স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
আমাদের বাড়িতে প্রথম টেলিভিশন আসে উনিশশো সাতাত্তর সালে। সেই যে পেলে এসেছিলেন কসমস টিমের হয়ে এখানে খেলতে তার কিছুদিন আগে। আমার বয়স তখন এক। তাই কিছু যে মনে থাকবে না সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মায়ের কাছে শুনেছি যে সেই ম্যাচটা টেলিভিশনে দেখানো হয়েছিল। আর তাই সেদিন আমাদের বাড়িতে গোটা পাড়াটাই ভেঙে পড়েছিল! আমাদের লম্বা বারান্দার এক মাথায় টিভিটা এনে রাখা হয়েছিল আর ঠাসাঠাসি করে লোকজন বসেছিল সেই বারান্দায়! আসলে পাড়ায় আর কোনও বাড়িতেই তখন টিভি ছিল না যে!
আমার স্মৃতিতে প্রথম টেলিভিশন বলতে ঠাম্মার অসুস্থ শরীর নিয়ে বসে টিভি দেখার দৃশ্যটাই ভেসে ওঠে। খুব অল্প সময়ের জন্য তখন টিভিতে অনুষ্ঠান প্রচারিত হত। লোকজন তা-ই দেখত অবাক হয়ে। রেডিয়োয় অভ্যস্ত জনগণের কাছে তখন টিভি ছিল এক বিস্ময়! সিনেমা হলে যা দেখা যায় বাড়িতে বসেও তাই দেখা যাচ্ছে! ভাবা যায়!
তখনকার টিভিগুলো দেখতেও ছিল অদ্ভুত। বড় বড় কাঠের বাক্স যেন একএকটা। সামনে দুই দিক থেকে টেনে কপাট বন্ধ করার মতো স্লাইডিং পাল্লা থাকত। কোনও কোনও কাঠের বাক্সের তলায় আবার স্ট্যান্ড লাগানো থাকত যাতে টিভিকে মাটিতে দাঁড় করিয়ে রাখা যায়।
টিভির পেছনে থাকত প্লাইউডের ঢাকনা। তাতে স্লট কাটা থাকত যাতে টিভি গরম না হয়ে যায় তার জন্য। আমরা সেই স্লটে চোখ রেখে দেখতাম টিভির পেটের মধ্যে লাল-কমলা আলো জ্বলছে! ডায়োড ট্রায়োড ব্যাপারটা তখন জানতাম না। কিন্তু টিভির মধ্যেকার অন্ধকারে জ্বলে থাকা ওই আলোগুলোর কী যে কুহক ছিল কে জানে! আমি মাঝে মাঝেই সেই আলোগুলোর দিকে তাকিয়ে থাকতাম।

টিভির একদিকে থাকত স্পিকার। আর অন্যদিকে নানান ধরনের নব। সেসব ঘুরিয়ে অনেক কিছু অ্যাডজাস্ট করা যেত। আর ছিল একটা বড় গোলমতো চাকতি। অনেকটা ক্যারামের বড় স্ট্রাইকারের মতো দেখতে। তাতে এক দুই তিন করে চ্যানেলের সংখ্যা লেখা থাকত। খট্খট্ শব্দে সেটা ঘোরানো যেত ফ্যানের রেগুলেটরের মতো। তবে ঘুরিয়ে লাভ হত না। তখনটা একটাই মাত্র চ্যানেল থাকত। আর অন্যসব জায়গায় শুধু সাদা কালো ঝিরিঝিরি দেখা যেত।
টিভির সঙ্গে আর যে জিনিসটা থাকত সেটা হল অ্যান্টেনা। তিনটে অ্যালুমিনিয়ামের রড ছিল সেই অ্যান্টেনায়। মাঝের রডটা ছিল আবার বাঁকানো জেমস ক্লিপের মতো! সেই অ্যান্টেনায় থাকত ছোট্ট একটা প্লাস্টিকের বাক্স। সেই বাক্স থেকে তার নেমে আসত নীচে রাখা টিভি অবধি। আর টিভির সঙ্গে ছোট্ট একটা প্লাগ দিয়ে লাগানো থাকত সেই তার। প্রথমে তিন ঠ্যাঙের অ্যান্টেনা থাকলেও পরে এল পাঁচ ঠ্যাঙের অ্যান্টেনা। ওতে নাকি সিগনাল ভাল ধরা যাবে!
কাক বা অন্য পাখিদের বসার শ্রেষ্ঠ জায়গা ছিল সেই অ্যান্টেনা। আর শুধু বসেই ক্ষান্ত দিত না তারা। ঠোঁট দিয়ে মাঝে মাঝেই সেই তার ছিঁড়ে দিত। তখন ছিল মেরামতের পালা। না হলে টিভি বন্ধ হয়ে যেত যে! আর তার ছিঁড়ে দেওয়াই শুধু নয়, পাখিদের বসার কারণে মাঝে মাঝে অ্যান্টেনা ঘুরেও যেত। আর তার ফলে ঝিরঝির করত ছবি। তখন ছাদে উঠে চলত অ্যান্টেনা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ছবি ঠিক করার পালা।
এখনও মনে আছে একজন নীচে দাঁড়িয়ে থাকত আর যে ছাদে উঠে অ্যান্টেনা ঘুরিয়ে ঠিক করছে তাকে ক্রমাগত রিলে পদ্ধতিতে ইন্সট্রাকশন দিয়ে যেত যে, ‘আরেকটু ঘোরাও, আরেকটু... হ্যাঁ হ্যাঁ, ঠিক আছে, আরে বেশি ঘুরে গেল। উল্টোদিকে ঘোরাও। হ্যাঁ প্রায় হয়ে গেছে... আরেকটু, ব্যাস ব্যাস...' বাড়ির সবাই উৎকণ্ঠা নিয়ে বসে থাকত কখন অ্যান্টেনার অ্যালাইনমেন্ট ঠিক হবে সেই আশায়! তিরাশির ওয়ার্ল্ড কাপ ক্রিকেট বা ছিয়াশির ওয়ার্ল্ড কাপ ফুটবলের সময় খেলা শুরুর আগেই চেক করা রাখা হত যে অ্যান্টেনা ঠিক আছে কিনা!
আর ছিল নীল স্বচ্ছ প্লাস্টিকের স্ক্রিন গার্ড! এমনি টিভি দেখলে নাকি চোখ খারাপ হয়ে যাবে। তাই কিনে আনা হল পিকচার টিউবের মাপের স্ক্রিন গার্ড। সেটা টিভির স্ক্রিনে লাগিয়ে দেওয়া হত। তারপর সাদা কালো ছবিগুলোয় কেমন যেন একটা নীলচে টোন আসত। তাতে চোখ বাঁচত কিনা আমরা জানি না, কিন্তু অন্যরকম কিছু একটা হওয়ার আনন্দে আমরা মশগুল থাকতাম !
আমাদের পাড়ায় উনিশশো তিরাশি চুরাশি সাল অবধিও দু'-তিনটে বাড়িতে মাত্র টিভি ছিল। তাই সন্ধে হলেই পাড়ার কাকু-কাকিমারা এসে আমাদের বাড়িতে জড়ো হত টিভি দেখবে বলে! সে টিভিতে যাই হোক না কেন, সবাই হাঁ করে তাকিয়ে দেখত। আর তার সঙ্গে চা মুড়ি চপ ইত্যাদি চলত সমান তালে। সব যে আমরাই দিতাম তা নয়, যারা টিভি দেখতে আসত তারাও নানান খাবার বানিয়ে আনত সঙ্গে করে।
টিভি দেখতে আসাটা একটা ঘটনা ছিল সেইসব সন্ধেবেলাগুলোতে। আর যখন খেলা দেখানো হত তখন তো কথাই নেই। সামনের অরুণাচল ক্লাবের থেকে প্রায় সবাই এসে ভিড় করত বাড়িতে। কেউ খাটে বসত, কেউ আবার বসত মেঝেতে। মানে যে যেখানে পারত বসে পড়ত আর কী। আর ঘরে যখন জায়গা হত না, তখন জানলায় এসে ভিড় করত লোকজন।
আমাদের সেই সময় প্রাইভেসি বলে বিশেষ কিছু ছিল না। মানুষজনের সেই বোধটাও কম ছিল। যে যখন পারত আমাদের কোল্যাপসিবল গেট ঠেলে ঢুকে পড়ত বাড়িতে। জানলার পর্দা তুলে দাঁড়িয়ে পড়ত টিভি দেখতে। আর আমাদের কাছেও সেটা খুব স্বাভাবিক ছিল। এই নিয়ে কাউকে কখনও কিছু মনে করতে বা বলতে দেখিনি।
আমাদের মানে ছোটদের, টিভি দেখার ব্যাপারে নানান বিধিনিষেধ ছিল। সেই সময় বুধবার করে চিত্রহার আর বৃহস্পতিবার করে হত চিত্রমালা। চিত্রহার-এ দেখানো হত হিন্দি সিনেমার গান আর চিত্রমালা-য় দেখানো হত বাংলা সিনেমার গান! মায়ের কাছে খুব কাকুতিমিনতি করে আমরা সেইসব দেখার অনুমতি জোগাড় করতাম। তবে সবসময় নয়। মাসে-দু’মাসে একবার করে।
আর ছিল সিনেমা। ছোট থেকেই সিনেমা দেখার প্রবল আগ্রহ ছিল আমাদের। মানে আমি ও আমার পিসতুতো খুড়তুতো ভাইবোনদের। তখন শনি আর রবিবার করে বিকেল সাড়ে পাঁচটার সময় সিনেমা দেখানো হত দূরদর্শনে। মানে কখনও শনিবার হিন্দি ছবি, রবিবার বাংলা ছবি। আবার কখনও উল্টোটা।
বাড়িতে একটা শর্ত দিত বড়রা। যদি দুপুরবেলা করে পড়াশুনো করে নিই তা হলে বিকেলে ওই সিনেমা দেখতে দেওয়া হবে। ব্যাস দুপুরবেলা করে শুরু হয়ে যেত আমাদের পড়াশুনো। তবে এমনও হয়েছে যে দুপুরে পড়াশুনো করে বিকেলে সিনেমা দেখতে বসে দেখলাম লোডশেডিং হয়ে গিয়েছে!
টিভিতে সিনেমা দেখার মজার দিকটা ছিল হাফ টাইম ব্যাপারটা! মানে আমরা সেরকমই বলতাম আর কি। সন্ধে সাড়ে সাতটার সময় সিনেমাটা সাময়িক বন্ধ করে খবর পড়া দেখানো হত। সেটাই ছিল আমাদের হাফ টাইম। সেইসময় আমাদের ছোটদাদু দোকান থেকে নানান রকম খাবার কিনে আনত। লোকাল বিস্কুট থেকে শুরু করে নানান রকম চপ, মোগলাই পরোটা, ঘুগনি আরও কত কী যে পাওয়া যেত হাফ টাইমে!
টিভিতে তখন হিট হিন্দি সিরিয়াল ছিল নুক্কড, হামলোগ, বুনিয়াদ, রজনী, মিস্টার ইয়া মিসেস! তবে আমার ফেভারিট ছিল করমচন্দ! ডিটেকটিভ সিরিয়াল! পঙ্কজ কাপুর অভিনয় করতেন করমচন্দের ভূমিকায়! কালো সানগ্লাস, কাঁচা গাজর চিবিয়ে খাওয়া আর গালে কপালে হাত দিয়ে আঙুলের একটা অদ্ভুত ভঙ্গি আমরা সবাই নকল করার চেষ্টা করতাম! তার সহকারিণী কিটি ছিল খুব মজার চরিত্র! করমচন্দ ছিল সুপারহিট!
বাংলায় চলত তেরো পার্বণ আর ছোটদের জন্য ছিল দারুণ আগ্রহের স্টার ট্রেক আর জনি সোকো অ্যান্ড হিজ ফ্লাইং রোবোট! স্টার ট্রেক দেখে আমরা সিগারেটের প্যাকেট আর রাবার ব্যান্ড দিয়ে বানিয়ে ফেলতাম ভাঁজ করা ওয়াকি টকি! অনেকটা এখনকার দিনের ফ্লিপ মোবাইলের মতো! তখন সেসব ছিল স্বপ্নের জিনিস!
আর বানাতাম ঘড়ি। জনি সোকোর মতো ঘড়ি! যার দ্বারা সে নিয়ন্ত্রণ করত তার রোবোটটিকে! সেই ক্লাস টু-থ্রি বয়সে এসব নিয়ে স্কুলে কত যে আলোচনা হয়েছে! আমি আর আমার বন্ধু সঞ্জয় মিলে কতজনকে যে অমন ভাঁজ করা ওয়াকি টকি বানিয়ে দিয়েছি তার ইয়ত্তা নেই!
এ ছাড়া ছিল দর্শকের দরবারে। খুব সম্ভব বুধবার করে হত সেই অনুষ্ঠান! দর্শকদের পাঠানো চিঠি পড়ে তার উত্তর দেওয়া হত !
এর পর এল রবিবারের টেলিভিশন। সকালবেলার সব অনুষ্ঠান! বাচ্চাদের থেকে বাড়ির বড়দের জন্য নানান সিরিয়াল আর কার্টুন শো। রবিবার পড়াশুনো সেরে টিভি দেখার একটা আগ্রহ বাড়তে লাগল আমাদের। মাঠে খেলতে যাবার ব্যাপারে টান পড়ল একটু। সেটা ক'দিন দেখার পর বাড়ি থেকে রবিবারের সকালের টিভি দেখা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল আমার!
এর পর এল বুস্টারের হুজুগ! মানে এটাও একটা অ্যান্টেনা, কিন্তু আকারে অনেক ছোট আর ঠ্যাঙের সংখ্যা অনেক বেশি! এটাকে লাগানো হত বড় অ্যান্টেনার মাথায়। এটা লাগালে নাকি বাংলাদেশের নানান চ্যানেল দেখতে পাওয়া যায়! কয়েকটা বাড়িতে এই বুস্টার লাগানোও হয়েছিল। আমাদের বাড়িতে লাগানো হয়নি যদিও। কারণ তখনকার দিনে লোকের রোজগার কম ছিল। তাই লাক্সারির জন্য টাকাপয়সা খরচ করার ব্যাপারে মানুষজনের একটা তীব্র অনীহা ছিল। বুস্টার লাগানো বাড়িতে আমরা মাঝে মাঝে যেতাম খেলা দেখতে। যেসব খেলা এখানে দেখাত না সেসব খেলার অনেকটাই তখন বাংলাদেশের টিভিতে দেখানো হত! আমার কাছে টিভিতে খেলা দেখাটা একটা খুব বড় ব্যাপার ছিল।
তখনকার প্রায় সব টিভিই ছিল সাদা কালো। মানে বাড়িতে টিভি আছে সেটাই বড় ব্যাপার তার ওপর আবার রঙিন! না না অতটা ভাবার মতো মনের জোর ছিল না আমাদের।
মনে আছে টিটোদাদা বলে একজনদের বাড়িতে রঙিন টিভি আনা হয়েছিল। তারা কাউকে বাড়িতে ঢুকতে দিত না। আমরা বাইরের জানলা দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখতাম, প্লাস্টিক খোলের চকচকে টিভি। সামান্য বর্তুল পিকচার টিউব। আর টিভির ওপরে রাখা পেনসিল বক্সের মতো একটা জিনিস! পরে জেনেছিলাম ওটাকে বলে রিমোট কন্ট্রোল! চেয়ারে বা বিছানায় বসে দূর থেকেই নাকি ওর সাহায্যে টিভিকে নিয়ন্ত্রণ করা যায় ! ভাবা যায়! আমরা হাঁ করে মাঝে মাঝে টিটোদাদাদের বাড়ির জানলা দিয়ে সেই আশ্চর্য পেনসিল বক্সটা দেখতাম!
আমাদের বাড়ির টিভিটা ছিল ‘সোনোডাইন'। পরে বাড়িওলা মানে জেঠু-মাম্মামদের টিভি এলো। নাম ‘নেলকো'! তারপর এদিক ওদিক আস্তে আস্তে আরও নানান ব্র্যান্ড আসতে আরম্ভ করল। ‘ডায়োনারা’, ‘বুশ’, ‘ওয়েস্টন’, ‘বেলটেক’, ‘কেলট্রন' ইত্যাদি ইত্যাদি। আমাদের ছোট্ট নিম্নমধ্যবিত্ত পাড়ার বাড়িগুলোর মাথায় জেগে উঠতে লাগল নানান মাপের অ্যান্টেনা। আস্তে আস্তে আমাদের বাড়িতে টিভি দেখার ভিড় কমতে লাগল! আমাদের জয়েন্ট ফ্যামিলিও ভাঙতে শুরু করল। সবাই এদিক ওদিক ছড়িয়ে পড়তে লাগল। আমরাও সাতাশি সালে বাটানগরের পাট চুকিয়ে চলে এলাম কলকাতায়!
পরের বছর বাড়িতে এল রঙিন টিভি! বিপিএল-ইন্ডিয়া! এল সেই পেনসিল বক্সের মতো রিমোট কন্ট্রোল! কিন্তু তখন টিভি দেখতাম আমি, মা আর মিষ্টিদাদু। বাকি আর কেউ নেই! বাটানগরের বাড়ির পনেরো-কুড়িজন মিলে সেই টিভি দেখার আনন্দ আর রইল না।
তারপর তো কেবল টিভির যুগ! অ্যান্টেনার হারিয়ে যাওয়ার সময়! শহর আর শহরতলি তারপর ধীরে ধীরে আচ্ছন্ন হয়ে গেল প্রচুর চ্যানেল আর কাটাকুটি কেবল টিভির তারে!
এখনও ইলেকট্রনিক্স জিনিস সারাবার দোকানে গেলে পুরনো দিনের টিভি দু'-একটা পড়ে আছে কিনা, আমি খুঁজি। রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে খুঁজি এখনও কোনও বাড়ির ছাদে দাঁড়িয়ে আছে কিনা নিঃসঙ্গ অ্যান্টেনা! কশ্চিৎ চোখে পড়লে কী যে ভাল লাগে! আবার তার সঙ্গে মনখারাপও হয়ে যায়! অ্যান্টেনা যেন টাইম মেশিন। নিমেষে আমায় নিয়ে যায় সেই কবেকার ছোটবেলায়! সেই শাটার টানা সাদা কালো টিভি! একসঙ্গে খেলা দেখার দুপুর! আর আনন্দের দিনগুলোয় !
টিভি এখন রঙিন হয়েছে, কিন্তু জীবনের মজার রংগুলো চলে গিয়ে জীবন এখন হয়ে উঠেছে সাদা কালো! আর এখন আমরাও যেন সবাই অমন নির্জন অ্যান্টেনা! আনন্দের থেকে ভালবাসার থেকে বহুদূরে বেঁচে থাকা একা একা কিছু মানুষজন মাত্র!

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন