পোড়ো বাড়ি

হেমেন্দ্রকুমার রায়

এক

বাড়িওয়ালা বললে, ‘‘হাঁ মশাই, দাঙ্গার পর থেকেই আমার এই বাড়িখানা খালি পড়ে আছে৷ এ অঞ্চলে আর কোনো হাঙ্গামা নেই, অথচ এমন চমৎকার বাড়ি, তবু লোকে এখনো কেন যে এখানে বাস করতে ভয় পায়, আমি তা বুঝে উঠতে পারি না৷’’

আমি বললুম, ‘‘বাড়িখানা আমার পছন্দ হয়েছে৷ আমি মিথ্যা ভয় পাবার লোক নই, আর আমার কাছে বন্দুক আছে৷ কিন্তু আপনি কত ভাড়া চান৷’’

—‘‘বেশি নয়, মাত্র পঞ্চাশ টাকা৷ এ বাড়ির জন্যে আগে আমি একশো পঁচিশ টাকা ভাড়া পেতুম৷ কিন্তু একে এখন দিন-কাল খারাপ, তার উপরে বাড়িখানার সুনাম আবার আমি ফিরিয়ে আনতে চাই৷ তাই আপাতত পঞ্চাশ টাকা করে পেলেও আমি খুশি হব৷’’

আমি বললুম, ‘‘তাই সই৷’’

লক্ষ করলুম, বাড়িওয়ালা একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললে৷ ভাড়া কম হোক, এই পোড়োবাড়ির জন্যে অবশেষে একজন ভাড়াটিয়া যে জুটল, এইটেই সে সৌভাগ্য বলে মনে করলে৷ লোকটার দেহ হাড়জিরজিরে, আর কথা কইতে কইতে সে ক্রমাগত হাঁপাচ্ছিল—পুরাতন হাঁপানির রোগীর মতো! কিন্তু তার চোখ দুটো এমন উজ্জ্বল যে, হঠাৎ দেখলে মনে হয় যেন জ্বলন্ত! আমার হাতে চাবির গোছা দিয়ে ধুঁকতে ধুঁকতে ও লাঠি ঠক-ঠক করতে করতে সে চলে গেল৷ বাঁচলুম,—কেন জানি না, তাকে দেখে কেমন অস্বস্তি বোধ হচ্ছিল! যেন সে কোনো ভাবী অমঙ্গলের অগ্রদূত৷

৷৷ দুই ৷৷

এতদিন বিহারে ছিল আমার কর্মস্থল, এখন হঠাৎ বদলি হয়েছি কলকাতায়৷ পরিবারবর্গকে আপাতত বিহারে রেখেই, আমার বিহারি বেয়ারা রামসহায়কে সঙ্গে নিয়ে কলকাতায় এসেছি বাসাবাড়ির খোঁজে৷

ভাড়া পেলুম মনের মতো বাসা৷ ‘ফ্লোরে’র উপর দিব্য দোতলা বাড়ি, নীচে চারখানা ও উপরে দু-খানা ঘর, তার উপরে আছে রান্না ও ভাঁড়ার ঘর৷ সংসারে মানুষ বলতে আমি, আমার স্ত্রী ও দুটি ছোট ছোট ছেলেমেয়ে, সুতরাং এই বাড়িতেই আমাদের বেশ কুলিয়ে যাবে৷

গেল বারের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা-হাঙ্গামা এখানে নাকি চরমে উঠেছিল৷ এই বাড়িতে যারা বাস করত, তাদের কেউ কেউ মারা পড়ে, কেউ কেউ পালিয়ে যায়, আজ পর্যন্ত আর ফিরে আসেনি৷ সেই থেকে বাড়িখানা পোড়ো হয়ে আছে৷

বাড়িখানা শহরের উপকণ্ঠে৷ এর আশেপাশে ছিল কয়েকটা বস্তি; দাঙ্গার সময়ে মারামারি, লুঠতরাজ ও অগ্নিকাণ্ডের ফলে সেগুলোর অস্তিত্ব প্রায় লোপ পেতে বসেছে! আজও সেখানে বসতি নেই, দেখা যায় কেবল জনশূন্য ধ্বংসাবশেষ! তাই প্রায় আধপোয়া পথ পার না হলে এখানে কোনো প্রতিবেশীর মুখ দেখবার উপায় নেই৷ কিন্তু সেজন্যে বিশেষ মাথা ঘামালুম না, কারণ আমি নিজে কুনো মানুষ, আমার পক্ষে প্রতিবেশীরা অনেক সময়ে বিরক্তিদায়ক৷

ভৃত্য রামসহায় অনেক বিহারির মতো বেশ ভালো বাংলা বলতে পারত৷ আমি তাকে ‘রাম’ বলে ডাকি৷

বললুম, ‘‘রাম, আজকের মতো তুমি বাড়ির দোতলাটা সাফ করে রাখো৷ আজই সন্ধ্যার আগে রাত কাটাবার জন্যে জিনিসপত্তর নিয়ে আমরা এই বাড়িতে এসে উঠব৷’’

রাম বললে, ‘‘যে আজ্ঞে হুজুর!’’

ভাবতে লাগলুম, বাড়িখানা আমি ভাড়া নিতে রাজি শুনে বাড়িওয়ালার উজ্জ্বল চোখদুটো অমন আরো বেশি জ্বল-জ্বল করে উঠল কেন? তা কি আনন্দে? না তার অন্য কোনো রহস্যময় কারণ আছে?

এ প্রশ্নের উত্তর পেলুম সেই রাত্রেই৷

৷৷ তিন ৷৷

বলেছি, বাড়ির দোতলায় মাত্র দু-খানা ঘর৷ একখানা পশ্চিম দিকে, আর একখানা দক্ষিণ দিকে৷ ঘর দু-খানা বেশ বড়সড়৷

বাড়িতে এসে যখন উঠলুম, তখন সন্ধ্যা হয় হয়৷ স্থির করলুম, নিদ্রাদেবীর আরাধনার পক্ষে দক্ষিণের ঘরই প্রশস্ত৷

নির্জন পল্লি, নিরালা সন্ধ্যা, নিস্তব্ধ বাড়ি৷ নিজেদের পদধ্বনি চারিদিককে প্রতিধ্বনিত করে তুলল—ঠিক যেন আরো কেউ কেউ পদচালনা করছে আমাদের সঙ্গে সঙ্গে! অনেক দিনের খাঁ-খাঁ-করা পোড়োবাড়ি, এরকম ভ্রম হওয়া স্বাভাবিক৷ এই মিথ্যা ভ্রমটা মনের ভিতর থেকে মুছে ফেলবার চেষ্টা করলুম, কিন্তু পারলুম না,—বারবার তবু মনে হতে লাগল, এ বাড়িতে আমরা ছাড়া আরো কাদের অস্তিত্ব আছে৷ এখনো তারা অদৃশ্য বটে, কিন্তু যে কোনো মুহূর্তে হতে পারে দৃশ্যমান৷

এমন ধারণার কোনো অর্থ হয় না৷ আমি ভীরু নই, ভূত মানি না, ভূতের গল্প শুনেছি কিন্তু ভূত কখনো দেখিনি৷ এবং দেখব বলে বিশ্বাসও করি না৷ হয়তো মানুষের মনের উপর কাজ করে কোনো কোনো স্থান-কালের বিশেষত্ব৷ অসম্ভবকেও মনে হয় সম্ভবপর৷

নির্বাচিত ঘরে ঢুকে পড়লুম এক মুশকিলে৷ দক্ষিণ দিকের জানলা খুলে দিতেই মন উঠল শিউরে—পেলুম যেন কোনো গলিত মৃতদেহের দুর্গন্ধ!

নাকে কাপড়চাপা দিয়ে উঁকি মারলুম জানলার বাইরে৷ নীচেই রয়েছে পচা জলে ভরা একটা খানা এবং তারপরেই খানিকটা জমির উপরে ভাঙাচোরা, লণ্ড-ভণ্ড, জনহীন বস্তি৷ কোথাও জনপ্রাণীর সাড়া নেই৷

বললুম, ‘‘রাম, ওই খানার ধারে নিশ্চয় কোনো মরা কুকুর-বিড়ালের পচা দেহ পড়ে আছে৷ এই দারুণ গ্রীষ্মে দক্ষিণের জানলা বন্ধ করে তো এ ঘরে থাকা যাবে না৷ চল পশ্চিম দিকের ঘরে যাই৷’’

রাম বললে, ‘‘তাই চলুন৷’’

পশ্চিমের ঘরে হাওয়া কম হলেও দুর্গন্ধ নেই৷ কিন্তু অসুবিধায় পড়লুম আর এক কারণে৷ ‘সুইচ’ টেপাটিপি করেও আলো জ্বালতে পারলুম না৷ ইলেকট্রিকের তার কোথাও খারাপ হয়ে গিয়েছে৷

নাচার হয়ে রামকে বললুম, ‘‘তুমি বাজার থেকে বাতি কিনে আনো৷ আজকের রাতটা কোনোরকমে কাটিয়ে দি, তারপর কাল সকালে উঠে অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা করা যাবে৷’’

৷৷ চার ৷৷

বাতি নিবিয়ে, কেমন একটা অহেতুকি অশান্তির ভাব মনের মধ্যে নিয়ে শয্যায় আশ্রয় গ্রহণ করলুম৷ শেষ পর্যন্ত ঘুমিয়ে পড়লুম বটে, কিন্তু তন্দ্রাঘোরেও মনে হয়েছিল, ঘরের ভিতরে কারা যেন নীরবে আনাগোনা করছে৷

কতক্ষণ পরে জানি না, আমার ঘুম ভেঙে গেল আচমকা৷ আমার মুখের উপরে পড়ল যেন কার উত্তপ্ত নিঃশ্বাস!

আমি কি স্বপ্নলোকে বাস করছি? কিন্তু পর-মুহূর্তেই অনুভব করলুম, ঠিক পাশেই আমার গায়ের সঙ্গে গা মিলিয়ে শুয়ে আছে আর একটি জীবের দেহ৷ কোমল, রোমশ, জীবন্ত দেহ! স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে তার শ্বাস-প্রশ্বাসের শব্দ! সেই সঙ্গে পেলুম একটা জান্তব গন্ধ!

ধড়মড় করে উঠে বসে এক লাফে বিছানার বাইরে গিয়ে পড়লুম এবং পর-মুহূর্তে আচম্বিতে দপ করে জ্বলে উঠল ঘরের বৈদ্যুতিক আলো!

কিন্তু তখন আলো-জ্বালার ব্যাপারটা আমাকে বিস্মিত করলে না, কারণ সর্বপ্রথমেই আমার দৃষ্টি আকৃষ্ট হল বিছানার দিকে৷

কে ওখানে, কী ওখানে শুয়ে আছে? কিন্তু কী আশ্চর্য, বিছানার উপরে কেউ তো নেই!

কেবল বিছানার উপর নয়, আমার বিস্ফারিত চক্ষু সমস্ত ঘরখানা আতিপাতি করে খুঁজেও সন্দেহজনক বা ভয়াবহ কোনো-কিছুই আবিষ্কার করতে পারলে না!

এ কি ভ্রম? এ কি দুঃস্বপ্ন? কিন্তু তাই যদি হবে, তবে বারবার ‘সুইচ’ নাড়াচাড়া করে বহু চেষ্টার পরেও যে আলো জ্বালতে পারিনি, সেটা হঠাৎ এখন আপনা-আপনি জ্বলে উঠল কেমন করে?

এগিয়ে ‘সুইচ’ তুলে দিলুম৷ কিন্তু চেষ্টা করেও যে আলো জ্বালতে পারিনি, এখন চেষ্টা করে তাকে আর নেবাতেও পারলুম না!

সবই অস্বাভাবিক ব্যাপার! তাড়াতাড়ি দরজা খুলে রামের নাম ধরে চিৎকার করে ডাকতে লাগলুম৷ সে শুয়েছিল দরজার বাইরে বারান্দার উপরে৷ আমার চিৎকার শুনে ভিতরে ছুটে এল হন্তদন্তের মতো৷

উত্তেজিত স্বরে বললুম, ‘‘রাম, এতক্ষণ আমার বিছানার উপরে কে শুয়ে ছিল! তারপর চেয়ে দেখ, ঘরের আলোটা আপনা-আপনি জ্বলে উঠেছে!’’

