নিজেকে যে—সব প্রশ্ন

মতি নন্দী

ট্রামে খুবই ভিড়। কোনোরকমে একটু পা রাখার জায়গা পেয়ে অশোক হাতল ধরে ঝুলে যাচ্ছে। নামার থেকে ওঠার লোকই বেশি। স্টপেও বেশিক্ষণ তাই দাঁড়াচ্ছে না। ঘড়ি দেখে হিসেব করে সে প্রসন্নবোধ করল। প্রায় ঠিক সময়েই আজ অফিস পৌঁছতে পারবে যদি এইভাবে ট্রামটা চলে।

ট্রাফিকের লাল আলোয় ট্রামটা একবার দাঁড়াতে বাধ্য হওয়ায় অশোক বিড়বিড় করে বলল, এই এক ঝামেলা। এবার সামনে মিছিল পড়ুক একটা, ব্যস! এমন সময় হঠাৎ এক মহিলা ছুটে এসে ট্রামে ওঠার চেষ্টা শুরু করলেন। তখন অশোকের সামনের লোকটা খেঁকিয়ে বলল, ''পা রাখবারই জায়গা নেই কোথায় উঠবেন?''

''হসপিটাল যাব, প্লিজ একটু জায়গা দিন, ছেলের খুব অসুখ।''

শোনামাত্র অশোক ওর মুখের দিকে তাকাল এবং চিনতে পারল।

''একটু জায়গা দিন না।''

''দোব কোত্থেকে, দেখছেন না ঝুলে যাচ্ছি।''

অসহায়ভাবে ট্রামের দরজায় ভিড়—করাদের মুখের দিকে তাকাতে তাকাতে অশোকের মুখের ওপর চোখ পড়ামাত্র থমকে, পূর্ব পরিচয়ের আভাস ফুটে ওঠার উপক্রম হতেই ট্রাম ছেড়ে দিল। অশোক ঘাড় শক্ত করে সামনে চেয়ে রইল এবং একটু পরেই নিজেকে প্রশ্ন করল, কেন?

বাসনার সঙ্গে শেষ দেখা হয়েছে সাত না আট বছর আগে? মুখটি চিনতে একটু সময় লাগে। মুখটি শীর্ণ হয়েছে, পরিপাটি সাজও নেই। কালোপাড় সাদা শাড়ির সঙ্গে গায়ের রঙ, একগাছা সরু চুড়ি, গলায় সরু হার মিলিয়ে ওকে বিধবার মতোই দেখাচ্ছে। এই প্রথম, বিধবা বাসনাকে অশোক দেখল। বস্তুত যেদিন বিধবা হল সেদিনই ওকে শেষবার দেখেছিল।

কিন্তু ওকে দেখে আড়ষ্ট হবার কী আছে? অশোক ট্রামের হাতল আঁকড়ে থেকে বোঝবার চেষ্টা করল। সুকুমারের মরার খবরটা দিতে গেছলাম ওর বেলগাছিয়ার বাসায়। মরার কয়েক মিনিট আগে ঠিকানাটা দিয়েছিল সুকুমার। রাস্তার উপরই কথা বলতে বলতে কার্ডটা হাতে দিয়ে বলেছিল, একদিন এসো না, বাসনা খুব খুশি হবে। তার আগে অবশ্য সুকুমার বলেছিল, একটা ভাল ফ্ল্যাট দেখে দিতে পার, দুশো পর্যন্ত দিতে রাজি আছি। সাউথে কিংবা তোমাদের ওদিকে। তারপর কার্ডটা দিয়ে বলেছিল, পেলে দিও। কুলোয় না আর, ছেলেটা বড্ড দুরন্ত হয়েছে। একটু বড় জায়গা দরকার।

সুকুমারকে দেখে তখন একটু ঈর্ষা হয়েছিল। কিন্তু কেন? সুখী জীবনের চিহ্ন শরীরে লেগেছে বা দামি পোশাক পরার জন্য বা দুশো টাকা ফ্ল্যাট ভাড়া দিতে পারে বলে কি? নাকি সে বাসনার স্বামী শুধু এইজন্যই। অশোক ট্রামের পাদানিতে কোনোরকমে একটুখানি পা রেখে বোঝবার চেষ্টা করল। সুকুমার তখন খুব মদ খেয়েছিল। কথাগুলো মাঝে মাঝে জড়িয়ে গেলেও হুঁশ ছিল ঠিকই। একটা পকেটবই ছিল ওর হাতে, মলাটে একটা মেয়েমানুষ পোশাক খুলছে। হেসে বলেছিল এখন এ—সবই পড়ি বাড়ি ফিরে, বাসনা বড্ড সিরিয়াস। তুমি তো জানই। সেই আগের মতোই রয়ে গেছে এখনো। শুনে বিদ্রূপ করতে ইচ্ছে করেছিল অশোকের। সিরিয়াসই যদি হবে তাহলে গোটা ফিফথ ইয়ার ধরে বাসনা যে—সব কথা বলেছিল, প্রতিজ্ঞা করেছিল, প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তা এই সুকুমারকে দেখেই ভেঙে ফেলল কেন?

হাতের বইটা দোলাতে দোলাতে সুকুমার বলেছিল, বোধহয় বইটা একবার রাস্তায় পড়েও যায় তখন, বলেছিল, তাই বলে ভেব না ওকে আমি ভালোবাসি না। অসাধারণ মেয়ে, আমি যে কী ভাগ্যবান তা বলে বোঝাতে পারব না। এত যে খাটি সে ওকে সুখে রাখব বলেই। শোনামাত্র অশোকের মনে হয়েছিল লোকটা খুবই অসুখী আর চালিয়াৎ। বৌকে ভালোবাসার কথা রাস্তায় দাঁড়িয়ে বৌয়ের প্রাক্তন প্রণয়ীর কাছে জাহির করা কেন!

দুটো লোক নেমে যেতেই অশোক একটু ভিতরে ঢোকার সুযোগ পেল। এখন দুটো পায়ের উপর পুরো ভর দিয়ে দাঁড়াতে পারছে। হাতলটা আলতো করে ধরলেই চলে। ভিড়ের চাপটাই শুধু মাঝে মাঝে দম বন্ধ করে দিচ্ছে। যে লোকটা বাসনাকে ওঠার জায়গা দিল না, সে এখন অশোকের পাশেই। অশোক লক্ষ্য করল লোকটার গালদুটি মেয়েদের মতো মসৃণ, দাড়ি ওঠেনি। চোখে ঘুমভাঙার আমেজ। সুকুমার অনেকটা এইরকম চোখে তাকাচ্ছিল পথচলতি মেয়েদের দিকে। তারপর বলল, আর একটু খেয়ে নিলে হয়। রোজ খেতে দেয় না, রাগারাগি করে, আজ অনুমতি দিয়েছে। দুপুর থেকেই খাচ্ছি। ভাল কথা ইন্সিওর করেছ?

সুকুমার হঠাৎ ইন্সিওরের কথা তোলায় অবাক হয়ে গেলাম। বুঝতে পেরে ও বলল, আজ প্রিমিয়াম দিলাম। জানই তো আমার আত্মীয়স্বজন বিশেষ নেই, বিষয়—সম্পত্তি তো নেই—ই। হঠাৎ যদি মরে যাই বাসনা আর ছেলেটা অগাধ জলে পড়ে যাবে। মাঝে মাঝে খুব ভয় করে মরার কথা ভাবলেই। এ শহরকে তো বিশ্বাস নেই। ভাবছি খাওয়াটা ছেড়ে দেব। কোনদিন গাড়ি চাপা পড়ব কে জানে।

এর মিনিট দশেকের মধ্যেই সুকুমার একটা ডবলডেকার চাপা পড়ে মারা গেল। হঠাৎ ও, আর একটু খেয়েনি, বলেই হনহনিয়ে চলে যায়। তখন বিকেল শেষ হবার মুখে। পশ্চিম আকাশে রাশ টানা তেজী ঘোড়ার মতো একটা মেঘ থমকে আছে। সূর্যরশ্মি তার কেশরে চিকচিক করছে ঘামের মতো। কিছুক্ষণের জন্য অশোক তাকিয়েছিল মেঘটার দিকে। তারপর রাস্তা পার হবার জন্য ডানদিকে তাকাতেই দেখল দূরে কী যেন একটা হয়েছে।

সেদিন যদি কৌতূহলী না হতাম তাহলে জানতেই পারতাম না সুকুমার গাড়ি চাপা গেছে। বাসে উঠে বাড়ি চলে আসতাম। সাত বছর দেখা নেই নয় আরো সাত—আট বছর পর হঠাৎ দেখা হয়ে যেত। এইমাত্র যেভাবে দেখা হল। তবে বাসনাকে বিধবা দেখে কৌতূহল নিশ্চয়ই হত। ট্রাম থেকে নেমে পড়তাম কি? অশোক এখন মাথার উপরের রড এক হাতে ধরার সুযোগ পেয়েছে। বুকে অতটা আর চাপ লাগছে না। নামবার সময় একজন জুতোর ঠোক্কর দিল গোড়ালিতে। এতে বিরক্ত বোধ করল সে।

সেদিন কৌতূহল ছিল। এখনও কি নেই? যদি দেখতাম বাসনার মাথায় সিঁদুর তাহলে? ছুটে গেছল অশোক অন্যদের সঙ্গে। একটা লোক তখন বলেছিল, একদম মরে গেছে কি? আর একজন বলল—সঙ্গে সঙ্গেই, ইন্সট্যান্ট। একজন বলল, সঙ্গী কেউ নেই? অশোক ততক্ষণে দেখে ফেলেছে মৃত লোকটিকে। প্রাণের কোনো চিহ্ন থাকা সম্ভব নয়। প্রথমেই মনে পড়েছিল সুকুমারের কথাটা—মাঝে মাঝে খুব ভয় করে মরার কথা ভাবলেই। তারপরই অশোক কাঁপতে কাঁপতে ভিড় ঠেলে বেরিয়ে এল। উচিত ছিল ওইখানে চিৎকার করে ওঠা—আমার বন্ধু। কলেজের বন্ধু। একে চিনি আজ দশ—বারো বচ্ছর, ওর বাড়ির ঠিকানাও জানি।

তা না করার জন্যই কি এখন বাসনাকে দেখে আড়ষ্ট হলাম? অশোক লক্ষ্য করল একটি বসালোক নড়াচড়া করছে, হয়তো উঠবে। কি মনে হয়েছিল সেই মুহূর্তে। অশোক মনে করার চেষ্টা করল বাসনাকে দেখতে ইচ্ছে করেছিল? সুকুমারের মৃত্যুতে খুশি হয়েছিলাম? বাসনাকে খবরটা পৌঁছে দেবার কর্তব্যবোধ জেগেছিল? তা কী করে হয়, তাহলে তো প্রথমেই চেঁচিয়ে ওঠা উচিত ছিল! তা না করে ছুটে একটা বেলগাছিয়ার বাসে উঠে পড়েছিলাম। ওঠার পরই মনে হয়েছিল এভাবে লাফিয়ে ওঠা উচিত হয়নি। হাতলটা ফসকে গেলে চাকার নিচে চলে যেতে পারতাম!

বসা—লোকটি এইবার উঠছে। অশোক হাঁটু দিয়ে পাশে দাঁড়ানো মসৃণ গাল লোকটির পথ আটকে রইল। বুঝতে পেরে মসৃণ গাল বাঁকা সুরে বলল, 'বসতে চান তো বসুন না।'' শোনামাত্র ঝাঁ ঝাঁ করে উঠল অশোকের মাথা। খানিক আগেই লোকটা বাসনাকে উঠতে দেয়নি, অথচ এমন ভাব করল যেন ওর দাক্ষিণ্যেই বসার জায়গা পেলাম। গম্ভীর মুখে অশোক জানলার বাইরে তাকিয়ে থাকল। এই ধরনের রাগ তার প্রায়ই হয়। সুকুমারের বাসার কাছে পৌঁছে সেদিন হয়েছিল। বিনিয়ে বিনিয়ে কান্না আসছিল বাড়িটা থেকে। কড়া নাড়ার বদলে তখন পালিয়ে যেতে ইচ্ছে করেছিল। খবর পেয়ে গেছে তাহলে। অপ্রিয় কাজটা তার করতে হল না ভেবে ভালও লেগেছিল। তাহলে তো মর্গ থেকে মড়া বার করা, শ্মশানে নিয়ে যাওয়া, এইসব নিয়ে ছুটোছুটি ঝামেলায় পড়তে হত। চলে যাবার জন্য ঘুরে দাঁড়াতে যাচ্ছে তখন বাড়ি থেকে ঝি—গোছের একজন বেরিয়ে এল। তার কাছে জানতে পারল বাড়িওলার মেয়ে গলায় দড়ি দিয়ে মরেছে গত সপ্তাহে আর বাসনা ছেলেকে নিয়ে পার্কে বেড়াচ্ছে। শোনামাত্র অশোকের মনে হয়েছিল, এখনো পালাবার সময় আছে। এই বিনিয়ে কান্নাটা যদি বাসনার হত, সে হাঁফ ছেড়ে বাঁচত। খবর দেওয়ার বিশ্রী কাজটা থেকে রেহাই পেত। তখন অশোকের রাগ ধরেছিল নিজের উপর, সুকুমারের সঙ্গে দেখা হওয়ার পর দু—চার কথা বলেই তো একটা বাসে উঠে বাড়ি চলে যেতে পারত। ঠিকানা লেখা কার্ডটাই বা নেবার কি দরকার ছিল? না নিলে, এখান পর্যন্ত আসা হত না। রোজই তো কত মানুষ চাপা যাচ্ছে। সেই ভাবেই ব্যাপারটা নেওয়া যেত। দায়িত্ববোধ থেকেই কি এখানে ছুটে আসা? তাহলে তো প্রথমেই উচিত ছিল সুকুমারকে নিয়ে হাসপাতালে যাওয়া।

বাসনাকে খানিকক্ষণ লক্ষ্য করে তবেই চিনতে হয়েছিল। সাত বছরের ব্যবধানের জন্য চিনতে যতটা সময় লাগে তার বেশি লাগেনি। শরীরটা ভারী হয়েছে মাত্র। ঘাড় নোয়ালে চিবুকের ভাঁজটি অটুটই আছে, ঝুরো চুলগুলো কপাল থেকে তুলে নিচ্ছে আলতো আঙুলে। বাসনাই প্রথমে বলল, ''তাই বলি কে অমন করে তাকাচ্ছে অতক্ষণ ধরে।'' বলার মধ্যে সহজ ঝরঝরে ভঙ্গি ছিল। এরপর শোকবার্তাটি দিতে অশোকের ইচ্ছে করেনি। কথায় কথায় সুকুমারের প্রসঙ্গ উঠেছিল।

অশোকের পাশে বসা লোকটি উঠল। অশোক মসৃণ গালের দিকে তাকিয়ে সেই জায়গায় বসার ইশারা করতেই ও তাচ্ছিল্য ভরে ঠোঁট বাঁকাল। অশোক ধরে নিল, মসৃণ গালের নামার জায়গা এসে গেছে। বাসনা বলেছিল, তুমি এখনো বিয়ে করছ না কেন? যদি করো তো মেয়ে দেখি। বাসনার পাঁচ বছরের ছেলেটা তখন ছুটোছুটি করছে দুতিনজন সমবয়সীর সঙ্গে। বাসনাকে তখন অশোক বলেছিল, সুকুমার যদি পাগল হয়ে যায় কি সন্ন্যাস নিয়ে নিরুদ্দেশ হয় তাহলে কী করবে? কথাটা উঠেছিল তখন বোধহয় বাসনা বলেছিল—সুকুমার ক্লান্ত বোধ করে খাটতে খাটতে, আমি ঠিক ক্লান্তি ঘোচাতে পারি না, তাই মদ খেলে আপত্তি করি না যদি না বাড়াবাড়ি করে।

বাসনা খুব একচোট হেসে বলে, পাগল বা সন্ন্যাসী হওয়া ওর পক্ষে অসম্ভব। সংসার ও ভীষণ ভালোবাসে। আসক্তি খুব। তারপর একটা কথার জবাবে বাসনা বলেছিল, সুকুমারের অস্তিত্ব কোনোক্রমেই ভোলা তার পক্ষে সম্ভব নয়।

আর কী কী কথা হয়েছিল অশোক মনে করার চেষ্টা করল জানলার বাইরে তাকিয়ে। নামার জায়গা এসে যাচ্ছে। বাসনা বলেছিল, তোমাকেও খুব ক্লান্ত দেখাচ্ছে। তারপর দুজন অনেকক্ষণ চুপ করে বসে থাকে। সুকুমারের মৃত্যুর খবরটা দিতে তখন একটুও ইচ্ছে করছিল না। স্পষ্ট এখনো মনে পড়ছে অশোকের, ইচ্ছে করছিল ঠিক প্রেমিক প্রেমিকার মতো গভীর আবেগ বা ব্যাকুলতা দমন করে স্থির হয়ে বসে থাকার ভান করতে। নিজেকে তখন কী মনে হচ্ছিল?

ট্রাম থেমে নেমে সন্তর্পণে অশোক রাস্তা পার হল। হাজিরা খাতায় সই করার আগে অফিসের দেয়াল ঘড়িটার দিকে তাকিয়ে প্রসন্ন হয়ে উঠল। সই করতে করতে মনে হল, বাসনা নিশ্চয় জানে না সেদিন সুকুমারের মৃত্যুটা চোখের সামনে দেখেই ওর কাছে গিয়ে প্রেমিকের মতো পাশে বসে থাকার ইচ্ছে হয়েছিল।

চেয়ারে বসে টেবলের ড্রয়ার খুলে পেন্সিল, পেপার ওয়েট, জলের গ্লাস, পিনকুশন ইত্যাদি টেবলে সাজিয়ে রাখবার সময় অশোকের মনে হল, মসৃণ গাল লোকটা ভালই করেছে বাসনাকে ট্রামে উঠতে না দিয়ে। চিনতে পারলে কথা বলতে হত। তখন কী কথা বলতাম?

অশোক দেয়ালের দিকে তাকিয়ে থেকে নিজেকেই প্রশ্ন করল, কী বলতাম?

সকল অধ্যায়
১.
ছাদ
২.
একটি ঐতিহাসিক সিচ্যুয়েশন
৩.
শূন্যে অন্তরীণ
৪.
রাস্তা
৫.
জীবনযাপন প্রণালী
৬.
পাষাণভার
৭.
শেষবিকেলের দুটি মুখ
৮.
একটি পিকনিকের অপমৃত্যু
৯.
শহরে আসা
১০.
বয়সোচিত
১১.
প্রত্যাবর্তন
১২.
গুণ্ডাদ্বয়
১৩.
বেহুলার ভেলা
১৪.
টুপু কখন আসবে
১৫.
বহুদূর ব্যাপ্ত উজ্জ্বলতা
১৬.
উৎসবের ছায়ায়
১৭.
সুখী জীবন লাভের উপায়
১৮.
দুর্ঘটনা
১৯.
ঘর
২০.
এবং তারা ফিরে এল
২১.
কালপ্রিট
২২.
অস্থায়ী পলায়ন
২৩.
ষড়যন্ত্র
২৪.
রাজা
২৫.
সূর্যাস্তের প্রতিবিম্ব
২৬.
চোরা ঢেউ
২৭.
তাপের শীর্ষে
২৮.
নিরর্থক
২৯.
কামরার মধ্যে
৩০.
শীত
৩১.
সেই আবছা মুখগুলো
৩২.
ইমেজ
৩৩.
দু'ভাগে
৩৪.
নিজেকে যে—সব প্রশ্ন
৩৫.
আত্মভুক
৩৬.
একটি সাধারণ ব্যাপার
৩৭.
এক ধরনের অসুখ
৩৮.
নায়কের প্রবেশ ও প্রস্থান
৩৯.
একচক্ষু
৪০.
সামান্য জীবন
৪১.
চতুর্থ সীমানা
৪২.
ব্লেজার
৪৩.
পর্দার নিচে একজোড়া পা
৪৪.
শবাগার
৪৫.
একটি মহাদেশের জন্য
৪৬.
ক্লান্তি বিনিয়োগ
৪৭.
ছ'টা পঁয়তাল্লিশের ট্রেন
৪৮.
যুক্তফ্রন্ট
৪৯.
রাশিফল
৫০.
জলের ঘূর্ণি ও বকবক শব্দ
৫১.
মুক্তো
৫২.
কপিল নাচছে
৫৩.
জালি
৫৪.
অবিনাশের সাড়ে আটচল্লিশ
৫৫.
বৃষ্টির মতো
৫৬.
গলিত সুখ
৫৭.
একটা খুনের খবর
৫৮.
বৃষ্টিতে
৫৯.
একটি সকাল, একটি মেয়ে
৬০.
ফুলদানি
৬১.
আঠারো বছরে
৬২.
তরুণের বাড়ি ফেরা
৬৩.
অন্ধকার থেকে অন্ধকার
৬৪.
ষোলোকে পনেরো করা
৬৫.
রেড্ডি
৬৬.
বুড়ো এবং ফুচা

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%