বিনয় ঘোষ
ধন্য ধন্য ধার্মিক ধর্মাবতার ধর্মপ্রবর্তক দুষ্টনিবারক সৎপ্রজাপালক সদ্বিবেচক ইংরাজ কোম্পানি বাহাদুর অধিক ধনি হওনের অনেক পন্থা করিয়াছেন এই কলিকাতা নামক মহানগর আধুনিক কাল্পনিক বাবুদিগের পিতা কিংবা জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা আসিয়া স্বর্ণকার বর্ণকার কর্মকার চর্মকার চটকার পটকার মঠকার বেতনোপভুক হইয়া কিংবা রাজের সাজের কাঠের খাটের ঘাটের মঠের ইটের সরদারি চৌকিদারি জুয়াচুরি পোদ্দারি করিয়া অথবা অগম্যাগমন মিথ্যাবচন পরকীয়-রমণীসংগঠনকামি ভাড়ামি রাস্তাবন্ধ দাস্য দৌত্য গীতবাদ্য তৎপর হইয়া কিংবা পৌরোহিত্য ভিক্ষাপুত্র গুরুশিষ্য ভাবে কিঞ্চিৎ অর্থ-সংগতি করিয়া কোম্পানির কাগজ কিংবা জমিদারি ক্রয়াধীন বহুতর দিবসাবসানে অধিকতর ধনাঢ্য হইয়াছেন...
পাঠকবর্গ অনুগ্রহ করে এই ভাষায় ছেদ বসিয়ে পড়বেন, কারণ এ-লেখা বাংলা ভাষায় বাল্যকালে ঊনবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় দশকে শ্রীপ্রমথনাথ শর্মা ছদ্মনামে শ্রীভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় কর্তৃক 'গৌড় দেশ চলিত' সাধু ভাষায় বিরচিত। রচনার নাম 'নববাবুবিলাস'। উদ্ধৃত করার কারণ আর কিছুই নয়, নবযুগের অর্থাৎ এই 'ইজম'-মুখর ইস্পাত ও বিদ্যুৎ-বিনীত, রণতুর্যনিনাদিত বিংশ শতাব্দীর বাঙালি নববাবুদের 'বিলাস' ও 'বিলাপ' বর্ণনা করার আগে তাঁদের চতুর্দশ পুরুষের জীবনেতিহাসের আদিপর্ব জানা উচিত। সেই আদিপর্বের বর্ণনা করেছেন শ্রীপ্রমথনাথ শর্মা তাঁর ছেদচিহ্নবিহীন সাধু গৌড়ীয় ভাষায়।

নবাবি আমলের সূর্য তখন অস্তাচলে। বাংলার পশ্চিমাকাশে মীরজাফর উমিচাঁদ জগৎশেঠের লজ্জারক্তিম মুখচ্ছবি। ঘোর অমানিশার রাত্রি কেটে গেল গৃহ-বিবাদ ও আত্মঘাতী ষড়যন্ত্রের কুৎসিত অভিনয়ে। তারপর 'বণিকের মানদণ্ড দেখা দিল পোহালে শর্বরী রাজদণ্ডস্বরূপে।' যন্ত্রসভ্যতার রূঢ় আঘাতে স্বাবলম্বী গ্রাম্য অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গেল চুরমার হয়ে। কামার, তাঁতি, ছুতোর, স্যাকরা, পটুয়া, সদাগর, এরাই ছিল আমাদের সেকালের মধ্যবিত্তশ্রেণি। উপরে রাজা নবাব ও ভুঁইয়া আর নীচে সাধারণ কৃষক প্রজাবৃন্দ, এরই মধ্যে গোলাভরা ধান, গোয়ালভরা গোরু, পুকুরভরা মাছ আর ঘরভরা বধূ নিয়ে কুলুকুলুছন্দে কালাতিপাত করছিলেন বাংলার সেকালের মধ্যবিত্তরা। ইস্পাত ও বাষ্প-বিদ্যুতের দৌলতে ধীরে ধীরে তাঁতির তাঁত গেল, পটুয়ার চাকা গেল, কামারের হাঁপর গেল, আর গেল ধনপতি সদাগরদের বংশধরদের ব্যাবসা। আত্মনির্ভরশীল বাংলার গ্রাম পারিপার্শ্বিকের চাপে হল নগরমুখাপেক্ষী। নতুন মধ্যবিত্তশ্রেণি গজিয়ে উঠতে লাগল বণিকরাজ ইংরেজের আওতায়। ইংরেজের মোসাহেবি করে, ফড়িয়াগিরি করে, দালালি করে, গোটহেল-ড্যাম-রাস্কেল ইংরেজি শিখে যাঁরা ইংরেজের শোষণের বিরাট জটিল শাসনযন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করলেন তাঁরাই হলেন আমাদের চতুর্দশ পুরুষের আদিপুরুষ। তাঁদেরই স্বর্গীয় আত্মার উদ্দেশে গঙ্গাতীরে আজও আমরা তর্পণ করি।
কিন্তু এখানে লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে এই যারা 'ধোরে গুরু পুরুত মারে জুতো' আর 'ইংরাজি কয় বাঁকা ভাবে' আর মনে মনে ভাবে 'বুঝি হুট বোলে বুট পায়ে দিয়ে, চুরুট ফুঁকে স্বর্গে যাবে' তাদের কেউ আমাদের মুমূর্ষু বাংলার সমাজকে পুনরুজ্জীবিত করার প্রয়াস পায়নি। এমনকী ডিরোজিও-রিচার্ডসনের কাছে শিক্ষিত 'ইয়ং বেঙ্গলের' দানও তেমন উল্লেখযোগ্য নয়। তার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ও গভীর সংস্কার আন্দোলন করেছিলেন তাঁরা, যাঁরা বাংলার আচারনিষ্ঠ পল্লিগ্রামের শান্ত পরিবেশে প্রতিপালিত। রামমোহন-বিদ্যাসাগর ইংরেজি শিখেছিলেন অনেক পরে, অথচ বাংলার সামাজিক অগ্রগতির আন্দোলনে তাঁদের সমকক্ষ সেযুগে কেউ ছিল না। দেশের মাটিতে ঊর্ধ্বাকাশ থেকে বীজ ছড়ালে তাতে সোনার ফসল ফলে না। পতিত ভুঁই, অনুর্বর ভুঁই হলেও হালচাষ করে আবাদ করলে ভালো বীজ ছড়ালে তবেই তাতে সোনা ফলে। অধঃপতিত, কুসংস্কার কলুষিত সমাজের বিষাক্ত আবহাওয়ার মধ্যে রামমোহন বিদ্যাসাগর নবীন আগন্তুক সভ্যতার গ্রহণীয় গুণগুলিকে আত্মসাৎ করে দেশের মাটিতে বপন করার আবশ্যকতা মর্মে মর্মে উপলব্ধি করেছিলেন বলেই বিগত শতাব্দীর বাংলার প্রগতি আন্দোলনে তাঁদের সমকক্ষ আর কেউ ছিল না। ঔপনিবেশিক (Colonial) সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জাগৃতি-আন্দোলনের ক্রমবিকাশের এই হল বৈশিষ্ট্য। বিশেষ করে, বাংলাদেশ বা ভারতের মতো উপনিবেশের, যার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য একযুগের নয়, বহুযুগের। অন্য প্রসঙ্গে চলে এসেছি। বলছিলাম মধ্যবিত্তের কথা।
বাঙালির শুভাকাঙ্ক্ষী আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র 'বাঙ্গালী কোথায় গেল?' বলে আজীবন আপশোস করেছেন, কিন্তু ব্যবসাক্ষেত্র থেকে বাঙালির এই অন্তর্ধানের কারণ আধিভৌতিক নয়। বাঙালির এই আত্মবিলুপ্তির (অন্তর্ধানের নয়) কারণ ঐতিহাসিক। ফড়িয়াগিরি ও দালালির মোহে ক্লাইভের স্বদেশবাসীদের পিছু-পিছু লেজ নেড়ে ছুটে তীক্ষ্নবুদ্ধি, চতুর বাঙালি যে সেদিন ঐতিহাসিক বুদ্ধির পরিচয় দেয়নি একথা বাংলার কলঙ্কিত ইতিহাসের পৃষ্ঠায় কালো কালিতে লেখা আছে। নূতন বৈজ্ঞানিক সভ্যতার সংস্পর্শে এসে আমাদের প্রবীণ সমাজ যখন ভেঙে গেল, বাষ্পীয় যানবাহন, যন্ত্রচালিত কল-কারখানা যখন সুতানুটি-গোবিন্দপুরে, আদিগঙ্গার ও ভাগীরথীর এপারে ওপারে গড়ে উঠতে লাগল, চিমনির ধোঁয়ায় যখন নূতন মহানগরীর আকাশ আচ্ছন্ন, তখন বাঙালি ধোঁয়াকালি ও ব্যবসার ধুলোমাটি এড়িয়ে ইংরেজের কেরানিগিরি, উমেদারি ও মোসাহেবি করেছে, খানা-টেবিলের পাশে বসে ইংরেজপ্রভুর