আমার মুখের পানে ফ্যাল-ফ্যাল করে তাকিয়ে রামসহায় থ হয়ে দাঁড়িয়ে রইল বোবা মূর্তির মতো! সে বেশি ভয় পেয়েছে, না বেশি হতভম্ব হয়েছে, বোঝা গেল না৷

আবার বিছানার দিকে চেয়েই আমার বুকটা ধড়াস করে উঠল! ও আবার কী ব্যাপার?

বিছানার চাদরের উপরে রয়েছে কতগুলো কাদামাখা পদচিহ্ন! দেখতে অনেকটা বিড়ালের থাবার মতো, কিন্তু সেগুলো বিড়ালের থাবার চেয়ে অনেক বড়!

আমি চেঁচিয়ে বলে উঠলুম, ‘‘হলপ করে বলতে পারি, আধ মিনিট আগেও ওই থাবার দাগগুলো ওখানে ছিল না!’’

আতঙ্কগ্রস্ত কণ্ঠে রামসহায় বললে, ‘‘হুজুর! বাইরে চলে আসুন!’’

বাইরেই চলে এলুম—একেবারে বাড়ির বাইরে৷ শেষ রাতটা কাটল রাস্তার ধারে রোয়াকের উপরে৷

৷৷ পাঁচ ৷৷

সকালে বাড়িওয়ালার সঙ্গে দেখা৷ সব কথা খুলে বললুম৷

বাড়িওয়ালা হাঁপের টান সামলাতে সামলাতে হাসবার চেষ্টা করে বললে, ‘‘মিছেই ভয় পেয়েছেন৷ ঘরের ভিতরে ভাম এসেছিল৷ পাশের খানায় ভাম থাকে৷’’

—‘‘কিন্তু সে বন্ধ ঘরের ভিতরে এল কেমন করে?’’

—‘‘জানলা দিয়ে৷’’

—‘‘ভাম কখনো একতলা থেকে দোতলায় লাফিয়ে উঠতে পারে?’’

—‘‘দোতলায় যখন উঠেছে, নিশ্চয়ই পারে৷’’

—‘‘ধরলুম তাই৷ কিন্তু ভাম যখন ঘরের ভিতরে নেই, তখন তার পায়ের চিহ্ন বিছানার উপরে পড়ল কেন?’’

—‘‘আপনি ভুল দেখেছেন৷ পায়ের চিহ্ন আগে থাকতেই বিছানার উপরে ছিল৷’’

—‘‘আর ইলেকট্রিক লাইটের ব্যাপারটা?’’

—‘‘তারের ভিতর গলদ থাকলে অমন ব্যাপার মাঝে মাঝে হয়৷ আপনি পাখা চলে, আপনি আলো জ্বলে৷ মশাই, আজই আমি সব ব্যবস্থা করে দিচ্ছি, আপনার কোনো ভাবনা নেই!’’

দেখছি, বাড়িওয়ালার ওজরের অভাব নেই৷ শুকনো হাসি হেসে বললুম, ‘‘না, আমার আর কোনো ভাবনাই নেই৷ কারণ, আজকেই আমি অন্য বাড়ির খোঁজে বেরিয়ে পড়ব৷’’

সকল অধ্যায়
১.
অদৃশ্য মানুষ
২.
অমানুষিক মানুষ
৩.
ইন্দ্ৰজালের মায়া
৪.
বিশাল গড়ের দুঃশাসন
৫.
মানব দানব
৬.
বিভীষণের জাগরণ
৭.
মানুষের গড়া দৈত্য
৮.
মোহনপুরের শ্মশান
৯.
মড়ার মৃত্যু
১০.
প্রেতাত্মার প্ৰতিশোধ
১১.
সর্বনাশা নীলা
১২.
কামরা আর আমরা
১৩.
মূর্তি
১৪.
কী?
১৫.
ওলাইতলার বাগানবাড়ি
১৬.
বাঁদরের পা
১৭.
বাদলার গল্প
১৮.
বাড়ি
১৯.
মাথা-ভাঙার মাঠে
২০.
রামস্বামীর উপলমণি
২১.
ভূতের রাজা
২২.
কে?
২৩.
মিসেস কুমুদিনী চৌধুরি
২৪.
চিলের ছাতের ঘর
২৫.
খামেনের মমি
২৬.
ক্ষুধিত জীবন
২৭.
রুদ্রনারায়ণের বাগানবাড়ি
২৮.
বিজয়ার প্রণাম
২৯.
আয়নার ইতিহাস
৩০.
ঐন্দ্রজালিক
৩১.
জ্বলন্ত চক্ষু
৩২.
কঙ্কাল-সারথি
৩৩.
কিসমৎ
৩৪.
তিন নম্বরের ঘর
৩৫.
দিঘির মাঠে বাংলো
৩৬.
পিশাচ
৩৭.
ভীমেডাকাতের বট
৩৮.
জীবন্ত মৃতদেহ
৩৯.
অভিশপ্ত মূর্তি
৪০.
কলকাতার বিজন দ্বীপে
৪১.
বন্দি আত্মার কাহিনি
৪২.
ছায়া, না কায়া?
৪৩.
জীবন্ত মৃত্যু
৪৪.
নবাব কুঠির নর্তকী
৪৫.
কোর্তা
৪৬.
ভূত-পেত্নীর কথা
৪৭.
পোড়ো-মন্দিরের আতঙ্ক
৪৮.
অভিশপ্ত নীলকান্ত
৪৯.
ভূতের ভয়
৫০.
আজও যা রহস্য
৫১.
ভূত যখন বন্ধু হয়
৫২.
এথেন্সের শেকল বাঁধা ভূত
৫৩.
আধ খাওয়া মড়া
৫৪.
স্বপ্ন হলেও সত্য
৫৫.
শয়তান
৫৬.
গঙ্গার বিভীষিকা
৫৭.
বাদশার সমাধি
৫৮.
পোড়ো বাড়ি
৫৯.
ভৌতিক, না ভেলকি?
৬০.
ভৌতিক চক্রান্ত
৬১.
পেপির দক্ষিণ পদ
৬২.
পর্বত ও মূষিক
৬৩.
অট্টহাসক
৬৪.
টেলিফোন
৬৫.
নবাবগঞ্জের সমাধি
৬৬.
ভূত আর ভূতনাথ
৬৭.
আজব সত্য-কাহিনি
৬৮.
বাজলে বাঁশী কাছে আসি
৬৯.
বংশীবদনের বহির্গমন
৭০.
অলৌকিক
৭১.
জুজুর ভয়
৭২.
রামস্বামীর উপল মণি
৭৩.
বাড়ি, বুড়ো, বুট
৭৪.
শয়তানি-জুয়া
৭৫.
রহস্যময় বাড়ি
৭৬.
বাঘের চোখ
৭৭.
মানুষ, না পিশাচ
৭৮.
জাগ্রত হৃৎপিণ্ড
৭৯.
অভিশপ্তা
৮০.
সূর্যদেবতার পুরোহিত
৮১.
অদৃশ্যের কীর্তি
৮২.
নসিবের খেলা
৮৩.
ছায়া—কায়া—মায়া
৮৪.
বিছানা
৮৫.
লোটা
৮৬.
মাঝরাতের ‘কল’
৮৭.
এক রাতের ইতিহাস
৮৮.
কিন্তু
৮৯.
কায়া কি ছায়া কি মায়া
৯০.
ডাকবাংলো
৯১.
তবে
৯২.
মামূর্তের দানব-দেবতা
৯৩.
নবাব বাহাদুরের বংশধর
৯৪.
মুক্তি
৯৫.
মৃতদেহ
৯৬.
নরকের রাজা
৯৭.
ভেলকির হুমকি
৯৮.
আধ খাওয়া মড়া
৯৯.
কালো বিদ্যুৎ
১০০.
নিশীথ রাতের কাহিনী

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%