স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
জানি না কেন অনেক বাচ্চার মতোই আমারও ছোটবেলায় বন্দুকের প্রতি একটা তীব্র আকর্ষণ ছিল। কেউ যদি আমাকে জিজ্ঞেস করত, 'কীরে, কী নিবি বল।’ আমি প্রত্যেকটা সময় বলতাম, ‘বন্দুক!
মা আমাকে নানান রকম খেলনা বন্দুক কিনেও দিত। কিন্তু সত্যি বলতে কী, ওসবে আমার ঠিক মন ভরত না। সব তো প্লাস্টিকের। হয় তার থেকে বড় বড় পিং পং বলের মতো গুলি বেরয় নয়তো লম্বা তিরের মতো মাথার সামনে রাবারের ভ্যাকুয়াম লাগানো গুলি বেরয়! এসব তো খেলনা, মিছিমিছি! আমার যে চাই আসল বন্দুক। যার থেকে আসল গুলি বেরবে!
আমার ন’কাকা মানে যাকে আমি পঙ্কা বলতাম তার একটা বাক্স ছিল। পুরনো, সামান্য জং-ধরা জ্যামিতি বক্স আর কি। আর তার মধ্যে কত কী ছোট্ট ছোট্ট বিচিত্র জিনিস যে পঙ্কা জমিয়ে রাখত তা বলার নয়। আর সেইসব জিনিসের মধ্যে রাখা ছিল একটা বুলেট! নকশাল আমলে বাটানগর-নঙ্গী অঞ্চলটা বেশ উপদ্রুত ছিল। অনেক খুন-জখম হয়েছে। সেই সময়ই নাকি পঙ্কা এটা কোথা থেকে কুড়িয়ে পেয়েছিল!
আমি মাঝে মাঝে সেই বুলেটটা হাতে নিয়ে দেখতাম, আর ভাবতাম কবে যে আমার একটা রিভলভার থাকবে!
না, আমার রিভলভার জীবনেও হয়নি। তবে ক্লাস টু-তে পড়ার সময় রিভলভার দেখার শখ মিটেছিল।
আমাদের বাড়ির পাশেই ছিল বড় পুকুর। তার একদিকে ছিল কাঠগোলা আর একটা মাটির খুরি তৈরির দোকান। সেই দোকানের পেছনের ছোট্ট একটা ঘরে থাকত শ্যামাকাকা।
ছোট্ট রোগাটে চেহারা ছিল শ্যামাকাকার। গালে চাপ দাড়ি। মাথায় একদম ছোট করে কাটা চুল। সারা শরীরের মধ্যে দেখার মতো ছিল ওর দুটো চোখ। ইয়া বড় বড়! আমাদের রান্নাঘরটা ছিল ওই পুকুরের গা ঘেঁষে। শ্যামাকাকা পুকুরপাড় দিয়ে মাঝে মাঝে রান্নাঘরের জানলার সামনে আসত। বলত, ‘বউদি আজ কিছু খাওয়ার নেই, খাবার দেবে একটু?'
মা ওর আনা থালায় বাড়িতে যা যা রান্না হত সব সাজিয়ে দিত। শ্যামাকাকা মাঝে মাঝে ওই ভাবে এসে আমাদের সঙ্গে গল্পও করত। আমরা দুষ্টুমি করলে মা বলত, “শ্যামা ওদের একটু বকে দে তো!’
শ্যামাকাকা তার বড় বড় চোখ আরও বড় করে আমাদের ভয় দেখাত। বলত, “শানি বুড়োর জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ছেড়ে দিয়ে আসব!’
শানি বুড়ো নামে একজন লোকের একটা বড় বাগান ছিল। সেটা পরিচর্চার অভাবে প্রায় জঙ্গলে পরিণত হয়ে গিয়েছিল। সেখানে নাকি বাঘ থাকত। রক্তচোষা বাদুর থাকত। সেখানে নাকি স্কন্ধকাটা ভূত থাকত। আর থাকত নিশি! ফলে সেই বয়সে শানি বুড়োর জঙ্গলের মতো ভয়ঙ্কর জায়গা বাটানগরে আর ছিল না।
তা এমনই একদিন মা বলেছে, ‘শ্যামা দেখ ওরা খেতে ঝামেলা, করছে বকে দে তো ওদের।’ ব্যাস, বলার কিছু পরেই শ্যামাকাকা আমাদের বারান্দার পাশে পুকুরের দিকে যে বিরাট বড় গ্রিলটা ছিল তার সামনে এসে একটা কালো ছোট রিভলভার দেখিয়ে বলেছিল, ‘খেয়ে নে সবাই। না হলে এটা দেখেছিস তো!’
আরিব্বাস রিভলভার! আমাদের তো ভয় লাগেইনি। বরং আমরা আগ্রহী হয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়েছিলাম গ্রিলের ওপর। শ্যামাকাকাকে কাকুতিমিনতি করে বলেছিলাম, ‘একবার একটু ধরতে দাও না।’
শ্যামাকাকা বলেছিল, 'না, এটা বাজে জিনিস। এসব তোরা ধরবি কেন? তোরা ভাল করে পড়াশুনো করবি। আমার মতো গুন্ডা ডাকাত হবি নাকি?”
হ্যাঁ, শ্যামাকাকা ডাকাতি করত। মাঝে মাঝেই দেখতাম লোকটা নেই। তারপর বেশ কিছুদিন পরে ফিরে এসে বলত, ‘এই জেল থেকে এলাম!’
মানে এমন করে বলত যেন পার্কে ঘুরতে গিয়েছিল।
আমি সেদিন উৎসাহিত হয়ে রিভলভারটা দেখিয়ে জিজ্ঞেস করেছিলাম, ‘এটা দিয়ে কী করো? গুলি মারো?”
শ্যামাকাকা সামান্য উদাস হয়ে বলেছিল, 'হ্যাঁ রজতদার দলের অ্যাকশনে লাগে তো! তবে ভাল লাগে না। এটা ছাড়তে পারলে বাঁচি!’
অ্যাকশন! এই শব্দটার সঙ্গে আমরা যারা বাটানগর-নঙ্গীতে থাকতাম তারা সবাই পরিচিত ছিলাম। কারণ বাটানগরে মাঝে মাঝেই অ্যাকশন হত।
সেই আশির দশকে বাটানগরে মূলত তিনটে দল ছিল। স্টেশনের কাছে রজতকাকা। গঙ্গার পাড়ে মানসকাকার আর এক নম্বর গেটের কাছে সুদীপকাকার। বলাই বাহুল্য সবক'টা নামই পালটে দিলাম।
এদের সবাইকে কাকা বলতাম কারণ এরা সবাই আমাদের কাকাদের, দাদুদের পরিচিত ছিল। আর এমনি সাধারণ দিনে এরা খুবই ভাল করে কথা বলত। হাসিঠাট্টা করত। দেখা হলে আমাদের লজেন্স-টজেন্সও কিনে দিত। কিন্তু বছরে মাঝে মাঝেই কিছু ‘অ’-সাধারণ দিনও আসত। সেদিন বাটানগরে অ্যাকশন হত ।
আমি যে সময়ের কথা বলছি তখন বাটা কোম্পানির মূল জুতোর ফ্যাক্টরিটা ছিল বাটানগরে। প্রায় পনেরো হাজার শ্রমিক কাজ করতেন সেখানে। গোটা অঞ্চলটার অর্থনীতি ছিল বেশ ভাল। বাটা কোম্পানির বাতিল ও ছাঁট-কাট করা মাল প্রতিদিন লরি করে নিয়ে এসে জমা করা হত একটা ডাম্পিং গ্রাউন্ডে। সেটাকে বলা হত ক্যাঁচড়াখানা। আর ওই বাতিল মাল নিয়ে মাঝে মাঝেই ঝামেলা লাগত রজতকাকা আর মানসকাকার গ্যাঙের মধ্যে!
আর শুধু এইটুকুই না। আরও ছিল। যেমন বাটা সিনেমার টিকিট ব্ল্যাক কে করবে? কালীপুজোয় জুয়ার বোর্ড কে বসাবে? বাটা মোড়ে সাট্টার ঠেক কে চালাবে? মালগাড়ির ওয়াগন ব্রেকিং কোন অঞ্চলে কে করবে? এই নানান পয়েন্ট অব্ ইন্টারেস্ট নিয়ে মাঝে মাঝেই গোলমাল হত। আর গোলমাল হত কালীপুজোর ভাসানের সময়। কার ঠাকুর আগে গঙ্গায় ভাসান দেওয়া হবে সেই নিয়েও ঝামেলা চলত! পাড়ার বড় কাকারা বলত, ‘নাও, আবার বাওয়াল শুরু হল!’
এই ঝামেলা লাগার কোনও সময়-গময় ছিল না। দিনের যে কোনও সময়ে ঝামেলা লাগতে পারত। গাছপালা, কোয়ার্টার, বাড়িঘরের মধ্যে দু'জনেরই অলিখিত একটা বর্ডার ছিল। সেই অ্যাকশনের সময় ওই বর্ডার টপকে দু'দলের ছেলেপিলেরা হানা দিত এ ওর পাড়ায়। বোমা পড়ত মুড়ি-মুড়কির মতো। যারা মারামারি করত তারাই পাড়ার মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময় চিৎকার করতে করতে যেত! বলত, 'দরজা, জানলা বন্ধ করে দিন, দরজা, জানলা বন্ধ করে দিন!’ মানে বোমার স্প্লিন্টার বা গুলি যদি ঘরে ঢুকে আসে!
এমন দিনে আমাদের বাড়ির কোলাপসিবল গেট টেনে তাতে তালা লাগিয়ে দেওয়া হত। রাস্তার দিকের জানলা বন্ধ করে দেওয়া হত। আমাদের বলা হত যেন ঘরের মধ্যেই থাকি।
বাড়িওয়ালা জেঠু আর মাম্মামদের ওপরে যাওয়ার সিঁড়ির ল্যান্ডিংয়ে একটা জাফরি ছিল। আমি সেই জাফরিতে চোখ রেখে দেখতাম ছেলেপিলেরা ছোটাছুটি করছে। শঙ্করদা মানে মাম্মামের ছেলে, আমায় চিনিয়ে দিত, ওটা ওয়ান-শটার, ওটা সোর্ড আর ওই বড় মতো জিনিসটা হল পাইপগান!
সেই সময়টা ছিল পাইপগানের যুগ। লোহার পাইপ কেটে, আর মালগাড়ির স্প্রিং-পাতি দিয়ে বানানো হত দেশি পদ্ধতির এই বন্দুক।
ওই জাফরি দিয়ে সবসময় ভাল করে দেখা যেত না। আমরা তাই মাঝে মাঝে ছাদেও উঠে যেতাম। ছাদের পাঁচিলের গায়ে জাফরি দিয়ে দেখতাম অ্যাকশন!
ওই রজতকাকা বাটা অঞ্চলের ডোবার পাশ দিয়ে খালি গায়ে কোমরে গামছা বেঁধে হাতে পাইপগান নিয়ে মাথা নিচু করে দৌড়চ্ছে! ওই শ্যামাকাকা রিভলভার হাতে দূরের কচুবনে হাঁটু গেঁড়ে লুকিয়ে আছে। ওই জিপকাকা হাতের থলি থেকে বোমা বের করে ছুড়ে মারল! শঙ্করদা পাশের থেকে আমায় শেখাত, ‘ওই বোমাগুলোকে বলে পেটো। লাল সাদা মাল! বুঝলি?”
লাল সাদা? আরে সে তো আমার নার্সারি স্কুলের ড্রেস! লাল প্যান্ট, সাদা জামা! বোমাও আবার অমন হয় নাকি?
বোমার ধোঁয়া উড়ত। গুলির ঠাশ্ ঠুশ্ শব্দ আসত। ধুপধাপ শব্দ করে লোকজন দৌড়ত ইটপাতা রাস্তা দিয়ে। চিৎকার হত আচমকা। তারপর আসত পুলিশের জিপ আর কালো ভ্যান। ধড়পাকড় হত। ছেলেপিলেরা পাড়ার মধ্যেকার মাকড়শার জালের মতো রাস্তার ভাঁজে ভাঁজে মিলিয়ে যেত কোথায়! সারা অঞ্চল থমথম করত।
মিষ্টিদাদুর সেদিন দোকান থেকে ফিরতে দেরি হত। ভাইপো আড্ডা থেকে চলে আসত তাড়াতাড়ি। বাবা তো ট্রেনে করে আসবে! তাই বাবা না ফেরা পর্যন্ত সবার দুশ্চিন্তা হত খুব
আমার ভয় লাগত। আবার কেমন যেন এক অজানা রোমাঞ্চও অনুভব করতাম! শনি রবিবারের হিন্দি সিনেমায় আমরা যে ‘ঝাড়পিট' দেখতাম সেটা একদম চোখের সামনে দেখে কেমন একটা চোরা উত্তেজনা হত। মনে হত দর্শক হিসেবে হলেও আমিও যেন এর অংশ! আমিও কোমরে গামছা বেঁধে, খালি গায়ে, মায়ের কিনে দেওয়া ক্যারক্যার শব্দ করা খেলনা বন্দুক নিয়ে এঘর-ওঘর লুকিয়েচুরিয়ে অদৃশ্য কারও সঙ্গে যেন অ্যাকশন করতাম! লাল স্কেচ পেন দিয়ে হাতে, বুকে দাগ করে দেখাতাম আমিও আহত হয়েছি!
আচ্ছা ছোটদের কি ভায়োলেন্সের দিকে একটা স্বাভাবিক আকর্ষণ থাকে? নাকি আমারই শুধু ছিল? এখন এত বছর পরে, যে কোনও রকম ভায়োলেন্সের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে সেই ছোটবেলার আমিটার ওই হিংসাত্মক দিকটার কথা ভাবলে খুব আশ্চর্য লাগে! মনে হয় কেন অমনটা ছিল? সেটা কি শুধুই প্রবণতা নাকি পরিবেশের প্রভাব!
অ্যাকশনের পরের দিন স্কুল যাওয়ার সময় আরেক রকম উত্তেজনা হত। আমাদের স্কুলের বাস আসত বাটা অঞ্চলের নিউল্যান্ড মোড়ের দারোয়ানজির কোয়ার্টারের সামনে। ওই সব অঞ্চলের মাঠেই যেহেতু আগের দিন অ্যাকশন হয়েছে তাই সেই মাঠে যাওয়ার একটা আলাদা উত্তেজনা ছিল আমার।
স্কুলবাসে ওঠার জন্য লাইন দেওয়া হত। সেই লাইনে ওয়াটার বটল রেখে আমরা মাঠে ঘুরতাম। পুলিশ পিকেট থাকত। দেখতাম পুলিশের সামনে বড় বালতিতে জলের মধ্যে ডোবানো রয়েছে দড়ি দিয়ে বাঁধা সেই পেটো। দেখতাম বোমার পোড়া দড়ি পড়ে রয়েছে এদিকে ওদিকে। খালি ভাবতাম আমিও কি কোনওদিন পঙ্কার মতো একটা বুলেট পাব না? কিন্তু কোনও দিন সেই বহু আকাঙ্ক্ষিত বুলেট আমি পাইনি! এখন ভাবি ভাগ্যিস পাইনি! ওসব জিনিস ছোটদের হাতে পড়ার চেয়ে খারাপ কিচ্ছু হতেই পারে না। স্কুলে গিয়ে আমরা সেইসব অ্যাকশনের গল্প করতাম। আর অবশ্যই একটু বাড়িয়েই
বলতাম! গল্প যখন বলা হবে তখন একটু বাড়িয়ে না বললে গল্পের যে অমর্যাদা হয়! বাটানগরের ভেতরের দিকে মানে বাটা কোম্পানির পরের যে অংশটা ছিল সেটা ছিল ‘পশ’ এলাকা। সেখানে ওসব মারামারি হত না। ফলে সেইখানে আমার যেসব বন্ধুবান্ধবীরা থাকত তারা তো আর এসব জিনিস দেখতে পেত না! ফলে চোখ গোলগোল করে তারা আমার ও আমার মতো যারা ওই উপদ্রুত অঞ্চলে থাকত তাদের গল্প শুনত। বর্ণালী ছিল আমার বন্ধু। ওকে সেই ক্লাস টু-থ্রি বয়সেই আমার একটু বেশিই ভাল লাগত। তাই ওর সামনে আমি সবকিছুই আরও একটু বাড়িয়ে চাড়িয়ে বলতাম! বর্ণালী আগ্রহ নিয়ে সবটা শুনত। তারপর দু'গালে গভীর টোল ফেলে হেসে আমার গাল টিপে দিয়ে বলত, ‘বড্ড বাড়িয়ে বলিস! এত বাড়িয়ে বলে কী লাভ হয় তোর?'
আমার কোনওদিন বর্ণালীকে বলা হয়নি, কীসের থেকে কী লাভ হত আমার! পরে, এইসব ঘটনা ঘটে যাওয়ার বেশ কিছুদিন পরে আবার দেখতাম রজতকাকা বসে আছে চায়ের দোকানে। মানসকাকা আড্ডা দিচ্ছে মল্লিক বাজারে। আমাদের শান্ত বাটানগরে ধীরে ধীরে ফিরে আসছে শান্তি।
এইসব অ্যাকশন ছিয়াশি সালের পরে আস্তে আস্তে একদম বন্ধ হয়ে যায়। রজতকাকা মানসকাকারা সব ব্যবসা ও অন্যান্য নানান কাজকম্মে জড়িয়ে পড়ে। কাদের হাতে যেন শ্যামাকাকাও মারা যায় হঠাৎ! আমার বন্দুকপ্রীতি কমে যায় সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। আর বর্ণালী হাই স্কুলে উঠে গিয়ে ভুলে যায় আমাকে। জীবন তার নিজের মতো চলতে থাকে।
তাও এত বছর পরে আশির দশকের সেই দিনগুলো কখনও কখনও মনে পড়ে আমার। উত্তেজনা, ভয় আর মনখারাপ মিশিয়ে কেমন যেন একটা লাগে! যেন দেখতে পাই শীতের ধূসর রোদের মধ্যে দিয়ে আমাদের সাধারণ মধ্যবিত্ত পাড়ার ইটের রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে কিছু দামাল ছেলে। তাদের খালি গা, ব্যাগে পেটো, হাতে পাইপগান! তারাই যেন তখনকার উঠতি হিরো জ্যাকি শ্রফ! সঞ্জয় দত্ত!
এখন জীবনে সারাক্ষণ একটা ভায়োলেন্স বয়ে বেড়াতে হয় আমাদের। ইন্টারনাল ভায়োলেন্স! তার তুলনায় তখনকার সেইসব অ্যাকশন যেন নেহাতই কমিকস বইয়ের পাতা থেকে উঠে আসা কিছু ঘটনামাত্র। এমন ঘটনা যা এত বছর পরেও ছমছমে ভাব আনে। আনে এক অন্যরকম মনখারাপ!
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন