শীত

মতি নন্দী

একদিন ভোর থেকে ইলাকে পাওয়া গেল না। সতেরো বছরের ডাঁটো মেয়ে, স্বভাবটা ইদানীং ছলবলে হয়ে উঠেছিল। ওর মা ছায়া, চোখেচোখেই রাখত কিন্তু কতক্ষণই বা তা সম্ভব। স্কুলে যাওয়া ছাড়াও যখন—তখন জানলায় নয়তো সদরে গিয়ে দাঁড়ালে কিই বা করা যেতে পারে। তবু চোখের সামনে না দেখতে পেলেই রান্নাঘর থেকে ছায়া চেঁচিয়ে ডেকে এনে, যা হোক একটা কাজে লাগিয়ে দিত। বাড়িওলার বৌ নাকি একদিন দোতলা থেকে দেখেছিল, ইলা চিঠি নিচ্ছে একটা অপরিচিত ছেলের কাছ থেকে। তাই নিয়ে বেশ কথা কাটাকাটি হয়ে যায়।

''এ বাড়ির বদনাম আজ পর্যন্ত কেউ দিতে পারেনি, আপনি পাড়ায় জিজ্ঞেস করে দেখতে পারেন।'' বাড়িওলা চেঁচিয়ে বলেছিল আনন্দমোহনকে, ''আপনার মেয়ের জন্য কি আমরা পাড়ায় মুখ দেখাতে পারব না? মেয়েকে সামলাতে না পারেন তো উঠে যান।''

এরপর আনন্দ ও ছায়া পরস্পরের দিকে তাকিয়ে কাঠ হয়ে বসেছিল। কিছুক্ষণ পরই ইলা প্রহারে জর্জরিত হয়। তার ছোট দুটি ভাই সোমেন ও রমেন, তখন ঘর থেকে বেরিয়ে রাস্তায় গিয়ে চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকে।

এরই তিন দিনের মধ্যে ইলা নিরুদ্দেশ হল। আনন্দ ও ছায়া পরস্পরের দিকে জিজ্ঞাসু চোখে তাকাল।

''বলছ কি!''

''হ্যাঁ, ও বেরিয়ে গেছে।''

''চুপ। কেউ যেন না টের পায়।''

''কী করে তা সম্ভব!''

''সম্ভব হতেই হবে। নয়তো এখানে আর বাস করা চলবে না। যাব কোথায়? এত কম ভাড়ায় কোথায় ঘর পাব?''

''খোঁজ নেবে না ও কোথায় গেল?''

সোমেন ও রমেন তখন পড়ার বই খুলে মাথা হেঁট করে বসে থাকল। বেরিয়ে যাওয়াটা যে খুবই লজ্জার ব্যাপার, তা ওরা বোঝে।

আনন্দ থানায় গিয়ে সব কিছুই বলল। কিন্তু বলতে পারল না কাকে তার সন্দেহ হয়। ফিরে এসে ছায়াকে জিজ্ঞাসা করল সেও বলতে পারল না। বাড়িওলার বৌ কাকে দেখেছিল, এখন তো জিজ্ঞাসা করলে জানাজানি হয়ে যাবে। ইলার পাড়ার বা স্কুলের বন্ধুদেরও জিজ্ঞাসা করা যাবে না। যেভাবেই হোক চেপে রাখতে হবে।

দিন কয়েক পর বাড়িওলার বৌ বলল, ''কদিন ধরেই ইলাকে দেখছি না যে?''

''ওকে আমার বোনের বাড়ি পাঠিয়েছি।'' অত্যন্ত সহজ স্বরে ছায়া বলল। ভেবেচিন্তে সে ঠিক করে রেখেছে বলবে, ইলা এলাহাবাদে তার মাসীর বাড়ি গেছে। সেখানে থেকেই পড়াশুনো করবে। কলকাতা থেকে ওকে এখন দূরে সরিয়ে রাখাই ভাল।

''যা বলেছ। এত খারাপ হয়ে যাচ্ছে ছেলেমেয়েরা আজকাল। আর রাস্তাঘাটে এত অসভ্যতা শুরু করেছে। কালকের কাগজে দেখনি, পুলিস দুটো ছেলেমেয়েকে ধরেছে!''

''দরকার কি ওসব দেখে। যে যার নিজের ছেলেমেয়েকে সামলালেই আর এ—সব হয় না।'' এই বলে ছায়া প্রসঙ্গটা চাপা দিতে চাইল। কারণ সে ভালোভাবেই জানে, কোনো বাপ—মার পক্ষেই সামলানো সম্ভব নয়। এটা শুধু কথার কথা।

''আসবে কবে ইলা?''

''তা বলতে পাচ্ছি না। আমার বোন এদিকে খুব কড়া। পড়ার ক্ষতি হলে একদমই পাঠাবে না। আমি বলেছি পুজোর কি গরমের ছুটিতে একবার যেন আসে। বছরে অন্তত একবার যেন দেখতে পাই।''

''সে তো বটেই, নিজের মেয়ে তো। ওর পড়ার খরচ—টরচ কে দেবে?''

''সব কিছু বোনই দেবে বলেছে। ওর তো ছেলেমেয়ে হয়নি। উনি বললেন, তা কী করে হয়। ইলার জামাকপড়, স্কুলের বই—মাইনে সব আমরাই দোব। বোন তো প্রথমে রাজি হয়নি।'' ছায়া হাসতে থাকল। হাসতে হাসতে দুই ছেলের দিকে তাকাল।

''খাই—খরচ ওর মাসীই দেবে?''

''হ্যাঁ।''

কাজের অজুহাতে ছায়া সরে গেল। আনন্দকে এক সময় জানাল এই কথাগুলো। আশ্বস্ত হয়ে আনন্দ বলল, ''এছাড়া আর উপায় কি।'' তারপর একটু চিন্তা করে বলল, ''আর একটা কথা অবশ্য বলতে পারতে, ইলা মাসীর বাড়ি গিয়ে অ্যাকসিডেন্টে মরে গেছে। নয়তো আজীবন ওকে মাসীর বাড়ি রেখেই যেতে হবে। তা তো কেউ বিশ্বাস করবে না।''

ছায়া আপত্তি করে উঠতে গিয়ে দমে গেল। মাসীর বাড়ি চিরকাল কেউ থাকতে পারে না। কিন্তু তাই বলে ইলাকে মেরেই বা ফেলা হবে কেন। ও তো ফিরেও আসতে পারে। তখন কি দূর করে দেব? বেশ কয়েকদিন ছায়া এই নিয়ে ভাবল। তার রাগ হল, দুঃখ হল, ভয়ও করল। কেন এইভাবে মুখ পুড়িয়ে গেল, ওর অসুবিধাটাই বা কী হচ্ছিল। সতেরো বছরে কত কিছুই তো ভাল লাগে তাই বলে এত বাড়াবাড়ি কেন? কোথায় কার সঙ্গে যে গেল! বেঁচে আছে কি মরে গেছে তাই বা কে জানি। জেদি, একগুঁয়ে। একটা চিঠি দিয়েও জানাল না। লজ্জায় বোধহয় পারছে না। কাগজে বিজ্ঞাপন দিলে তো জানাজানি হয়ে যাবে। মেয়ে বিক্রিওলাদের হাতে পড়েনি তো! কিংবা আত্মহত্যাও করতে পারে। কেন করবে? করার মতো কী এমন ঘটেছে? অ্যাকসিডেন্টে যদি মরে যায়! রেলে কাটা গেল কি জলে ডুবে। লাশ সনাক্ত করা গেল না, তাহলে ইলা আর কোনোদিনই ফিরবে না।

ছায়া অনেক রকম করে ভাবল। কিন্তু আনন্দকে কিছুই বলতে পারল না। শুধু দিন দিন সে শুকিয়ে যেতে লাগল। আর আগের থেকে কম কথা বলে। একদিন ছায়া লক্ষ্য করল, আনন্দও রোগা হয়ে গেছে। লম্বা দেহটা ঝুঁকে পড়েছে। চোখে চোখ রেখে কথা বলে না।

''পুলিস খোঁজ পেল না এখনো।'' বাড়ি ফিরে আনন্দ একদিন বলল, ছায়া কোনো কথা বলল না।

পাড়ায় কানাঘুষো উঠেছে ''ইলা নাকি পালিয়ে গেছে। সোমেনকে পাড়ার ছেলেরা জিজ্ঞাসা করেছিল। দিদি মাসীর বাড়িতে গেছে এই কথা বলতেই ওরা মুচকে হাসে। ছায়া শুনে কাঠ হয়ে গেল। আনন্দ শুনে কাঠ হয়ে গেল।

বাড়িওলার বৌ জিজ্ঞাসা করল, ''ইলা কবে আসছে গো। পুজোর ছুটিতে আসবে তো?''

ছায়া বুঝল তাকে শিকার করতে এসেছে। ফাঁদ পাতছে।

''কী জানি। বোন তো চিঠি দিয়েছে সঙ্গে করে পাঠাবার লোক পাচ্ছে না। ভগ্নিপতির সময় হবে না। আর অতদূর থেকে কি মেয়ে একা আসতে পারে?''

এর দুদিন পরই আনন্দ শাড়ি কিনে আনল। ছায়া সেই শাড়ি দেখিয়ে আনল দোতলায়—ইলাকে পাঠানো হবে। কিছুদিন পর একটা চিঠি দেখাল, ইলার লেখা। লিখেছে শাড়ি পছন্দ হয়েছে, তবে না পাঠালেও চলত। মাসী তার কোনো অভাবই রাখেনি। সে খুব মন দিয়েই পড়াশুনো করছে। পুজোয় বোধহয় যাওয়া হবে না। তবে সবাইকে খুব দেখতে ইচ্ছে করে।

চিঠি পড়ে বাড়িওলার বৌ আর কিছু বলেনি। কিন্তু সোমেন বলল, পাড়ার একজন ইলার মতো একটা মেয়েকে নাকি বর্ধমানের ট্রেনে একা যেতে দেখেছে। তাই শুনে ছায়া কী করবে ভেবে পেল না। ইলা যদি ফিরে আসে! ভয়ে রাত্রে আর তার ঘুম হয় না। পাড়ায় জোড়া জোড়া চোখের সামনে দিয়ে মাথা হেঁট করে ইলা আসছে—এমন একটা দৃশ্য তার চোখের সামনে বার বার ভেসে উঠতে লাগল। সবাই মুচকে হাসছে। বাড়িওলা তম্বি করছে। আনন্দ কাঠ হয়ে বসে, মাথাটা হেঁট করা। ছায়ার আর ঘুম হয় না। মনে মনে সে ভগবানকে ডাকে ইলা যেন না ফেরে।

আনন্দ বলল, ''বলে দাও কলেরা হয়ে মাসীর বাড়িতেই মরে গেছে। কদ্দিন এভাবে চালাবে।''

''তারপর যদি এসে হাজির হয়?''

''আর আসবে না।''

''ও কথা বোলো না।''

''যদি আসে, আমিই ওকে গলা টিপে মারব।''

''পারবে?''

আনন্দ গনগনে চোখে তাকিয়ে থাকে কিছুক্ষণ। তারপর চোখ সরিয়ে দেয়ালের দিকে তাকিয়ে বলে, ''কেন পারব না।''

তাই শুনে ছায়া কেঁদে ফেলে।

এর দুদিন পরেই বাড়িওলার বৌ হন্তদন্ত হয়ে এল—''কী শুনছি সব পাড়ায়। ইলা নাকি পালিয়ে গেছে আর তোমরা বলছ মাসীর বাড়ি গেছে?''

''গেছেই তো'' ছায়া রুখে উঠল। ''আপনি আমার মেয়ের নামে এসব কী বলছেন? মাসীর বাড়ি গেলে কি পালিয়ে যাওয়া হয়, এ কোন দেশী কথা!''

''ওই যে বললে পুজোয় আসবে, এল কই?''

