ত্রয়োবিংশ অধ্যায়

সঞ্জয় ভট্টাচার্য

২৪ জানুয়ারির দিনটা রুদ্রপ্রসাদের বাড়িতেই কেটে গেল, ইচ্ছে ছিল শেষের এই দিনটা আমার স্বর্গীয় বাবা-মার স্মৃতি জড়ানো ভবানীপুরের ফ্ল্যাটে গিয়ে কাটাব, এরপরে ভাগ্যে যে কি আছে, তা একমাত্র ঈশ্বরই জানেন? কিন্তু রুদ্রপ্রসাদ বললেন সেখানে পা রাখলে নাকি বিপদের সমূহ সম্ভাবনা, চণ্ডের দৃষ্টির অশুভ প্রভাবে ওখানকার বাতাবরণ আগে থেকেই দূষিত হয়ে রয়েছে, এরপর ওই চৌকাঠ ডিঙিয়ে প্রবেশ করলে আর দেখতে হবে না। অতএব সে পরিকল্পনা বাতিল করতে হল। মাঝখানে অবশ্য জগন্নাথদার বাড়ি থেকে ঘুরে এসেছি, খবর যা পেলাম তাতে উদ্বেগ বাড়ল বই কমল না, জগন্নাথদার পাঁচ বছরের নাতনি সাদা জ্বরে হাসপাতালে ভরতি, বেচারি জগন্নাথের দুর্ভোগ দেখে মনটা খারাপ হয়ে গেল। ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরে গিয়েও বিশেষ লাভ হল না, চণ্ডের পাথরটা রুদ্রপ্রসাদ দেখতেই দিলেন না, বললেন—'এই মুহূর্তে ওটার সংস্পর্শে এলে নাকি আমার মাথায় গণ্ডগোল বাঁধতে পারে, তবে একবার ভগীরথপুর পৌঁছলে অবশ্য ওটা আবার নাকি আমার হেপাজতেই থাকবে।

সেদিন বিকেলটা কাটল সদ্যপরিচিত মিত্র পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গল্পগুজব করে, অদ্ভুত মানুষ এরা! সমাজের উচ্চপদে আসীন হওয়া সত্ত্বেও আত্মভরিতার ছিটেফোঁটা প্রকাশও এঁদের ব্যবহারে নেই, তাই বোধহয় আমার মতো সামান্য একজন কেরানিকে আপন করে নিতে এঁদের দ্বিধা হয়নি, অবশ্য কথা বলার মতো মনের অবস্থা আমার একেবারেই ছিলনা, চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে যে লোকটা এমন একটা অভিযানে যেতে চলেছে যেখান থেকে তার বেঁচে ফিরত আসার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে, সে আর কতটা মন খুলে হাসতে পারে! রুদ্রপ্রসাদকে দেখলাম একেবারেই নিরুত্তাপ, সে নিজেও যে এতবড় একটা ঝুঁকির সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে সেটা তার আচরণ দেখে বোঝার বিন্দুমাত্র উপায় নেই, দিব্যি আড্ডা মেরে মজা করে সময় কাটিয়ে দিল। কাল সকাল সাড়ে ছ-টায় ভুবনেশ্বরের ফ্লাইট, চারটের মধ্যেই বেরিয়ে পড়তে হবে, রুদ্রপ্রসাদ আগে থেকেই বলে রেখেছেন। ঘড়ির কাঁটা দশটার ঘর ছুতেই সবার থেকে বিদায় নিয়ে শুতে চলে গেলাম, যদিও ঘুম আসার কোনও লক্ষণই দেখা গেল না, অসংলগ্ন নানা চিন্তা করতে করতে রাত কাটতে লাগল, অনেক পরে বোধহয় একটু তন্দ্রা মতো এসেছিল, একটা চিঁচিঁ শব্দ শুনে ধরমড়িয়ে বিছানার উপর উঠে বসলাম, আজকাল এই নতুন উৎপাত হয়েছে, ইঁদুর চোখে দেখলে বা আওয়াজ শুনলেও কেমন যেন ভয়ে বুক কেঁপে উঠছে। আলো জ্বেলে ঘরের সর্বত্র, বিশেষ করে খাটের তলাটা ভালো করে খুঁজে কোথাও যখন ইঁদুরের চিহ্ন দেখতে পেলাম না, আবার বিছানায় গিয়ে আশ্রয় নিলাম, এরপর বাকি রাতটুকু আর চোখে ঘুম এল না, ঠিক চারটের সময় দরজায় টোকা পড়ল। রুদ্রপ্রসাদ এসে হাজির হয়েছেন, বললেন—'জয়ন্ত, আমাদের বেরোনোর সময় হয়েছে'।

গাড়ি হুহু করে ছুটে চলল বাইপাশের নির্জন রাস্তা দিয়ে, মালবাহী ট্রাক ছাড়া অন্য গাড়ি এইসময় পথে বিশেষ থাকার কথা নয়, নেইও। চালকের আসনে বসে অরিন্দম গাড়ি চালাচ্ছে, দেবপ্রসাদ পাশে বসে, পিছনের সিটে আমি আর রুদ্রপ্রসাদ। রাতে ঘুম না হওয়ার ফলে চোখ জ্বালা করছিল, আর সেই সঙ্গে মনে হচ্ছিল একটা তীব্র বিষণ্ণভাব যেন একটু একটু করে আমাকে গ্রাস করতে শুরু করেছে। রুদ্রপ্রসাদের ধারণা আমরা নাকি অ্যাডভেঞ্চারে চলেছি! কিন্তু আমার মতে চলেছি আত্মহত্যা করতে, তবে এ ছাড়া অন্য কি উপায়ই বা আমার সামনে আর অবশিষ্ট রয়েছে?

দু-নম্বর টার্মিনালে গাড়ি পার্ক করে অরিন্দম স্যুটকেস তিনটে একটা চাকাওয়ালা ট্রলিতে তুলে আমাদের খানিকটা এগিয়ে দিল, এরপরের চৌহদ্দি শুধুমাত্র যাত্রীদের গম্য। দেবপ্রসাদ রুদ্রকে উদ্দেশ্য করে বললেন—'সব কিছু নিয়েছিস তো'? রুদ্রপ্রসাদ মাথা নেড়ে বললেন—'তাই তো মনে হচ্ছে'।

—'আর সরবিট্রেট'! রুদ্র প্যান্টের পকেটে হাত ঢুকিয়ে জিভ কাটলেন। দেবপ্রসাদ আমার হাতে একটা ওষুধের শিশি ধরিয়ে দিয়ে বললেন—'জয়ন্ত উনি যা অন্যমনস্ক, ভরসা করা যায় না, তুমি প্লিজ এটা একটু কাছে রেখো, দাদার হার্টের যা অবস্থা, যেকোন সময় এটার দরকার পড়তে পারে'। আমি বিনা বাক্য ব্যয়ে ওষুধটা পকেটে পুরে নিলাম।

রুদ্রপ্রসাদ আর আমি আমাদের সঙ্গী দুজনকে বিদায় জানিয়ে ট্রলি ঠেলে নিয়ে চললাম, পরের আধঘণ্টার মধ্যে সিকিউরিটি চেক আর লাগেজ হস্তান্তর হয়ে গেল, রুদ্রপ্রসাদের হাতে যে হ্যান্ড ব্যাগেজ রয়েছে সেদিকে ইঙ্গিত করে বললেন—'চণ্ডের পাথরটা কিন্তু এতেই রয়েছে'। জীবনে প্রথমবার প্লেনে চড়লাম, সমস্যা হল সিট-বেল্ট নিয়ে, অবশ্য রুদ্র টের পেয়ে ওটা বেঁধে নিতে সাহায্য করলেন। ঘণ্টাখানেক পরেই উড়োজাহাজ এসে ভুবনেশ্বরের মাটিতে ল্যান্ড করল, রুদ্র এতক্ষণ পাশে বসে নাক ডাকিয়েছেন, এবারে ল্যান্ডিং-এর ঝাঁকুনিতে চোখ মেলে বললেন—'এসে গেল! ঘুমটা সবে জমাট বেঁধেছিল'। এয়ারপোর্ট থেকে বের হতেই বাইরে সাড়ি দিয়ে গাড়ির লাইন দেখতে পেলাম, এদের মধ্যে একজন উর্দিধারি ড্রাইভার রুদ্রপ্রসাদের নাম লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে ছিল, সেদিকে দেখিয়ে রুদ্র বললেন—'ওই যে হোটেল থেকে গাড়ি পাঠিয়েছে, চল হে'।

ডিজায়ার গাড়ির পিছনের সিটে বসে শহর দেখতে দেখতে যাচ্ছিলাম, আমার এতদিন ধারণা ছিল, ভুবনেশ্বর জায়গাটা বেশ ঘিঞ্জি আর ছোট, কিন্তু বাস্তবে দেখলাম অন্য কোনও বড় শহরের থেকে বিশেষ তফাত নেই, আর অবশ্যই কলকাতার মতো এখানকার ফুটপাথগুলো পুরোপুরি হকারের দখলে চলে যায়নি। গাড়ি মিনিট কুড়ি পরে একটা পেল্লায় হোটেলের সামনে এসে হাজির হল। হোটেল মেফেয়ার। চেক-ইন করেই রুদ্রপ্রসাদ তাড়া লাগিয়ে দিলেন, বললেন—'জয়ন্ত ফ্রেস হয়ে নাও, আমাদের এখুনি একজন বিশিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করতে যেতে হবে, ব্রেকফাস্ট ওনার ওখানেই হবে, সেইরকমই কথা হয়ে আছে'। কার সঙ্গে দেখা করার জন্য এত তাড়া রুদ্র ভাঙলেন না বললেন, রাস্তায় যেতে যেতে বলবেন।

গাড়িতে যেতে যেতে রুদ্রপ্রসাদ বললেন, আমরা যাচ্ছি এখানকার রাজা নবীনচন্দ্র মহারাণার সঙ্গে দেখা করতে, রুদ্রপ্রসাদ সংক্ষেপে যা বললেন তাতে বুঝলাম এই রাজামশাইটি শুধু নামেই রাজা নন, নানারকম ব্যবসার কল্যাণে আজকের দিনেও এর বিষয়সম্পত্তির পরিমাণ কোনও রাজা-জমিদারেরই সমতুল্য, তা ছাড়া উড়িষ্যার রাজনৈতিক মহলেও নাকি ভদ্রলোকের বিশেষ প্রতিপত্তি। রুদ্রপ্রসাদ আরও বললেন—'আমাদের যাত্রার সব বন্দোবস্ত এই রাজাসাহেবই করে দিয়েছেন, ওনার সাহায্য না পেলে এই অভিযানের ব্যাপারটাই অসম্ভব হয়ে পড়ত'। আমি একটা দরকারি প্রশ্ন না করে পারলাম না, বললাম—'এনার এই অভিযানে আগ্রহটা কীসের'? রুদ্রপ্রসাদ অদ্ভুতভাবে বললেন—'সেটা আমি চাই, তুমি ওনার মুখেই শুনবে'। ব্যস্ত ট্র্যাফিকে দশ কিলোমিটার রাস্তা যেতে প্রায় মিনিট পঁচিশেক সময় লেগে গেল। শহরের অপেক্ষাকৃত অভিজাত এলাকা ফরেস্ট পার্কের বহুতল এমারেল্ড ম্যানসনে রাজাসাহেবের বাসস্থান। লিফটে করে বারো তলার যে ফ্ল্যাটটায় এসে হাজির হলাম তেমন কিছু আগে দেখিনি, নামেই ফ্ল্যাট! ফুটবল গ্রাউন্ডের আকারে বিলাসবহুল রাজকীয় বাসস্থান। প্রশস্ত ড্রয়িংরুমে মহার্ঘ আসবাবের মধ্যে পুরু ভেলভেটে মোড়া ডিভানে বসতে অনুরোধ করে সেক্রেটারি গেলেন রাজাকে খবর দিতে। পাঁচ মিনিট পরে রাজাসাহেব এসে হাজির হলেন, বয়স আন্দাজ পঞ্চাশ, গায়ের রং ধবধবে ফর্সা, চোখে রিমলেশ চশমা, মাথায় ব্যাকব্রাশ করা কাঁচা পাকা চুল। রুদ্রপ্রসাদ নমস্কারের ভঙ্গি করে উঠে দাঁড়ালেন সঙ্গে আমিও, রাজাসাহেব প্রতি নমস্কার করে আমার দিকে কৌতুহলী দৃষ্টিতে চেয়ে ঝরঝরে বাংলায় বললেন—'উনিই কি রাজকুমার'? রুদ্রপ্রসাদ বললেন—'হ্যাঁ ওর কথাই আপনাকে বলেছি'। আমার মনে হল রাজাসাহেব বোধহয় আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করছেন! রাজকুমার সম্বোধনের মানে কি? রাজাসাহেব আমাদের বসতে ইঙ্গিত করলেন, রুদ্রপ্রসাদ বললেন—'ওইদিকে কদ্দুর এগিয়েছে'। রাজাসাহেব আশ্বস্ত করার মতো করে বললেন—'আপনার কথা মতোই কাজ হচ্ছে আজ বিকেল চারটের আগেই গ্রামটাকে এভাকুয়েট করে দেওয়া যাবে'। রুদ্রপ্রসাদ বললেন—'আমার কিন্তু দশ কিলোমিটার রেডিয়াসের মধ্যে টোটাল সেকলুসান চাই, এমনকী আর্মির লোকেরাও যেন ফ্রেমে না থাকে'।