একুশে ফেব্রুয়ারির গভীর রাত্রে

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

রাত্তির একটার সময় মনে হল, শুধু শুধু ঘরে বসে থাকার কোনও মানে হয় না, রাস্তায় বেরিয়ে পড়তেই হবে।

ঢাকায় পৌঁছেছি ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধেবেলা। প্রধান উদ্দেশ্যই ছিল রাত বারোটার পর থেকে একুশে ফেব্রুয়ারির উৎসব দেখা এই উৎসব আমি প্রথম দেখেছিলাম ১৯৭২ সালে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের একুশে ফেব্রুয়ারির সারা রাত। সেই শোক-আনন্দ মেশা উন্মাদনার রাতটির কথা মনে পড়লে আজও রোমাঞ্চ হয়। সেই দৃশ্য প্রত্যক্ষ করার জন্য আবার ফিরে এসেছিলাম ১৯৭৪ সালে, তখন শেখ মুজিব এ দেশের কর্ণধার। সে-রাতেও একফোঁটা ঘুমোইনি। কলকাতার বন্ধুপরিজনের কাছে এই একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপনের কত যে গল্প করেছি তার শেষ নেই।

এবার আমরা এসেছি ছোটখাটো একটি দলে মিলে। এসেছেন দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়, একাত্তরের সেই দুঃস্বপ্নের দিনগুলিতে বেতারে যাঁর আবেগময় কণ্ঠ বহু মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে, এবং তরুণ আবৃত্তিকার সৌমিত্র মিত্র, দুই বাংলার কবি ও আবৃত্তিকারদের সেতুবন্ধন ঘটাতে যিনি অক্লান্ত কাজ করে যাচ্ছেন। সঙ্গে আমাদের অর্ধাঙ্গিনীগণ এবং প্রকাশক বাদল বসু। উঠেছি ধানমুন্ডির এক অতিথিনিবাসে। সন্ধের পর থেকেই সেখানে জড়ো হয়েছেন ঢাকার বন্ধু-বান্ধবরা, আড্ডা চলছে তুমুল, কলকাতা কিংবা ঢাকা, জলপাইগুড়ি কিংবা যশোর, যে-কোনও জায়গাতেই আমরা বাঙালিরা আড্ডা দিতে সবচেয়ে ভালোবাসি। কিন্তু রাত্তিরবেলা শহিদ মিনারের কাছে যাওয়া হবে না?

ঢাকার শুভার্থীরা পরামর্শ দিলেন এই রাতে আর পথে না-বেরুলেই ভালো। এবারের পরিস্থিতি কিছুটা আশঙ্কাজনক। মাত্র কয়েকদিন আগেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, একদিকে যুক্ত সংগ্রাম পরিষদ, অন্যদিকে জামাতে ইসলামির ছাত্র শাখা। সংগ্রাম পরিষদ বিজয়ী হলে বিজিতরা তা খেলোয়াড়সুলভ মনোভাব নিয়ে মেনে নিতে পারেনি, হাঙ্গামা ও মারামারি হয়েছে নানা জায়গায়, সবচেয়ে দুঃখের কথা, ছাত্রীদের এক বিজয় মিছিলের হামলায় আহত হয়েছে কয়েকটি ছাত্রী। ঢাকার সংগ্রামী ঐতিহ্যবাহী ছাত্ররা, তারা যে-দলেরই হোক, পরাজয়ের ক্ষোভে নিজেদের সহপাঠিনীদের গায়ে হাত তুলেছে, এরকম ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি। এটা বেশ কয়েক বছর আগেকার কথা। বাংলাদেশে তখন সামরিক শাসন। মাঝে মাঝেই জ্বলে ওঠে প্রতিবাদ, প্রতিরোধ ও সংঘর্ষের আগুন।

২০ ফেব্রুয়ারির দিবাগত রাতে অনেকেই সেজন্য সন্ত্রস্ত! শহিদ মিনারে উৎসবের কর্তৃত্ব নিয়ে আজ আবার রেষারেষি ও লড়াই হতে পারে। সেই আশঙ্কায় সাধারণ নাগরিকরা প্রায় কেউই ওদিকে যাচ্ছেন না। বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলিতেও আজ রাতে বাইরে বেরুনো নিষেধ করে দেওয়া হয়েছে। বন্ধুরা বললেন, এবারে রাত্তিরে বিশেষ কিছু দেখবার নেই। কাল সকালবেলা শহিদ মিনারে গেলেই তো হয়।

তবু আমার অন্তরটা ছটফট করে, বাহাত্তর সালের সেই রাত্রিটার কথা মনে পড়ে। ঢাকায় একুশে ফেব্রুয়ারি রাতের সেই স্বতঃস্ফূর্ত মানুষের জোয়ার, তা কি থেমে যাওয়া সম্ভব? সে যে সাংঘাতিক দুঃখের কথা, সে যে সাংঘাতিক পরাজয়! একবার দেখে আসতেই হবে। আমরা উঠে দাঁড়ালাম, অগত্যা ঢাকার কয়েকজন বন্ধুও সঙ্গী হলেন।

আমাদের সঙ্গে কোনও গাড়ি নেই, এত রাতে যানবাহন পাওয়ারও আশা করা যায় না। হেঁটেই যেতে হবে। ধানমুন্ডি থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা খানিকটা দূর আছে বটে, তবু বড়জোর একঘণ্টা লাগবে! এবারের দীর্ঘস্থায়ী শীতে, এই রাতেও বেশ ফিনফিনে ঠান্ডা বাতাস বইছে। গায়ে চাদর জড়িয়ে আমরা বেরিয়ে এলাম রাস্তায়।

ঢাকার বেশ কয়েকটি রাস্তাই কলকাতার তুলনায় অনেক বেশি প্রশস্ত, এখানকার বাড়িগুলি পরস্পরের সঙ্গে সবসময় ঠেলাঠেলি করে না, শহর থেকে প্রকৃতি একেবারে অদৃশ্য হয়ে যায়নি, এখনও আছে কিছু ফাঁকা জায়গা, শহরের মধ্যে মধ্যেই চোখে পড়ে খাল ও পুকুর, অনেক গাছপালা, কবি জসিমুদ্দিনের বাড়ির পশ্চাতে আমি ছোট ধানখেত পর্যন্ত দেখেছিলাম মনে আছে। এখানকার এই খোলামেলা রাস্তাটি কিন্তু মধ্যরাত্রির পরেও একেবারে নিশুতি জনমানবশূন্য নয়, কিছু কিছু গাড়ি ও সাইকেল চলাচল করছে, হেঁটেও যাচ্ছে কেউ কেউ। ধানমুন্ডি আবাসিক এলাকা ছাড়িয়ে শহরের কেন্দ্রের দিকে মিনিট পনেরো হাঁটতেই আমরা পেয়ে গেলাম কয়েকটি সাইকেল-রিকশা। ঢাকায় হাতে টানা রিকশা নেই, এবং সাইকেল-রিক্সার নাম শুধু রিকশা। এরপর যতই এগোই ততই মানুষের সংখ্যা বাড়ে দূর থেকে শোনা যায় শিহরণ জাগানো সেই গান :

আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি

আমি কি ভুলিতে পারি...

শাহাবাগ ও জাতীয় জাদুঘরের মোড়টার সামনে এসে রিকশা থেকে নামতে হল। হেলমেট-বন্দুকধারী পুলিশ এখানে রাস্তা কর্ডন করে আছে, কোনও গাড়ি আর যেতে পারবে না শহিদ মিনারের দিকে। সেখানে কয়েক মুহূর্ত আমরা অভিভূত হয়ে দাঁড়িয়ে থাকি। উলটোদিকের রাস্তা লোকে লোকারণ্য, কোথাও আতঙ্কের চিহ্নমাত্র নেই, বিভিন্ন দিক থেকে শোনা যাচ্ছে সমবেত গান, কয়েকটি পুলিশেরও যেন সেই গানের সুরে ঠোঁট নড়ছে মনে হল।

