বিভীষিকাময় রাত

শ্রীজিৎ সরকার

সারা ঘর অন্ধকার৷ বুবাই পাশের খাটে অকাতরে ঘুমাচ্ছে৷ দিল্লি থেকে এতটা রাস্তা আসার ধকলে বেচারা একদম ক্লান্ত৷ সেই ঠায় পাঁচ-ছয় ঘন্টা গাড়িতে বসে৷ এরমধ্যে শুধু দু-বার খেতে, আর একবার টয়লেট যেতে নামা হয়েছিল৷ বাকি সময়টা শুধু চলা আর চলা...

ক্লান্ত তো স্মিতা আর রণজয়ও ছিল৷ একভাবে ঝুলিয়ে রাখতে-রাখতে পা দুটো ব্যথা হয়ে গেছে, শরীর অবসন্ন৷

কিন্তু প্রকৃতির যে কী জাদু! এখানে পৌঁছাতেই যেন হঠাৎ ওদের সব ক্লান্তি ধুয়ে-মুছে গেছে৷ পাহাড়ি অরণ্যের নিস্তব্ধতা, অন্ধকারের রহস্য ওদের মধ্যে আবার সেই নবদাম্পত্যের উত্তেজনা ফিরিয়ে এনে দিয়েছে৷

এখন শুধু একটা চূড়ান্ত উদযাপন সেরে ফেলার অপেক্ষা৷

রণজয় নিজের মুখের মধ্যে নিয়ে নিল স্মিতার ঠোঁটজোড়া৷ পান করতে শুরু করল মধু৷

স্মিতা আরও নিবিড়ভাবে জড়িয়ে ধরল রণজয়কে৷ এক অদ্ভুত ভালোলাগায় বুজে আসল ওর দু-চোখের পাতা, নখগুলো বসে যেতে চাইল রণজয়ের চামড়া ফুঁড়ে৷

এমন তো বাড়িতেও হয়৷ কিন্তু আজ যেন সবকিছু নতুন-নতুন, সবকিছু অন্যরকম৷

স্মিতা নতুন করে উপভোগ করছে রণজয়ের ভালোবাসা৷ রণজয়ের হাতও নেমে পড়েছে নতুন করে স্মিতার শরীরের অলি-গলি আবিষ্কার করতে৷

কী সুখ! কী আরাম! কী উষ্ণতা!

এই শীতের মধ্যেও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে দু-জনের শরীর৷ শৃঙ্গার শেষ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে ইচ্ছা করছে না৷ মনে হচ্ছে এখনই একে-অপরের পোশাকগুলো টেনে খুলে ফেলতে, এখনই নদীকে মোহনায় গিয়ে মিশিয়ে দিতে...

‘ইউ আর সো বিউটিফুল স্মিতা— সো-সো বিউটিফুল... লাভ ইউ সো মাচ!’

‘লাভ ইউ টু রণজয়৷ আরও কাছে এসো... আরও...’

আচমকা ছন্দপতন ঘটল!

একটা তীক্ষ্ণ আর্তনাদ ভেসে এল, ‘ও মা-আ-আ...’

ছিটকে আলাদা হয়ে গেল দু-জন৷ রণজয় তাড়াতাড়ি হাত বাড়িয়ে ঘরের আলোটা জ্বালিয়ে দিল৷ স্মিতা যতটা দ্রুত সম্ভব হাত চালিয়ে এলোমেলো হয়ে পড়া পোশাক ঠিক করে নিল৷

সারা ঘর আলোয় ভরে উঠতেই দৃশ্যটা দেখা গেল৷ দৃশ্যই বটে— স্মিতা আর রণজয়কে চমকে দেওয়ার মতো দৃশ্য৷

বুবাই বিছানায় শুয়ে কাতরাচ্ছে৷ চোখ দুটো আধ-বোজা, দু-হাত দিয়ে খামচে ধরেছে বুকের বাঁ-দিকটা৷ মুখে ফুটে উঠেছে অসহ্য যন্ত্রণার ছাপ৷

দেখলেই মনে হবে, ওর বুকের মধ্যে বোধহয় একটা প্রলয় চলছে!

আবার আগের মতো স্বরে বুবাই বলল, ‘মা-আ-আ... বা-আ-পি-ই-ই...’

স্মিতা তাড়াতাড়ি গিয়ে ছেলের মাথাটা কোলের ওপর তুলে নিল৷ বুকে হাত বুলিয়ে দিতে-দিতে বলল, ‘কী হয়েছে বুবাই?’

বুবাই মায়ের মুখের দিকে তাকাল৷ চোখদুটো একটু বড়-বড় করার চেষ্টা করে কোনও রকমে বলল, ‘আমার বুকের এখানটায়... এখানটায় খুব যন্ত্রণা হচ্ছে মা...’

এত ছোট ছেলের বুকে যন্ত্রণা— কথাটা ভেবেই স্মিতার ভয় লাগল৷

অনেক বাচ্চার হৃৎিপন্ডে অবশ্য জন্মগত ত্রুটি থাকে৷ কিন্তু বুবাই তো বরাবরই সুস্থ-স্বাভাবিক৷ প্রতিদিন বিকালে কমিউনিটির মাঠে দৌড়-ঝাঁপ করে খেলা করে, সপ্তাহে একদিন স্কুলের সুইমিং পুলে ত্রিশ-চল্লিশ মিনিট করে সাঁতার কাটে; আজ পর্যন্ত তো কোনওদিন কোনও অসুবিধা হয়নি৷

এইরকম হলে কী করতে হয়— সেসব ব্যাপারে স্মিতার কোনও ধারণা নেই৷ তাই ও বুবাইয়ের বুকে হাত বুলিয়ে দিতে-দিতে বলল, ‘রণজয়, রিসেপশনে একটা ফোন করে দেখো না, ওরা যদি কোনও ডাক্তার-টাক্তারের ব্যবস্থা করে দিতে পারে!’

ঘটনার আকস্মিকতায় রণজয়ও কেমন ঘাবড়ে গিয়েছিল৷ তার ওপর বুবাইয়ের ওই ছটফটানি! এইরকম পরিস্থিতিতে যে হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়, সেটাই ও ভুলে গিয়েছিল৷

স্মিতার কথায় রণজয়ের সাড় ফিরল৷ ফোনের দিকে এগিয়ে যেতে-যেতে ও বলল, ‘হ্যাঁ-হ্যাঁ৷ আমি এক্ষুনি করছি৷’

রণজয় তাড়াতাড়ি ইন্টারকমের রিসিভারটা তুলে নিয়ে দ্রুত হাতে

‘৯’ ডায়াল করল৷

— হ্যালো, রিসেপশন?

. . . . . . . . . .

— রুম নাম্বার দুশো চার থেকে বলছি৷ আমার ছেলের হঠাৎ খুব বুকে যন্ত্রণা হচ্ছে৷ কাইন্ডলি একটা ডাক্তারের ব্যবস্থা করতে পারবেন?

. . . . . . . . . .

— কিন্তু ইটস এমার্জেন্সি৷ ও প্রচন্ড কষ্ট পাচ্ছে৷ এত রাতে কি আমি এমনি-এমনি ফোন করেছি? প্লিজ ট্রাই টু আন্ডারস্ট্যান্ড...

. . . . . . . . . .

— আচ্ছা আচ্ছা৷ প্লিজ একটু দেখুন৷ ছোট-বড় কোনও ব্যাপার নয়৷ একজন সার্টিফায়েড ডাক্তার হলেই হল৷

. . . . . . . . . .

—হ্যাঁ৷ অ্যাজ কুইক অ্যাজ পসিবল৷ প্লি-ই-জ৷’

রণজয় ফোন রেখে দিয়ে স্মিতার পাশে এসে বসল৷

বুবাই এখনও যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে৷ দাঁত দিয়ে ঠোঁট কামড়ে ধরছে৷ থেকে-থেকেই কেমন যেন খিঁচুনির মতো উঠছে৷ দৃশ্যটা চোখে দেখা যাচ্ছে না৷

স্মিতা ব্যাকুল হয়ে জিজ্ঞাসা করল, ‘কী বলল ওরা রণজয়?’