—'এই কাজটা একটু কঠিন, দিল্লির হোম ডিপার্টমেন্টে বোঝাতে আমার কালঘাম ছুটে গেছে, তবে মনে হয় কাজ হয়ে যাবে'। কথার ফাঁকেই বেয়ারা কন্টিনেন্টাল ব্রেকফাস্ট এনে হাজির করল। মহার্ঘ ব্রেড, জ্যাম, পেস্ট্রি, ডিমসেদ্ধ, সসেজ, কফি আর কাঁচের পাত্র ভরতি কুঁচি কুঁচি করে কাঁটা ফলের টুকরো। আমার সংকোচ হচ্ছে বুঝেই বোধহয় রুদ্রপ্রসাদ কিছু কিছু খাবার খেতে শুরু করে দিলেন। রাজাও আমাকে খেতে অনুরোধ করলেন, একটা কথা মাথায় ঘুরছিল এবার জিগ্যেস করে ফেললাম—'আপনি তো বেশ বাংলা বলেন দেখছি'। রাজাসাহেব সামান্য হেসে বললেন—'কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েশন করেছি, বাংলাটা তখনই যা শেখার শিখে নিয়েছি'। রাজাসাহেব হঠাৎ সুর পালটে বললেন—'কুমার আপনার সঙ্গে দেখা করার জন্য আমি যে কবে থেকে অপেক্ষা করে আছি, একটা প্রশ্নের সঠিক উত্তর শুধু আপনিই দিতে পারবেন! রাজাসাহেব ঠিক কি বলতে যাচ্ছিলেন জানি না, তবে এবারে আমার ধৈর্যহানি ঘটল, বলে ফেললাম—'প্লিজ আমাকে এভাবে কুমার-টুমার বলবেন না, আমার অবস্থা আপনার কোনও সাধারন কর্মচারীর থেকে খুব বেশি উন্নত কিছু নয়'। রাজাসাহেব যেন অকস্মাৎ খেই হারিয়ে ফেললেন, সামান্য পরে দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন—'আমার উদ্দেশ্য আপনাকে নিয়ে মস্করা করা নয়, এই যে আজকের যুগেও রাজপরিবারের নাম বয়ে বেড়ানো এটা একটা অভিশাপের মতো, আমাদের দুজনের জীবনেরই সবথেকে বড় ট্র্যাজেডি! শুধুমাত্র এজন্যেই আমি আমার একমাত্র সন্তানকে হারিয়েছি আর আপনিও তো নিজের জীবন একরকম বিপন্ন করেই ফেলেছেন'। রাজাসাহেব এবারে কাউচ থেকে উঠে জানলার ধারে গিয়ে দাঁড়ালেন, আমার মনে হল উনি বোধহয় চোখের জল আড়াল করতেই এমনটি করলেন, ঘরের নিস্তব্ধতা ভেঙে রুদ্রপ্রসাদ বললেন—'চণ্ডের উদ্দেশ্যে বলি দেওয়ার জন্য যে ছেলেটিকে বন্দি করে রাখা হয়েছিল সে আর কেউ নয়, রাজাসাহেবের সন্তান প্রবীণচন্দ্র'। বিস্ময়ের ঘোরে মুখ দিয়ে শুধু এটুকু কথাই বের হল—'সেকি'? ঘরে একটা অদ্ভুত নীরবতার সৃষ্টি হল যেটা ভেঙে রাজাসাহেব বললেন—'বিয়ের অনেকগুলো বছর পরেও যখন সন্তানের মুখ দেখলাম না তখন আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলাম, অকস্মাৎ আমার স্ত্রী গর্ভবতী হলেন, আমাদের একটি পুত্রসন্তান হল, মিঃ মিত্র নিশ্চয়ই আপনাকে সব বলেছেন'? রুদ্রপ্রসাদ বললেন— 'রাজাসাহেব আমি কিন্তু জয়ন্তকে কিছুই বলিনি, আমি চাইছিলাম ও এই বিষয়টা আপনার মুখ থেকেই শুনুক'। রাজাসাহেব এসে সোফায় বসলেন, বললেন—'আপনার ব্যাপারটা আমি মিত্রবাবুর কাছে শুনেছি, কিভাবে আপনি এসবের মধ্যে জড়িয়ে পড়লেন, সবকিছু। আমরা দুজনেই কিন্তু ভিক্টিমাইসড হয়েছি একটা অদ্ভুত কমন কারণে, আমাদের পূর্বপুরুষদের ফিউডাল স্ট্যাটাসের জন্য, তবে এতবড় ঝুঁকি যখন নিয়েছেন তখন সবকিছু বিশদভাবে জানা আপনার অবশ্যই প্রয়োজন, মিত্রবাবু যখন বলেননি তখন আমারই বলা উচিত, কিন্তু কিভাবে বলব, সেটাই ভাবছি।

