দ্বাত্রিংশ অধ্যায়

মার্ক অরেল স্টাইন

খোটান মরূদ্যানে শেষের দিনগুলো

খোটান ছাড়ার আগে আমি সবার কাছ থেকে ব্যক্তিগতভাবে বিদায় নিতে চাইছিলাম, তাই ২৭ এপ্রিল প্যান-ডারিনের সঙ্গে ইয়ামেনে দেখা করতে গেছিলাম। যিনি প্রকৃত অর্থেই আমার বন্ধু হয়ে উঠেছিলেন। অবসরের দিন ঘনিয়ে আসা পুরোনো ঘরানার মানুষটি পাশ্চাত্য প্রভাবে প্রভাবিত না হয়েও আমার বৈজ্ঞানিক অভিযানের গুরুত্ব বুঝতে পেরে সবরকম সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। প্রশাসক হিসেবে এই জ্ঞানী প্রাজ্ঞ বৃদ্ধ মানুষটি কখনও কঠোর হয়ে ওঠেননি; ওঁর শান্ত, ক্ষমা ও ধৈর্যশীল ব্যক্তিত্বের আমি অনুরাগী হয়ে উঠেছিলাম।

ইয়ামেন থেকে ফিরেছিলাম খোটান বাজারের মধ্যে দিয়ে। ‘পুরোনো শহর’-এর শনিবারের বাজারের দিন। গলিগুলো থিকথিক করছিল ক্রেতা আর বিক্রেতার ভিড়ে। ছেঁড়া ছাউনির মধ্যে দিয়ে পড়া রোদ, আলো-আঁধারিতে রকমারি পণ্যগুলোকে মোহময় করে তুলেছিল। খোটানিদের হাতে তৈরি পুরোনো ধাঁচের কিছু পোশাক আমি স্মারক হিসেবে কিনেছিলাম। যদিও অ্যানিলিন রঞ্জকের ব্যবহারে প্রাচ্যের নিজস্বতা অনেকটাই চাপা পড়ে গেছে।

খোটানের রাজধানী একটি ছোটো জায়গা। কেনাকাটা সেরে শেষ বসন্তে ঘুরে বেড়ানো মসজিদের পাশের রাস্তা দিয়ে ছবির মতো শহরটায় ইতস্তত টাট্টুঘোড়া ছুটিয়ে বেড়িয়েছিলাম। দীর্ঘদিন নির্জন মরুভূমিতে কাটানোর পর নীল আকাশ, সবুজে ছাওয়া পথঘাট আর এত মানুষের দেখা পেয়ে এক অদ্ভুত অনুভূতি হচ্ছিল।

বিদায় খোটান শহর

চারদিন আগেই রাম সিং অভিযানের সব মালপত্র-সহ রওনা দিয়েছিলেন ইয়ারখন্দের দিকে। যদিও ঝাড়া হাত-পায়ে পরদিন সকালে নার-বাগ থেকে নিঃশব্দে রওনা হব ভাবলেও তা হয়ে ওঠেনি। স্থানীয় পরিচিতরা প্রায় সবাই এসেছিল আমাকে বিদায় জানাতে। অধিকাংশই চাইছিল আমি চলে যাবার আগে তাদের ও তাদের পরিচিতদের জন্য ওষুধ দিয়ে যাই। বাকি ছিল বকশিস দেওয়ার পালাও। চিনা-তুর্কিস্তানে ইউরোপের হোটেলগুলোর মতোই সবাই তাদের পরিষেবার জন্য মজুরি ছাড়াও বকশিস আশা করে। আমার শিবির দেখভাল করা ইয়ামেনের পরিচারক, যারা নানা প্রাচীন জিনিস সংগ্রহে বা সেই সম্পর্কিত খবর পেতে সাহায্য করেছিল, সে-সমস্ত লোকজন, মালপত্র-সহ পরিবহণে সাহায্যকারী ইউজ-বাশিদের নগদে বকশিস দিতে অনেক সময় চলে গিয়েছিল। বখশিশ দেওয়াটা খুব খরচবহুল হলেও সবার হাসিমুখ আমাকে তৃপ্তি দিয়েছিল।