রণজয় বলল, ‘ওরা বলল, এত রাতে এই জঙ্গলের মধ্যে তো ডাক্তার পাওয়া মুশকিল৷ তবু ওরা চেষ্টা করে দেখছে৷’

হঠাৎ মেজাজ হারিয়ে ফেলল স্মিতা, ‘জঙ্গলের মধ্যে হোটেল বানিয়েছে, এত টাকা করে ভাড়া নিচ্ছে— আর এমার্জেন্সি বেসিসে একজন ফিজিশিয়ান রাখতে পারছে না? হাউ ইরেসপন্সিবল পিওপিল দে আর!’

আজ স্মিতার রেগে ওঠাটা স্বাভাবিক৷ রণজয়ের নিজের ধৈর্য্যের সুতোটাই যেন ছিঁড়ব-ছিঁড়ব করছে৷

বেড়াতে এসে মানুষ অসুস্থ হতে পারে না? আর সেরকম কিছু ঘটলে হোটেল তার এতটুকুও দায় নেবে না?

কাতরাতে-কাতরাতে বুবাই যেন এখন একটু ক্লান্ত হয়ে পড়েছে৷ সেই হাত-পা ছোঁড়া, মাথার চুল মুঠো করে ধরা, দাঁত দিয়ে ঠোঁট কামড়ে ধরা — সব আস্তে-আস্তে কমে আসছে৷

ক্রমশ নির্জীব হয়ে পড়তে থাকা ছেলেকে দেখে স্মিতা শিউরে উঠল৷

এবার কী করবে? কী হবে? এই লক্ষণ তো ভালো লাগছে না৷

সবে স্মিতা বলতে যাচ্ছিল, ‘এবার কী হবে রণজয়?’; এমন সময় দরজায় টোকা পড়ল৷

ঠক-ঠক-ঠক...

রণজয় তাড়াতাড়ি উঠে গিয়ে দরজা খুলে দিল৷

দরজার ওপারে দু-জন দাঁড়িয়ে আছেন৷ একজন এই হোটেলের ম্যানেজার; আর অন্যজন ট্রেনে দেখা সেই বৃদ্ধ— যিনি বুবাইকে ট্রেন মিস করার হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন৷

ম্যানেজার বললেন, ‘ইনি ডক্টর কুমারেশ চক্রবর্তী৷ আমাদের একজন বোর্ডার৷ এত রাতে তো ডাক্তার পাওয়া সমস্যার৷ রেজিস্টারে দেখলাম, এনার পেশা ডাক্তারি৷ তাই এনাকেই একটু রিকোয়েস্ট করলাম৷’

ডাক্তার পাওয়া গেছে, এই যথেষ্ট৷ অন্যকিছু ভাবার মতো অবস্থা রণজয়ের নেই৷ ও তাড়াতাড়ি পথ ছেড়ে দিল, ‘প্লিজ আসুন৷’

স্মিতার কানে সবই গেছে৷ ডাক্তারকে ঢুকতে দেখে ও ছেলের বুকের ওপর থেকে হাত সরিয়ে নিল৷ নিজেও কিছুটা সরে বসল৷

কুমারেশবাবু বুবাইয়ের পালস দেখলেন, আঙুল দিয়ে টোকা মেরে-মেরে পেট পরীক্ষা করলেন, ম্যানেজারের হাতের টর্চটা দিয়ে চোখ আর জিভও দেখলেন৷ তারপর বললেন, ‘তেমন কিছু না৷ প্রোবাবলি ফুড পয়জনিং মতো হয়েছে৷ ও কি টক আর ডেয়ারি একসঙ্গে খেয়েছিল?’

স্মিতা একটু মনে করে নিয়ে বলল, ‘হ্যাঁ৷ দিল্লি থেকে আসার সময় রাস্তায় একজায়গায় মিল্কশেক খেয়েছিল৷ তারপর... মানে এই মিনিট চার-পাঁচ পরেই কমলালেবু খেয়েছিল৷’

কুমারেশবাবু মাথা নাড়লেন, ‘হুমম৷ ওই জন্যই এটা হয়েছে৷ অ্যাসেডিক জিনিস আর ডেয়ারি প্রোডাক্ট একসঙ্গে খাওয়াতে নেই— জানেন না? আপনারা বাবা-মায়েরা যে কী করেন না! এতটুকু অ্যাওয়ারনেস নেই! এদিকে সর্বক্ষণ তো ফোন নিয়ে কী সব কুটুর-কুটুর করেই চলেছেন৷’

রণজয় বা স্মিতার কিছুই বলার নেই৷ আসলে বুবাই ফল খেতে চায় না৷ একমাত্র কমলালেবু খেতেই খুব ভালোবাসে৷ তবে এই কথাটা ওদের সত্যিই খেয়াল রাখা উচিত ছিল, বিশেষ করে বাইরে বেরিয়ে৷

রণজয়, স্মিতা আর ডাক্তারবাবুর মধ্যে সমস্ত কথাবার্তা বাংলায় চলছে৷ ফলে হোটেলের ম্যানেজার অর্ধেক বুঝছে আর অর্ধেক বুঝছে না৷ সে হিন্দিতে জানতে চাইল, ‘ওর শরীর কেমন আছে স্যার?’

কুমারেশবাবু ম্যানেজারকে আশ্বস্ত করলেন, ‘টেনশন করার মতো কিচ্ছু হয়নি৷’

ম্যানেজার হাঁফ ছাড়ল৷ সাঙ্ঘাতিক কিছু হলে হোটেলের বদনাম হয়ে যেতে পারত৷

কুমারেশবাবু উঠে পড়লেন৷ দরজার দিকে যেতে-যেতে বললেন, ‘আমি কোনও বয়কে দিয়ে ওষুধ পাঠিয়ে দিচ্ছি৷ এখন এক-চামচ খাইয়ে দিন৷ আর যে কদিন বেড়াবেন, রোজ সকালে এম্পটি স্টমাকে এক-চামচ করে খাইয়ে দেবেন৷ পারলে একটু লিউক ওয়ার্ম ওয়াটার৷ আর একটা কথা, জানি বাইরে এসে সবকিছু মানা সম্ভব না৷ তবু বলব, ওকে ডিপ-ফ্রায়েড কিছু না দেওয়ার চেষ্টা করবেন৷’

স্মিতা ঘাড় নাড়ল, ‘আচ্ছা স্যার৷ আসলে ও রুটি খেতে চায় না৷ এদিকে তো সব জায়গায় সাউথ ইন্ডিয়ান কিছু পাওয়াও যায় না৷ তাই...’

কুমারেশবাবু বললেন, ‘বুঝেছি৷ তবু চেষ্টা করবেন৷ না-পেলে তখন আর কী করবেন! আর বাই এনি চান্স— রাতে যদি কোনও অসুবিধা হয়, প্লিজ ডোন্ট হেজিটেট টু কল মি৷’

রণজয় বলল, ‘থ্যাংক ইউ সো মাচ স্যার৷’

কুমারেশবাবু যাওয়ার আগে বললেন, ‘নো নিড টু মেনশন৷ ইটস মাই ডিউটি৷’

ম্যানেজারও বেরিয়ে গেল৷

বাইরে ভীষণ ঠান্ডা৷ বাতাসের কাঁধে চেপে হু-হু করে সেই শীতলতা ঢুকে পড়ছে ঘরের মধ্যে৷

রণজয় তাড়াতাড়ি দরজাটা বন্ধ করে দিল৷ খাটে এসে বসে বলল, ‘এ তবু নিশ্চিন্ত৷ আমি তো ভেবেছিলাম কী না কী হল!’

বুবাই এখনও অল্প-অল্প গোঙাচ্ছে৷

স্মিতা ছেলের মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে-দিতে বলল, ‘কিচ্ছু হবে না বুবাই৷ এক্ষুনি ওষুধ এসে যাবে৷ খেলেই কমে যাবে৷ আমি কতবার করে তোমাকে বলেছি— বাইরের খাবার খেও না... খেও না... দেখলে তো কীরকম কষ্ট পেলে?’

রণজয় বলল, ‘থাক না স্মিতা৷ এসব পরে বোলো৷ আগে ওর শরীরটা ঠিক হোক৷’

স্মিতা আর কিছু বলল না৷

কাল সকালে ওদের জাঙ্গল-সাফারিতে যাওয়ার কথা৷ এই হোটেলের জিপসিতেই যাবে৷ ধিকালা জোন দিয়ে ঢুকবে বলে দেড়মাস আগে থেকে প্রি-বুক করে রেখেছিল৷ আজ দুপুরেই টাকা-পয়সা সব মেটানো হয়ে গেছে৷

স্মিতা বলল, ‘কাল বুবাই ঠিক না হলে কিন্তু সাফারিতে যাব না৷ আগে থেকে বলে দিচ্ছি৷’

রণজয় সায় দিল, ‘সে কথা আর বলতে হয় স্মিতা? টাকা আগে, না আমার ছেলে?’

কথাটা আর বাড়ল না৷ তার আগেই আবার দরজায় ঠকঠক শব্দ উঠল৷

নিশ্চয়ই ওষুধ আর ঈষদুষ্ণ গরম জল এসে গেছে৷

সকল অধ্যায়
১.
ম্যাজিক শো থেকে শুরু...
২.
সকালের হেডলাইন
৩.
দুর্ঘটনার পরে
৪.
‘সে’ আছে আড়ালে
৫.
রাত এবং উপহার
৬.
আবার রহস্যময় অঘটন
৭.
নিঝুম দুপুরের আগন্তুক
৮.
একটি প্রশ্নোত্তর পর্ব
৯.
শান্তির স্নান
১০.
কেমন আছে অনুরাধা?
১১.
নতুন দিনের প্রস্তুতি
১২.
স্বাগত আমার ঘরে
১৩.
আবার ম্যাজিক-শো
১৪.
বুবাই কোথায়
১৫.
আবার বাড়িতে ফেরা
১৬.
আয়না, ওয়াইন, পুতুল এবং...
১৭.
বিভীষিকাময় রাত
১৮.
কোকিল মানে বসন্ত; কোকিল মানে...
১৯.
আরেকটি ‘কেন’
২০.
সাফারি টাইম
২১.
ক্রিস্টাল-ক্লিয়ার ক্রিস্টাল বল শপ
২২.
ত্রুটি সংশোধন
২৩.
নখ কেন কালো
২৪.
স্বচ্ছ স্ফটিক; ঘোলা স্ফটিক
২৫.
ঢাকা থাক, থাক ঢাকা...
২৬.
বেড়ানোর ছবি
২৭.
বহুদিন পর; আবার!
২৮.
নিষ্ফলতার আক্রোশ
২৯.
একটুর জন্য...!
৩০.
অ-সাক্ষাৎ এবং সাক্ষাৎ
৩১.
‘সে’ ছিল, ‘সে’ আছে...
৩২.
একটা অন্যরকম রবিবার
৩৩.
প্রচেষ্টা এবং অভিজ্ঞতা
৩৪.
অন্তিম প্রস্তুতি
৩৫.
দৃশ্য এবং অদৃশ্য
৩৬.
কোন সে সুদূর অতীত হতে...
৩৭.
রইল বাকি এক
৩৮.
জানা এবং অজানা
৩৯.
সময় এসেছে কাছে
৪০.
ইট’স ফাইন
৪১.
ঘন হয়ে উঠেছে অন্ধকার
৪২.
শব্দটীকা
৪৩.
সহায়ক গ্রন্থপঞ্জী

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%