সত্যজিৎ রায়
থলেতে একঝুড়ি ডিম লুকিয়ে নিয়ে নাসীরুদ্দীন চলেছে ভিন্দেশে। সীমানায় পৌঁছতে শুল্ক বিভাগের লোক তাকে ধরলে। নাসীরুদ্দীন জানে ডিম চালান নিষিদ্ধ।
‘মিথ্যে বললে মত্যুদণ্ড’, বললে শুল্ক বিভাগের লোক। ‘তোমার থলেতে কী আছে বল।’
‘প্রথম অবস্থার কিছু মুরগী’, বললে মোল্লাসাহেব।
‘হুম—সমস্যার কথা। মুরগী চালান নিষিদ্ধ কিনা খোঁজ নিতে হবে, তারপর ব্যাপারটার মীমাংসা হবে। ততদিন এ থলি রইল আমাদের জিম্মায়। ভয় নেই, তোমার মুরগীকে উপোস রাখবনা আমরা।’
‘কিন্তু আমার মুরগীর জাত যে একটু আলাদা’, বললে নাসীরুদ্দীন।
কিরকম?’
‘আপনার ত শুনেছেন অবহেলার দরুন মুরগীর অকাল বার্ধক্য আসে।’
‘তা শুনেছি বটে।’
‘আমার মুরগীকে ফেলে রাখলে সেগুলো অকালে শিশু হয়ে যায়!’
‘শিশু মানে?’
‘একেবারে শিশু,’ বললে নাসীরুদ্দীন, ‘যাকে বলে ডিম।’
নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন
লগইন