মন পাখিরে কৃষ্ণকথা বল

সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

মনে একটা পাখি বসে আছে। একটা নয় দুটো পাখি। একটা অতি ছটফটে, সদা চঞ্চল। অন্যটি স্থির। মাঝেমধ্যে চঞ্চল পাখিটিকে বলে, অত ছটফটানি কীসের গো? একটু স্থির হয়ে দাঁড়ে বোসো। কৃষ্ণকথা বলো। সারাজীবন তো অনেক কপচালে। অনেক জ্ঞানের ঢ্যালা ছুঁড়লে অনেকের দিকে। নিজে কী পেলে? গুটিকয় লাল ধানি লংকা! সাধুর নিমকাঠের কমণ্ডলু সাতধাম ঘুরে এল। স্বভাব কিন্তু পালটাল না। যে তেতো সেই তেতো।

সৎ শিক্ষার তো অভাব ছিল না। অজস্র সৎ গ্রন্থ। কিছু কিছু পড়াও হল। প্রতি যুগেই একাধিক মহাপুরুষ এলেন। সেই মহাপুরুষদের ঘিরে গড়ে উঠল সৎসঙ্গ। মঠ, মিশন, মন্দির, বিদ্যালয়, কলেজ, ধর্মশালা। হিন্দুধর্মটাই তো একস্তবক আচরণবিধি। নিজেকে যত পরিস্রুত করা যাবে, ততই খাঁটি হিন্দু হওয়া যাবে। দেব-দেবী, কোষাকুষি, ধুনো, গঙ্গাজল ধর্ম নয়। মনের প্রস্তুতি। হিন্দুধর্ম হল দেহের বাইরে যে বিশাল সত্তা, সেই সত্তায় নিজেকে বিসর্জন। সসীম থেকে অসীমে, ক্ষুদ্র থেকে বিশালে উত্তরণ। জৈব নীচতা থেকে দৈব উত্তুঙ্গতায় আরোহণ। হিন্দুধর্ম হল মানবধর্ম।

সেই হিন্দু আমির কী অবস্থা! 'মন আমার।/পাগলা ঘোড়ারে কই থেকে কই লইয়া যায়।।/মন হইল ঘোড়া রে, বাতাস হইল জিন!/এমন যে গোয়াইরা বেটা রাতদিন দৌড়ায়।।' ধর্মটর্ম ছেড়ে মন মাছির মতো কখনও বিষ্ঠায় কখনও রসগোল্লায়।

একটি লুঙ্গি আর কাঁধকাটা গেঞ্জি হল গৃহের ভূষণ! সকালে এককাপ চা মেরে, দিন শুরু। কী দিন, কেমন দিন! রাতে দিনের হিসেব নিতে বসে চক্ষুস্থির। সারাদিন কী করলে বাপু বেদান্তের ছারপোকা? আচ্ছা, সৎচিন্তা কি করেছ?

প্রথমেই কলে জল নেই দেখে, দোতলায় বাড়িঅলার বারান্দার দিকে তাকিয়ে যমরাজকে স্মরণ। ফুলো চোখো, পেটমোটা, কুচুটে মানুষটাকে, হে রাজাধিরাজ, পত্রপাঠ গ্রাস করো। বুড়ো প্রতি মাসেই তাল ঠুকছে ভাড়া বাড়াও, আর এক-একটি সুবিধের মূলোচ্ছেদ করছে।

তারপর কী করলে?

তারপর বাড়ির বাইরে পা রেখে চোখে পড়ল প্রতিবেশী দুর্গাবাবুর বড় ছেলে বিশাল এক ব্যাগ বাজার হাতে হেলেদুলে বাড়ি ফিরছে। প্রমাণ সাইজের একটি মাছের ন্যাজা অনুচ্চারিত অহঙ্কারের মতো ব্যাগের পাশ দিয়ে বাতাসে সোচ্চার। ঠোঁটে একটি সিগারেট ঝুলছে। আমার দিকে আবার আড়চোখে তাকানো হল। মন অমনি তরফদার সেতারের মতো বেজে উঠল, ও: খুব চলছে! কেন চলবে না বাছাধন, দু'নম্বরি পয়সা। বাড়িতে কালার টিভি। মারুতি বুক করেছে। বাড়ির বাইরে চড়াপরদার রং। জানলায় জানলায় বাহারি পরদা। টবে টবে ফুলগাছ। অমন এক পুরুষে বড়লোক অনেক দেখেছি। যেদিন ইনকাম ট্যাক্স কোমরে দড়ি বেঁধে নিয়ে যাবে, সেদিন বেলুন তোমার চুপসে যাবে মানিক।

