দুর্জন কাক

রমেন্দ্রকুমার ভট্টাচার্য

উজ্জয়িনী যাবার পথে মাঠের মধ্যিখানে একটা বিরাট অশ্বত্থ গাছ আছে। এই গাছে একটা কাক আর একটা বক বাস করত। গ্রীষ্মের দুপুরে এক যোদ্ধা ধনুর্বাণ মাটিতে রেখে অশ্বত্থ গাছের ছায়ায় শুয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিল। ক্রমে সূর্য একটু সরে যাওয়ায় পাতার ফাঁক দিয়ে সূর্যের আলো আর তাপ সৈনিকের মুখে এসে পড়ছিল। তা দেখে দয়াপরবশ হয়ে, বক সূর্যের রশ্মিকে আড়াল করে পাখা মেলে একটা ডালে এসে বসল। ঘুমন্ত সৈনিকের এতে আরাম হল।

দুর্জন কাক অপরের সুখ সইতে পারে না। কেউ কারও উপকার করলেও কাকের সহ্য হয় না। সে হঠাৎ উড়ে এসে ঘুমন্ত সৈনিকের মাথায় মলত্যাগ করে দূরে পালিয়ে গেল। সৈনিক জেগে উঠল। কিন্তু সে কাককে দেখতে পায়নি। বককে দেখে ভাবল, বকই এই কুকাজ করেছে। সে তখনি এক বাণ দিয়ে বককে মেরে ফেলল।

দুর্জন কাকের সঙ্গে থাকাতেই সুজন বক মারা গেল। এজন্যই আমি অপরিচিত কারও সঙ্গে যেতে চাই না। এমনি আরও একটা গল্প আছে…

সকল অধ্যায়

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%