ছুঁচোর ফৌজ

সৌম্য ভট্টাচার্য

বিজন বনের মধ্যে ডোরা-ডোনাদের কয়েকদিন কেটে গেছে। পর্তুগিজ কেল্লার মধ্যেই ওপরের চারটে ঘরে তারা আছে। বাঘুয়া তালি বাজাতেই সেই পুরোনো ভাঙাচোরা, শ্যাওলাধরা ঘরগুলো পরিষ্কার ঝকঝকে হয়ে উঠেছে। মেঝেতে পাতা হয়ে গেছে গালিচা আর জাজিম। মশারি আর খুব নরম বালিশ তথা পাশবালিশের ব্যবস্থাও হয়েছে। এছাড়া খাবারদাবারের তো কোনো কথাই নেই। বাঘুয়া তালি বাজায় আর প্লেটের পর প্লেট সুখাদ্য আসতে থাকে। কখনো পোলাও-কালিয়া, কখনো ধপধপে সাদা বাসমতি চালের ভাত আর কচি পাঁঠার ঝোল। কখনো-বা ঝিঙেপোস্ত আর চিংড়ির মালাইকারি। একদিন ইলিশ ফিস্টও হয়েছে—ইলিশমাছ ভাজা, সরষে ইলিশ, ইলিশের ঝোল আর ইলিশের অম্বল। আশ্চর্য, এত খাওয়া-দাওয়া করেও ওদের শরীর খারাপ হয়নি। বরং এনার্জি দ্বিগুণ বেড়ে গেছে। বাচ্চারা সারাদিন কেল্লার বাইরে হুটোপাটি করে কাটায়। লুকোচুরি খেলে। কেল্লার পাশে একটা পরিষ্কার জলের পুকুর আছে। সেখানে সাঁতারও কাটে মাঝে মাঝে। বস্তুত এত আরামে ওরা বহুদিন কাটায়নি। কেল্লা নিস্তব্ধ হলেও ভেতরে আরো প্রাণী আছে বলে মনে হয়। মাঝে মাঝেই খুট খুট শব্দ হয়। কারা যেন নড়েচড়ে বেড়াচ্ছে। বাঘুয়া অবশ্য ট্রেজার হান্ট-এর অনুমতি দেয়নি। সারা কেল্লাটা এক্সপ্লোর করার ব্যাপারেও কোনো উৎসাহ দেখায়নি।

বাচ্চারা খেলে বেড়ালেও, বাঘুয়া চুপ করে বসে নেই। মাঝে মাঝেই সে ঘন জঙ্গলের মধ্যে উধাও হয়। ডোরা-ডোনাদের ওপর অবশ্য কঠোর নিষেধ আছে যে, বাঘুয়ার অনুপস্থিতিতে কোনোক্রমেই তারা যেন কেল্লার চৌহদ্দির বাইরে না যায়। মাঝেমধ্যে বাইরের প্রাণীও আসে। সনাতন ভোঁদড় আর দেঁতো কুমির প্রতিদিনই ঘুরে যাচ্ছে। হাতি আর জলহস্তীরা এসেছে। চিতাবাঘ, গুলেবাঘরাও একদিন খ্যাঁক খ্যাঁক করে বাঘুয়ার সঙ্গে অনেক গোপন পরামর্শ করে গেল। মা মারা যাওয়ার পর সনাতন মাথা ন্যাড়া করেছে। তাই তাকে একটু অদ্ভুত দেখতে লাগছে। ডোরা-লীনাদের দেখতে পেয়ে সনাতন বিষণ্ণ হেসে বলল, ‘বাচ্চারা, ভালো আচো তো?’

—হ্যাঁ। তুমি?

—ওই চলচে একরকম। মা মারা যাবার পর হবিষ্যি করচি তো।

ভোঁদড় কী করে হবিষ্যি করে সে ব্যাপারে ডোরার কৌতূহল হচ্ছিল, কিন্তু সংকোচে সেটা জিগ্যেস করতে পারল না।

ডোনা জিগ্যেস করল, ‘সনাতন, তোমরা বাঘুয়ার সঙ্গে বসে কী এত পরামর্শ করছ?’

—ফন্দি আঁটচি গো। ফন্দি আঁটচি।

—কীসের ফন্দি?

—দ্যাকো, বাচ্চারা—বাংলা মা-র বুকের ঘা শুকোতে তোমাদের তার কাচে গিয়ে গান গাইতে হবে, তাই তো?

—হ্যাঁ।

—কীভাবে তা পারবে? ওখানে কালাপাহাড় আচে। কোটি কোটি খোক্কোস আচে। সব তো থানা দিয়ে বসে আচে।

সত্যিই তো! মকররাজের যক্ষপুরী এক আকাশছোঁয়া প্রাসাদ দুর্গ। তার সাততলার কোণের এক ঘরে বাংলা মা বন্দি হয়ে আছেন। কোটি কোটি খোক্কোস সেখানে পাহারা দিচ্ছে। তাদের পেরিয়ে ডোরা, ডোনা, নীলু, মিতুল কীভাবে ঢুকতে পারবে? বাংলা মায়ের কাছে যেতে পারবে?

নীলু বলল, ‘তাই তো?’

ডোরা, ডোনা, মিতুল সমস্বরে বলে উঠল, ‘তাই তো? কীভাবে যেতে পারব?’

বলতে বলতেই বাঘুয়া এসে গেল। জিগ্যেস করল, ‘বাচ্চারা, ভালো আছো তো?’

—তোফা আছি বাঘুয়া, দারুণ আছি।

বাঘুয়া সনাতনের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘তাহলে সনাতন, এটাই ঠিক?’

—হ্যাঁ, বাঘুয়া, দধিকর্মাকে ডাকা ছাড়া উপায় দেখছি না।

বাঘুয়া বলল, ‘বাচ্চারা, চলো কেল্লার সামনের মাঠে চলো। তোমাদের একটা আশ্চর্য জিনিস দেখাব।’

কী সে আশ্চর্য জিনিস? ডোরা, ডোনা, নীলু, মিতুল তো ভীষণ কৌতূহল নিয়ে বাঘুয়া আর সনাতনের পেছু পেছু চলল।

মাঠে পশুদের একটা জমায়েত হয়েছে। ইঁদুর, বাদুড়, বেজি, ভাম, হাতি, গন্ডার, জলহস্তি, গুলেবাঘ, চিতাবাঘ, হরিণ সবাই উপস্থিত। সব চুপ করে কিছুর অপেক্ষা করছে।

সেই মাঠের মধ্যে দাঁড়িয়ে বাঘুয়া বজ্রকন্ঠে হুংকার দিল—‘দধিকর্মা!’

বলতেই এক আশ্চর্য কান্ড ঘটল। কেল্লার পেছন থেকে সুড় সুড় করে বেরিয়ে এল এক প্রাণী। দৌড়োতে দৌড়োতে সে এসে মাঠের মাঝখানে যে-জায়গাটা বেশ উঁচু ঢিপির মতো হয়ে রয়েছে, তার ওপর দাঁড়াল। দাঁড়িয়ে দন্ডবৎ হয়ে বাঘুয়াকে প্রণাম করল। ডোরা, ডোনারা দেখল যে, দধিকর্মা এক অত্যন্ত বড়ো আকারের ছুঁচো ছাড়া আর কিছু নয়। তবে বড়ো আকারের বলতে প্রায় ছোটো-খাটো বেড়ালের সমান তার আকার, আয়তন। ছুঁচোলো মুখ, পরিপাটি গোঁফ, পাকানো ল্যাজ। এক হাতে ছোট্ট তীক্ষ্ণ একটা ত্রিশূল।

বাঘুয়াকে উদ্দেশ্য করে দধিকর্মা বলল, ‘বাঘুয়া, তুমি আমায় স্মরণ করেছ। তোমার জন্য আমি জীবন দিতে প্রস্তুত। বলো, কী করতে হবে?’

