ভূতের ভয়

হেমেন্দ্রকুমার রায়

আবার বৃষ্টি নামল৷ আজ সারাদিন ধরেই বৃষ্টি এই থামে, এই নামে৷ মেঘের কাজল মেখে আকাশ হারিয়ে ফেলেছে তার নীলিমা৷ সূর্য কখন উঠেছে আর কখন আস্ত গিয়েছে কেউ জানে না৷ ময়লা দিনের আলো এবং তারই ভিতরে ধীরে ধীরে ঘনিয়ে উঠছে আসন্ন সন্ধ্যার বিষণ্ণ অন্ধকার৷

গঙ্গার ধারে, বাড়ির তেতলার বারান্দায় বসে আছি কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে৷ নদীর বুকজোড়া বৃষ্টির জলছড়া দেখতে দেখতে দ্বিতীয়বার চায়ের পেয়ালা খালি করলুম৷ কিছুক্ষণ সবাই চুপচাপ৷

একটা দমকা ভিজে বাতাস গায়ের উপরে হুস করে স্যাঁতসেঁতে নিশ্বাস ফেলে চলে গেল৷ বারান্দার কোণ ঘেঁষে সরে বসে চোখ তুলে দেখি অন্ধকার কখন নিঃশব্দে এসে গ্রাস করে ফেলেছে গঙ্গার ওপারকে৷ নীল গাছের সার, বেলুড় মঠের গম্বুজ, বালি ব্রিজ ও দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরচূড়া অদৃশ্য৷

এপারে আমার বাড়ি ও নদীর মাঝে জনবিরল পথ হঠাৎ মুখরিত হয়ে উঠল৷ রাম নামের মহিমা কীর্তন করতে করতে একদল হিন্দুস্থানি শবদেহ বহন করে নিয়ে যাচ্ছে৷

জনৈক বন্ধু শুধোলেন, ‘হেমেন্দ্র, এ বাড়িতে তুমি একলাই থাকো?’

—‘প্রায় তাই-ই বটে৷’

—‘এখান থেকে শ্মশান খুব কাছে?’

—‘হ্যাঁ৷’

—‘রোজ রাত্রেই এখান দিয়ে মড়া নিয়ে যায়?’

—‘তা যায়৷’

—‘তখন তোমার একলা থাকতে ভয় হয় না?’

হেসে ফেলে বললুম; ‘কীসের ভয়?’

—‘কীসের আবার? ভূতের৷’

—‘আমার ভূতের ভয় নেই৷’

—‘তুমি ভূত মানো না?’

—‘ঠিক মানি না বলতে পারি না৷ এ দেশের আর বিদেশের বড়ো বড়ো পণ্ডিতরাও ভূত মানেন৷ তাঁদের কথা অবিশ্বাস করতে ইচ্ছা হয় না৷’

—‘তুমি তো নিজেও অনেক ভূতের গল্প লিখেছ?’

—‘হ্যাঁ, কাল্পনিক গল্প৷’

—‘তুমি কখনও ভূত দ্যাখোনি তো?’

—‘আমার বাবা প্রেতিনী দর্শন করেছিলেন৷ তাঁর নিজের মুখে সে গল্প শুনেছি৷ শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব ভূত দেখেছিলেন, তাঁর জীবনী পাঠ করলেই জানতে পারবে৷’

—‘কিন্তু তুমি নিজে ভূত দেখেছ?’

—‘ভৌতিক কাণ্ড দেখেছি৷’

—‘কী রকম? কোথায়?’

—‘জয় মিত্র স্ট্রিটে৷ একত্রিশ কি বত্রিশ বৎসর আগেকার কথা৷ খবরের কাগজেও সেই ঘটনা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল৷ প্রত্যহ দলে দলে কৌতূহলী লোক ঘটনাস্থলে গিয়ে জনতার সৃষ্টি করত৷’

—‘ব্যাপারটা কী?’

