বাঙালি ও বাংলা ভাষা

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

এখন পশ্চিমবঙ্গে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি সংকুচিত হয়ে আসছে ক্রমশ।

গোর্খাল্যান্ডের বদলে গোর্খা হিল কাউন্সিল নামে যা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সেখানে বাংলা সিনেমা দেখার কথা ভাবাই যায় না। লাউডস্পিকার থেকে কানে যে গান ভেসে আসে তাও হিন্দি গান। পশ্চিমবঙ্গের অন্যত্রও এক শ্রেণির বাঙালি যেন বাংলা সংস্কৃতির চিহ্নগুলি নিজেদের শরীর থেকে ঝেড়ে ফেলতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে উঠেছে। যেন ব্রাউন সাহেবদের আধিপত্য শুরু হয়ে গেছে। একদল অভিভাবক বলতে ভালোবাসেন, তাঁদের ছেলেমেয়েরা বাংলা বলা তেমন পছন্দ করে না। আসলে কথাটা সত্য নয় মোটেই। সত্যটা হল ওই অভিভাবকরা তাঁদের ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যত ভেবে বাংলা পড়তে দিতে চায় না। তাঁরা ভাবছেন কাজের ভাষা ইংরেজি বা অন্য কিছু ভালো করে রপ্ত করলে ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে। বাংলার কোনও ভবিষ্যৎ নেই। এই ছেলেমেয়েদের সঙ্গে অভিভাবকদের এইরকম আচরণের ফলে বাংলা বই, বাংলা গানের সঙ্গে সম্পর্ক গুটিয়ে যাচ্ছে। উচ্চবিত্ত পরিবারগুলিতে অনেক ক্ষেত্রেই শোনা যাবে মাইকেল জ্যাকসনের নাকি সুরে চিৎকার। অনেকেই তো আবার প্রবলভাবে সাহেব হওয়ার বাসনায় কাটা চামচ দিয়ে ইলিশ মাছ খাওয়ার প্রাণান্তকর পরিশ্রম করে। ইঙ্গ-বঙ্গ সমাজ গড়ে তোলার জন্য এদের কী মরিয়া চেষ্টা! ইঙ্গ-বঙ্গ সমাজ তো বাংলাদেশেও আছে। সেখানেও জিনস ও গেঞ্জি পরা ছেলে, সবসময় ইংরেজি বলা মেয়েদের দল দেখা যায়। মা-বাবারা বিদেশি ম্যাগাজিন পড়েন। কিন্তু বাংলার শিল্প সংস্কৃতির সঙ্গে তাদের সম্পর্ক পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়নি। এদেরই একজন রসিকতা করে আমাকে বলেছিলেন, পয়লা ফেব্রুয়ারি আমরা বাঙালি হয়ে যাই। আবার আঠাশে ফেব্রুয়ারি বাংলা ভুলি। তবুও তো তাঁরা এক মাস বাঙালি সাজতে লজ্জা পান না। আর পশ্চিমবঙ্গে ব্রাউন সাহেবের দল ২৫শে বৈশাখেরও ধার ধারে না। এদের ছেলেমেয়েরা পয়লা বৈশাখ কবে তার হদিস জানে না।

একদিন ধর্মতলায় কী খেয়াল বশে দোকানগুলোর সাইনবোর্ডের দিকে নজর রেখেছিলাম। ধর্মতলা থেকে সোল অ্যাভিনিউ ধরে অনেকটা দূর পর্যন্ত দোকানগুলোর সাইনবোর্ডে—যা নামফলক বলাই ভালো, বাংলা হরফের চিহ্ন খুঁজে পাইনি। পরে বাংলা ভাষাকে যারা মর্যাদা দিতে চায় তারা নানা সংগঠন গড়ে দোকানগুলোতে নামফলকের একটি অংশে অন্তত বাংলা লেখার দাবি তুলে পথে নেমেছিল। অন্য ভাষা নামফলকে থাকলে আপত্তি করার কিছু নেই। তবে বাংলা থাকাটা জরুরি। এটা রাজ্য সরকার এবং পুরসভাকেও বুঝতে হবে। পুরসভাকে বলা হয়েছিল, তাঁরা যেন 'টেড লাইসেন্স' নবীকরণ করার সময় ব্যবসায়ীদের নির্দেশ দেয় যে, অন্তত নামফলকের তিন ভাগের এক ভাগের জায়গায় যেন বাংলা লেখা থাকে। ওরা নীতিগতভাবে একমত হয়ে জানিয়েছিল যে, এটা করতে গেলে আইন বানাতে হবে। তো আইন বানালেই হয়। বিধানসভায় শাসকপক্ষের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে। বিরোধীপক্ষ এবিষয়ে বাধা দেবে বলেও মনে হয় না। আইনটাইন যা করতে হয় করা হোক। মোট কথা নামফলকে বাংলা থাকাটা জরুরি। সুখের কথা বর্তমান পুরসভা বাংলায় নামফলক লেখার ব্যাপারে কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। আন্দোলন এবং ওই উদ্যোগের ফলে এখন অল্প হলেও কিছু পরিবর্তন হচ্ছে।

আসলে সরকার বাংলার মর্যাদা বাড়ানোর ব্যাপারে অনেক প্রস্তাবের সঙ্গে নীতিগতভাবে একমত হয়। তবে সরকারের ওই যা দোষ, কাজটা ঠিকমতো করে হওয়া ওঠে না। যেমন পশ্চিমবঙ্গে সব স্কুলে বাংলা পড়াটা আবশ্যিক করা দরকার। অর্থাৎ বাংলা আবশ্যিক পাঠ্য হবে। বাংলা পরীক্ষায় পাশ করতে না পারলে তাকে ফেল থাকতে হবে। রাজ্য সরকার সব স্কুলে এই ব্যবস্থা করার জন্য আলোচনার সময় একমত হয়েছিল নীতিগতভাবে। কিন্তু কাজটা এক কদমও এগোয়নি। অথচ মহারাষ্ট্রে অর্থের দিক থেকে বিত্তবান গুজরাটি সমাজ মহারাষ্ট্রে তাদের তৈরি স্কুলগুলোতে মারাঠি পড়াতে রাজি ছিল না। মহারাষ্ট্র সরকার তাদের বিরুদ্ধে মুম্বই হাইকোর্টে মামলা করেছিল। রাজ্য সরকার জিতেছিল। গুজরাটি সমাজ দরবার করেছিল সুপ্রিমকোর্টে। সুপ্রিমকোর্ট তাদের রায়ে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছিল, মহারাষ্ট্রে স্কুল করতে হলে মারাঠি ভাষা আবশ্যিক করতে হবে। সুপ্রিমকোর্টের এরকম একটি নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও পশ্চিমবঙ্গে কেন তা চালু করে বাংলা পড়ানো হচ্ছে না সব স্কুলে, এই প্রশ্নের জবাব পাইনি। হয়তো ভবিষ্যতে পেয়ে যাব। এই না পাওয়ার পেছনে ভোটের কোনও অঙ্ক আছে কি না বা বিত্তবানদের কোনও চাপ আছে কি না আমার জানা নেই।

এই প্রসঙ্গে সরকারি কাজে বাংলা ভাষার ব্যবহারের কথাও উঠে আসে। এ দাবি অনেক দিনের এবং অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি ও সংগঠনের। রাজ্য সরকার এব্যাপারেও নীতিগতভাবে একমত। কিন্তু সরকারের যা হাল, ওই করে উঠতে না পারার জন্য এই বিষয়টাও পুরো এগোয়নি। সরকারের বিভিন্ন কাজে ইংরেজি ব্যবহারের ঝোঁকটা প্রবল। কোনও কোনও মন্ত্রী বা অফিসার মাঝেমধ্যে বাংলায় নোট যে দেন না এমন নয়। তবে সেটা ব্যতিক্রম হিসেবেই থেকে যাচ্ছে। যে কাজগুলোর সঙ্গে সরাসরি সাধারণ মানুষ যুক্ত, সেই কাজগুলোর ক্ষেত্রেও বড় একটা কেউ বাংলা লেখেন না। সাধারণ মানুষও এর ফলে ভাবে যে, ইংরেজিতে না লিখলে তার কাজটা হবে না। কিন্তু মুশকিল হল স্বাধীনতার ৬০ বছর পার হয়ে গেলেও এখনও ১০০-র মধ্যে ৬৮ জনের বেশি মানুষকে আমরা স্বাক্ষর করে তুলতে পারিনি। স্বাক্ষর মানে কোনও মতে নিজের নাম লিখতে পারা, একটু ১ ২ ৩ লেখা ও চিনতে শেখা। এই স্বাক্ষররা বই পড়ায় সড়গড় নয়। বাংলা চিঠি লিখতে হলেও তাদের সাহায্য করার জন্য লোক খুঁজে বেড়াতে হয়। ইংরেজিতে তাদের আবেদনপত্র লিখবেন কী করে, লেখাবেনই বা কাকে দিয়ে। তবু বাংলায় লেখা হলে তারা তাদের বক্তব্যটা মোটামুটি বুঝিয়ে দিতে পারে, কেউ লিখে দিলে সেটা পড়ে শোনাবার পর বেশিরভাগটাই বুঝতে পারে। ইংরেজি হলে তো মস্ত বিপদ। সকলকেই সচেতন হয়ে সরকারি কাজকর্মে বাংলা ব্যবহার করার জন্য কথাবার্তা তোলা উচিত, চাপ তৈরি করা উচিত। সরকারেরও উচিত শুধু নীতিগতভাবে একমত না হয়ে এ ব্যাপারে কাজের কাজ করা। অন্যদিকে কলকাতা থেকে ঢাকা গেলেই প্রথমে মনে হবে এটাই স্বভূমি। নামফলকগুলি এবং বেশিরভাগ বিজ্ঞাপন বাংলায় লেখা। যানবাহনের নম্বর কিংবা গন্তব্য স্থানও বাংলায়। সেখানকার অল্প শিক্ষিত লোকদের সরকারের সঙ্গে কাজকারবার চালাতে ইংরেজির আশ্রয় নেওয়ার জন্য লোক খুঁজতে হয় না। বাংলাতেই কাজ চলে যায়। যদিও শিক্ষার হারের দিক থেকে তারা পশ্চিমবঙ্গের চেয়ে তেমন এগিয়ে নেই।

শুধু সরকারকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময় বাঙালিদের একটি পরামর্শ দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, বাংলা জানা দুজন মানুষ যেন পরস্পরকে ইংরেজিতে না লেখেন, ইংরেজিতে শুভেচ্ছা বিনিময় না করেন, কথাবার্তা ইংরেজিতে না বলেন। রবীন্দ্রনাথের ইচ্ছে ছিল, বাঙালিরা তাদের জীবনে বাংলা ভাষাকেই অবলম্বন করবে। এই পরামর্শ মেনে চলেন না অনেকেই। একটা ভুল ধারণা বদ্ধমূল হয়ে যাচ্ছে যে, গড়গড় করে ইংরেজি না বললে, শিক্ষিত হিসেবে কল্কে পাওয়া যাবে না। অনেক সময় এমনও দেখা যায় যে, বাংলা মাস্টারমশাই এবং অধ্যাপকরাও এই ধারণা থেকে তাদের কথাবার্তায় খানিকটা ইংরেজি বলে নেন। এটা এক ধরনের হীনমন্যতা। মনে হয় ইংরেজ দাসত্বের রেশ এখনও কাটিয়ে ওঠা যায়নি। এটা দুর্ভাগ্যজনক।

ভারতে এমন কয়েকটি ভাষা আছে যেগুলি সারা পৃথিবীর প্রধান ভাষাগুলির সমপর্যায়ে। চিনে ভাষা নিশ্চয়ই এক নম্বর ভাষ্য। পশ্চিমের দেশগুলি ছোট ছোট, কিন্তু সেখানকার অনেক ভাষাই সমৃদ্ধ। তবুও এর কোনও একটি দেশের মাতৃভাষা সংখ্যার বিচারে এশিয়ার ভাষাগুলির কাছাকাছি নয়। ইংরেজ ও স্প্যানিশরা বিভিন্ন মহাদেশে উপনিবেশ তৈরি করে নিজেদের ভাষা চাপিয়ে দিয়েছিল। যেমন আমেরিকা, কানাডা ও অষ্ট্রেলিয়ার দখলদার ইংরেজদের ভাষার প্রাধান্যে ইংরেজি এখন পৃথিবীর দ্বিতীয় বড় ভাষা। দক্ষিণ আমেরিকার অনেকগুলি রাজ্য দখল করে নিয়ে স্প্যানিশরা তাদের ভাষাভাষির সংখ্যা বিশ্বের তিন নম্বর স্থানে নিয়ে গিয়েছে। ভারত কখনওই কলোনি বিস্তার করেনি বা চায়নি। তা সত্ত্বেও ভারতের দুটি ভাষা হিন্দি ও বাংলা জনসংখ্যার ভিত্তিতে চতুর্থ ও পঞ্চম স্থান অধিকার করে আছে। সর্বশেষ পরিসংখ্যানে দেখা যাবে স্প্যানিশভাষিরা তৃতীয় স্থানটি থেকে সরে গিয়ে পঞ্চমে চলে যাচ্ছে। হিন্দি ও বাংলা তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে উঠে আসছে। কাজেই বাঙালিদের হীনমন্যতায় ভোগার কোনও কারণ নেই তার ভাষা নিয়ে। বাংলা ভাষায় যে সাহিত্য রচিত হয়েছে এবং হচ্ছে তা বিশ্বমানের চেয়ে পিছিয়ে আছে এমন নয়। বাংলা শিখলে ভবিষ্যতে কাজেকর্মে সাফল্য পাওয়া যাবে না বলে যারা ভাবছেন তাদের মনে রাখা উচিত, ইংরেজি পড়েও সকলে যথেষ্ট সুবিধা করতে পারছে না। আসলে আর্থিক জীবনে সাফল্য আসার পিছনে তো শুধু ভাষার ব্যাপারই নেই। দেশের অবস্থা উন্নত না হলে, যথেষ্ট শিল্পবিকাশ না হলে আর্থিক সাফল্য পাওয়া সহজ হবে না। ইংরেজি অবশ্যই শিখতে হবে। এখন যেভাবে ইংরেজি শেখানো হয় তার চেয়েও ভালোভাবে শেখাতে হবে। এর সঙ্গে বাংলা ভাষা শেখার কোনও বিরোধ নেই। বিরোধ নেই অন্য কোনও বিদেশি বা ভারতীয় ভাষা শেখারও। যে যার মাতৃভাষাকে পূর্ণ মর্যাদা দিয়ে শিখুক এবং সঙ্গে সঙ্গে যে যে ভাষাকে তার কাজের সাফল্যের ভাষা মনে করে সেটাও শিখুক। এমনই হওয়া উচিত। নিজেদের রাজ্যের ভাষা যাতে নিজেদের রাজ্যে ব্যাপকতা লাভ করে এটা যেমন সব বাঙালিকেই বুঝতে হবে তেমনই সরকারকেও এদিক থেকে সহযোগিতার পরিমাণ বাড়াতে হবে। এ কাজটা খুব শক্ত নয়। অন্য প্রদেশগুলোতে এ কাজ করে দেখিয়েছে অন্যেরা। এ ছাড়া সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষ যেখানে বাংলা ভাষায় কথা বলেন সেই বাংলাদেশের উদাহরণ আমাদের হাতের কাছেই রয়েছে।

বাংলাদেশের বাঙালিরা শুধু বাংলায় কথা বলে, সরকারি কাজকর্ম চালিয়ে ক্ষান্ত নেই। তারা বাংলা সংস্কৃতিকে প্রসারিত করার জন্য সবসময় চেষ্টা করে। বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় যে উৎসবটা হয় সেটা বর্ষবরণের উৎসব, পয়লা বৈশাখ। ওদেশে কয়েক শতাংশ মানুষ বাদ দিলে ধর্মের দিক থেকে সবাই মুসলমান। ইদ উৎসব তারা পালন করে। কিন্তু পয়লা বৈশাখ তাদের জীবনে সবচেয়ে বড় উৎসবের স্থান দখল করে আছে। এ ছাড়া ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা ভাষার শহীদদের স্মরণে অনুষ্ঠান তাদের জাতীয় জীবনে এক বিরাট মর্যাদা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত। তাদের সাংস্কৃতিক জীবনে নানা জেলা থেকে বৈচিত্র্যময় লোকগীতি উঠে আসে। আমাদের দেশে দেশাত্মবোধক গানের চর্চা লুপ্ত হতে চলেছে। অথচ ও দেশে রচিত হচ্ছে আবেগময় দেশাত্মবোধক সংগীত।

তারা এক জায়গায় কয়েকজন লোক একত্র হলে যে গান গায় তা হিন্দি বা উর্দু নয়, বাংলা গান। যে-কোনও অনুষ্ঠানেই তারা দেন আলপনা। বাংলাদেশের জন্যই সারা পৃথিবীতে বাংলা ভাষার স্বীকৃতি। বাঙালি শব্দটির বদলে আস্তে আস্তে পৃথিবীতে বাংলাদেশি নামটি পরিচিত হয়ে উঠছে। কারণগুলির মধ্যে একটি অন্যতম বিষয় হল প্রবাসে যে বাঙালিরা থাকেন তারাও সহজে বাঙালিত্ব বিসর্জন দেয় না। তারা এখানকার একদল হিন্দুর মতো বলে না—ওরা হিন্দু, আমরা বাঙালি। যেমন এদেশে শোনা যায়—ওরা মুসলমান। আমরা বাঙালি।

ঈশ্বর কিংবা আল্লাহ আমাদের মাথায় থাকুন, ধর্ম থাকুক, ধর্ম থাকুক ঘরে ঘরে, রাজনীতির বিভেদ নিয়ে মত্ত থাকুক রাজনীতিবিদরা। ভাষা এবং সংস্কৃতিকে এসব কিছুর ঊর্ধ্বে না রাখতে পারলে কোনও জাতি পরিপুষ্ট হতে পারে না। কারণ ভাষা অনেক সময়ই জাতীয়তার ভিত্তি। আর সেইসঙ্গে একথা তো মনে রাখতেই হবে যে বাঙালি তার আত্ম পরিচয়কে খুইয়ে ফেললে জাতি হিসাবে তার অস্তিত্বটাই লোপাট হয়ে যাবে।

সকল অধ্যায়
১.
বাংলা ভাষার আত্ম-পরিচয়
২.
আ মরি বাংলা ভাষা
৩.
এ বার সমস্ত বিদ্যালয়ে বাংলা আবশ্যিক
৪.
বাংলা আছে, থাকবে
৫.
বাঙালি ও বাংলা ভাষা
৬.
বাঙালি কে? আমি কি বাঙালি?
৭.
আর কতদিন সহ্য করব?
৮.
বাঙালি, বাঙালিত্ব—জাতি ও সংস্কৃতি
৯.
দুই বাংলার বাঙালি
১০.
ইতিহাসের পরিহাস
১১.
ভাষার সূক্ষ্মতা ও সংস্কার
১২.
আমাদের হ্রস্সি দীর্ঘি জ্ঞান
১৩.
প্রবাসে বাংলা ভাষা
১৪.
প্রবাসী বাঙালি : সার্থকতা ও পরের প্রজন্ম
১৫.
কিন্তু মাতৃভাষা ছাড়া কি সাহিত্যসৃষ্টি সম্ভব?
১৬.
বাঙালি সংস্কৃতির উত্তরাধিকার
১৭.
আগামী প্রজন্মের বাঙালি
১৮.
বাঙালি অনেক, মুছে যাচ্ছে বাংলা
১৯.
হিস্ট্রি চ্যানেল হিন্দিতে কেন, বাঙালি আজও সর্বংসহা
২০.
বিশ্ব বইমেলা এবং প্রবাসে বাংলা
২১.
স্বাধীন বাংলাদেশ
২২.
সীমান্তে দুবার
২৩.
চলো, আমরাও যাই
২৪.
ওদের সংগ্রামের দিকে তাকিয়ে আমরা
২৫.
বাংলাদেশ কিছুটা অজানা, অচেনা
২৬.
সেদিনের স্মৃতি
২৭.
একুশে ফেব্রুয়ারির গভীর রাত্রে
২৮.
কয়েকটি ছোটখাটো জরুরি বিষয়
২৯.
পাশাপাশি এসে দাঁড়ানোই বড় কথা
৩০.
বাংলাদেশের সঙ্গে আমার নাড়ির টান
৩১.
ধনসম্পদ গেছে, মানসম্মানও যেতে বসেছে
৩২.
পশ্চিমবঙ্গে বাংলা চাইছি, আনন্দবাজারের আপত্তি কেন?
৩৩.
নাম বদলের সৎ প্রস্তাব তাতেই এত বিরুদ্ধ হইহল্লা?
৩৪.
রাকা রায় ওদিকে একলা লড়াই চালাবেন?
৩৫.
যত দূরেই যাই
৩৬.
দৃশ্যপটে বাংলা : প্রয়োজনে চাই ভাষা-পুলিশ
৩৭.
সামনে তাকালে বাংলা অক্ষর চোখেই পড়ে না!
৩৮.
প্রতিবাদের ভাষা কেন কলুষিত হবে?
৩৯.
নিজস্ব ভাষা
৪০.
আগে বাংলা অনুষ্ঠানের জন্য একটা আলাদা চ্যানেল চাই
৪১.
যে প্রশ্নের উত্তর এখনও জানি না
৪২.
বাঙালি কোথায় নেই? বাঙালি এখন কোথায়?
৪৩.
আগামী বছরে দুর্গোৎসব হবে ডিসেম্বর মাসে
৪৪.
মঞ্চে আবার যেন সোনালি যুগ

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%