খোটানের প্রাচীন রাজধানী ইয়োটকান-সহ আরও কিছু জায়গা শেষবারের মতো না দেখে আমি খোটান ছাড়তে চাইছিলাম না। শেষ নভেম্বরে শীতের শুরুর সময় যে-পথ দিয়ে গেছিলাম, সেই একই পথ ধরে গিয়েও দুই ঋতুর পার্থক্যটা ধরতে পারছিলাম। নভেম্বরের সেই কুয়াশাচ্ছন্ন কনকনে ঠান্ডা নিঝুম পরিবেশ পুরোটাই বদলে গিয়ে প্রাণোচ্ছল হয়ে উঠেছে চারদিক। ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে প্রাকৃতিক নিসর্গ বদলে গিয়ে অপরূপ হয়ে উঠেছে চারদিক। টাট্টুঘোড়ার পিঠে চেপে কৃষি উর্বর তোশালা আর বোরাজান ক্যান্টনের ছোটো ছোটো জনপদগুলোর মধ্যে দিয়ে যেতে যেতে যেদিকেই তাকাচ্ছিলাম, দেখছিলাম চোখের আরাম-দেওয়া সবুজ শস্যক্ষেত্র আর ফলের বাগান। পথের ধারের গ্রাম ঘিরে ‘লুসার্ন’ খেত ভরে গেছে নতুন ওঠা ফসলে। রাস্তার ধারের সার সার পপলার, উইলো আর মালবেরি গাছগুলো ভরে উঠেছিল কচি পাতায়। ক’দিন আগেই অপ্রত্যাশিত বৃষ্টি হয়েছে এই অঞ্চলে। ফলে খেতের ফসল আর বাগানের গাছগুলোর পাতায় জমে ওঠা ধুলো ধুয়ে গিয়ে গাছগুলোকে আরও সবুজ করে তুলেছিল। পুরো মরূদ্যানটি যেন আমাকে শেষ বিদায় দিতে অপরূপ সাজে সেজে উঠেছিল।

হালালাবাদ পার হয়ে খোলা মাঠের সামনে পৌঁছতে সুবিশাল কুয়েনলুন পর্বতমালা দু-হাত ছড়িয়ে আমাদের চোখের সামনে দেখা দিয়েছিল। উলুঘাট দাওয়ান ও কৌরুক-কুজ যেখানে আমাদের ‘ট্রায়াঙ্গুলেশন স্টেশন’ বসিয়েছিলাম, সেটাও দেখা যাচ্ছিল। শুধু তাই নয়, কারাকাশ নদীর জলের উৎসের বরফ-ঢালগুলোও স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। নভেম্বরে যে রুক্ষ পাহাড় আমাদের নাজেহাল করেছিল, বিদায়কালে সেই কুয়েন-লুন পর্বতমালাই মরুভূমির প্রান্তে অপরূপ সাজে সেজে দাঁড়িয়ে। অদ্ভুত এই স্মৃতি ক্যামেরায় নয়, মনের মণিকোঠায় ধরে রাখার।

শেষ ইয়োটকান যাত্রা

ইয়োটকানে ইউজবাশির সুন্দর বাগানে তাঁবু খাটিয়ে লেগে পড়েছিলাম ঘুরে ঘুরে নদীখাতের বিভিন্ন স্তরের পলির নমুনা সংগ্রহে। এর আগে নদীখাত থেকে পেয়েছিলাম অনেক প্রাচীন মুদ্রা, সিলমোহর, টেরাকোটা সামগ্রী আর পেয়েছিলাম ছোটো একটি সোনার বানরের বসা মূর্তি।

ইয়োটকান থেকে ২৯ এপ্রিল সকালে রওনা দিয়েছিলাম খোটান মরূদ্যানের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তের কারা-কাশ অঞ্চলের দিকে। আগে এই জায়গাটি দেখা হয়নি। আরও একটি কারণ হল দারোগা ইব্রাহিম। অভিযানের সাফল্যে তার প্রশ্নাতীত ভূমিকার জন্য আমার সুপারিশে আম্বান ওকে ওর জন্মস্থান কারা-কাশের বেগের পদে উন্নীত করেছিলেন। ইব্রাহিম আমাকে তার বর্তমান কর্মক্ষেত্র ও জন্মভিটে দেখাতে চাইছিল। সে, আফগান আকসকল বদরুদ্দিন খান ও তুর্দি খোটানে আমার শেষ কয়েকদিনের সঙ্গী ছিল।

