অযান্ত্রিক

বিনয় ঘোষ

এ পৃথিবীতে এক সম্প্রদায়ের লোক আছেন যাঁরা যন্ত্রের নাম শুনলে ঘৃণায় নাসিকা কুঞ্চিত করেন। তাঁদের মানুষিক সত্তা নাকি বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। অতনু আত্মার অণিমা নাকি যন্ত্রের রূঢ় ঘর্ষণে ম্লান হয়ে যায়। মানুষের মনের মুক্তপক্ষ গতিকে যন্ত্র রুদ্ধ করে। চির-উড্ডীয়মান আত্মার গতিপথ যন্ত্রের ও কারখানার চিমনি-উদগিরিত ধোঁয়ায় অন্ধকার হয়ে যায়। ডানা-কাটা পাখির মতো ঊর্ধ্বলোক থেকে পড়ে সোঁদাগন্ধ মাটির বুকে। তারপর রিপু-সর্বস্ব মাটির চলে অবিরাম আক্রমণ। কোমল আত্মা ক্ষতবিক্ষত হয়ে আত্মসমর্পণ করে মাটির কাছে। নানা রিপু— লোভ, ক্রোধ, কাম প্রভৃতির দংশনে জর্জরিত আত্মা মাটির মোটা পোশাক পরে হয় মাটি-প্রবণ বা জড়ধর্মী। সুন্দর, সত্য ও মানবিকতার বোধ বিলুপ্ত হয়ে যায় : লোভের অনুচরবর্গ— হিংসা, জিঘাংসা একে একে তাদের আধিপত্য কায়েম করে নেয়। শান্তি হয় জীবন ও পৃথিবী থেকে নির্বাসিত। এই তো যন্ত্রের দান।

সুতরাং আধ্যাত্মিক শুভাকাঙ্ক্ষীরা মানুষের কল্যাণ কামনা করেন যন্ত্রকে বর্জন করে, যন্ত্রযুগকে জাহান্নামে পাঠিয়ে। হয়তো এই বাণী কেউ বেতারে প্রচার করেন, কেউ সংবাদপত্রে, কেউ পুস্তকের মধ্য দিয়ে। বেতার, সংবাদপত্র ও প্রেসে তখন প্রাণহীন যন্ত্রগুলি বিদ্রুপের অট্টহাসি হাসে। টাইপ-রাইটার থেকে মাইক্রোফোন, টেলি-প্রিন্টার, লাইনোরোটারি পর্যন্ত সকলে মুখ-চাওয়াচাওয়ি করে মুচকি হেসে বলে : 'সেকেলে গুরুদের মতো পৃথিবীব্যাপী টোল করে শিষ্যদের সরাসরি বাণী শোনালেই হয়, আমাদের সেবাযত্নের প্রয়োজনটা কী? যে ভৃত্যের সেবা-শুশ্রূষার ওপর জীবন নির্ভর করে, কোনো বুদ্ধিমান মনিব তার কুৎসা রটনা করে না। গাড়োয়ান আর মাঝিমাল্লা নিয়ে স্থলেজলে ভ্রমণ করলেই হয়, স্টিমার, জাহাজ, মোটর-লঞ্চ, ট্রেন— এসবের কি প্রয়োজন? স্টিলরথে শূন্যে ওড়ার সখ কেন, পুষ্পকরথ সন্ধান করলেই হয়। সকালের রুটি-মাখন থেকে পরনের পোশাকটি পর্যন্ত সবই তো যন্ত্রের দান। তাদের গ্রহণ না করে একবার পরীক্ষা করে দেখলেই হয়, কদিনের জন্যে কজনের জীবনকে আহারে-বিহারে সচ্ছল করা যায়। বৈদ্যুতিক শক্তিকে বর্জন করে প্রদীপ আর কাষ্ঠাগ্নির সাহায্যে ট্রাম, বাস, মোটর, টিউব ট্রেন, পাম্পিং স্টেশন, কলকারখানা চালালেই হয়, বা তাদের শক্তি সরবরাহ করলেই হয়। কেমিস্ট, ডাক্তার বা সার্জনদের মানুষ ও জীবনের শত্রু বলে বধ করে একবার বনজঙ্গলের গাছ ও ভূত-প্রেত-ডাইনিদের নিয়ে কয়েকটা দিন জীবনের কাটালেই হয়। তা হলে অভাব দূর হয়ে শান্তি ফিরে আসবে, প্রাচুর্যের ক্রোড়শায়ী নরদেহ অনর্থক আর আত্মাকে মাটির নরকের দিকে টেনে নামাবে না। যোগলব্ধ ঐশ্বর্যে আত্মা সূক্ষ্মতম রূপ পরিগ্রহ করে বিরাট বিশ্বমানবতায় বিলীন হয়ে যাবে।

