ভূত ও ভূতনাথ

চঞ্চলকুমার ঘোষ

আদ্যিকালের পুরোনো এক মন্দির। পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে ছোটো এক পাহাড়ি নদী। কবে কে সেই মন্দির তৈরি করেছে তা কেউ জানে না। মন্দিরের অনেক জায়গায় ভেঙে গিয়েছে, লোকজনও আসে না। কোনো মূর্তিও নেই সেখানে। খালিই পড়ে থাকে ভাঙা মন্দির। একদিন এক ভূত আকাশ দিয়ে উড়তে উড়তে যাচ্ছিল। সেএতদিন এক পুরোনো রাজবাড়িতে থাকত। সেই বাড়ি ভাঙা পড়েছে। এখন আর তার থাকার জায়গা নেই। নতুন কোনো জায়গার খোঁজে বেরিয়েছে।

আকাশ থেকে চোখে পড়ল নদীর ধারে মন্দির। আশপাশে লোকজনের বাড়িঘর নেই। জায়গাটা বেশ নির্জন। ভারি ভালো লাগল ভূতের। আকাশ থেকে নেমে মন্দিরে বাসা বঁাধল। সেখানেই পাকাপাকি ভাবে রয়ে গেল ভূত। তারপর বহুদিন কেটে গেল। ভূতের ভয়ে কেউ আর সেই মন্দিরে আসে না।

মন্দিরের খানিকদূরে ছিল এক গ্রাম, একদিন গ্রামের একজন বলল, ‘আমাদের গ্রামে কোনো মন্দির নেই। পুজো দিতে সব সময় দূর গ্রামে যেতে হয়। আমাদের গ্রামে যদি একটা মন্দির তৈরি হয়।’

গ্রামের মোড়ল বলল, ‘নতুন মন্দির তৈরি করতে অনেক টাকা লাগবে। অত টাকা আমাদের নেই।’

একজন বলল, ‘নদীর ধারে যে পুরোনো মন্দিরটা রয়েছে, যদি সেই মন্দিরটা সারিয়ে নেওয়া যায় তাহলে তো বেশি টাকা লাগবে না।’

প্রস্তাবটা মনে ধরে সকলের। সমস্যা যে ভূতের।

মোড়ল বলল, ‘আমরা গ্রামের সব লোক যদি একসঙ্গে মন্দিরে যাই, ভূত নিশ্চয়ই ভয় পেয়ে পালাবে।’

গ্রামের একজন বয়স্ক লোক বলল, ‘মোড়ল ঠিক কথা বলেছে। আমাদের যার যা অস্ত্র আছে, নিয়ে চলো মন্দিরে।’

ভূত তখন মন্দিরের মাথায় বসে রোদ পোহাচ্ছিল। হঠাৎ লোকজনের চেঁচামেচি শুনে মুখ ফেরাতেই দ্যাখে, সারা গ্রামের মানুষ মন্দিরের দিকে আসছে আর বলছে আমরা ভূত তাড়াব মন্দির গড়ব।

ভূত বুঝতে পারল, তাকে ঘর-ছাড়া করবার জন্যে গ্রামের লোক আসছে। তাড়াতাড়ি নদীর ধার থেকে বড়ো বড়ো পাথর তুলে নিয়ে লোকদের দিকে ছুড়তে আরম্ভ করল।

আচমকা পাথর পড়তেই সব লোক ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেল। কে যে কী করবে কিছু বুঝতে না পেরে প্রাণের ভয়ে যে-যার বাড়ির দিকে দৌড়োতে আরম্ভ করল। একেবারে যে যার ঘরে ঢুকে তবে দৌড় থামাল। কেউ আর ভুলেও মন্দিরে যাবার নাম করে না। তাই দেখে ভূতের সেকী হাসি। আবার সেমন্দিরের মাথায় উঠে পা ছড়িয়ে রোদ পোওয়াতে আরম্ভ করল।

সেই গ্রামে ছিল এক বুড়ি। তার এক ছেলে। ছেলেবেলায় সেভূতের নাম শুনতেই ভয়ে কাঁপতে আরম্ভ করত, তাই লোকে ঠাট্টা করে বলত ভূতনাথ। বড়ো হতেই ভূতনাথের ভয় চলে গেল। গোটা গ্রামে তার মতো সাহসী আর বুদ্ধিমান কেউ ছিল না।

