পরিবেশ শিক্ষার অঙ্গন—সুন্দরবন

গৌতমকুমার দাস

দক্ষিণবঙ্গের দুই চব্বিশ পরগনার অংশ নিয়ে বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে বেড়ে ওঠা ঘন সবুজ লবণাম্বু উদ্ভিদের অরণ্যানি হল সুন্দরবন৷ বিশ্ব ঐতিহ্যের ক্ষেত্র হিসাবে ঘোষিত সুন্দরবন গতিশীল বাস্তুতন্ত্রের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ৷ এখানে আছে গঙ্গার মোহানায় জেগে ওঠা সবুজে মোড়া ১০২টি ছোট বড় দ্বীপ৷ ৫৪টি দ্বীপে রয়েছে মানুষের বসতি৷ নোনা জলের নদী প্রতিটি দ্বীপকে আলাদা করে ঘিরে রাখে৷ ভাটির টানে নোনা জল সরে গেলে দেখা যায় লাল কাঁকড়ার সারি৷ জোয়ার জল এসে আবার নদীগুলিকে কানায় কানায় ভরে তোলে৷ গাঙচিল বাসায় ফিরে আসে, বুনো খড়হাঁস দলে দলে ভেসে থাকে৷ সুন্দরবনে এ হল প্রতিদিনের স্বাভাবিক দৃশ্য৷ প্রতিনিয়ত পরিবর্তনের গতিময়তাই যেখানে শেষ কথা৷ তাই বাঘ কামট কুমীরের সহাবস্থান ভয়ংকর অথচ সুন্দর এই গতিশীল বাস্তুতন্ত্র দর্শনে কিছু মানুষ ফি-বছর পাড়ি দেয় সুন্দরবনে৷ সুন্দরবন উন্নয়ন দপ্তরের কল্যাণে সুন্দরবন অঞ্চলে পরিবহন ব্যবস্থার প্রভূত উন্নতি হয়েছে৷ কালের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সুন্দরবন সাজছে৷ পর্যটক সংখ্যাও বাড়ছে৷ এখন অনেক পাশ্চাত্য পর্যটকদেরও সমাগম ঘটে৷ জগদ্বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার, মোহানার কুমীর, হরিণ, বুনো শুয়োর, কুর্ম, কামট, গোসাপ, বানর, সাপ প্রভৃতি হল পরিবেশ-পর্যটনে দর্শনীয় বস্তু৷ লবণাম্বু উদ্ভিদের শ্বাসমূল, ঠেসমূল, অধিমূল, জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম প্রভৃতি নোনা পরিবেশে অভিযোজনের বৈশিষ্ট্য সমূহ নিয়ে সুন্দরবন বৈচিত্র্যে ভরা তার রূপদর্শনে৷

প্রকৃতি দেবীর অপূর্ব সৃষ্টি সুন্দরবন স্বাভাবিকভাবেই পরিবেশ শিক্ষার অঙ্গন৷ সুন্দরবনের পরিবেশে প্রকৃতি বিজ্ঞান ও রসায়ন, ভূ-বিজ্ঞান এবং জীব পরিমন্ডলের পাঠ নেওয়া যেতে পারে৷ সহজেই নদীর জলে স্রোতের গতিবেগ নির্ণয় ছাত্র-ছাত্রীদের শেখানো যায়৷ নদীতে দেখা যায় গাছের পাতা, ফল, ফুল ভেসে যাচ্ছে৷ কোনও একটি নির্দিষ্ট স্থান থেকে স্টপওয়াচের সাহায্যে ঐ দূরত্ব (S) অতিক্রম করতে কতটা সময় (T) লেগেছে তা’ পর্যবেক্ষণ করলে নদীর স্রোতের গতিবেগ (V) নির্ণয় করার পদ্ধতি সম্বন্ধে শিক্ষার্থীদের ধারণা জন্মাবে৷ জোয়ার এবং ভাটার সময় জলস্রোতের আলাদা করে গতিবেগ নির্ণয় করা যেতে পারে৷ হাতে নাতে গতিবেগ পরিমাপ শিখতে গিয়ে কয়েকটা শর্ত বাধা হয়ে দাঁড়ায় যেমন বিভিন্ন সময়ে বাতাসের গতিবেগ, ঘর্ষণ জনিত বল, স্রোতে মৃত্তিকা কণার অপসারণ ও পরিবহন ইত্যাদি৷ তবে স্রোতের গতিবেগ পরিমাপের দ্বারা প্রকৃতি বিজ্ঞানের সাধারণ পাঠ ছাত্র-ছাত্রীরা শিখে নিতে পারে৷

কোনও দ্বীপে সারিবদ্ধ লবণাম্বু উদ্ভিদের উচ্চতা বরাবর যে পর্যন্ত নোনাজল স্পর্শ করছে ভরা জোয়ারের সময় তার সর্ব্বোচ্চ উচ্চতা এবং ভাটির টানে সরে যাওয়া জল সর্বনিম্ন উচ্চতার বিয়োগ ফল জোয়ারের বিস্তার৷ ভরা জোয়ারে জলের সর্ব্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন বিস্তার নিরীক্ষণ করা যেতে পারে গরান, বাইন, গেঁওয়া গাছে পলির চিহ্ন কিংবা আটকে থাকা খড়কুটোর উপস্থিতির মাধ্যমে৷ এভাবে ভরা কোটালে এবং মরা কোটালে জোয়ারের জলের বিস্তার লক্ষ্য করা যেতে পারে৷ সুন্দরবনের নদীগুলিতে দিনে যথাক্রমে দুবার করে জোয়ার এবং ভাটা হয় এবং এই দুবার করে জোয়ার-ভাটার মধ্যে মোট সময় লাগে ২৪ ঘন্টা ৫০ মিনিট৷

নদীর নোনা জলে সূর্যালোকে প্রবেশ করার সর্ব্বোচ্চ গভীরতা নিউটনের সাচি ডিস্ক জলে ডুবিয়ে নির্ণয় করা যেতে পারে৷ যতদূর অবধি ঐ উত্তল আকারের সাচি ডিস্ক দেখা যাবে, সেই তল পর্যন্ত উদ্ভিদকণা বা ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন উপস্থিত থাকে৷ কারণ সূর্যালোকের অনুপস্থিতিতে উদ্ভিদকণা সালোকসংশ্লেষে অক্ষম৷

আমাদের সাধারণ ধারণা আছে যে নদীতে মধ্যরেখা বা মাঝপথ বরাবর সমুদ্র থেকে জোয়ারের জল আসে এবং একই পথ বরাবর তা ভাটির টানে অপসৃত হয়৷ সুন্দরবনের নদীগুলিতে এই ধারণা সম্পূর্ণ ভিন্ন৷ জোয়ারের জল সাগর থেকে আঁকাবাঁকা পথ ধরে এগোয় আবার ভাটির টানে একইরকম ভাবে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র গতিপথে জল সাগরের দিকে ফিরে যায়৷ এই আঁকাবাঁকা পথে প্রবাহ কেমন হবে তা’ নদীর বিভিন্ন স্থানের গভীরতা, দ্বীপের উপস্থিতি, ঘূর্ণী স্রোতের গতিবেগ, জলে মৃত্তিকার কণার পরিমিতি প্রভৃতির উপর নির্ভর করে৷ আবার এই আঁকাবাঁকা গতিপথ জোয়ারের শেষ এবং ভাটার শুরুর সন্ধিক্ষণ যে স্থানে মিলিত হয়, সেখানে স্রোতহীন অবস্থার সৃষ্টি হয় আর সমুদ্র এবং স্থলভাগ থেকে নদীর বয়ে নিয়ে আসা পলি থিতিয়ে পড়ে এই সমস্ত স্থানে ক্রমশ চর এবং পরে দ্বীপ সৃষ্টি হয়৷ পলির অবক্ষেপন ছাড়াও ভূমিক্ষয়ের দ্বারা দ্বীপ সৃষ্টি হতে পারে৷ ভূ-ক্ষয় হতে হতে একটি অতিক্ষুদ্র নালা একটি বড় নদীর রূপ নেয়, তখন মূল ভূখন্ড থেকে অপসৃত ভূখন্ড হয়ে যায় সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন একটি দ্বীপ, সৃজনে কিংবা সংজ্ঞায় যা প্রকৃত দ্বীপ নয়, এরকম অনেক দ্বীপের প্রমাণ মেলে সুন্দরবনে৷ শিক্ষার্থীরা প্রাকৃতিক উপায়ে দ্বীপ তৈরীর পদ্ধতিগুলি বিভিন্ন প্রমাণ সাপেক্ষে পর্যবেক্ষণ করে ভূ-বিজ্ঞানে সম্যক জ্ঞান অর্জন করতে পারে৷

সুন্দরবন এলাকার অধিকাংশ গরীব মানুষ লবণ সংগ্রহ করে থাকেন নোনা মাটির দ্রবণের প্রথমে পাতন এবং পরে ফুটিয়ে নিয়ে৷ মাটিতে লবণের আস্তরণ দেখা যায় কেবলমাত্র গ্রীষ্মের দিনে, নদীর চরে৷ মনে হতে পারে চরে কেউ যেন সাদা চাদর বিছিয়ে রেখেছে৷ ছাত্রছাত্রীদের বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি ব্যতিরেকে গ্রামবাংলায় পাতন এবং বাষ্পীভবন পদ্ধতি পর্যবেক্ষণ করতে পারবে এবং পরিবেশে পাতিত লবণ জলের দ্রাবক-জল বাষ্পীভূত হয়ে গেলে শুধুই দ্রাব অর্থাৎ ধবধবে সাদা খাদ্য লবণ (সোডিয়াম ক্লোরাইড, সোডিয়াম আয়োডাইড, ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইড) পাত্রের তলায় পড়ে থাকতে দেখে ছাত্ররা উৎফুল্ল হবে এবং হাতে নাতে একটি পরীক্ষা সম্পন্ন করতে পারবে৷ প্রস্তুত লবণে যথেষ্ট পরিমাণে আয়োডিন থাকার জন্য সুন্দরবন অঞ্চলে বসবাসকারী গরীব মানুষদের থাইরয়েড জনিত সমস্যা সচরাচর দেখা যায় না৷ নদীর জলের অম্লত্ব বা ক্ষারকীয়ত্ব নিরীক্ষার জন্য পি.এইচ পেপার যদি সরাসরি ডোবানো যায় তাহলে পি.এইচ পেপারের বর্ণ পরিবর্তনের মাধ্যমে লক্ষ্য করা যাবে ঐ স্থানে নদীর জল কোন পর্যায়ের অম্ল বা ক্ষার৷

গোলপাতা

জীব বৈচিত্র্যে সুন্দরবন অত্যন্ত সমৃদ্ধ৷ প্রথমেই আসে উদ্ভিদকুল৷ ম্যানগ্রোভস্ (লবনাম্বু উদ্ভিদ) জগদ্বিখ্যাত৷ বিভিন্ন প্রজাতির বাইন, গরান, পশুর, আমুর, গর্জন, ধুঁধুল, সুন্দরী সহ প্রায় ৬৪টি প্রজাতির ম্যানগ্রোভস্ এবং সহবাসী উদ্ভিদ রয়েছে যা শিক্ষার্থীদের চেনানো যেতে পারে৷ লবণাম্বু উদ্ভিদের অভিযোজনগত বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য শিক্ষার্থীর, পর্যবেক্ষণ করতে পারে এবং লবণাম্বু উদ্ভিদের শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন দশম শ্রেণিতে জীবন বিজ্ঞান বিষয়ের পাঠক্রমে রয়েছে৷ লবণাম্বু উদ্ভিদের শ্বাসমূল বাতাস থেকে সরাসরি অক্সিজেন নিতে পারে৷

অধিকাংশ ম্যানগ্রোভস্-এর পাতার উপরে মোমের একটি আস্তরণ রয়েছে যার ফলে জোয়ার জলে দিনে দু’বার করে ভিজলেও পাতাগুলি নষ্ট হয়ে যায় না৷ গর্জন গাছের ঠেসমূল আছে যা নরম পলি মাটির উপর গাছকে দাঁড়িয়ে থাকার যান্ত্রিক দৃঢ়তা দান করে৷ সুন্দরী গাছের অধিমূল অপূর্ব সুন্দর৷ যেহেতু প্রত্যহ জোয়ার জলে দু’বার স্নান করে বেশ কিছু ম্যানগ্রোভস্ প্রজাতি, তাই এদের বীজগুলি লম্বাটে ও অগ্রভাগ সূচালো হয় এবং গাছে থাকাকালীন বীজগুলির অঙ্কুরোদগম ঘটে৷ পরে অঙ্কুরিত বীজগুলি নরম মাটিতে পড়ে ঐ স্থানে নতুন পাতা বেরোয়৷ একে বলে জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম৷ এই অঙ্কুরোদগমের কারণে সুন্দরবনে এক একটি অঞ্চলে এক একটি প্রজাতির প্রাধান্য৷ বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষা দ্বীপগুলিতে বালিয়াড়ি দেখা যায়৷ এই বালিয়াড়িগুলিকে তৈরী করা এবং স্থায়িত্ব দেওয়া একটি লতানো গাছের দায়িত্ব৷ এরা ব্রততী, লতা, পাতা, ফুল কলমী শাকের মতো৷ নাম আইপোমিয়া পেসকার্পি৷ নির্ণীয়মান বালিয়াড়ির ওপরে দেখা যাবে আইপামিয়া৷ শিক্ষার্থীর কৌতূহল উদ্ভিদবিদ্যা ছাড়িয়ে ভূ-বিদ্যার দিকে যাবে৷

সুন্দরবনের বাস্তুতন্ত্রে প্রাণিরাজ্য বৈচিত্র্যময়৷ এখন অবধি ১৬৯২টি প্রাণি সনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে সুন্দরবনে৷ যেহেতু প্রাণিরা থেকে থেকে বিভিন্ন অঙ্গ সঞ্চালনে অভ্যস্ত বা স্থান পরিবর্তন করতে পারে, তাই শিক্ষার্থী এদের প্রতি বেশী মনোযোগ দেয়৷ যেমন— শীতের দিনে নদী পাড়ে সন্ধ্যার সময় একটি খাপলা জাল ফেলে দিলে দেখা যাবে জলের ঢেউয়ে চতুর্দিক আলোকমালার তরঙ্গের সাথে কাঁপছে৷ জল হাতে তুলে দেখলে কিছুই পাওয়া যাবে না৷ কিন্তু অনুবীক্ষণ যন্ত্রে পরীক্ষা করলে দেখা যাবে ঐ জলে অসংখ্য ন্যকটিলিউকা রয়েছে৷ এটা একটি এককোষী প্রাণি৷ খালি চোখে দেখা যায় না৷ নদী বাঁকে সাধারণত যেখানে নরম পলির প্রান্তিক চর তৈরী হয়, সেখানে এক দেড় ফুট মাটির তলায় ঠিক শশার মতো দেখতে একটি প্রাণি পাওয়া যায়, নাম ‘সমুদ্র শশা’৷ এটি কন্টকত্বক পর্বের প্রাণি৷ নদীপাড়ে তরল পলির উপরে যদি কাঁটার মতো কিছু অংশ বেরিয়ে থাকতে দেখা যায়, সাবধানে টেনে তুললে দেখা যাবে পুরানো দিনে ব্যবহৃত পালকের কলমের মতো৷ এর নাম ‘সাগর লেখনী’’৷ এটি নিডেরিয়া পর্বভুক্ত প্রাণি৷ নদীপাড়ে কিংবা কাদা বা পলির চরে সূর্যমুখী ফুলের মতো কর্ষিকা বিছিয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ‘সাগরকুসুম৷’ ফুল ভেবে হাত দিলে বর্শার ফলার মতো রাসায়নিক পদার্থ সমন্বিত নিমাটোসিস্ট ছিটিয়ে দেবে৷ হাত জ্বালা করবে৷ এরা নিডেরিয়া পর্বভুক্ত৷ লাল কাঁকড়ার একটি মজার উপাঙ্গ— দুরবীণ চক্ষু, যার সাহায্যে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে চতুর্দিকের দৃশ্য অবলোকন করে থাকে লাল কাঁকড়ার দল৷ এইরূপ অজস্র ঝিনুক, শামুক, মাছ, পলিকিটস, ওয়াস্টার, ব্রায়োফাইট, ফোরামিনিফেরা সহ অসংখ্য প্রাণি পর্যবেক্ষণ করতে পারে ছাত্রছাত্রীরা৷ সুন্দরবন প্রাণি সম্পদের অফুরন্ত ভান্ডার৷

সুন্দরবন জুড়ে ভূ-জৈব-রাসায়নিক চক্র সমন্বিত গতিশীল বাস্তুতন্ত্রে উৎপাদক উদ্ভিদ কণা (ফাইটোপ্ল্যাংটন) ও ম্যানগ্রোভস্ এবং প্রাথমিক, গৌণ ও প্রগৌণ খাদকের মধ্যে খাদ্য শৃঙ্খল অত্যন্ত নিয়মিত এবং সুস্পষ্ট অহরহ বিয়োজকের দ্বারা জৈব পদার্থ অজৈব পদার্থে পরিণত হচ্ছে এবং তার জন্য পুষ্টির উপাদানগুলির পুনরাবর্তন হেতু পুষ্টি প্রাচুর্যে ভরপুর সুন্দরবন প্রাকৃতিক উপায়ে মাছ উৎপাদনে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে৷ সুন্দরবনে কর্কর খাদ্যশৃঙ্খল সমন্বিত এই খাদ্যজাল থেকে ভূ-জৈব-রাসায়নিক চক্রসহ বিভিন্ন বিষয় পর্যবেক্ষণ করতে পারে ছাত্র-ছাত্রীরা৷ বহু বিষয় সমন্বিত সুন্দরবন বিভিন্নভাবে তার বৈচিত্র্যের পসরা নিয়ে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের কাছে৷ তাছাড়া প্রকৃতি—রানী সুন্দরবনের কতটুকুই বা জানা গেছে৷ ভারত সরকার কর্তৃক ঘোষিত ‘‘সুন্দরবন জীব পরিমন্ডল’’ ছাত্রছাত্রীদের কাছে আরো বেশী করে আকর্ষিত হলে এবং বিজ্ঞানের সমস্ত শাখার গবেষণার সকল দরজা খুলে গেলে সুন্দরবন অচিরেই বিশ্ব ঐতিহ্যের অন্যতম শিরোপা লাভ করবে, এমনটাই আশা৷

অধ্যায় ১ / ৩০
সকল অধ্যায়
১.
পরিবেশ শিক্ষার অঙ্গন—সুন্দরবন
২.
সুন্দরবন— একটি ভূ-প্রাকৃতিক সমীক্ষা
৩.
সুন্দরবন জীবমন্ডল
৪.
ম্যানগ্রোভস্ বায়োম—প্রেক্ষিত-সুন্দরবন
৫.
সুন্দরবনে লবণপ্রাণ
৬.
সুন্দরবনের পাহারাদার— রয়েল বেঙ্গল টাইগার
৭.
সাপ কান্ড সুন্দরবন
৮.
কুমীর বন্দনা
৯.
সুন্দরবনের ঝড়খালিতে পর্যটনকেন্দ্র কোনমতেই নয়
১০.
সুন্দরবনের মাছ কাঁকড়া চিংড়ি
১১.
ইলিশ
১২.
বাগদামীন
১৩.
মীন সংগ্রহকারীদের রোগভোগ
১৪.
গলদা মীন
১৫.
নোনা মাছ— জাতে ওঠেনি আজো
১৬.
প্রান্তিক মানুষ
১৭.
মৌয়াল/মউলে
১৮.
গুণিন
১৯.
বাওয়ালী/বাউলে
২০.
জেলে
২১.
চোরাশিকারী
২২.
বনদস্যু/জলদস্যু
২৩.
সুন্দরবনের গ্রামীণ ডাকাত
২৪.
মোলঙ্গী— নুন চাষীর আর এক নাম
২৫.
শহরে সোঁদরবনের পাঁচ কাহন
২৬.
জলাভূমি—সাম্প্রতিকী ও সংরক্ষণ
২৭.
হেতানিয়া দোয়ানিয়ায় বার্জ-জেটি
২৮.
জনগোষ্ঠী ও ভাষা
২৯.
লৌকিক দেবদেবী
৩০.
গ্রামনাম বৈচিত্র্যে সুন্দরবন

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%