পঞ্চদশ অধ্যায়

সঞ্জয় ভট্টাচার্য

রুদ্রপ্রসাদ বললেন—'খবরে বলেছে সমীরণ তার পুরোনো সহযোগী তপন দাসের সঙ্গে দেখা করার উদ্দেশ্যে দলবল সমেত দমদমের একটা বাড়িতে এসে হাজির হয়েছিল, গোপন সোর্স থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ওই বাড়ি ঘিরে সমীরণকে সারেন্ডার করতে বলে, এরপর দু-পক্ষের গোলাগুলি বিনিময়ে ওখানে উপস্থিত সবার মৃত্যু ঘটে, সেদিন ঘটনাস্থলে অন্য অনেকের সঙ্গে তুমিও ছিলে, আর ছিল ছ-সাত বছরের একটা ছেলে, রিপোর্টে জানিয়েছে ছেলেটিকে পাচার করার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, কিন্তু আমার মনে হয়েছে আসল ব্যাপারটা তা নয়'! কফির কাপ টেবিলের উপর রেখে রুদ্রপ্রসাদ বললেন—'আসল ব্যাপারটা কেউ জানে না, তাই না? অথবা পুলিসকে বলেছ আর তারাই তোমাকে সতর্ক করেছে, কারও কাছে বিশেষ করে মিডিয়ার সামনে মুখ না খুলতে'। রুদ্রপ্রসাদ যেন অন্তর্ভেদী দৃষ্টে আমার দিকে চেয়ে রয়েছেন, আমার অস্বস্তি বাড়ছিল, বললাম—'এর বাইরে আর কি খবর খুজছেন আপনি'?

রুদ্রপ্রসাদ গম্ভীর স্বরে বললেন—'তাহলে তুমি বলবে না'?

—'আমার যা বলার পুলিস আর প্রেসকে আগেই বলে দিয়েছি'।

—'তুমি যে বলবে না তা আমি জানতাম, তবে শুনতে নিশ্চয়ই আপত্তি নেই, আমিই বলছি যদি কোথাও ভুল হয় শুধরে দিও! ছেলেটি ঢেঙ্কানলের চণ্ডমন্দিরে রাখা বলির উদ্দেশ্যে সংরক্ষিত একটা জীব। ঠিক যেমন ছাগল বা মোষকে বলি দেওয়ার জন্য খোয়ারে রেখে খাইয়ে-দাইয়ে মোটা করা হয় তেমনই কিছু। তবে ছাগল বা মোষের যেটুকু স্বাচ্ছন্দ্য থাকে অন্তত সূর্যের আলোটুকু দেখার, এখানে মনুষ্য সন্তানটির কপালে সেটাও জোটে না, তবেই সে চণ্ডের বলি হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করে'। এতটা বলে রুদ্রপ্রসাদ থামলেন তারপর মুচকি হেসে বললেন —'গল্পটা এরকমই কিছু! তাই না জয়ন্তবাবু'? বললাম—'সবই তো জানেন দেখছি, তাহলে আমার কাছে আর কি প্রশ্ন আছে'? রুদ্রপ্রসাদ তীক্ষ্ন স্বরে বললেন—'প্রশ্ন আছে জয়ন্ত, লাখ টাকার প্রশ্ন! আমার কাছে স্পষ্ট নয় তুমি এসবের মধ্যে ঠিক কিভাবে জড়িয়ে পরলে? আর তার থেকেও বড় প্রশ্ন এই মুহূর্তে তোমার স্ট্যান্ড-টাই বা কি'? আমার একটু বিরক্তিবোধ হল, বললাম—'দেখুন আমার মনে হয়েছিল আপনি আমার জীবনে হঠাৎ গজিয়ে ওঠা এই অদ্ভুত পরিস্থিতির উত্তর পেতে সাহায্য করবেন, সেইজন্যেই আজকে এখানে আমার আসা, কিন্তু এখন তো দেখছি, উলটে আপনিই আমাকে জেরা করছেন'। রুদ্রপ্রসাদ শান্ত স্বরে বললেন—'জয়ন্ত এই যে তোমার জীবনের বিড়ম্বনা, দুঃস্বপ্ন দেখে নিয়মিত ঘুম নষ্ট হওয়া, কানের পর্দায় ভুতুড়ে চিৎকার, মাঝরাতে ইঁদুরের উৎপাত এসব কিন্তু বিচ্ছিন্ন কোনও ঘটনা নয়, একটা শিকলের বৃত্তের মতো, এই শিকলের গোঁড়াটা কোথায় বাঁধা আছে আমি জানি, শেষ যে কোথায় মোটামুটি সে বিষয়েও কিছুটা আন্দাজ রয়েছে, কিন্তু মাঝখানের কয়েকটা সার্কেল মিসিং, সেই দুর্ঘটনার আগে পরে যা কিছু ঘটেছে আমাকে প্লিজ বল, আমি তোমাকে সাহায্য করতে পারি কিন্তু সেটা তখুনি সম্ভব যখন তুমি আমাকে সে সুযোগটা দেবে'। রুদ্রপ্রসাদের উপর সামান্য হলেও আস্থা জন্মাল, লোকটার এই বিষয়ে কিছু জ্ঞান নিশ্চয়ই আছে, আমি তপনের নিমন্ত্রণে ওর বাড়িতে যাওয়া থেকে পরের ঘটনা যা ঘটেছে মোটামুটি সবই বললাম। রুদ্রপ্রসাদ সব শুনে হঠাৎ যেন চঞ্চল হয়ে পরলেন, হাতের আঙুলগুলো মট মট শব্দে ফাটাতে ফাটাতে অস্থিরভাবে ঘরের মধ্যে পায়চারী করা শুরু করলেন, একটু পরে আবার শান্ত হয়ে সোফায় বসে বললেন—'তোমার এই ব্যাপারটায় জড়িয়ে পড়ার কারণটা সবার আগে জানা দরকার ছিল, অন্য লোকের চাপিয়ে দেওয়া যে বোঝাটা এতদিন বয়ে চলেছ, এবারে নিজের চোখেই দ্যাখো তাতে ঠিক কি রয়েছে'! একটু থেমে রুদ্রপ্রসাদ বলা শুরু করলেন।

'বিদেশের মাটিতে কাজে ব্যস্ত থাকলেও দেশের খবর আমি নিয়মিত রাখতাম। টিভিতে যখন দেখলাম নকশাল নেতা সমীরণ পুলিশের এনকাউন্টারে দলবল সমেত অক্কা পেয়েছে, বিচলিত হওয়ার প্রয়োজনবোধ করিনি, কিন্তু এরপর যখন জানতে পারলাম অস্বাভাবিকভাবে breed করা একটা বাচ্চা ছেলের মৃতদেহও একই জায়গা থেকে উদ্ধার হয়েছে, বিশ্রী একটা আশঙ্কায় মন দুলে উঠল। টিভিতে এরপর বলল ঘটনাস্থলে উপস্থিত সবাই মারা গেছে, খানিকটা নিশ্চিন্তবোধ করলাম, যদিও পরদিন ইন্টারনেটে কলকাতার কাগজ পরে জানতে পারলাম একজন এখনো বেঁচে আছে, হাসপাতালে লোকটির চিকিৎসা চলছে। আমি কলকাতায় আমার ভাই দেবুকে বলেছিলাম বিষয়টা যাচাই করে দেখতে, দেবু হাসপাতাল ঘুরে এসে জানাল, খবরটার মধ্যে কোনওরকম ভেজাল নেই, আমি একমুহূর্ত দেরি না করে দেশের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম, কয়েকটা দরকারি কাজ সারতে অনেকটা সময় খরচ হয়ে গেল, নাহলে অনেক আগেই তোমার সঙ্গে যোগাযোগ করে ফেলতাম হয়তো। যাইহোক এবার কয়েকটা বছর পিছনে যাব, শুরু থেকেই বলছি, শুনলে সবকিছু স্পষ্ট হবে'। রুদ্রপ্রসাদ সামান্য থেমে যেন নিজের মনের মধ্যে কথা গুছিয়ে নিলেন তারপর শুরু করলেন।

'বছর কুড়ির আগের ঘটনা,আমি সেসময় উড়িষ্যার কটক ইউনিভার্সিটির ভিজিটিং প্রফেসর, পড়াশোনার সঙ্গে অন্য কাজও অবশ্য ছিল। ভুবনেশ্বরের ষ্টেট মিউজিয়াম থেকে অনুরোধ করেছিল সম্প্রতি উদ্ধার হওয়া কয়েকটা তাম্রলিপির পাঠোদ্ধারের জন্য, শোনপুর জেলার বিখ্যাত সুবর্ণমেরু মন্দির থেকে চার কিলোমিটার দক্ষিণে একটা প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন আবিষ্কার হয়েছে, ইন্সক্রিপশনগুলো সেখান থেকেই এসেছে। মিউজিয়ামের নিয়ম অনুসারে আমাকে একটা বদ্ধ ঘরে লিপির পাঠ করতে হত, কাজ শেষ হলে আবার কিউরেটারের হাতে লিপিগুলো জমা দিয়ে তবেই বেরোতে পারতাম। একাজের জন্য সপ্তাহে তিনদিন আমাকে কটক থেকে ভুবনেশ্বর যাতায়াত করতে হত, ফাঁকে ফাঁকে কলেজের ক্লাস নেওয়াও অবশ্য চলছিল, সেখানেই আমার আলাপ হয়েছিল সমীরণ মাহাতো নামে একটি ছেলের সঙ্গে'।

—'সমীরণ! মানে'?

—হ্যাঁ, রুদ্র বললেন, এ সেই পরবর্তী কালের নকশাল নেতা সমীরণই বটে, ক্লাসভর্তি ছেলে-মেয়ের মধ্যে শ্যামলা রঙের চৌকস ছেলেটি আমার বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করে নিয়েছিল, এত শার্প এতই মেধাবী, চাইলে অনায়াসে আই-আই-টি বা মেডিকেলে সুযোগ পেতে পারত কিন্তু জীবন নিয়ে তার চিন্তাধারা ভিন্ন প্রকৃতির হওয়ায় সে এই পথ বেছে নিয়েছে। সেইসময় আমি কলেজে পড়ানো আর তাম্রলিপির পাঠোদ্ধার করা ছাড়া অন্য একটা কাজেও হাত দিয়েছিলাম, উড়িষ্যার সোমবংশীয় রাজাদের ইতিহাস নিয়ে একটা গবেষণামূলক বই লিখছিলাম, সমীরণের উৎসাহ দেখে তাকে এই কাজে আমার সহকারী করে নিলাম, কিছুদিনের মধ্যেই সমীরণের কর্মক্ষমতার পরিচয় পেলাম, মহাফেজখানা, লাইব্রেরি ঘুরে ঘুরে প্রচুর বইপত্তর ঘেঁটে সঠিক সময়ে সঠিক নোটস জোগান দিয়ে আমার কাজ অনেকটাই সহজ করে দিয়েছিল, যদিও সত্যি কথা বলতে এরপরেই আমার বই লেখার উৎসাহে ভাঁটা পড়ল, কারণটা আর কিছু নয়, আমি লিপিগুলোর মর্মদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছিলাম'! রুদ্রপ্রসাদ হঠাৎ থামলেন। ঘরের বন্ধ জানলার ধারে পেতলের প্রদীপগুলোর শিখা নিবু নিবু হয়ে এসেছিল, সেদিকে চেয়ে ভদ্রলোক উঠে একটা বোতল থেকে পরিমান মতো তেল ঢেলে দিতেই আগুন ফের উসকে উঠল। এবার রুদ্রপ্রসাদ আবার বলা শুরু করলেন।

'তাম্রলিপিগুলোর পাঠোদ্ধার করে যা জানলাম তাতে আক্কেল গুড়ুম হওয়ার জোগাড় হল। ইতিহাসের এমন একটা চরিত্রের খোঁজ পেলাম যার কোথাও কোনও উল্লেখ নেই, অথচ তাকে সোমবংশীয়দের সঙ্গে রিলেট করা হচ্ছে, এই রাজাকে ছত্রে ছত্রে সাক্ষাৎ শয়তান বা মৃত্যুর দূতও বলা হয়েছে। তা ছাড়া এনার জীবনের সঙ্গে একটা রহস্যও জুড়েছিল, সে বিষয়ে স্পষ্ট ইঙ্গিত ওই লেখায় ছিল, নিজে ভালোমতো যাচাই না করে বিষয়টা তখুনি প্রকাশ করতে চাইছিলাম না, তা ছাড়া অন্য একটা ব্যাপারও ছিল, একটা উপবিদ্যার ইঙ্গিত, তাই মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যাপারটা না ভেঙে নিজেই সবকিছু তলিয়ে দেখব ঠিক করলাম। রহস্যের প্রাথমিক গ্রন্থিটা হাতে এলেও মূল উৎস কিন্তু ইঙ্গিত করছিল জঙ্গলের মধ্যে একটা বিশেষ জায়গায়। হাজার বছর আগের সে জঙ্গল এখন আর আছে কি না সেটাও একটা প্রশ্ন ছিল। অনেক হিসেব-নিকেশ করে প্রচুর মাথা খাটিয়ে একটা ধারণায় পৌঁছোনো গেল, লিপিতে বর্ণিত সেই বনাঞ্চলের কিছুটা অংশ এখনো টিকে আছে, আজকের দিনে যেটা খুব সম্ভবত ঢেঙ্কানলের জঙ্গলে আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলের অংশ। ওই এলাকায় ভগীরথপুর গ্রামে একটা মন্দির আছে, মন্দিরটা চণ্ডমন্দির নামে খ্যাত, এই চণ্ড আর লিপির উল্লিখিত চণ্ড অভিন্ন বলেই আমার মনে হল, একবার ওখানে যেতে পারলে হয়তো রহস্যের চাবিকাঠি খুঁজে পাওয়া যেতে পারে। যদিও অনুসন্ধান করে জানতে পারলাম আদিবাসীদের সেই মন্দিরে বাইরের লোকের প্রবেশ নিষিদ্ধ। স্থানীয়দের চোখ এড়িয়ে গোপনে প্রবেশ করার চিন্তাটা মাথায় ঘুরছিল কিন্তু নিজে গিয়ে ঘুরে দেখেশুনে যা বুঝলাম সে চেষ্টা করা বাতুলতা মাত্র, ধরা পড়লে আদিবাসীদের হাতে পিতৃদত্ত প্রাণটা খোয়া যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা, অতএব ও পরিকল্পনা বাতিল করতে হল। এরপর প্রচুর চেষ্টা করে, প্রশাসনের কিছু কর্তার সঙ্গে যোগাযোগ কাজে লাগিয়েও তিলমাত্র সুরাহা করা গেল না, আদিবাসীদের ধর্মীয় ভাবাবেগের ব্যাপারটা তো ছিলই তা ছাড়া ওই অঞ্চলটা নকশাল বেল্ট বলে কুখ্যাত, কাজে কাজেই কোথাও থেকে কোনওরকম সাহায্যের আশ্বাসই আমি পেলাম না। আমার সত্যান্বেষণ সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিতভাবে এই পয়েন্টে এসে থমকে গেল। বলা বাহুল্য প্রচণ্ড হতাশ হয়ে পড়েছিলাম, কোনও কাজেই আর মন লাগছিল না। বই লেখা তো আগেই মাথায় উঠেছে, এবারে নানা অছিলায় ক্লাসও ফাঁকি দিতে শুরু করলাম। সমীরণ কয়েকদিন ধরেই আমার অমনোযোগ লক্ষ করছিল, একদিন সে আমাকে ধরে বসল, আমার অন্যমনস্কতার কারণ জানতে চাইল। আমি সমীরণকে ইতিমধ্যে স্নেহের চোখে দেখতে শুরু করেছি, তা ছাড়া ছেলেটি খুবই বুদ্ধিমান, ভরসা করা যেতেই পারে, দ্বিধা ঝেড়ে ওকে সবকিছু খুলে বললাম। সমীরণ আমার সব কথা মন দিয়ে শুনল তারপর বলল এই বিষয়টা ওর উপর ছেড়ে দিতে।

এরপর কয়েকটা দিন কেটে গেল, আমি গবেষণার আশা একপ্রকার ছেড়েই দিয়েছি, এমন সময় সমীরণ জানাল ব্যবস্থা নাকি হয়ে গেছে, শর্ত শুধু একটাই কি করে বন্দোবস্ত হল সে নিয়ে প্রশ্ন করা চলবে না। আমি সানন্দে রাজি হয়ে গেলাম, ফল খাওয়া নিয়েই দরকার, গাছের খোঁজ করা আমার কাজ নয়। সেটা বোধহয় ফাল্গুন মাসের একটা শনিবার হবে, আদিবাসীরা সেদিন মেতেছিল এলাকার কোনও গ্রাম্য মেলায়, এমনিতেই এই মন্দিরে বড় কেউ আসেনা সেদিন তো এলাকাটা আরও শুনশান হয়েই ছিল। মন্দিরের বুড়ো পুরোহিতকে সমীরণ কিভাবে সামলেছিল জানি না কিন্তু সে আমাদের দুজনকে গোপনে মন্দিরে প্রবেশের সুযোগ করে দিয়েছিল, সমীরণের ব্যবস্থামতো গাড়িটা গ্রাম থেকে অনেক দূরে এক জায়গায় রেখে আমরা দুপুর নাগাদ ওই মন্দিরে গিয়ে হাজির হলাম, ক্যামেরা, ফ্ল্যাসলাইট সব কাঁধে ঝোলানো ব্যাগের মধ্যে নিয়ে আমরা মন্দিরের ভিতরে ঢুকলাম। মন্দিরের গর্ভগৃহে জমাটি অন্ধকার, দিনের বেলাতেও সূর্যের আলো ঢোকেই না বলতে গেলে। কি ভীষণ বিশ্রী দুর্গন্ধময় সে পরিবেশ, মেঝেতে শুকিয়ে যাওয়া চাপ রক্তের আস্তরণ আর যেখানে-সেখানে ছড়ানো-ছিটানো পশুদের চামড়ার টুকরো, হাড়, চণ্ড রাজার একহাত লম্বা মূর্তিটা দেখে যে সাধারণ গেরস্থদের পিলে চমকে উঠবে তা বলাই বাহুল্য। 'তবে এসব নিয়ে মাথা ঘামানোর প্রয়োজন আমার নেই, হাতে সময় অত্যন্ত কম, আমি মন্দিরের ভিতরের দেওয়ালে সুরকি দিয়ে গাঁথা শিলালিপিগুলোর ফটো তুলতে শুরু করে দিলাম। সমীরণ ফ্ল্যাসলাইটের আলো ফেলে কাজে সাহায্য করতে লাগল। বেদির পিছনে শিলালিপির টুকরো ঢাই হয়ে পরেছিল সেগুলি তুলে ঝোলায় পুরে ফেললাম, পরে বুঝেশুনে জুড়ে নিলেই হবে'।

সকল অধ্যায়
১.
প্রথম অধ্যায়
২.
দ্বিতীয় অধ্যায়
৩.
তৃতীয় অধ্যায়
৪.
চতুর্থ অধ্যায়
৫.
পঞ্চম অধ্যায়
৬.
ষষ্ঠ অধ্যায়
৭.
সপ্তম অধ্যায়
৮.
অষ্টম অধ্যায়
৯.
নবম অধ্যায়
১০.
দশম অধ্যায়
১১.
একাদশ অধ্যায়
১২.
দ্বাদশ অধ্যায়
১৩.
ত্রয়োদশ অধ্যায়
১৪.
চতুর্দশ অধ্যায়
১৫.
পঞ্চদশ অধ্যায়
১৬.
ষোড়শ অধ্যায়
১৭.
সপ্তদশ অধ্যায়
১৮.
অষ্টাদশ অধ্যায়
১৯.
ঊনবিংশ অধ্যায়
২০.
বিংশ অধ্যায়
২১.
একবিংশ অধ্যায়
২২.
দ্বাবিংশ অধ্যায়
২৩.
ত্রয়োবিংশ অধ্যায়
২৪.
চতুর্বিংশ অধ্যায়
২৫.
পঞ্চবিংশ অধ্যায়
২৬.
ষড়বিংশ অধ্যায়
২৭.
সপ্তবিংশ অধ্যায়
২৮.
অষ্টাবিংশ অধ্যায়
২৯.
ঊনত্রিংশ অধ্যায়
৩০.
ত্রিংশ অধ্যায়
৩১.
একত্রিংশ অধ্যায়
৩২.
দ্বাত্রিংশ অধ্যায়

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%