মা

বিনয় ঘোষ

আমি কখনো অন্যায় করিনি, নিরপরাধ।

প্রতারক! খানা-টেবিলে বসে তোমার প্রিয়জনের সঙ্গে খেতে খেতে রাস্তার ধারে ফুটপাথের ওপর কোনো ক্ষুধার্ত ভিক্ষুকের দিকে বিদ্রুপের দৃষ্টিতে তুমি ফিরে চাও নি কোনোদিন? ড্রেনের পাশে উচ্ছিষ্ট জড়ো করে বুভুক্ষু পাগল যখন গোগ্রাসে গিলতে গিলতে তোমার দিকে লাল চোখ দুটো তুলে জিভ বার করে হাত বাড়িয়েছে, তখন তুমি হালকা কথার হাসিতে তাকে উপেক্ষা করনি? চোর ভালো। খুনিকে একশোবার ক্ষমা করা যায়। কিন্তু তোমাকে ক্ষমা করবে কে? মা বললেন, বাবা, মুখ অন্ধকার করে ঘুরে ঘুরে বেড়িয়ে কি করবি বল, তাই না হয় কর, শহরে গিয়েই দেখ না হয়, যদি হাতের কাজকর্ম শিখতে পারিস।

দুদিন পরে যথাসময়ে শুভলগ্নে জীবনের জয়যাত্রাপথে বেরিয়ে পড়লাম। পথ চলতে চলতে পিছন ফিরে চেয়ে দেখলাম, মা খিড়কির দরজার কাছে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কাঁদছেন।

গ্রামের রিক্ততায় দারিদ্রের যে মৌন-গম্ভীর রূপ দেখেছি এতদিন, আজ শহরের মাঝখানে দেখলাম /তার মুখর জীবন্ত শ্রী। পল্লির ধ্যানমগ্ন যোগীকে শহরের মসৃণ রাজপথের উপর সদম্ভে দাঁড়িয়ে রক্তচক্ষু ললাটে তুলে আগ্নেয় ভাষায় অভিসম্পাত করতে আজ এই প্রথম দেখলাম।

সন্ধ্যার কিছু আগে স্টেশন থেকে নেমে শহরের পথ ধরে চলেছি। জনাকীর্ণ পথে নানারকম যানবাহনের ভিড়। কিছুদূর যেতেই দেখলাম, এক জায়গায় একটি বিরাট জনতা, প্রত্যেকের হাতে একটি করে লাল পতাকা। শুনলাম, কুলিদের সভা হচ্ছে। মাঝে মাঝে সকলে একসঙ্গে চেঁচিয়ে উঠছে, তাদের ভাষা প্রথমে বুঝতে পারিনি।

আর একটু এগিয়ে গিয়ে প্রশস্ত রাজপথের এক পাশে দেখলাম ছোট্ট একটু জনতা। ভিড়ের ভিতর থেকে ভয়ে ভয়ে উঁকি মেরে দেখলাম, চকচকে গোলাপি রঙের প্রায় দশ ফুট লম্বা একখানা মোটর দাঁড়িয়ে রয়েছে, আর একটু দূরে কাঠের একটি দ্বিচক্রযান দলা পাকিয়ে পড়ে রয়েছে। মোটরের চাকার পাশে ময়লা কাপড় পরা, ছেঁড়া ফতুয়া গায়ে লোক হাত-পা সিঁটকে শুয়ে আছে। কয়েকজন পথিক ভদ্রলোক তার মাথায় মুখে জল দিচ্ছেন।

পরে শুনলাম, ওই দলা পাকানো দ্বিচক্রযানটির নাম রিকশ এবং এই শ্রেণির মানুষ যারা এর ভিতরে যাত্রী বসিয়ে টেনে নিয়ে বেড়ায়, তাদের বলে রিকশওয়ালা।

মাথার উপরে একটা কি অদ্ভুত জীব গোঁ গোঁ করে উঠল। চেয়ে দেখি, বহুদূরে সাদা বকের মতো ডানা মেলে কী যেন উড়ে চলেছে আর একটু একটু ধোঁয়া ছাড়ছে।

কিছুদূর যেতে যেতে পাশে কচি গলার গান শুনতে পেলাম। ফিরে দেখি, একজন অর্ধনগ্ন স্ত্রীলোকের কাঁধে একটি শিশু, পিঠে পুঁটলিতে আর একটি ঝুলছে, আর তাকে ঘিরে আরও চারটি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তার সঙ্গে সমস্বরে গান করে ভিক্ষা করছে।

ওদের দিকে অবাক হয়ে চেয়ে দেখছিলাম, গলার স্বর ক্ষীণ হলেও বেশ মিষ্টি লাগছিল গান। পিছন দিকে কী একটা জোরে ক্যাঁচ করে শব্দ হতে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে আশেপাশে চেয়ে দেখছি, এমন সময় কোট-প্যান্ট পরা লম্বা একজন বাবু মুখে একটা বাঁকানো নল দিয়ে ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে সামনে এসে কি দুর্বোধ্য ভাষায় বকাবকি করে আমার গালে সজোরে এক চড় মেরে আঙুল দিয়ে ফুটপাথ দেখিয়ে দিলেন। তাঁর আঙুলের আংটির পাথরটি রাস্তার বৈদ্যুতিক আলোয় প্রতিফলিত হয়ে আমার চোখে পড়ল। তারপর তিনি মোটরে উঠে সোজা চলে গেলেন।

এই আমার শহরে আসার প্রথম দিনের সংক্ষিপ্ত অভিজ্ঞতা। এর মধ্যে অতিরঞ্জিত কিছু নেই। প্রথম দিনের অনভ্যস্ত দৃষ্টি দিয়ে শহরের যে মূর্তি আমি দেখেছিলাম, আজও সেই মূর্তি আমার মনে নিখুঁতভাবে আঁকা রয়েছে।

প্রায় মাস তিনেক পরে মাকে চিঠি লিখলাম—

'তুমি শহরে আসতে বলেছিলে, এসেছি। পথে পথে অনেক ঘুরেছি, অনেক চেষ্টা করেছি, কিছুই করতে পারিনি। আমার ভালো লাগে না। আবার তোমার কাছে গ্রামে ফিরে যেতে ইচ্ছে করে। এখানে থাকি বস্তিতে। বস্তি কি, তুমি বোধহয় জানো না। এখানকার বস্তির তুলনায়, মা, তোমার কুঁড়েঘরও রাজার বাড়ি। হুসেনদের মুরগির খোপের মতো বস্তির ঘরগুলো। এইরকম একটা ঘরে আমরা চারজন থাকি। একজন গাড়ি টানে, একজন মোটরের মিস্ত্রি, আমি, আর একজন নতুন এসেছে।'

গ্রামে ফেরা আর হয়ে ওঠেনি। তারপর তিন বছর কেটে গেল কিন্তু গ্রামে ফেরা হল না। এখন আমার অনেক পরিবর্তন হয়েছে এক লোহার কারখানাতে কাজ করি, সাপ্তাহিক বেতন দুটাকা সাড়ে-নআনা।

অগ্নিকুণ্ডের মধ্যে আমরা সকলে সারবন্দি হয়ে দাঁড়িয়ে হাতুড়ি পিটি। বড়ো বড়ো উত্তপ্ত লাল লৌহখণ্ড মাথার উপরে আশেপাশে চলাফেরা করে। আগুনের তাতে গায়ের চামড়া পুড়ে ঝলসে যায়। হাপরের মতো হাঁপিয়ে হাঁপিয়ে আমরা সকলে শ্বাস-প্রশ্বাস টানি।

আমাদের এই দৈনন্দিন জীবনের খুঁটিনাটি বর্ণনার কোনো মাধুর্য নেই। যেমন বৈচিত্র্যহীন, তেমনই একঘেয়ে এই জীবন।

তিন বছর পরে অনেক কাকুতি-মিনতি করে তিন দিনের অবসর পেলাম গ্রামে ফেরবার।

তিন বছর পরে গ্রামে ফিরলাম। আমাদের ঘরখানা ছিল জনমানবহীন পল্লির এক কোণে। কতকগুলো ঘুণ ধরা বাঁশ আর মাটির ধ্বংসস্তূপ ছাড়া আর কিছুই আমাদের নিজের বলতে ছিল না। চালে খড় নেই, মাটির দেওয়াল ধসে গেছে, পাশের পুকুরটাও কচুরিপানা আর শ্যাওলাদামে ভরা। বাড়ির চারিদিকে বনজঙ্গল।

মরুভূমির মতো ফসল-খেত ধু ধু করে চারিদিকে। মাঠ আছে, ফসল নেই। মাঠে মাঠে আজ তৃষ্ণায় আতুর মাটি কাঁদে, আর ভাঙা লাঙলের মাথায় বসে চাষারা কাঁদে। পাথর মাটির বুক চিরে চিরে লাঙল গেছে ভেঙে।

নিরিবিলি ভালো লাগলেও ঘরে ফিরে বিরক্তিপূর্ণ মনে দিন কাটাতাম আমি। আমার সব সময়েই মনে হত, দারিদ্র্য যেন আমাদের হাড়সার বুকের ওপর হাঁটু গেড়ে বসেছে, ঘুমের ঘোরে বোবায় ধরার মতো।

প্রথম রাতে ঘরেই শুয়ে রইলাম। ঘুম আসে, আবার ঘুম ভেঙে যায়। যতবার ঘুম ভাঙে, চোখ মেলে দেখি, মা বিছানা ছেড়ে উঠে বসে আছেন। ঘরের ভিতর ভীষণ অন্ধকার। আকাশে চাঁদ নেই, তারাও নেই। নিবিড় অন্ধকারের মাঝখানে মার সাদা ফ্যাকাশে মুখখানা আমি বেশ স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিলাম শুয়ে শুয়ে। কান পেতে চুপ করে শুয়ে রইলাম। ঘুমের ঘোরে আমি যাকে শ্বাস-প্রশ্বাসের শব্দ বলে মনে করেছিলাম, তা চাপা কান্নার গোঙানি। চাদর দিয়ে মুখ ঢেকে চুপ করে শুয়ে রইলাম। কিন্তু তন্দ্রার ঘোরে দেখছিলাম মার সেই ফ্যাকাশে মুখখানা, আর স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছিলাম সেই চাপা কান্নার শব্দ।

ঘরের ভিতর একা একা জেগে বসে মা কাঁদছে, বাইরে অন্ধকারের ভিতর মুখ লুকিয়ে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে মাটি।

পরদিন সকালে ঘরামি লাগিয়ে মণ্ডপের চাল ছেয়ে নিলাম। সেইখানে সময় কাটাবার জন্যে পিঁড়েতে খড় বিছিয়ে চাটাই পেতে নিলাম। প্রায় সব সময়ই আমি এখানে শুয়ে বসে নিজের টুকিটাকি কাজকর্ম করতাম। সামনের বন-জঙ্গল, মাঠ, বিল, দূরের গাছপালা, আর গ্রামের চালাঘরের মধ্যে বহুদিন পরে নিজের অন্তরঙ্গ বন্ধুদের যেন আজ খুঁজে পেলাম। প্রতিবেশের রিক্ততার মাঝখান থেকে নিজের মনকে আমি মুক্তি দিতে চেষ্টা করতাম উন্মুক্ত প্রান্তরের আলো-বাতাসের মাঝখানে। এই তিনদিন আমার সমস্ত শক্তি দিয়ে নিজেকে ভুলতে চেয়েছিলাম, কিন্তু পারিনি, ব্যর্থ হয়েছি।

এই কদিনই শুধু মনে হয়েছিল, কল্পনার কৃপণতা পাশবিকতার ইন্ধন জুগিয়ে থাকে।

অসুস্থ শরীরে সারাদিন অনাহারে কাটিয়েছি। সন্ধ্যার আগে মার কাছে খিধের কথা বলতে মা আমার দিকে একবার মুখ তুলে করুণভাবে চাইলেন, কোনো উত্তর দিলেন না। বিরক্ত হয়ে কোনো কথা না বলে আমি চলে এলাম। মার ওপর আদৌ সন্তুষ্ট হইনি।

মণ্ডপে গিয়ে আমার নির্দিষ্ট স্থানে চুপ করে শুয়ে রইলাম। কিছুই ভালো লাগছিল না। কিছুক্ষণ পরে কার মৃদু পায়ের শব্দ কানে এল, ফিরে দেখি, মা অতি সন্তর্পণে পা টিপে টিপে আসছেন। হাতে একটা গেলাস থেকে ধোঁয়া উঠছে।

মার সেদিনকার অত সুন্দর ও স্বর্গীয় মূর্তি আমি আজও ভুলতে পারিনি। অস্তগামী সূর্যের লাল আলো এসে পড়েছে মার মুখের উপর, মা যেন রক্ত-মাংসের মানুষ নন বলে মনে হল। মার মুখে শিশুর মতো সরল হাসি, চোখে সস্নেহ দৃষ্টি, যেন আমাকে অপ্রত্যাশিত কোনো উপহার দিয়ে বিস্মিত করতে চান।

মার দিকে ফিরে আমি খুব রুক্ষভাবেই বললাম, নিরিবিলিতে আমাকে একটু শুয়ে থাকতেও দেবে না?

তারপর মার দিকে আমি আর ফিরে চাইনি। মা ঠিক তেমনিভাবেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। ঝন ঝন করে শব্দ হতে দেখলাম, পিঁড়ের উপর গেলাসটা পড়ে গেছে। অন্ধকারের মধ্যে দেখতে পেলাম, মা আমার জন্যে গেলাসে করে গরম দুধ এনেছিলেন।

যেখানে দুবেলা দুমুঠো অন্নের সংস্থান নেই, সেখানে গরম দুধ কোথা থেকে এল, সে-প্রশ্ন সেদিন মনে জাগেনি।

গভীর রাতে তৃষ্ণায় কাতর হয়ে ঘরের ভিতর চুপিসাড়ে ঢুকে দেখি, মা ঠিক তেমনিভাবেই বসে বসে কাঁদছেন। আজও তিনি ঘুমোননি।

পরদিন আমাকে ফিরতে হবে, ফিরে এলাম। মার সঙ্গে কোনো কথা কইবার সুযোগ হয়নি।

শহরে ফিরে আসার প্রায় ছ-মাস পরে শুনলাম, ওলাউঠায় গ্রাম উজাড় হয়ে গিয়েছে। গ্রামের প্রান্তে আমার ভাঙা কুঁড়েঘর রাতের অন্ধকারে প্রেতপুরীর কঙ্কালমূর্তির মতো পড়ে রয়েছে। মা নেই।

ছ-বছর পরের কথা।

কারখানার সর্বগ্রাসী আগুনের চুল্লি শরীরের শেষ রক্তবিন্দুটুকু পর্যন্ত শুষে নিয়েছে। ভিতরে শুধু খান-কয়েক ফাঁপা হাড়ের বোঝা বয়ে বয়ে আমি ও আমার সহকর্মীরা শহরের অলিগলিতে ছায়ার মতো ঘুরে-ফিরে বেড়াই। শ্রম-শান্ত জীবনের অবসন্ন রাত্রি একটির পর একটি প্রভাত হয়— পাণ্ডুর প্রভাত। সারাদিনের পর কারখানার ছুটি হলে ভারাক্রান্ত পেশি শিথিল করবার উদ্দেশ্যে মদের দোকানে যাই।

এখন আমি পশু। হিংস্র বর্বর পশুপ্রবৃত্তি আমার চোখে-মুখে চলাফেরায়, হাবভাবে পরিস্ফুট হয়ে ওঠে। এই নির্লজ্জ নির্মম পাশবিকতাই এখন আমার জীবনের একমাত্র অবলম্বন।

সাপ্তাহিক বেতন সমস্ত নিঃশেষ করে দিয়ে একদিন শুঁড়ির দোকান থেকে বেরিয়ে এলাম পথে। সেদিন কিছু খাওয়া হয়নি। সন্ধ্যা হয়েছে। বুকে পেটে যেন দাবানল জ্বলছে দাউ দাউ করে।

গলির দুপাশে সারি সারি টিনের ঘর। ঘরের বাসিন্দারা সকলে পসারিণী, পণ্য তাদের হাটের মাছ, মাঠের সবজি বা রঙিন কাচের চুড়ি নয়, বাসি দেহের মাংসস্তূপ। শহরে এদের সঙ্গে হয় আমার শেষ পরিচয়।

প্রজ্বলিত অগ্নিশিখাবেষ্টিত যেন কোন অন্ধকারাচ্ছন্ন প্রেতপুরীর মধ্যে এরা সকলে বেশভূষায় সুসজ্জিত হয়ে নড়ে-চড়ে বেড়াচ্ছে— পূজারিনির দল। লেলিহান হোমানলের মধ্যে আমাদের বিবর্ণ শোণিতের আহুতি দিচ্ছে মহানন্দে।

একজন স্ত্রীলোক এগিয়ে এসে আমার হাত ধরে বললে, আমার ঘরে এসো। গায়ে তার উগ্র গন্ধ। মুখমণ্ডল বর্ষণ-শেষের ভাঙা মেঘের মতো কুঞ্চিত।

আমাকে সে তার ঘরে নিয়ে গেল ডেকে। অনাহূত আমন্ত্রণে প্রলুব্ধ হয়ে আমি মন্ত্রমুগ্ধের মতো পিছু পিছু তার ঘরে গেলাম। পেটের দিকে হাত দেখিয়ে বললাম, কিছু খেতে দেবে?

একটু হেসে চোখ দুটো তুলে সে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। বোধহয় ভাবলে, আমি বিদ্রুপ করছি।

কিছুক্ষণ পরে সে এসে দাঁড়াল দরজার সামনে, হাতে একটা গেলাস, মুখে মুচকিহাসি। অস্পষ্ট দৃষ্টিপথে অসংখ্য অশরীরী স্মৃতির কালো কালো মূর্তি কিলবিল করে উঠল। মনে হল, তিরবেগে আমি যেন কোথায় তলিয়ে যাচ্ছি।

আমি ভীষণ জোরে চিৎকার করে উঠলাম। কিছুক্ষণ আমার জ্ঞান ছিল না। জ্ঞান হতে চেয়ে দেখি ঘরে ভিড়, হল্লা চলছে। চারিদিক থেকে একটা কথাই শুধু কানে ভেসে এল, সকলে বলছে, আমি নাকি খুব মাতাল হয়েছি।

মাতাল হলেও দেখলাম, আমার আকস্মিক চিৎকারে স্ত্রীলোকটির হাত থেকে গেলাসটি মেঝের উপর পড়ে গুঁড়িয়ে গিয়েছে, আর তার চারিদিকে যা ছড়িয়ে রয়েছে তা গরম দুধ নয়, উগ্র-গন্ধি মদ।

১৯৩৯-৪০

অলকা

সকল অধ্যায়
১.
ডাস্টবিন
২.
মা
৩.
কসাইখানা
৪.
সূর্যপ্রণাম
৫.
বিচার
৬.
সিলুয়েট
৭.
নগর-তীর্থ
৮.
ইয়াকুব
৯.
ভদ্রার বাঁধ
১০.
মা গো! বাঁচিয়ে দে—
১১.
লুলু
১২.
কোটালপুত্র
১৩.
নববাবুচরিত
১৪.
সূচিপত্র
১৫.
Page Break
১৬.
ভূমিকা
১৭.
কৃতজ্ঞতা
১৮.
ভূমিকা
১৯.
নববাবুচরিত
২০.
মধ্য-বিত্ত
২১.
মধ্য-চিত্ত
২২.
পাঁকাল-বন্দনা
২৩.
কলকেতা-কালচার
২৪.
কিউ
২৫.
প্রতিদিন
২৬.
কাক-কয়লা
২৭.
২হাস্যকৌতুক ও কিউ
২৮.
ক্রমবিকাশ ও কিউ
২৯.
প্রেম = বায়োলজি + কালচার
৩০.
ম্যামালের ও মানুষের প্রেম
৩১.
জীবন চাহি জৌবন বড় রঙ্গ
৩২.
সাম্যবাদ = বিদ্যুৎ + সোবিয়েত
৩৩.
দেশী বিজ্ঞান = চেতাবনী + রসায়ন
৩৪.
পুরাতন ও নূতন
৩৫.
সাংবাদিক সাহিত্য
৩৬.
জীর্ণ পুরাতন যাক ভেসে যাক
৩৭.
অযান্ত্রিক
৩৮.
জীবন কী?
৩৯.
জীবন কী? (পুনরালোচনা)

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%