সকল অধ্যায়
১.
প্রথম অধ্যায়
২.
দ্বিতীয় অধ্যায়
৩.
তৃতীয় অধ্যায়
৪.
চতুর্থ অধ্যায়
৫.
পঞ্চম অধ্যায়
৬.
ষষ্ঠ অধ্যায়
৭.
সপ্তম অধ্যায়
৮.
অষ্টম অধ্যায়
৯.
নবম অধ্যায়
১০.
দশম অধ্যায়
১১.
একাদশ অধ্যায়
১২.
দ্বাদশ অধ্যায়
১৩.
ত্রয়োদশ অধ্যায়
১৪.
চতুর্দশ অধ্যায়
১৫.
পঞ্চদশ অধ্যায়
১৬.
ষোড়শ অধ্যায়
১৭.
সপ্তদশ অধ্যায়
১৮.
অষ্টাদশ অধ্যায়
১৯.
ঊনবিংশ অধ্যায়
২০.
বিংশ অধ্যায়
২১.
একবিংশ অধ্যায়
২২.
দ্বাবিংশ অধ্যায়
২৩.
ত্রয়োবিংশ অধ্যায়
২৪.
চতুর্বিংশ অধ্যায়
২৫.
পঞ্চবিংশ অধ্যায়
২৬.
ষড়বিংশ অধ্যায়
২৭.
সপ্তবিংশ অধ্যায়
২৮.
অষ্টাবিংশ অধ্যায়
২৯.
ঊনত্রিংশ অধ্যায়
৩০.
ত্রিংশ অধ্যায়
৩১.
একত্রিংশ অধ্যায়
৩২.
দ্বাত্রিংশ অধ্যায়

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%