জন্ম যার কোলে মৃত্যুও তারই কোলে

সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

গম-এ হস্তী-কা, অসদ, কিস-সে হো জুজ মর্গ ইলাজ। শমা হর রঙ্গ-মে জলতী হৈ সহর হানে তক।।—গালিব।

ওঁ প্রজাপতয়ে নম:, মানে একটি সংসারের শুরু। সানাই বাজতেও পারে, নাও পারে। আলোর ঝালরে গৃহ সাজতেও পারে, নাও পারে। সাড়ম্বরে অথবা অনাড়ম্বরে সংসারের সূত্রপাত এইভাবেই হয়ে আসছে। একটি রাতের খেলা। শ্রাবণের কোনও বর্ষণ রাত হতে পারে। বসন্তের কোনও উতলা রাত হতে পারে। শামিয়ানার তলায় ছায়া-ছায়া আমন্ত্রিত কিছু মানুষ। আলোর বৃত্তে কিছু উড়ন্ত পোকা, সিগারেটের পাক-খাওয়া ধোঁয়া। কলাপাতায় ফুলকো লুচি, টিকিঅলা ঝুল-কালো বেগুনভাজা। বালি কিচকিচে মরশুমি শাকভাজা, একহাতা মুগের ডাল, সমাহিত মাছের মাথার ভগ্নাংশ, রোরুদ্যমান পাকা পোনার গোটা-দুই খণ্ড, বিমর্ষ মাংসের টুকরো, স্বচ্ছ চাটনিতে পেঁপের ওড়না, চতুষ্কোণ সন্দেশ, বর্তুলাকার রসগোল্লার মলিন মুখচ্ছবি। ত্রিকোণ পান মুখে অভ্যাগতদের সউদগার বিদায়। মধ্যরাতে কুকুরের চিৎকার, এঁটো পাতা নিয়ে টানাটানি। সুচারু শয্যায়, রজনিগন্ধার বাস নিতে নিতে একজোড়া মানবমানবীর তরণি ভাসানো। একবার সুখ এসে হাল ধরে তো, দু:খ এসে সে হাত সরিয়ে দেয়। বন্ধন ক্রমশই দৃঢ় হতে থাকে। জীবনে জীবন মিলে যায়। নতুনের গন্ধ মুছে যায়। জড়তা কেটে আসে।

ডুরেশাড়ি-মোড়া যৌবনে বার্ধক্যের ছায়া নামে। দুই ইতিমধ্যে তিন, তিন থেকে চার, চার থেকে পাঁচ হয়ে যায়। নিচের দিক যত ভরাট হতে থাকে ওপর দিক তত খালি হতে থাকে। শ্বশুর মহাশয়, 'তোমরা সব সুখে থাকো,' বলে একদিন বিদায় নিলেন। বিদায় নিয়ে গেলেন শাশুড়ি। সেদিনের নবদম্পতি হয়ে গেলেন কত্তা, গিন্নি। চারপাশ মা, মা ডাকে সরব। বিদায়ী কর্তার আসনে নতুন কর্তা। বিয়ের রাতের সিল্কের পাঞ্জাবিটি পোকায় ফুটোফুটো করেছে। সোনার বোতাম স্থান নিয়েছে গয়নায় বাক্সে। মনে মনে প্রস্তুতি চলছে মেয়ের বিয়ের। কত্তার যৌবনের লম্বা হাত খাটো হয়েছে। মুখের হাসির বহর কমেছে। যে চোখে চশমা ছিল না সে চোখে চশমা এসেছে। সামনের চুল পাতলা হয়েছে। চামড়ায় ভাঁজ পড়েছে। সময়ের ট্র্যাক্টার জীবনের খেতটিকে কুদলে দিয়েছে। ফসল কি উঠেছে, তা আর ভেবে দেখার সময় নেই। প্রেমের কথা স্বপ্নের কথা সব ফুরিয়ে গেছে, এখন শুধু কাজের কথা, কর্তব্যের কথা। সব খেলাই এখন মধ্য মাঠে, আত্মরক্ষার খেলা।

মধ্যবিত্তের আশা, আকাঙ্ক্ষা খুবই সামান্য। আকাশছোঁয়া কিছু নেই। কেউ রেসের ঘোড়া কিনে ডার্বি জিততে চায় না। মধ্যপ্রদেশের জঙ্গলে সিংহ শিকারের বাসনাও নেই। সাতমহলা ইন্দ্রপুরীর স্বপ্নও কেউ দেখে না। পোয়াভর পাত্রে জীবনের মাপামাপি। লটারিতে হঠাৎ ছিয়াত্তর লাখ টাকা পেয়ে গেলে অনেকে হয় তো মারাই যাবেন। ইচ্ছাপূরণের দেবতা হঠাৎ যদি সামনে এসে প্রশ্ন করেন, 'বলো তুমি কী চাও? তোমার তিনটি বাসনা আমি পূর্ণ করব। মধ্যবিত্ত থতমত খেয়ে যাবেন। ভেবেই পাবেন না, ঠিক কি চাই। শেষে বলবেন, 'হে দেবতা, বিকেলের দিকে আমার গৃহিণীর চোরা অম্বল আর আধকপালেটি চিরতরে দূর করে দাও। এই হল আমার এক নম্বর, মেয়েটির জন্যে একটি পাত্র জুটিয়ে দাও। চতুর্থ আর একটি ইচ্ছা প্রভু, সেটি হল, না ভুগে, না ভুগিয়ে আমি যেন করোনারি থ্রম্বোসিসে দুম করে মরে যেতে পারি।'

যে যেখানে আছে, সে সেখানেই থাকতে চায়। সেইখানেই রেখে যেতে চায় উত্তর পুরুষকে। আগেকার দিনে নিয়ম ছিল, পিতা অবসর নেবার পর, পিতার সেরেস্তাতেই পুত্রের চাকরি মিলত কর্মচারীর সন্তান হিসেবে। এখনও হয়তো কোথাও কোথাও এই নিয়ম চালু আছে। কেরানির ছেলে কেরানি। কম্পাউন্ডারের ছেলে কম্পাউন্ডার। ঠেলে ওপরে ওঠার চেষ্টা করলেও উপায় নেই। স্বপ্ন দেখা যায়। জাগরণের বাস্তবে প্রতিষ্ঠিত করা সহজ নয়। খাঁচার পাখির মাপা আকাশ। বিশাল আকাশে উড়তে গেলেই ডানা বেঁধে যায়।

মাছউলিকে রাজা খাতির করে সুরভিত ঘরে সুন্দর পালঙ্কে শুতে দিলেন। প্রহরের পর প্রহর চলে যায়, ঘুম আসে না। শেষে চুবড়িটি জলে ভিজিয়ে এনে মাথার পাশে রাখল। সেই পরিচিত গন্ধ। ধীরে ধীরে ঘুম এসে গেল।

পাঁচতারা হোটেলে মধ্যবিত্তকে ছেড়ে দিলে তার অবস্থা হবে গরম টিনের চালে বেড়ালের মতো। কার্পেটে জুতোসুদ্ধ পা তোলার আগে বকের মতো থমকে দাঁড়াবে। তারপর একপাশ দিয়ে পা টিপে টিপে হাঁটবে চোরের মতো। যদি বলা হয় কার্পেটের দাম দশ হাজার টাকা, তাহলে পা দিয়ে নয়, হাঁটু দিয়ে হাঁটার চেষ্টা হবে। খাবার টেবিলে ভোজের আয়োজন দেখে হাত গুটিয়ে আসবে। কার পর কী খেতে হয় জানা নেই।

ধনীর বাথরুমে ঢুকে জনৈকের প্রাকৃতিক কর্ম মাথায় উঠে গিয়েছিল। তার নিজের শয়নকক্ষের দ্বিগুণ আয়তন। চতুর্দিকে ঝকঝকে পালিশ-করা। রুপোর মতো ঝকঝকে বাথরুম ফিটিংস। হাত দেবার আগে নিজের হাত দেখতে হয়। হাতের ময়লায় পালিশ না নষ্ট হয়ে যায়। বিশাল বাথটাবে গন্ডাকয়েক কলের মুখ, পাইপের কারিকুরি। বাথটাব যেন বিলাসী বৃদ্ধ। আয়েস করে শুয়ে আছে। মেঝেতে একফোঁটা জল ফেলতে সংকোচ হয়। দেয়ালের গায়ে ওয়াটার হিটার। কলের গায়ে লেখা 'হট' আর 'কোল্ড'।

মধ্যবিত্তের গৃহিণী দেড় হাজার টাকা দামের শাড়ি উপহার পেয়েছিলেন। সে শাড়ি একবার পরেই, খুলে তুলে রাখতে হল। কোথাও বসতে গেলেই ভয় হয়, এই বুঝি দাগ লেগে গেল। চলতে গেলে ভয় হয়, এই বুঝি খোঁচা লেগে গেল। সে শাড়ি তোলাই রইল, বছরের পর বছর পরা হল না। তিনশো টাকা দামের বিলিতি সেন্ট প্রদর্শনীর বস্তু হয়ে আলমারির গর্ভকোষেই মজুত রয়ে গেল, ব্যবহার করার সাহস হল না। একফোঁটার দাম কত সে হিসেব আজও মেলেনি! বড় জটিল গণিত।

যার যে মাপের চলন, সেই মাপেই পা ফেলবে। সুখের সংজ্ঞা যেমন সীমিত, সমস্যার বেশিরভাগই ছ্যাঁচড়া সমস্যা। কল, জল, আলো, দুধ, তেল তেলেভাজা, ইলেকট্রিক বিল, মশা, মাছি, তেলাপোকা, হাঁচি, কাশি, সর্দি, পালাজ্বর, চুল উঠে যাওয়া, চোখ বসে যাওয়া, বায়ু, পিত্ত, মাছের দাম, আলুর দাম, ধুলো, ধোঁওয়া, বাড়িওলা, ভাড়াটে। জিশুখ্রিস্ট ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিলেন। মধ্যবিত্ত জিশুরা আলপিনের খোঁচায় মরোমরো।

এরই মধ্যে সাধ, অন্নপ্রাশন, বিবাহ, শ্রাদ্ধ। শিশুর আগমন। হাম, হামা। যকৃৎ বিবৃদ্ধি, হাতেখড়ি, বিদ্যারম্ভ। কিল, চড়, কানমোলা, মৃদু ধোলাই, আড়ং ধোলাই। কান্না, হাসি, বায়না। কখনও সোনার চাঁদ, মানিক আমার, কখনও গেছো হনুমান। পূর্বপুরুষ যত পাকছে, উত্তরপুরুষ ততই ডাঁসছে। ঠোঁটের ওপর গোঁফের রেখা স্পষ্ট হচ্ছে। গলায় বয়সা ধরছে। মা বাবা ক্রমশই দূরে সরে যাচ্ছে। বাইরের পৃথিবী এগিয়ে আসছে। প্রথমে গোপনে ধূমপান। ক্রমে প্রকাশ্যে। দৃষ্টি তেরছা হচ্ছে। মেয়েদের দিকে তাকাবার ধরন পালটাচ্ছে। 'প্রাপ্তে তু ষোড়শ বর্ষের' নীতিতে সংসার সব মেনে নিচ্ছে।

অবশেষে 'অল রোড লিডস টু রোম'। পিতা ছিলেন কালেক্টরি বড়বাবু। ছেলে ব্যাঙ্কের কেরানি। বছর না ঘুরতেই ওঁ প্রজাপতয়ে নম:। আবার সেই হলুদ নিমন্ত্রণ পত্র। নতুন সিল্কের পাঞ্জাবি। একসেট সোনার বোতাম। একজোড়া নিউকাট। যুগ পালটাচ্ছে। ভিয়েনের বদলে ক্যাটারার। বাঁধা মেনু। কড়া পরিবেশন। সামান্য অদলবদল; কিন্তু সেই এক রাত। নতুন খাটে নতুন বিছানা। মসৃণ চাদর। রজনিগন্ধা একদিন সুবাস ছড়িয়ে শুকিয়ে যাবে। নবাগতার রঙিন ডুরেশাড়ি ধীরে ধীরে রং হারাবে। মৃদু চলন, মৃদু ভাষণ ক্রমে উচ্চ থেকে উচ্চতর হবে। বধূর ঘোমটা খসে, মাতা। সংসারের প্রাচীন মাতাটি ক্রমে ক্রমে অন্তরালে অস্তমিত হতে থাকবেন। একটু একটু করে তাঁর সব অধিকার চলে যাবে অন্যহাতে। এরপরেই ওঁ গঙ্গা। যে খোঁটার সঙ্গে জীবন-তরণী বেঁধেছিলেন, সেই খোঁটাটি কালের নদীতে ভেসে যাবে। শূন্য শয্যায় দীর্ঘ একটি পাশবালিশ। ক্ষয়ে-যাওয়া একজোড়া চপ্পল। পুরু লেনসের চশমা। গোটা-দুই ধর্মপুস্তক। কয়েকটি ওষুধের ফাইল নীরবে তাকিয়ে থাকবে নি:সঙ্গ বৃদ্ধার দিকে। কেউ বুঝবে না তাঁর বেদনা। সংসার কখনোই তেমন মরমি নয়। হাঁসের মতো। পালকে জল ধরে না। বেদনার খোঁচা সময়ের শানে পড়ে মোলায়েম হয়ে আসে। কোনও যাওয়াই দীর্ঘকাল মনে রাখা যায় না। আগমনের চাপে নির্গমনের বেদনা মুছে যায়। ঝুল ঝাড়তে গিয়ে হঠাৎ চোখে পড়ে যায় একসার ছবি। অন্নপ্রাশনের আসনে টোপর মাথায় শিশু ক্রমে প্যান্ট-পরা কিশোর। কিশোর যুবক। স্বামী-স্ত্রী। বৃদ্ধ-বৃদ্ধা। শেষে একজন আছেন আর একজন নেই। অবশেষে দুজনেই ওঁ গঙ্গা। গালিবের মতো বলতে ইচ্ছে করেঃ

হস্তী হৈ নহ কুছ অদম হৈ, গালিব!

আখির তো কেয়া হৈ, অয় নহী হৈ?

সব আছে, না কিছুই নেই, গালিব?

শেষ পর্যন্ত ব্যাপারটা কী? নাকি কোনো ব্যাপারই নেই?

[অনুবাদ: আবু সৈয়দ আইয়ুব]

জীবনের শেষটা সকলেরই ভারী নি:সঙ্গ। পাশের খেলার মাঠে তাদের উল্লাস, যারা নতুন এসেছে। রেফারি বাঁশি বাজাচ্ছে। দূরে গাছের পাতা বাতাসে আন্দোলিত হচ্ছে। কৃষ্ণকলি ফুটেছে, রাত ভোর হবার আগেই ম্লান হবার জন্যে। পাশের ঘরে নাতিরা গোল হয়ে বসেছে ক্যারামবোর্ড ঘিরে। স্ট্রাইকারের শব্দ হচ্ছে খটাস খটাস। পুত্রবধূ আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কপালে টিপ আঁকছে সুচারু করে। টিভির পরদায় যিনি গান গাইছেন, তিনি বছর পাঁচেক আগে পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। ছায়া শরীর, ছায়াকণ্ঠ পড়ে আছে।

জীবনের সব কাজ শেষ হয়ে গেলে কেমন লাগে? সেই সব কাজ, যা আর নতুন করে শুরু করা যাবে না। শুধু অপেক্ষা। হয় ক্ষণ অপেক্ষা, নয় দীর্ঘ অপেক্ষা। অপেক্ষা বড় ক্লান্তিকর। গাছতলায় প্রেমিকের অপেক্ষা। রোগীর ডাক্তারের জন্যে অপেক্ষা। বিদেশ থেকে ছেলের চিঠি আসবে, তার অপেক্ষা। দুর্যোগের রাতে প্রিয়জন ঘরে ফেরেনি, তার অপেক্ষা। পদশব্দ শোনা গেছে, কখন কে আসে, বড় উৎকণ্ঠা। সময়কে তখন বড় দীর্ঘ মনে হয়। শেষবেলার ছায়ার মতো।

কাছের মানুষ তখন অনেক দূরের। শব্দে নৈ:শব্দ্য। জীবনেই মৃত্যু। হাতের মুঠো খুলে খুলে মুহূর্তের পাখিরা অনবরতই উড়ে চলেছে। কাউকেই আর ফেরানো যাবে না। যাহা যায়, তাহা যায়। শূন্য এ বুকে যতই ডাকো না কেন পাখি আর ফিরবে না। গালিব সাহেবের মতোই বলতে ইচ্ছে করবে: বাদহ আনে-কা বফা কীজীয়ে; য়েহ কেয়া অন্দাজ হৈ,

তুম-নে কিঁউ সঁওপী হৈ মেরে ঘর-কী দরমানী মুঝে।

আসবে ব'লে কথা দিয়েছো, কথা রাখো;

এ কেমন রীতি তোমার,

আমাকে আমারই দরজায়

দারোয়ানির কাজ দিয়েছো কেন?

[অনুবাদ: আবু সয়ীদ আইয়ুব]

সকল অধ্যায়
১.
টক ঝাল মিষ্টি
২.
ঘোরকলি
৩.
কেমন আছেন?
৪.
জীবন একটা বেয়াড়া ভাল্লুক
৫.
হতেছে পাগলের মেলা
৬.
সকাল
৭.
আশার কথা
৮.
আর বোলো না ভাই!
৯.
'পৃথিবীতে যত বেটা সব বেটা গোরু'
১০.
আজও দাঁড়িয়ে আছি
১১.
হাঁদা গঙ্গারাম
১২.
কে পরাবে সিঁদুর
১৩.
জীবনের জাতীয় সংগীত
১৪.
মেয়েদের সৌন্দর্য
১৫.
বাস-মিনিবাসের লাইনে ঘোষ, বোস, মিত্তির
১৬.
ফরে কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ, ফরে ফরে
১৭.
বাঁচতে ইচ্ছে করে না
১৮.
বাঁদর
১৯.
কোরা কাগজ
২০.
মৃত্যু একটা ড্রপসিন
২১.
শান্তির সহজপাঠ
২২.
বুদ্ধুকা দেশমে ধুর্তুকা রাজ
২৩.
অনুসন্ধান
২৪.
কোথাকার জল কোথায় গড়ায়
২৫.
প্রেমের শিকল
২৬.
বিপজ্জনক রকমের বড়লোক হয়ো না
২৭.
ছদ্মবেশী
২৮.
প্রেম বাড়ছে
২৯.
হনুমান টুপি
৩০.
বারমুডা ট্র্যাঙ্গল
৩১.
আড়ং ধোলাই
৩২.
হেমন্তের সকাল
৩৩.
হাতপাখা
৩৪.
খেলা
৩৫.
সন্দেহ
৩৬.
পেটে খেলে পিঠে সয়
৩৭.
শেয়াল পণ্ডিতের পাঠশালা
৩৮.
আমার আছে তোমার নেই
৩৯.
ধ্যাততেরিকা সংসার
৪০.
মায়ার খেলা, মায়ের খেলা
৪১.
যে ট্রেনের কোনো ইস্টিশন নেই
৪২.
সুখের লাগিয়া
৪৩.
টেকনিক
৪৪.
বাপের চা
৪৫.
অনশন
৪৬.
এ চোর সে চোর নয়
৪৭.
পরনিন্দা পরচর্চা
৪৮.
অমর বাঙালি
৪৯.
পথের শেষ কোথায়!
৫০.
ইনকিলাব জিন্দাবাদ
৫১.
পুজোর পাঁচালি
৫২.
আকাশ যখন ছবির মতো নীল
৫৩.
সংসার, শূন্য এক ছায়াবাজি
৫৪.
মারডালো
৫৫.
বড় সাধ ছিল
৫৬.
খোলকত্তাল
৫৭.
হিরের টুকরো
৫৮.
কোনওদিন শুনেছ, চোর এসে সাধ করে ধরা দিচ্ছে
৫৯.
অধিকার করে অধিকারী হতে হয়
৬০.
কোথায় কী
৬১.
জীবন ও সাহিত্য
৬২.
শামা হর রঙ্গ মেঁ
৬৩.
যা ছিল, একদিন নেই হবে, যা ছিল না,তা একদিন আছে হবে, শেষ হবে না কিছুই
৬৪.
উলটোপাক
৬৫.
যুবক
৬৬.
কাজের সময় কাজি
৬৭.
সকাল সকাল ভোট দিন
৬৮.
শুভানুধ্যায়ী
৬৯.
ছাতা আর গামছার মাল্টিপারপাস ব্যবহার
৭০.
জোকার
৭১.
আসরটা যে করলে মাটি
৭২.
কাঠুরিয়া
৭৩.
মানুষ হয়ে মরতে চাই
৭৪.
উতলা দখিন বাতাসে
৭৫.
ভাঙলে কিছু গড়তে তো হবে
৭৬.
আতঙ্ক
৭৭.
নিগ্রহ
৭৮.
ছুটির সকাল
৭৯.
স্বপ্ন
৮০.
আয় কাটাকাটি করি
৮১.
কলকাতা—৩০০
৮২.
আপনি কার পেশেন্ট
৮৩.
শরৎকাল
৮৪.
পকেটমারি
৮৫.
দুর্বলের সংসার সবলের সন্ন্যাস
৮৬.
আমি ক্ষুদ্র প্রাণ এক
৮৭.
মন পাখিরে কৃষ্ণকথা বল
৮৮.
জন্ম যার কোলে মৃত্যুও তারই কোলে
৮৯.
কেউ যায় বাজারে পচা মাছ কিনতে,কেউ যায় এভারেস্টে উঠতে
৯০.
উঠে বোসো শালগ্রাম
৯১.
এইবার যাই কোথায়!
৯২.
বেঁচে থাকার বিশ্রী ভয়টা আর নেই
৯৩.
এসেছি কেঁদে, যাই যেন হেসে
৯৪.
নির্জনতায় আমরা ভয় পাই, সজনতায় বিরক্ত হই
৯৫.
নদী ডাকে, আয় চলে আয়
৯৬.
কেউ ঘুমোয় কেউ জাগে

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%