রাত এবং উপহার

শ্রীজিৎ সরকার

আজ অফিস-ফেরত রণজয় একটা হীরের আংটি কিনে নিয়ে এসেছে স্মিতার জন্য৷ প্ল্যাটিনামের বেড়ের মধ্যে বসানো একটাই বড় হীরে৷ আলো পড়লেই রামধনু-রঙ ঝিলিক দিচ্ছে৷ আংটির নকশা আর হীরের কাটিং-এর মতো রণজয়ের রুচিটাও যে দুর্দান্ত, সে ব্যাপারে কোনও সন্দেহই নেই৷

বুবাই পাশের ঘরে অকাতরে ঘুমাচ্ছে৷ বেচারার রোজ সকালে উঠে টিউশন, তারপর স্কুল, সন্ধ্যাবেলায় আবার মায়ের কাছে পড়তে বসা, হোমওয়ার্ক করা... তাই মোটামুটি রাত নটা বাজলেই ও ঢুলতে থাকে৷ স্মিতাও বেশি দেরি করে না৷ খাইয়ে-দাইয়ে ছেলেকে ঘুম পাড়িয়ে দেয়৷ বাবার সঙ্গে তার আড্ডা বলতে সপ্তাহের মাত্র দুটো দিন— শনিবার আর রবিবার৷

স্মিতা নিজের বাঁ-হাতের অনামিকায় পরেছে আংটিটা৷

রণজয় ভুরু নাচাল, ‘কি, পছন্দ হয়েছে?’

হাতটা ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেখতে-দেখতে স্মিতা বলল, ‘খু-উ-ব৷ আই জাস্ট লাভ ইট!’

স্মিতার চোখে-মুখে একদম বাচ্চাদের মতো উচ্ছ্বাস৷ অবশ্য ও এরকমই৷ রণজয় যদি আজ হীরের আংটির বদলে একটা ঘাসফুলের আংটি নিয়ে আসত, তাহলেও ও এই একইরকম খুশি হত৷

রণজয় ব্যাপারটাকে উপভোগ করতে-করতে বলল, ‘যাক৷ তাহলে পাশমার্কস পেলাম৷ এমনিতে তো আমার আনা কোনও কিছু তোমার পছন্দ হয় না...’

স্মিতা রণজয়ের পিঠে দুটো ছোট-ছোট কিল মারল, ‘আমি তাই যেন বলেছি!’

রণজয় কোনও উত্তর দিল না৷ শুধু মৃদু হাসল৷

স্মিতা আংটি খুলে ফেলে আবার ভেলভেটের বাক্সে ঢুকিয়ে দিল৷ তারপর সেটা যত্ন করে তুলে রাখল আলমারির মধ্যে৷

স্মিতা খুশি-খুশি গলায় বলল, ‘মনে আছে রণজয়— এনগেজমেন্টের দিনও তুমি আমার হাতে একটা ডায়মন্ড-রিং পরিয়ে দিয়েছিলে? সেটা এখনও আমার কাছে সবচেয়ে ফেভারিট৷’

‘কিন্তু এটার দাম তো ওটার থেকেও বেশি?’

স্মিতা মাথা নাড়ল, ‘হতে পারে৷ কিন্তু টাকা-পয়সা দিয়ে কি সবকিছুর দাম ঠিক করা যায় রণজয়? আই থিঙ্ক নট৷ তারপর থেকে তো, প্রতি অ্যানিভার্সারিতে তুমি আমাকে কিছু-না-কিছু হীরের জিনিস উপহার দিয়েছ৷ বাট দা ফার্স্ট ওয়ান রিমেইনস দা বেস্ট ওয়ান৷’

এইজন্য স্মিতাকে এত ভালোবাসে রণজয়৷ ও ভালোবাসার দাম দিতে জানে৷ আবেগের অর্থ বোঝে৷ শুধু একটাই দোষ— থেকে থেকে ও বড্ড বেশি মেজাজ হারিয়ে ফেলে৷ তখন ওকে কেমন যেন অচেনা লাগে৷

তবে স্মিতার মধ্যে এই রেগে যাওয়ার অসুখটা কিন্তু আগে থেকেই ছিল না৷ এটা হয়েছে এই বছর দশেক হল— ঠিক বুবাই জন্মানোর পর থেকে৷

ডাক্তাররা অবশ্য এই নিয়ে খুব বেশি উতলা হতে বারণ করেছেন৷ বাচ্চা হয়ে যাওয়ার পর অনেকসময়েই নাকি মায়ের শরীরে নানারকম হরমোনজনিত ত্রুটি-বিচ্যুতি আসে৷ তার কারণেই এরকম হয়৷ ডাক্তাররা আশ্বাস দিয়েছেন— চিকিৎসা তো চলছে; এটা যেমন এসেছে, তেমন চলেও যাবে৷

কিন্তু এতবছরে এটা চলে যাওয়া তো দূর, সামান্য কমেওনি৷

রণজয় হঠাৎ স্মিতার গালে একটা চুমু খেল৷

স্মিতা হেসে ফেলল৷ একটু দূরে সরে গিয়ে চাপা গলায় বলল, ‘ইস! অসভ্যতা কোরো না তো৷ খাবার দিচ্ছি, খাবে এসো৷’

রণজয় ভুরু নাচাল, ‘করব না কেন? আর ভালো লাগে না তোমার?’

স্মিতা লজ্জা পেল, ‘ছেলে জেগে যাবে৷ ফ্রেশ হয়ে খেতে এসো তো, রাত হয়ে যাচ্ছে৷’

পোশাক-আশাক বদলে, হাত-মুখ ধুয়ে ফ্রেশ হতে রণজয়ের মিনিট-পনেরো লাগল৷ তার মধ্যেই স্মিতার খাবার-দাবার গোছানো শেষ৷ খাবার টেবিলে বসে, রোজকার মতো একবার মেনুতে চোখ বুলিয়ে নিল রণজয়৷ আজ সাধারণ মেনু— ভাত, লাউঘন্ট, ডাল, আলু-ভাজা, পোস্ত-পারশে আর আমের চাটনি৷

রণজয় বলল, ‘বলতে ভুলে গিয়েছিলাম স্মিতা, আমাদের তিনজনের টিকিট কনফার্ম হয়ে গেছে৷ একটা লোয়ার, একটা মিডল আর একটা আপার৷ একই রো৷’

স্মিতা ডালের বাটি এগিয়ে দিতে-দিতে বলল, ‘যাক বাবা৷ একই রো যখন, খুব সুবিধা হল৷ আমিও এইবার নিশ্চিন্তে প্যাকিং শুরু করতে পারব৷’

রণজয় হাসল, ‘সে তো প্রতিবারই করো৷ একই জিনিস কতবার যে ঢোকাও আর বের করো... প্যাকিং অ্যান্ড আন-প্যাকিং! তারপর লাস্ট মোমেন্টে সেই তাড়াহুড়ো করবে— এই নেওয়া হয়নি, ওই নেওয়া হয়নি...’

স্মিতা ভাতে ডাল ঢেলে নিয়ে বলল, ‘তোমাকে তো আর গোছাতে হয় না, তুমি কী বুঝবে? খালি এটা দাও আর ওটা দাও... অর্ডার করেই

খালাস!’

স্মিতা মুখের ভাতটা গিলে ফেলে বলল, ‘আচ্ছা একটা কাজের কথা শোনো৷ কয়েকটা জিনিস কেনার আছে৷ কিছু মেডিসিনও নেওয়ার দরকার৷ একদিন আমাকে নিয়ে বেরোতে হবে কিন্তু৷’

রণজয় জোরে জোরে দু-পাশে মাথা নাড়ল, ‘ইম্পসিবল! এখন অফিসে কী চাপ, তা তো জানো না৷ তার ওপর আটদিন ছুটি নেব শুনে, স্যারের মুখ একদম হাঁড়ি হয়ে গেছে৷ এখন একদম ফাঁকি দেওয়া যাবে না৷ টাকা-পয়সা কত কী লাগবে বোলো, আমি দিয়ে দেব৷ তুমি তোমার সুবিধামতো বেরিয়ে কিনে নিয়ে এসো৷’