গ্রামের লোক যখন মন্দিরে গিয়েছিল ভূতনাথ জঙ্গলে গিয়েছিল কাঠ কাটতে। ফিরে যখন শুনল ভূতের ভয়ে গ্রামের লোক পাঠিয়ে এসেছে সেবলল, ‘আমি গিয়ে মন্দিরের ভূত তাড়াব।’

ভূতনাথের কথা শুনে তার মা বলল, ‘গাঁয়ের সব লোক মিলে ভূতকে তাড়াতে পারল না আর তুই একা গিয়ে ভূত তাড়াবি?’

ভূতনাথ বলল, ‘তোমার কোনো চিন্তা নেই মা, আমি যাব আর আসব।’

ভূতনাথ সোজা গেল গাঁয়ের মোড়লের কাছে। বলল, ‘আমি ভূত তাড়াতে যাব। আমার কিছু জিনিস চাই।’

‘কি চাই বলো!’

‘একটা লোহার হাতুড়ি। পেরেক আর এক ভাড় চুন আর এক ভাড় দই।’

মোড়ল সব কিছু দিয়ে বলল, ‘তুমি যদি ভূত তাড়াতে পারো, আমার মেয়ের সঙ্গে তোমার বিয়ে দেব। আর আমি মরে গেলে তুমিই হবে গ্রামের মোড়ল।’

ভূতনাথ বলল, ‘আমি যখন ভূত তাড়াতে যাব তোমাদের একটা কাজ করতে হবে।’

সবাই একসঙ্গে বলল, ‘তুমি যা বলবে আমরা তাই করব। শুধু ভূতের সামনে যাব না।’

ভূতনাথ বলল, ‘তোমাদের কাউকে ভূতের সামনে যেতে হবে না। তোমরা মন্দিরের পেছনে জঙ্গলে গিয়ে লুকিয়ে থাকবে। যখন আমি মন্দিরে যাব, তার খানিক পরে তোমরা সকলে একসঙ্গে মুখের সামনে হাড়ি রেখে আওয়াজ করবে। ভূত যেন তোমাদের না দেখতে পায়। বাকি সব কাজ আমি করব।’

দিনের আলো কমে এসেছিল। আর কিছু পরেই সন্ধে হবে। ভূতনাথ একটা কালো কাপড়ে গোটা শরীর ঢেকে সব জিনিসপত্র নিয়ে মন্দিরের দিকে রওনা হল।

মন্দিরে গিয়ে যখন পৌঁছোল চারদিকে বেশ অন্ধকার। ভূত তখন মন্দিরের মধ্যে রাতে ঘুমাবার তোড়জোড় করছে। এমন সময় ভূতনাথ গিয়ে ডাক দিল, ‘দাদু আছ?’

ভূতনাথের ডাক শুনে কিছুক্ষণ চুপ করে রইল ভূত। আবার ডাক দিল ভূতনাথ, ‘তুমি কি বাড়িতে আছ দাদু?’

এবার সাড়া দিল ভূত। ‘তুই কে রে আমায় দাদু বলে ডাকছিস?’

ভূতনাথ বলল, ‘আমায় চিনতে পারলে না দাদু। আমি তোমার বোনের মেয়ের ছেলে।’

ভূত বলল, ‘তা আমার কাছে কী মনে করে এলি।’

ভূতনাথ বলল, ‘এই পথ দিয়ে যাচ্ছিলাম ভাবলাম তোমার একটু খোঁজ নিয়ে যাই।’

ভূত বলল, ‘এসেছিস যখন ঘরে আয়।’

ভূতনাথ মন্দিরের মধ্যে ঢুকে পড়ল। ভেতরে বেশ অন্ধকার। ভূতের দুই চোখে কিছুদিন হল ছানি পড়েছে। রাতেরবেলায় ভালো দেখতে পায় না। ভূতনাথ কাছে আসতেই বলল, ‘তুই আমার নাতি হলে এমন মানুষ মানুষ গন্ধ পাচ্ছি কেন?’

ভূতনাথ বলল, ‘কাছে গ্রাম। সেখানে কত মানুষজন। হাওয়ায় তাদের গন্ধ আসছে।’

ভূত বলল, ‘তাই বোধহয় হবে। যাক, তুই যখন এসেছিস আমার হাত-পাগুলো একটু টিপে দে। দেখি তোর গায়ে কেমন জোর। তবেই বুঝব তুই আমার নাতি।’

ভূত তখন হাত-পা ছড়িয়ে শুয়ে পড়ল। ভূতনাথ তার ঝোলা থেকে হাতুড়ি বার করে দমাদম পিটতে শুরু করে দিল। খানিক পরেই ভূতের হাত-পা এমন টনটন করে উঠল, এক লাফে উঠে বসে বলল, ‘তোর আর হাত-পা টিপতে হবে না। কী শক্ত তোর হাত, একেবারে লোহার মতো। তুই বরং আমার পিঠ চুলকে দে।’

ভূতনাথ ঝোলা থেকে এবার একখানা পেরেক বার করে ভূতের পিঠ আঁচড়ে দিতে লাগল, একটু পরেই ভূত কেঁদে ওঠে, ‘তোর হাতের নখের কী ধার। আর আমার পিঠ চুলকাতে হবে না।’

ভূতনাথ বলল, ‘তাহলে তুমি স্বীকার করো, আমি তোমার নাতি।’

ভূত মাথা নেড়ে বলল, ‘যার এমন লোহার মতো হাত, ছুরির মতো নখ সেতো আমার নাতিই।’

ভূতনাথ বলল, ‘দই খাবে দাদু। মা তোমার জন্যে পাঠিয়ে দিয়েছে।’

দইয়ের কথা শুনেই ভূতের জিভে জল এসে গেল। বলল, ‘কতদিন দই খাইনি নাতি। দই খেতে আমার খুব ভালো লাগে।’

ভূতনাথ তখন দই আর চুনের দুটো পাত্র এবার করল। চুনের পাত্রটা ভূতের হাতে দিয়ে বলল, ‘এই নাও দই।’

অন্ধকারে চুনকেই দই ভেবে নিয়ে ভূত চোঁ চোঁ করে সব চুন খেয়ে নিল।

সঙ্গে সঙ্গে তার গলা বুক এমন জ্বলতে আরম্ভ করল, ভূত চেঁচিয়ে উঠল, ‘নাতি তুই আমাকে কী খেতে দিলি?’

ভুতনাথ বলল, ‘তোমাকে তো দই খেতে দিলাম। ’

ভূত বলল, ‘তবে আমার বুক পেট এমন জ্বলছে কেন।’

ভূতনাথ মুচকি হেসে বলল, ‘আসলে তুমি বুড়ো হয়ে গেছ। তাই ওরকম মনে হচ্ছে। এই দ্যাখো আমি তোমার সামনে দই খাচ্ছি।’

তিন চুমুকে সবটুকু দই খেয়ে নিল ভূতনাথ। ভূতের মুখে আর কথা সরে না।

এমন সময় মন্দিরের পেছনে এমন আওয়াজ শুরু হল ভূত ভয়ে অস্থির। অনেক কষ্টে বলল, ‘ও কীসের চিৎকার নাতি?’

ভূতনাথ বলল, ‘ও হচ্ছে পাতালপুরীর দানো, পৃথিবীর যেখানে যত ভূত আছে সব বন্দি করে নিয়ে যেতে এসেছে। ওর মতো শক্তি দুনিয়ায় আর কারও নেই। আমি তো ওর ভয়েই এখানে পালিয়ে এসেছি। একবার ধরতে পারলে এমন পেটাই করবে হাড়গোড় সব গুড়ো হয়ে যাবে।’

ভূতে ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বলল, ‘ওরা কি আমাদের ধরবে?’

‘হ্যাঁ আমাদের ধরবে বলেই তো এখানে এসেছে।’

‘তা হলে কী হবে?’

ভূতনাথ বলল, ‘আমি পালালাম দাদু। ভুলেও আর এখানে আসব না।’

ভূত বলল, ‘তবে চল আমিও তোর সঙ্গে পালাই।’

ভূতনাথ বলল, ‘একসঙ্গে গেলে পাতাল দানব ঠিক দেখতে পাবে। তুমি ডান দিকে যাও আমি বঁা-দিকে যাচ্ছি।’

ভূত মন্দির থেকে বেরিয়ে ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটে পালাল দূরের জঙ্গলে।

ভূত চলে যেতেই ভূতনাথ বেরিয়ে এসে ডাক দিল, ‘সবাই বেরিয়ে এসো, ভূত পালিয়েছে।’

ভূতনাথের ডাক শুনেই গ্রামের সব লোক বেরিয়ে এল। ভূত পালিয়েছে দেখে সকলের কী আনন্দ। ভূতনাথকে কাঁধে তুলে নিয়ে নাচতে নাচতে গ্রামে ফিরে চলল।

ওদিকে ভূত চলতে চলতে জঙ্গলের মধ্যে গিয়ে বড়ো একটা গাছের তলায় গিয়ে বসে পড়ল। সেই গাছে থাকত ভূতেদের রাজা। সবাই তাকে বলত রাজা ভূত।

রাজা ভূত গাছের তলায় ভূতকে দেখে বলল, ‘তুই কোথা থেকে এসেছিস?’

ভূত মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, ‘পাতালপুরীর দানো এসেছে। তাই আমি মন্দির থেকে পালিয়ে এসেছি।’

সব শুনে ভূতরাজা বলল, ‘পাতালপুরীর দানো বলে কোনো ভুত নেই। ও গ্রামের লোকেদের শয়তানি, ওরা তোকে ঠকিয়েছে।’

ভূত বলল, ‘আমার কথা বিশ্বাস না হয়, তুমি চলো মন্দিরে। নিজের চোখে সব দেখতে পাবে।’

সেই জঙ্গলে এক কাঠুরে গিয়েছিল কাঠ কাটতে। গাছের আড়াল থেকে সব কথা শুনে ছুটতে ছুটতে গ্রামে এসে বলল, ‘ভূতেদের রাজা এবার দলবল নিয়ে আসছে। এবার আর কারও রক্ষা নেই।’

সেকথা শুনে গ্রামের লোকদের সেকী ভয়। সবাই চেঁচিয়ে উঠল, ‘ভূতনাথের জন্যেই আমাদের এবার ভূতের হাতে মরতে হবে। আমরা ভূতকে তাড়িয়েছি। ভূত এবার আমাদের গ্রাম থেকে তাড়াবে।’

প্রাণভয়ে যে যেদিকে পারল পালিয়ে গেল। শুধু ভূতনাথ একটুও ভয় পেল না। এক থলে লঙ্কার গুড়ো আর একটা ঢোল নিয়ে মন্দিরের পেছনে গাছে গিয়ে বসল। কালো কালো গোটা শরীর ঢাকা দেখে কেউ কিছু বুঝতে পারবে না।

খানিক পরেই রাজা ভুত তার দলবল নিয়ে এসে পড়ল মন্দিরে। সকলের আগে রাজাভূত। তার একটা মাত্র চোখ কপালের ঠিক মাঝখানে। আগুনের গোলার মতো সেচোখ সব সময় জ্বলে। মন্দিরের সামনে এলেই তারা চিৎকার শুরু করে দিল, ‘কোথায় পাতালপুরীর দানো। বেরিয়ে আয়, আজ তোর শেষ দিন।’

গাছের আড়ালে বসে সব শুনতে পাচ্ছিল ভূতনাথ।

সেএবার ঢোল বাজাতে আরম্ভ করল। সেকী আওয়াজ, চারদিকে পাহাড়ে সেই আওয়াজ ধাক্কা লেগে চারদিক গমগম করছে।

সেই আওয়াজ শুনে সব ভূতেরা ভয় পেয়ে গেল। চারদিকে সবাই খুঁজতে আরম্ভ করল। কোথাও কাউকে দেখতে পেল না। আরও ভয় পেল সবাই।

হঠাৎ একটা বাচ্চা ভূতের নজর পড়ল গাছের উপর বসে থাকা ভূতনাথের দিকে। সঙ্গে সঙ্গে সেচিৎকার করে উঠল, ‘ওই দ্যাখো গাছের ওপর দানো বসে আছে।’

সবাই যেই না ওপরের দিকে তাকাল ভূতনাথ সব লঙ্কার গুঁড়ো ছুড়তে আরম্ভ করল। গাছের ঠিক নীচেই দাঁড়িয়েছিল রাজা ভূত। প্রথমেই তার চোখে গিয়ে পড়ল লঙ্কার গুঁড়ো। সাথে সাথে সেকি জ্বালা, চোখে আর কিছু দেখতে পায় না।

সেই সময় ঢোল বাজাতে বাজাতে আসছিল অন্য গ্রামের একদল লোক। সেই ঢোলের আওয়াজ শুনে রাজা ভূত ভাবল এবার নিশ্চয়ই দানোর দলবল আসছে। চেঁচিয়ে উঠল, ‘চলো সবাই পালিয়ে চল, নয়তো দানো আমাদের সবাইকে শেষ করে দেবে।’

রাজা ভূত চোখের জ্বালায় ভালো করে আর কিছুই দেখতে পাচ্ছিল না। প্রাণপণে পাহাড় পেরিয়ে ছুটতে আরম্ভ করল। রাজা ভূতকে পালাতে দেখে বাকি সব ভূতেরাও ছুটতে আরম্ভ করল।

যে যেদিকে পারল পালিয়ে গেল। কেউ আর পেছনে ফিরে তাকাল না। সবাই জঙ্গলে গিয়ে পৌঁছোতেই রাজা ভূত বলল, ‘খুব বঁাচা বেঁচে গিয়েছি। আরেকটু হলেই পাতালপুরীর দানো আমাদের সবাইকে বেঁধে নিয়ে যেত। এখন থেকে কেউ আর ভুলেও ওই মন্দিরের দিকে যাবে না।’

মন্দিরের ভূত আর কী করে। মন্দির ছেড়ে জঙ্গলেই রয়ে গেল।

সব ভূত চলে যেতেই ভূতনাথ গাছ থেকে নেমে এল। ঢোল বাজিয়ে গ্রামের সব লোককে জড়ো করে বলল আর কোনো ভয় নেই। সব ভূত পালিয়েছে। এবার থেকে মন্দির আমাদের।

গ্রামের সকলের তখন সেকি আনন্দ। মোড়ল ভূতনাথকে জড়িয়ে ধরে বলল, ‘সাবাস ভূতনাথ, সামনের পূর্ণিমার দিন তোমার সঙ্গে আমার মেয়ের বিয়ে দেব। তোমার মতো সাহসী ছেলে আর কোথাও নেই।’

গ্রামের লোকেরা তখন একসঙ্গে চেঁচিয়ে উঠল—‘সাবাস ভূতনাথ।’

সকল অধ্যায়
১.
ওঝা ও পাহাড়ি ভূত
২.
দুই সূর্য
৩.
মহিষ ও রাখালছেলে
৪.
তিন বন্ধু
৫.
বাঘ মামার কথা
৬.
কুঁজো আর অন্ধ
৭.
দেবতার অভিশাপ
৮.
সাতবোকা
৯.
বাহাদুর আর এক-পা-ওলা দৈত্য
১০.
সাধু ও মহাজন
১১.
চালাক ভোলানাথ
১২.
বামুন আর শেয়াল
১৩.
আকাশপুরীর রাজকন্যা
১৪.
অতি চালাকের গলায় দড়ি
১৫.
তিন জামাই
১৬.
শেয়ালবউ-এর বুদ্ধি
১৭.
শেয়াল আর বোকা বাঘ
১৮.
বুদ্ধিমান চোর
১৯.
শুয়োরের শিং
২০.
রাখালছেলে ও পরির দেশের রাজকন্যা
২১.
তাঁতির কুঁজ
২২.
চার চোর
২৩.
কাঠুরে নাপিত আর রাজকন্যা
২৪.
মহেশ্বর
২৫.
আয়না
২৬.
শেয়াল ও বুড়োবুড়ি
২৭.
এক দাঁত ফোকলা
২৮.
বুদ্ধি থাকলেই উপায় হয়
২৯.
ভীম আর জলদৈত্য
৩০.
চার ভাই
৩১.
সুরের জাদু
৩২.
ভূত ও ভূতনাথ
৩৩.
রসিক রাজু

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%