ঊনচল্লিশ অধ্যায়

শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

উনচল্লিশ

দীর্ঘ রাস্তা মোটর চালিয়ে গভীর রাতে ফিরেছে সঞ্জয়। তারপর বেলা পর্যন্ত ঘুমোচ্ছে নিঃসাড়ে। কাত হয়ে শুয়ে আছে সে। তেল-না-দেওয়া রুক্ষ চুলে ধুলোটে লালচে রং। এখনও চুল বাড়েনি সঞ্জয়ের। মায়ের শ্রাদ্ধের সময়ে কামানো হয়েছিল মাথা। তেল তেল করছে মুখ, গালে দাড়ি বেড়ে কর্কশ দেখাচ্ছে মুখখানা। হয়তো স্বপ্ন দেখছিল সঞ্জয়। তার ঠোঁটে একটু হাসির আভাস। সারা মুখখানায় কোনও পাপের চিহ্ন নেই, কিন্তু তাকে নিদারুণ পরিশ্রান্ত দেখায়।

রিনি এই দৃশ্যটা দেখল বার বার। কাল রাতে ঘুম থেকে উঠে সে সঞ্জয়কে দরজা খুলে দিয়েছিল। দেখেছিল হাসিমুখে সঞ্জয় দাঁড়িয়ে আছে দরজায়, হাতে সুটকেস।

ঘরে ঢুকেই জিজ্ঞেস করল, পিকলু কই?

পিকলু! পিকলুকে কি সঞ্জয়ের মনে ছিল?

সুটকেস মেঝেয় রেখে মশারি তুলে আধখানা শরীর ভিতরে ঢুকিয়ে ঘুমন্ত পিকলুকে ‘বাবা সোনা’ এই সব বলে আদর করেছিল সঞ্জয়। ঠিক বাবাদের মতোই, আদেখলেপনায়।

সম্ভবত সেটা ছিল রিনির মুখোমুখি হওয়ার অস্বস্তি থেকে পলায়ন। নইলে পিকলুকে কখনও হাত-মুখ না ধুয়ে আদর করে না সে।

কিন্তু রিনি জানে, এ-অস্বস্তিটকু চিরকাল থাকবে না সঞ্জয়ের। বিয়ের পর প্রথম প্রথম সঞ্জয় বাইরে মদ খেলে কড়া জর্দা দেওয়া পান খেয়ে আসত। তবু টের পেত রিনি! টের না পাওয়ার ভান করত। ক্রমে ক্রমে সাহসী হতে হতে সঞ্জয়ের হুইস্কির বোতল আজকাল খাওয়ার ঘরের ফ্রিজেই মজুত থাকে।

ঠিক সেই রকম দিঘা বেড়ানোর ব্যাপারটাও একদিন সঞ্জয় প্রকাশ্যে করবে; রিনির মুখোমুখি দাঁড়াবে নিঃসংকোচে সরল গাছের মত। সেদিনের কথা ভাবলে রিনির ভয় করে।

কাল রাতে যে সঞ্জয় আসবে তার খবর আগে দেয়নি। ফলে খাবার ছিল না।

সঞ্জয় মুখে বলল, খেয়ে এসেছি।

কিন্তু বস্তুত অতিরিক্ত উন্মাদনায় তার খাওয়ার কথা মনেই ছিল না। তার মুখ-চোখ সেই সাক্ষ্য দিচ্ছিল।

রিনি কথা না বলে রুটি টোস্ট করেছে, ডিম ভেজেছে, তৈরি করেছে কফি। সঞ্জয়ের খাওয়ার সময়ে মুখোমুখি বসে লক্ষ করেছে তার মুখ। সমুদ্রের আবহাওয়ায় থাকার ফলে তাকে একটু কালো দেখাচ্ছিল।

রিনি কেঁদেছিল সঞ্জয় ঘুমোনোর পর।

সকাল থেকে ঘুরে ফিরে রিনি আসছে শোওয়ার ঘরে। অকারণে সঞ্জয়ের মাথার নীচে বালিশ ঠিক করেছে। পিকলুকে বিছানা পেতে শুইয়েছে খাওয়ার ঘরে ডাইনিং টেবিলের ওপর। পাছে তার চেঁচামেচিতে সঞ্জয়ের ঘুম ভেঙে যায়।

পিকলু এখন হামা টানে। টলমলে পায়ে কখনও দাঁড়ায়। তারপর ঝুপ করে বসে পড়ে। পাছে সে পড়ে যায় সেই ভয়ে শোওয়ার ঘর থেকে বারবার খাওয়ার ঘরে যাচ্ছিল রিনি।

এইভাবে সারা সকাল সে হাঁটছে। খাওয়ার ঘর থেকে শোওয়ার ঘর, আবার খাওয়ার ঘর। রিনি কোনও শারীরিক অনুভূতি টের পাচ্ছিল না। সকাল থেকে সে কিছুই খায়নি। কিন্তু তার খিদে পাচ্ছিল না, তেষ্টা পাচ্ছিল না। দুই ঘরে যাতায়াতে সে বোধ হয় মাইলখানেক হেঁটে ফেলল।

বেলা ন’টা নাগাদ টেলিফোন বেজে উঠতেই বুকের ভিতরে দুর দুর করে উঠল তার। দম বন্ধ হয়ে এল প্রায়। আজ সকালে সে এই প্রথম নিজের শরীর টের পেল।

কে?

আমি সেই লোক। সঞ্জয়বাবু ফিরেছেন?

লোকটা কোনও দিনই নিজের নাম বলে না। কিন্তু গলাটা এখন চেনা হয়ে গেছে রিনির।

ফিরেছেন। রিনি কাঁপা গলায় বলে। প্রথম প্রথম টেলিফোন রেখে দিত রিনি। কিন্তু আজকাল রাখে না। লোকটা সঞ্জয়ের নানা খবর দেয় তাকে। এই রকমভাবেই লোকটার সঙ্গে বোঝাপড়া এবং অদ্ভুত বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছে রিনির। সম্ভবত লোকটা সেই মেয়েটাকে ভালবাসে।

লোকটা কী যেন ভাবে। তারপর বলে, আপনি ওঁকে কিছু বলেননি?

কী বলব।

বলা উচিত। নইলে এরকম হতে থাকবে। আমাদের আর কিছুই করার থাকবে না।

রিনি চুপ করে থাকে।

লোকটা আত্মগতভাবে বলে, মেয়েটা এত সস্তা ছিল না বুঝলেন? কী করে যে ও এতটা বোকামি করতে পারে! মানুষ কী রকম পালটায়!

রিনি চুপ।

লোকটা আস্তে করে বলল, আমি আজ সঞ্জয়বাবুর সঙ্গে তাঁর অফিসে দেখা করব। যদি উনি কথা শুনতে না চান তবে—

লোকটা এইটুকু বলে ইতস্তত করলে রিনি চমকে উঠে জিজ্ঞেস করে, তবে কী করবেন?

কিছু একটা করব। সামথিং হার্শ। আমার অনেক বন্ধু আছে। মেয়েটিকে বাঁচানো দরকার, আপনাকেও।

টেলিফোন রেখে দিয়ে রিনি আবার ঘুরতে থাকে। খাওয়ার ঘর থেকে শোওয়ার ঘর, আবার খাওয়ার ঘর।

সঞ্জয় চোখ মেলে তাকিয়ে সকালের ঝলসানো রোদ দেখে চোখ মিটমিট করে। অভ্যাসবশত ঘুম-চোখে হাত বাড়ায় রিনির জন্য। পায় না। পাশ ফিরে শূন্য বিছানাটা দেখে। সাদা এবং প্রকাণ্ড বিছানা। রিনি কোথায়! কেটে পড়ল নাকি? সঞ্জয় চমকে ওঠে।

ধড়মড় করে উঠতে গিয়ে সে রিনিকে দেখে, এ-ঘর থেকে শ্লথ পায়ে ও-ঘরের পরদার আড়ালে চলে গেল।

শুয়ে থেকেই একটা সিগারেট ধরায় সঞ্জয়। সকালের এত স্পষ্ট আলো তার সহ্য হয় না। এত স্পষ্টতা তার অসহ্য লাগে। তার মনে হয় এর পর থেকে সারা জীবন দিনের চেয়ে রাতটাই তার বেশি ভাল লাগবে।

দিঘা থেকে ফেরার পরদিন সঞ্জয় গাড়িটা গ্যারেজে পাঠিয়েছিল ধোয়ামোছা আর মেরামতের জন্য। বিকেলের দিকে অফিস থেকে বেরিয়ে ট্যাক্সি না পেয়ে হেঁটেছিল অনেক দূর। টের পায়নি যে তাকে অনুসরণ করছে কয়েকজন লোক— যাদের চেহারা কালো, রোগা, কিন্তু মজবুত, যাদের দেখলেই পেশাদার গুন্ডা বলে চেনা যায়।

একটু অন্যমনস্ক ছিল সঞ্জয়। অনিমার ভক্তদের মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল যে ছেলেটি সেই শুভময় ঘোষাল তার অফিসে এসেছিল সেদিন। ছেলেটি মোটাসোটা গোলগাল, সঞ্জয় শুনেছে ছেলেটা নাকি ভাল রবীন্দ্রসংগীত গায়। ছেলেটি সঞ্জয়ের মুখোমুখি হয়ে একটুও না ঘাবড়ে বলল, আপনি দু’টি মেয়ের সর্বনাশ করছেন। এক নম্বর, অনিমা, আর দু’নম্বর রিনি— আপনার স্ত্রী।

এ-সব শান্তভাবে শুনল সঞ্জয়। বেয়ারাকে ডেকে দু’ কাপ কফি আনতে বলল। বাড়িয়ে ধরল সিগারেটের প্যাকেট। ছেলেটাও শান্তভাবে সিগারেট নিল, কফি খেল। কিন্তু সোজা চোখে চোখ রেখে যা বলার তা বলতে ছাড়ল না। পুরনো ধরনের নীতিকথাই বলল বেশি। চরিত্র, সতীত্ব, সমাজ— এই সব নিয়ে যত দূর বলা যায়। ছেলেটি অনিমাকে ভালবাসে। গোলগাল নাদুসনুদুস চেহারার কোনও ছেলেকে এ-রকম শীতল এবং শান্তভাবে রেগে যেতে কখনও দেখেনি সঞ্জয়।

শুভময়ের সঙ্গে একটু কথার খেলা খেলতে ইচ্ছে হয়েছিল তার। তাই কথার এক ফাঁকে হঠাৎ বলেছিল, অনিমার জন্য আমার কাছে আরও কয়েকজন এসেছিল। ডিজায়রেবল ক্যান্ডিডেটস।

ডাহা মিথ্যে। কিন্তু ছেলেটি এই প্রথম সামান্য লাল হয়ে গেল।

সঞ্জয় হঠাৎ টেবিলের ওপর ঝুঁকে বলল, অনিমা কীরকম মেয়ে তা তো আপনি জানেন বোধ হয়। আপনি শান্তশিষ্ট ভদ্র ছেলে, ওকে নিয়ে সামলে রাখতে পারবেন না। চান্স পেলেই ও দড়ি ছিঁড়বে, খোঁটা ওপড়াবে। আমি পাকা লোক, তবু আমিই সামলাতে পারছি না।

সঞ্জয় ছেলেটির গোল মুখে কোনও ভাবপরিবর্তন টের পেল না। কিন্তু ওর মুখে রক্তিমাভাটা লেগেই ছিল।

সঞ্জয় হঠাৎ যেন বে-খেয়ালে তার চেক-বইটা বের করে ফয়েলগুলো শুভময়কে দেখিয়ে বলল, চার দিনে আমরা খরচ করেছি হাজার দেড়েক টাকা। এই দেখুন।

শুভময় ইঞ্জিনিয়ার। সদ্য চাকরিতে ঢুকেছে। সম্ভবত সে বড়লোকের ছেলে নয় এবং বাড়িতে পুষ্যিও অনেক। সম্ভবত হাজার খানেকের বেশি মাইনে সে এখনও পায় না। তাই চার দিনে দেড় হাজার টাকা খরচের কথায় সে একটু ভ্রূ তুলল।

তারপর আস্তে করে বলল, বাঙালি মেয়েরা আজকাল কত দূর অধঃপতনে গেছে!

বলে সে উঠে দাঁড়াল। দরজার কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে একটু ইতস্তত করে বলল, আপনার স্ত্রীকে আমিই বেনামে ফোন করতাম। আজ সকালেও করেছি।

খুশি হল সঞ্জয়। বলল, আবার করবেন। যখন খুশি। ও খুব একা একা বোধ করে। ফোন করলে খুশি হবে।

এটাও কথার খেলা। ছেলেটার নীতিবোধ বড় প্রবল। সেইখানেই বোধ হয় আঘাতটা লাগল। শীতল চোখে নীরবতায় সঞ্জয়কে একটু দেখে সে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গেল।

অফিসে যতক্ষণ ছিল সঞ্জয় তারপর, ততক্ষণ সে মৃদু একটা অস্বস্তি বোধ করেছে। কোনও কারণ নেই তবু কেবলই সে একটা বিপদের গন্ধ পাচ্ছিল।

অন্যমনস্ক সঞ্জয় ‘বার’-এ একটু সময় কাটিয়েছিল বিকেলে। তারপর এসপ্ল্যানেডের ভিড় ঠেলে মেট্রোর সামনে দাঁড়াল ট্যাক্সির জন্য। কী ভেবে রাস্তা পার হয়ে গেল গোলঘরের পেচ্ছাপখানার দিকে। আবার বেরিয়ে এসে প্যান্টের বোতাম এঁটে গাছের তলায় ঝুপসি অন্ধকারে দাঁড়িয়ে যখন সিগারেট ধরাচ্ছিল তখন গোটা চারেক লোক নিঃশব্দে ঘিরে দাঁড়াল তাকে। চারজন পেশাদার লোক।

কাজটা অবশ্য তাদের পক্ষে সহজ হয়নি। সঞ্জয় প্রথম চোটে দু’জনকে নিয়ে নিয়েছিল। একজনের তলপেটে একটা লাথিও জমিয়ে দিয়েছিল সে। এরা কারা, এবং কেন তাকে মারছে তা ভাববার চেষ্টাও করেনি সে। কেবল লাথিটা মেরে সে আদিত্যর লাথিটার শোধ নেওয়ার এক অদ্ভুত আনন্দ বোধ করেছিল।

কিন্তু লোকগুলো ছিল পেশাদার। মার খাওয়া তাদের কাছে তুচ্ছ ব্যাপার। কাজেই সঞ্জয়ের ঘুসি লাথি তারা তৃণজ্ঞান করে খুব চটপট সেই প্রকাশ্য জায়গায় তাদের কাজ সারল। চার পাশ থেকে ঘিরে, অভ্যস্ত সুন্দর হাতে।

পেটে সামান্য মদ ছিল সঞ্জয়ের। ফলে সে ওদের হাত আর পায়ের কাজ বুঝতেই পারল না। ঢলে পড়ল লোহার রেলিঙের তলায়, সিমেন্টের বাঁধানো গোড়ায় মাথা রেখে শুয়ে বমি করতে লাগল।

একসময় এ-সব ঘটনা ছিল তার গায়ের ধুলো। চট করে ঝেড়ে ফেলতে পারত। কিন্তু এবার তা হল না। কয়েক দিন ঘরে শুয়ে-বসে থাকতে হল তাকে। ডাক্তার দেখাতে হল। ওষুধ খেতে হল। ডাক্তার দেখেশুনে বললেন, ব্লাডপ্রেশার খুব হাই।

ইয়াঃ। সঞ্জয় শুয়ে থেকে সারা দিন আপনমনে হাসে। মনে মনে রিনিকে সম্বোধন করে কথা বলে, এই সবই বয়সের ব্যাপার, বঝলে রিনি। বয়স হয়ে যাওয়ার চেয়ে বড় ট্র্যাজেডি মানুষের জীবনে আর নেই। কে আমাকে মেরেছে আমি তার কী জানি। কেন মেরেছে তাই বা কে জানে। কিন্তু এ-কথা ঠিক, বয়সের শেষ ঢলে মানুষের প্রায়শ্চিত্ত শুরু হয়। খুব শান্তভাবেই মানুষের তা গ্রহণ করার কথা। আমি তো আর খুব সুন্দর জীবনযাপন করিনি!

আমি এখনও সন্ন্যাসী হওয়ার কথা ভুলিনি। বাইরে এই যে আমাকে দেখছ, সদ্ গুন ঝরে-যাওয়া লোক, চুরি করছে, টাকা জমাচ্ছে, করছে অবৈধ প্রেম, মদ খাচ্ছে— এ-সব কিছু আমার অন্তরের সেই বৈরাগ্যকে স্পর্শও করছে না। একদিন-না-একদিন সেই বৈরাগ্য সব ফেলে রেখে চলে যাবে।

কিন্তু যাওয়া হয় না।

মাঝে মাঝে আজকাল রাতে তার ঘুম আসে না। অনেকটা হুইস্কি খাওয়ার পরেও না।

কখনও নানা কাজে ব্যস্ত সঞ্জয় হঠাৎ গলার কাছে হাত তুলে একটা মাংসের ডেলাকে অনুভব করে। লাম্প। চমকে উঠে ভাবে, ক্যান্সার-ফ্যান্সার হবে না তো! কখনও বা শোওয়ার দোষে ঘুমের মধ্যে তার শ্বাসকষ্ট হয়। অমনি তড়বড় করে উঠে বসে। ভাবে, শরীরের মধ্যে কোথাও রক্ত জমাট বাঁধছে না তো! যদি থ্রম্বসিস হয়!

কখনও বা সে ঘুম-চোখে অকারণে রিনিকে ডাকে।

রিনি!

উঁ! রিনি ঘুমগলায় উত্তর দেয়।

রিনি! আবার ডাকে।

উঁ!

রিনি!

উঁ!

তখন পাশ ফিরে রিনির কানে কানে বলে, আমি তোমাকে ভীষণ ভালবাসি। পিকলুকেও। ঘর সংসার টাকা সব কিছুকেই। তবে আর কবে আমি সন্ন্যাসী হব!

রিনি এ-সব কথা বিশ্বাস করে না। চুপ করে থাকে। আবার ঘুমিয়ে পড়ে।

সঞ্জয়ের কেমন যেন ফাঁকা লাগে বুক। আড়াল থেকে কে যেন তাকে এই সব মিথ্যে রঙিন কথা বলায়। অকারণে। সে রমেন হবে না। সে কোনও দিন রমেন হবে না।

সকল অধ্যায়
১.
প্রথম অধ্যায়
২.
দ্বিতীয় অধ্যায়
৩.
তৃতীয় অধ্যায়
৪.
চতুর্থ অধ্যায়
৫.
পঞ্চম অধ্যায়
৬.
ষষ্ঠ অধ্যায়
৭.
সপ্তম অধ্যায়
৮.
অষ্টম অধ্যায়
৯.
নবম অধ্যায়
১০.
দশম অধ্যায়
১১.
একাদশ অধ্যায়
১২.
দ্বাদশ অধ্যায়
১৩.
ত্রয়োদশ অধ্যায়
১৪.
চতুর্দশ অধ্যায়
১৫.
পঞ্চদশ অধ্যায়
১৬.
ষোড়শ অধ্যায়
১৭.
সপ্তদশ অধ্যায়
১৮.
অষ্টাদশ অধ্যায়
১৯.
ঊনবিংশ অধ্যায়
২০.
বিংশ অধ্যায়
২১.
একবিংশ অধ্যায়
২২.
দ্বাবিংশ অধ্যায়
২৩.
ত্রয়োবিংশ অধ্যায়
২৪.
চতুর্বিংশ অধ্যায়
২৫.
পঞ্চবিংশ অধ্যায়
২৬.
ষড়বিংশ অধ্যায়
২৭.
সপ্তবিংশ অধ্যায়
২৮.
অষ্টাবিংশ অধ্যায়
২৯.
ঊনত্রিংশ অধ্যায়
৩০.
ত্রিংশ অধ্যায়
৩১.
একত্রিংশ অধ্যায়
৩২.
দ্বাত্রিংশ অধ্যায়
৩৩.
ত্রয়োত্রিংশ অধ্যায়
৩৪.
চতুর্ত্রিংশ অধ্যায়
৩৫.
পঞ্চত্রিংশ অধ্যায়
৩৬.
ষট্ত্রিংশ অধ্যায়
৩৭.
সপ্তত্রিংশ অধ্যায়
৩৮.
অষ্টত্রিংশ অধ্যায়
৩৯.
ঊনচল্লিশ অধ্যায়
৪০.
চল্লিশ অধ্যায়
৪১.
একচল্লিশ অধ্যায়

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%