আর এক সম্প্রদায়ের সমাজ-হিতৈষী আছেন যাঁরা বলেন, একটি কারখানায় একটি মেশিন হয়তো একহাজার শ্রমিকের কাজ করে, সুতরাং একহাজার শ্রমিককে বেকার করে তবে যন্ত্র তার কাজ করে। যন্ত্রের এ সমস্যার সমাধান কোথায়? আর প্রাচুর্যই যদি যন্ত্রের উদ্দেশ্য হয়, তবে যন্ত্রসভ্যতার যেদেশ উন্নতির সৌধশিখরে উঠেছে সেখানে অভাবের তাড়না এত কেন? কেন সেখানে লক্ষ লক্ষ লোক বেকার থাকে, কেন সেখানে লক্ষ লক্ষ শ্রমিক আধ-পেটা খেয়ে থাকে? সুতরাং এই শ্রেণির সমাজহিতৈষীর সিদ্ধান্ত হল, যন্ত্রই যত অনিষ্টের মূল, যন্ত্র ধ্বংস করলেই এ সমস্যার সুন্দর সমাধান হয়ে যাবে।

কিন্তু সমস্যাটা কি তাই? যন্ত্রের যেদিন আবির্ভাব হল এই পৃথিবীতে সেদিন তো মানুষের জীবনে বৈষম্য ও দৈন্যের সৃষ্টি করা তার উদ্দেশ্য ছিল না। তিরধনুক, পাথর, ব্রোঞ্জ আর লোহার অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে যে মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে নিজের জীবনের সচ্ছলতার জন্যে সংগ্রামে বিব্রত ছিল, সেই মানুষই যখন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়ে যন্ত্রযুগের শৈশবে পদার্পণ করল তখন তার সংগ্রামের অস্ত্রই তো শাণিত হল অনেক বেশি। অর্থাৎ জীবিকা-উৎপাদনের হাতিয়ার আরও বলিষ্ঠ হল। সুতরাং জীবনে তো মসৃণতা আসাই স্বাভাবিক। কিন্তু তা আসেনি কেন? যন্ত্রের উপর সকল মানুষের সমান অধিকার রইল না। একটি শ্রেণির মানুষই মালিক হল যন্ত্রের, বাকি সকলে হল যন্ত্রের দাস। যারা মালিক হল, যারা যন্ত্র আর কারখানা দখল করে উৎপাদন (production) নিয়ন্ত্রণের কর্তা হল, তাদেরই আমরা বলি ধনিকশ্রেণি, আর যারা যন্ত্রের দাস হয়ে জীবিকার জন্যে শ্রম করা আরম্ভ করল তারাই সর্ব-অধিকার-বঞ্চিত শ্রমিকশ্রেণি। যন্ত্রযুগের ক্রমবিকাশের সঙ্গে সঙ্গে ক্রমেই এই যন্ত্রের মালিকানা সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে সংকীর্ণ হল। অর্থাৎ যন্ত্রের মালিকানা সংকুচিত হয়ে এক-একটি মালিকের আধিপত্যের বিস্তার হল। ছোটো ছোটো মালিকদের প্রতিযোগিতায় আত্মসাৎ করে এলেন একজন ফোর্ড, একজন রকফেলার, একজন ভাইকার, একজন ক্রুপ, একজন জাহারফ, একজন টাটা, একজন বালচাঁদ হীরাচাঁদ। আরেক দিকে শ্রমিকশ্রেণির সংখ্যাবৃদ্ধি হল, এবং তাদের অবস্থাও শোচনীয় হল। যন্ত্রের প্রসার ও প্রগতি এই ক্ষুদ্র ধনিকগোষ্ঠীর স্বার্থের সীমানা ডিঙিয়ে গেল না। তাই যন্ত্র হল দানবীয়— মানবীয় নয়।

কিন্তু মানুষ অনেক যন্ত্র আবিষ্কার করেছে। কেউ মাটি কাটে, কেউ কয়লার পিঠে কামড় দেয়, কেউ নদীর তলা চুষে আনে, কেউ বোঝা তোলে আর নামায়। কারও দাঁত আছে, কারও শুঁড় আছে, কারও আছে শক্ত হাত-পা। কেউ দাঁত কিড়মিড় করে, কেউ শুষে নেয়, কেউ ঘন ঘন ঘা মারে। কারও নাম ‘excavation’, কেউ ‘crane’, কেউ ‘drill’, কেউ-বা ‘hydraulic hewer’। কেউ বশ করেছে দুর্দান্ত পবনদেবতাকে, তাই দেখি ‘aero-hydraulic’ স্টেশনে windmill-গুলি কোথাও যন্ত্র চালাচ্ছে, কোথাও মাটির তলা থেকে তেল পাম্প করে তুলছে। এরা সব গোর্কির ভাষায় ‘steel pilgrims’, ইস্পাতের তীর্থযাত্রী— ‘Over an infinite expanse of oil fields crouch iron pumps with clanking chains; the great watch-towers of the past are disappearing; everywhere swing the clumsy ‘pilgrims’. Almost noiselessly they pump the oil from the depths of the earth.’ স্থল, জল, শূন্য শোষণ করে আজ বৈদ্যুতিক শক্তি মানুষের প্রাচুর্যের ও স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য অবিরাম সংগ্রাম করছে। মাঠে ও কারখানায় বস্ত্র চলছে বৈদ্যুতিক শক্তির সাহায্যে, ইস্পাতের রেলের উপর দিয়ে ট্রেন চলছে বিদ্যুতে, বিদ্যুতের লাঙল মাটি চষছে, বিদ্যুতের মোটরে শ্রমিকেরা চলেছে কারখানায়। ঘরে, পথে, কারখানায়, মাঠে নদীতে শূন্যে— সর্বত্র শক্তিমান বিদ্যুতের ভৃত্যেরা নীরবে কাজ করছে মানুষের জন্যে— অথচ মানুষের দাসত্বের ও দৈন্যের অভিযোগ কেন তীব্রতর হচ্ছে ক্রমে?

কারণ পূর্বোক্ত ধনিকগোষ্ঠীর কাছে বিজ্ঞান ক্রীতদাস, তাই সৌমমূর্তির অন্তরালে বৈজ্ঞানিক আজ খুনি। যন্ত্র আজ বন্দি, শৃঙ্খলিত, তাই যন্ত্রের ক্রীতদাস মানুষ, যন্ত্র মানুষের দাস নয়। প্রাচুর্যের মধ্যে আজ তাই দৈন্য, সভ্যতার ঊর্ধ্বচূড়ায় আজ তাই বর্বর যুগের নিরন্ধ্র অন্ধকার।

যন্ত্র যদি মুষ্টিমেয় অর্থপিশাচের ভোগলালসার ইন্ধন না জুগিয়ে, শ্রেণি ও গোষ্ঠীনির্বিশেষে সকল মানুষের কল্যাণের জন্যে নিয়োজিত হয় তাহলে প্রাচুর্য ও শান্তি মানুষের জীবনে নিশ্চয়ই প্রতিষ্ঠিত হবে। যন্ত্রের যূপকাষ্ঠে আজ লাখে লাখে যারা উৎসর্গীত হচ্ছে এই ভার তাদেরই নিতে হবে। সামাজিক বিপ্লবের আবর্তে এই শ্রেণিবাঁধ ভেঙে দিতে হবে, তা হলেই ক্রুপস, ভাইকার্স, স্কোডা, মিৎসুই, বেৎলেহেম স্টিল কর্পোরেশন প্রভৃতি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ অস্ত্রোৎপাদনের কসাইখানায় আমরা যন্ত্রের ও বৈজ্ঞানিকের বীভৎস জল্লাদমূর্তি আর দেখব না, যে-মূর্তি সাম্রাজ্যবাদী সভ্যতার,— তার পরিবর্তে দেখব শত শত নিপ্রোস্ট্রয় (যদিও একটিমাত্র, তাও আজ নাৎসিদের আক্রমণে ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছে), হাজার হাজার হাইড্রো-ইলেকট্রিক ও এ্যারো-হাইড্রলিক ইনস্টিটিউট, অযুত স্টিম টারবাইন, লক্ষ লক্ষ ট্র্যাক্টর, হার্ভেস্টার, অটোমেটিক হ্যামার— এককথায়, সমাজতান্ত্রিক সভ্যতার শান্ত, কল্যাণময় মূর্তি।

সেই যন্ত্রমুক্তি মানবমুক্তির আবির্ভাব আমরা দেখছি পৃথিবীর একটি অংশে— সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েট ইউনিয়নে। যন্ত্রবিদ্বেষ আজ সেখানে মানুষের মন থেকে অন্তর্ধান করছে। মানুষের অন্তরে আজ যন্ত্র সমাসীন। শিল্প ও 'কাব্যের উপেক্ষিতা' যন্ত্র আজ শিল্পীর অনুভূতিতে প্রতিসৃত হয়ে প্রতিরূপবেশে কাব্যে শোভা পাচ্ছে। তাই সামন্ততান্ত্রিক বাংলাদেশের কবিও 'রেলঘুম' রচনা করে— ট্রেনের ইঞ্জিনের বিস্ময় ব্যক্ত করেন। জীবন্ত, দুরন্ত ট্রেন ছাড়ল :

টং—টং—ভোঁ—ভস

টু—ডাউন ছাড়ে; ব্যাস!

ভস ভস ঢক্কোর,

চলে খায় টক্কোর।

ট্রেন ছোটো একটি স্টেশন পার হচ্ছে—

ধকা ধাঁই ধকা ধাঁই,

এখানে থামিতে নাই!

ঝকা ঝকা ঝাঁকি ঝাঁকি

অমন করুণ আঁখি!

কেমনে সে দিল ফাঁকি?

আর তারে পাব নাকি!

ধক ধক ধক্কা,

সব কিরে ফক্কা!

পুলের উপর দিয়ে ট্রেন চলেছে—

ঘস—গড় গুড়ু, গুম,

গুড়ু, গুড়ু, গুড়ু, গুম,

বর্ষার মরসুম

নদী জলে বড় ধূম—

ট্রেন পুল পার হল—

ঘচাঘচ ঘত্তোর,

লোহা বাঁধা পথ তোর,...

উঁচু নীচু গর্তর

পথ নয় পথ তোর;—

লোহা-বাঁধা পথ তোর,

লোহা-বাঁধা পথ তোর!

তারপর পয়েন্টস ক্রসিং—

ঘচাঘচ ঘটা ঘাঁই,

সে পথে ত আর নাই।

পেরেছি গো, পেরেছি গো,

সে পথটা ছেড়েছি গো।

...ঘ্যস ঘ্যস—ঘটকা

ফের লাগে খটকা।

কি বলছে? দুত্তোর—

লোহা-বাঁধা পথ তোর,

লোহা-বাঁধা পথ তোর!

দূরে সিগন্যাল ডাউন করেছে—

ঘস ঘস ঘচ্চান,

দূরে দ্যায় হাতছান!

কেমনে দিগন্তে

কে পেরেছে জানতে?

আগুবারি আনতে

এই পথ-শ্রান্তে

লাগে হাতছানতে!—

এ কাব্য নয়, সুর। এ সুর যন্ত্রের, কোকিলের নয়। তাই বলে 'কুহু কুহু'-র চাইতে এর মর্যাদা কম কিসে? বাংলার কবি যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত-এর ট্রেনের সুর নয়, যন্ত্রের সুর। কাব্যময় যন্ত্রের বন্দনা, কোকিল আর যন্ত্র যেখানে কবির কাছে এক। তাই আজকের কাব্যে যদি ‘cuckoo, jug-jug, pu-we, to-witta-woo!’ না শুনে ফ্যাক্টরির সাইরেন, হর্ন, যন্ত্রের শব্দ শুনি, তা হলে বিস্মিত হব কেন? যদি কাব্যের প্রতীক ও প্রতিরূপ দেখি যন্ত্রের, তা হলে সে কাব্য কেন রসোত্তীর্ণ হবে না? অবশ্য রসিক পাঠকের মন যদি ক্রীতদাস বা সামন্তগোষ্ঠীর যুগ আঁকড়ে থাকে, তা হলে যন্ত্রের প্রাণ, সৌন্দর্য, মাধুর্য ও মহিমা তাঁর কাছে উদঘাটিত হবে কি করে? কি করে তিনি বুঝবেন কাব্যের এই জীবন্ত উপমা,

Drink from here energy and only energy,

As from the electric charge of battery...

––Stephen Spender

Somewhere beyond the railheads

of reason, south or north.

––C. Day Lewis

বাংলার ইঞ্জিনিয়ার-কবির 'রেলঘুম' আর স্পেন্ডার-এর ‘The Express’ বা ল্যুই আরাগোঁর ‘Red front’ পড়ে কি করে তিনি উপলব্ধি করবেন যন্ত্র প্রাণের সুর?

After the first powerful plain manifesto,

The black statement of pistons, without more fuss

But gliding like a queen she leaves the station.

––The Express

ভবিষ্যতের যন্ত্রমুক্ত ও মুক্তমানবসমাজে যন্ত্রের যে মহাকাব্য ও মহাসংগীত রচিত হবে, তাতে যন্ত্রের যান্ত্রিক বিবর্ণতা দূর হয়ে বৈচিত্র্যময় হবে যন্ত্র। যন্ত্র হবে যন্ত্রাতীত, প্রাণবান। যন্ত্র পাশবিক মূর্তি পরিহার করে হবে মানবিক। ভবিষ্যতের শেলি এই যন্ত্র-টাইটানের মুক্তির গান গাইবেন। একদিন নতুন কোনো বিঠোফেন যন্ত্রের ও মানবতার এই অবাধ মুক্তির ও সাম্যের নবম সিমফনি রচনা করবেন। সেদিন আগামী দিন।

সকল অধ্যায়
১.
ডাস্টবিন
২.
মা
৩.
কসাইখানা
৪.
সূর্যপ্রণাম
৫.
বিচার
৬.
সিলুয়েট
৭.
নগর-তীর্থ
৮.
ইয়াকুব
৯.
ভদ্রার বাঁধ
১০.
মা গো! বাঁচিয়ে দে—
১১.
লুলু
১২.
কোটালপুত্র
১৩.
নববাবুচরিত
১৪.
সূচিপত্র
১৫.
Page Break
১৬.
ভূমিকা
১৭.
কৃতজ্ঞতা
১৮.
ভূমিকা
১৯.
নববাবুচরিত
২০.
মধ্য-বিত্ত
২১.
মধ্য-চিত্ত
২২.
পাঁকাল-বন্দনা
২৩.
কলকেতা-কালচার
২৪.
কিউ
২৫.
প্রতিদিন
২৬.
কাক-কয়লা
২৭.
২হাস্যকৌতুক ও কিউ
২৮.
ক্রমবিকাশ ও কিউ
২৯.
প্রেম = বায়োলজি + কালচার
৩০.
ম্যামালের ও মানুষের প্রেম
৩১.
জীবন চাহি জৌবন বড় রঙ্গ
৩২.
সাম্যবাদ = বিদ্যুৎ + সোবিয়েত
৩৩.
দেশী বিজ্ঞান = চেতাবনী + রসায়ন
৩৪.
পুরাতন ও নূতন
৩৫.
সাংবাদিক সাহিত্য
৩৬.
জীর্ণ পুরাতন যাক ভেসে যাক
৩৭.
অযান্ত্রিক
৩৮.
জীবন কী?
৩৯.
জীবন কী? (পুনরালোচনা)

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%