রাকা রায় ওদিকে একলা লড়াই চালাবেন?

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

একটি কৌতুক-কাহিনি দিয়ে শুরু করি। গত বছর অক্টোবর মাসে কানাডার রাজধানী অটোয়া শহরে একটি আন্তর্জাতিক সাহিত্য উৎসবে আমন্ত্রিত হয়ে আমাকে যোগ দিতে হয়েছিল। 'আন্তর্জাতিক' নামে হলেও খুব বিশাল কিছু ব্যাপার নয়, সাত-আটটি ভাষার তিরিশ-পঁয়ত্রিশ জন লেখক-লেখিকা এসেছেন, স্থানীয়দেরই প্রাধান্য, সপ্তমবর্ষের এই উৎসবে ভারত থেকে এবছরও প্রথম দুজন লেখক ডাক পেয়েছেন।

আমাদের রাখা হয়েছে যে হোটেলে, তার একটি সুইট মিলন কেন্দ্র, লেখক-লেখিকারা সেখানে গিয়ে অন্যদের সঙ্গে আলাপ পরিচয় করতে পারেন, চা, কফি, লাল-সাদা সুরা ও স্যান্ডউইচ পাওয়া যাবে চব্বিশ ঘণ্টা। এক সন্ধ্যায় আড্ডায় যোগ দিতে গিয়ে বিচিত্র অভিজ্ঞতা হল। আমাকে কেউ চেনেন না সুতরাং আত্মপরিচয় দেবার জন্য আমাকে বলতে হল আমি একজন বাংলা ভাষার লেখক। অন্যদের মুখের রেখা দেখে আমার মনে হল, বাংলা ভাষাটার নামই এঁদের কাছে অপরিচিত। দু-একজন আমতা আমতা করে বললেন, স্যানসক্রিটের সঙ্গে বোধহয় কিছু সম্পর্ক আছে? তখন আমি বললাম, বাংলা ভাষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল প্রাইজ পেয়েছিলেন, তোমরা কি রবীন্দ্রনাথের নাম শুনেছ? কয়েকজন মুখ ফিরিয়ে অন্য আলোচনায় ব্যস্ত হয়ে পড়লেন, আমার সামনাসামনি দু-তিন জন অপরাধীর মতন মুখ করে বললেন, তাঁরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিষয়ও কিছু জানেন না। এঁরা অবশ্য নোবেল প্রাইজকে তেমন গুরুত্বও দেন না!

পরদিন সেখানকার জাতীয় গ্রন্থাগারের মধ্যে আমার কবিতা পাঠের জন্য বরাদ্দ ২০ মিনিটের মধ্যে অর্ধেক সময় কেটে নিয়ে আমি আমার পূর্বরাত্রির অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করে জানালাম যে বাংলা সারা বিশ্বের প্রধান ভাষাগুলির মধ্যে চতুর্থ কিংবা পঞ্চম। প্রায় ২৫ কোটি মানুষের মাতৃভাষা, ইতালিয়ান বা ফ্রেঞ্চ বা জার্মান ভাষা এর ধারে কাছে আসে না, বাংলায় প্রচুর বই ছাপা হয়, বেশ কয়েকজন লেখকের সাহিত্য রচনাই জীবিকা, হুমায়ুন আহমেদ নামে একজন লেখকের উপন্যাস দু-মাসে পঞ্চাশ হাজার কপি বিক্রি হয়, ইংরেজিতেও এরকম লেখকের সংখ্যা অঙ্গুলিমেয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শুধু কাব্যনাটক লিখেছেন তা নয়, সারা পৃথিবীর বহু সাধারণ মানুষকেও গভীর ভাবে আপ্লুত করেছিলেন একসময়। এখনও ইউরোপের কয়েকটি দেশে, বিশেষত পূর্ব ইউরোপে, রাশিয়ায়, চিনে ও জাপানে যথেষ্ট রবীন্দ্রচর্চা হয়। আমেরিকা ও কানাডার লেখকরাই দেখছি রবীন্দ্রনাথকে মনে রাখেননি।

আসল কৌতুকটি এর পরে। অনুষ্ঠান শেষে বাইরে দাঁড়িয়ে বিড়ি টানছি, একজন মধ্যবয়েসি মহিলা এসে বিনীত ভাবে বললেন, আমি এখানকার গ্রন্থাগারিক, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্পর্কে আপনি আমাদের যে ভর্ৎসনা করলেন, তা হয়তো ঠিকই। আপনার কাছে একটা ব্যাপারে সাহায্য চাই, আমাদের এখানে কয়েকজন লেখকের ছবি আছে তার মধ্যে একজনকে আমরা ঠিক চিনতে পারি না, একটু এসে দেখবেন! লাইব্রেরির বড় হলঘরের এক দিকের সুউচ্চ কাঠের দেওয়ালে পরপর কয়েকজন বিশ্ববিখ্যাত লেখকের ছবি, তাঁদের মধ্যে শেষজন নিঃসন্দেহে রবীন্দ্রনাথ! অর্থাৎ রবীন্দ্রনাথ এখনও বিরাজমান, ওঁরা মনে রাখুন বা না-রাখুন।

আমরা বাংলাকে সারা বিশ্বের একটি প্রধান ভাষা বলে বড়াই করি, কিন্তু সারা বিশ্ব যে বাংলা ভাষা নিয়ে মাথাই ঘামায় না। চাইনিজ, ইংরেজি ও স্প্যানিশ-এর স্থান নির্দিষ্ট হয়ে আছে, চতুর্থ ও পঞ্চম স্থান হিন্দি এবং বাংলার, কোনও কোনও মতে বাংলা এবং হিন্দির। কিন্তু যারা এক বর্ণ চিনা ভাষা বোঝে না তারাও চিনা ভাষার নাম জানে। সে তুলনায় বাংলা ও হিন্দি সম্পর্কে অন্যান্য দেশের মানুষদের অজ্ঞতা সীমাহীন। যেহেতু ইন্ডিয়ান নামে কোনও ভাষা নেই তাই ইন্ডিয়া নামের দেশটির নিজস্ব ভাষা কী, তা অনেকেই বুঝতে পারে না। বেশির ভাগ দেশের নাম ও ভাষার নাম কাছাকাছি। একটি দেশ অথচ বহু ভাষা, দক্ষিণের ভাষা উত্তরে কেউ বোঝেই না, এটাও তো খুব অদ্ভুত। চিনের এ সমস্যা নেই।

কিছু কিছু বিশ্বকোষ গ্রন্থে রবীন্দ্রনাথকে বলা হয়েছে 'হিন্দু' কবি। তাঁর মৌলিক রচনাগুলি কোন ভাষায় লেখা তার উল্লেখ থাকে না। রবীন্দ্রনাথ কোনও বাংলা বইয়ের জন্য নোবেল পুরস্কার পাননি, পেয়েছিলেন তাঁর নিজস্ব ইংরেজিতে লেখা 'গীতাঞ্জলি' কাব্যগ্রন্থের জন্য। ফরাসি, জার্মান তো বটেই, পোলিশ কিংবা চিনে ভাষায় রচিত গ্রন্থ নোবেল পুরস্কার পেতে পারে, সেগুলির ইংরেজি অনুবাদ নয়, কিন্তু সেই ভাবে বাংলা ভাষায় রচিত কোনও গ্রন্থ নোবেল পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হওয়ার কোনও সম্ভাবনাই নেই।

বিপুল টাকা ছাড়া নোবেল পুরস্কারের তেমন সম্মান আর নেই। নির্বাচনে সাহিত্যমূল্য ছাড়াও অন্য অনেক কিছু বিবেচ্য। সুতরাং নোবেল পুরস্কার নিয়ে চিন্তা করার দরকার নেই। পুরস্কারের নিরিখে সাহিত্যের সুবিচার হতে পারে না। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের যে বিপুল ঐশ্বর্য আছে, সারা বিশ্বে তার পরিচয় ঘটানোই প্রকৃত প্রয়োজনীয়। এক সময় নানা দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা পড়াবার ব্যবস্থা ছিল, অনেকগুলিই উঠে গেছে, কোথাও কোথাও টিমটিম করছে। এই বিভাগগুলি চাঙ্গা করার জন্য কিছু ব্যবস্থা করতে পারে বাংলাদেশ ও ভারত সরকার। অর্থাভাব বা অস্থিরতা যে কারণেই হোক বাংলাদেশ সরকার এ দিকে মন দেয় না, আর ভারত সরকারের বাংলা নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই। তাদের যাবতীয় উদ্যম অযৌক্তিকভাবে হিন্দি ভাষাতেই সীমাবদ্ধ।

এবারে এই লেখাটির প্রাসঙ্গিকতার কথা বলি। উত্তর আমেরিকার অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা পড়ানো হয় বলে একটা ধারণা চালু আছে, কিন্তু সেটা নিতান্তই ভ্রান্ত। একমাত্র শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বিভাগে আছে বাংলা শাখা, জীবনানন্দ দাশের জীবনী রচয়িতা ক্লিন্টন সিলি-র অধীনে। ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ন'-দশ জন। আমি দেখে এসেছি বছর তিনেক আগে। অপর দু-তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই বিভাগ আছে নামমাত্র। হয় সব সময়ের শিক্ষার্থী নেই, অথবা পূর্ণ সময়ের শিক্ষক নেই। আমেরিকার সবচেয়ে বিখ্যাত দুটি বিশ্ববিদ্যালয় বস্টন-এর হার্ভার্ড এবং বার্কলের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া। এই দুটিতে অস্তিত্ব নেই বাংলা বিভাগের। যদিও এই দুটি বিশ্ববিদ্যালয়েরই দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের প্রধানের দায়িত্বে আছেন দুজন বাঙালি, হার্ভার্ডে শ্রীসুগত বসু এবং বার্কলেতে শ্রীমতী রাকা রায়।

শ্রীসুগত বসু তাঁর বিভাগের কার্যক্রম নানাভাবে প্রসারিত করার জন্য উদ্যম নিয়েছেন শুনেছি। আমি এখানে বার্কলের কথা কিছু বলি। বার্কলেতে হিন্দি, সংস্কৃত, উর্দু, তামিল এবং পাঞ্জাবি ভাষাও পড়ানো হয়, কিন্তু বাংলা বাদ। সেজন্য সেখানকার চেয়ারপার্সন রাকা রায়ের মনোবেদনার শেষ নেই। রাকা কলকাতার লোরেটো কলেজে পড়া মেয়ে, তারপর পাড়ি দিয়েছেন আমেরিকায়, বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সঙ্গে অনেক বছর বিশেষ সংযোগ ছিল না। বিদেশেই অনেক সময়ে মাতৃভাষার প্রতি টান নতুন করে ফিরে আসে। পাঁচটি ভারতীয় ভাষা পড়ানো হয় অথচ বাংলা অবহেলিত, এটা শ্রীমতী রায় সহ্য করতে পারছেন না। এই গৌরবময় বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, একা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ওঁর সঙ্গে কথা বলে মনে হল রাকা তাঁর মা ভারতী রায়ের (বিশিষ্ট গবেষক, এক সময়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য) মতনই জেদি।

ও দেশে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির বিভিন্ন বিভাগ। গবেষণা চালাতে গেলে বাইরে থেকে টাকা আনতে হয়। বিভাগগুলি নানারকম স্পনসরশিপের উপরও নির্ভর করে। ক্যালিফোর্নিয়ার পঞ্জাবি এবং তামিল গোষ্ঠী নিজেদের উদ্যোগে অর্থ সংগ্রহ করে তাঁদের ভাষায় পঠন-পাঠন চালু রেখেছেন। ক্যালিফোর্নিয়া তথা গোটা আমেরিকায় ধনী বাঙালির অভাব নেই। কিন্তু তাঁরা বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার ব্যাপারে উদাসীন।

টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের উদাহরণ প্রণিধানযোগ্য। সেখানকার এক সহৃদয় বাঙালি, স্ত্রী বিয়োগের পর ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা শিক্ষার জন্য বেশ কয়েক লক্ষ ডলার দান করেছেন। স্থানীয় বাঙালিরা আরও কিছু টাকাপয়সা জোগাড় করেছেন, ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বিভাগে বাংলা ভাষা শিক্ষা ও সাহিত্য পাঠ চলছে পূর্ণ উদ্যমে। দু-বছর আগে উপস্থিত হয়েছিলাম সেখানকার ছাত্রছাত্রীদের সামনে। প্যারিসের সোরবন, লন্ডনের 'সোয়াস', পোল্যান্ডের বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকার সুযোগ আমার ঘটেছে। কোথাও টরেন্টোর মতন এত বেশি ছাত্রছাত্রী দেখিনি। উনিশ জন। (এঁদের মধ্যে সতেরো জনই বাংলাদেশি, দুজন ক্যারিবিয়ান মহিলা। ওই মহিলাদ্বয়কে আমি নিবেদন করেছিলাম, তাঁদের বাংলা শেখার আগ্রহের কারণ কী? ওঁরা বললেন, ওঁদের ঠাকুমা বা দিদিমা সম্ভবত বাঙালি ছিলেন, তাই শিকড় খুঁজতে এসেছেন। পশ্চিমবঙ্গীয় ছাত্রছাত্রী একজনও নেই। অথচ বাংলা বিভাগটি চাঙ্গা রাখতে যে স্থানীয় বাঙালিরা উৎসাহী ও সময় ব্যয় করছেন তাঁরা সবাই পশ্চিমবঙ্গীয়। তাঁদের ছেলেমেয়েরা বাংলা শিখতে যায় না।)

তবে, প্যারিসে, পোল্যান্ডে, লন্ডনে, শিকাগো এবং নর্থ ক্যারোলাইনাতে যারা বাংলা শিখতে যায় তাদের অনেকেই অ-ভারতীয়, তথা প্রতীচ্যের। সেরকম ছাত্রছাত্রী কাম্য। বার্কলে ছাত্রমহলে একটা আন্তর্জাতিক আবহাওয়া বরাবরই থাকে। বিভিন্ন দেশের ছাত্রছাত্রীরা যদি বাংলা শিখতে আগ্রহী হয় তাতেই এই বিভাগের সার্থকতা। বাংলা শেখাটা নিতান্ত শখেরও নয়, এজন্য ক্রেডিটও পাওয়া যায়।

কিন্তু রাখা রায় কতদিন একা লড়াই চালাবেন? উত্তর আমেরিকায় প্রতি বছরই খুব ধুমধাম করে বঙ্গ সম্মেলন হয় বিভিন্ন শহরে। খরচ হয় লক্ষ লক্ষ ডলার। কিছু কি উদ্বৃত্ত হয় না, কিংবা বাঁচিয়ে রাখা যায় না কিছু অর্থ? বঙ্গ সম্মেলনের উদ্যোক্তারা কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ক্লাস চালু করতে পারলে নিজেরাই গর্ব বোধ করবেন। বার্কলে থেকেই তা শুরু হতে পারে। দু-হাজর সালে প্রবাসী বাঙালিদের উদ্যোগে কলকাতায় হয়েছিল বিশ্ব বঙ্গ সম্মেলন।

তখন বেশ কিছু অর্থ উদ্বৃত্ত হয়েছিল বলে শুনেছি। সেই অর্থে একটা কোনও স্থায়ী কাজ করা হবে এমন ঘোষণাও শোনা গিয়েছিল। কিন্তু হয়েছে কি? পশ্চিমবঙ্গেই লেখাপড়া শিখে অনেক রমণী ও পুরুষ বিদেশে গিয়ে জীবিকার্জনে বিশেষ সার্থক হয়েছেন, তাঁরা কি বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি প্রসারের জন্য কিছু কিছু সাহায্য করে কিঞ্চিৎ মাতৃঋণ শোধ করার কথা চিন্তা করতে পারেন না? তাঁদের কাছে এই আমার বিনীত আবেদন।

সকল অধ্যায়
১.
বাংলা ভাষার আত্ম-পরিচয়
২.
আ মরি বাংলা ভাষা
৩.
এ বার সমস্ত বিদ্যালয়ে বাংলা আবশ্যিক
৪.
বাংলা আছে, থাকবে
৫.
বাঙালি ও বাংলা ভাষা
৬.
বাঙালি কে? আমি কি বাঙালি?
৭.
আর কতদিন সহ্য করব?
৮.
বাঙালি, বাঙালিত্ব—জাতি ও সংস্কৃতি
৯.
দুই বাংলার বাঙালি
১০.
ইতিহাসের পরিহাস
১১.
ভাষার সূক্ষ্মতা ও সংস্কার
১২.
আমাদের হ্রস্সি দীর্ঘি জ্ঞান
১৩.
প্রবাসে বাংলা ভাষা
১৪.
প্রবাসী বাঙালি : সার্থকতা ও পরের প্রজন্ম
১৫.
কিন্তু মাতৃভাষা ছাড়া কি সাহিত্যসৃষ্টি সম্ভব?
১৬.
বাঙালি সংস্কৃতির উত্তরাধিকার
১৭.
আগামী প্রজন্মের বাঙালি
১৮.
বাঙালি অনেক, মুছে যাচ্ছে বাংলা
১৯.
হিস্ট্রি চ্যানেল হিন্দিতে কেন, বাঙালি আজও সর্বংসহা
২০.
বিশ্ব বইমেলা এবং প্রবাসে বাংলা
২১.
স্বাধীন বাংলাদেশ
২২.
সীমান্তে দুবার
২৩.
চলো, আমরাও যাই
২৪.
ওদের সংগ্রামের দিকে তাকিয়ে আমরা
২৫.
বাংলাদেশ কিছুটা অজানা, অচেনা
২৬.
সেদিনের স্মৃতি
২৭.
একুশে ফেব্রুয়ারির গভীর রাত্রে
২৮.
কয়েকটি ছোটখাটো জরুরি বিষয়
২৯.
পাশাপাশি এসে দাঁড়ানোই বড় কথা
৩০.
বাংলাদেশের সঙ্গে আমার নাড়ির টান
৩১.
ধনসম্পদ গেছে, মানসম্মানও যেতে বসেছে
৩২.
পশ্চিমবঙ্গে বাংলা চাইছি, আনন্দবাজারের আপত্তি কেন?
৩৩.
নাম বদলের সৎ প্রস্তাব তাতেই এত বিরুদ্ধ হইহল্লা?
৩৪.
রাকা রায় ওদিকে একলা লড়াই চালাবেন?
৩৫.
যত দূরেই যাই
৩৬.
দৃশ্যপটে বাংলা : প্রয়োজনে চাই ভাষা-পুলিশ
৩৭.
সামনে তাকালে বাংলা অক্ষর চোখেই পড়ে না!
৩৮.
প্রতিবাদের ভাষা কেন কলুষিত হবে?
৩৯.
নিজস্ব ভাষা
৪০.
আগে বাংলা অনুষ্ঠানের জন্য একটা আলাদা চ্যানেল চাই
৪১.
যে প্রশ্নের উত্তর এখনও জানি না
৪২.
বাঙালি কোথায় নেই? বাঙালি এখন কোথায়?
৪৩.
আগামী বছরে দুর্গোৎসব হবে ডিসেম্বর মাসে
৪৪.
মঞ্চে আবার যেন সোনালি যুগ

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%