''আসতে পারেনি, আনার লোক ছিল না বলে। পরীক্ষার পর বড়দিনের ছুটিতে আসবে লিখেছে।''

''বেশ দেখা যাক।''

''হ্যাঁ, তাই দেখে নেবেন।''

ঝোঁকের মাথায় কি বলেছে কিছুক্ষণ পরে তা বুঝে ছায়া হতভম্ব হয়ে রইল। খবরটা পাড়ায় ছড়িয়ে পড়ল, ইলা আসছে বড়দিনের ছুটিতে, মাসীর বাড়ি থেকে। সারা পাড়া তাকিয়ে রইল বাড়িটার দিকে। বড়দিনের আর মাত্র দশদিন বাকি।

আনন্দ বলল, ''একি করলে?''

''তখন কেমন যেন হয়ে গেলুম, মুখ দিয়ে কথাটা বেরিয়ে এল।''

''এখন কী হবে!''

দুজনেই ভেবে পেল না, কি হবে। ছায়া একবার ফিসফিস করে বলল, ''যদি সত্যিই এসে পড়ে!''

আনন্দ হাসবার চেষ্টা করে বলল, ''এখন দৈবের হাতে ছেড়ে দেওয়া ছাড়া উপায় নেই।''

''দৈবও তো অনেক সময় ঘটে!''

''যারা আশা করে থাকে, তাদের ভাগ্যে ঘটে না।''

''তুমি কি আশা করছ না, ও ফিরে আসুক?''

''আমি আশা করা ছেড়ে দিয়েছি।''

দেখতে দেখতে বড়দিন এসে গেল। বাড়িওলা আনন্দকে ডেকে বলল, ''লোকে হাসাহাসি করবে সেটা কি সইতে পারবেন, তার থেকে বরং চুপচাপ উঠে যান অন্য কোথাও। শুধু আপনাদের নয় বদনাম বাড়িরও তো হয়।''

''বড়দিনের মধ্যেই ওর আসার কথা।''

''আরে মশাই বড়দিন তো কাল। আর কবে আসবে?''

''আজকের দিনটা পর্যন্ত দেখি। আপনারা ধরেই নিচ্ছেন কেন যে, আমরা মিথ্যে কথা বলছি।''

বাড়িওলা কিছুক্ষণ আনন্দর দিকে তাকিয়ে থেকে চিবিয়ে বলল, 'আজকের রাতটা কাটুক, কাল নিশ্চয়ই দেখা হবে।''

ঘরে এসে আনন্দ শুয়ে পড়ল। রান্না করে সোমেন—রমেনকে খাইয়ে ছায়াও শুয়ে পড়ল। কারুরই ঘুম আসছে না। কেউই কথা বলছে না। রাত গভীর হতে ছায়া চুপিসাড়ে ঘর থেকে বেরিয়ে সদর দরজায় খিল খুলে অল্প ফাঁক করল। রাস্তার আলোটা বাড়ির গায়েই। রাস্তায় খুব আলো, অনেক দূর পর্যন্ত দেখা যায়। উঠোনের গা ঘেঁষে দরজা পর্যন্ত রক। ছায়া সেখানে বসল। কদিন ধরে খুব শীত পড়েছে। রাস্তার কুকুরগুলো পর্যন্ত আর ঘুরে বেড়ায় না। জড়োসড়ো হয়ে বসে ছায়া দরজার ফাঁক দিয়ে রাস্তার দিকে তাকিয়ে। পিছনে খসখস শব্দ শুনে, চাপাস্বরে বলল ''কে?''

''আমি।'' আনন্দ পাশে এসে দাঁড়াল। ''কী কচ্ছ এখানে?''

''ইলার খুব ভয় কুকুরকে।''

''ঠাণ্ডা লাগবে ঘরে এস।''

ছায়া জবাব দিল না, উঠলও না। রাস্তায় শব্দ হল, কেউ যেন আসছে। ছায়া ঝুঁকে পড়ল। দুটো পাল্লার ফাঁক দিয়ে তাকাল রাস্তায়। শব্দটা এগিয়ে আসতে আসতে আবার মিলিয়ে গেল মোড়ের কাছ থেকে।

''ও আসবে না। আশা করলে তা পূরণ হয় না।''

''কত কিছুই তো কখনো আশা করিনি, পূরণ হল কই?''

''কী আশা করোনি?''

''জানি না। জানলে তো আশাই করতুম।''

''কী কী আশা করেছিলে?''

ছায়া চুপ করে রইল। আনন্দ ওর পাশে বসে আবার জিজ্ঞাসা করল।

''সারা জীবনই কেমন ভয়ে ভয়ে কাটল।'' ছায়া কেঁপে উঠল শীতে। ''ভেবেছিলুম কোনো না কোনোদিন ভয় কেটে যাবে।''

''কাল ওরা তো ঝাঁপিয়ে পড়বে।''

''কেন, ইলা কি আজ আসবে না। এখনো তো সময় আছে।''

''না, আর আসবে না'' আনন্দ শুকনো স্বরে বলল, ছায়া কুঁকড়ে বসল। কিছুক্ষণ কাঠ হয়ে বসে থেকে দুজনে ঘরে ফিরে এল।

সকল অধ্যায়
১.
ছাদ
২.
একটি ঐতিহাসিক সিচ্যুয়েশন
৩.
শূন্যে অন্তরীণ
৪.
রাস্তা
৫.
জীবনযাপন প্রণালী
৬.
পাষাণভার
৭.
শেষবিকেলের দুটি মুখ
৮.
একটি পিকনিকের অপমৃত্যু
৯.
শহরে আসা
১০.
বয়সোচিত
১১.
প্রত্যাবর্তন
১২.
গুণ্ডাদ্বয়
১৩.
বেহুলার ভেলা
১৪.
টুপু কখন আসবে
১৫.
বহুদূর ব্যাপ্ত উজ্জ্বলতা
১৬.
উৎসবের ছায়ায়
১৭.
সুখী জীবন লাভের উপায়
১৮.
দুর্ঘটনা
১৯.
ঘর
২০.
এবং তারা ফিরে এল
২১.
কালপ্রিট
২২.
অস্থায়ী পলায়ন
২৩.
ষড়যন্ত্র
২৪.
রাজা
২৫.
সূর্যাস্তের প্রতিবিম্ব
২৬.
চোরা ঢেউ
২৭.
তাপের শীর্ষে
২৮.
নিরর্থক
২৯.
কামরার মধ্যে
৩০.
শীত
৩১.
সেই আবছা মুখগুলো
৩২.
ইমেজ
৩৩.
দু'ভাগে
৩৪.
নিজেকে যে—সব প্রশ্ন
৩৫.
আত্মভুক
৩৬.
একটি সাধারণ ব্যাপার
৩৭.
এক ধরনের অসুখ
৩৮.
নায়কের প্রবেশ ও প্রস্থান
৩৯.
একচক্ষু
৪০.
সামান্য জীবন
৪১.
চতুর্থ সীমানা
৪২.
ব্লেজার
৪৩.
পর্দার নিচে একজোড়া পা
৪৪.
শবাগার
৪৫.
একটি মহাদেশের জন্য
৪৬.
ক্লান্তি বিনিয়োগ
৪৭.
ছ'টা পঁয়তাল্লিশের ট্রেন
৪৮.
যুক্তফ্রন্ট
৪৯.
রাশিফল
৫০.
জলের ঘূর্ণি ও বকবক শব্দ
৫১.
মুক্তো
৫২.
কপিল নাচছে
৫৩.
জালি
৫৪.
অবিনাশের সাড়ে আটচল্লিশ
৫৫.
বৃষ্টির মতো
৫৬.
গলিত সুখ
৫৭.
একটা খুনের খবর
৫৮.
বৃষ্টিতে
৫৯.
একটি সকাল, একটি মেয়ে
৬০.
ফুলদানি
৬১.
আঠারো বছরে
৬২.
তরুণের বাড়ি ফেরা
৬৩.
অন্ধকার থেকে অন্ধকার
৬৪.
ষোলোকে পনেরো করা
৬৫.
রেড্ডি
৬৬.
বুড়ো এবং ফুচা

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%