জানা এবং অজানা

শ্রীজিৎ সরকার

এর মধ্যেই প্রায় কুড়িঘন্টা কেটে গেছে৷ থানায় ডায়েরি করা হয়ে গেছে, খবরের কাগজের ‘নিখোঁজ’ কলামের জন্য বিজ্ঞাপন পাঠানো হয়ে গেছে, ফেসবুক নিউজফিডে বুবাইয়ের ছবি সমেত ‘সন্ধান চাই’ পোস্ট করা হয়ে গেছে, সেই পোস্ট একশোর বেশি শেয়ার হয়ে গেছে, কলকাতার রাস্তা যতটা সম্ভব আঁতিপাঁতি করে খোঁজা হয়ে গেছে...

বুবাই এখনও অদৃশ্য!

দৃশ্যটার কথা যেন এখনও স্মিতা পুরোপুরি বিশ্বাস করতে পারছে না৷ দিনে-দুপুরে, চোখের সামনে থেকে ওইভাবে একটা জলজ্যান্ত ছেলে অদৃশ্য হয়ে গেল! এ কি ভোজবাজি নাকি? নাকি কোনও অদৃশ্য জাদুকরের করা দুর্দান্ত একটা জাদু? এই ঘটনাকে ব্যাখ্যা করতে পারে— সাধারণ বুদ্ধিতে তো এমন কোনও যুক্তি-ই দাঁড় করানো যাচ্ছে না৷

ঘোর কাটতেই তো স্মিতা তক্ষুনি ফোন করেছিল রণজয়কে; ঠিকঠাক গুছিয়ে সব বলতেও পারছিল না৷ তবু রণজয় স্মিতার ওই কাঁপা-কাঁপা, অসংলগ্ন কথাগুলো শুনতে-শুনতেই আঁচ করে নিয়েছিল, কিছু একটা ঘটেছে; যা ঘটেছে সেটা ভালো নয়; এবং সবচেয়ে বড় কথা, সেটা বুবাই-সংক্রান্ত৷ ও সঙ্গে-সঙ্গে বাড়ি চলে এসেছিল৷

তারপর থেকে যে কী দুঃসহ সময় কাটছে, আতঙ্ক আর উৎকন্ঠা যে কেমন অজগরের মতো পাকে-পাকে শ্বাসরোধ করে ফেলার চেষ্টা চালাচ্ছে,

খিদে-ঘুম সব অদৃশ্য হয়ে কেবল দুশ্চিন্তা পড়ে আছে— সেসব শুধু স্মিতা আর রণজয়-ই জানে৷

স্মিতা তো কাঁদতেও ভুলে গেছে৷ কেবল নির্বাক হয়ে বসে থাকছে আর মাঝেমাঝে বলে উঠছে, ‘আমার ছেলে কোথায় গেল রণজয়?’

বেশ তো ছিল ওরা তিনজন নিজেদের মতো৷ সাধারণ, সুখী একটা ছোট্ট সংসার৷ এ কোন রাহু এল ওদের শান্ত-শিষ্ট জীবনে? কার অভিশাপে এইভাবে ওদের শান্তি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে? কোন অভিশাপের ছায়া ঢেকে দিচ্ছে সব আলো?

সত্যি বলতে, বুবাইয়ের চিন্তায় এখন অনুরাধার কথা কিছুটা ফিকে হয়ে গেছে৷ স্মিতা জানে, এটা হয়তো কিছুটা স্বার্থপরের মতো ব্যাপার হয়ে যাচ্ছে৷ তবুও— সন্তান তো সন্তান-ই৷

দৃশা রান্না করছে৷ খাওয়ার রুচি এখন কারোরই নেই৷ হয়তো যা রাঁধা হবে, তার বেশিরভাগটাই ফ্রিজে পড়ে থেকে বাসি হবে; তবুও ও ওর কাজে কোনও খামতি রাখছে না৷

তবে এখনও পর্যন্ত, দৃশা এই বিষয় নিয়ে তেমন কোনও কথা বলেনি৷ কিছু কি আন্দাজ করতে পারেনি? নিশ্চয়ই পেরেছে৷ অবশ্য নিজের কাজ ছাড়া অন্যান্য ব্যাপারে ওর আগ্রহ বরাবরই খুব কম৷

রণজয় আর স্মিতা জামা-কাপড় পরে, বসার ঘরে এসে দাঁড়াল৷

স্মিতা বলল, ‘রান্না হয়ে গেলে, তুমি দরজা বাইরে থেকে লক করে চলে যেও দৃশা৷ আমরা চাবি দিয়ে খুলে নেব৷’

দৃশা কোনও উত্তর দিল না৷

স্মিতা নিজের হাত-ব্যাগে একবার চোখ বুলিয়ে নিল৷ নাহ, কিছুই ভোলেনি৷ সবই নিয়ে নিয়েছে৷

রণজয় একবার জিজ্ঞাসা করল, ‘সব নিয়েছ তো?’

ঘাড় নাড়ল স্মিতা, ‘হ্যাঁ৷ চলো৷’

এখন ওরা দু-জন আবার বেরোচ্ছে রাস্তায় খোঁজাখুঁজি চালাতে৷ তার আগে অবশ্য আরেকবার থানায় যাবে, খোঁজখবর নেবে৷

রণজয় আর স্মিতা দরজার দিকে পা বাড়াল৷

‘এই খোঁজাখুঁজি বৃথা৷ এভাবে আপনারা বুবাইকে কোনওদিন পাবেন না৷’

স্মিতা আর রণজয় দাঁড়িয়ে পড়ল৷

কথাটা দৃশা বলেছে— হ্যাঁ, দৃশা-ই৷ কিন্তু বলার স্বরটা... কোথায় গেল ওর সেই নরম-সরম, আধো-লাজুক আওয়াজ? এমনকি যে সুরে ও মাঝেমধ্যে নানারকম খামখেয়ালি মন্তব্য করে— এটা তো সেরকমও না৷ এটা আরও দৃঢ়, আরও আত্মবিশ্বাসী৷ মনে হচ্ছে: হয় ও জানে, বুবাই কোথায় আছে; নয়তো ও জানে, বুবাইকে কীভাবে পাওয়া যাবে৷

দৃশা ওভেন বন্ধ করে, বসার ঘরে এসে দাঁড়াল৷ তারপর ঠিক আগের সুরেই বলল, ‘এভাবে সারাজীবন ধরে খুঁজলেও আপনারা বুবাইকে পাবেন না৷’

এখন স্মিতাদের চমকটা কেটে গেছে৷ বরং তার জায়গায় মনের মধ্যে খানিকটা বিরক্তি এসে জড়ো হচ্ছে৷

স্মিতা ভুরু কুঁচকে বলল, ‘কীসব বলছ তুমি দৃশা? আর ইউ ম্যাড— পাগল হলে নাকি?’

রণজয়ের অবস্থাও খানিকটা স্মিতারই মতো৷ তবে স্মিতা কথা বলছে দেখে ও আর কোনও কথা বলল না৷

স্মিতাকে উত্তেজিত হতে দেখেও দৃশা শান্তই থাকল৷ আস্তে-আস্তে দু-পাশে মাথা নেড়ে ও বলল, ‘না৷ আমি ঠিক আছি৷ বরং ছেলের শোকে আপনারা পাগল হয়েছেন৷ ওকে কেন রাস্তায় খুঁজতে যাচ্ছেন? বুবাই কি রাস্তায় হারিয়ে গিয়েছিল? কী করে পুলিশ ওকে খুঁজে পাবে? ওকে কেউ কিডন্যাপ করেছে? নাকি তুলে নিয়ে গেছে?’

অকাট্য যুক্তি৷

ঠিক বেরোনোর মুখে এইভাবে পিছনে ডাকার জন্য এবং আলপটকা কথা বলার জন্য স্মিতা আর রণজয়ের মনে যে বিরক্তিটা জমা হচ্ছিল— সেটা যেন একটু ফিকে হয়ে গেল৷ শুনতে খারাপ, তবু দৃশার কথাগুলো তো একশো শতাংশ সত্যি৷

স্মিতা একটা ঢোঁক গিলে, অসহায়ের মতো বলল, ‘তাহলে তুমি কী বলতে চাইছ দৃশা? আমরা আমাদের ছেলেকে খুঁজে পাব না?’

‘পাবেন৷ তবে এইভাবে না৷’

রণজয় অধৈর্য্য হয়ে উঠল, ‘তো কীভাবে? আমার একমাত্র ছেলে মিসিং, আর আমি ঘরে বসে-বসে এসব গল্প শুনব? ইম্পসিবল! যদি কিছু বলার থাকে, তাড়াতাড়ি বললে ভালো হয়৷’

শান্ত চোখে দৃশা রণজয়ের দিকে তাকাল, ‘হ্যাঁ৷ ঘরে থাকবেন এবং আমার কথা শুনবেন৷ কারণ আপনার ছেলের হারিয়ে যাওয়ার পিছনে যার হাত রয়েছে— সে কোনও সাধারণ মানুষ নয়৷ সে একজন শক্তিশালী নেক্রোম্যান্সার৷’

স্মিতা বা রণজয়— কেউই আগে কখনও এই বিশেষ শব্দটা শোনেনি৷ আর দৃশার মুখ থেকে বোধহয় এরকম কিছু শোনার আশাও করেনি৷ ওরা কথাটা শুনে একবার নিজেদের মধ্যে মুখ চাওয়া-চাওয়ি করল৷

দৃশা বলল, ‘‘নেক্রোম্যান্সি’ কী জিনিস, জানেন? জানেন না৷ আপনাদের অবশ্য এসব ব্যাপারে বেশি কিছু জানার দরকারও নেই৷ শুধু এইটুকু শুনে রাখুন— নেক্রোম্যান্সি হল এক অতি উচ্চস্তরের জাদু৷ স্টেজের ওসব হাতসাফাই না কিন্তু; সত্যিকারের জাদু৷ এই বিদ্যা খুব কম লোকেই আজকাল জানে... যাইহোক৷ এসব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চর্চা করে এবং অত্যন্ত শক্তিশালী— এমন একজন আপনাদের ছেলেকে নিয়ে গেছে৷’

কথা শুনতে-শুনতে স্মিতা ঘরের একেবারে মাঝখানে ঢুকে পড়েছিল৷ এবার ও ধপ করে সোফায় বসে পড়ল৷ রণজয়ও ওর পাশে বসল৷

কথাগুলো যেন কেমন আজগুবি শোনাচ্ছে৷ মনে হচ্ছে, স্মিতা একটা উপন্যাস পড়ছে, অথবা কোনও সিনেমা দেখছে৷ আর দৃশা সেই উপন্যাস বা সিনেমার একটা চরিত্র৷

স্মিতা বলল, ‘এসব তুমি কী বলছ দৃশা? এই দু-হাজার কুড়ি সালে বসেও আমি এসব বিশ্বাস করব? এসব জাদু, জাদুকর...’

‘সেসব তো যার-যার নিজের ব্যাপার৷ কিন্তু এটাই সত্যি৷ আগেকার দিনে মহান সম্রাট, মনার্ক আর আর্চ-বিশপরা এই নেক্রোম্যান্সির চর্চা করতেন৷ তখন মূলত মানুষের ভালো করার জন্যই এই বিদ্যা ব্যবহার করা হত৷ কিন্তু এরপর এই বিদ্যার গোপনীয়তা কমতে শুরু করল, সব শ্রেণীর মানুষ এটাকে নিয়ে চর্চা করতে আরম্ভ করল৷ আর ভালোর সঙ্গে-সঙ্গে মানুষের ক্ষতি করার জন্যও এর ব্যবহার শুরু হল৷ অনেকটা ঠিক আমাদের দেশের তন্ত্রের মতো৷ এতে কাদের নিয়ে চর্চা হয় জানেন? আত্মাদের নিয়ে৷ আত্মা মানে শুধু প্রেতাত্মা নয় কিন্তু৷ হ্যাঁ, মৃতদেহ, প্রেতাত্মা— এসব নেক্রোম্যান্সিতে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অবশ্যই৷ তবে এখানে এখানে আত্মার আরেকটা অর্থ হল ‘স্পিরিট’— এক উচ্চশ্রেণীর, খুব শক্তিশালী জীব৷ তাঁরা কিন্তু আমাদের মতো রক্ত-মাংসের তৈরি নয়৷ তাঁরা সংখ্যায় বাহাত্তর জন, বায়বীয়, যেমন খুশি রূপ নিতে পারেন, যখন খুশি যেখানে-সেখানে চলে যেতে পারেন৷ তাঁরা এই প্রকৃতি থেকেই উৎপন্ন হয়েছেন— কেউ আগুন থেকে, কেউ বাতাস থেকে, কেউ জল থেকে, কেউ মাটি থেকে, মেঘ থেকে, সূর্য্যরশ্মি থেকে... আর আছেন ডিউক সাইরাসের নিয়ন্ত্রাধীন আঠারোজন ডেমন৷ তাঁরাও অত্যন্ত শক্তিশালী৷ নেক্রোম্যান্সাররা এই স্পিরিট আর ডেমনদের নিজেদের বশে এনে কার্যোদ্ধার করে৷ বুবাইয়ের হারিয়ে যাওয়ার পিছনে আছেন তেমনই একজন ডেমন— হিকপ্যাচ৷’

স্মিতা আর রণজয়ের মনে হচ্ছে, ওরা বোধহয় রূপকথার গল্প শুনছে৷ কীসব অজানা শব্দ, আশ্চর্য জীব! শুনতেই ভাল, বিশ্বাস করতে নয়৷ কিন্তু বুবাইয়ের অন্তর্ধানের দৃশ্যটা মনে পড়লে মনে হচ্ছে, এটা সত্যি৷

কিন্তু এসব যদি সত্যি বলে মেনে নেওয়াও হয়, তবে এর মধ্যে বুবাইয়ের কী ভূমিকা?

স্মিতা জিজ্ঞাসা করল, ‘কিন্তু এতসবের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কী দৃশা? নেক... নেক্কো... কী যেন বললে?’

দৃশা শুধরে দিল, ‘নেক্রোম্যান্সার৷’

‘হ্যাঁ৷ ওই নামটাই তো আমরা জীবনে প্রথমবার শুনলাম৷’

দৃশা বলল, ‘যে রাতে বুবাই হয়েছিল, মনে আছে সেই রাতের কথা? সেই রাতে হাসপাতাল যাওয়ার পথে আপনাদের গাড়ির তলায় একটা কুকুর পড়েছিল৷ মনে আছে?’

সে রাতের কথা কি এত সহজে ভোলা যায়?

কুকুরটার কথাও স্পষ্ট মনে আছে, বিশেষ করে রণজয়ের৷ কী একটা করুণ আর তীক্ষ্ণ আর্তনাদ করে উঠেছিল জন্তুটা! মরণ-আর্তনাদ বোধহয় ওকেই বলে৷ এখনও রাস্তায় হঠাৎ যদি গাড়ির সামনে কুকুর এসে পড়ে, রণজয়ের মনে সেদিনের স্মৃতিটাই ভেসে ওঠে৷

দৃশা বলল, ‘ওটা আসলে কুকুরই ছিল না৷’

রণজয় চমকে উঠে বলল, ‘তবে?’

‘ওটা ছিল কুকুররূপী একটা নেক্রোম্যান্সার৷ সে তো আপনাদের গাড়ির চাকায় চাপা পড়ে মারা গিয়েছিল৷ কিন্তু ব্যাপারটা ওখানেই শেষ হয়নি৷ তার এক খুব প্রিয়জন সেই থেকে মনের মধ্যে প্রতিশোধস্পৃহা পুষে রেখে দিয়েছে৷ সে তক্ষুণি আপনাদের উপর অভিশাপ দিয়েছিল৷ যার জন্য বুবাই জন্মানোর পর থেকেই তার মায়ের মেজাজের স্থিতি হারিয়ে গেছে৷ আর এই কয়েক বছর ধরে সে ক্রমাগত নিজের শক্তি বাড়িয়েছে৷ আর এইবার সে প্রতিশোধ নিতে শুরু করেছে৷ বেড়াতে গিয়েও যে বুবাইয়ের শরীর খারাপ হয়েছিল, সেটার পিছনেও কিন্তু তারই হাত ছিল৷ তার পরিকল্পনা অবশ্য অন্যরকম ছিল৷ কিন্তু আমি আর আমার ভাই মিলে সেটা ভেস্তে দিয়েছিলাম৷ তাই সে বুবাইয়ের উপর নিজের রোষ মিটিয়েছিল৷ ক-দিন আগে আমি আপনাদের বাড়ির জানালা বরাবর স্পিরিট পাউডার ছড়িয়ে দিয়েছিলাম৷ আপনি যদি সেটা মুছে না-ফেলতেন...’

স্মিতার সেই গুঁড়োগুলোর কথা মনে পড়ল৷ ওগুলো তাহলে কোনও সাধারণ গুঁড়ো ছিল না! কী মূর্খামি না ও করেছে! অবশ্য তখন এসব জানতও না৷

হঠাৎ একটা প্রশ্ন আছড়ে পড়ল স্মিতার মনে, ‘কিন্তু তুমি— তুমি এতকিছু জানলে কী করে দৃশা? কে তুমি?’

দৃশা এই প্রশ্নের কোনও উত্তর দিল না৷ ও শুধু বলল, ‘এই প্রশ্নের উত্তরটা এখনই প্রয়োজনীয় না৷ এর থেকেও বেশি দরকার বুবাইকে খুঁজে বের করা৷’

রণজয় আর স্মিতার মাথা যেন আর কাজ করতে চাইছে না৷ সব ওলট-পালট হয়ে যাচ্ছে৷

স্মিতা মাথা ঝাঁকাতে-ঝাঁকাতে বলল, ‘দরকার নেই আমার আর কিছু জানার৷ তুমি শুধু বুবাইকে খুঁজে এনে দাও... যেভাবে হোক! প্লিজ দৃশা...’

স্মিতার চোখ দিয়ে ঝরঝর করে জল বেরিয়ে আসল৷

সকল অধ্যায়
১.
ম্যাজিক শো থেকে শুরু...
২.
সকালের হেডলাইন
৩.
দুর্ঘটনার পরে
৪.
‘সে’ আছে আড়ালে
৫.
রাত এবং উপহার
৬.
আবার রহস্যময় অঘটন
৭.
নিঝুম দুপুরের আগন্তুক
৮.
একটি প্রশ্নোত্তর পর্ব
৯.
শান্তির স্নান
১০.
কেমন আছে অনুরাধা?
১১.
নতুন দিনের প্রস্তুতি
১২.
স্বাগত আমার ঘরে
১৩.
আবার ম্যাজিক-শো
১৪.
বুবাই কোথায়
১৫.
আবার বাড়িতে ফেরা
১৬.
আয়না, ওয়াইন, পুতুল এবং...
১৭.
বিভীষিকাময় রাত
১৮.
কোকিল মানে বসন্ত; কোকিল মানে...
১৯.
আরেকটি ‘কেন’
২০.
সাফারি টাইম
২১.
ক্রিস্টাল-ক্লিয়ার ক্রিস্টাল বল শপ
২২.
ত্রুটি সংশোধন
২৩.
নখ কেন কালো
২৪.
স্বচ্ছ স্ফটিক; ঘোলা স্ফটিক
২৫.
ঢাকা থাক, থাক ঢাকা...
২৬.
বেড়ানোর ছবি
২৭.
বহুদিন পর; আবার!
২৮.
নিষ্ফলতার আক্রোশ
২৯.
একটুর জন্য...!
৩০.
অ-সাক্ষাৎ এবং সাক্ষাৎ
৩১.
‘সে’ ছিল, ‘সে’ আছে...
৩২.
একটা অন্যরকম রবিবার
৩৩.
প্রচেষ্টা এবং অভিজ্ঞতা
৩৪.
অন্তিম প্রস্তুতি
৩৫.
দৃশ্য এবং অদৃশ্য
৩৬.
কোন সে সুদূর অতীত হতে...
৩৭.
রইল বাকি এক
৩৮.
জানা এবং অজানা
৩৯.
সময় এসেছে কাছে
৪০.
ইট’স ফাইন
৪১.
ঘন হয়ে উঠেছে অন্ধকার
৪২.
শব্দটীকা
৪৩.
সহায়ক গ্রন্থপঞ্জী

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%