সুন্দর ঝকঝকে আবহাওয়া পথচলাকে মনোরম করে তুলেছিল। সকালেই পার হয়েছিলাম জাওয়া থেকে খোটান যাবার পথের ধারের বড়ো জনপদ বোরাজান। দিনটা ছিল সোমবার। স্থানীয় হাটের দিন। পথের দু-পাশ থিকথিক করছিল আশেপাশের অঞ্চলের গ্রামবাসী-সহ ব্যবসায়ীদের ভিড়ে। এই ব্যবসায়ীদের অধিকাংশ গতকালের কারা-কাশের সাপ্তাহিক বাজারে হাজির ছিল তাদের পণ্য নিয়ে। ভোর না হতেও তারা চলে এসেছে এই বাজারে। এখান থেকে চলে যাবে বিজিন। বদরুদ্দিন এইসব বাজারে নিয়মিত যায়। সে জানাল, এই বাজার খোটান মরূদ্যানের নানা জনপদে নির্দিষ্ট দিনে বসে, যাতে অঞ্চলবাসীর খাবার ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংগ্রহে কোনো অসুবিধা না হয়। জায়গাগুলো হল খোটান, ইউরুং-কাশ, সাম্পুলা, ইমাম মুসা কাসিম, বিজিন আর কারা-কাশ। এমন বৃত্তে বাজারের দিন নির্দিষ্ট হয়েছে যাতে ব্যবসায়ীরা ঘোড়াটানা গাড়িতে করে সহজেই এক বাজার থেকে আর এক বাজারে সহজেই পৌঁছতে পারে।

এই ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্থানীয় ছাড়াও অনেক ভিনদেশি ছিল। কাবুলি, বাজাউরি, বালুচিস্তানের পিশিন থেকে আসা পুরুষ, প্রচুর আন্দিজানি এবং অল্প কিছু কাশ্মীরি। বদরুদ্দিন এই ব্যবসায়ীদের অধিকাংশকেই চেনে। কাশ্মীরিদের সঙ্গে ওদের ভাষায় কথা বলতে গিয়ে টের পেয়েছিলাম, কয়েক পুরুষ ধরে ইয়ারখন্দে থাকার ফলে ওরা নিজের মাতৃভাষা ভুলে গেছে। ফলে আমার কথার কোনো উত্তর দিতে পারেনি। শুধু কাশ্মীরিরাই নয়, অধিকাংশ আফগানরাও ভুলে গেছে পার্সি ও পুশ্‌তু। স্থানীয় ভাষাতেই স্বচ্ছন্দ হয়ে উঠেছে তুর্কিস্তানে বেড়ে ওঠা বর্তমান প্রজন্ম।

কারা-কাশ শহর দর্শন

দুপুরের খানিক পরে কারা-কাশ নদী পার হয়ে পৌঁছেছিলাম কারা-কাশ শহরে। নদীর নামেই শহরের নাম। প্রাণবন্ত সুন্দর করে সাজানো শহরের মধ্যে ইব্রাহিম বেগের এক আত্মীয়ের বাগানবাড়িতে আমাকে নিয়ে তোলা হয়েছিল। কীভাবে আমাকে অভ্যর্থনা আর সেবা করবে ভেবে উঠতে পারছিল না গৃহকর্তা ও তার পরিবার। ওই বাগানে আমি গভীর রাত পর্যন্ত নৃতাত্ত্বিক উদ্দেশ্যে স্থানীয় ব্যক্তিদের চেহারার মাপজোক নিয়েছিলাম। ইব্রাহিম বেগের সহায়তায় নথিভুক্ত করেছিলাম স্থানীয় প্রশাসন, কর ইত্যাদি সম্পর্কে আকর্ষণীয় আরও কিছু বিষয়।