প্রস্তাবটা স্মিতার খুব-একটা পছন্দ হল না৷ কতদিন হয়ে গেল ও রণজয়ের সঙ্গে কোথাও বেরোয় না৷ ভেবেছিল, শপিংয়ের বাহানায় বেশ সেটা হবে৷ দু-জনে একট ঘোরাঘুরি করবে, বাইরে খাবে-দাবে৷ বুবাইকে নিয়ে কোনও সমস্যা নেই৷ দৃশার কাছে ও ভালোই থাকে৷ দৃশাকে বললেই ও রাত পর্যন্ত থেকে যাবে৷

তবু রণজয়ের অসুবিধাটাও ভেবে দেখার মতো৷

এই প্রসঙ্গ নিয়ে স্মিতা আর কথা বাড়াল না৷ শুধু ছোট্ট একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, ‘ঠিক আছে৷ তাহলে শনিবার দেখে যাব৷ বুবাইটাও তাহলে যেতে পারবে৷ ওইদিন ওর স্কুল আর টিউশন— দুটোই ছুটি থাকে৷’

রণজয় সায় দিল, ‘সেই ভালো৷’

স্মিতা বলল, ‘শুনছি, ম্যাজিক নাকি আবার দেখানো হচ্ছে৷ তাই?’

রণজয় দু-পাশে মাথা নাড়ল, ‘জানি না তো৷ বাববা! শুনেছিলাম তো, খুব নাকি ঝামেলা হচ্ছে... তাছাড়া লিগ্যাল ব্যাপার-স্যাপার সব এত তাড়াতাড়ি মিটে গেল?’

স্মিতা থালায় আরেকটু ডাল ঢেলে নিয়ে বলল, ‘জানি না৷ দৃশা বলছিল৷ ওদের পাড়ার থেকে কারা নাকি দেখতে গিয়েছিল! তবে সেই ‘মানুষ-কাটা’ খেলাটা নাকি বন্ধ৷ তার বদলে অন্য একটা খেলা দেখাচ্ছে৷ কী যেন বলল দৃশা... ভুলে গেলাম, যাহ!’

‘ভিড়-টিড় হচ্ছে শুনলে?’

স্মিতা ঘাড় নাড়ল, ‘আগের থেকে একটু কম হচ্ছে৷ তবে নাকি একেবারে খারাপ হচ্ছে না৷ ও দেখো, এক দু-দিন পর আবার সেই হাউজফুল শুরু হয়ে যাবে৷ মানুষ কতদিন আর এক-টপিক নিয়ে পড়ে থাকবে?’

রণজয় ঠোঁট টিপে হাসল, ‘এক-টপিক’— কথাটা ভালো বললে কিন্তু! তা তোমারও কি এই এক-টপিক, মানে আমাকে নিয়ে পড়ে থাকতে ভালো লাগছে না? নাকি?’

স্মিতা রাগ করল না৷ হেসে বলল, ‘না৷ ভালো লাগছে না৷ কী করবে? ডিভোর্স দিয়ে দেবে? মেগা সিরিয়ালের মতো স্বামী হয়ে স্ত্রীর জন্য সম্বন্ধ দেখতে বেরোবে?’

রণজয় হাসল, ‘তা করা যায়৷ বেশ অভিনব হবে ব্যাপারটা৷ ঘটকালিতেও হাত পাকিয়ে ফেলতে পারব৷’

স্মিতা চোখ পাকাল, ‘অসভ্য...’

রণজয় জানে— এটা স্মিতার অনুযোগ না; বরং অনুরাগ৷

রণজয় জিজ্ঞাসা করল, ‘তা তোমার জিনাত... ইয়ে মানে দৃশা, আর কী কী স্পেশাল খবর দিল তোমাকে?’

স্মিতা বোধহয় রণজয়ের মুখ ফস্কে বেরিয়ে আসা বিশেষ শব্দটা শুনতে পায়নি৷ মাছের ঝোল নিতে নিতে ও বলল, ‘স্পেশাল খবর আর কী দেবে! ও তো আর ম্যাজিক দেখতে যায়নি৷ লোকের মুখে যা শুনেছে, তাই বলেছে৷’

রণজয় মাথা নাড়ল, ‘ও৷ অবশ্য ও যদি শো দেখতেও যেত, আর

সেখানে যদি পৃথিবীর সবচেয়ে স্ট্রেঞ্জ আর ইউনিক জিনিসটাও ঘটে যেত— ও তবুও কিছু রিয়্যাক্ট করত কিনা সন্দেহ! সেদিন তো শুনলাম৷’

স্মিতা কোনও উত্তর দিল না৷ চুপচাপ মাছের কাঁটা বাছতে থাকল৷

আপাতত স্মিতার কাছে দৃশা, ম্যাজিক-শো ইত্যাদির থেকেও বড় চিন্তা বুবাই৷ ছেলেটা দিন-দিন পড়াশোনায় খুব অমনোযোগী হয়ে উঠছে৷ মাঝেমাঝেই স্কুল থেকে গার্জেন-কল আসছে— কোনওদিন হোম-ওয়ার্ক জমা দেয়নি তো কোনওদিন ক্লাস-ওয়ার্ক তোলেনি, কোনওদিন ড্রইং করেছে অথচ রঙ করেনি তো কোনওদিন ডিবেটে প্রশ্ন না-করে অন্যদের সঙ্গে গল্প করে চলেছে...

স্মিতা বলল, ‘বুবাইটা দিন-দিন খুব কেয়ারলেস হয়ে যাচ্ছে৷ ওর স্কুলের ম্যামরা প্রায়ই কমপ্লেন করছেন৷’

রণজয় বরাবরই এসব কথা উড়িয়ে দেয়৷ আজও দিল, ‘আরে ধুস! এই বয়সের বাচ্চা— এসব নর্মাল ব্যাপার৷ আজকালকার স্কুলের টিচাররাও যেমন, মায়েরাও হয়েছে তেমন৷ বাচ্চারা একটু দুষ্টুমি করলেই, ওরা যেন পারলে আন্তর্জাতিক আদালতে ছোটে!’

স্মিতা চিন্তিত মুখে বলল, ‘কিন্তু পড়াশোনায় অ্যাটেনশন না-থাকাটা তো খারাপ৷ এটা বেসিক শেখার বয়স৷ এখন যদি শেখায় খামতি থেকে যায়, পরে প্রবলেম হবে৷’

‘আরে আমিও ছোটোবেলায় ওই রকম ছিলাম৷ আমি কিন্তু সেকেন্ডারিতে স্ট্যান্ড করেছিলাম৷ ও তো আমারই ছেলে— বড় হলে দেখবে সব ঠিক হয়ে যাবে৷’

স্মিতা খাওয়া থামিয়ে রণজয়ের মুখের দিকে তাকাল, ‘তখনকার আর এখনকার কথা টোটালি আলাদা রণজয়৷ তাছাড়া, ও একা তোমার ছেলে? ও আমার ছেলে না? আমি কিন্তু ছোটো থেকেই পড়াশোনার প্রতি সিরিয়াস৷ ও কেন যে হচ্ছে না...’

রণজয় হাসল, ‘আরে কথায় আছে— বাপ-কা বেটা ৷ বাবা কীরকম ছিল, সেটা তো দেখতে হবে৷’

রণজয় মজা করেই কথাটা বলেছিল৷ কিন্তু স্মিতার চোখ-মুখ আচমকা উত্তেজিত হয়ে উঠল৷ ভাতের থালা থেকে হাত তুলে নিয়ে বলল, ‘কেন? ছেলে একা বাবার কেন? তার জন্মে মায়ের কোনও ভূমিকা নেই? ছেলের জিনে মায়ের জিন মিশে থাকে না? আনসার মি রণজয়...’

পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে৷

রণজয় তাড়াতাড়ি নরম গলায় বলল, ‘আরে, এটা তো একটা কথার কথা৷ আমি তো এমনিই বললাম৷ জাস্ট জোকস অ্যাপার্ট৷ তাতে এভাবে রিয়্যাক্ট করছ কেন?’

স্মিতার চোখের শিরাগুলো লাল হয়ে উঠেছে৷ ও ফুঁসতে-ফুঁসতে বলল, ‘সব জোক, ‘জোক’ হয় না রণজয়৷ এটা একটা মায়ের অধিকারের প্রশ্ন৷ তোমার মতো শিক্ষিত মানুষের কাছ থেকে আমি এটা আশা করিনি রণজয়৷ তাছাড়া তুমি বলছ মানে তোমার ছেলেও এগুলো শিখবে৷ তারপর তার ছেলে— তার ছেলে— তার ছেলে...’

রণজয় তাড়াতাড়ি চেয়ার সরিয়ে উঠে এলো৷ স্মিতার পাশে দাঁড়িয়ে, ওর মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে-দিতে বলল, ‘ঠিক আছে৷ আমি আর কখনও এরকম কিছু বলব না— কেমন? আরে বুবাইয়ের মুখটা তুমি ভালো করে দেখেছ? জাস্ট লাইক ইউ৷ তবে? তুমি যে এমন ছেলেমানুষী করো না থেকে-থেকে! আচ্ছা, তখন কিন্তু আংটি পরা অবস্থায় তোমাকে ভালো করে দেখিনি৷ এখন আরেকবার পরে দেখাবে— কেমন? নাও৷ লেটস কমপ্লিট দা ডিনার...’

সকল অধ্যায়
১.
ম্যাজিক শো থেকে শুরু...
২.
সকালের হেডলাইন
৩.
দুর্ঘটনার পরে
৪.
‘সে’ আছে আড়ালে
৫.
রাত এবং উপহার
৬.
আবার রহস্যময় অঘটন
৭.
নিঝুম দুপুরের আগন্তুক
৮.
একটি প্রশ্নোত্তর পর্ব
৯.
শান্তির স্নান
১০.
কেমন আছে অনুরাধা?
১১.
নতুন দিনের প্রস্তুতি
১২.
স্বাগত আমার ঘরে
১৩.
আবার ম্যাজিক-শো
১৪.
বুবাই কোথায়
১৫.
আবার বাড়িতে ফেরা
১৬.
আয়না, ওয়াইন, পুতুল এবং...
১৭.
বিভীষিকাময় রাত
১৮.
কোকিল মানে বসন্ত; কোকিল মানে...
১৯.
আরেকটি ‘কেন’
২০.
সাফারি টাইম
২১.
ক্রিস্টাল-ক্লিয়ার ক্রিস্টাল বল শপ
২২.
ত্রুটি সংশোধন
২৩.
নখ কেন কালো
২৪.
স্বচ্ছ স্ফটিক; ঘোলা স্ফটিক
২৫.
ঢাকা থাক, থাক ঢাকা...
২৬.
বেড়ানোর ছবি
২৭.
বহুদিন পর; আবার!
২৮.
নিষ্ফলতার আক্রোশ
২৯.
একটুর জন্য...!
৩০.
অ-সাক্ষাৎ এবং সাক্ষাৎ
৩১.
‘সে’ ছিল, ‘সে’ আছে...
৩২.
একটা অন্যরকম রবিবার
৩৩.
প্রচেষ্টা এবং অভিজ্ঞতা
৩৪.
অন্তিম প্রস্তুতি
৩৫.
দৃশ্য এবং অদৃশ্য
৩৬.
কোন সে সুদূর অতীত হতে...
৩৭.
রইল বাকি এক
৩৮.
জানা এবং অজানা
৩৯.
সময় এসেছে কাছে
৪০.
ইট’স ফাইন
৪১.
ঘন হয়ে উঠেছে অন্ধকার
৪২.
শব্দটীকা
৪৩.
সহায়ক গ্রন্থপঞ্জী

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%