আবার বাড়িতে ফেরা

শ্রীজিৎ সরকার

অনেকদিন পর বাড়ি ফিরল প্রণব৷ সেই যে গেছে, তারপর থেকে এই পর্যন্ত— কিছু না-হোক, মাস-ছয়েক তো কেটে গেছেই৷ এর মধ্যে বাড়ির লোকের সঙ্গে শুধু ফোনে-ফোনে যেটুকু যা কথাবার্তা হওয়ার হয়েছে৷

আগে প্রণবদের একতলা বাড়ি ছিল৷ তাতে ছিল টালির চাল আর মাত্র দুটো ঘর৷ বারান্দার একটা পাশ চাঁচের বেড়ায় ঘিরে রান্নাঘর বানানো হয়েছিল৷

আর এখন সেই বাড়ি দোতলা হয়েছে, মেঝেতে পাথর বসেছে, চিলের ঘরের পর্যন্ত পাকা ছাদ; দুটোর জায়গায় এখন উপর-নিচ মিলিয়ে ছ-টা ঘর৷

তবে এত ঘর থেকেই বা কী? স্থায়ী বাসিন্দা বলতে তো মাত্র দু-জন— প্রণবের মা রত্না, আর বোন হিয়া৷ বছরের বেশিরভাগ সময় তারা এই ফাঁকা বাড়ির সঙ্গে বাস করে৷

দাদাকে দেখে হিয়ার মুখটা উজ্জ্বল হয়ে উঠল৷ মনে-মনে খুশি হলেও, মুখে একটু রাগ দেখিয়ে বলল, ‘এতদিন পর মনে পড়ল আমাদের কথা?’

প্রণব হাসল, ‘কেমন আছিস?’

হিয়া কিছু বলার আগেই ভিতর থেকে রত্না বেরিয়ে এল, ‘আর কেমন আছি! বাড়ির থেকে একবার বেরোলে তো সব ভুলে যাস... আগে ভিতরে আয়৷ জামা-কাপড় ছাড়, ভাত দিচ্ছি৷ খেয়ে-দেয়ে নে৷ তারপর কথা বলা যাবে৷’

প্রণব বারান্দায় উঠে রত্নার পা ছুঁয়ে প্রণাম করল৷ তারপর অল্পকিছু কথাবার্তা সেরে নিজের ঘরে চলে গেল৷

দুপুর হয়েছে৷ চারদিক এখন একদম শান্ত৷ যতই মফসসল বলা হোক না কেন— আসলে তো এটা গ্রাম, এখানকার পরিবেশটাই তাই এইরকম৷ অনেকদিন টানা শহরের মধ্যে থাকছে বলে প্রণবের এই শান্ত ব্যাপারটাকে আশ্চর্য মনে হচ্ছে৷

প্রথম-প্রথম শহরে গিয়েও প্রণবের এইরকম মনে হত— এত রাতেও এই গাড়ি-ঘোড়ার আওয়াজ কেন, এই কাকভোরে মানুষ এইরকম চিৎকার করছে কেন, সন্ধ্যাবেলায় শাঁখের আওয়াজের বদলে খিস্তিখেউড় ভেসে আসছে কেন...

এখন ওটাই অভ্যাস হয়ে গেছে৷

প্রণব গাড়িতে করেই এসেছে৷ রাস্তা একদম অল্পও নয়, আবার এমনকিছু বেশিও নয়— এই একশো কিলোমিটার মতো৷ তবু কেমন যেন ক্লান্তি ঘিরে ধরছে৷

পোশাক বদলে, বেশ করে হাত-মুখ ধুতে প্রণবের ক্লান্ত-অবসন্ন ভাবটা অনেকটা কেটে গেল৷ জলটাও যেন কী অদ্ভুত ঠান্ডা আর আরামদায়ক! উহ! মনে হচ্ছে, কতদিন পর বোধহয় ও শরীরে জল লাগাল৷

আসলে যত যাই হোক, বাড়ি বলে কথা— তার সবকিছুতেই একটা আশ্চর্য প্রশান্তি!

আসার আগে প্রণব সবার সব পাওনা মিটিয়ে দিয়ে এসেছে৷ বলে দিয়েছে, আপাতত শো একমাসের জন্য বন্ধ থাকবে৷ প্রয়োজন বুঝে সময় বাড়তেও পারে, আবার না-বাড়তেও পারে৷ আর দরকার হলে ও নিজেই সবাইকে ফোন করে ডেকে নেবে৷

অর্গানাইজাররা কিছুটা রাগারাগি করছিল৷ অবশ্য সেটাই স্বাভাবিক৷ অনেকগুলো শো-ই তো আগে থেকে প্রি-বুকড ছিল৷ পরের শো-এর জন্য তো অল্প-বিস্তর প্রচার করাও শুরু হয়ে গিয়েছিল৷

প্রণব তাদের সমস্ত অ্যাডভান্স ফিরিয়ে দিয়েছে৷ আর সবাইকে যতটা সম্ভব নম্রভাবে আর গোপনীয়তা অবলম্বন করে নিজের অসুবিধার কথাটা বুঝিয়েছে৷ সবাইকে প্রণব বলেছে, মঞ্চে খেলা দেখাতে উঠলেই ওর কিছু মানসিক সমস্যা হচ্ছে৷ কখনও স্টেপগুলো ঠিকঠাক মনে করতে পারছে না, তো কখনও হাত স্টিফ হয়ে যাচ্ছে৷

ও ডাক্তার দেখিয়েছে৷ তিনি বলেছেন, কয়েকদিন সম্পূর্ণ বিশ্রাম নিতে৷ সলিল ছাড়া দলের বাকিরাও এই কথাই জানে৷

তবে একটা ব্যাপার আশ্চর্যজনক— রুমিকে সেদিন ওর ঘরেই পাওয়া গিয়েছিল৷ ও অকাতরে নিজের বিছানায় ঘুমাচ্ছিল৷ বাক্সে ঢোকা, তারপর সবকিছু ভুলে যাওয়া— ওর সঙ্গে ঠিক তাই-ই হয়েছিল, যা-যা প্রথম দুর্ঘটনার দিন যাজ্ঞসেনীর সঙ্গে হয়েছিল৷

কিন্তু প্রণবের সঙ্গে যা-যা হচ্ছে, এগুলো মনে হয় আগে কোনওদিন কারোর সঙ্গে হয়নি!

ঘরের দরজা ভেজিয়ে দিয়ে প্রণব খেতে এল৷

গতকাল সকালে ফোন করে প্রণব আজ বাড়ি আসার কথা জানিয়েছিল৷

দুপুরের আগেই ছেলে বাড়ি আসছে৷ এসে যে খাবে, সে তো বোঝাই যাচ্ছে৷ তাই রত্না সব ছেলের পছন্দের রান্নাগুলো করে রেখেছে— ধোঁকা ভাজা, কাঁচা-আম দিয়ে কইমাছের অম্বল, পার্শের গঙ্গা-যমুনা, কলাপাতায় মাংস, আনারসের চাটনি, মুগডালের গুজিয়া...

একে এতদিন পর বাড়ির খাবার প্রিয় রান্না, তার ওপর মায়ের হাতের রান্না— প্রণব খুব তৃপ্তি করে খাচ্ছিল৷

রত্না জিজ্ঞাসা করল, ‘এবার ক-দিন— তিন না চার?’

প্রণব খেতে-খেতেই বলল, ‘মিনিমাম একমাস৷’

রত্না আর হিয়া— দু-জনেই অবাক হল৷ শেষ কবে প্রণব টানা একমাস বাড়ি ছিল, ওদের মনে পড়ে না৷ প্রণব বছরের মধ্যে সবচেয়ে লম্বা ছুটি নেয় দুর্গাপুজোর সময়৷ সেটাও বড়জোর সাতদিন কি আটদিন৷

অবশ্য আজকাল দুর্গাপুজোর সময়ও ম্যাজিকের ভালো সিজন যায়৷ অনেক বড়-বড় ক্লাব থেকে শো করতে নিমন্ত্রণ পাঠায়৷ তারা ভালো অ্যাডভান্স দেবে, সমস্ত পাঁচতারা সুযোগ-সুবিধা দেবে৷ কিন্তু প্রণব ওই কটাদিন বাড়ির লোকের সঙ্গে কাটাতেই পছন্দ করে৷

রত্না আর হিয়ারও তখন মনে হয়, ভাগ্যিস প্রণব এসেছিল! নয়তো ওদের পুজোটাও তো পুরো পানসে কাটত৷ অবশ্য প্রণব যে পুজোর সময় খুব বাইরে বেরোয়, তা নয়৷ তবুও, বাড়িতে একটা জলজ্যান্ত মানুষ তো বাড়ে৷

হিয়া বলল, ‘তাও তুই আসলি, কটাদিন ভালো কাটবে৷ এমনিতে তো আমরা দু-জন ছাড়া কথা বলার লোক নেই৷ কবে থেকে বলছি একটা বউদি নিয়ে আয়...’

প্রণব থালা থেকে মুখ তুলল৷ বোনের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘দাঁড়া৷ এই একমাস তো থাকব, আগে তোর বিয়ের ব্যবস্থা করব৷’

রত্না প্রণবের থালায় আরেকটু ভাত দিয়ে বলল, ‘আড্ডা না রে পিনু৷ তোর বল কি আমার— বয়স তো কারোর আর থেমে নেই৷ আমি তো এই আছি এই নেই৷ হিয়ারও এবার বিয়ে দিতে হবে৷ আর কতদিন এইভাবে চলবে?’

প্রণব বিয়ে করতে একেবারে অনিচ্ছুক না৷ বিয়ের বয়স পেরিয়ে যাওয়ার মতো; আর্থিক সঙ্গতিও আছে৷ আসলে জীবনে পাকাপোক্তভাবে দাঁড়াতে গিয়ে এতদিন বিয়ে করা হয়নি৷ আর এখন হয়েছে সময়ের অভাব৷ যে দু-তিনদিন ছুটি পায়, ইচ্ছা করে নিশ্চিন্ত বিশ্রামে সেগুলো কাটিয়ে দিতে৷

প্রণব প্রসঙ্গটা ঘোরানোর জন্য বলল, ‘এর মধ্যে একদিন একটু এক জায়গায় যেতে হবে৷ কিছু দরকারি জিনিসপত্র কেনার আছে৷’

হিয়ার কলেজ, টিউশন, ছোটখাট নিমন্ত্রণ আর দোকান, ব্যাঙ্ক ইত্যাদির কাজকর্ম ছাড়া বড় একটা কোথাও বেরোনো হয় না৷ ও বলল, ‘আমাকে নিয়ে যাবি দাদা?’

প্রণবের একটু মুশকিল হল৷

এইদিন যেখানে প্রণব যাবে, সেখানে হিয়াকে নিয়ে যেতে ওর একটু আপত্তি আছে৷ কারণ সেখানে এমন মানুষদের যাওয়া আসা— যারা ঠিক স্বাভাবিক-সাধারণ না৷ হিয়া সরল, তার ওপর মেয়ে৷ কার মনের মধ্যে কী আছে...

এমন নয় যে, সেখানে মেয়েরা যায় না৷ কিন্তু হিয়ার সঙ্গে সেসব মেয়েদের আকাশ পাতাল পার্থক্য৷

প্রণব একটু ইতস্ততঃ করে বলল, ‘সেখানে গিয়ে আর তুই কী করবি? আমি যাব একটা কাজের জন্য৷ তার চেয়ে একদিন কলকাতায় যাওয়া যাবে৷ তুই, আমি আর মা৷ নিউমার্কেট যাবি?’

হিয়ার চোখ-মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠল, ‘হ্যাঁ৷ সেই ক-অ-বে-এ গিয়েছিলাম৷ এবার একজোড়া জুতো কিনব, আর একটা কালো লংকোট৷’

প্রণব ঘাড় নাড়ল, ‘তোর যা-যা লাগবে, একটা ফর্দ করে নিস৷ মায়েরও কী-কী লাগবে শুনে নিস৷’

রত্না এতক্ষণ চুপ করে ছেলে-মেয়ের কথা শুনছিল আর নিজেদের

খাবার বাড়ছিল৷ এবার বলল, ‘বুড়ি হয়ে গিয়েছি৷ আমার এখন আর কী লাগবে! তোর বোনের ফর্দ দেখিস, লরি নিয়ে যেতে হবে৷’

হিয়া মায়ের দিকে তাকিয়ে জিভ ভেংচাল৷

প্রণবের খাওয়া শেষ৷ ও উঠে গিয়ে হাত-মুখ ধুয়ে নিল৷ তারপর ঘরে এসে বিছানায় টানটান হয়ে শুয়ে পড়ল৷

কতদিন পর যে দুপুরের খাওয়া সেরে এমন নিশ্চিন্তে, হাত-পা মেলে, নিজের ঘরে, নিজের বিছানায় শুতে পারছে! এইভাবেই যদি বাকি জীবনটা কাটিয়ে দিতে পারত...

তবে শুলেই ঘুম আসে না প্রণবের৷ একটা বই বা খবরের কাগজে চোখ বোলাতে হয়৷ বেশিরভাগ দিন ও কোনও ম্যাজিক-সংক্রান্ত বইই বেছে নেয়৷

তবে আজ একটু আলাদা৷

তাক থেকে সঞ্চয়িতা টেনে নামাল প্রণব৷ সেই ছোটবেলায় যখন ও আবৃত্তি শিখত, তখন বাবা এই বইটা কিনে দিয়েছিল৷ আবৃত্তি অবশ্য খুব বেশিদূর শেখা হয়নি৷ তবে সেই সামান্য শিক্ষা ওর উচ্চারণ আর বাচনভঙ্গির উপর প্রভাব ফেলে দিয়েছিল— এখন মঞ্চে যার সুফল পাওয়া যাচ্ছে৷

আবৃত্তি না-শিখলেও, এর কতকগুলো কবিতা যে প্রণবের কতবার পড়া হয়ে গেছে! পড়তে-পড়তে পৃষ্ঠা হলুদ হয়ে এসেছে, বাঁধাই দুর্বল হয়ে পড়েছে; তবু আজও এর আকর্ষণ একটুও কম মনে হয় না৷

বই খুলতেই ‘দুঃসময়’ কবিতাটা ভেসে উঠল৷

এটা তো বোধহয় একশোবার পড়া হয়ে গেছে প্রণবের! তবু এখনও কত প্রিয়... ঠিক জাদুর খেলাগুলোর মতো— বহুবার দেখানোর পরও প্রতিবার নতুন রোমাঞ্চ৷

বারবার অন্যমনস্ক হয়ে পড়ছে প্রণব৷

ও শুনেছে, প্রথমদিনের সেই বীভৎস দৃশ্যটা নাকি কেউ একজন ভিডিও করেছে৷ আর সেই ভিডিও এখন ঘুরছে সোশ্যাল মিডিয়ায়৷ হিয়া পর্যন্ত দেখেছে৷

ঘটনাটা ঘটার পরেরদিনই তো হিয়া ফোন করেছিল প্রণবকে৷ খুব দুশ্চিন্তা করছিল ও৷ ভেবেছিল, ওর দাদা হয়তো জেলে আছে৷ প্রণব অনেক বুঝিয়ে বোনকে শান্ত করেছিল৷

তবে সরল হলেও হিয়া বুদ্ধিমতী মেয়ে৷ মাকে এসব ব্যাপারে ঘুণাক্ষরেও কিছু জানতে দেয়নি৷

তবে এখানে ভাগ্যও সুপ্রসন্ন বলতে হয়৷ রত্না অন্য কারোর থেকেও কিছু জানতে পারেনি৷ আজকাল তো সবাই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে৷ আশপাশের কেউ কি আর দেখেনি!

তবে এখানে এখনও অনেকেই জানে না যে, প্রণবই আসলে ‘জাদুকর অঘোরীলাল’৷ আর ওর মঞ্চের চেহারার সঙ্গে আসল চেহারা মেলানোটাও যথেষ্ট কঠিন৷ একে তো ওই চড়া মেক-আপ আর ঝলমলে সাজগোজ, তার ওপর মঞ্চে উঠলেই ও ভিতরে-বাইরে আপনা-আপনি বদলে যায়; আর ও নিজেও সেই বদলটা অনুভব করতে পারে৷

কিন্তু কে সেই জাদুকর— যে এমন করে ওর জীবনটাকে নাচাচ্ছে? তাকে কি ও চেনে? কী উদ্দেশ্য তার?

প্রশ্নগুলো প্রণবকে ভাবাচ্ছে... ভাবিয়েই চলেছে...

কিন্তু সমাধান কই? অবশ্য সমাধান তো দূরস্ত, প্রণব উত্তরের টিকিটাও খুঁজে পাচ্ছে না৷ উৎস জানলে তবে তো উৎপাটন৷

মনটাকে একটু বিশ্রাম দেওয়ার জন্য প্রণব জোর করে কবিতায় মন বসাল৷ অনেকদিন পর আবার নিচু স্কেলে সুরেলা কিছু বেরিয়ে এলো ওর স্বরযন্ত্র থেকে:

‘এ নহে মুখর বনমর্মরগুঞ্জিত,

এ যে অজাগর গরজে সাগর ফুলিছে৷

এ নহে কুঞ্জ কুন্দকুসুমরঞ্জিত,

ফেনহিল্লোল কলকল্লোলে দুলিছে৷

কোথা রে সে তীর ফুলপল্লব পুঞ্জিত,

কোথা রে সে নীড়, কোথা আশ্রয়শাখা৷

তবু বিহঙ্গ, ওরে বিহঙ্গ মোর

এখনই, অন্ধ, বন্ধ কোরো না পাখা...’

সকল অধ্যায়
১.
ম্যাজিক শো থেকে শুরু...
২.
সকালের হেডলাইন
৩.
দুর্ঘটনার পরে
৪.
‘সে’ আছে আড়ালে
৫.
রাত এবং উপহার
৬.
আবার রহস্যময় অঘটন
৭.
নিঝুম দুপুরের আগন্তুক
৮.
একটি প্রশ্নোত্তর পর্ব
৯.
শান্তির স্নান
১০.
কেমন আছে অনুরাধা?
১১.
নতুন দিনের প্রস্তুতি
১২.
স্বাগত আমার ঘরে
১৩.
আবার ম্যাজিক-শো
১৪.
বুবাই কোথায়
১৫.
আবার বাড়িতে ফেরা
১৬.
আয়না, ওয়াইন, পুতুল এবং...
১৭.
বিভীষিকাময় রাত
১৮.
কোকিল মানে বসন্ত; কোকিল মানে...
১৯.
আরেকটি ‘কেন’
২০.
সাফারি টাইম
২১.
ক্রিস্টাল-ক্লিয়ার ক্রিস্টাল বল শপ
২২.
ত্রুটি সংশোধন
২৩.
নখ কেন কালো
২৪.
স্বচ্ছ স্ফটিক; ঘোলা স্ফটিক
২৫.
ঢাকা থাক, থাক ঢাকা...
২৬.
বেড়ানোর ছবি
২৭.
বহুদিন পর; আবার!
২৮.
নিষ্ফলতার আক্রোশ
২৯.
একটুর জন্য...!
৩০.
অ-সাক্ষাৎ এবং সাক্ষাৎ
৩১.
‘সে’ ছিল, ‘সে’ আছে...
৩২.
একটা অন্যরকম রবিবার
৩৩.
প্রচেষ্টা এবং অভিজ্ঞতা
৩৪.
অন্তিম প্রস্তুতি
৩৫.
দৃশ্য এবং অদৃশ্য
৩৬.
কোন সে সুদূর অতীত হতে...
৩৭.
রইল বাকি এক
৩৮.
জানা এবং অজানা
৩৯.
সময় এসেছে কাছে
৪০.
ইট’স ফাইন
৪১.
ঘন হয়ে উঠেছে অন্ধকার
৪২.
শব্দটীকা
৪৩.
সহায়ক গ্রন্থপঞ্জী

নোট নিতে এবং টেক্সট হাইলাইট করতে লগইন করুন

লগইন
০%