৩০ এপ্রিল ছিল খোটানে আমার ঘোরাঘুরির শেষ দিন। দিনটা কাটিয়েছিলাম ইব্রাহিম বেগের আনা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে মরূদ্যানের পশ্চিমে মরুভূমি ঘেঁষা ‘কারা-ডোব’ নামের এক ধ্বংসস্তূপে। কারা-ডোবে পৌঁছতে আমাদের গ্রামীণ খোটানের বাহরাম-সু অঞ্চলের একের পর উর্বর চাষজমি আর ফলের বাগানের ধার দিয়ে যেতে হয়েছিল। কায়েশ, মাকুয়া এবং কুয়া, কারা-কাশ নামের একের পর এক জলের ধারায় পুষ্ট এই অঞ্চল। দিনটি যথেষ্ট গরম হলেও কষ্ট হচ্ছিল না। দূর পাহাড়ের দৃশ্য ধোঁয়াশায় ঢেকে ছিল। টাট্টুঘোড়ার পিঠে চেপে প্রায় সাত মাইল ঝোপঝাড় ঢাকা বালুকাময় সমভূমি আর ছোটো টিলা পার হয়ে পৌঁছেছিলাম কারা-ডোবে।

প্রায় এক বর্গমাইল জায়গা জুড়ে ছড়িয়ে ভাঙা মাটির পাত্রের টুকরো। ধ্বংসস্তূপের ঠিক মাঝখানে একটা ভাঙা ইটের ঢিবি, নিঃসন্দেহে অতি প্রাচীন ও সম্ভবত কোনো স্তূপের ভিত্তি ছিল। বেশ কিছু শক্ত ভাঙা মূর্তির টুকরো মাটি থেকে বের হয়ে ছিল। হয়তো কোনো প্রাচীন মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ লুকিয়ে বালির তলায়। এখান থেকে মোটা বালির উঁচু টিলার মধ্যে দিয়ে প্রায় মাইল চারেক পথ পার হয়ে ইয়াওয়ার জলধারার পাশের উলুখাগড়ায় ভরা জলাভূমি পার হয়ে জাওয়া গ্রামের প্রান্তে তাঁবু খাটিয়েছিলাম। মনে হচ্ছিল যেন খোটানের অভিভাবক-ঈশ্বর বৌদ্ধ কিংবদন্তীর বৈশ্রবণ আমাকে মরুভূমি থেকে বিদায়ের আগে উপহার হিসেবে তাঁর আরও একটি বাসস্থানের দৃশ্য দর্শন করালেন।

খোটানের সঙ্গীদের কাছ থেকে বিদায়

মে মাসের প্রথম দিন খোটান ছেড়ে রওনা দিয়েছিলাম পশ্চিমের পথে। ইউরোপে ফেরত যাওয়ার আনন্দের পাশাপাশি মনখারাপ হয়ে গিয়েছিল এতদিনের এই আকর্ষণীয় অভিযানের বিশ্বস্ত সঙ্গীদের চিরবিদায় জানাতে। জানি আর কোনোদিন দেখা হবে না আমাদের।

জাওয়া থেকে বিদায় নিয়েছিল তুর্দি, যার মরুভূমির অভিজ্ঞতা আমার অভিযানে পদে পদে কাজে লেগেছে। আমি ওকে যে অর্থ দিয়েছিলাম তা সারাজীবন ধরে মরু থেকে ধন সংগ্রহ করে এনেও ও উপার্জন করতে পারেনি। তুর্দির ইচ্ছে অনুসারে প্যান-ডারিনের কাছে ওর জন্মস্থানের গ্রামে ওকে ‘মিরাব’ বা সেচের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে নিযুক্ত করার সুপারিশ করেছি। কারণ, ‘তাকলামাকানের আকসকল’ মরুভূমির জন্য অনেক বৃদ্ধ হয়ে গেছে। ছেড়ে আসার সময় বিনয়ী বৃদ্ধ মানুষটির কুঁচকে যাওয়া গালে দু-চোখ থেকে নেমে আসা জলের ধারার দৃশ্য সহজে ভোলার নয়।