শাহাবাগের মোড়ে এত রাত্রেও বিক্রি হচ্ছে ফুল। কয়েকটি মালা কিনে নিয়ে আমরাও গেলাম সেই মানুষের স্রোতে। আমাদের ভিতরে ভিতরেও গুঞ্জরিত হতে লাগল সেই গান।

এই গানের লেখককে আমরা অনেকেই ব্যক্তিগতভাবে চিনি। বাহান্ন সালে বাংলা ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি-মিছিলে গুলি চলেছিল এই ঢাকা শহরে, শহিদ হয়েছিল চারজন তরুণ, আহত হয়েছিল আরও অনেকে। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বেডে বুলেটবিদ্ধ এক যুবার শিয়রে বসে থাকতে থাকতে এই কবিতাটি লিখেছিলেন আবদুল গফফার চৌধুরী। পরের বছর একুশে ফেব্রুয়ারি প্রথম শহিদ দিবস হিসাবে পালিত হয়েছিল, তখন কবিতাটিতে সুর দিয়ে গাওয়া হয়েছিল। আবদুল গফফার চৌধুরী আরও অনেক কবিতা-গল্প লিখেছেন, সাংবাদিক হিসাবেও তিনি প্রসিদ্ধ। কিন্তু তাঁর এই একটি রচনা সমস্ত বাংলাভাষী মানুষের মর্মে গেঁথে আছে। এখন যারা এই গান গায়, তারা হয়তো রচয়িতা কিংবা সুরকারের নামও জানেন না। আমাদের সামনে একটি তরুণের দল হাত উঁচু করে দীপ্ত কণ্ঠে এই গান গাইতে গাইতে আসছে, এদের বয়েস কুড়ি-বাইশ-এর বেশি নয়। এরা বাহান্নর ভাষা-আন্দোলন তো প্রত্যক্ষ করেনি বটেই, এমনকী স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশের জন্মক্ষণটিও দেখেনি বা তার স্মৃতি নেই। দেখতে দেখতে এই নবীন রাষ্ট্রেরও তো বয়েস হয়ে গেল বেশ! তবু, নতুন প্রজন্মের এই যুবকেরা এই গান থেকে প্রেরণা পায়। আমি এই গানটি জীবনে কতবার যে শুনেছি তার ইয়ত্তা নেই, তাও প্রত্যেকবারই আবেগে কণ্ঠে বাষ্প জমে যায়। এই রাতে গানটি যেন আরও বেশি অর্থময় হয়ে ওঠে।

মানুষের স্রোতে হাঁটতে হয় না, স্রোতই টেনে নিয়ে যায়। এই রাত্রিতে যেন অন্ধকার নেই, যেন মেরুপ্রদেশের হোয়াইট নাইট! বিভিন্ন সংগঠন আসছে তাদের পতাকা ও মিছিল নিয়ে, কেউ কারুর পথ আটকাচ্ছে না, এক দলের গানের সঙ্গে অন্য দলের গানের সংঘর্ষ নেই। আমাদের সঙ্গী ঢাকার বন্ধুদের দিকে তাকিয়ে বলি, কী হে, তোমরা যে বলেছিলে, আজ রাতে বিশেষ কেউ আসবে না? এই তো কত মানুষ এসেছে! তারা বললে, অন্যান্য বছর আরও অনেক বেশি ভিড় হয়। কিন্তু ভিড়ের আয়তন দেখেই কি শুধু প্রাণের স্পন্দন পরিমাপ করা যায়? চতুর্দিকে উদ্দীপিত মুখ, শুধু ছাত্রই নয়, দেখতে পাচ্ছি অনেক মাঝবয়সি মানুষও, তবে আমাদের সঙ্গিনীরা ছাড়া মহিলা বিশেষ চোখে পড়ছে না তা ঠিক। বাহাত্তর সালের সেই রাতে ঢাকায় মেয়েদের কোনও বাধা নিষেধ ছিল না।

শহিদ দিবস আসলে শোকের দিন হওয়ার কথা। কিন্তু চতুর্দিকে আনন্দের উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা দেখে বোঝা যায়, একুশে ফেব্রুয়ারি এখন জয়ের দিনে রূপান্তরিত হয়েছে। চারজন তরুণ ঢাকার রাজপথে রক্ত দিয়েছিল, তাদের এই আত্মদানে অনুপ্রাণিত হয়ে সমস্ত দেশ প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছিল। তারপর পাকিস্তানি আমলেই বাংলা ভাষা পেয়েছিল রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি, এখন বাংলাদেশে তো বাংলাই একমাত্র ভাষা এবং সারা বিশ্ব এই ভাষাকে মেনে নিয়েছে। একুশে ফেব্রুয়ারির জয় তবু সেখানে থেমে থাকেনি, এই দিনটি এখন ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখার দিন, এই দিন নতুন সংগ্রামের শপথ নেওয়ার দিন। সদ্য কৈশোর উত্তীর্ণ যে অসংখ্য তরুণের দল এই গভীর রাত্রে গান গাইতে গাইতে আসছে, তারা অতীতকে আঁকড়ে ধরে নেই, তারা শুধু পিছনের দিকে তাকিয়ে থাকে না, তাদের চোখে বিচ্ছুরিত হচ্ছে ভবিষ্যতের আকাঙ্ক্ষা।

অন্যান্য বছরের ভিড়ের সঙ্গে তুলনা করে লাভ নেই, এখন চতুর্দিকে দেখতে পাচ্ছি শুধু চলমান মানুষ, রাত্তিরের বাতাস বয়ে আনছে অনবরত সংগীত। এক সময় আমরা এসে পৌঁছলাম শহিদ মিনারের কাছে। আমার বুক কাঁপে, ইতিহাস মনে পড়ে। একাত্তর সালের পঁচিশে মার্চ এখানকার শহিদ মিনার কামান দেগে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল, কাছাকাছি রাস্তায় পড়েছিল যুবকদের লাশ। যারা সেদিন কামান-বন্দুক চালিয়েছিল তারা আজ কোথায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে, নতুন প্রজন্মের জয়ধ্বনিতে কোথাও দীর্ঘশ্বাসের শব্দ শোনা যায় না।

শহিদ মিনারের রক্তিম বৃত্তটি আমাদের চুম্বকের মতো টানে। জুতো খুলে রেখে আমরা আস্তে আস্তে উঠে যাই সিঁড়ি দিয়ে। এখানে মাইক্রোফোনে শোনা যাচ্ছে নানারকম ঘোষণা ও বিভিন্ন গোষ্ঠীর গান। রাত এখন কত তার হিসাব নেই। অনেকের হাতে ঝলসে উঠছে ক্যামেরা। এত মানুষ, তবু কেউ ঠেলাঠেলি করছে না। দূরে কোথায় যেন দুম করে একটা শব্দ হল, বোমা না পটকা? তাতেও কোনও চাঞ্চল্য দেখা গেল না, ছুটে পালাল না কেউ, বরং সেই বিকট ধ্বনির উত্তরে কারা যেন আরও জোরে গান গেয়ে উঠল। একটি কিশোর চেঁচিয়ে উঠল—ফুল চাই, ফুল?

চমৎকার জ্যোৎস্নাময় স্নিগ্ধ রাত। আমরা আমাদের হাতের মালাগুলি ছুড়ে দিলাম অন্য মালার স্তূপে। একটুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলাম চুপ করে। শুনছি সেই গান :

আমার শহিদ ভাইয়ের আত্মা ডাকে

জাগো মানুষের সুপ্ত শক্তি হাটে মাঠে ঘাটে বাঁকে

দারুণ ক্রোধের আগুনে আবার জ্বালাবো ফেব্রুয়ারি

একুশে ফেব্রুয়ারি, একুশে ফেব্রুয়ারি...

প্রথম সেই চারজন শহিদের গায়েবি জানাজায় ইমাম সাহেব মোনাজাত করে বলেছিলেন, 'হে আল্লাহ, আমাদের অতি প্রিয় শহিদানের আত্মা যেন চিরশান্তি পায়। আর যে জালিমরা আমাদের প্রিয় ছেলেদের খুন করেছে তারা যেন ধ্বংস হয়ে যায় তোমার দেওয়া এই দুনিয়ার বুক থেকে।'

আমার প্রার্থনা-টার্থনা ঠিক আসে না। সেই মুহূর্তে একটা কথাই আমার মাথায় ঘুরতে লাগল, অনর্থক তরুণ-তরুণীদের রক্তে এই পৃথিবীর মাটি যেন আর কখনও না ভিজে যায়! পৃথিবী তো সব মানুষের জন্যই!

সকল অধ্যায়
১.
বাংলা ভাষার আত্ম-পরিচয়
২.
আ মরি বাংলা ভাষা
৩.
এ বার সমস্ত বিদ্যালয়ে বাংলা আবশ্যিক
৪.
বাংলা আছে, থাকবে
৫.
বাঙালি ও বাংলা ভাষা
৬.
বাঙালি কে? আমি কি বাঙালি?
৭.
আর কতদিন সহ্য করব?
৮.
বাঙালি, বাঙালিত্ব—জাতি ও সংস্কৃতি
৯.
দুই বাংলার বাঙালি
১০.
ইতিহাসের পরিহাস
১১.
ভাষার সূক্ষ্মতা ও সংস্কার
১২.
আমাদের হ্রস্সি দীর্ঘি জ্ঞান
১৩.
প্রবাসে বাংলা ভাষা
১৪.
প্রবাসী বাঙালি : সার্থকতা ও পরের প্রজন্ম
১৫.
কিন্তু মাতৃভাষা ছাড়া কি সাহিত্যসৃষ্টি সম্ভব?
১৬.
বাঙালি সংস্কৃতির উত্তরাধিকার
১৭.
আগামী প্রজন্মের বাঙালি
১৮.
বাঙালি অনেক, মুছে যাচ্ছে বাংলা
১৯.
হিস্ট্রি চ্যানেল হিন্দিতে কেন, বাঙালি আজও সর্বংসহা
২০.
বিশ্ব বইমেলা এবং প্রবাসে বাংলা
২১.
স্বাধীন বাংলাদেশ
২২.
সীমান্তে দুবার
২৩.
চলো, আমরাও যাই
২৪.
ওদের সংগ্রামের দিকে তাকিয়ে আমরা
২৫.
বাংলাদেশ কিছুটা অজানা, অচেনা
২৬.
সেদিনের স্মৃতি
২৭.
একুশে ফেব্রুয়ারির গভীর রাত্রে
২৮.
কয়েকটি ছোটখাটো জরুরি বিষয়
২৯.
পাশাপাশি এসে দাঁড়ানোই বড় কথা
৩০.
বাংলাদেশের সঙ্গে আমার নাড়ির টান
৩১.
ধনসম্পদ গেছে, মানসম্মানও যেতে বসেছে
৩২.
পশ্চিমবঙ্গে বাংলা চাইছি, আনন্দবাজারের আপত্তি কেন?
৩৩.
নাম বদলের সৎ প্রস্তাব তাতেই এত বিরুদ্ধ হইহল্লা?
৩৪.
রাকা রায় ওদিকে একলা লড়াই চালাবেন?
৩৫.
যত দূরেই যাই
৩৬.
দৃশ্যপটে বাংলা : প্রয়োজনে চাই ভাষা-পুলিশ
৩৭.
সামনে তাকালে বাংলা অক্ষর চোখেই পড়ে না!
৩৮.
প্রতিবাদের ভাষা কেন কলুষিত হবে?
৩৯.
নিজস্ব ভাষা
৪০.
আগে বাংলা অনুষ্ঠানের জন্য একটা আলাদা চ্যানেল চাই
৪১.
যে প্রশ্নের উত্তর এখনও জানি না
৪২.
বাঙালি কোথায় নেই? বাঙালি এখন কোথায়?
৪৩.
আগামী বছরে দুর্গোৎসব হবে ডিসেম্বর মাসে
৪৪.
মঞ্চে আবার যেন সোনালি যুগ

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%