পঞ্চম অধ্যায়

সঞ্জয় ভট্টাচার্য

তপন টেবিলের উপর রাখা সিগারেটের প্যাকেটটা আমার দিকে এগিয়ে ধরল, বললাম—'তোকে তো বলেইছি আমি এসব ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি'। তপন সামান্য হেসে বলল—'তা চেষ্টাটা একদিনের জন্য স্থগিত রাখলে হয় না, একা একা সিগ্রেট খেতে আবার একদম ভালো লাগে না, আমার জন্য না হয় একটা'! কি আর করি? শুনেছি লোকে নাকি অনুরোধে ঢেঁকি গেলে আমি না হয় ধোঁয়া গিললাম, অগত্যা একটা তুলেই নিলাম, তপন লাইটার জ্বেলে মুখের সামনে তুলে ধরল, অনেকদিন পরে একরাশ ধোঁয়া ছেড়ে বললাম—'কিন্তু পঁয়ষট্টি বছরের বুড়োর, বাইশের তরুণী জুটল কি করে'? তপন মুচকি হেসে বলল—'টাকার জোরে কি না হয়! পরে শুনেছিলাম ওটা মোড়লের তৃতীয় পক্ষ, আগের দুটো বউও কিন্তু বহাল তবিয়তে বেঁচে আছে, এই মেয়েটির বাবা সম্ভবত মোড়লের কাছে কিছু টাকা ধার করেছিল, বাকিটা বুঝে নিতে হবে'। —'হুম'! কিন্তু এদিকে রাত যে প্রায় সাড়ে ন-টা। এবার আমার যাওয়া উচিত, বেশি দেরি হলে বাস, মেট্রো কিছুই আর পাব না, তবে তোর গল্পটা নেহাত মন্দ লাগছে না, আর কতটা বাকি আছে'? তপন আমন্ত্রণের সুরে বলল—'তার থেকে, থেকেই যা না ভাই, একটা রাতের তো ব্যাপার, তোর জন্য কাচা পায়জামা-পাঞ্জাবি রাখা আছে, তেমন অসুবিধে কিছু হবে না। আর সামান্য অসুবিধে হলেই বা কি'! ভেবে দেখলাম রাতটা থেকে যাওয়াই যুক্তিসঙ্গত। তপন খুশি হয়ে বলল—'তাহলে তুই জামাকাপড় পালটে আয়, আর আমি বৃন্দাবনকে বলি আর এক রাউন্ড চায়ের ব্যবস্থা করতে'।

তপন হাঁক পাড়তে বৃন্দাবন আলো দেখিয়ে পাশের ঘরে নিয়ে গেল। সেখানে গিয়ে দেখলাম ব্যবস্থা মোটামুটি করাই আছে। ঝাড়পোঁছ করা পরিচ্ছন্ন ঘরটার অর্ধেক জুড়ে থাকা খাটের উপর বালিশ, চাদর পরিপাটি করে মেলা, আলমারি থেকে পায়জামা-পাঞ্জাবি বের করে খাটের উপর রেখে বৃন্দাবন চলে গেল। আমি ঘরের লাগোয়া বাথরুমে গিয়ে কল খুলে দিলাম, যা আশঙ্কা করেছিলাম তাই হল, কলে জল নেই, তবে বাথরুমের কোণে দেখলাম দু-বালতি জল ধরে রাখা, ভালো করে হাত-মুখ ধুয়ে, গায়ে পোশাকটা চড়িয়ে তপনের ঘরে ফেরত এলাম। তপন চায়ের সরঞ্জামগুলো ঘাটাঘাটি করছিল,আমাকে দেখে বলল—'বৃন্দাবন চা একটু বেশি করে ফেলেছে। মনে হয় দু-কাপ করেই হবে'। বললাম—'মন্দ কি! চা অধিকান্ত না দোষায়'! তপন বিস্কুটের প্লেটটা এগিয়ে দিতে একটা গোটা ক্রীম ক্র্যাকার মুখে চালান করে চিবুতে চিবুতে বললাম—'তবে যাই হোক না কেন, শীতের সন্ধ্যায় তোর ভুতুড়ে গপ্পোটা কিন্তু জমে উঠেছে এবার আর ব্রেক না কষে বাকিটুকু চালিয়ে যা'। তপন আমার কথায় চটে গেল না, উলটে একচিলতে অদ্ভুত হাসি ওর ঠোঁটের কোণে খেলে গেল। রহস্যভরা কণ্ঠে বলল—'জয়ন্ত আজকের এই রাত্তিরটা কাটার আগেই আমার প্রতিটা কথাই যে ধ্রুব সত্য সে বিশ্বাস যে তোর হবে সেটা নিশ্চিত'। তপনের কথার উত্তরে হাই তুলে বললাম—'বেশ চ্যালেঞ্জটা নেওয়া গেল, তারপর শিকারের অভিজ্ঞতাটা শুনি'!