বরঞ্চ আমার চিনা দোভাষী নিয়াজ আখুনকে বিদায় জানানো সহজ হয়েছিল। এর মধ্যে সে খোটানের এক সুন্দরী কন্যাকে বিয়ে করার সম্পর্কে নিজেকে জড়িয়ে ফেলে। আম্বান স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছিলেন যে সে একজন জুয়াড়ি, তাই ফের তাকে কোনো কাজ দেয়া হবে না। তাই সে না খেতে পেয়ে মরবে। এসব সতর্কবার্তা অগ্রাহ্য করেই সে তার বৌ বাচ্চাকে ত্যাগ করেছিল। কোনো মোল্লাকে কয়েক তাঙ্গা দিয়ে একটা ‘তালাকপত্র’ পাঠিয়ে দিয়েছিল। তুর্কিস্তানের বিবাহ-বিচ্ছেদের এহেন আজব ব্যবস্থা দেখে আমি তাজ্জব হয়ে গেছিলাম।

ইব্রাহিম বেগ আর বদরুদ্দিন খান আমাকে তারবুগাজ পর্যন্ত সঙ্গ দিয়েছিল। এখানে মরুর ধারের এক নির্জন লঙ্গরে আমার রাত কেটেছিল। দুজন বিদায় নিতে আমি একাকী ‘কবুতর মন্দির’-এর দিকে চলতে চলতে খোটান অভিযানের ফলাফলের কথা ভাবছিলাম। প্রায় মাস সাতেক আগে যখন এখানে এসেছিলাম তখন নিশ্চিত ছিলাম না বালির সমুদ্রে আমার অভীষ্ট লক্ষ্যের দেখা পাব কি না। এখন আমি নিশ্চিন্ত মনে ফিরে যাচ্ছি, যা আশা করেছিলাম তার থেকেও মরুভূমি আমাকে অনেক বেশি পুরস্কৃত করেছে। মনে পড়ে গেল হিউয়েন-সাঙ কথিত রীতির কথা। তিনি শুনেছিলেন, কবুতর মন্দিরের পাশের ঢিবির ইঁদুরেরাও একসময় পবিত্র কবুতরের মতোই সম্মান লাভ করত। ‘ঢিবি অতিক্রম করার সময় এদের পুজো করে প্রার্থনা করলে তা ফলে যায়… যারা এই ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানগুলি পালন করে, তাদের বেশিরভাগ ইচ্ছেই পূরণ হয়।’ আমি পবিত্র কবুতরদের পুজো বা প্রার্থনা কোনোটাই করিনি, কেবল আমার কাজটা করে গেছিলাম। সাফল্য এসেছিল। তবু মন্দিরে পৌঁছে প্রথমেই কবুতরদের দেবার জন্য এক বস্তা ভুট্টা কিনেছিলাম।

সকল অধ্যায়
১.
প্রথম অধ্যায়
২.
দ্বিতীয় অধ্যায়
৩.
তৃতীয় অধ্যায়
৪.
চতুর্থ অধ্যায়
৫.
পঞ্চম অধ্যায়
৬.
ষষ্ঠ অধ্যায়
৭.
সপ্তম অধ্যায়
৮.
অষ্টম অধ্যায়
৯.
নবম অধ্যায়
১০.
দশম অধ্যায়
১১.
একাদশ অধ্যায়
১২.
দ্বাদশ অধ্যায়
১৩.
ত্রয়োদশ অধ্যায়
১৪.
চতুর্দশ অধ্যায়
১৫.
পঞ্চদশ অধ্যায়
১৬.
ষোড়শ অধ্যায়
১৭.
সপ্তদশ অধ্যায়
১৮.
অষ্টাদশ অধ্যায়
১৯.
ঊনবিংশ অধ্যায়
২০.
বিংশ অধ্যায়
২১.
একবিংশ অধ্যায়
২২.
দ্বাবিংশ অধ্যায়
২৩.
ত্রয়োবিংশ অধ্যায়
২৪.
চতুর্বিংশ অধ্যায়
২৫.
পঞ্চবিংশ অধ্যায়
২৬.
ষড়বিংশ অধ্যায়
২৭.
সপ্তবিংশ অধ্যায়
২৮.
অষ্টবিংশ অধ্যায়
২৯.
ঊনত্রিংশ অধ্যায়
৩০.
ত্রিংশ অধ্যায়
৩১.
একত্রিংশ অধ্যায়
৩২.
দ্বাত্রিংশ অধ্যায়
৩৩.
ত্রয়োত্রিংশ অধ্যায়

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%