ও মন তুই কৃষ্ণকথা বল। ঈর্ষা অতি বদ জিনিস। বাঙালি ব্যবসা করে দু'পয়সা করেছে, কেন তোমার চোখ টাটাচ্ছে! কেন টাটাবে না! দুশো গ্রাম মাছ, একটা কপি, গোটা-ছয় কড়াইশুঁটি কিনতে যাকে দশবার পাঁয়তাড়া কষতে হয়, কেন তার ঈর্ষা হবে না! এর নাম সাম্যবাদ! আমার হাজার টাকা রোজগার হলে, ওর নশো টাকা হওয়া উচিত। আমার পাঁচশো হলে ওর চারশো। আমি সুখে থাকব, সবাই দু:খে। আমি দূর থেকে দেখব আর চুকচুক করব। জগতের এই তো নিয়ম হওয়া উচিত? হায়, উলটো বুঝলি রাম!

তারপর কী করলে?

তারপর আমার প্রবাসী বড় ভাই আমাদের কমান মায়ের সেবার জন্যে তিন মাস কোনও টাকা পাঠায়নি বলে, দাড়ি কামাতে কামাতে তার পিণ্ডি চটকানো হল। বাবুর বড় মেয়ের অসুখ। মায়ের ওষুধ আর দুধের খরচের ভার সে নিয়েছিল। টাকাটায় ফ্যামিলির অনেক সাহায্য হত। ন'মাসে, ছ'মাসে এক পুরিয়া হোমিওপ্যাথি, সামান্য টোটকাটুটকি, লোহা ছ্যাঁকা দিয়ে এক আঁটি থানকুনির রস, কী গাঁদাল পাতার ঝোল, আর এক শিশি দুধে তিন শিশি জল, মন্দ চলছিল না, বাবুর মেয়ের অসুখ। লায়ার। যেসব ছেলে মায়ের সেবা করে না, তারা যত শিক্ষিতই হোক কুলাঙ্গার। এই বিয়ের মাসে টাকা ক'টা এলে তোফা হত। আমার মধ্যম শ্যালকের বিয়ে। মোটা টাকার ধাক্কা। শেষপর্যন্ত বউয়ের পরামর্শই না শুনতে হয়। মাকে প্যাক করে জব্বলপুর দিয়ে এসো। সপ্তাহে তিন কেজি চাল, চোদ্দো কাপ চা আর দেড় কেজি গম বাঁচা মানে বেশ সেভিংস। মেয়ে বড় হচ্ছে, এখন থেকেই টাকা না জমালে বাবাজীবন কী কাঁচকলায় মেয়ের গলায় মালা দেবে। পরামর্শটা মন্দ নয়, কিন্তু সংসারে কাজের লোক কমে যাবে। কুটনো কোটা, বাটনাবাটা, ছেলেমেয়ে ধরা, সস্ত্রীক ফুর্তি করতে গেলে রাত জেগে বাড়ি পাহারা দেওয়া। অ্যাতো কম খরচে কাজের লোক পাওয়া যায়! যা বাজার পড়েছে! কুপুত্র যদি বা হয় কুমাতা কখনও নয়। কতকালের কথা। এখনও সমান সত্য। ওরে মনপাখি, তুই কৃষ্ণকথা বল।

তারপর কী করলে?

তারপর আমাদের পুত্র, যাকে সহস্রাধিক সদুপদেশের বন্যায় সবসময় প্লাবিত রাখা হয়, তার একটি থেকে স্খলিত হাওয়ায়, আমরা স্বামী, স্ত্রী দু'জনে মিলে, দুদিক থেকে দুটোন কান ধরে মনের আনন্দে টানাটানি। কী সেই অপরাধ? মায়ের আঁচল থেকে একটি আধুলি ঝেড়ে ডালমুট খেয়ে বেমালুম অস্বীকার। না বলিয়া পরের দ্রব্য লওয়াকে বলে চুরি। বুঝেছো বালক? বালক বলিল, মা আবার কবে পর হইল, পিত:? তোমরাই তো বলিয়াছিলে মাতার চেয়ে আপনার পৃথিবীতে আর কেহ নাই। তাহার এমত ধড়িবাজ-উক্তি শুনিয়া আমরা উভয়ে অগ্নির মতো, আগ্নেয়গিরির মতো জ্বলিয়া, ফাটিয়া পড়িলাম। হারামজাদা, উল্লুক। দধিমন্থনের দণ্ডের মতো ওই শাখামৃগটিকে আমরা উভয়ে ঘুরাইয়া পেঁচাইয়া চরিত্রের নবনীত বাহির করিবার প্রয়াস চালাইলাম কিয়ৎক্ষণ। তৎপরে ক্লান্ত হইয়া এক পেয়ালা চা পান করিতে ভাবিতে লাগিলাম, হায়! সুকুমারমতি বালককে কী বুঝাইব, মাতা কি সত্যই আপনার! না দেশমাতা, না গর্ভধারিণী। আমার বৃদ্ধমাতা উপেক্ষিতা, অবহেলিতা, দাসীসদৃশা। আর দেশমাতা! আমাদেরই দ্বারা ধর্ষিতা? বালক, আমাদেরই শোণিত তোমার ধমনিতে প্রবাহিত, তুমি মহাপুরুষ কেমন করিয়া হইবে। তুমি ছিঁচকে চোর হইলেই জন্ম সার্থক।

ওরে মনপাখি, তুই কৃষ্ণকথা বল। পাখি যে কথা বলিতে চায় তাহা না শুনাই ভালো।

তারপর কী করলে?

ঘটা করে চান। বাথরুমে গুনগুন গান। ঘাড়ে পাউডার লেপন। ভুঁড়ির তলায় কষি নামিয়ে, শব্দ করে চর্ব্যচুষ্য আহার। ঢেউ ঢেউ উদগার। তারপর একটা দোচোঙা, আর আধুনিক ফতুয়া (বুশশার্ট) পরে দেশোদ্ধারে গমন। সেখানে ভূমিকা!

কূর্মাকৃতি এই ধর্মভূমিতে আমরা রাজনৈতিক ক্রিমির মতো কিলির বিলির করিতেছি। আমাদের মহাপুরুষ সকলের প্রতিকৃতি প্রকোষ্ঠের দেয়ালে কোনওটি দক্ষিণ পার্শ্বে, কোনওটি বামপার্শ্বে হেলিয়া ত্রিভঙ্গ মুরারি। আমাদের শ্রদ্ধা-ভক্তির, আমাদের কৃতজ্ঞতার ইহাই নমুনা। জনৈক অস্পষ্ট পুরুষ শুষ্ক মাল্যভূষিত, মাকড়সার তন্তুশোভিত। বোধ করি, ওই পুরুষই আমার পিতৃদেব। মাতাকে গঙ্গাযাত্রা করাইতে পারিলেই অপার শান্তি। পত্নীসোহাগে কতিপয় দিবস ধরাধামে কাটাইয়া অনুরূপভাবে আমাদেরও দেয়ালে বক্র-শ্যাম হইতে হইবে, সে সত্য ভুলিয়া গিয়াছি! আমাদের কর্মকাণ্ড দেখিয়া উত্তরপুরুষ অবশ্যই আরও শেয়ানা হইবে। মৃত্যুকালে মুখে একবিন্দু গঙ্গোদক পাইব কি না সন্দেহ! বালক যদি প্রশ্ন করে, পিত:, কী করিয়া বেড়াইতেছ? মস্তক কণ্ডূয়ন করিয়া বলিতে হইবে, বৎস! আমরা রাজনীতি, সমাজনীতি পুরাদমে উদোম হইয়া পালন করিতেছি। সূচ্যগ্র বংশদণ্ড এ উহার গ্রাম্য অংশে, ও ইহার গ্রাম্য অংশে সাঁদ করাইতেছে। আমারটি খুলিয়া উহাতে উহারটি খুলিয়া তাহাতে। চক্রাকারে বংশ-গোঁজন উৎসবে আমরা মাতিয়া উঠিয়াছি। সকলেই তারস্বরে চিৎকার করিয়া বলিতেছি— শ্যালক, আমি যাহা করিতেছি তাহাই ঠিক। মহাপুরুষগণ মুখ চুন করিয়া দেয়ালে বাঁকিয়া আছেন। বিদেশিগণ আসিয়া রাস্তাঘাটে মাল্যদান করিতেছেন। কিছু নামাঙ্কিত জরদগব-প্রতিমূর্তি দেশনামক ভাগাড়ের এখানে ওখানে বায়সবিষ্ঠা চর্চিত হইয়া আকাশের নীলিমায় ভরসা খুঁজিতেছেন। সেই প্রস্তর প্রতিমায় বৎসরান্তে সরকারি মালা ঝুলাইয়া আমরা নৃত্য করিতেছি—লাগ ভেলকি লাগ, আজ আমাদের ঘাটকামানো, কাল বৃষোৎসর্গ। বঙ্গ আমার জননী আমার খননেই স্বার্থ।

ওরে ও মনপাখি, তুই কৃষ্ণকথা বল।

ভাষা ভাবপ্রকাশের মাধ্যম। সেই ভাষা আমরা অতিশয় রপ্ত করিয়াছি। যিনিই আসনে তিনিই জ্বালামুখী। ভূরি ভূরি বাক্যস্রোতে, জ্ঞানপ্রবাহে দারিদ্র্য ভাসিয়া গিয়াছে, নিরাকার সাকার হইয়াছে, অশিক্ষিত শিক্ষিত হইয়াছে, ভূমিহীন ভূমি পাইয়াছে, দেশ শস্যশ্যামলা হইয়াছে, পল্লি বিদেশভূমির ন্যায় উদ্যানশোভিত, তপোবনের ন্যায় প্রশান্ত, জাপানের ন্যায় মনোরম হইয়াছে। প্রাতে পৌরপিতাগণ স্মিত হাস্যে, স্বীয় কৃতকর্মের উপর দিয়া জয় রাম জয় রাম করিতে করিতে বিশুদ্ধ বায়ুসেবনে বাহির হন। পল্লিবাসিগণ তখন সেই দেশহিতব্রতীগণকে পাত্র পাত্র সরকারি সুপেয়, সুলভ দুগ্ধ সেবন করাইয়া মিলিত কণ্ঠে গাহিতে থাকেন—আহা যে ভালো করেছ মাইরি। আর ভালোতে কাজ নেই। এবার মানে মানে সরে পড়, আমরা বেঁচে যাই। অত:পর গুপীযন্ত্র সহযোগে একতাবদ্ধ, সুউন্নত, মহাবুদ্ধিমান জাতি তারস্বরে নগর [ভাগাড়]-সংকীর্তনে বাহির হয়:

এ দেশেতে এই সুখ হোলো আবার কোথা যাই না জানি।/পেয়েছি এক ভাঙা নৌকা জন্ম গেল ছেঁচতে পানি।/কার বা আমি কে বা আমার/আসল বস্তু ঠিক নাহি তার/বৈদিক মেঘে ঘোর অন্ধকার।/উদয় হয় না দিনমণি।।

অত:পর কী হইবে?

অশ্বডিম্ব হইবে। সভাসমিতি হইবে। ঝান্ডার আস্ফালন হইবে। নিদ্রিত রাজকুলের চোখের সামনে দেশ শ্মশান হইবে। একটিও বাঁশ-ঝাড় অবশিষ্ট থাকিবে না। অশ্বডিম্ব ঘোটক প্রসব করিবে। সেই ঘোটকে স্বদেশি শক, হূণ, পাঠান দল, এই ভারতের মহামানবের সাগরতীরে মুক্ত অসিহস্তে খ্যাচাখাঁই করিবে। আর উত্তরপুরুষ বীর দেহে খড় পুড়িয়ে জাদুঘর বানাইবে। তাহার পর খড়ায়িত বীরগণের পদপ্রান্তে বসিয়া অক্ষক্রীড়া করিবে, দারু সেবন করিবে, গুরু গুরু শব্দে যতপ্রকার কেলোর কীর্তি আছে তাহা করিবে। অবশেষে গাহিতে থাকিবে—আজ আমাদের ন্যাড়া পোড়া কাল আমাদের দোল। পূর্ণিমাতে চাঁদ উঠেছে। বোল হরি বোল।

সকল অধ্যায়
১.
টক ঝাল মিষ্টি
২.
ঘোরকলি
৩.
কেমন আছেন?
৪.
জীবন একটা বেয়াড়া ভাল্লুক
৫.
হতেছে পাগলের মেলা
৬.
সকাল
৭.
আশার কথা
৮.
আর বোলো না ভাই!
৯.
'পৃথিবীতে যত বেটা সব বেটা গোরু'
১০.
আজও দাঁড়িয়ে আছি
১১.
হাঁদা গঙ্গারাম
১২.
কে পরাবে সিঁদুর
১৩.
জীবনের জাতীয় সংগীত
১৪.
মেয়েদের সৌন্দর্য
১৫.
বাস-মিনিবাসের লাইনে ঘোষ, বোস, মিত্তির
১৬.
ফরে কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ, ফরে ফরে
১৭.
বাঁচতে ইচ্ছে করে না
১৮.
বাঁদর
১৯.
কোরা কাগজ
২০.
মৃত্যু একটা ড্রপসিন
২১.
শান্তির সহজপাঠ
২২.
বুদ্ধুকা দেশমে ধুর্তুকা রাজ
২৩.
অনুসন্ধান
২৪.
কোথাকার জল কোথায় গড়ায়
২৫.
প্রেমের শিকল
২৬.
বিপজ্জনক রকমের বড়লোক হয়ো না
২৭.
ছদ্মবেশী
২৮.
প্রেম বাড়ছে
২৯.
হনুমান টুপি
৩০.
বারমুডা ট্র্যাঙ্গল
৩১.
আড়ং ধোলাই
৩২.
হেমন্তের সকাল
৩৩.
হাতপাখা
৩৪.
খেলা
৩৫.
সন্দেহ
৩৬.
পেটে খেলে পিঠে সয়
৩৭.
শেয়াল পণ্ডিতের পাঠশালা
৩৮.
আমার আছে তোমার নেই
৩৯.
ধ্যাততেরিকা সংসার
৪০.
মায়ার খেলা, মায়ের খেলা
৪১.
যে ট্রেনের কোনো ইস্টিশন নেই
৪২.
সুখের লাগিয়া
৪৩.
টেকনিক
৪৪.
বাপের চা
৪৫.
অনশন
৪৬.
এ চোর সে চোর নয়
৪৭.
পরনিন্দা পরচর্চা
৪৮.
অমর বাঙালি
৪৯.
পথের শেষ কোথায়!
৫০.
ইনকিলাব জিন্দাবাদ
৫১.
পুজোর পাঁচালি
৫২.
আকাশ যখন ছবির মতো নীল
৫৩.
সংসার, শূন্য এক ছায়াবাজি
৫৪.
মারডালো
৫৫.
বড় সাধ ছিল
৫৬.
খোলকত্তাল
৫৭.
হিরের টুকরো
৫৮.
কোনওদিন শুনেছ, চোর এসে সাধ করে ধরা দিচ্ছে
৫৯.
অধিকার করে অধিকারী হতে হয়
৬০.
কোথায় কী
৬১.
জীবন ও সাহিত্য
৬২.
শামা হর রঙ্গ মেঁ
৬৩.
যা ছিল, একদিন নেই হবে, যা ছিল না,তা একদিন আছে হবে, শেষ হবে না কিছুই
৬৪.
উলটোপাক
৬৫.
যুবক
৬৬.
কাজের সময় কাজি
৬৭.
সকাল সকাল ভোট দিন
৬৮.
শুভানুধ্যায়ী
৬৯.
ছাতা আর গামছার মাল্টিপারপাস ব্যবহার
৭০.
জোকার
৭১.
আসরটা যে করলে মাটি
৭২.
কাঠুরিয়া
৭৩.
মানুষ হয়ে মরতে চাই
৭৪.
উতলা দখিন বাতাসে
৭৫.
ভাঙলে কিছু গড়তে তো হবে
৭৬.
আতঙ্ক
৭৭.
নিগ্রহ
৭৮.
ছুটির সকাল
৭৯.
স্বপ্ন
৮০.
আয় কাটাকাটি করি
৮১.
কলকাতা—৩০০
৮২.
আপনি কার পেশেন্ট
৮৩.
শরৎকাল
৮৪.
পকেটমারি
৮৫.
দুর্বলের সংসার সবলের সন্ন্যাস
৮৬.
আমি ক্ষুদ্র প্রাণ এক
৮৭.
মন পাখিরে কৃষ্ণকথা বল
৮৮.
জন্ম যার কোলে মৃত্যুও তারই কোলে
৮৯.
কেউ যায় বাজারে পচা মাছ কিনতে,কেউ যায় এভারেস্টে উঠতে
৯০.
উঠে বোসো শালগ্রাম
৯১.
এইবার যাই কোথায়!
৯২.
বেঁচে থাকার বিশ্রী ভয়টা আর নেই
৯৩.
এসেছি কেঁদে, যাই যেন হেসে
৯৪.
নির্জনতায় আমরা ভয় পাই, সজনতায় বিরক্ত হই
৯৫.
নদী ডাকে, আয় চলে আয়
৯৬.
কেউ ঘুমোয় কেউ জাগে

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%