—‘ভৌতিক উপদ্রব৷ চোখের সামনে দেখেছি দুমদাম করে ইষ্টকবৃষ্টি৷ কিন্তু কে যে ফেলছে কিছুই বোঝা যায় না৷’

—‘দুষ্ট লোকের নষ্টামি৷’

—‘মোটেই নয়৷ দিনের বেলা৷ বাড়ি ঘিরে পুলিশ পাহারা, তবু ইটপড়া বন্ধ হয় না৷ ঘরের ভিতরে মেঝের উপরে রয়েছে বাসন-কোসন, হঠাৎ সেগুলো জ্যান্ত হয়ে পাখির মতো শূন্য দিয়ে উড়ে আর এক জায়গায় ঝন ঝন করে গিয়ে পড়ল৷’

—‘কিন্তু তুমি স্বচক্ষে আসল ভূত দেখেছ কি?’

—‘আসল-নকল জানি না, একবার একটা ব্যাপার দেখেছিলুম!’

এতক্ষণে কিছু হদিশ পেয়ে বন্ধু উৎসাহিত হয়ে বললেন, ‘তাই নাকি? ব্যাপারটা শুনতে পাই না?’

—‘বলছি৷ কিন্তু এটা বোধহয় ভূতের গল্প নয়৷’

—‘ভণিতা ছাড়ো৷ গল্প বলো৷’

আরও জোরে বৃষ্টি এল—ঝম ঝম ঝম ঝম৷ গঙ্গাজল আর দেখা যায় না, কিন্তু শোনা যায় তার তরঙ্গ তান৷ এখনও আলো জ্বলেনি, বারান্দায় বন্ধুদের দেহগুলো দেখাচ্ছে ছায়ামূর্তির মতো৷ একটা নতুন সিগারেট ধরিয়ে চেয়ারের উপরে ভালো করে বসে আরম্ভ করলুম :

তেত্রিশ-চৌত্রিশ বৎসর আগেকার কথা৷ গঙ্গার ধারে আমার এ বাড়িখানার জায়গায় তখন ছিল খোলা জমি৷ আমরা বাস করতুম পাথুরিয়াঘাটার পৈতৃক বাড়িতে৷

তেতলার ছাদে একপাশে আমার শয়নগৃহ৷ তার দক্ষিণ দিকের জানালা দিয়ে দেখা যায় বহুদূর পর্যন্ত৷ জানালার নীচেই একটা হাত দেড়েক চওড়া, কিন্তু বেশ খানিকটা লম্বা খানা—তার ভিতরে ছিল সাপ আর ইঁদুরের বাসা, মাঝে মাঝে সেখানে প্যাঁচারাও আনাগোনা করত৷

খানার পরেই পাশাপাশি তিনখানা ছোটো ছোটো পুরানো বাড়ি৷ পূর্ব দিকের বাড়িখানা এ-পাড়ায় ছিল কুবিখ্যাত৷ আমাদের বাল্যকালে ও প্রথম যৌবনে বাড়িখানা ছিল পরিত্যক্ত৷ সবাই বলত সেখানা হানাবাড়ি, ভাড়া নিতে চাইত না৷ আমার বাবা ওই বাড়ির ছাদের উপরেই গভীর রাত্রে একটি অবগুণ্ঠনবতী নারীমূর্তি দেখেছিলেন৷ কিন্তু তাকে ধরতে গিয়েও ধরতে পারেননি—তাঁর চোখের সামনেই মিলিয়ে গিয়েছিল মূর্তি!

আমি যখন তেতলার ওই ঘরে গিয়ে বাসা বাঁধি, তখন বাড়িখানা সংস্কার করে ভাড়া দেওয়া হয়েছিল, যদিও রাত্রে সবাই তার দিকে সন্দিগ্ধ দৃষ্টি নিক্ষেপ করত৷ আমি কিন্তু বহু বৎসরেও সে বাড়ি থেকে সন্দেহজনক কিছুই আবিষ্কার করতে পারিনি৷

তবে একদিনের ব্যাপারের কথা মনে আছে৷ আমার অভ্যাস ছিল ঘুমের আগে অন্তত মধ্যরাত্রি পর্যন্ত লেখাপড়া করা! সেদিনও তাই করছিলুম৷ রাত বারোটা বাজে—চারিদিক নিঝুম৷ আচম্বিতে সেই স্তব্ধতা বিদীর্ণ ও আকাশ-বাতাস স্তম্ভিত করে অপার্থিব নারীকণ্ঠে জেগে উঠল তীব্র ও প্রচণ্ড ক্রন্দনস্বর! তেমন ভয়াবহ চিৎকার জীবনে আর কখনও আমি শুনিনি—আমার সর্বাঙ্গ যেন আচ্ছন্ন হয়ে গেল৷ মাত্র একবার সেই বীভৎস কান্না শোনা গিয়েছিল বটে, কিন্তু তা শুনতে পেয়েছিল পাড়ার সমস্ত লোক৷ এ পাড়ায় সকলেই আমার আত্মীয়-কুটুম্ব৷ পরদিন সকালে উঠে খোঁজ-খবর নিয়ে বুঝলুম, কোনো বাড়ি থেকে কোনো নারীই কাল রাত্রে অমন করে ক্রন্দন করেননি৷ সকলেই মত প্রকাশ করলেন, আওয়াজটা এসেছিল আমাদের বাড়ির পাশের খানার ভিতর থেকেই৷ আমিও এই মতে সায় দিতে বাধ্য হলুম বটে কিন্তু মধ্যরাত্রে খানার ঘুটঘুটে অন্ধকারে বসে কোনো নারী যে অমন ভয়ানকভাবে কেঁদে উঠবে, এটাও সম্ভবপর বলে মনে হল না৷ আজ পর্যন্ত এই ক্রন্দন-রহস্যের কোনো হদিশ পাইনি৷

অতঃপর যে ঘটনার কথা বলব তারও উৎপত্তি ওই খানার ভিতরেই৷

সে রাত্রে ভারী গুমোট৷ বাইরে চাঁদ আলো ঢালছে বটে, কিন্তু বাতাসের শ্বাস একেবারে রুদ্ধ হয়ে গেছে৷ রাত দুটো বেজে গিয়েছে, তবু চোখে নেই ঘুম, বিছানায় পড়ে আই-ঢাই করছি৷

পাশ ফিরে পাশবালিশটা জড়িয়ে ধরে দক্ষিণের জানালা দিয়ে বাইরের দিকে তাকালুম৷ ধবধবে জ্যোৎস্নায় ছাদের পর ছাদ ভেসে যাচ্ছে৷ চাঁদের আলোর ভিতরে যে ঠান্ডার আমেজটুকু আছে, এই দারুণ গুমোটে তা মনের ভিতরে গ্রহণ করবার চেষ্টা করলুম৷

হঠাৎ আমার চোখ দুটো উঠল বিষম চমকে! খানার দিক থেকে জাগল দু-খানা ছোটো ছোটো হাত, তারপর চেপে ধরলে জানালার দুটো গরাদে৷ তারপরই দেখা গেল একটা মাথা এবং তারপরেই সমস্ত দেহটা৷ একটা পাঁচ-ছয় বৎসরের শিশুর দেহ! বিশেষ করে কিছুই বুঝতে পারলুম না, কারণ বাইরের চাঁদের আলোর দিকে পিছন ফিরে ছিল বলে দেহটাকে দেখাচ্ছিল যেন ঘোর কালো অন্ধকার দিয়ে গড়া৷

জানালার মাঝামাঝি যে আড়াআড়ি কাঠ থাকে, মূর্তিটা তার উপরে উবু হয়ে বসল, তারপর ঊর্ধ্বোত্থিত দুই হাত দিয়ে গরাদ ধরে বোধহয় আমার পানেই তাকালে—বেশ দেখতে পেলুম তার অগ্নিময় চোখদুটো! তিন কি চার সেকেন্ড সে স্থিরভাবে বসে রইল৷ তারপর জানালার গরাদে ছেড়ে দেওয়াল ধরে উপর দিকে অদৃশ্য হয়ে গেল৷

