সকাল

সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

ভোর পাঁচটায় অ্যালার্ম সেট। আগেকার কালের ঘড়িতে অ্যালার্ম বাজত খ্যাড় খ্যাড় করে। এক একটা ঘড়ি আবার নিজের বুকের শব্দে লাফিয়ে লাফিয়ে উঠত ব্যাঙের মতো। কর্তার ঘুম এতেও না ভাঙলে মাথার কাছের ছোট্ট টেবিল থেকে স্খলিত হয়ে ঘাড়ে এসে পড়ত। গড়িয়ে বালিশে। কানের কাছে। বেজেই যাচ্ছে, বেজেই যাচ্ছে। ঘুম জড়ানো গলায় বললে, 'সকাল থেকেই শুরু করলে? থামবে, না বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দোবো।' শেষে খেয়াল হল, এ তো বউ নয়, ঘড়ি।

একালের ঘড়ির অ্যালার্মে নানা রকম স্তোত্র সুরে বাজে। আমার ঘড়িতে গায়ত্রী মন্ত্র। যেই 'ওঁ' শুনলুম, সঙ্গে সঙ্গে হাত বাড়িয়ে অ্যালার্ম বন্ধ করে পাশ ফিরে ঘুম। সেই সাতটা। এই ঘুমটা খুব সুইট।

সকালের চা রাইট টাইমেই প্ল্যাটফর্মে ঢোকে। দু-চার মিনিট লেট ধর্তব্য নয়। এরপর কাগজ। এক নজরে যতটা পারা যায়। একটা রেল চিৎপটাং। ছটা খুন। তিনটে ধর্ষণ। পথ দুর্ঘটনা। ছজন ফৌত। বর্ডারে উট। দুপক্ষে বুলেট বিনিময় যুদ্ধ-যুদ্ধ খেলা। এদিকে ওদিকে। আমেরিকার বল, ইরাকের ব্যাট। আউটও নেই, রানও নেই। গোটাকতক সুন্দরী ভীষণ জ্বালাচ্ছে। কখনো চুল, কখনো হিরের গয়না, কখনো মোবাইল ফোন। মোবিলেও আছে, মোটর সাইকেলেও হাজির। টিভির পর্দায়, কাগজের পাতায় স্বল্পবাস ষোড়শী আর বাজারে গিয়ে মাছ দেখা প্রায় একই রকম হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোমরে দুলবে কোল্ড ড্রিংকস, বক্ষচূড়ায় হিরে। খোলা চুলে শ্যাম্পু-ঝিলিক, পেট ভরবে কীসে?

কেন আলু? ট্রিমেন্ডাস ফলন। আলু খাও আলু।

বাজার দর্শন আর নরকদর্শন প্রায় এক। পেছনে মানুষের গুঁতো, বুকে দামের খোঁচা। পরিচিতজন বললে, 'আবার পড়ল।'

'কে পড়ল? কোথা থেকে পড়ল?'

'কাগজ পড়ো না? সুদ, সুদ। আরো এক পার্সেন্ট ধপাস।'

আগে এইরকম বলত, 'রুগির অবস্থা খুব খারাপ। যমে-মানুষে টানাটানি চলেছে।' ব্যাংকের সুদের অবস্থাও তাই। কী টানাটানিরে ভাই! যাক গে। এখন ষাট টাকায় গোটা বাজারটা কিনতে হবে। কীভাবে? কিছু কিনব চোখ দিয়ে। কী রকম? আহা! গায়ে গতরে মাছটা কেমন শুয়ে আছে দেখ! যেন সুন্দরী কমলা। থাক, তুমি তোমার জায়গায় থাক। আমার টাকা আমার জায়গায় থাকুক। সজনে ডাঁটার আবেদন, নিমপাতার নিবেদন, কচি আমের হাতছানি, মোচার মুচকি হাসি উপেক্ষা করো। কয়েক কেজি আলু, গোটাকতক প্রসন্ন ডিম নিয়ে নিরাপদ প্রত্যাবর্তন।

যা-আ!

কী ভুললে?

ছেলের স্কুলের টিফিন। আর হাঁটুর বাতের মলম। স্ত্রীর বয়েস বাড়ছে। মুখের বাত হাঁটুতে নেমে বসে আছে মৌনী হয়ে।

টিফিন? বিশাল প্রবলেম।

কেন? রুটি কুমড়োর তরকারি?

মাথা খারাপ? বাংলা মিডিয়ামেই অচল। ছেলের আমার ইংলিশ মিডিয়াম। যখন সেজেগুজে, টাই-ফাই পরে বেরোয় মনে হয় সায়েব বাচ্চা। বাপের নাম।

ভোলানাথ নয়, ম্যাকিন্টস বার্ন। মায়ের নাম মনোরমা নয়, জুলিয়ান ডে।

সুপ্রিয়! বল তো ভাই, আজ কী টিফিন দেওয়া যায়?

কেন। একটা কেক। এক প্যাকেট চিপস। আর 'বাবুল গাম।' ওই শেষেরটাই ঘণ্টা তিনেক টেনে দেবে। দেখেন নি, বড়ো বড়ো ক্রিকেটাররা, কেবল চিবোচ্ছে। চিবিয়ে চিবিয়ে চার পাঁচ ঘণ্টা চালিয়ে দিচ্ছে। কেকের সঙ্গে একটা কলা সিঙ্গাপুরী।

ধুস? সিঙ্গাপুরীতে শুধু জল।

শুধু জল নয়, সঙ্গে কলও আছে। সঙ্গে সাত আটটা আঙুর ঢুকিয়ে দেবেন, একটা আপেল। যা পড়াশোনার চাপ, তেড়ে খাওয়াতে হবে।

ভীষণ মোটা আর বেঁটে হয়ে যাচ্ছে। থ্যাসকা মতো।

হবেই তো। চাপে। জীবনের কী চাপ! এক চুল এদিকওদিক হলেই আউট। গন ফট। আত্মহত্যার কি হিড়িক রে ভাই! একটি রেল, পাতাল রেল, দড়ি, জলে ডোবা, ছাত থেকে ঝাঁপ। যে যখনই সময় পাচ্ছে আত্মহত্যা করছে। এই তো কদিন আগে আমাদের এক বন্ধু। একসঙ্গে বসে চা খাচ্ছিলুম। হঠাৎ বললে, বোস, একটু হালকা হয়ে আসি। আর এল না। খোঁজ খোঁজ। ঝুলছে। ভালোবাসা যেন একটা ব্যামো!

কেলেঙ্কারি ব্যাপার! আর সেই রকম কিছু মেয়েও বেরিয়েছে বটে মার্কেটে! ভালো ভালো ছেলে ধরছে আর নারকোলের ছোবড়া ছাড়াবার মতো করে সব ছাড়িয়ে ছাড়িয়ে খোল, জল, শাঁস আলাদা করে ছেড়ে দিচ্ছে। সব শিকারি। প্রেমের এ-কে ফর্টিসেভন। মোড়ের মাথার সেলুনের ছেলেটি ভীষণ ভালো। বললে, 'আসুন, স্যাট করে নামিয়ে দি একটানে।' মন্দ প্রস্তাব নয়। আজ একটু বেশি দেরি করে ফেলেছি। লট-বহর বের করে বাড়িতে বসতে গেলে বহুত সময় লেগে যাবে।

সেলুন সেরে কিছু দূর এগোতেই রমেশ বাবু। 'তোমরা একটা প্রতিবাদ করবে কি না?'

'কীসের প্রতিবাদ?'

খুব রেগে গেলেন, 'সব জান, জেনে শুনে ন্যাকামি! বাড়িঅলার ছেলে আমার মেজ মেয়েটাকে ধরেছে।'

'আজ্ঞে, বাঘে ধরলে গুলি করে নামানো যায়, একটা ছেলে ধরলে কী করা যাবে কাকাবাবু?'

'এর মধ্যে শুধু ধরা নেই, ধরাধরি আছে।'

'তার মানে? হোয়াট ডু ইউ মিন?'

'আই মিন ম্যারেজ। শুনুন, আপনি ভীষণ বোকা।'

'বোকা?'

'ইয়েস বোকা। ভালো করে শুনুন। আপনার বাড়িঅলার সবেধন নীলমণি একটি। সেটিকে যদি খেলিয়ে জামাই করে ডাঙায় তুলতে পারেন বাড়িটা আপনার মেয়ের হবে। এখন দেখতে হবে মাছটা ফসকে না যায়!'

'হুঁ, বলেছ ভালো। যাতে ফসকে না যায় তার প্রিকসান?'

'কড়া নজর রাখুন, আর একটা মেয়ে না ঘোঁত করে ঢুকে পড়ে! মেয়েরা এখন চিল।'

'সেটা কী করে সম্ভব?'

'গোয়েন্দাগিরি। চিৎপুর থেকে দড়ি, পরচুল কিনে ফেলুন। ছদ্মবেশী। দেখবেন, বেশ মজা লাগবে। আর বুঝতে পারবেন, ছেলে, মেয়ে বাপের সম্পত্তি নয়। সব শ্বশুরের সম্পত্তি।'

'অতএব, বাপ না হয়ে শ্বশুর হওয়ার চেষ্টা করুন।'

ভদ্রলোক ঘাবড়ে গেলেন। দাঁড়িয়ে রইলেন। হাতে বাজারের ব্যাগ। পাশ দিয়ে অটো চলে যাচ্ছে নানা ছন্দে। একগুঁয়ে মোটর সাইকেল। বাড়িতে ঢোকবার মুখে আর একবার, যা:। যা: চা। চা কেনা হয়নি। দুটো জিনিস—চাবি আর চা। ভুল হবেই হবে।

বাজার করার পুরস্কার অথবা পারিশ্রমিক এক কাপ চা। গৃহিণীর অবস্থা আমার চেয়েও খারাপ। গ্যাসের দুটো বার্নারই জ্বলছে। একটায় ডাল, একটায় তরকারি। পায়ের কাছে আদুরে বেড়ালের মিউ, মিউ। 'দাঁড়া না পুসি। এই তো দুধ খেলি। আগে অফিসটাকে অফিসে পাঠাই। স্কুলটাকে স্কুলে। সব সময় খেলে চলে? খাওয়ায় একটু রেস্ট দিতে হয়।'

পুসি বুঝদারের মতো হালকা একটা 'মিউ' ছাড়ল।

পরক্ষণেই ছেলেকে, 'চুলে ভরতি জল। ভালো করে মোছ।'

আর ঠিক তখনই ভীষণ উত্তেজিত অবস্থায় প্রবেশ করলেন আমাদের পাড়ার রমলা মাসি। প্রবীণা। তিনি চার বছর হল স্বামী মারা গেছেন। ছেলে প্রেম করে বিয়ে করেছে।

'বউমা। কিছু করবে কি করবে না?'

বউমার নিশ্বাস ফেলার সময় নেই। 'কী করব মাসিমা?'

'আজ সকালে আমাকে ঝুল ঝাড়ু দেখিয়েছে। শুধু দেখায়নি, নেচে নেচে গেয়েছে —মার ঝাড়ু মার ঝাড়ু মেরে ঝেঁটিয়ে বিদেয় কর।'

'বাড়িটা তো আপনার নামে, দুটোকে এইবার আপনিই বিদায় করে দিন।'

'বউমা দুটোতেই পার্টি করে।'

'আপনি বিরোধী পার্টি করুন। যা হবার পার্টিতে পার্টিতে হোক।'

রমলা মাসি কাঁদছেন, 'বউমা দশমাস দশদিন এই ছেলেকে আমি গর্ভে ধারণ করেছি। বুকের দুধ খাইয়েছি।'

চোখ মুছে বললেন, 'তোমাদের রাঁধুনির দরকার নেই? আমাকে রাখ না বউমা।'

মেঝেতে বসে পড়লেন অসহায় মহিলা। স্বামী ছিলেন নামকরা শিক্ষক। কত ছেলেকে মানুষ করলেন, নিজেরটি হয়ে গেল অমানুষ!

এইবার দৌড়। চলো কর্মস্থলে। যাওয়ার পথ মসৃণ নয়। জায়গায় জায়গায় যানজট। পথ অবরোধ। বাজার রাস্তা খেয়ে বসে আছে। গোরু, ছাগলও আহারের সন্ধানে বেরোয়। মানুষের মতো এমন দৌড়য় না।

বাসে পাশে যিনি বসে আছেন, বহুক্ষণ ধরে উসখুস করছেন। একবার এ পকেটে হাত, একবার ও পকেটে, 'যা:'।

'কী হল?'

'মানি ব্যাগ। গন। গো, ওয়েন্ট, গন।'

ভদ্রলোক কেমন-কেমন চোখে তাকালেন আমার দিকে। কী রে বাবা! আমাকেই পকেটমার ভাবছেন না তো।

ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করলুম, 'কত ছিল?'

গম্ভীর গলায় বললেন, 'খুললেই দেখতে পাবেন।'

'মানে? আমি পকেটমার? বসে বসে পকেট মারা যায়?'

এপাশে, ওপাশে আমার বন্ধু-বান্ধব। দীর্ঘদিনের সহযাত্রী। তারা জিজ্ঞেস করল, 'কী হয়েছে রে?'

ভদ্রলোক ঝাঁ করে উঠে, গুঁতোতে গুঁতোতে নেমে গেলেন। পর মুহূর্তেই আমার বলার পালা, 'যা:!'

'কী হল রে?'

'গো, ওয়েন্ট, গন। আমার ব্যাগ গন।'

'লিখে রাখ, পকেট শুধু দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে নয়, বসে বসেও মারা যায়। নার্সিং হোমে আমার বউয়ের বালিশের তলা সাফ করে দিয়েছিল।'

'পাশ থেকে বাচ্চা সাফ করে দিচ্ছে। দশমাস গর্ভধারণের ফল ফক্কা। শূন্য হাতে সগর্বে প্রত্যাবর্তন। মা হয়েছে। ছেলে কই?'

সকল অধ্যায়
১.
টক ঝাল মিষ্টি
২.
ঘোরকলি
৩.
কেমন আছেন?
৪.
জীবন একটা বেয়াড়া ভাল্লুক
৫.
হতেছে পাগলের মেলা
৬.
সকাল
৭.
আশার কথা
৮.
আর বোলো না ভাই!
৯.
'পৃথিবীতে যত বেটা সব বেটা গোরু'
১০.
আজও দাঁড়িয়ে আছি
১১.
হাঁদা গঙ্গারাম
১২.
কে পরাবে সিঁদুর
১৩.
জীবনের জাতীয় সংগীত
১৪.
মেয়েদের সৌন্দর্য
১৫.
বাস-মিনিবাসের লাইনে ঘোষ, বোস, মিত্তির
১৬.
ফরে কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ, ফরে ফরে
১৭.
বাঁচতে ইচ্ছে করে না
১৮.
বাঁদর
১৯.
কোরা কাগজ
২০.
মৃত্যু একটা ড্রপসিন
২১.
শান্তির সহজপাঠ
২২.
বুদ্ধুকা দেশমে ধুর্তুকা রাজ
২৩.
অনুসন্ধান
২৪.
কোথাকার জল কোথায় গড়ায়
২৫.
প্রেমের শিকল
২৬.
বিপজ্জনক রকমের বড়লোক হয়ো না
২৭.
ছদ্মবেশী
২৮.
প্রেম বাড়ছে
২৯.
হনুমান টুপি
৩০.
বারমুডা ট্র্যাঙ্গল
৩১.
আড়ং ধোলাই
৩২.
হেমন্তের সকাল
৩৩.
হাতপাখা
৩৪.
খেলা
৩৫.
সন্দেহ
৩৬.
পেটে খেলে পিঠে সয়
৩৭.
শেয়াল পণ্ডিতের পাঠশালা
৩৮.
আমার আছে তোমার নেই
৩৯.
ধ্যাততেরিকা সংসার
৪০.
মায়ার খেলা, মায়ের খেলা
৪১.
যে ট্রেনের কোনো ইস্টিশন নেই
৪২.
সুখের লাগিয়া
৪৩.
টেকনিক
৪৪.
বাপের চা
৪৫.
অনশন
৪৬.
এ চোর সে চোর নয়
৪৭.
পরনিন্দা পরচর্চা
৪৮.
অমর বাঙালি
৪৯.
পথের শেষ কোথায়!
৫০.
ইনকিলাব জিন্দাবাদ
৫১.
পুজোর পাঁচালি
৫২.
আকাশ যখন ছবির মতো নীল
৫৩.
সংসার, শূন্য এক ছায়াবাজি
৫৪.
মারডালো
৫৫.
বড় সাধ ছিল
৫৬.
খোলকত্তাল
৫৭.
হিরের টুকরো
৫৮.
কোনওদিন শুনেছ, চোর এসে সাধ করে ধরা দিচ্ছে
৫৯.
অধিকার করে অধিকারী হতে হয়
৬০.
কোথায় কী
৬১.
জীবন ও সাহিত্য
৬২.
শামা হর রঙ্গ মেঁ
৬৩.
যা ছিল, একদিন নেই হবে, যা ছিল না,তা একদিন আছে হবে, শেষ হবে না কিছুই
৬৪.
উলটোপাক
৬৫.
যুবক
৬৬.
কাজের সময় কাজি
৬৭.
সকাল সকাল ভোট দিন
৬৮.
শুভানুধ্যায়ী
৬৯.
ছাতা আর গামছার মাল্টিপারপাস ব্যবহার
৭০.
জোকার
৭১.
আসরটা যে করলে মাটি
৭২.
কাঠুরিয়া
৭৩.
মানুষ হয়ে মরতে চাই
৭৪.
উতলা দখিন বাতাসে
৭৫.
ভাঙলে কিছু গড়তে তো হবে
৭৬.
আতঙ্ক
৭৭.
নিগ্রহ
৭৮.
ছুটির সকাল
৭৯.
স্বপ্ন
৮০.
আয় কাটাকাটি করি
৮১.
কলকাতা—৩০০
৮২.
আপনি কার পেশেন্ট
৮৩.
শরৎকাল
৮৪.
পকেটমারি
৮৫.
দুর্বলের সংসার সবলের সন্ন্যাস
৮৬.
আমি ক্ষুদ্র প্রাণ এক
৮৭.
মন পাখিরে কৃষ্ণকথা বল
৮৮.
জন্ম যার কোলে মৃত্যুও তারই কোলে
৮৯.
কেউ যায় বাজারে পচা মাছ কিনতে,কেউ যায় এভারেস্টে উঠতে
৯০.
উঠে বোসো শালগ্রাম
৯১.
এইবার যাই কোথায়!
৯২.
বেঁচে থাকার বিশ্রী ভয়টা আর নেই
৯৩.
এসেছি কেঁদে, যাই যেন হেসে
৯৪.
নির্জনতায় আমরা ভয় পাই, সজনতায় বিরক্ত হই
৯৫.
নদী ডাকে, আয় চলে আয়
৯৬.
কেউ ঘুমোয় কেউ জাগে

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%