তপন বলতে শুরু করল—'ত্রিলোচনের কথামতো রাত আটটা নাগাদ মন্দিরের কাছে পোড়া বটতলার থানে গিয়ে হাজির হলাম। যদিও ওদের এই অভিযানে আমি সামিল নই, তা হলেও ভাবলাম একবার গিয়েই দেখি যদি ত্রিলোচনের মত পালটায় তা হলে বেশ একটা রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা হবে। পোড়া বটতলায় দিনের বেলা আগেও কয়েকবার গেছি কিন্তু রাতে গিয়ে যা দেখলাম তাতে বুকের ভিতরে ছ্যাঁত করে উঠল। জঙ্গলের মধ্যে গ্রামটা দিনের বেলাতেই নিস্তব্ধ নির্জন থাকে, আর রাতে তো কথাই নেই, সূর্যাস্ত হতেই ঘরে ঢুকে কুলুপ আটাই এখানকার রেওয়াজ। এখানকার মানুষ-ভূত-প্রেত-জিন-পরী-ডাইন সমেত সবকিছুতেই বেজায় বিশ্বাসী, আর রাতের অন্ধকারে এই পোড়া বটতলায় একা দাঁড়িয়ে, আমিও নির্দ্বিধায় হলপ খেয়ে বসলাম যে ওসব কিছুই ঘোর বাস্তব। চারধারে তাকিয়ে মানুষ তো দূরের কথা কোথাও একটা জন্তু কিংবা পাখিও চোখে পড়ল না। এদিকে একটানা ঝিঁঝিঁর ডাকে কানে তালা লাগার জোগাড়। গ্রামের বস্তি এখান থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে, ফেরত যাব নাকি ভাবছি এমন সময় ওদিক থেকে একটা চলমান আলোর ফালি চোখে পড়ল, আলোর রেখাটা দুলতে দুলতে ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে এগিয়ে আসতে লাগল।

কয়েক মিনিট পরে জ্বলন্ত লণ্ঠন হাতে ত্রিলোচন আর মোড়ল এসে হাজির হল। ত্রিলোচন আমাকে দেখে হাসল—'তু বাবু বড় ঢীট আছিস দেখছি, এই জঙ্গলে কীসের শিকার করবি? শেষে নিজেই না শিকার হয়ে যাস'। উত্তর দেওয়া নিষ্প্রয়োজন, চুপ করেই রইলাম। ত্রিলোচনই বলে চলল—'উই হারামজাদা বাঁকেবিহারী দানোর ভয়ে ভেগেছে, উর হিসাব আমি পরে লিবো, আজ রাতে তিনজনের দরকার লাগবে, ভাবলাম তবে তরেই লি সেইজন্য তোর আস্তানায় গেছিলাম, গিয়ে দেখি তু শালা সেখানে লাই, তখুনি বুঝেছি তু হারামি এখানেই থাকবি'। মোড়ল কাধের ঝোলাটা নামিয়ে তার থেকে একটা শিশি বের করে সামান্য ঝাকিয়ে ত্রিলোচনের হাতে তুলে দিল, 'তুলসী আর নিশিগন্ধার রস', সম্পূর্ণ ভেষজ উপায়ে তৈরি প্রাকৃতিক মস্কিউটো রেপেলেন্ট। ত্রিলোচন প্রথমেই হাতের চেটোয় খানিকটা তেল ঢেলে নিল তারপর সেই তেল বেশ করে শরীরে ঘসতে লাগল। এরকম বারদুয়েক করে শিশিটা আমার দিকে এগিয়ে দিল। আমার অবশ্য এসবের প্রয়োজন নেই, জঙ্গলে দরকার লাগবে ভেবে ওডোমস সঙ্গেই রেখেছিলাম, সেটা কাজে লেগে গেছে। মোড়ল এবার শিশির বাকি রসটা উপুড় করে নিজের গায়ে ঢেলে দিল। তারপর দু-হাত দিয়ে ভুঁড়ি আর বুকে কচলাতে শুরু করল। ত্রিলোচন এবার আলখাল্লার পকেট থেকে গাঁজার কল্কে বের করে টান দিতে শুরু করল, পরপর দুটো টান দিয়ে সে খানিক ধাতস্থ হল, কল্কেটা আমার হাতে আসতে আমিও বেশ যুত করে একটা দম দিলাম, মনের মধ্যে একটা অকারণ উদ্বেগের ভাব তৈরি হয়েছিল, দ্রব্যগুণে সেটা তৎক্ষণাৎ মিলিয়ে গেল। মোড়ল ইতিমধ্যে ঝোলা থেকে অস্ত্রশস্ত্র সব বের করতে শুরু করেছে। পরপর বেরোল দুটো ধনুক, গুচ্ছখানেক তীর, টাঙ্গি আর একটা বড় ছুরি। ত্রিলোচন বলল—'দ্যাখ বাবু তোর যেটা পছন্দ হয় তুলে নে'। তির-ধনুক দেখে লোভ হয়েছিল, কিন্তু ও জিনিস যে আমার হাতে বাগ মানবে না সেটা বুঝতে অসুবিধে হল না। ছুরিটা হাতে তুলে নিলাম। যা হওয়ার এতেই হবে। আলখাল্লার পকেট থেকে ত্রিলোচন একটা লাল ফুলের মালা বের করল, এই মালাটাই আজ সে মোড়লের মেয়ের গলায় পরিয়েছিল। মালাটা জমির উপর রেখে ত্রিলোচন বলল—'এখন এটাই আমাদের পথ দেখাবে'। ত্রিলোচন হাঁটু গেড়ে বসে মালাটায় কড়ে আঙুল ঠেকিয়ে অস্পষ্ট স্বরে মন্ত্রোচ্চারণ করতে লাগল। বেশ কিছুক্ষণ এভাবে কেটে যাওয়ার পর সে যেন কাউকে আহ্বান করে সজোরে হাততালি মারল। অদ্ভুত কাণ্ড! কোথাও একফোঁটা হাওয়া নেই, যাকে বলে একেবারে নিথর অবস্থা অথচ মালাটা ছিটকে গিয়ে একহাত দূরে পড়ল। ত্রিলোচন সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে হুকুমের সুরে বলল—'তোর ঘাটিতে চল, চণ্ডিবাবার কিড়ে'! মালাটা কোন অদৃশ্য শক্তির বলে এবার রুক্ষ মেঠো রাস্তার উপর দিয়ে ঘষটাতে ঘষটাতে চলতে শুরু করল। ত্রিলোচন চাঁপা স্বরে বলল—'সবাই ওটার পিছে চল আর সাবধান কেউ টুঁ শব্দটি অবধি করবে না'। নির্জন নিস্তব্ধ রাতে গভীর বনের মধ্যে দিয়ে চলমান মালাটার পিছনে ত্রিলোচন ছুটে চলল, তার পিছনে রাম-দা হাতে মোড়ল, সবার শেষে আমি। মনের কোণে যেটুকু সংশয় ছিল, ততক্ষণে কর্পূরের মতো উবে গেছে। দুপুরবেলা ত্রিলোচনের কাণ্ডকারখানা দেখে খটকা লেগেছিল, ভেবেছিলাম সবই বুঝি ধাপ্পাবাজি, কিন্তু এখন নিজেকেই ছেলেমানুষ মনে হচ্ছে, জঙ্গলের মধ্যে রহস্যভরা এই রাতে একমাত্র ভরসা ত্রিলোচন। জ্যোৎস্না আলোকিত থমথমে রাতে, দু-ধারে ঘন গাছপালার মাঝখান দিয়ে মেঠো পথ ঘসে ঘসে মালা এগিয়ে চলেছে, পিছনে আমাদের দলটা। প্রায় আধ কিলোমিটার রাস্তা হবে এভাবে চলার পর পথের একপাশে একটা মোরগঝুটি গাছের নুইয়ে পরা ডালে মালাটা জড়িয়ে থেমে গেল। সাঙ্গে সাঙ্গে আমাদেরও চলার গতি স্তব্ধ হল। ত্রিলোচন নাক টেনে যেন কীসের গন্ধ শুঁকল তারপর দারুণ রোষে গর্জন করে উঠল—'তোর মতলব আমি বুঝেছি! দেখি তু ক্যামনে না যাস'! ত্রিলোচন আবার উচ্চস্বরে মন্ত্রোচ্চারণ শুরু করল, তারপর ফের একবার হাততালি, মালা টুপ করে ডাল থেকে খসে চলা শুরু করল। আমরা ফের ওটাকে অনুসরণ করা শুরু করলাম। অকস্মাৎ মালাটা মেঠো পথ ছেড়ে জঙ্গলের মধ্যে ঢুকে পরল। এবার পথ চলাটা সত্যি কষ্টকর হয়ে পরল। পথ বলতে এখানে অবশ্য আর কিছু নেই, যেখানে সেখানে গজিয়ে ওঠা বুনো ঝোপঝাড় আর পায়ের নীচে লম্বা ধারালো ঘাস। একটা কাঁটা গাছে ঘষা খেয়ে হাতের নুনছাল উঠে রক্তারক্তির উপক্রম হল, কিন্তু এখন ওসব ধর্তব্যের মধ্যে আনলে চলবে না। ভয় হল সঙ্গীদের থেকে পিছিয়ে না পরি, জোরকদমে হাটা লাগালাম। বেশ কিছুক্ষণ ধরে কখনও ঝোপঝাড় ডিঙিয়ে কখনও দেওয়ালের মতো পথ আটকে থাকা গাছের শক্ত শক্ত ডাল কেটে চলার মতো পথ বানিয়ে শেষে একটা ন্যাড়া জায়গায় এসে পৌঁছোলাম। মালাটা জমির এক কোণে গিয়ে স্থির হয়ে পরল। ত্রিলোচন মন্ত্র পড়তে পড়তে মালাটা হাতে তুলে নিয়ে সুতো ধরে টান দিতেই ফুলগুলো সব ছড়িয়ে পরল। দ্রুত হাতে ফুলগুলোকে এক জায়গায় জড়ো করে ত্রিলোচন বলল—'শালাকে এখানেই খুন করে পুতে রেখেছে, এই জায়গার মাটি না পেলে উ দানোরে জব্দ করা যাবে না'। মোড়ল উদ্বিগ্ন স্বরে বলল—'দাদাঠাকুর তুমি সব জানো'। ত্রিলোচন আমাদের উদ্দেশ্যে বলল—'তোরা দুজনা মন দিয়ে শোন, এবার আমরা ভেন্ন হব, তিনটে করে ফুল আর একমুঠো কবরের মাটি, আমাদের সবার হাতে থাকবে, এখান থেকে তিনকোশ দূরে গেলে জঙ্গলের মাঝে বাবুলালের টিলা পড়বে। সেখানে গিয়ে এই ফুল গুলা জ্বালায়ে দিয়া আর এই কবরের মাটি টিলার মাটির সঙ্গে মিলে দিলে বিপদ কাটবে'। আমি শঙ্কিত হয়ে বললাম—'কিন্তু আমরা তো সবাই একসঙ্গে যেতে পারি, আলাদা যেতে হবে কেন'? ত্রিলোচন নেতিবাচক ভঙ্গিতে মাথা নেড়ে বলল—'না তা হয় না, তেমন ধারা নিয়ম নাই, আমি যাব সূতা নদীর ধার ঘেসে, মোড়ল তু উত্তর-পুবের কোণ ধরে জঙ্গলের রাস্তা ধরবি, আর বাবু তু পুব দিকে যা, জঙ্গলের মধ্যে এটাই সব থেকে সোজা রাস্তা, সোজাসুজি হাটবি তো সাড়ে তিন কোশ পরে বাবুলালের টিলা পড়বে'। তিনটে করে লাল ফুল আর একমুঠো মাটি ত্রিলোচন আমাদের দুজনের হাতে তুলে দিল। আমি রুমাল বের করে তার মধ্যিখানে ফুল আর মাটি রেখে শক্ত করে গিট পাকিয়ে প্যান্টের পকেটে পুরে নিলাম। ত্রিলোচন গম্ভীর স্বরে বলল—'এতক্ষণে ও প্রেতের দেহমধ্যি কিন্তু দারুণ জ্বলুনি ধরসে, উ কিছুতেই মোদের পুরো পথ যেতি দিবে না, এক এক করে আমাদের সবার পেছু নেবে, ভয় দেখাবে, যে ভয় পাবে তাকে মেরে পাঁকে ফেলে দেবে, তুরা কিন্তু ভয় পাবি না, সাহস করে এগিয়ে যাবি'। মোড়ল ত্রিলোচনের পা ছুয়ে প্রণাম করে বলল—'আজ্ঞা হোক দাদাঠাকুর'! তারপর ধীর পায়ে হেঁটে গভীর জঙ্গলের মধ্যে মিলিয়ে গেল। এবার আমার পালা, আমি মনের মধ্যে প্রচুর দ্বিধা নিয়ে ত্রিলোচনের থেকে বিদায় নিয়ে বললাম —'আসছি ত্রিলোচন'। ত্রিলোচন আঙুল নাচিয়ে দিকনির্দেশ করল —'ওই যে বাবু ওই হল পুব দিক, ওখান দিয়েই সোজা হাটা দিবি'। আমার উৎসাহ এর মধ্যে থিতিয়ে এসেছে, কিন্তু সেসব প্রকাশ করে আর কাজ নেই! এগিয়ে যাচ্ছিলাম, ত্রিলোচন পিছন দিয়ে বলে উঠল—'একটা কথা বাবু, ভয় খারাপ কিন্তু লোভ আরও বেশি খারাপ জিনিস, কোনও ফাঁদে পা দিবি না, দিলে কিন্তু মরবি। মনে রাখবি এই জঙ্গলে আজকের রাতে সব কিন্তু মিছে, আর হ্যাঁ খরগোসটাকে দেখতে পেলে ছুরি বসিয়ে দিবি, যা বাবু, বেঁচে ফেরত আয়! জয় চণ্ড বাবার জয়'।

সকল অধ্যায়
১.
প্রথম অধ্যায়
২.
দ্বিতীয় অধ্যায়
৩.
তৃতীয় অধ্যায়
৪.
চতুর্থ অধ্যায়
৫.
পঞ্চম অধ্যায়
৬.
ষষ্ঠ অধ্যায়
৭.
সপ্তম অধ্যায়
৮.
অষ্টম অধ্যায়
৯.
নবম অধ্যায়
১০.
দশম অধ্যায়
১১.
একাদশ অধ্যায়
১২.
দ্বাদশ অধ্যায়
১৩.
ত্রয়োদশ অধ্যায়
১৪.
চতুর্দশ অধ্যায়
১৫.
পঞ্চদশ অধ্যায়
১৬.
ষোড়শ অধ্যায়
১৭.
সপ্তদশ অধ্যায়
১৮.
অষ্টাদশ অধ্যায়
১৯.
ঊনবিংশ অধ্যায়
২০.
বিংশ অধ্যায়
২১.
একবিংশ অধ্যায়
২২.
দ্বাবিংশ অধ্যায়
২৩.
ত্রয়োবিংশ অধ্যায়
২৪.
চতুর্বিংশ অধ্যায়
২৫.
পঞ্চবিংশ অধ্যায়
২৬.
ষড়বিংশ অধ্যায়
২৭.
সপ্তবিংশ অধ্যায়
২৮.
অষ্টাবিংশ অধ্যায়
২৯.
ঊনত্রিংশ অধ্যায়
৩০.
ত্রিংশ অধ্যায়
৩১.
একত্রিংশ অধ্যায়
৩২.
দ্বাত্রিংশ অধ্যায়

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%