জেলে

গৌতমকুমার দাস

সুন্দরবনে জেলেরা সবচেয়ে উপেক্ষিত এক প্রান্তিক সম্প্রদায়৷ বর্তমানে অন্যান্য জীবিকার তুলনায় সুন্দরবনে জেলেদের সংখ্যা সবচাইতে বেশী৷ সরকারী ভাবে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ যেমন সুন্দরী গরান পশুর ধুঁধুল গাছ কাটার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার পর বাওয়ালী অর্থাৎ কাঠ কেটে প্রান্তিক জীবন জীবিকা নির্বাহকারীদের সংখ্যা বর্তমানে ক্রমহ্রাসমান৷ পেশা বদলে দুমুঠো ভাতের জন্য তারা নদী খাঁড়ির জলে মাছ ধরে, বাগদা পোনা ধরে, নয়তোবা শুটকী মাছের ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে গেছে তাদের প্রান্তিক জীবন৷

জেলেরা ছোট বড় বাছাড়ী নৌকা, পাউকা, ছিপ নৌকা, ডিঙি এসব নিয়ে গহন বনের নদীগুলিতে চলে এসে মাছ ধরে৷ যাদের আর্থিক সামর্থ্য নেই তারা মহাজনের ইঞ্জিন বসানো ট্রলারে দৈনিক মজুরি বা চুক্তিভিত্তিক মজুরিতে মাছ ধরার কাজে নিয়োজিত থাকে৷ জেলেরা বর্ষা শীত শরৎ বসন্ত বছরের সব সময়ই মাছ ধরার কাজ করে সংসার চালায়৷ সুন্দরবনের জেলেদের থেকে একশ্রেণীর মধ্যস্বত্ত্বভোগী লোকেরা তাদের জালে ধরা মাছ সংগ্রহ করে থাকে৷ কম দামে মাছ দিয়ে দিতে হলেও বাজারে মাছ বিক্রী করার জন্য সময় দিতে হয় না, বরং ঐ সময়টা মাছ ধরার কাজে লাগাতে পারে এবং এক নাগাড়ে অনেক দিন ধরে মাছ ধরার জন্য নৌকায় নদীতে থেকে যেতে পারে।

যে সমস্ত জেলেরা বাড়ী থেকে দূরে উপকূলবর্তী এলাকায় মাছ ধরার জন্য চলে আসে তারা ঐ জায়গায় অস্থায়ীভাবে বসবাস করার জন্য হেঁতাল বা গোলপাতার ছাউনী দিয়ে ছিটে বেড়ার ঘর বানিয়ে নেয়৷ কখনো শুধু হোগলার ছাউনী দিয়ে খুঁটি সর্বস্ব ঘরে খড়ের বিছানায় দিন কাটায়৷ ঘরের বাইরে দূরে গহীন নির্জনে এসে সব ধরণের প্রান্তিক জীবনযাপনকারী মানুষের মধ্যে এক আন্তঃ সম্পর্ক গড়ে ওঠে৷ জেলেরা তাদের পাশাপাশি বাউলে মউলেদের মাছ কাঁকড়া খাবার জন্য দেয়, আর তাদের কাছ থেকে চাল ডাল নুন তেল প্রয়োজনে চেয়ে নেয়৷ বাওয়ালীরা জ্বালানী কাঠ জোগান দেয় জেলেদের আর মৌয়ালরা খাবার শেষে ‘মধুরেণ সমাপয়েৎ’ অংশে সবাইকে উজাড় করে দেয় মধু৷

বাংলাদেশের সুন্দরবনে জেলেদের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ৷ বিশেষত চট্টগ্রামের বহরদাররা শীতের মরসুম শুরু হলে ট্রলার বোঝাই করে মানুষ নিয়ে আসে ও উপকূলবর্তী এলাকায় অস্থায়ী আস্থানা তৈরী করে৷ এই বহরদাররা যে সমস্ত শ্রমিক নিয়ে আসে তাদেরকে স্থানীয় ভাষায় বলা হয় ‘ঢোলাভাঙা’৷ দালাল লাগিয়ে বেশী মজুরী দেবার মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে নিয়ে এসে ঐ ঢোলাভাঙাদের অমানুষিক খাটায় বহরদাররা৷ মাছ ধরা, বাছাই শুটকি বানানো এসবে হাড়ভাঙা খাটুনি দিবারাত্রি তাদের করতে হয়৷ পরিশ্রম ও অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে ঢোলাভাঙারা বনে বাদাড়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাদের অনেক সময় বাঘের মুখে পড়ে প্রাণ যায়৷ বহরদারদের ইচ্ছা ব্যতিরেকে এদের ঘরে ফেরার কোন সম্ভাবনা থাকে না৷ আর বিদ্রোহ করলে ঢোলাভাঙাদের উপর অকথ্য অত্যাচার চলে৷ পুরো মরসুম এভাবেই কার্যত বন্দি থাকে এই ঢোলাভাঙা শ্রমিকশ্রেণী৷

জেলে নৌকা

চনারু

সুন্দরবন অঞ্চলের প্রান্তিক কিছু মানুষের শামুক ঝিনুক কুড়িয়ে রুজি রোজগার চলে এরা চনারু নামে পরিচিত৷ ঝিনুক ও শামুক পরিষ্কার করে বিভিন্ন খেলনা সামগ্রী, চুন ও গৃহসজ্জার বিভিন্ন উপকরণ তৈরী করা হয়৷ সুন্দরবনের বহু প্রান্তিক মানুষ স্রেফ শামুক ঝিনুক কুড়িয়ে বেঁচে থাকে৷

ঝিনুক শামুক গুঁড়ো করে পোলট্রির খাবার তৈরীর কাজে লাগানো হয়৷ সুন্দরবনের ক্যানিং অঞ্চলে এই ধরনের শিল্প গড়ে উঠেছে৷ ঝিনুক শামুক পুড়িয়ে চুন তৈরী করা হয় যা কৃষিকাজে, খামারে, বাগদা চাষের জন্য তেরী ফিসারীর মাটির অম্লত্ব কমানোর জন্য, আগাছা নির্মূল করার জন্য ও মাছচাষে ক্ষতিকারক জীবদের রোধ করার জন্য ছড়ানো হয়ে থাকে৷

খাঁড়ি নদী নালা খাল বিলে চনারু সম্প্রদায়ের প্রায় সকল প্রজাতির ঝিনুক শামুক কুড়োনোয় বাস্তুতন্ত্রের প্রভূত ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে৷ ঝিনুক শামুক সহ কম্বোজ পর্বের প্রাণীরা কর্কর খাদক এবং নদী নালা খাঁড়ির তলদেশে বিয়োজিত পদার্থ সমূহ চরে খায়৷ তাছাড়া নদীজলের দূষক শোষণ করে নদী সহ সমগ্র সুন্দরবনের বাস্তুতন্ত্রকে স্বাভাবিক রাখার কাজে এই ঝিনুক শামুকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷ সুতরাং নদী থেকে শামুক ঝিনুক নিঃশেষ করলে সুন্দরবনের বাস্তুতন্ত্রের সমূহ ক্ষতি হতে পারে৷

নদী, জল, মাটি, প্রকৃতি ও ঝিনুক শামুক সহ জীব বৈচিত্র্য নিয়ে গঠিত সুন্দরবনের গতিশীল বাস্তুতন্ত্র৷ বিয়োজিত জৈববস্তুর উপর সুন্দরবনের লবণাম্বু উদ্ভিদের বাস্তুতন্ত্র নির্ভরশীল বলে এই বাস্তুতন্ত্রের খাদ্যশৃঙ্খলকে কর্কর খাদ্যশৃঙ্খল বলে৷ কোনও খাদ্যস্তরে খাদ্য-খাদকের অভাব বাস্তুতন্ত্রের খাদ্যশৃঙ্খলের স্থিতিশীলতা নষ্ট করে৷ সুন্দরবনের নদীগুলির থেকে অধিক পরিমাণে ও সংখ্যায় ঝিনুক শামুক সংগ্রহ করে পোলট্রির খাবার তৈরীর কারখানায় পাঠানোর জন্য লবণাম্বু উদ্ভিদের কর্কর খাদ্যশৃঙ্খল অদূর ভবিষ্যতে ভারসাম্য হারাতে পারে৷

জীব বৈচিত্র্যময় ‘বিশ্ব ঐতিহ্যের ক্ষেত্র’ হিসাবে ঘোষিত সুন্দরবনে অসংখ্য নদী জালিকাকারে বিন্যস্ত৷ ছোট বড় করে সুন্দরবনে নদীর সংখ্যা প্রায় ৩১টি৷ এই নদীর লবণাক্ত জল সুন্দরবনের জগদ্বিখ্যাত লবণাম্বু উদ্ভিদের বাস্তুতন্ত্রের নিয়ন্ত্রক৷ সুন্দরবনের নদীগুলিতে জলদূষণের হার ক্রমবর্ধমান৷ বিশেষ করে কলকাতা শহরের নিকাশী নালার বর্জ্য বিভিন্ন খালের জলের মধ্য দিয়ে এসে মেশে বিদ্যাধরীর স্রোতে৷ তারপর বর্জ্য মিশ্রিত জল বিদ্যাধরী থেকে ঝিল্লা হয়ে বয়ে চলে কালিন্দী-রায়মঙ্গল-হাড়িভাঙা নদীতেও৷ কলকাতা থেকে বর্জ্য বয়ে নিয়ে আসা খালগুলোয় শুধুমাত্র জনজীবন এলাকার বর্জ্য থাকে না, থাকে পূর্ব কলকাতার বিভিন্ন কারখানার উপজাত ধাতব, বর্জ্য পদার্থও৷ ধাতু-মিশ্রিত এই বর্জ্য উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহের মধ্যে ঢোকে এবং জৈব বিবর্ধন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্ষতিসাধন করে৷ আবার সুন্দরবনের প্রবেশপথ বলে পরিচিত বাসন্তী, গোসাবা, সোনাখালি, রামগঙ্গা, ক্যানিং, পাথরপ্রতিমা, কাকদ্বীপ, রায়দীঘি, নামখানা প্রভৃতি এলাকা থেকে নিকাশী নালার বর্জ্য পদার্থ মেশে নদীর জলে৷ ফলে নদীর জল দূষিত হয়৷ প্রকৃতি নদীর জলের এই দূষণ জৈবিক পদ্ধতিতে দূষণমুক্ত করার চেষ্টা চালায়৷ যেমন কম্বোজ পর্বের শামুক ঝিনুক গোষ্ঠী ধাতব বর্জ্যসহ অন্যান্য বর্জ্য পদার্থ গ্রহণ করে নদীজলের কলুষতা নাশ করে৷ ধাতব দূষক পদার্থ গ্রহণ করতে পারে এমন একটি লবণাম্বু উদ্ভিদের প্রজাতি রয়েছে যার নাম কেওড়া (Sonneratia sp.)৷ নানারকম পরীক্ষা করে কেওড়া গাছের বিভিন্ন অংশে ধাতুর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে৷

কেওড়া গাছের কাঠে শৌখিন আসবাবপত্রাদি তৈরি করা যায় বলে যেমন কেওড়া নিধন যজ্ঞ চলছে, তেমনই পোলট্রির খাবার আর চুন তৈরী করার জন্য ঝিনুক ও শামুক সংগৃহীত হয়ে চলেছে পর্যাপ্ত পরিমাণে এবং এতটাই যে মাতলা-ঠাকুরান নদীর বুকে এখন ঝিনুক শামুকের দেখা মেলা ভার৷ এভাবে মুষ্টিমেয় স্বল্প অর্থ বিনিয়োগে ও অধিক মুনাফার লোভে নদীগুলির বুক থেকে ঝিনুক শামুক হারিয়ে গেলে ক্ষতি হবে বাস্তুতন্ত্রেরই৷ সুন্দরবনের বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য বিঘ্নিত হবে৷

সারা বছর ধরেই মাতলা-ঠাকুরানের চর থেকে ঝিনুক শামুক সংগৃহীত হয়৷ সুন্দরবনেরই বেশ কিছু স্কুলছুট শিশু শ্রমিক এই কাজে নিযুক্ত৷ বিপদের আশঙ্কা থাকা সত্ত্বেও এই কাজে যুক্ত শিশুদের উপার্জন মাত্র কুইন্ট্যাল প্রতি ৮ টাকা করে৷ আর নৌকো করে নিয়ে এসে ক্যানিং-এ কারখানায় এই খোলক বিকোয় কুইন্ট্যাল প্রতি ১০০-১১০ টাকায়৷ প্রান্তিক চর, প্রণালী মধ্য চর, নদীতীরবর্তী স্থানে নানান প্রজাতির অসংখ্য ঝিনুক, শামুকের দেখা মেলে৷ নদীতীরে কিংবা কোন উঁচু জায়গায় ওগুলো কুড়োনোর পরে একসঙ্গে জড়ো করে ঢিবি করে রাখা হয়৷ ঝিনুক ও শামুক এর খোলের বাজারে চাহিদা অনেক বেশি, যদিও অন্যান্য অনেক প্রজাতির খোল সুন্দরবনে দেখা যায়৷ আবার ঝিনুকের মধ্যে Meretris sp. এবং Anadara sp. আর শামুকের মধ্যে Telescopium sp. এবং Cerithidea sp. প্রজাতিগুলির বাণিজ্যিক চাহিদা বেশি৷ সাধারণত ঝিনুকের খোল পোলট্রীর আর শামুকের খোল চুন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে৷

ক্যানিং শহরের অদূরে মাতলা নদীর তীরে প্রায় ৫০ বছর আগে শামুক ঝিনুকের খোল গুঁড়ো করার কারখানা গড়ে উঠেছিল৷ খোল গুঁড়ো করে পাঠানো হতো বিভিন্ন জেলায় মুরগী পোলট্রীর খাবার তৈরির জন্য৷ এখন সেই কারখানার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে দশ-এ৷ কারখানায় নিয়ে আসার আগেই ঝিনুক শামুকের বিভিন্ন প্রজাতি অনুসারে বাছাই করা হয়৷ যাঁতাকলে যেসব খোলক একেবারে পাউডার হয়ে যায়, তার বাণিজ্যিক মূল্য বেশী৷ শিশু শ্রমিকরা ঝিনুক শামুকের খোল রোদে শুকিয়ে পরে মুগুর দিয়ে গুঁড়ো করে৷ এর জন্য পারিশ্রমিক দিনে মাথাপিছু ৩০ টাকা৷ মুগুরে গুঁড়ো করা অর্ধচূর্ণ খোল মোটরচালিত যাঁতাকলে পাউডারে রূপান্তরিত করার জন্য চালনা করা যায়৷ যাঁতাকল থেকে পাওয়া চূর্ণ চালুনীর মধ্য দিয়ে পাউডার, পোলট্রী খাবার আর অসমাকৃতির গুঁড়ো চুন তৈরীর কাজে আসে৷ তার মধ্যে পাউডার কুইন্ট্যাল প্রতি ৩০০ টাকা আর চূর্ণ ১৩০ টাকা হারে বিক্রয় হয়৷ প্রতি সপ্তাহে ৮-১০ ম্যাটাডোর পাউডার গুঁড়ো রপ্তানী হয়৷ এক একটি ম্যাডাডোর ৫০ কিলোগ্রামের ৩০০ বস্তা গুঁড়ো পাউডার নিয়ে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, মেদিনীপুর, উত্তর ২৪ পরগনা প্রভৃতি জেলায় নিয়মিত যাতায়াত করে৷

যদিও কিছু মানুষ এভাবে জীবিকা অর্জনের উপায় খুঁজে নিয়েছে, তবু এত বেশী পরিমাণে ঝিনুক শামুক সংগৃহীত হয়েছে যে মাতলা-ঠাকুরানের চরে ছোট বড় মাঝারি খোল এর সন্ধান এখন পাওয়া যায় না৷ এর ফলে ক্যানিং এর খোল গুঁড়ো করার কারখানাগুলি চালু রাখার জন্য নামখানা, রায়দীঘি, পাথরপ্রতিমা, সাগরদ্বীপ এমনকি দীঘা, পুরীর থেকে শামুক ঝিনুক বর্তমানে আমদানি করতে হয়৷ শামুক ঝিনুক সুন্দরবনের কর্কর খাদ্যশৃঙ্খল নিয়ন্ত্রণ করে, সচল রাখে৷ নদীর তলদেশে বিয়োজিত জৈব খাদ্য খেয়ে বাস্ততন্ত্রের ভারসাম্য বজার রাখা ঝিনুক শামুকের এই অনুপস্থিতি বাস্তুতন্ত্রের স্বাভাবিকতা নষ্ট করতে পারে৷ অবিলম্বে এই কারখানাগুলি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিলে সরকারের তরফে সঠিক ও সদর্থক পদক্ষেপ হবে—যা এখন আশু প্রয়োজন৷

সকল অধ্যায়
১.
পরিবেশ শিক্ষার অঙ্গন—সুন্দরবন
২.
সুন্দরবন— একটি ভূ-প্রাকৃতিক সমীক্ষা
৩.
সুন্দরবন জীবমন্ডল
৪.
ম্যানগ্রোভস্ বায়োম—প্রেক্ষিত-সুন্দরবন
৫.
সুন্দরবনে লবণপ্রাণ
৬.
সুন্দরবনের পাহারাদার— রয়েল বেঙ্গল টাইগার
৭.
সাপ কান্ড সুন্দরবন
৮.
কুমীর বন্দনা
৯.
সুন্দরবনের ঝড়খালিতে পর্যটনকেন্দ্র কোনমতেই নয়
১০.
সুন্দরবনের মাছ কাঁকড়া চিংড়ি
১১.
ইলিশ
১২.
বাগদামীন
১৩.
মীন সংগ্রহকারীদের রোগভোগ
১৪.
গলদা মীন
১৫.
নোনা মাছ— জাতে ওঠেনি আজো
১৬.
প্রান্তিক মানুষ
১৭.
মৌয়াল/মউলে
১৮.
গুণিন
১৯.
বাওয়ালী/বাউলে
২০.
জেলে
২১.
চোরাশিকারী
২২.
বনদস্যু/জলদস্যু
২৩.
সুন্দরবনের গ্রামীণ ডাকাত
২৪.
মোলঙ্গী— নুন চাষীর আর এক নাম
২৫.
শহরে সোঁদরবনের পাঁচ কাহন
২৬.
জলাভূমি—সাম্প্রতিকী ও সংরক্ষণ
২৭.
হেতানিয়া দোয়ানিয়ায় বার্জ-জেটি
২৮.
জনগোষ্ঠী ও ভাষা
২৯.
লৌকিক দেবদেবী
৩০.
গ্রামনাম বৈচিত্র্যে সুন্দরবন

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%