বিংশ অধ্যায়

সঞ্জয় ভট্টাচার্য

পথে যেতে যেতে টের পেলাম কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসছে সেইসঙ্গে ক্ষতগুলোতে অসহ্য জ্বালার অনুভূতি, রুদ্রপ্রসাদ পাশে বসে ছিলেন, আমার নুয়ে পরা মাথাটাকে নিজের কাঁধে আশ্রয় দিলেন, সাময়িকভাবে চেতনা হারিয়েছিলাম, তবে মাঝে মধ্যে অর্ধচেতন অবস্থায় যেন রুদ্রপ্রসাদকে দেখতে পাচ্ছিলাম। অবশেষে শরিরে ফের খানিকটা জোর ফিরত এলো, বিছানার ওপর উঠে বসে দিনের আলোয় জায়গাটা চিনতে পারলাম, কিছুদিন আগে এই ঘরেই রুদ্রপ্রসাদের সঙ্গে বসে কথা হয়েছিল। একটা কাঠের পালঙ্কে আমার জায়াগা হয়েছে, ঘরের মধ্যে সার্কেল করে এই দিনের বেলায়ও কয়েকটা হ্যারিকেন জ্বালানো রয়েছে, গুণে দেখলাম, সবশুদ্ধু আটটা, যেদিন প্রথমবার এই বাড়িতে পা রেখেছিলাম, সেদিনেও এমন কিছু চোখে পড়েছিল, তবে আজকের সংখ্যাটা বোধহয় আরও বেশি। জানালার পর্দাটা সরিয়ে রাস্তার দিকে চোখ রাখলাম, বালিগঞ্জের ব্যাস্ত রাস্তায় দুপুর বেলায় যানবাহনের মিছিল।একটু পরে রুদ্রপ্রসাদ ঘরে এলেন, আমাকে দেখে খুশি হয়ে বললেন —'এখন কেমন বোধ হচ্ছে জয়ন্ত'? মাথা নেড়ে জানালাম—'ভালো'। ভদ্রলোক এসে নাড়ি টিপে বললেন—'এখনো স্লো যাচ্ছে, তবে জ্বরটা যে ছেড়েছে সেটা ভালো লক্ষণ'।—'আমার হঠাৎ কি হল'?

