সমরেশ মজুমদার

মহীতোষের আজ হল কী?
সকলের প্রতি একটা সকৃপ দৃষ্টি, কেমন একটা, 'বৎস, বর প্রার্থনা করো'—গোছের বিজাতীয় দয়ালুতা বিশ্বজনীন বাৎসল্যের সঙ্গে ওতপ্রাোত হয়ে সর্বদাই তার মুখে লাগানো থাকত—কিন্তু সেগুলো আজ তার যথাস্থানে দেখা যাচ্ছে না কেন?
কী হল মহীতোষের?
কফি হাউসের সীমান্ত প্রদেশে গিয়ে ওকে পাকড়াও করলাম : 'কী হে? হয়েছে কী তোমার?'
শূন্যগর্ভ কফির পেয়ালার ভেতর থেকে মহীতোষের জবার এল : 'মেয়েরা—ছো:! মেয়েদের কথা আর বোলো না!'
'কেন, কেন, মেয়েদের প্রতি ছোঁ মারবার মতো কী হল তোমার হঠাৎ?'
অবাক হয়ে আমি জিগ্যেস করি।
কফির পেয়ালার আড়াল থেকে মুখ বার করে—শেষ চুমুকটি নি:শেষ করে—ধীরে ধীরে বিশদ করল মহীতোষ : 'শুনলে তুমি দু:খিত হবে বন্ধু আমার আর বিনীতার মধ্যে আর—আর বাক্যালাপ নেই। বাতচিত চিরতরে বন্ধ। এমন সব বস্তু দিবালোকে প্রকাশ লাভ করেছে যাদের দিবালোকে প্রকাশ লাভ করার বিন্দুমাত্র আবশ্যকতা ছিল না।'
'বিনীতা বুঝি সুষমার খবর জানতে পেরেছে কোনও গতিকে?' আমি সন্দেহ জ্ঞাপন করি।
'ধরেছো ঠিক।' মুখ ভার করে বলল মহীতোষ, 'কিন্তু আমি এর হেস্তনেস্ত না করে ছাড়বো না, তুমি দেখে নিও। ওই বরেন হতভাগাকে দেখে নেব আমি। একদিন রাত্রে অলিগলির মধ্যে অন্ধকারে পেলেই হয়। এই কব্জির কয়েক ঘুসিতে ওর ওই বিচ্ছিরি চেহারা বদলে দেব যে চাই কি—তার চোটে—তার ফলে হয়তো ও দেখতে ভালোই হয়ে যেতে পারে।' মহীতোষের মুখ আরও ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।
'বরেন? বরেনই বুঝি এই কাণ্ড করেছে? বেফাঁস করে দিয়েছে সব?' আমি আরও বিস্তৃতরূপে জানতে চাই : '—একেবারে বেবাক?'
'হ্যাঁ, বরেনই বাধিয়েছে। ও হতভাগার নিজেরই একটু টান রয়েছে কিনা সুষমার ওপর। এবং সুযোগ পেয়ে—আমারই বোকামি! বিনীতার প্রেমপত্র বাহাদুরি করে ওর কাছে পড়তে যাওয়াই আমার ভুল হয়েছিলো। 'মানুষের ভেতরেও দু-মুখো সাপ থাকে তখন জানতাম না তো!'
'দুদিকেই ছোবল মেরেছে বুঝি? সুষমাকেও বাগিয়েছে আর এদিকে বিনীতাকেও ভাগিয়েছে? না—নাকি—আবার বিনীতারও প্রেমে পড়বার চেষ্টা করেছে সেই সঙ্গে?'
'সুষমার আর আমার—আমাদের ভেতরকার সমস্ত ব্যাপার চিঠি লিখে জানিয়ে দিয়েছে বিনীতাকে। তার ফলে—তার ফলে—' তৎপরবর্তী শোচনীয় ফলাফল মহীতোষ নিজের ভাষায় কুলিয়ে উঠতে পারে না।
'তার ফলে—অর্থাৎ তোমার এবং বিনীতার মাঝখানে সুষমা এসে পড়ার ফলে, তোমাদের সম্বন্ধের মধ্যে যে সুষমা ছিল তা তিরোহিত হয়েছে। অর্থাৎ কিনা, সুষমা এসেছে বটে, কিন্তু সুষমা আর-নেই। এই তো?' আমিই তার হয়ে কতোটা পেরে উঠি জানিনে, ব্যক্ত করার চেষ্টা করি।
'—তার ফলে এই চিঠি দেখো—বিনীতার চিঠি!' মহীতোষ একখানা চিঠি আমার চোখের উপর মেলে ধরে, 'পড়লে তুমি বিস্মিত হবে।'
চিঠিটা আমি দেখি না, না দেখেই ওর অন্তর্গত বিসুবিয়সকে দেখতে পাই—বিসুবিয়সের আভ্যন্তরীণ লাভাপ্রবাহ পর্যন্ত আমার নজরে পড়ে।
'বিস্মিত হবার কিছু নেই।' বলি শুধু।
'কিছু নেই? বলো কী তুমি?' মহীতোষ বলতে গিয়ে যেন শিউরে ওঠে :
'বিনীতার মতো মেয়ে—অমন চমৎকার মেয়ে—নেপথ্য থেকে লেখা অমন একটা বাজে চিঠিতে বিশ্বাস করা কি ওর ঠিক হয়েছে?'
'মেয়েরা ওইরকমই।' আমি জানাই; 'বিনীতা মেয়ে তো? আর মেয়েরা এই ধরনের অভিযোগে আস্থা স্থাপন করতে দেরি করে না। এর জন্যে একেবারে চরম দণ্ড দিতেও তাদের দ্বিধা নেই।'
সান্ত্বনা দানের ছলেই বলি বটে, ও কিন্তু শান্ত হবার নয়। গুমরে গুমরে ওঠে আরও।
'বিনীতা আর সব মেয়ে সমান?' মহীতোষ অনুযোগ করে; 'এক হল সব?'
'এ ব্যাপারে অন্তত। এহেন ব্যাপারে অন্তত বিনীতাও এক মুহূর্তে দুর্বিনীতা হয়ে ওঠে, এরকম দেখা গেছে।'
একটার পর একটা, দৃষ্টান্তস্থল যত উদাহরণ যুগিয়ে আমার ভুয়োদর্শনের প্রদর্শনী উদঘাটন করতে যাই, ও কিন্তু কর্ণপাত করে না। বাধা দিয়ে বলে : 'ওসব ভুয়ো কথা রাখো। দর্শনের কথা থাক—এখন করি' কী, তাই বলো! বিনীতার সঙ্গে দেখা হলে কী বলব সেই কথাই আমি ভাবছি।'
'তবে এই যে বললে তোমাদের বাক্যলাপ বন্ধ? বাতচিত ইত্যাদি সব খতম হয়ে গিয়েছে—তাই বললে না?'
'আমি তো বন্ধ করিনি। ওই আর কথা বলবে না বলে দিয়েছে। আরো বলেছে যে এমন কতগুলো কথা সে আমাকে বলতে চায় যা ও চিঠিতে লিখে উঠতে পারল না। সে-সব কথা যে-কোনও ভদ্রমহিলার পক্ষেই লেখনীর মুখে ব্যক্ত করা নাকি অসম্ভব। রোববার দিন ওদের বাড়িতে যেতে লিখেছে আমাকে।'
'যাবে, তার আর কি? গিয়ে ঘোরতর প্রতিবাদ করবে। স্রেফ অস্বীকার এ ছাড়া তোমার আর তো কোনও রাস্তা দেখি না।'
'উঁহু কিসসু হয় না ওতে। দারোগা আর মেয়েদের কাছে অস্বীকার করে কোনও ফল হয় না। কী করে বলা যায় না, শেষ পর্যন্ত ওরা স্বীকার করিয়ে ছাড়ে।' বিষণ্ণভাবে ঘাড় নাড়ে মহীতোষ।
দার্শনিকবৃত্তি ওর না থাকলেও ওর বাক্যে দর্শন বৃত্তান্তের পরিচয় পেয়ে চমকে উঠতে হয়। মহীতোষের এ আবার কি নতুন নিদর্শন? এতটা বিচক্ষণতার প্রত্যাশা ওর কাছে কোনওদিন আমার ছিল না।
'তাহলে—তাহলে আর কী করবে।' আমিও নিরাশ হয়ে পড়ি : 'যাক এর থেকে, অবলা সরলা কুমারীর সঙ্গে ছলনা করা যে কত খারাপ এই শিক্ষা তোমার হবে। সেইটেই লাভ।'
'কী বলব বন্ধু! যদি সশরীরে এই অগ্নিপরীক্ষা থেকে উত্তীর্ণ হতে পারি তাহলে আর ভুলেও কক্ষনো সুষমার দিকে দৃকপাত করছিনে—বিনীতার পায়েই বিনীত হয়ে থাকব সারা জীবন। হলফ করে বলছি, তুমি বিশ্বাস করতে পারো। কিন্তু কথা হচ্ছে, জলজ্যান্ত এই দাবানল থেকে উদ্ধার পাব বলে আমার তো মনে হয় না।'
সমস্যাটা নিয়ে আমি মাথা ঘামাই আর ও বিকৃত মুখে আমার দিকে তাকিয়ে থাকে।
'পেয়েছি! পাওয়াও গেছে।' ককিয়ে উঠি আমি। 'তুমি এক কাজ করো। সুষমাকে তোমার পিসিমা কিংবা দিদিমার সগোত্র বলে চালিয়ে দাও। ওই একমাত্র উপায়। বলো যে—উনি খুব বড়সুড়ো মানুষ—ওঁকে দেখলে তোমার মায়ের কথা মনে পড়ে—আর সেই কারণেই ওঁকে না দেখে তুমি থাকতে পারো না।'
'উঁহু, সুষমা মোটেই বুড়োসুড়ো নয়। তা ছাড়া ওকে দেখলে মার কথা আমার মনেই পড়ে না। 'মহীতোষের বিবেকে বাধে, 'মিথ্যে কথা বলা হবে যে?'
'তাহলে—তাহলে আর কী হবে।' আমি হতাশ হয়ে বলি : 'প্রেম আর সত্যবাদিতা একসঙ্গে বজায় রাখা যায় না। পাশাপাশি ওদের চালানো দায়।'
'আচ্ছা, বলো শুনি?' মহীতোষ একটু একটু করে উৎসুক হয়। 'পরিষ্কার করে বলো দেখি?'
'সুষমাকে তোমার মা বলে মনে না হলেও বিনীতার তো তা মনে করতে বাধা নেই? তুমি করবে কি, মাতৃতুল্য বলে ওর কাছে জাহির করবার সময়ে সুষমার একটা ফোটো যাতে তোমার পকেট থেকে হঠাৎ ওর সামনে পড়ে যায় তার ব্যবস্থা করবে।' ওকে আমি বাতলাই : 'আর ফোটোটা যাতে ওর নজরে পড়ে নজর রাখবে সেদিকে।'
'প্রাণ থাকতে নয়।' মহীতোষ একেবারে মরিয়া।
'শোনো আগে! অশীতিপর হলেই ভালো হয়, নেহাত না পাও ষষ্ঠবর্ষিয়া কোনও আধবুড়ির একটা ফোটো জোগাড় করা তোমার পক্ষে খুব শক্ত হবে না নিশ্চয়ই? পাড়াতুতো কোনও মাসির ছবি পাড়াটে মাসতুতো ভাইয়ের কাছ থেকে বাগাতে পারবে না? সেই ফোটোর ওপরে, 'স্নেহের শ্রীমান মহীতোষকে আশীর্বাদিকা শ্রীমতী সুষমা দেব্যা,' এই কথাগুলি আর কাউকে দিয়ে লিখিয়ে নিয়ে—ওই কথাগুলিই বা ওই জাতীয় কিছু, বুঝেছে?'
না বুঝেও মহীতোষ সমঝদারের মতো মাথা নাড়ে।
'তারপর বিনীতা ওই ফোটো কুড়িয়ে নেবে—এবং তোমার সত্যবাদিতার সঙ্গে মিলিয়ে দেখবে। হুবহু দেখতে পাবে। আর মুহূর্তের মধ্যে তার অমূলক সন্দেহ কোথায় উড়ে যাবে! অকারণে তোমার মতো একনিষ্ঠ প্রেমিককে অবিশ্বাস করার জন্যে সে সবিনয়ে তোমার ক্ষমাভিক্ষা করবে। পুনর্বিনীতাকে ফিরে পাবে পুনরায়!...এই প্ল্যানটা তোমার কেমন লাগে?'
'এই বোয়!' মহীতোষ তার জবার দেয় : 'এই বাবুকে এক কাপ কফি দাও।'
'কবে দেখা করছ ওর সঙ্গে?' গরম কফির এক ঢোঁক গিলে আমি জানতে চাই।
'এই রোববারই।'
'ভালোই। এর মধ্যে কারও একটা ক্যামেরা ধার করে পাড়ার প্রৌঢ়াদের তাড়া করে বেড়াও। বঁড়শি হাতে বর্ষীয়সীদের পিছু-পিছু ফিরতে থাকো। না—তাই বা কেন? আমাদের মন্টুর কাছে গাদা-গাদা ফোটো রয়েছে—তার দিদিমার ফোটো। নানান পোজের। চকোলেট কি লজেঞ্চুস কিছু দিয়ে ওর একটা ফোটোর ওপর ওকে দিয়ে লিখিয়ে নিলেই তো হয়। ছেলেমানুষের লেখা আর মেয়েমানুষের লেখা প্রায় একাকার—মানে সেকেলে মেয়ের আর একেলে ছেলের দেবাক্ষর হুবহু এক—তাই নয় কি!'
'হুঁ।' মহীতোষ ঘাড় নাড়ে। 'কেবল হাতের লেখাতেই না, কার্যতও। মেয়েদের ছেলেমানুষী দেখে দেখে তাই আমার ধারণা হয়েছে!'
'বেশ। কিন্তু মনে থাকে যেন এর পরে সুষমার সঙ্গে আর কোনও ব্যাপারে তুমি নেই?'
'খুব সম্ভব, আর না। আবার? তা ছাড়া আমি সে সুযোগ পেলে তো? বরেন সে ছেলেই নয়। কোনওদিকে কোনও ফাঁক রাখবার ছেলে কি সে? সুষমার কথা সে বিনীতাকে বলেছে, আর বিনীতার কথা সে সুষমাকে বলেছে, আবার বিনীতার কথা সে সুষমাকে বলেছে এ কথা সে বিনীতাকে বলেছে এবং সুষমার কথাও সে যে বিনীতার কাছে বলেছে একথা—'
'হয়েছে, হয়েছে, বুঝতে পেরেছি।' আমি অতি কষ্টে ওর বাক্যের পারস্পর্য ভেদ করে বেরুই : 'আর বলতে হবে না।' বাকচক্রব্যূহের পাকচক্রের বাইরে এসে হাঁপ ছাড়ি।
'আবার ফের গোলমালের মধ্যে? তুমি বলছ কী বন্ধু? এ জীবনে আর নয়। এর পর থেকে, ভবিষ্যতে একনিষ্ঠার সরল সরু পথ ছাড়া আর অন্য পথ আমার নেই।' ও বলে।
পৃথিবীর অসংখ্য বিপথগামীর একজনকেও যে পঙ্কোদ্ধার করতে পেরেছি, এই আনন্দ নিয়ে সোমবার দিন সমস্ত কাজ ফেলে যথাসময়ে কফি হাউসে হাজির হলাম। প্রথম দর্শনেই ওকে সহাস্য দেখব, বিশ্বব্যাপী প্রসন্ন ঔদার্যের কারুকার্য মুখে নিয়ে পৃথিবীর সকলের প্রতি অপার্থিব অপত্যস্নেহে খচিত হয়ে, অনায়াসলব্ধ এই সংসারের যাবতীয় দু:খকষ্টকে আবার সে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করছে, অকাতরেই করছে, এইরকমটাই দেখতে পাব, স্বভাবতই এই প্রত্যাশা নিয়ে গেছি। কিন্তু না! দেখলাম, হাউসের নির্জন প্রান্তে, কফির পাত্র হাতে, নিজেকে কোণঠাসা করে নি:সঙ্গ সে বসে রয়েছে—এবং মহীতোষের মুখে সেই আগের অসন্তোষ!
'কি হে খবর কী? মিটে গেছে তো সব?' তাকে ম্রিয়মান দেখে আমিই প্রশ্নবাণ ছাড়লাম।
'তুমি শুনে দু:খিত হবে বন্ধু,' ম্লানমুখে আস্তে-আস্তে সে প্রচার করল;
'বিনীতার সঙ্গে আমার বাক্যালাপ—খতম। চিরদিনের মতোই বন্ধ এবার।'
'অ্যাঁ? সে কী হে? ফোটোর ব্যাপারটায় সুবিধে হল না বুঝি?'
'হয়েছিল। হয়েছিল কিছুদূর! আমার দোষেই গড়বড় হয়ে গেল শেষটায়। বিনীতা তো আর বোকা মেয়ে না, দুই আর দুই যোগ করে চার বার করা তার পক্ষে শক্ত নয় তো তেমন।' মহীতোষ আধ মাইল চওড়া এক দীর্ঘনিশ্বাস ছেড়ে দেয় : 'আমারই অবিমৃষ্যকারিতা। তোমার ভাষায় অবিমিশ্রকারিতাও বলতে পারো।'
'এর মধ্যে অবিমৃষ্যকারিতা আসছে কোত্থেকে?' আমি অবাক হই।
'দুটো ফোটোই আমি এক পকেটে রেখেছিলাম কিনা। আর দুটোই পকেট থেকে একসঙ্গে পড়ে গেল।'
'দুটো ফোটো একসঙ্গে রাখার কী মানে? একই মেয়ের দুই ফোটো?'
'তোমার মনে তবু তো একটা প্রশ্ন জেগেছে—কিন্তু বিনীতা! সেই ফোটো দুখানা দেখে আর একটি কথাও না। কোনও কৈফিয়ত—কেন—কী বৃত্তান্ত জিজ্ঞাসা করা দূরে থাক—আমার দিকে চাইল না পর্যন্ত। বোমার মতো মুখখানা করে, না ফেটেই, হাউইয়ের মতো শূন্যে উড়ে গেল। তৎক্ষণাৎ!—'
কেন, 'মন্টুর দিদিমা কি তার চেনাজানার মধ্যে নাকি?' আমি সন্দিগ্ধ হলাম : 'ধরা পড়ে গেলে বুঝি?'
'তা নয়। ধরা পড়লাম বটে, তবে সেদিক থেকে না। যেমনি না সেই ফোটো দুটো দেখল সে—দুটোই সেই বিশ্রী প্রবৃদ্ধা মাতামহীর এবং তার একটাতে লেখা কল্যাণীয় শ্রীমান মহীতোষকে ইতি আশীর্বাদিকা শ্রীমতী সুষমা দেব্যা আর অপরটায়—'
'হ্যাঁ?'
অপরটায় কল্যাণীয় শ্রীমান মহীতোষকে ইতি আশীর্বাদিকা শ্রীমতী বিনীতা দেব্যা—'
'কিন্তু—কেন? এই অপরটায় তোমার কি দরকার ছিল শুনি?'
'সুষমা সেন সেটিকে মাটি থেকে কুড়োবেন সেই জন্যেই।' মহীতোষ জানায় :
'কেন আবার?'
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন