়ে যাবে।
সত্যি কথাটা কী ফটিকবাবু?
শুনবেন? ওই লাখ টাকা বন্যাত্রাণে দিয়ে ছেলেকে এস ডি ও-র পোস্ট পাইয়ে দিয়েছে। ছেলে এখন গ্যাট হয়ে বসে দেদার ঘুষ খাচ্ছে। লাখ টাকার দশগুণ উশুল হয়ে গেছে কবে!
বটে ফটিকবাবু! এ তো সাঙ্ঘাতিক কথা!
আর ওই যে গরিব ছাত্রদের পড়ানোর ব্যাপারটা। লোকে খুব বাহবা দেয় বটে, সে আসল কথাটা জানে না বলে।
কী কথা মশাই?
খোঁজ নিলেই দেখবেন ও দুটি ছেলেই লেখাপড়ায় দারুণ ভালো। পরীক্ষায় দুর্দান্ত ফল করে থাকে। দুটিই কুলীন কায়েত, মনোরঞ্জনের পাল্টি ঘর। এবার বুঝেছেন খানিকটা?
আজ্ঞে না। ধোঁয়া ধোঁয়া লাগছে।
বুঝতে চাইলে ঠিকই বুঝতেন। মনোরঞ্জনের দুটি কালিকিস্টি ধুমসি, থলথলে মোটা হতকুচ্ছিৎ মেয়ে আছে। মনোরঞ্জন ভালোই জানে যে তাদের স্বাভাবিক নিয়মে বিয়ে দেওয়া মুশকিল হবে। তাই ওই ছেলেদুটিকে বেঁধে রাখছে। ওরা হল মনোরঞ্জনের হবু জামাই। ওটা দয়াধর্ম বলে মনে করবেন না যেন। ওটা আসলে দাদন।
কিন্তু আমি যে শুনেছি মনোরঞ্জনবাবুর মেয়েরা ভারি সুন্দরী। লেখাপড়ায় ভালো। গান জানে, সে কি তাহলে ভুল?
খুব ভুল মশাই, খুব ভুল শুনেছেন। দূর থেকে খারাপ দেখায় না বটে, মেকআপ করে থাকে তো। আসল চেহারা আমরা জানি।
তারা কি লেখাপড়া বা গান-বাজনায় ভালো নয়?
চৌদ্দটা মাস্টার রাখলে কি আমার তিন-তিনটে মেয়ে ফার্স্ট সেকেন্ড হতে পারত না হরিদাসবাবু? আর কলেজের সোশ্যাল আর পাড়ার ফাংশানে গাইলেই কি গায়িকা হওয়া যায়? সকালে যখন মেয়ে দুটো সা রে গা মা করে গলা সাধে তখন তো পাড়ার কাকগুলো চিল্লামিল্লি লাগিয়ে দেয়। তার ওপর দেমাক কম নাকি? আমার তিনটে মেয়ে তো ওদেরই প্রায় সমবয়সী, আগে বেশ যাতায়াতও ছিল। মিশতে চাস না বলে দিলেই পারিস। তা না বলে সোনার হার চুরির মিথ্যে অপবাদ দিয়ে আমার মেয়ে তিনটের যাতায়াত বন্ধ করে দিল। ওরাও ছাড়বার পাত্রী নয়, রোজ গলা তুলে ভালো-মন্দ শুনিয়ে দেয়। ওই যে দেখুন না মনোর বাড়ির যে জানলাগুলো আমার বাড়িমুখো সেগুলো সব কটকটে করে বন্ধ করে রেখেছে।
তাই তো বটে! তবে যাই বলুন, আপনার উলটো দিকের বাড়িতে যে রাইমোহনবাবু থাকেন এটা একটা সৌভাগ্যেরই ব্যাপার। কত বড় পণ্ডিত মানুষ। ইউনিভার্সিটিতে পড়ান। তার ওপর বিলেত আমেরিকাতেও নাকি লেকচার দিতে যান। এরকম প্রতিবেশী পাওয়া কি ভাগ্যের কথা নয়! গৌরবেরও তো ব্যাপার!
আপনার দোষ কি জানেন হরিদাসবাবু? আপনি বড় গুজবে বিশ্বাস করেন।
তাহলে কি রাইমোহনবাবু তেমন সুবিধের লোক নন?
দু'পাতা ইংরিজি পড়লেই কি আর মানুষ বদলে যায় হরিদাসবাবু? তাছাড়া রাইমোহনের সাবজেক্ট হল ফিলজফি। আপনি বুকে হাত দিয়ে বলুন তো, ওটা একটা সাবজেক্ট? আজকাল ফিলজফির কোনও দাম আছে? আজকালকার ছেলেমেয়েরা তো ফিলজফি শুনলে ব্যঙ্গের হাসি হাসে, ঠাট্টা বিদ্রূপ করে। আমি তো শুনেছি, ক্লাসে ছাত্রছাত্রী হয় না বলে রাইমোহন ফাঁকা ক্লাসে গিয়ে বসে বসে ঘুমোয়। আর বিলেত-আমেরিকা! আপনি কি ভেবেছেন ওকে কেউ খরচ করে নিয়ে যায়? না মশাই না ওর এক দাদা বোধহয় বিলেতে ফিটার মিস্ত্রির কাজ করে!
ফিটার মিস্ত্রি! আমরা যে শুনেছি, মস্ত ইঞ্জিনিয়ার!
ওই তো আপনার দোষ যা শোনেন তাই বিশ্বাস করেন। ওরকম বলতে হয়। আমি ভালোই জানি, কালিঝুলি মেখে যন্ত্রপাতি সারায়। তা সেই দাদাই একে ওকে ধরে প্যাসেজ মানি জোগাড় করে পাঠায়। বত্তৃ«তা দিতে যায় না হাতি। এসে ওসব গল্প মারে আর কি!
কিন্তু এই যে শুনি, রাইমোহনবাবু আমেরিকা থেকে একটা ডক্টরেটও পেয়েছেন!
আমেরিকা থেকে ডাকযোগেও ডক্টরেট ডিগ্রি আনা যায় বুঝলেন! তার কোনও দাম নেই। ওসব ডক্টরেট সার্টিফিকেটের দাম ঠোঙার কাগজের চেয়ে বেশি নয়।
রাইমোহনবাবুর মতো নিরীহ মানুষ এসব করেন নাকি?
নিরীহ! কিসে ওকে নিরীহ বলে মনে হল আপনার? আগে তো আমার সঙ্গে রাইমোহনের বেশ ভাবই ছিল। রোজই সকালের দিকে ওর বাড়িতে গিয়ে চা-চিঁড়েভাজা খেতাম। গল্পগুজবও হত। তখন তো আর স্বরূপ বুঝতে পারিনি। একদিন যেতেই রাইমোহন ফুঁসে উঠে বলল, আপনি আমার নামে লোকের কাছে যা তা বলে বেড়ান, নিন্দেমন্দ করেন আমি তো অবাক!
বলতেন নাকি?
আমি হলাম সত্যের পূজারী। যদি বলেও থাকি তাহলে দুটো চারটে সত্যি কথাই বলেছি। সেটা কি দোষের?
না না, দোষের হবে কেন? তারপর কী হল?
দু'চার কথায় হাওয়া গরম হয়ে উঠল। রাইমোহনের বউ আর ছেলেমেয়েরাও সঙ্গে জোট বেঁধে এল। তুমুল চেঁচামেচি কত বড় স্পর্ধা শুনবেন। রাইমোহন আমাকে ঘাড়ধাক্কা দিতে দিতে বাড়ি থেকে বের করে দিল।
বলেন কি?
তাই তো বলছি। নিরীহ বলে তকমা লাগালেই তো হবে না। সব মানুষের ভেতরেই জন্তু জানোয়ার থাকে।
আজ্ঞে, সেটা খুব বুঝতে পারছি। রাইমোহনবাবুকে আমি ভালো লোক বলে জানতাম।
আরও ভালো করে জানুন তাহলে দেখবেন ভালোর খোসা ছাড়িয়ে আসল রূপটা বেরিয়ে পড়বে। সেই ঝগড়ার পর আমার ছোট ছেলেটার হাত ফসকে একটা ঢিল গিয়ে রাইমোহনের বাড়ির একটা কাচ ভেঙে দেয়। তার জন্য কেউ থানা পুলিশ করে, বলুন তো!
ছেলেটা তখন খুব ছোট ছিল বুঝি।
ছোটই, বছর কুড়ি বয়স হতে পারে বড় জোর!
মোটে একটাই ঢিল মেরেছিল বলে উনি পুলিশ ডাকলেন?
ব্যাটাছেলেদের কি আর অত হিসেব থাকে? একটার জায়গায় দুটো বা তিনটেও হতে পারে। ওরা পুলিশকে কী বলেছিল জানেন? বলেছিল আমরা সবাই নাকি ইট পাটকেল জোগাড় করে রাতের অন্ধকারে ওদের বাড়িতে হামলা করি। আর পাড়া-প্রতিবেশীদের কথা বলছিলেন না? তারা সবাই আমার বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে সাক্ষী দিয়েছিল। কত বড় অন্যায় বলুন।
অন্যায়ই তো, তাতে কী হল?
দেখুন, যে যাই বলুক আর করুক আমি সর্বদা ন্যায় আর সত্যের পথ ধরে চলি। পুলিশ আমাদের সবাইকে ধরে নিয়ে গেল বটে, কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই বুঝতে পারল যে, তারা ভুল করেছে। তাই ক্ষমা চেয়ে ছেড়ে দিল।
হ্যাঁ আমি জানি। তখন ওই থানার ওসি ছিল আমার শালা। আমার শালাও বলে ফটিকবাবুর মতো লোক হয় না। আপনি নাকি পুলিশকে মিষ্টি খাওয়ার জন্য পাঁচ হাজার টাকা দিয়েছিলেন।
হ্যাঁ, খুশি হয়েই দিয়েছিলাম। দেখলাম আমাকে অ্যারেস্ট করে ওরা খুবই অনুতপ্ত। সবাই মন খারাপ করে বসে আছে। তাই বললাম একটা ভুল না হয় করেই ফেলেছ, তাতে কি? এই নাও, সবাই মিষ্টি খাও।
তাতে পুলিশের মুখে হাসি ফুটল বুঝি?
হ্যাঁ, একেবারে গোলাপ ফুলের মতো ফুটে উঠল।
আপনি সত্যিই খুব ন্যায়নিষ্ঠ লোক দেখছি।
সত্য আর ন্যায়ের দীপ্তি আজকাল লোকে সইতে পারে না। বুঝলেন! আর সে জন্যই কেউ এখন আমার কাছে আসে না। কথা কইলে মুখ ফিরিয়ে নেয়। লোকে বলে আমি নাকি একঘরে। আসলে তো তা নয়, আমার নীতি হল ওই যে কি বলে, একলা চলো রে!
অতি সত্যি কথা মশাই, অতি সত্যি কথা, আপনার দীপ্তিতে আমারও চোখ ঝলসে যাচ্ছে। আচ্ছা আসি তাহলে নমস্কার।

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন