প্রথম অধ্যায়

সঞ্জয় ভট্টাচার্য

নভেম্বর ০৯, ২০১৩

অফিস থেকে দিন তিনেকের ছুটি নিয়ে বর্ধমান যেতে হয়েছিল, তবে সেটা নিছক দেশের বাড়ি থেকে ঘুরে আসার জন্য নয়, দীর্ঘদিন ধরে চলা শরিকি মামলায় আদালতে হাজিরা দেওয়ার উদ্দেশ্যে।

বাড়ি এসে শুনলাম তপন এরমধ্যে বারকয়েক ঘুরে গেছে। গতকাল এসে আমার দেখা না পেয়ে দরজা থেকেই ফিরে গেছিল আর আজকে তো রীতিমতো ঘণ্টাখানেক অপেক্ষা করার পর জগন্নাথকে নিজের নম্বর দিয়ে গেছে, বিষয়টা নাকি জরুরি। শুনে বেশ অবাক হলাম, কারণ দীর্ঘদিন ওর সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই। শেষ দেখা হয়েছিল দু-বছর আগে ওদের পাড়ার দুর্গাপুজোয়, তারপর ও যেন কোথায় উধাও হয়ে গেছিল। তবে এসব অবশ্য নতুন ব্যাপার কিছু নয়, সেই কলেজের আমল থেকেই দেখছি ওর স্বভাবটাই এমন ভবঘুরে গোছের, হুট করে কখন যে কোথায় চলে যেত তারপর ঠিক তেমনই একদিন হাসতে হাসতে এসে হাজির হয়ে বলত 'জানিস ছোট পিসির বাড়ি যাচ্ছিলাম মাঝখানে কালিপাহারি বলে একটা স্টেশন দেখে কেমন যেন মনে হল, নেমে পরলাম, জায়গাটা যে কি সুন্দর চোখে না দেখলে বুঝবি না, থেকেই গেলাম কয়েকটা দিন' এই হচ্ছে তপন! ও যে কখন, কোথায় নোঙর ফেলে স্বয়ং ঈশ্বরও বোধহয় তার খোঁজ রাখেন না। যাইহোক জগন্নাথের থেকে নম্বর নিয়ে ফোন লাগালাম। এখানে জানিয়ে রাখি আমি পকেটে মোবাইল নিয়ে ঘুরি না তাই যখন- তখন ফস করে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায় না। এ নিয়ে অফিসেও বিস্তর অভিযোগ শুনতে হয়েছে কিন্তু আমার আবার একা থাকার বাতিকটা এত প্রবল যে ওসব গায়ে মাখলে চলে না।

ফোনের ওপার থেকে তপনের স্বর ভেসে এল এখুনি একবার দেখা করতে চায়। সন্ধে নাগাদ যাব জানিয়ে ফোন রেখে দিলাম। রাস্তার ধকলে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম তাই আর দেরি না করে গরম জলে স্নান সেরে বিছানায় গা এলিয়ে দিলাম।

দমদম ক্যান্টনমেন্টের গোরাবাজার এলাকার তস্য গলিতে তপনের পৈতৃক বাড়ি। পাতাল রেলের দৌলতে ভবানীপুর থেকে এসে হাজির হতে অবশ্য খুব বেশি ঝঞ্ঝাট পোহাতে হয় না। এ বাড়িতে আগেও বারকয়েক এসেছি তবে বাড়িটাকে কখনো এতটা হতশ্রী বলে মনে হয় নি আজ যা হল। গোটা বাড়িটাই অন্ধকারে ডুবে ছিল। পলেস্তরা খসা দেওয়ালের জায়গায় জায়গায় ফাটল থেকে বট-অশ্বত্থের ঝুড়ি বেড়িয়ে বাড়িটাকে যেন শক্ত মুঠোয় পেঁচিয়ে ধরেছে। উপরে তাকিয়ে দেখলাম কাঠের রংচটা জানলাগুলো সব পেরেক ঠুকে বাইরে থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মনে মনে দীর্ঘশ্বাস ফেললাম, বাড়ির যখন এমন বদহাল অবস্থা না জানি মালিকের দশা কেমন হয়েছে?

কলিং বেলে চাপ দিয়ে বুঝলাম ওটা কাজে ইস্তফা দিয়েছে। বাধ্য হয়ে পাল্লায় ঝোলানো লোহার কড়া ধরে কয়েকবার ঝাকুনি দিলাম। সামান্য পরে ভিতর থেকে তপনের কণ্ঠস্বর ভেসে এল—'কে জয়ন্ত নাকি'?

-'হ্যা'।

-'আসছি একমিনিট'। একটা চটি পরা পায়ের আওয়াজ ক্রমশ ভিতর থেকে এগিয়ে আসতে শুরু করল তারপর বিশ্রী শব্দ তুলে কাঠের ভারী দরজা খুলে গেল। হ্যারিকেন হাতে বেঁটেখাটো চেহারার একজন অচেনা লোক সামনে দাঁড়িয়ে। লোকটা ভিতরে আসার ইঙ্গিত করল। ভিতরে চেয়ে দেখলাম গায়ে আপাদমস্তক শাল জড়িয়ে তপন ঘরের মাঝামাঝি দাড়িয়ে রয়েছে, আমাকে দেখে আপ্যায়নের হাসি হেসে বলল—'জয়ন্ত তুই আমার ডাকে সাড়া দিয়ে আজ এখানে এসেছিস, এবারে স্বেচ্ছায় এই বাড়িতে প্রবেশ কর'। তপনের কথাগুলো কেমন যেন উদ্ভট লাগল, তাহলেও কথা না বাড়িয়ে ভিতরে ঢুকলাম, চৌকাঠ ডিঙিয়ে ভিতরে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে সঙ্গে অদ্ভুত একটা অস্বস্তি যেন জাঁকিয়ে ধরল। বাড়ির ভিতরের অবস্থাও বাইরের থেকে বিশেষ সুবিধের নয়। জায়গায় জায়গায় ছড়িয়ে থাকা মাকড়শার জাল এড়িয়ে একপাও এগোনো সম্ভব নয়। গুমোট দমবন্ধ করা পরিবেশ, মনে হচ্ছিল হঠাৎ যেন কোন গুহায় প্রবেশ করলাম। তপনের হাতে একটা জ্বলন্ত টর্চ আছে সেটার আলো সিঁড়ির দিকে ফেলে বলল—'চল উপরে গিয়ে বসা যাক'।

-'লোডশেডিং নাকি'?

-'ইলেকট্রিক সাপ্লাই থেকে লাইন কেটে দিয়ে গেছে'।

-'দারুণ! জানলাগুলো ওইভাবে পেরেক দিয়ে আঁটা কেন'? তপন কৈফিয়ত দিল—'দু-বছর মতো বাড়িটা খালিই পরেছিল, আর জানিস তো চোর আর চামচিকের প্রথম টার্গেটই হচ্ছে, ফাঁকা বাড়ি খুঁজে নিজের মতো করে গুছিয়ে নেওয়া, তবে শীতকাল তো তাই খুব অসুবিধে হচ্ছে না, আর তা ছাড়া দিন দুয়েকের মধ্যে ফের বেড়িয়ে পড়ব, তাই ভাবছি যেমন আছে থাকুক'। তপনের পিছু পিছু দোতলায় ওর শোবার ঘরে গিয়ে হাজির হলাম। ঘরটায় টিমটিম করে হ্যারিকেন জ্বলছিল। তপন চেয়ার দেখিয়ে বলল—'তুই বস আমি বৃন্দাবনকে বলি চায়ের ব্যবস্থা করুক'। তপন চলে গেল চায়ের ব্যবস্থা করতে আর আমি আবছা আলো আধারিতে একাই বসে রইলাম। অবকাশ পাওয়া মাত্র একটা বিরক্তির ভাব মনের ভিতরে দানা বাঁধতে শুরু করল। এ বাড়িতে আমি অবশ্য আগেও এসেছি, তখন বাড়িটা বাসিন্দাদের উপস্থিতিতে প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর ছিল! সে তুলনায় আজকের এই ভুতুড়ে পরিবেশটা কেমন যেন অসহ্য লাগছে। তপন চা নিয়ে এল, বোধহয় আগে থেকেই তৈরি করা ছিল তাই বেশি সময় লাগেনি। চায়ে চুমুক দিয়ে বললাম—'এই বৃন্দাবনটা আবার কোত্থেকে জুটল'?

-'গত দু-বছর ধরে ও আমার সঙ্গেই আছে', এবারে তপন পালটা প্রশ্ন করল—'বর্ধমানে গেছিলিস মানে তোদের ওই রাজবাড়ির ব্যাপারটা'? —'হ্যা'।

আমাদের গ্রামের পৈতৃক বাড়িটাকে কেউ রাজবাড়ি বললে কেমন যেন লজ্জা করে, যদিও এটা রুঢ় সত্য আজকের ওই ভাঙাচোরা বাড়িটা একদিন নৃপতিপুরের দোর্দণ্ডপ্রতাপ রাজাদের বাসস্থান ছিল। যুগ পালটে গেছে, রাজা আর রাজত্ব সবই কালের গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে, পরে আছে শুধু ইট-সুরকি খসা জরাজীর্ণ একটা অট্টালিকা যাকে এখনো এলাকার লোকেরা রাজবাড়ি বলেই জানে। আর আছি আমরা কোন্দলরত কয়েকজন শরিক যারা ওই রাজাদের বংশধর। আমাদের বর্তমান অবস্থা আর সেকালের রাজাদের জাঁকজমকের মধ্যে এতই আকাশপাতাল তফাত যে ওসব কথা মুখে আনতেও সংকোচ হয়, ভয় হয় শুনে এই বুঝি কেউ বিদ্রুপ করে বসে। তপনের কথায় চিন্তার জাল কেটে গেল—'বিয়ে করেছিস'?

-'নাঃ' তপনকে এবার যেন খানিকটা নিশ্চিন্ত দেখাল—'বেশ করেছিস এরকম ঝাড়া হাত-পা বাচাই ভালো'।

-'সেসব ঠিক আছে, কিন্তু তুই এই দু-বছর কোথায় ছিলি'? তপন সামান্য হেসে বলল—'সব বলছি, আগে বল রাতে মাটন কারি দিয়ে রুটি চলবে তো'? 'বৃন্দাবন রান্না চাপাচ্ছে'। মাথা নেড়ে জানালাম দিব্যি চলবে। তপন একটু ভেবে বলল—'কাল তো রবিবার, অফিস যাওয়ার তাড়া যখন নেই রাতটা এখানেই থেকে যা'। চারপাশের গুমোট পরিবেশ দেখে মাথা নাড়লাম।—'সরি ভাই, যা করে রেখেছিস, এখানে ঘুম আসবে না তার থেকে আমার ওই এক কামরার ফ্ল্যাটই ভালো'।

তপন ম্লান মুখে বলল—'যা ভালো বুঝিস'।

-'এবারে বল দেখি এতদিন কোথায় ডুব দিয়েছিলিস'?

-'ভগীরথপুরে'।

-'সেটা আবার কোথায়'?

-'উড়িষ্যায়, ঢেঙ্কানলের কাছাকাছি জঙ্গল ঘেরা একটা গ্রাম'।

-'হঠাৎ'!

তপন দীর্ঘশ্বাস ফেলল—'হঠাৎ বলে কিছু নেই রে ভাই, সবই ভাগ্য! এমনকী তোর আজকে আমার এখানে আসা অবধি'। তপনের কথার ভঙ্গিটা বড় অদ্ভুত লাগল, কেমন যেন রহস্যময় একটা ইঙ্গিত বহন করছিল, তা ছাড়া আবছা অন্ধকারের মধ্যে ঘরের বদ্ধ পরিবেশটাও অসহ্য লাগছিল, বললাম—'তপন অন্তত একটা জানলা খোলার ব্যবস্থা কর'।

—'ঘরে ঠাণ্ডা হাওয়া ঢুকবে যে, আমার আবার কয়েকদিন হল শরীরটা একদম ভালো যাচ্ছে না'।

—'এই নভেম্বর মাসে এত ঠাণ্ডা পাচ্ছিস কোথা থেকে! কলকাতাটা কি দার্জিলিং হয়ে গেল নাকি'?

তপন যেন বিষম চিন্তায় পরে গেল, সামান্য পরে বলল—'ওই কোণের জানলাটা ভিতর থেকে ছিটকিনি আঁটা, ওটা খুলে দিচ্ছি', তপন ঠেলে জানলার পাল্লা দুটো খুলেদিল আর তখুনি একঝলক তাজা হাওয়া ঢুকে একটা শীতল আমেজ ধরিয়ে দিল অবশ্য সেইসঙ্গে রাস্তার ল্যাম্প-পোস্টের আলোয় ঘরের অন্ধকারও খানিক দূর হল, এবারে খানিকটা হালকা বোধ করলাম। তপন তক্তপোষের উপর বাবু হয়ে বসে সিগারেটের প্যাকেটটা আমার দিকে এগিয়ে দিল। হাত নেড়ে বললাম—'সরি ভাই ওসব আমার চলে না', তপন খানিক অবাক হয়ে বলল—'কেন আগে তো চলত'? বললাম—'হ্যা কিন্তু আজকাল ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি'। তপন আর কথা না বাড়িয়ে নিজের সিগারেটে অগ্নিসংযোগ করল, তারপর আয়েশ করে ধোয়ার রিং ছেড়ে বলল—'একটা বিশেষ দরকারে তোকে ডেকে আনলাম, তবে সেটা বলার আগে আমার এতদিনের কার্যকলাপ সম্বন্ধে একটু জানানো দরকার, গোড়া থেকে খুলে না বললে তুই বিষয়টা ভালো করে বুঝতে পারবি না'। তপন একমুহূর্ত চুপ করে যেন মনের মধ্যে গুছিয়ে নিল তারপর ধীরে ধীরে বলতে শুরু করল।