—'ইঁদুরের কামড় থেকে ইনফেকশন! আর জ্বরটা বাই প্রোডাক্ট, গত দেড়দিন তুমি জ্বরের ঘোরে বেহুশ হয়ে ছিলে'। কৃতজ্ঞ হয়ে বললাম—'সেদিন ওই বিপদের সময় আপনারা আমাকে উদ্ধার না করলে! আর তার পরেও যেভাবে সেবা করলেন'। ভদ্রলোক আমাকে কথা শেষ করতে না দিয়েই বললেন —'উদ্ধার না করলে কি হত মনে হয় তোমার'? একটু অবাক হয়েই বললাম —'হয়তো ওই রাক্ষুসে ইঁদুরগুলো আমাকে চিবিয়েই খেয়ে ফেলত'। রুদ্রপ্রসাদ কথাটা উড়িয়ে দিয়ে বললেন—'না হে যতটা হয়েছে তার থেকে খুব বেশি কিছু হত বলে মনে হয় না, যে ঘোড়াটা গাড়ি টানে, গাড়োয়ান তাকে মাঝে মধ্যে চাবুক মারে বশে রাখার জন্য, কিন্তু প্রাণে কি মেরে ফেলে? তা হলে গাড়ি কে টানবে বল? কোনওরকমে বললাম—'আমার কিন্তু ব্যাপারটা এখনো বিশ্বাস হচ্ছে না'। রুদ্রপ্রসাদ যেন করুণার হাসি হাসলেন, বললেন—'দেবতাটির ক্ষমতার সামান্য পরিচয় তো পেলে, অবশ্য অবিশ্বাস করে যদি শান্তি পাও সে ভালো'। শিরদাঁড়া দিয়ে একটা শিহরণ বয়ে গেল, কাঁপা স্বরে বললাম—'এসব কি ঘটছে, বলুন তো'? রুদ্রপ্রসাদ বললেন—'আমার কথায় গুরুত্ব না দিয়ে যে ঠিক কাজ করোনি আশা করি এতক্ষণে বুঝতে পারছ। তখনি মনে হচ্ছিল, অঘটন কিছু একটা ঘটবেই! রাতের দিকে আর থাকতে না পেরে বেড়িয়েই পড়লাম, কিশোরী আর অরিন্দমকেও সঙ্গে নিলাম, অরিন্দমকে একটা অস্ত্র সঙ্গে রাখতে বলতে ও আর কিছু না পেয়ে গাড়ির স্প্যানারটাই তুলে নিল। তোমার ফ্ল্যাটে পৌঁছে সাড়া না পেয়ে একপ্রকার বাধ্য হয়ে দরজায় ঘা মারতে ছিটকিনিটা ভেঙে গিয়ে আমাদের ঢোকার রাস্তা করে দিল, ব্যাস'! কথার ফাঁকেই ঘরে পরিচারিকা প্রবেশ করল হাতে চিনেমাটির পাত্র নিয়ে। রুদ্রপ্রসাদ বললেন—'চিকেন স্টু-টা খেয়ে নাও গায়ে জোর পাবে'। লজ্জিত হয়ে বললাম—'এইভাবে আপনাদের উপর বোঝা হয়ে! আমার এবার বাড়ি যাওয়া উচিত'। রুদ্রপ্রসাদ আমার কাঁধে হাত রেখে বললেন—'শরীর ঠিক না হওয়া পর্যন্ত কোথাও যাওয়ার নাম করবে না। আর বেশি সংকোচ হলে নাহয় হোটেল ভেবে পরে পেমেন্ট করে দিও, এখন স্যুপটা খাও দেখি'। রুদ্রের চাপাচাপিতে বাধ্য হয়েই স্টুয়ে চুমুক দিলাম। খেতে খেতেই বললাম—'চিঠিটা পেয়েছি, পুড়িয়েও ফেলেছি, স্যরি সেদিন আপনাকে ফোন করে উঠতে পারিনি, বিশ্বাস হচ্ছিল না তপন এতোটা নিচেও নামতে পারে?'। এরপর চিঠির সারবস্তু যতটা মনে ছিল রুদ্রকে জানালাম, রুদ্রপ্রসাদ নিঃশব্দে সব শুনলেন, মাঝখানে কোনও কথা বললেন না। আমার বক্তব্য শেষ হতে দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন —'যাইহোক খাওয়া-দাওয়া সেড়ে বিশ্রাম নাও, আমাকে একটা দরকারি কাজে কাছাকাছির মধ্যে যেতে হবে, ফিরতে মনে হয় রাত হয়ে যাবে, তুমি কিন্তু এরমধ্যে বাড়ির বাইরে যাবে না, চিন্তার কিছু নেই, অরিন্দম, কিশোরী বা রুমা কেউ না কেউ রাউন্ড দ্য ক্লক তোমার ঘরের সামনে বসে থাকবে'।