—তোমার সঙ্গে কত ছুঁচো আছে, দধিকর্মা?

—এক অক্ষৌহিণী, বাঘুয়া।

—এক অক্ষৌহিণী!

—হ্যাঁ, বাঘুয়া। যক্ষপুরীর যত ছুঁচো ছিল, তারা শেয়ালপন্ডিত আর কালাপাহাড়ের অত্যাচারে পালিয়ে এসে এই কেল্লার নীচের ঘরগুলোয় আশ্রয় নিয়েছে। তারা সবাই ক্রোধে বিস্ফারিত হয়ে রয়েছে, বাঘুয়া। ত্রিশূল দিয়ে শেয়ালপন্ডিত আর মকররাজের ভুঁড়ি ফুটো করতে তারা প্রস্তুত।

বাঘুয়া বাচ্চাদের দিকে ঘুরে বলল, ‘দেখলে, কেন তোমাদের ‘ট্রেজার হান্ট’ করতে বারণ করেছিলাম। তোমরা এক অক্ষৌহিণী ত্রিশূলধারী, ক্রোধী ছুঁচোর পাল্লায় পড়তে!’

দধিকর্মা বলে চলল, ‘কালাপাহাড় আর শেয়ালপন্ডিতের অত্যাচারের সীমা নেই। ওরা ছুঁচোর বংশ নির্বংশ করতে আমাদের গর্তে বিষের ধোঁয়া ছেড়ে দিত। কত অর্বুদ, নির্বুদ ছুঁচো যে এর জন্য অকালে প্রাণ হারিয়েছে, তার ইয়ত্তা নেই!’

বাঘুয়া গভীর সহানুভূতির সঙ্গে বলল, ‘তাই তো! তোমরা বড়ো কষ্ট পেয়েছ।’

‘তুমিই বলো, বাঘুয়া? ছুঁচো কি তুচ্ছ প্রাণী? ইঁদুরের চাইতে তার স্বভাব ভালো, মুখশ্রী ভালো, বুদ্ধিও বেশি। ইঁদুরের সম্বন্ধে কবি বলেছেন, ‘‘কাঠ কাটে, বস্ত্র কাটে, কাটে সমুদায়।’’ ‘ছুঁচোদের সম্বন্ধে এমন বদনাম কেউ দিতে পারবে?’ দধিকর্মার বক্তব্যে জমায়েতে একটা আলোড়নের সৃষ্টি হল। উপস্থিত বেশ কিছু ধাড়ি মেঠো ইঁদুর ক্রোধে অধীর হয়ে কিচ কিচ শব্দে তাদের বিরক্তি প্রকাশ করতে লাগল।

বাঘুয়া বলল, ‘বন্ধুগণ, এখন আমাদের মধ্যে ঝগড়া, বিবাদের সময় নয়। আমাদের শিয়রে শমন। আমাদের একত্র হয়ে এই বিপদের মোকাবিলা করতে হবে। ছুঁচো, ইঁদুর ভাই ভাই! কোথাও কোনো বিবাদ নাই!’ বাঘুয়ার বক্তব্যে ইঁদুরেরা শান্ত হয়ে চুপ করল। সভা আবার চালু হল।

বাঘুয়া তখন দধিকর্মাকে বলল, ‘দেখি, তোমার ছুঁচোর ফৌজ।’

দধিকর্মা কৃতার্থ হয়ে বলল, ‘বাঘুয়া, দীর্ঘ ছ-মাস ধরে নিয়মিত কুচকাওয়াজ করে এই সশস্ত্র, অজেয় ছুঁচোর ফৌজ তৈরি হয়েছে। বাংলা মা-র মুক্তির জন্য তারা জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত।’

বলতে বলতেই সে গলায় ঝোলানো হুইসেল পিঁ পিঁ করে বাজিয়ে দিল।

তখন ডোরা, ডোনা, নীলু, মিতুল এক আশ্চর্য দৃশ্য দেখল।

কেল্লার ভেতর থেকে অগণ্য, অর্বুদ, নির্বুদ ছুঁচো পিল পিল করে বেরিয়ে এল। নামেই ছুঁচো। আকার, আয়তনে সবাই ছোটোখাটো বেড়ালের মতো। ছুঁচোলো মুখ, পরিপাটি গোঁফ, পাকানো ল্যাজ। ডান হাতে ছোট্ট, তীক্ষ্ম, ত্রিশূল। সুশৃঙ্খল সেনাদলের মতো কুচকাওয়াজ করতে করতে, লেফট রাইট লেফট রাইট ছন্দে তালে তালে পা ফেলে ফেলে সারিবদ্ধ হয়ে তারা দধিকর্মার সামনে এসে দাঁড়াল।

দধিকর্মা বলল, ‘সাবধান!’

ছুঁচোর সৈন্যদল কুচকাওয়াজ বন্ধ করে, নিথর, নিস্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল। চোখে তাদের পলক পড়ছে না। ত্রিশূল মাথার ওপর সঙিণের মতো খাড়া হয়ে রয়েছে।

দধিকর্মা প্রীত হয়ে বলল, ‘বিশ্রাম!’

সারিবদ্ধ ছুঁচোর দল এবার ত্রিশূল নীচে নামিয়ে, বিশ্রামের ভঙ্গিতে দাঁড়াল।

সেই মহতী ছুঁচোর সমাবেশে তাদের নেতা দধিকর্মা গম্ভীর, কম্বুকন্ঠে বলল, ‘দুনিয়ার ছুঁচো এক হও!’

তার এই উদাত্ত আহ্বানে ছুঁচোর ফৌজ আবেগে উদবেল হয়ে তাদের ত্রিশূল মাথার ওপর নাড়তে লাগল। তাদের কিচ কিচ শব্দে আকাশ-বাতাস মুখরিত হয়ে উঠল।

তখন বাঘুয়া সেই ঢিপির ওপর উঠে দধিকর্মার পাশে গিয়ে দাঁড়াল। চলনে-বলনে রাজকীয় আভিজাত্য তার। মাঠের মধ্যে যেন সূর্যের আরেকবার উদয় ঘটল।

সমস্ত পশু, পাখি, ছুঁচোর ফৌজ, ডোরা, ডোনা, মিতুল, নীলু মাঠে বসে একদৃষ্টে তাদের নেতা বাঘুয়ার দিকে চেয়ে রইল। দধিকর্মা প্রণত হয়ে বাঘুয়াকে অভিবাদন করে বলল, ‘বাঘুয়া, আজ থেকে তুমি আমাদের নেতা। আমরা সবাই তোমার জন্য জীবন পর্যন্ত উৎসর্গ করে বাংলা মায়ের দুঃখ ঘোচাব, তাঁর মুখে হাসি ফোটাব।’

তারপর সেনাপতি হিসেবে বাঘুয়ার অভিষেক হল। ময়ূর এসে তার গলায় মালা পরিয়ে দিল, হাতিরা শুঁড়ে করে মাথায় জল ঢালল, জলহস্তী চামর দিয়ে ব্যজন করতে লাগল।

সেই সুবিশাল সমাবেশের সামনে দাঁড়িয়ে বাঘুয়া এক দৃপ্ত ভাষণ দিল।

ভায়েরা আমার!

আজ শুধু ছুঁচোদের এক হলে চলবে না। আমাদের সব্বাইকে এক হতে হবে! বাংলা মায়ের দুঃখ ঘোচাবার সময় উপস্থিত। আমায় আইরাক্ষস-কাইরাক্ষস দীর্ঘ দিন বন্দি করে রেখেছিল। তখনও বলেছিলাম, এখনো বলছি—আমারে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবা না!

আমাদের বহুদিনের দুঃখ ছিল যে, বাংলা মায়ের নিজের কোনো সৈন্যদল নেই। সুশৃঙ্খল, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সৈন্যদল বিনা বাংলা মায়ের দুঃখমোচন অসম্ভব। আজ দধিকর্মার প্রসাদে আমাদের সামনে এক অক্ষৌহিণী অজেয় সৈন্যদল উপস্থিত। রয়েছে ডোরা, ডোনা, নীলু, মিতুল! জয় আমাদের হবেই। এসো, ভায়েরা। অগ্রসর হও! তোমাদের সামনে অমরত্ব অপেক্ষা করছে। যুদ্ধজয়ী হয়ে যশস্বী হও। আজ আমি তোমাদের বড়ো বড়ো কোনো প্রতিশ্রুতি দেব না। রক্ত, ঘাম, কষ্ট, অশ্রুজলের বেশি হয়তো কিছুই তোমরা পাবে না। তবে আমি কথা দিচ্ছি যে, দুঃখে, শোকে, আঘাতে, বিচ্ছেদে সদাসর্বদা আমি তোমাদের পাশে থাকব।

ভায়েরা আমার! তোমরা আমায় রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব! চলো যক্ষপুরী! চলো যক্ষপুরী! লক্ষ্য আমাদের যক্ষপুরী!

তোমরা আমায় রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব!

তোমরা আমায় রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব!

তোমরা আমায় রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব!

বাঘুয়ার এই দৃপ্ত বাণী আকাশে-বাতাসে রিন রিন করে বাজতে লাগল। তার প্রচন্ড অভিঘাতে ডোরা, ডোনা, নীলু, মিতুল আর সমবেত পশুপাখি মাঠের মধ্যে উদবেল হৃদয়ে নিশ্চুপ হয়ে বসে রইল।

সকল অধ্যায়
১.
গরমের ছুটিতে
২.
ডায়েরি আর রাখি
৩.
দাদুর বাগানে
৪.
এলেম নতুন দেশে
৫.
ভোঁদড় বাহাদুর
৬.
কুমিরের ডেরায় বাঘুয়ার গল্প
৭.
বাঘুয়ার আবির্ভাব
৮.
কালাপাহাড়ের আক্রমণ
৯.
পুরাণের ভবিষ্যদবাণী
১০.
মকররাজের মন্ত্রণাসভা
১১.
পর্তুগিজ কেল্লায়
১২.
খোক্কোসদের চক্রান্ত
১৩.
ছুঁচোর ফৌজ
১৪.
বাঘুয়া ও বাচ্চারা
১৫.
ময়নাবুড়ির কাছে
১৬.
কালনেমির কবলে
১৭.
নটসূর্য নাড়ুগোপাল
১৮.
হারিয়ে গেল ডোনা
১৯.
যক্ষপুরীতে ডোনা
২০.
বিভীষণ
২১.
কালাপাহাড়ের ফন্দি
২২.
যক্ষপুরীর নন্দিনী
২৩.
ডোনার গান ও শেয়ালপন্ডিতের আবির্ভাব
২৪.
যুদ্ধযাত্রা
২৫.
শেয়ালপন্ডিতের সিদ্ধিলাভ
২৬.
বন্দি বাংলা মায়ের কাছে
২৭.
বাংলার মাটি, বাংলার জল
২৮.
বাঘুয়া বনাম কালাপাহাড়
২৯.
বাংলা মায়ের সভা
৩০.
সবপেয়েছির দেশে
৩১.
ঘরে ফেরা
৩২.
আবার আসিব ফিরে
৩৩.
উত্তরকথন
৩৪.
লেখকের কথা
৩৫.
দেশভাগ ও বাঙালি জাতীয়তাবাদ*

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%