আমি ভীরু নই কোনোকালেই, তবু বুকের ভিতরটা ছমছম করে উঠল বইকি! প্রায় মিনিটখানেক ধরে কিংকর্তব্যবিমূঢ়ের মতো চুপ করে বসে রইলুম বিছানার উপর৷ তারপরই নিজেকে সামলে নিয়ে চট করে উঠে পড়লুম এবং ঘরের কোণ থেকে একগাছা লোহা-বাঁধানো লাঠি নিয়ে দরজা খুলে ঘরের বাইরে গিয়ে দাঁড়ালুম৷

পরিষ্কার চাঁদের আলো৷ চারিদিকে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে৷ কেউ নেই কোথাও৷ তেতলার ছাদে উঠলুম৷ মূর্তিটার এইখানেই আসবার কথা৷ সেখানেও কেউ নেই৷

কী বলছ? আমি বানরের মূর্তি দেখেছি? প্রথমে আমারও সেই সন্দেহ হয়েছিল৷ কিন্তু মূর্তিটা বানরের মতো ছোটো হলেও বানর নয়৷ কারণ, প্রথমত, জলভরা অন্ধকার খানায় বানর থাকে না৷ দ্বিতীয়ত, বানররা নিশাচর জীব নয়৷ তৃতীয়ত, জানালার উপর ছিল মসৃণ দেওয়ালের অনেকখানি, তাই বলে কোনো বানরই টিকটিকি কি মাকড়সার মতো উপরে উঠতে পারে না৷

তবে সেটা কী? জানি না৷ তারপরেও ওই ঘরে কাটিয়েছি অনেক বৎসর, কিন্তু মূর্তিটা আর কখনও আমার সঙ্গে দেখা করতে আসেনি৷

ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্টের কবলে পড়ে সেই রহস্যময় বাড়িখানা এবং সেখানকার বাড়িগুলো এখন অদৃশ্য হয়েছে৷ আমার কথা ফুরুল৷

ঝুপুর ঝুপুর বৃষ্টি পড়ছে, হু হু করে বাতাস বইছে, ছলাৎ ছলাৎ করে গঙ্গাজল তীরে এসে আছড়ে পড়ছে, পৃথিবী অন্ধকার৷ বন্ধুরা স্তব্ধ৷

সুইচ টিপে আলো জ্বাললুম৷ বন্ধুরা বিরক্ত হয়ে বললে, ‘ধেৎ, দিব্যি একটি ভূতুড়ে অ্যাটমসফিয়ার গড়ে উঠেছিল, আলো জ্বেলে সব মাটি করে দিলে!’

হেসে বললুম, ‘আমি এটা ভূতের গল্প বলে মনে করি না৷’

বন্ধুরা বললে, ‘আমরা যদি নকলে আসলের সুখ পাই, তাতে তোমার কী?’

—‘বলো তো আবার আলো নিবিয়ে দি৷’

—‘না, ছেঁড়া তার জোড়া লাগে না৷ তার চেয়ে আবার গরম চা আনাও৷’

সকল অধ্যায়
১.
অদৃশ্য মানুষ
২.
অমানুষিক মানুষ
৩.
ইন্দ্ৰজালের মায়া
৪.
বিশাল গড়ের দুঃশাসন
৫.
মানব দানব
৬.
বিভীষণের জাগরণ
৭.
মানুষের গড়া দৈত্য
৮.
মোহনপুরের শ্মশান
৯.
মড়ার মৃত্যু
১০.
প্রেতাত্মার প্ৰতিশোধ
১১.
সর্বনাশা নীলা
১২.
কামরা আর আমরা
১৩.
মূর্তি
১৪.
কী?
১৫.
ওলাইতলার বাগানবাড়ি
১৬.
বাঁদরের পা
১৭.
বাদলার গল্প
১৮.
বাড়ি
১৯.
মাথা-ভাঙার মাঠে
২০.
রামস্বামীর উপলমণি
২১.
ভূতের রাজা
২২.
কে?
২৩.
মিসেস কুমুদিনী চৌধুরি
২৪.
চিলের ছাতের ঘর
২৫.
খামেনের মমি
২৬.
ক্ষুধিত জীবন
২৭.
রুদ্রনারায়ণের বাগানবাড়ি
২৮.
বিজয়ার প্রণাম
২৯.
আয়নার ইতিহাস
৩০.
ঐন্দ্রজালিক
৩১.
জ্বলন্ত চক্ষু
৩২.
কঙ্কাল-সারথি
৩৩.
কিসমৎ
৩৪.
তিন নম্বরের ঘর
৩৫.
দিঘির মাঠে বাংলো
৩৬.
পিশাচ
৩৭.
ভীমেডাকাতের বট
৩৮.
জীবন্ত মৃতদেহ
৩৯.
অভিশপ্ত মূর্তি
৪০.
কলকাতার বিজন দ্বীপে
৪১.
বন্দি আত্মার কাহিনি
৪২.
ছায়া, না কায়া?
৪৩.
জীবন্ত মৃত্যু
৪৪.
নবাব কুঠির নর্তকী
৪৫.
কোর্তা
৪৬.
ভূত-পেত্নীর কথা
৪৭.
পোড়ো-মন্দিরের আতঙ্ক
৪৮.
অভিশপ্ত নীলকান্ত
৪৯.
ভূতের ভয়
৫০.
আজও যা রহস্য
৫১.
ভূত যখন বন্ধু হয়
৫২.
এথেন্সের শেকল বাঁধা ভূত
৫৩.
আধ খাওয়া মড়া
৫৪.
স্বপ্ন হলেও সত্য
৫৫.
শয়তান
৫৬.
গঙ্গার বিভীষিকা
৫৭.
বাদশার সমাধি
৫৮.
পোড়ো বাড়ি
৫৯.
ভৌতিক, না ভেলকি?
৬০.
ভৌতিক চক্রান্ত
৬১.
পেপির দক্ষিণ পদ
৬২.
পর্বত ও মূষিক
৬৩.
অট্টহাসক
৬৪.
টেলিফোন
৬৫.
নবাবগঞ্জের সমাধি
৬৬.
ভূত আর ভূতনাথ
৬৭.
আজব সত্য-কাহিনি
৬৮.
বাজলে বাঁশী কাছে আসি
৬৯.
বংশীবদনের বহির্গমন
৭০.
অলৌকিক
৭১.
জুজুর ভয়
৭২.
রামস্বামীর উপল মণি
৭৩.
বাড়ি, বুড়ো, বুট
৭৪.
শয়তানি-জুয়া
৭৫.
রহস্যময় বাড়ি
৭৬.
বাঘের চোখ
৭৭.
মানুষ, না পিশাচ
৭৮.
জাগ্রত হৃৎপিণ্ড
৭৯.
অভিশপ্তা
৮০.
সূর্যদেবতার পুরোহিত
৮১.
অদৃশ্যের কীর্তি
৮২.
নসিবের খেলা
৮৩.
ছায়া—কায়া—মায়া
৮৪.
বিছানা
৮৫.
লোটা
৮৬.
মাঝরাতের ‘কল’
৮৭.
এক রাতের ইতিহাস
৮৮.
কিন্তু
৮৯.
কায়া কি ছায়া কি মায়া
৯০.
ডাকবাংলো
৯১.
তবে
৯২.
মামূর্তের দানব-দেবতা
৯৩.
নবাব বাহাদুরের বংশধর
৯৪.
মুক্তি
৯৫.
মৃতদেহ
৯৬.
নরকের রাজা
৯৭.
ভেলকির হুমকি
৯৮.
আধ খাওয়া মড়া
৯৯.
কালো বিদ্যুৎ
১০০.
নিশীথ রাতের কাহিনী

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%