'দু-বছর আগের ঘটনা। কিডনির অসুখে ভুগে মা সবে মারা গেছেন, তুই তো জানিস এর ঠিক ছ-মাস আগেই পথ-দুর্ঘটনায় বাবারও মৃত্যু ঘটেছে, হঠাৎ আমি একদম একা হয়ে পড়লাম। শোকে-দুঃখে একেবারে ভেঙেই পরেছিলাম, এই বাড়িতে কত আনন্দের মুহূর্ত কাটিয়েছি, কিন্তু এবারে বাড়ির পালটে যাওয়া পরিবেশটা অসহ্য লাগতে শুরু করল, কিছুই ভালো লাগছিল না, সারাদিন কাজের মধ্যেই ডুবে থাকতাম, আর হাতে কাজ না থাকলে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াতাম। কাজ অবশ্য ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক হিসেবেই করছি কেননা পাকাপোক্ত চাকরি তখনও জুটিয়ে উঠতে পারিনি। সেদিন 'দৈনিক জাগরণের' হয়ে গেছিলাম একটা রাজনৈতিক দলের মিটিং কভার করতে, সঙ্গে ফটোগ্রাফার অনিল। কলেজ স্কোয়ারে মিটিং চলছে, মামুলি সব ব্যাপার, ভিতরের পাতায় হয়তো কয়েক কলাম জুড়ে বিবরণ থাকবে তার বেশি কিছু নয় হঠাৎ পরিচিত স্বর শুনে পিছন ফিরে চাইলাম, দেখলাম ভিড়ের মধ্যে যোগেন দাঁড়িয়ে আছে, আমার দিকে হাসিমুখে চেয়ে বলল—'তপনদা আপনার কাজ মিটলে পর কফি হাউসে একবার দেখা করতে পারবেন? জরুরি দরকার আছে তবে একা আসবেন অন্য কারও সামনে বলা যাবে না'। যোগেন কাজের ছেলে আগেও অনেকবার ওর কাছ থেকে গুরুত্ত্বপূর্ণ খোঁজখবর পেয়েছি, জানিয়ে দিলাম আমি অবশ্যই আসব। মিটিং শেষ হতে অনিলকে অফিসের দিকে রওনা করে আমি যোগেনের সন্ধানে বেড়িয়ে পরলাম। ও কফি হাউসের একটা কর্নার টেবিলে বসে চা খাচ্ছিল আমাকে দেখে উঠে পড়ল, বলল—'বাইরে চলুন দাদা এখানে বলা যাবে না, রাস্তায় যেতে যেতে বলব'। বইপাড়ার রাস্তায় তখন প্রতিদিনের মতো অসংখ্য মানুষের ঢল তার মধ্যে হাটতে হাটতে যোগেন ফিসফিস করে বলল—'নকশাল নেতা সমীরণের ইন্টারভিউ করবেন'? চোখ কপালে উঠল, বলে কি! চারটে রাজ্যের পুলিশ যাকে হন্যে হয়ে খুঁজছে, ইতিমধ্যে যার নামে প্রায় শ-খানেক খুনের মামলা ঝুলছে সেই সমীরণের ইন্টারভিউ আমি করব! বিস্ময়ের ধাক্কা সামলে বললাম—'কিন্তু সমীরণ তো আজ পর্যন্ত কাউকে সাক্ষাৎকার দেয়নি তা ছাড়া বড় বড় কাগজ ছেড়ে আমাদেরকেই বা দেবে কেন'? যোগেনের ঠোঁটের কোণে চিলতে হাসি খেলে গেল, বলল—'সমীরণ ইন্টারভিউ দেবে নিজের প্রয়োজনে, সে চাইছে জনগণের কাছে তার বক্তব্য পৌঁছোক, আর ছোট কাগজ! এটা সমীরণ চাইছে কারণ তার মধ্যে সবসময় একটা অ্যান্টি এসট্যাবলিসমেন্ট ফিলিংস কাজ করে। অবশ্য আপনি না চাইলে অন্য কাউকে বলা যেতেই পারে'। আমি তাড়াতাড়ি বললাম—'কাউকে কিছু বলতে হবে না, তুমি শুধু বল কবে, কোথায় যেতে হবে'? যোগেন একটু ভেবে বলল—'কাল বিকেল চারটেয় এখানেই দেখা করবেন, বাকি কথা তখন হবে'।

অধ্যায় ১ / ৩২
সকল অধ্যায়
১.
প্রথম অধ্যায়
২.
দ্বিতীয় অধ্যায়
৩.
তৃতীয় অধ্যায়
৪.
চতুর্থ অধ্যায়
৫.
পঞ্চম অধ্যায়
৬.
ষষ্ঠ অধ্যায়
৭.
সপ্তম অধ্যায়
৮.
অষ্টম অধ্যায়
৯.
নবম অধ্যায়
১০.
দশম অধ্যায়
১১.
একাদশ অধ্যায়
১২.
দ্বাদশ অধ্যায়
১৩.
ত্রয়োদশ অধ্যায়
১৪.
চতুর্দশ অধ্যায়
১৫.
পঞ্চদশ অধ্যায়
১৬.
ষোড়শ অধ্যায়
১৭.
সপ্তদশ অধ্যায়
১৮.
অষ্টাদশ অধ্যায়
১৯.
ঊনবিংশ অধ্যায়
২০.
বিংশ অধ্যায়
২১.
একবিংশ অধ্যায়
২২.
দ্বাবিংশ অধ্যায়
২৩.
ত্রয়োবিংশ অধ্যায়
২৪.
চতুর্বিংশ অধ্যায়
২৫.
পঞ্চবিংশ অধ্যায়
২৬.
ষড়বিংশ অধ্যায়
২৭.
সপ্তবিংশ অধ্যায়
২৮.
অষ্টাবিংশ অধ্যায়
২৯.
ঊনত্রিংশ অধ্যায়
৩০.
ত্রিংশ অধ্যায়
৩১.
একত্রিংশ অধ্যায়
৩২.
দ্বাত্রিংশ অধ্যায়

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%