শীতের বিকেলে দিনের আলো বড্ড তাড়াতাড়ি ফুরিয়ে যায়, সাড়ে পাঁচটার মধ্যেই সন্ধের অন্ধকার ঘনিয়ে এল। বিছানা থেকে নেমে প্রশস্ত ঘরটার মধ্যে পায়চারী করার মতলবে সবে দাঁড়িয়েছি অরিন্দম কফির ট্রে হাতে প্রবেশ করল, আমাকে দেখে উৎফুল্ল স্বরে বলল—'এই যে জয়ন্তদা, আগের থেকে বেটার তো'? আমি হেসে বললাম—'সবই তোমাদের জন্য, এ জীবনে তোমাদের উপকার শোধ করতে পারব না, তবে এবার বোধহয় আমার বাড়ি যাওয়া উচিত'। অরিন্দম কাপে কফি ঢালতে ঢালতে বলল—'মাথা খারাপ নাকি আপনার, জেঠু এলে ওসব কথা ভাববেন, আসুন আগে এগুলোর ব্যবস্থা করা যাক'। ধূমায়িত কফির কাপের সঙ্গে প্লেটভরতি গরম পাকোড়া এগিয়ে দিয়ে, আমাকে খাবার জন্য অনুপ্রাণিত করে নিজেও সোৎসাহে খেতে শুরু করল। একটা প্রশ্ন না করে পারলাম না—'এই যে দিনের আলোর মধ্যে সর্বক্ষণ লন্ঠনগুলো জ্বলছে কেন'? অরিন্দম মুচকি হেসে বলল—'ওটা জেঠুর খেয়াল বলতে পারেন, দু-আড়াই মাস হল ব্যাপারটা শুরু হয়েছে, যেদিন উনি বিদেশ থেকে বাড়ি ফিরত এলেন সেদিন থেকেই নিয়ম করলেন চব্বিশ ঘন্টাই এ বাড়ির প্রতিটা ঘরে প্রদীপ জ্বলবে, দমকা হাওয়ায় প্রদীপের শিখাগুলো মাঝে মধ্যেই নিভে যাচ্ছিল তখন প্রদীপ পালটে হ্যারিকেন এল। অরিন্দম এবার একটু রহস্য করে বলল—'একটা ইন্টারেস্টিং জিনিস দেখবেন? তা হলে অবশ্য ছাদে যেতে হবে'।

অরিন্দমের সঙ্গে ওদের বাড়ির ছাদে গিয়ে যা দেখলাম সে জিনিস প্রতিবছর দীপাবলির রাতে আমরা দেখে থাকি, এ বাড়ির ছাদের আলসের, কার্নিস সর্বত্র রাশি রাশি প্রদীপ জ্বলছে। অরিন্দম সেদিকে চেয়ে বলল—'জেঠুর উদ্ভট খেয়াল'। আমি হেসে বললাম—'এটাকে তা হলে অকাল দীপাবলি বলা যেতে পারে, কি বল'? অরিন্দম বলল —'আমার মাথায় তো কিছুই ঢুকছে না! শুধু এইটুকু বলতে পারি, জেঠু কখনো কোনও যুক্তিহীন কাজ করেন না, যেদিন রাত্রে আপনি এ বাড়িতে এলেন, সেই রাত্রি থেকেই জেঠুর কড়া নির্দেশে প্রদীপের সংখ্যা ডবল করে দেওয়া হয়েছে, বেচারি কিশোরীলাল! রাতে দু-বার উঠে প্রদীপে তেল ভরতে ভরতে ওর ঘুমের টোটাল ভোকাট্টা হয়ে গেছে, এখন সারাদিন শুধু হাই তোলে আর চোখ মটকায়'। প্রদীপের জ্বলন্ত শিখাগুলোর সামনে দাঁড়িয়ে আমি যেন হঠাৎ আলোর আভাষ পেলাম, মনে হচ্ছে রুদ্রপ্রসাদকে এবারে একটু বুঝতে শুরু করেছি, ধীরে ধীরে বললাম—'তোমার জ্যাঠার এই অদ্ভুত আচরণের উদ্দেশ্যটা বোধহয় আমি আন্দাজ করতে পারছি, তবে যতক্ষণ না, উনি নিজে থেকে জানাচ্ছেন আমার সংশয় দূর হওয়ার নয়'।

সে রাতে আর ভালো ঘুম হল না, একে তো নতুন জায়গা তারপর কেমন একটা অসোয়াস্তি বোধ যেন জাঁকিয়ে ধরল, সারারাত ধরে শুধু বিছানার উপর ছটফট করেই কাটালাম। সকালে দেবপ্রসাদ দেখা করতে এলেন, বললেন—'দাদা কাল রাতে ভুবনেশ্বরে গেছেন তবে মনে হয় বিকেলের আগেই ফিরবেন'।—'কিন্তু উনি তো বললেন, কাছাকাছির মধ্যে যাচ্ছেন'।—'হ্যাঁ বলছিলেন তো বর্ধমানের ওদিকটায় কোনও কাজে যাবেন তারপর হঠাৎ ফোন করে জানালেন এখুনি একবার ভুবনেশ্বরে না গেলেই নাকি নয়, তাই রাতে বাড়ি না ফিরে একেবারে ডাইরেক্ট এয়ারপোর্ট থেকেই চলে গেছেন। দাদা বিশেষ অনুরোধ করেছেন যতক্ষণ না উনি বাড়ি ফিরছেন আপনি এখানেই বিশ্রাম নেবেন'। দেবপ্রসাদ ঘড়ির দিকে চেয়ে বললেন—'আজকে আবার ও-টি রয়েছে, আমাকে বেরোতে হবে, অরিন্দম রইল তবে ও বোধহয় এখনও ঘুমোচ্ছে, কিছু দরকার লাগলে ওদের বলবেন'। দেবপ্রসাদ চলে গেলেন। একটু পরে রুমাদি এসে চা দিয়ে গেল। মহিলাটির হাই তোলা দেখে হাসি চাপলাম, মনে হচ্ছে কাল রাতে কিশোরীলালের বদলে প্রদীপের ডিউটি একে দিতে হয়েছে। আধঘন্টা পরে অরিন্দম এল, দাবার বোর্ড হাতে নিয়ে, বলল—'দাবা চলে জয়ন্তদা'? হেসে বললাম—'একটু-আধটু জানি ভাই, বেশি কিছু নয়'। অরিন্দম বলল—'তবে আগেই বলে রাখছি, আমাকে কিন্তু হারানো কঠিন, বাবা, জেঠু দুজনেই দাবা এক্সপার্ট কিন্তু আমার সঙ্গে পারে না'। অরিন্দম বোর্ডে ঘুটি সাজিয়ে বসল। পরের একঘণ্টায় তিনবার মাত খেয়ে রণে ভঙ্গ দিলাম, অরিন্দম জিতেছে, কৌতুকের স্বরে বলল—'কি হল মাথায় চাল আসছে না'।

—'কি করে আসবে বল, আমার বংশে তো আর তোমাদের মতো দাবার সমঝদার নেই'। অরিন্দম ঘুটি তুলতে তুলতে বলল—'কীসের সমঝদার আছে তাহলে'। মনে মনে ভাবছিলাম, বাবা বলতেন আমাদের প্রপিতামহ আর তাদের পিতৃপুরুষেরা নাকি অয়েল পেন্টিং-এর দারুণ বুঝদার ছিলেন, তবে যেটা বাবা বলেননি অন্য লোকের মুখে শুনেছি, আমার রসিক পূর্বপুরুষেরা নাকি কমবয়েসি বাইজি আর ঘোড়দৌড়ের মার্কামারা সমঝদার ছিলেন, তবে সেসব আর অরিন্দমকে বলে কাজ নেই। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে অরিন্দম এবার একটু ব্যস্ত হয়ে পরল, বলল—'এবারে তাহলে উঠি, কলেজ যেতে হবে, রুমাদি রইল, রাতে দেখা হবে'। এরপর অরিন্দমও বিদায় নিল।

বালিগঞ্জের এই অভিজাত পাড়াটা দিনের বেলাতেও বেশ নিঝুম নিস্তব্ধ, জানলা দিয়ে রাস্তার ট্র্যাফিক দেখছিলাম, এখন আর করার কিছু নেই, শুধু রুদ্রপ্রসাদের অপেক্ষা ছাড়া। ভদ্রলোক এলে অনুমতি নিয়ে বাড়ি ফিরে যাব। সাড়ে বারোটা বাজলে রুমাদি এসে খাবার দিয়ে গেলেন, সরু আতপ চালের ভাত, কই মাছের ঝোল আর আলু ভাঁজা। খেয়ে-দেয়ে আজকের খবরের কাগজটা নিয়ে বসলাম, কাগজের ছত্রে ছত্রে শুধু খুন জখম, রাহাজানির খবর ভরতি, মাঝের পাতায় একটা ইন্টারেস্টিং খবর ছেপেছে, হঠাৎ এই শহরে ইঁদুরের উৎপাত খুব বেড়ে গেছে, বাড়িতে বাড়িতে, দোকানে, হাসপাতাল, শপিং মল সর্বত্র ইঁদুরের অস্বাভাবিক এই বাড়বৃদ্ধির বহরে শহরবাসী ব্যতিব্যস্ত, শহরতলী থেকে হাজারের সংখ্যায় ইঁদুরের দল কলকাতা অভিমুখে ধেয়ে আসছে। কর্পোরেশন থেকে ইঁদুর নিয়ন্ত্রণ করার বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হলেও এখনো পর্যন্ত কাজের কাজ কিছুই হয়নি, এরপর প্রথম পাতায় দেখলাম সাদা জ্বরের বিষয়ে লিখছে, জ্বরের প্রকোপ নাকি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে, দলে দলে নতুন ইনফেকশনের খবর আসছে শহরের প্রতিটা কোণা এমনকী শহরতলী থেকেও। এখনও অবধি কোনও প্রাণহানি না ঘটলেও ডাক্তারদের ধারণা একবার শুরু হলে মৃত্যু ঠেকানোর মতো কোনও প্রতিষেধকই তাদের কাছে, অন্তত এইমুহুর্তে নেই। দুঃসংবাদে মনটা বিষণ্ণ হয়ে পড়ল। কতদিন হয়ে গেল, ভালো কোনও খবরই পাচ্ছি না, এমন কোনও খবর যাতে মনটা বেশ চাঙ্গা হয়ে উঠতে পারে। এদিকে চোখের পাতাটা বেশ ভারী লাগছিল, পরপর দুটো হাইও পড়ল, তা ছাড়া এখন আমার কিছু করারও নেই, অগত্যা নরম বিছানায় গা এলিয়ে দিলাম।

সকল অধ্যায়
১.
প্রথম অধ্যায়
২.
দ্বিতীয় অধ্যায়
৩.
তৃতীয় অধ্যায়
৪.
চতুর্থ অধ্যায়
৫.
পঞ্চম অধ্যায়
৬.
ষষ্ঠ অধ্যায়
৭.
সপ্তম অধ্যায়
৮.
অষ্টম অধ্যায়
৯.
নবম অধ্যায়
১০.
দশম অধ্যায়
১১.
একাদশ অধ্যায়
১২.
দ্বাদশ অধ্যায়
১৩.
ত্রয়োদশ অধ্যায়
১৪.
চতুর্দশ অধ্যায়
১৫.
পঞ্চদশ অধ্যায়
১৬.
ষোড়শ অধ্যায়
১৭.
সপ্তদশ অধ্যায়
১৮.
অষ্টাদশ অধ্যায়
১৯.
ঊনবিংশ অধ্যায়
২০.
বিংশ অধ্যায়
২১.
একবিংশ অধ্যায়
২২.
দ্বাবিংশ অধ্যায়
২৩.
ত্রয়োবিংশ অধ্যায়
২৪.
চতুর্বিংশ অধ্যায়
২৫.
পঞ্চবিংশ অধ্যায়
২৬.
ষড়বিংশ অধ্যায়
২৭.
সপ্তবিংশ অধ্যায়
২৮.
অষ্টাবিংশ অধ্যায়
২৯.
ঊনত্রিংশ অধ্যায়
৩০.
ত্রিংশ অধ্যায়
৩১.
একত্রিংশ অধ্যায়
৩২.
দ্বাত্রিংশ অধ্যায়

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%