উচ্ছিষ্ট রুটির টুকরো আহার করেছে, আর তু-তু ডাক শুনে ছুটে চলেছে সাহেবসুবোর প্যান্টের বেল্ট ধরে, এক প্রদেশ থেকে আর এক প্রদেশে (আজ এঁরাই 'বৃহত্তর বঙ্গ')। এই ফাঁকে বিহার, উড়িষ্যা, যুক্তপ্রদেশ ও পাঞ্জাব থেকে দলে দলে লোক এসে দখল করেছে আমাদের যানবাহন, কলকারখানা, ব্যাবসাবাণিজ্য, এমনকী, কাবুল থেকে কাবুলিওয়ালা এসে হয়েছে এদেশের মহাজন। আমরা কেউ করেছি মহানগরীতে ইংরেজের কেরানিগিরি ও টাউটের কাজ, আর বাকি সকলে ধ্বংসোন্মুখ গ্রামে গোলাভরা ধানের দিবা স্বপ্নে বিভোর হয়ে নগরের দিকে পিছন ফিরে বলেছি, 'কী সুখেই আছিরে দাদা, কী সুখেই আছি।'
আজ সেই সুখ, সেই আরাম, সেই নীচতা, স্বার্থপরতা ও সমাজ-বিমুখতার পুঞ্জীভূত ক্লেদ ও মালিন্য সমাজের সংকটের বন্যায় ভেসে উঠেছে। এর আগেও এই ক্লেদ দেখা দিয়েছিল গত মহাযুদ্ধের পর। রাজকীয় নৌবাহিনীতে নাবিক হয়ে এবং যুদ্ধক্ষেত্র থেকে জমাদার-হাবিলদার হয়ে ফিরেও যুদ্ধজাত অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিক্রিয়ায় মধ্যবিত্ত বাঙালির জীর্ণ ঘর, সংকীর্ণ পরিবার ভেঙে পড়েছিল সেদিন। একদল অবসাদ ও অবশ-মনের তাড়নায় স্বজন-পরিবারের কোল থেকে নিক্ষিপ্ত হয়েছিল নৈরাজ্যবাদের দ্বীপান্তরে রাজনৈতিক স্বাধীনতার স্বপ্নচারিতায়। একদল পেটের তাড়নায় শ্রেণি অভিমান ভুলে গিয়ে জীবিকার্জনের নিম্ন স্তরে নেমে আসতে বাধ্য হয়েছিল। একদল আত্মপীড়ন ও ব্যর্থতার হাত থেকে মুক্তি খুঁজেছিল যৌন-পরাধীনতার বিদ্রোহী কাব্যে ও উপন্যাসে। কিন্তু আজ সংকটের রূপই বদলে গিয়েছে। ফ্যাসিজমের সামগ্রিক যন্ত্রযুদ্ধের চাহিদা মেটাতে আজ ডাক পড়েছে এই মধ্যশ্রেণির। আজ আবার ব্রেনের প্রয়োজন, বিশ্বাসঘাতকার প্রয়োজন। ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার কারিগরের আজ চাহিদা বেশি, কেরানি ও কুলিসর্দারের মূল্যও আজ কম নয়। মহাযুদ্ধরূপী দানব আজ তাই আকণ্ঠ উদরসাৎ করছে মধ্যশ্রেণিকে। খুদে ব্যাবসাদার-ছুতোর-কামারের আজ পোয়া বারো। ছোটো কামারশালা ছমাসের লভ্যাংশে মেদস্ফীত হয়ে আজ বড়ো কারখানা। ভবঘুরে বেকার আজ সরবরাহের হিসেব-নিকেশে ব্যস্ত, না-হয় যুদ্ধাস্ত্র তৈরির কারখানায় শ্রমিক। হয় শ্রমিক না-হয় ধনিক, রাতারাতি মধ্যশ্রেণির একাংশের এই অবস্থা। আর দালালি বুদ্ধিতে অদ্বিতীয় বাঙালি আজ আবার তৎপর হয়েছে দালালিতে। ব্ল্যাক-মার্কেটের অলিগলিতে 'ব্ল্যাক-আউট' রাতে তাদের ত্রস্তপদে আনাগোনা। পকেটে কাল ছিল যার ফুটো কড়ি, আজ দালালির কৃপায় তার পকেটে করকরে নোটের বান্ডিল। থ্যাঙ্কস টু ইনফ্লেশন! অর্থ ও মুনাফার দৌড়-ঝাঁপ-কাটাকাটির মধ্যে আজ মধ্যবিত্ত দালাল ভুলে গিয়েছে তার মনুষ্যত্ব, তার স্বাদেশিকতা। আজ যারা মুনাফার লোভে মাটির তলায় বা গোপন গুদামে লুকিয়ে রেখেছে হাজার-হাজার মন চাল, ডাল, রোগীর ওষুধপথ্য, দেশবাসীর হাহাকার যারা হোটেলে বসে অট্টহাস্যে উড়িয়ে দিচ্ছে, কালই তারা মঞ্চের উপরে উঠে দেশপ্রেমের তুবড়ি ছুঁড়ে ধাঁধিয়ে দেবে দেশবাসীকে।
