বিচার

বিনয় ঘোষ

গভীর রাতে সমস্ত শহর ঘুমিয়ে আছে। শেষ স্পন্দনটুকুও প্রায় থেমে গিয়েছে। মাঝে মাঝে দু-একটা কুকুর ডাকে, পুলিশ হাঁক দিয়ে যায়। দ্বিতল কামরায় এক নির্জন ঘরে বিছানায় শুয়ে প্রিয়নাথবাবু ভীষণ জোরে চিৎকার করে ওঠেন। স্ত্রী সুচারু দেবী শয্যা ছেড়ে দরজার পাশে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে চিৎকার শোনেন, কোনও উত্তর দেন না। ঘরের ভিতরে প্রিয়নাথবাবু সমানে চিৎকার করে যান, খুন করেছে, খুনি। সুচারু দেবী ঘরে ঢুকে বলেন, চুপ কর, চল, শোবে চল। স্বামীর হাত ধরে নিয়ে গিয়ে বিছানায় শুইয়ে দেন।

কিছুক্ষণ পর আবার চিৎকার শুরু হয়। এইবার সুচারু দেবী ঘরে ঢুকে রীতিমতো ঝাঁঝালো সুরে বলেন, 'একটু কি ঘুমুতেও দেবে না? রাতদিন জ্বালাতন করবে?

প্রিয়নাথবাবু চুপ করে বসে থাকেন। সুচারু দেবী নিজের ঘরে ফিরে যান। ঘুম আসে না। কিছুক্ষণ পরে আবার চিৎকার করেন প্রিয়নাথবাবু, আরও বিকটভাবে। সুচারু দেবী বিরক্তির সুরে বলেন, 'কি, হয়েছে কি তোমার? কালই তোমাকে পাঠিয়ে দেবার বন্দোবস্ত করব। পাড়ার লোককে পর্যন্ত টিকতে দেবে না— আশ্চর্য!'

প্রিয়নাথবাবু বলেন, চারিদিকে রহমন ঘুরে বেড়ায় চারু— খুনি রহমন, আর বলে কি জান? বলে, হুজুর, খুন আমি করিনি। পাজি, বদমাস!

সুচারু দেবী ধমক দিয়ে বললেন, 'যত পাগলামির উপসর্গ তোমার রাতেই বাড়ে নাকি? আমি আর পারি না সহ্য করতে, আমাকে রেহাই দাও, দোহাই তোমার।'

রেহাই দিয়েছি চারু, পেনশনের অর্ধেক টাকার, এই তো? জানি— চলে যাও তুমি, যাও— যাও— বেরিয়ে যাও বলছি।— প্রিয়নাথবাবু হঠাৎ খুব জোরে চিৎকার করে ওঠেন। প্রতিবেশীদের ঘরে বাতি জ্বলে ওঠে। সুচারু দেবী অপ্রস্তুত হয়ে সন্ত্রস্ত কণ্ঠে বলেন, কি হচ্ছে কি? বদ্ধ পাগল হলে নাকি?

এইভাবে দিনের পর দিন কেটে যায়। সুচারু দেবীর অবকাশ নেই নিঃসঙ্গতার। প্রিয় বান্ধবী সবিতা দেবীর স্বামী ব্যারিস্টার বাসু প্রত্যহই সকালে আসেন সুচারু দেবীর চায়ের টেবিলের একাকীত্ব দূর করতে। দুজনে অনেকক্ষণ প্রিয়নাথবাবু সম্বন্ধে আলাপ হয়, কোনো কোনোদিন ব্যক্তিগত আলাপে বিনিদ্র রাত্রির ক্লান্তি সুচারু দেবী ভুলে যান। সম্প্রতি স্বামীর পেনশন গ্রহণের পর তিনি গার্লস কলেজে অধ্যাপনা শুরু করেছেন। বন্ধুবান্ধবীরা জিজ্ঞাসা করলে বলেন, এটা শখ নয়, নেসেসিটি— একটা যা হোক অ্যাসোসিয়েশন তো দরকার! দিনরাত ওঁর পাগলামি শোনার পেসেন্স নেই আমার, হেল— হেল— ভেরিটেবল হেল!

নরকের জ্বালা সুচারু দেবী দূর করেন সকালে মিঃ বাসুর সঙ্গে ব্রেকফাস্টের টেবিলে, দুপুরে মেয়েদের কলেজে ইতিহাস পড়িয়ে, আর সন্ধ্যায় কোনো সান্ধ্য মজলিসে গল্পগুজব করে। আর প্রিয়নাথবাবু?

দুপুরের রোদ ঝাঁ ঝাঁ করে বাইরে। দোতলায় জানালার গরাদ ধরে রাস্তার দিকে চেয়ে থাকেন প্রিয়নাথবাবু। কখনো কখনো দেওয়ালের দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে ওঠেন। তারপর বিছানায় হাত পা ছড়িয়ে শুয়ে থাকেন সিলিঙের দিকে চেয়ে। কড়িকাঠগুলো চোখের সামনে কাঁপতে থাকে, সজোরে একখানা টালি যেন খসে পড়ে প্রিয়নাথবাবুর মাথায়। উঃ!— বলে মাথা দু-হাতে চেপে ধরে তিনি উঠে বসেন। দেওয়ালের গায়ে কে যেন হিজিবিজি আঁচড় টেনে যায়— রহমন, রহমন, বদমাস, খুনি। তারপর অট্টহাসির শব্দ হয়। চারিদিক অন্ধকার হয়ে আসে। সন্ধ্যার অন্ধকার ঘরের মধ্যে একা প্রিয়নাথবাবু বসে থাকেন।

প্রিয়নাথ সেন অবসরপ্রাপ্ত ডিস্ট্রিক্ট জজ। প্রায় বছরখানেক হল তিনি সেই পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন। বিলক্ষণ বিচক্ষণ বলেই তাঁর খ্যাতি ছিল, এবং সে-খ্যাতি তিনি শেষপর্যন্ত অক্ষুণ্ণ রেখেই অবসর নিয়েছিলেন। দীর্ঘস্থায়ী একটি জটিল দেশদ্রোহিতার মামলার বিচার করবার পর কাগজের মারফত তাঁর বিচার-বুদ্ধির প্রশস্তি দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। তার কিছুদিন পরেই তিনি বিচারকের আসন থেকে বিদায় নেন।

অবসর-দিনের প্রশস্ত পরিসরের মধ্যে অল্পদিনেই তাঁর জীবনে এক পরিবর্তন দেখা যায়। মানুষের সাহচর্যের প্রতি তাঁর বিতৃষ্ণা, নির্জনতা তাঁর প্রিয়। ঘরের চার কোণে হয় তিনি পায়চারি করে বেড়ান, নয় চুপ করে গুম হয়ে বসে থাকেন। দিন দিন যেন নিজের মধ্যে তিনি অসহায়ের মতো দুর্নিবার বেগে তলিয়ে যেতে লাগলেন।

বাইরে অন্ধকার নামল, ভিতরে আলো জ্বলল। ভিতরের আলো দিয়ে বাইরের এই অন্ধকার দূর করা হল না। বাইরের অন্ধকারই আজ ভিতরের এই আলোর উৎস। কিন্তু এই আলোই যেন প্রিয়নাথবাবুর আজ ভালো লাগে— ভালো লাগে এই আলোয় ডুব দিয়ে থাকতে। বাইরে নিবিড় অন্ধকার ঘুমিয়ে আছে, থাক।

একা ঘরে প্রিয়নাথবাবু চুপ করে বসে থাকেন। কখনো নির্জন দুপুরে, গভীর রাত্রে জোরে চিৎকার করে ওঠেন, খুনি— খুনি— খুনি। প্রতিবেশীরা করুণার সুরে বলে, জজ সাহেব পাগল হয়েছে। সুচারু দেবী রুক্ষ দৃষ্টিতে স্বামীর মুখের দিকে চেয়ে থাকেন। প্রিয়নাথবাবুর চোখের দুই কোণে অনিদ্রার কালো রেখা, সমস্ত মুখের উপর অর্থহীন উদাসীনতার ছাপ। ফ্যাকাশে হাসি হেসে প্রিয়নাথবাবু ডাকেন, চারু! তারপর নিজের মাথার একরাশ চুল মুঠো করে ধরে বলেন, আচ্ছা, আমি পাগল হয়েছি, না?

'তুমিই জান।'

'তার চেয়েও বেশি জান তুমি, আর কে জানে? ব্যারিস্টার বাসু।' প্রিয়নাথবাবু আবার ফ্যাকাশে হাসি হাসেন। বলেন, 'চায়ের টেবিলে তোমরা আমাকে পাগল বলেই তো জাজমেন্ট দিয়েছ— দাও নি?'

'প্রলাপ শোনবার সময় নেই আমার— বলে সুচারু দেবী চলে যান। প্রিয়নাথবাবু ডাকেন, শোন, শোন, হ্যামলেট পড়েছ? কুইন অফ ডেনমার্ক?

সেদিন প্রিয়নাথবাবু নীরবই ছিলেন। যথারীতি চাকরে এসে সন্ধ্যার পর খাইয়ে দিয়ে গিয়েছে। ঘরের দরজা জানালা বন্ধ রয়েছে, কোনো সাড়াশব্দ নেই। হঠাৎ গভীর রাত্রে ঘর থেকে বিকট চিৎকার শুনে সুচারু দেবীর ঘুম ভেঙে গেল। প্রিয়নাথবাবু চিৎকার করছেন, আগুন— আগুন!

প্রতিবেশীদের ভিড় জমল। দরজা ভেঙে দেখা গেল, প্রিয়নাথবাবুর বীভৎস ছাল-ওঠা দগ্ধ মূর্তি ঘরের কোণে পড়ে রয়েছে— নিস্পন্দ। প্রিয়নাথবাবু আত্মহত্যা করেছেন।

সুচারু দেবীর নজরে পড়ল, খাটের ধারে ছোটো টেবিলের উপর তাঁর একখানা চিঠি। প্রিয়নাথবাবুর লেখা।

চারু,

লেখবার প্রয়োজন ছিল না, তবুও লিখছি। কয়েকটা কথাতে তোমার ভুল যদি দূর হয়, হোক। আজ আমি সত্যই বিচারক। অপরাধের শাস্তি দিতে কোনো দিনই ভয় পাইনি, তাই শ্রেষ্ঠ অপরাধীর শাস্তি দিলাম এবং দিয়ে গেলাম। রহমন খুন করেছিল গরীব একজন আমলাকে, প্রাণদণ্ড দিয়েছি। আমি খুব করেছি রহমনকে, আমার প্রাণদণ্ড হল। এ অপরাধের ক্ষমা নেই। রহমন গ্রামে আগুন ধরিয়েছিল, সেই আগুন আমার ঘরে লেগেছে। পাগলামি মনে হচ্ছে? দুঃখ হবে না তোমার, কারণ আমার দুঃখ নেই। আমার সবচেয়ে বড় শান্তি হচ্ছে যে, আমার ঔরসে এবং তোমার গর্ভে আমাদের কোনো সন্তান হয় নি। আমাদের জীবনের উত্তরাধিকারী কেউ নেই— এই তো শান্তি। শুধু ভাবি, অপরাধী কে? রহমন? না, আমি? না, তুমি? এ আমার আত্মহত্যা নয়, রহমনের বিচার।

ল রিপোর্টের চার নম্বর আলমারির পিছনে আমার ১৯৩৮ সালের ডায়েরি আছে। ২২এ জানুয়ারির কয়েকটা পাতা অবসর সময়ে পড়ে দেখাতে পার। আমার প্রিয় পিনাল কোডখানা আমার শবের সঙ্গে পুড়িয়ে ফেল।

প্রিয়নাথ সেন

যথাস্থানে থেকে ডায়েরি নিয়ে সুচারু দেবী নিজের ঘরের এক কোণে পড়তে চলে যান। তাঁর বুকের ভিতর দুরদুর করে ওঠে। ভয়ে ভয়ে তিনি পড়তে থাকেন।

রহমনের অপরাধ গুরুতর। শুধু খুন নয়, গ্রামে যাবতীয় বিদ্রোহ ও অসন্তাোষের মূল রহমন। এই অভিযোগের সপক্ষে যা প্রমাণ পেয়েছি, বিপক্ষে তার কিছুই পাইনি। একমাত্র শুধু রহমনের স্বীকারোক্তি, কিন্তু তারও কোনো মূল্য নেই। কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে আমার শেষ প্রশ্নের উত্তরে রহমন বলেছে—

হুজুর, খুন আমি করিনি। আমার দলের কেউ দোষ করেনি। হুজুরের আইনে আমাদের সাজা হতে পারে। কিন্তু খুনি আমরা নই। জমিদারের একজন গরিব আমলাকে গ্রামের পথে খুন করতে আমরা নারাজ। আমাদের ধর্মে তা বলে না হুজুর, আমাদের নালিশ তা নয়। বকেয়া খাজনা আর ঋণ মকুবের জন্যে গ্রামের সব চাষিরা ঘর ছেড়ে মাঠে বেরিয়ে এল। তাদের জব্দ করবার জন্যে জমিদার ভাড়াটে লোক দিয়ে গ্রামের ঘরে ঘরে আগুন ধরিয়ে দিলে। আগুন আমরা ধরাইনি হুজুর। আমাদের বউছেলেমেয়ের ওপর মাঠের মাঝখানে যখন জমিদারের সিপাই গুলি চালাল, তখন আমরা দল বেঁধে জমিদারের বাড়ি ঘেরাও করে হেঁকে বললাম, বিচার চাই। জমিদার তার জবাব দিয়েছিল আমাদের ওপর বেকসুর লাঠি চালাবার হুকুম দিয়ে। অনেক চাষি ভাই-বোনদের মাথা ধুলোয় লুটিয়েছিল। তবু জমিদারের বাড়ির ইট পর্যন্ত আমরা ছুঁইনি। গরিব আমলাকে আমরা খুন করব কেন হুজুর? নিতাই মুহুরি ভালো লোক। তাকে খুন করেছে জমিদারের ভাড়াটে গুন্ডা। নিতাই মুহুরির অনাথা মেয়েকে রাত দুপুরে মুখে কাপড় বেঁধে জমিদারের সিপাইরা বাগানবাড়িতে ধরে নিয়ে গিয়েছিল। সাতদিন তার কোনো খোঁজ ছিল না। নিতাই মুহুরিকে সিপাইরা খুন করবে শাসিয়েছিল, কথা ফাঁস করলে। মুহুরি আমাদের বিশ্বাস করত। আমি জানতে পেরে দল বেঁধে গিয়ে তাকে নিয়ে আসি। নিতাই মুহুরিকে আমরা খুন করিনি হুজুর, এ ঘটনা আমরা জানি। আমাদের প্রাণে মারবার জন্যে জমিদার তার গরিব আমলাকে খুন করেছে, চাষার ঘরে আগুন জ্বালিয়েছে—

রহমন মিথ্যেবাদী। রহমনের কথা মিথ্যা প্রতিপন্ন হল। জুরিরা একমত হয়ে সকলকে অপরাধী সাব্যস্ত করলেন। রহমনের ফাঁসির হুকুম হল। তার দলের আর দুজনের যাবজ্জীবন দ্বীপান্তর হল, আর বাকি তিনজনের হল দশ বছর সশ্রম কারাদণ্ড।

জমিদার রাজা শিবনারায়ণ সিংহ মহাপ্রাণ ব্যক্তি। পঞ্চাশ হাজার টাকার অগ্রিম পুরস্কার পাঠিয়েছেন। তাঁর শুধু অনুরোধ ছিল, মামলা যেন ফেঁসে না যায়। গ্রামের চাষারা রহমনের জন্য বিদ্রোহ করেছে, রহমনের মৃত্যু ভিন্ন গ্রামে শান্তি নেই। এ আর অনুরোধ কি? তাইই তো প্রমাণিত হল। পিনাল কোড প্রমাণ করেছে।

চারুর উৎসাহও তো উপেক্ষণীয় নয়! চারু বলে, দুদিন পরে অবসর নিয়ে শহরে একখানা বাড়ি করবে— একলা জীবন— আমার কথাও তো ভাবতে হয়! সত্যিই তো!

সুচারু দেবীর হাত থেকে ডায়েরিখানা পড়ে গেল, শরীর ঝিমঝিম করে উঠল। উঠে গিয়ে তিনি শুয়ে পড়লেন।

প্রিয়নাথবাবুর শব-পরীক্ষা শেষ হয়েছে। করোনার সাহেব রায় দিয়েছেন, প্রিয়নাথবাবু সাময়িক উন্মাদনার বশে স্পিরিট ঢেলে সর্বাঙ্গে আগুন ধরিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। রায় নিয়ে মিঃ বাসু মর্গে এলেন। মর্গে সুচারু দেবী এসেছেন, সঙ্গে তাঁর প্রিয় বান্ধবী সবিতা দেবী। আরও অনেক বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন এসেছেন। কারও হাতে ফুলের মালা, কারও হাতে ফুলের তোড়া। মর্গের ভিতর থেকে প্রিয়নাথবাবুর মৃতদেহ ধরে এনে খাটে শোয়ানো হয়েছে। আপাদমস্তক চাদর দিয়ে ঢাকা।

মুখ খুলে দিতেই সুচারু দেবী শিউরে উঠলেন। দগ্ধ কপালের কোণে বহুদিন আগেকার একটা কাটার দাগ এখনও স্পষ্ট রয়েছে, আগুনে পোড়েনি। সুচারু দেবীর মনে পড়ল—

প্রিয়নাথবাবু একবার গ্রামের মধ্যে কৃষক-বিদ্রোহ তদন্ত করতে গিয়েছিলেন। তাঁর চলন্ত মোটর গ্রামের চাষাচাষিরা দল বেঁধে আক্রমণ করে। সিপাই-বরকন্দাজের লাঠিতে আক্রমণ ব্যর্থ হয়। কিন্তু ছোটো একটি চাষার ছেলে দূর থেকে কাস্তে ছুঁড়ে মেরেছিল। প্রিয়নাথবাবুর কপাল থেকে কাস্তের সেই কাটা দাগ আজও মুছে যায়নি। আগুনে পুড়ে ছাই হবার আগে মুছবেও না।

১৯৪১
সকল অধ্যায়
১.
ডাস্টবিন
২.
মা
৩.
কসাইখানা
৪.
সূর্যপ্রণাম
৫.
বিচার
৬.
সিলুয়েট
৭.
নগর-তীর্থ
৮.
ইয়াকুব
৯.
ভদ্রার বাঁধ
১০.
মা গো! বাঁচিয়ে দে—
১১.
লুলু
১২.
কোটালপুত্র
১৩.
নববাবুচরিত
১৪.
সূচিপত্র
১৫.
Page Break
১৬.
ভূমিকা
১৭.
কৃতজ্ঞতা
১৮.
ভূমিকা
১৯.
নববাবুচরিত
২০.
মধ্য-বিত্ত
২১.
মধ্য-চিত্ত
২২.
পাঁকাল-বন্দনা
২৩.
কলকেতা-কালচার
২৪.
কিউ
২৫.
প্রতিদিন
২৬.
কাক-কয়লা
২৭.
২হাস্যকৌতুক ও কিউ
২৮.
ক্রমবিকাশ ও কিউ
২৯.
প্রেম = বায়োলজি + কালচার
৩০.
ম্যামালের ও মানুষের প্রেম
৩১.
জীবন চাহি জৌবন বড় রঙ্গ
৩২.
সাম্যবাদ = বিদ্যুৎ + সোবিয়েত
৩৩.
দেশী বিজ্ঞান = চেতাবনী + রসায়ন
৩৪.
পুরাতন ও নূতন
৩৫.
সাংবাদিক সাহিত্য
৩৬.
জীর্ণ পুরাতন যাক ভেসে যাক
৩৭.
অযান্ত্রিক
৩৮.
জীবন কী?
৩৯.
জীবন কী? (পুনরালোচনা)

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%