নাম বদলের সৎ প্রস্তাব তাতেই এত বিরুদ্ধ হইহল্লা?

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

এই রাজ্যের বিধানসভায় সর্বসম্মত ভাবে কলকাতার নাম ইংরেজি অক্ষরেও কলকাতা এবং রাজ্যের প্রচলিত নাম বাংলা ও ইংরেজি অক্ষরে বাংলা লেখার প্রস্তাব গৃহীত হওয়ায় গরিষ্ঠসংখ্যক মানুষ আনন্দিত। কিছু মানুষ ও প্রতিষ্ঠান বিরুদ্ধ মতও প্রকাশ করছেন। বিরুদ্ধ মত থাকতেই পারে, তা যুক্তিসম্মত হলে মাথা পেতে মেনেও নেওয়া যায়, কিন্তু যুক্তির বদলে তা বিদ্রূপ, আস্ফালন ও গালমন্দপূর্ণ হলে সেই সব বিরুদ্ধবাদীর উদ্দেশ্য সম্পর্কে সন্দেহ জাগে। কোনও একটি শক্তির ধামা ধরার সুর ফুটে ওঠে।

এ প্রস্তাবে সরকার পক্ষ ও বিরুদ্ধ দলের একমত হওয়াটা কোনও কোনও মহলের পছন্দ হয়নি। আশ্চর্য! যদি দাঙ্গাবিরোধী প্রস্তাব ওঠে, এমনকী হাসপাতালে ধূমপান নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব ওঠে, তাতেও বিরুদ্ধ পক্ষ আপত্তি জানাবেন? তেমনই, যাতে রাজ্যের অধিকাংশ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত, তাতে জনসাধারণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের একমত হওয়াই স্বাভাবিক। এতে রাজনীতি টেনে আনাটাই মূর্খামি। কোনও দল যদি বিধানসভায় সম্মতি জানিয়ে, পরে কারও উস্কানিতে পশ্চাদপসরণ করতে চান, তা বিশ্বাসঘাতকতারই নামান্তর। কোনও কোনও নেতা বা নেত্রী যদি বিরোধিতার জন্যই বিরোধিতা করে নির্বাচনী প্রচারে তা কাজে লাগাতে চান, তার ফল যথাসময়ে বুঝতে পারবেন আশা করি। বাংলার জনমানস এখনও আত্মসম্মানবোধ হারায়নি।

বাংলা ভাষা-সংস্কৃতির মর্যাদা রক্ষার দাবিতে কোনও রাজনীতি নেই। এই দাবি যে গরিষ্ঠ সংখ্যক মানুষের, তাতেও সন্দেহ নেই। বিশেষ বিশেষ পল্লিতে সমীক্ষা চালিয়ে বাংলা-বিরোধিতার চিত্র তুলে ধরাটা অসততারই নামান্তর। ভোটের সময় কারচুপির কথা আমরা জানি, সংবাদপত্রের জনমত সমীক্ষাতেও কি সেরকম কারচুপি শুরু হল? প্রথম যে প্রতিনিধিদলটি দাবিপত্র নিয়ে তৎকালীন অস্থায়ী মুখ্যমন্ত্রী শ্রীবুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সঙ্গে দেখা করেন, তাতে ছিলেন সর্বশ্রী কুমার রায়, অমলেন্দু দে, বিভাস চক্রবর্তী, উষা গঙ্গোপাধ্যায়, আজিজুল হক, বাঁধন দাস, অধৃষ্যকুমার, রতন বসু মজুমদার। এঁরা প্রত্যেকেই স্বক্ষেত্রে বিশিষ্ট, রাজনৈতিক মতামতে ভিন্ন কিংবা আমার মতন রাজনীতিনিরপেক্ষ। এঁরা ছাড়াও দাবিপত্রে স্বাক্ষর করেছেন, অরুণ মিত্র, হীরেন মুখোপাধ্যায়, সোমনাথ হোর, সুভাষ মুখোপাধ্যায়, ভি. বালসারা, কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, শঙ্খ ঘোষ, সুবিনয় রায়, মহাশ্বেতা দেবী, সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ, রামকুমার চট্টোপাধ্যায়, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, হোসেনুর রহমান, শুভাপ্রসন্ন, যোগেন চৌধুরী, দিব্যেন্দু পালিত, অমিয় বাগচী, শ্রীনিরপেক্ষ, গৌতম ঘোষ প্রমুখ দুশো জন, বাংলা সংস্কৃতির শীর্ষে যাঁদের অবস্থান। তিন-চারজন মাত্র অতি বিশিষ্ট ব্যক্তি স্বাক্ষর করতে সম্মত হননি। ভাষা শহিদ স্মারক সমিতির পক্ষ থেকেও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বারে, বাগবাজারে, গড়িয়াহাটে, বেহালায় পথসভা করে বোঝানো হয়েছে, অনেকে সাগ্রহে স্বাক্ষর করেছেন। শান্তিনিকেতন, নৈহাটি, হুগলি প্রভৃতি অঞ্চলে সংগৃহীত হয়েছে হাজার হাজার স্বাক্ষর, অনেক যুবকযুবতী এগিয়ে এসে বলছেন, বাংলা ভাষার জন্য স্বেচ্ছায় কিছু করতে চান। ভাষা-চেতনা সমিতি ও অন্যান্য সংগঠনও সমর্থকদের জড়ো করছেন। এই অজস্র মানুষের মতামতের মূল্য নেই? বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির ভবিষ্যৎ নির্দ্ধারণ করবেন কিছু ইংরেজি-নবিশ? বাংলা শব্দটা শুনলেই যাঁদের কালিকারের কথা মনে পড়ে, তাঁরা বাংলা ভাষাটাকেও হয়তো মনে করেন চাকরবাকরের ভাষা! মাইকেলি আমলের মতো। সেই আমল থেকে এঁরা কিছুই শিক্ষা গ্রহণ করেননি? ইংরেজির জামা গায়ে দিয়ে এখনও পরের কাছে ভিক্ষাবৃত্তি?

কেউ কেউ গুলিয়ে দেবার চেষ্টা করছেন যে বাংলা নিয়ে আন্দোলন মানেই ইংরেজি বর্জন। মোটেই তা নয়, আমরা বরং ইংরেজি শিক্ষার প্রসারের পক্ষে। বর্তমান পরিবেশে ইংরেজি শিক্ষায় অবহেলা আত্মহত্যার সমান। কিন্তু ইংরেজিকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে বাংলাকে অবহেলা করব কেন? জগদীশচন্দ্র বসু, সত্যেন্দ্রনাথ বসু, সত্যজিৎ রায়, অমর্ত্য সেন প্রমুখের দৃষ্টান্ত কি আমরা মনে রাখব না? এখন যে সব ইংরেজিওয়ালা বাংলাকে অশ্রদ্ধা করেন, তাঁরা আমাদের করুণার পাত্র! আমরা হিন্দিরও বিরোধী নই, অনেক হিন্দিভাষী আমাদের বন্ধু, আমরা হিন্দি সাহিত্যের অনুরাগী। কিন্তু বাংলা ভাষা-সংস্কৃতিকে হঠিয়ে পশ্চাৎ দ্বার দিয়ে হিন্দি চাপাবার চেষ্টা হলে প্রতিরোধ করতেই হবে।

এরকমও শোনা যাচ্ছে যে কলকাতা ও বাংলার নাম বদল করা এমন কী জরুরি ছিল, না করলে কী ক্ষতি হত? ঠিকই, পরিবর্তন না করলেও কোনও ক্ষতি ছিল না। পালটা প্রশ্নও করা যায়, পরিবর্তনেই বা ক্ষতি কী? এতে যদি বাঙালিদের অধিকারবোধের খানিকটা প্রশ্রয় দেওয়া হয়, অন্যদের আপত্তি কেন? এই মেটোপলিটানের অবাঙালি অধিবাসীদের গায়ে কি এতে ফোস্কা পড়বে? সর্বভারতীয় পত্রপত্রিকায় পরিবর্তন প্রস্তাবের প্রতিবাদের প্রাবল্য দেখে সন্দেহ হয়, বাঙালিদের এই অধিকারবোধটাই অনেকে কেড়ে নিতে চায়। এই অধিকার কাড়তে গেলে সংঘর্ষ অনিবার্য।

রাজ্য ও রাজধানীর ইংরেজি নাম বদল একটা প্রতীক মাত্র। বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য আরও অনেক ব্যবস্থা নিতে হবে। শুধু নাম বদলের প্রস্তাবেই এই হইচই, এত কটু-কাটব্য সত্যি বিস্ময়কর। আরও বিস্ময়কর, এর মধ্যে খেমকা নামে এক বিকৃতরুচি ব্যক্তির গ্রেফতারের ঘটনা জড়িয়ে ফেলা। সে ব্যক্তিটি ইন্টারনেটে বাংলার শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিদের নামে অপপ্রচার করছিল। সেই কুৎসিত ভাষা যদি কেউ তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করতে চান করুন। আমরা তাকে শাস্তি দেবার কথা বলিনি। সে অবহেলার যোগ্য। কিন্তু জাতিবিদ্বেষ ছড়াবার দায়ে পুলিশ যদি তাকে গ্রেফতার করে, আইন তার নিজস্ব পথ নেবে, তা নিয়ে আমরা মাথা ঘামাতে যাব কেন? এই নিয়ে মত প্রকাশের স্বাধীনতা গেল গেল রব কতটা যুক্তিসঙ্গত? আদিরসাত্মক গালাগালি আর মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে যাঁরা এক করে দেখতে চান দেখুন। সেই ব্যক্তিটির জামিন পাবার সংবাদ কোনও পত্রিকায় প্রথম পৃষ্ঠায় স্থান পায়, কোথাও পাঁচ কলম হেডিং! সংবাদটি এতই গুরুত্বপূর্ণ? সাংস্কৃতিক খবর দূরে থাক, দুর্ভিক্ষ বা বন্যার খবরও তো পাঁচ কলম পায় না! আর একটা কথা, কোনও পত্রিকায় যদি এই ব্যক্তিকে উপলক্ষ করে মতামত প্রকাশের স্বাধীনতার ব্যাপারে সম্পাদকীয়র পর সম্পাদকীয়তে (তাতে আবার ডিরোজিও-র নাম টেনে এনে তুলেনা, কী অপূর্ব ইতিহাস-জ্ঞান!) কুম্ভীরাশ্রু ঝরানো হয়, অনাবশ্যক আক্রমণ করা হয় আমাদের, সেই পত্রিকাতেই কী করে খুশবন্ত সিংহ একটি বই বাজেয়াপ্ত করা ও লেখকের গ্রেফতার সমর্থন করেন? হরিন্দর সিংহ নামে এক লেখক 'ভ্যানিটি ইনকারনেট' নামে উপন্যাস লিখেছেন। তাতে পঞ্জাবের বিভিন্ন নেতা, বিশেষ করে শেষ দুজন শিখ গুরুর নামে কুৎসা করা হয়েছে এই অপবাদে বইটির সমস্ত কপি বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ লেখককে জেলে দিয়েছে। খুশবন্ত লিখেছেন : I came to the sad conclusion that the Punjab government was right in confiscating all copies of the novel and taking the author in custody. (The Telegraph 26 July, ’99). পঞ্জাবিদের বিরুদ্ধে গালাগাল শাস্তিযোগ্য, বাঙালিদের বিরুদ্ধে গালাগাল মত প্রকাশের স্বাধীনতা? নির্লজ্জ ডাবল স্ট্যান্ডার্ড আর কাকে বলে?

নাম বদলের প্রসঙ্গে অনেকে ইতিহাস নিয়ে টানাটানি করছেন। যেসব রাজনৈতিক নেতা দেওয়ালের লিখনও পড়তে পারেন না, তাঁরা যখন ইতিহাসের কথা আওড়ান, হাস্য সংবরণ করা দায় হয়। 'আইন-ই-আকবরি'-তে কলকাতার উল্লেখ বস্তাপচা তথ্য। কম্পানির ডেসপ্যাচ আর কলকাতা নামের ইতিহাস নিয়ে অনেক কচকচি হয়েছে, অনেকেই তা জানে, নতুন করে পণ্ডিতি ফলাবার সুযোগ নেই। ইতিহাস যাঁরা চর্চা করেন তাঁরা জানেন ইতিহাস কোনও অনড় অক্ষয় ব্যাপার নয়, বহু বার, বহুরকম পট পরিবর্তনেই ইতিহাসের আসল রোমাঞ্চ। ইতিহাস কথাটার মানেই 'যা ছিল', সেই যা ছিল'র সঙ্গে বর্তমানের অমিল থাকতেই পারে। বহু দেশে বহু নগরের নাম বারবার পরিবর্তিত হয়েছে, নতুন নাম থেকে পুরোনো নামে ফিরে যাওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলা, নতুন পরিবর্তনও নয়, পুরোনো একটা নামে ফিরে যাওয়া। আগে বাংলাদেশ বা বঙ্গদেশ নামে দেশ ছিল না, ভারতের অন্তর্গত প্রদেশটির নাম ছিল বাংলা বা বেঙ্গল। একাত্তরের পর বাংলাদেশ নামে স্বাধীন, সার্বভৌম দেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, বাকি অংশটির নাম বাংলা হওয়াই তো ইতিহাসসম্মত। আর, মানুষ ইতিহাস আঁকড়ে ধরে বাঁচে না, বর্তমানের বাস্তবতা নিয়ে বাঁচে। বাংলা নাম বর্তমানের দাবি। ইতিহাস অবলম্বন করে যাঁরা বিরুদ্ধ যুক্তি শানান, তাঁরা অনতি-অতীত ইতিহাসে ভুল করে ফেলেন। বর্তমান লেখক কখনও হাংরি জেনারেশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, তাঁদের নীতির সমর্থকও ছিলেন না, শুধু হাংরি লেখকদের প্রতি পুলিশি নির্যাতনের প্রতিবাদ করেছিলেন; 'আত্মপ্রকাশ' উপন্যাস ১৯৬৩-তে প্রকাশিত হয়নি, ১৯৬৬-তে, এক প্রসিদ্ধ ইতিহাসবিদ এই সামান্য বিষয়ে ভুল লিখেছেন, পরবর্তী বা যৌথ প্রতিবেদনে সংশোধনের চেষ্টা নেই। অপ্রাসঙ্গিক ভাবে কোনও লেখকের ছেলে আমেরিকায় থাকে সেই প্রসঙ্গ টেনে চরিত্রহননের মতন নীতিহীন সাংবাদিকতার মধ্যেও ইতিহাসের দোহাই দেখতে পাই।

একটি শেষ কথা বলি। আগের একটি লেখায় আমি বলেছিলাম যারা বাঙালিদের 'বংগস' বলে বিদ্রূপ করে, তাদের ঝুঁটি নেড়ে দেওয়া হবে। যাঁদের ভাষার সূক্ষ্মতা জ্ঞানের অভাব, তাঁরা ধরে নিয়েছেন, এতে বুঝি আমি হিংসার প্রশ্রয় দিয়েছি। ঝুঁটি নেড়ে দেওয়া মানে বাচ্চাদের সঙ্গে কৌতুকের মতন, এতে রাগারাগির কোনও ব্যাপার নেই। ঠিক আছে, 'ঝুঁটি নেড়ে দেওয়া' কথাটা প্রত্যাহার করছি, তার বদলে, বগলে কাতুকুতু দেওয়া হবে! এ বার রসিকতাটা বোঝা গেল তো? অনেকে কাতুকুতু না দিলে রসিকতা বোঝেন না। তবে চোখ রাঙানির ভাষা প্রত্যাহারে আমি রাজি নই। যারা বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির অপমান করবে, তাদের আমরা চোখ রাঙাবই। আমরা মানে কোটি কোটি বাঙালি।

সকল অধ্যায়
১.
বাংলা ভাষার আত্ম-পরিচয়
২.
আ মরি বাংলা ভাষা
৩.
এ বার সমস্ত বিদ্যালয়ে বাংলা আবশ্যিক
৪.
বাংলা আছে, থাকবে
৫.
বাঙালি ও বাংলা ভাষা
৬.
বাঙালি কে? আমি কি বাঙালি?
৭.
আর কতদিন সহ্য করব?
৮.
বাঙালি, বাঙালিত্ব—জাতি ও সংস্কৃতি
৯.
দুই বাংলার বাঙালি
১০.
ইতিহাসের পরিহাস
১১.
ভাষার সূক্ষ্মতা ও সংস্কার
১২.
আমাদের হ্রস্সি দীর্ঘি জ্ঞান
১৩.
প্রবাসে বাংলা ভাষা
১৪.
প্রবাসী বাঙালি : সার্থকতা ও পরের প্রজন্ম
১৫.
কিন্তু মাতৃভাষা ছাড়া কি সাহিত্যসৃষ্টি সম্ভব?
১৬.
বাঙালি সংস্কৃতির উত্তরাধিকার
১৭.
আগামী প্রজন্মের বাঙালি
১৮.
বাঙালি অনেক, মুছে যাচ্ছে বাংলা
১৯.
হিস্ট্রি চ্যানেল হিন্দিতে কেন, বাঙালি আজও সর্বংসহা
২০.
বিশ্ব বইমেলা এবং প্রবাসে বাংলা
২১.
স্বাধীন বাংলাদেশ
২২.
সীমান্তে দুবার
২৩.
চলো, আমরাও যাই
২৪.
ওদের সংগ্রামের দিকে তাকিয়ে আমরা
২৫.
বাংলাদেশ কিছুটা অজানা, অচেনা
২৬.
সেদিনের স্মৃতি
২৭.
একুশে ফেব্রুয়ারির গভীর রাত্রে
২৮.
কয়েকটি ছোটখাটো জরুরি বিষয়
২৯.
পাশাপাশি এসে দাঁড়ানোই বড় কথা
৩০.
বাংলাদেশের সঙ্গে আমার নাড়ির টান
৩১.
ধনসম্পদ গেছে, মানসম্মানও যেতে বসেছে
৩২.
পশ্চিমবঙ্গে বাংলা চাইছি, আনন্দবাজারের আপত্তি কেন?
৩৩.
নাম বদলের সৎ প্রস্তাব তাতেই এত বিরুদ্ধ হইহল্লা?
৩৪.
রাকা রায় ওদিকে একলা লড়াই চালাবেন?
৩৫.
যত দূরেই যাই
৩৬.
দৃশ্যপটে বাংলা : প্রয়োজনে চাই ভাষা-পুলিশ
৩৭.
সামনে তাকালে বাংলা অক্ষর চোখেই পড়ে না!
৩৮.
প্রতিবাদের ভাষা কেন কলুষিত হবে?
৩৯.
নিজস্ব ভাষা
৪০.
আগে বাংলা অনুষ্ঠানের জন্য একটা আলাদা চ্যানেল চাই
৪১.
যে প্রশ্নের উত্তর এখনও জানি না
৪২.
বাঙালি কোথায় নেই? বাঙালি এখন কোথায়?
৪৩.
আগামী বছরে দুর্গোৎসব হবে ডিসেম্বর মাসে
৪৪.
মঞ্চে আবার যেন সোনালি যুগ

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%