এই হল একদিকের ছবি। অর্থাৎ মধ্যবিত্তশ্রেণির একটি অংশ আজ ধনিকশ্রেণির নাগাল পাবার চেষ্টা করছে। থ্যাঙ্কস টু দি প্ল্যান অফ সেকেন্ড ফ্রন্ট! যুদ্ধ আরও কিছুদিন চললে নাগাল তারা পাবেই। হোক না চালের দর দশগুণ, কালীবাড়ি পাঁঠা তারা দেবেই, মসজিদে নমাজ তারা পড়বেই, যুদ্ধের দীর্ঘস্থায়িতা কামনা করে। আর একদিকের ছবি যেমন করুণ তেমনি বীভৎস। হাজার হাজার নিম্নমধ্যবিত্তের ঘর আজ শূন্য। কর্মঠ ছেলে হয় বিমান-ঘাঁটির কুলি, না হয় কারখানার শ্রমিক। আর অরক্ষণীয়া বয়স্কা মেয়ে হয় উধাও, না হয় আত্মহত। মন্দিরের দেবতা, মসজিদের আল্লা তাদের কাতরানিতে কর্ণপাত করছে না। পূর্ববঙ্গের শত শত ঘর আজ হয় জাপানি বোমায় ভস্মীভূত, নাহয় অভাবে অর্ধমৃত। পেটের আগুন আজ মাটির মায়াকে হার মানিয়েছে। রাজার প্রতিনিধিরা মহানগরীর মসনদে বসে যখন পরিকল্পনা খসড়া করছেন, দেশীয় দালাল ও জগৎশেঠের দল তখন নির্বিবাদে মুনাফার হিসেব করছে, আর ওতপেতে বসে আছে দেশবাসীর গ্রাস ছিনিয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলার জন্যে। থ্যাঙ্কস টু মিডলক্লাস প্যাট্রিয়টিজম!
যুদ্ধের পরের কথা পরেই হবে, এখন ভাবলে গা শিউরে ওঠে। দানব যখন উগরে দেবে এই মধ্যশ্রেণির অখাদ্য খাদ্য, তখন জরাজীর্ণ, পাণ্ডুর বাংলাদেশ সেই অসংখ্য বেকারদের ভার সইবে কেমন করে? বেভিন-বালকেরা (Bevin Boys) হয়তো টেকনিক্যাল এক্সপার্ট হয়ে দেশে ফিরছেন, কিন্তু বালচাঁদ হীরাচাঁদের অনেক শিল্প-পরিকল্পনার ভ্রূণহত্যা হয়েছে। একথা যেন আজকের ইনফ্লেশন ও ব্ল্যাক-মার্কেটের মোহে না ভুলে যাই। ধনিকশ্রেণির নাগাল যাঁরা পেলেন তাঁদের তো মধ্য থেকে উচ্চশ্রেণিতে পদোন্নতি হল, তাঁরা বেঁচে গেলেন। এখনই তাঁদের আঙুল ফুলে কলাগাছ, যুদ্ধের পর টাকার দর যখন বাড়বে, জিনিসের দাম যখন হু হু করে কমবে, বাজারের উত্তাপ আসবে জিরোর দিকে নেমে, তখন তাঁদের পেট ফুলে জয়ঢাক হবে। কিন্তু যাঁরা মধ্যিখানেই ঝুলছেন, কোনোরকমে হুমড়ি খেয়ে দেশরক্ষার কোনো ব্যবস্থার মধ্যে ঢুকে পড়ে সংকটের ঢেউ সাঁতরে চলেছেন, তাঁরা যখন আছড়ে পড়বেন তীরে তখন আর তাঁদের খোঁজ পাওয়া যাবে কি? কিন্তু সে পরের কথা পরেই হবে! আজ গুপ্ত-কবির ভাষায় এদের মনের গোপন কথা প্রকাশ করেই শেষ করি :
হয় দুনিয়া ওলটপালট
আর কিসে ভাই! রক্ষা হবে?
পোড়া আকালেতে নাকাল করে,
ডামাডোল পেড়েছে ভবে।...
ও ভাই! ততদিন তো খেতে হবে,
যতদিন এ দেহ রবে।
এখন কেমন করে পেট চালাবো
মরে গেলাম ভেবে ভেবে।
রোজ অষ্ট প্রশ্নর কষ্ট ভুগে,
ভাতে পোড়া জোড়ে সবে।
তায় তেল জোড়ে তো নুন জোড়ে না
কেঁদে মরি হাহারবে।
যে চিরটাকাল মাছ খেয়েছে
কেমনে সে শুকনো খাবে?
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন